"দেখতে যদি হয় বাসনা, চলে যাও ঘড়ির কাছে/ যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে, ঘড়ির ভেতর লুকাইয়েছে..."
jsl | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১০:৫৬735872
আমার মাথার ভিতরর্টা যদি ছবি তুলে দেয় হুলুস্থুলু লঙ্ককাণ্ড হাত চোখ ছোটভাই জিভ ঠোঁট কেটে ডালকুত্তাদের মাঝে বন্ধু পরিজন বিবাহ সমাজ বিচ্ছেদ, দেশনিকালা সকলে বলবে গিয়ে থাক তুই শিম্পাঞ্জিদের মাঝে ওরা বুঝবে না শিম্পাঞ্জিরা তো আমায় দলে নেবে না, খাইয়ে দেবে সিংহ দিয়ে বরং।
মাথার ভেতরটার ছবি যদি তোলে কেউ অন্ধকার অলম্বুষ চতুর্দশপদী মাকড়সার ঝুল তেলচোরা খরখরে শুঁড় নিয়ে চেটে খায় পুরাতন তেল
তবে বলা যায় না, হয়তো নোবেল কমিটি দিয়ে দিল সান্ত্বনা পুরস্কার একপিস, চাপড়ে দিলেন পিঠ লালন ফকির এক গাল হেসে, আমেরিকার রাষ্ট্রপতি একান্তে পররাষ্ট্রনীতি, বলা যায় না কিছু।
সে সকল যাক। আমি ভাবি কেউ যদি মাথার ভেতরের ছবি তোলে কেউ বোমারু বৈমানিকের, হাল্লা ও শুন্ডীর রাজার ছাতচরা পুলিশের, সদাহাস্য সাহিত্যিক আমলা
কিছু মনে আসে না আর। হাঁটার সময় চোখেমুখে বাতাসের ছিটে লাগে নির্বাক। পথটুকু এবড়োখেবড়ো নয় বলে স্বস্তি এসেছে।
ওটুকুই। তার বাইরে কিছু নেই। ভিতরও শূন্যতর। চোখেমুখে বাতাসের ছিটে, অবয়বহীন শ্বাস-প্রশ্বাস প্রসূত স্বেদকুঁড়িদের বিন্দু আকাঙখা ছাড়া সবকিছু নির্জীব, সাবলীল।
"ব্রুনেই-এর সুলতান ছাগলের কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়ে মুগ্ধ হয়ে জ্বালানি তেল ও গ্যাস দিতে রাজি হয়েছেন।কয়েকটা জীবন্ত ছাগলও উপহার দেয়া হয়েছে তাকে। এই গোট ডিপ্লোমেসি লোডশেডিং কমাতে নিশ্চয়ই কাজে দেবে। জাতীয় স্বার্থে ছাগলের এই গভীর আত্মত্যাগের কথা যেন আমরা ভুলে না যাই।"
#IamAvijit “মৌলবাদের উত্সমুখ যতদিন বন্ধ না হবে, ততোদিন অসির বিরুদ্ধে মসির অসম লড়াই চলতেই থাকবে। অন্যদিকে, আমরাও মুক্তমনার সংগ্রাম এগিয়ে নিতে মরীয়া। মৌলবাদের ছুরির নীচে গলা পেতে দিতে সর্বদাই প্রস্তুত। আর নির্মম বাস্তবতা এই যে, শেষ পর্যন্ত হত্যা করে অভিজিতদের শেষ করা যায় না। কারণ আমরা আসলে একেকজন রক্তবীজের ঝাড়। যতোবারই হত্যা করো, ততোবারই আমরা জন্মাবো। অভিজিতের মরণ নাই। আমিই অভিজিৎ।”
২৬ ফ্রেব্রুয়ারি অভিজিৎ হত্যা দিবস, ২৬ ফেব্রুয়ারি মুক্তমনা দিবস
"এই প্রথম শাহরুখ খানের মুভি দেখলাম। তাও হলে গিয়া। এতদিন যে তার কোনো মুভি দেখি নাই, ব্যাপারটা বেশ ভালোই ছিল। মুভি না দেইখা এতদিন বুঝতাম না তার 'ম্যাজিক'টা কী। কেন সে এত জনপ্রিয়। আজকে মুভি দেইখাও বুঝলাম না। তবে হলভর্তি মানুষের চিল্লাচিল্লি, উল্লাস ভালোই লাগসে৷ কত হাস্যকর, তুচ্ছ, আজাইরা কারণে খুশি হইতে পারে মানুষ! শিক্ষনীয় ব্যাপার। মাঝে মাঝে এরকম অভিজ্ঞতার দরকার আছে৷ এমনিতে মুভিটা উচ্চ প্রযুক্তিতে ধারণ করা যাত্রাপালার মতো লাগসে। হাসাহাসি কইরা ভালোই সময় কাটাইসি আমি আর শান্ত। পিওর ফান।"
সারা পৃথিবীতেই নানান রকম ভয়ানক জিনিসপত্র হয় যা শুনলে মনে হয় এসব আবার হয় নাকি, এ নিশ্চয় রসিকতা। যতদিন এসব দূরের জিনিস থাকে ততদিন গায়েও লাগে না। আস্তে আস্তে এগিয়ে এসে ঘাড়ের ওপর পড়ে, তখন আর কিছু করার থাকে না। নিজের ঘরে হলে চমকে উঠতে হয়, তাও মনে হয় আমার তো কিছু হয়নি।
আগরতলার পাট চুকেছে বেশ কয়েক দশক হল। তাও নিজেকে আগরতলার লোক বলে পরিচয় দিই। সম্প্রতি আগরতলার ঘটনাবলী দেখে ঐরকম লাগছে - বাস্তব না রসিকতা গুলিয়ে যাচ্ছে।
কদিন আগে দেখলাম মূর্তি পছন্দ হয়নি বলে আর্ট কলেজের সরস্বতী পুজোয় এবিভিপি এসে ওড়না ও বজরং দল এসে ঠোঙা চাপিয়েছে। ধর্মভিত্তিক সংগঠন এসব করবে - এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু অবাক হলাম, ছাত্রছাত্রীদের কোন বক্তব্য কোথাও চোখে পড়লো না। ত্রিপুরার শিল্পী সাহিত্যিকদের কোন বক্তব্য চোখে পড়লো না কোথাও। শিল্পের সংজ্ঞা, ঔচিত্য ও সীমা বিষয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী চারুকলা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পাঠ দেবে কোন রাজনৈতিক বাহিনী, এইটা গ্রহণযোগ্য না। আর এইটা বিনা প্রতিবাদে ও প্রতিরোধে মেনে নিতে দেখাটা ভয়ের। যারা ঠোঙা পরিয়েছে তাদের থেকে বড় চিন্তা যারা মেনে নিয়েছে তাদের নিয়ে - একটা শিল্পকর্ম নিয়ে তার স্রষ্টার কোন প্রতীতি নেই - এ কেমন কথা! মূর্তি ভালো হয়েছে কি হয়নি, শাস্ত্রসম্মত কিনা, সেসব কথা অপ্রাসঙ্গিক। দুটি রাজনৈতিক সংগঠন একটা কলেজে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের কাজে নাক গলাতে পারে বিনা প্রতিরোধে, এটাই ভয়ের।
তারপর সিংহ সিংহীর নামকরণ। আকবর আর সীতা নামে সিংহ আর সিংহীর নাম নিয়ে একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল মামলা করেছে দেখে অনেকের সঙ্গে আমারও হাসি পেয়েছিল। ভেবেছিলাম ভারতীয় আদালতে শুনতে পাই অসংখ্য নিষ্পত্তি না হওয়া বিচারাধীন মামলা, নিশ্চয় এমন অনর্থক জিনিস নিয়ে মামলা করায় মামলাকারীদের বিচারক বকাঝকা করে ভাগিয়ে দেবেন। ক'দিন পর দেখলাম বিচারক কর্তৃপক্ষকে ভর্ৎসনা করেছেন এইসব নামের জন্য।
তারপর দেখলাম ত্রিপুরার একজন বরিষ্ঠ বনকর্তা এই কারনে সাসপেন্ড হয়ে গেছেন।
এবং যথারীতি, কর্ণবিদারী নিস্তব্ধতা। মানুষ যাঁদের মুক্তচিন্তা চর্চার অগ্রদূত ভাবে সাধারনত, সেরকম কারো কন্ঠ কানে পৌঁছয় না।
হয়তো তাঁরা বলেন, কে জানে, স্থানীয় বৃত্তে, ঘনিষ্ঠ বৃত্তে। কিন্তু দূরে বসে সেসব কানে পৌঁছয় না। খারাপ খবরগুলি পোঁছয়, তার কাউন্টার কিছু শুনতে পাই না।
একেক সময় ভয় হয়, হয়তো তাঁদের মধ্যেও একটি বড় অংশ এসব সমর্থন করেন। কে জানে।
আজ শুনলাম বইমেলায় নীহারিকা প্রকাশনার সুসজ্জিত তোরন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হয়তো নিয়ম মেনেই ভাঙা হয়েছে, ছবি দেখেছিলাম, সুন্দর দেখাচ্ছিল, কোন নিয়ম লংঘন হয়েছিল হয়তো।
এর সঙ্গে রাজনীতির কোন যোগ নেই এমনটা ধরে নেওয়া সমীচিন, কারন ত্রিপুরার মূলধারার সাহিত্যচর্চা ইদানীং সযত্নে 'অরাজনৈতিক', অন্তত দূর থেকে যতটা দেখতে পাই। ব্যতিক্রম আছে, সেই সন্ধান সামান্য পাই। তবে তারা দলছুট, ব্যতিক্রম।
সে যাই হোক। কিন্তু এই বিষয়েও মোটের ওপর কর্ণবিদারী নিস্তব্ধতা। শিল্প, সাহিত্য, সৃষ্টিশীলতার জগতে শ্মশানের শান্তি পীড়াদায়ক। কোন কিছু নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করা, আপত্তি জানানো কি আজকাল উঠে গেছে, নাকি সবাই আসলে ভয়ানক সন্তুষ্ট, এইসবই আদর্শ ব্যাপার স্যাপার? ধন্দ হয়।
সুমন লিখেছিলেনঃ
..."শাসন করে মুর্খ চোখ রাঙায় দলবল ... সঙের আরশিতে সময় -এর মুখ রাংতায় মোড়া যুগের অসুখ নির্বোধের দল বলে, সাবাস এই তো চাই বিদায় পরিচিতা আকাশ অবাক তার কাছে যাই"...
কী আর করা যাবে। সৃষ্টিকর্ম হোক অরাজনৈতিক, নিরাপদ ও বিবর্ণ। পেছন দিকে এগিয়ে যাই।
পড়াশুনো করতে তো আমার কোন কালেই ভালো লাগে না। কথা বলাও এমন কিছু মজার কাজ না। বন্ধুত্ব, প্রেম এসব অবশ্য চমৎকার জিনিস। তবে এগুলি ভালো লাগছে কী লাগছে না তা বোঝার জন্যে বেঁচে তো থাকতেই হবে।
২০১৫ সালের ১১ মার্চ ব্লগার বন্যা আহমেদ ফেসবুকে লিখেছিলেন,
"I truly appreciate the outpouring of support I have received from Bangladeshi and international communities. As we work towards justice, I encourage everyone to share my first formal statement to BBC and Center for Inquiry:
My husband, Avijit Roy, wrote about science and rationalism and critiqued religious fundamentalism. Because of this, he was murdered. On February 26, 2015, he and I were attacked in a crowded area on the Dhaka University campus. Avijit was hacked to death by a machete; I survived. As his wife, fellow writer, and a freethinker, I strongly condemn this gruesome act of terror. The Dhaka University campus has historically been a space for progressive movements. It is also where Avijit grew up. Despite the death threat, we could not fathom that such a heinous crime could take place in such an area—a crime not only against a person, but against freedom of speech and humanity. While Avijit and I were being ruthlessly attacked, the local police stood close by and did not act. Now, we demand that the Bangladeshi government do everything in its power to bring the murderers to justice. I do not believe that simply catching the killers will be enough. I urge the government to address terrorism and stop a legal culture of impunity, where writers can be killed without the killers being brought to trial. I urge the world to recognize what has happened and join us in this demand for justice.
মনখারাপ, কলেজ ফুরিয়ে গেল, ৩ বছরের ১ বছর করোনা খেয়ে নিয়েছিল, বাকি দু বছর অফলাইনে হুশ করে কেটে গেল- এদিকে যুদ্ধ আসছে জগতজুড়ে, ওদিকে একবার কলেজ ফুরোলে কবে কোন ইউনিতে মাস্টার্স এর সুযোগ পাব জানিনা- ততদিন বাড়িতে বসে থাকতে হবে একাবোকা, কলেজে গেলে তবু দুটো-চারটে মানুষের মুখ দেখতে পাই রাস্তাঘাটে, এদিকে কেউ কেউ আইআইটি যাবে তো কেউ আইএসআই, ভবিষ্যৎ সোনার জলে লেখা হয়ে গেল তাদের- কাল এসসি ম্যামের লাস্ট ক্লাস চিরজীবনের মতো, যদি না আবার কোথাও সুযোগ না পেয়ে কলেজেই ডাটা সায়েন্সে মাথা মুড়োতে ঢুকতে হয়, এসসি ম্যামের ক্লাস আর কোনোদিন করতে পারব না ভেবেই ভালো লাগেনা, কোথাও পাবো আর এসসি, এমডি, পিজি, ডিএস, এসডি র মতো প্রফেসরদের, এতোদিন আগলে রাখলেন যাঁরা, আমার মতো অযোগ্যের চোখেও নেশা ধরিয়ে দিলেন, ভাবিইনি কোনোদিন কোনো অঙ্ক বা অঙ্ক সম্পর্কিত কোনো বিষয় নিয়ে এগোব উচ্চশিক্ষার চৌকাঠে- জানিনা হালভাঙা পালছেঁড়া তরী চলেছে কোন নিরুদ্দেশে, কী আছে শেষে......
কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এককালীন বা ধারাবাহিক ভাবে গুরুভার বহন করুন।
বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে,
মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা,
কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
আমাদের কথা
আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের
কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি
জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
বুলবুলভাজা
এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ।
দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও
লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
হরিদাস পালেরা
এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে
পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান
নিজের চোখে...... আরও ...
টইপত্তর
নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান।
এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর।
... আরও ...
ভাটিয়া৯
যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই,
সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক
আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
টইপত্তর, ভাটিয়া৯, হরিদাস পাল(ব্লগ) এবং খেরোর খাতার লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব, গুরুচণ্ডা৯র কোন দায়িত্ব নেই। | ♦ :
পঠিত সংখ্যাটি ১৩ই জানুয়ারি ২০২০ থেকে, লেখাটি যদি তার আগে লেখা হয়ে থাকে তাহলে এই সংখ্যাটি সঠিক পরিমাপ নয়। এই বিভ্রান্তির জন্য আমরা দুঃখিত।
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি।
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি
বার পঠিত
সকলকে জানান
উপরে যে কোনো বোতাম টিপে পরিচিতদের সঙ্গে ভাগ করে নিন
গুরুচন্ডা৯ বার্তা
গুরুতে নতুন?
এত নামধাম দেখে গুলিয়ে যাচ্ছে? আসলে আপনি এতদিন ইংরিজিতে সামাজিক মাধ্যম দেখে এসেছেন। এবার টুক করে বাংলায়ও সড়গড় হয়ে নিন। কটা তো মাত্র নাম।
গুরুর বিভাগ সমূহ, যা মাথার উপরে অথবা বাঁদিকের ভোজনতালিকায় পাবেনঃ
হরিদাসের বুলবুলভাজা : গুরুর সম্পাদিত বিভাগ। টাটকা তাজা হাতেগরম প্রবন্ধ, লেখালিখি, সম্ভব ও অসম্ভব সকল বিষয় এবং বস্তু নিয়ে। এর ভিতরে আছে অনেক কিছু। তার মধ্যে কয়েকটি বিভাগ নিচে।
শনিবারের বারবেলা : চিত্ররূপ ও অক্ষরে বাঙ্ময় কিছু ধারাবাহিক, যাদের টানে আপনাকে চলে আসতে হবে গুরুর পাতায়, ঠিক শনিবারের বারবেলায়।
রবিবারের পড়াবই : পড়া বই নিয়ে কাটাছেঁড়া সমালোচনা, পাঠপ্রতিক্রিয়া, খবরাখবর, বই নিয়ে হইচই,বই আমরা পড়াবই।
বুধবারের সিরিয়াস৯ : নির্দিষ্ট বিষয় ধরে সাপ্তাহিক বিভাগ। ততটা সিরিয়াসও নয় বলে শেষে রয়ে গেছে ৯।
কূটকচা৯ : গুরু কিন্তু গম্ভীর নয়, তাই গুরুগম্ভীর বিষয়াশয় নিয়ে ইয়ার্কি ফুক্কুড়ি ভরা লেখাপত্তর নিয়েই যতরাজ্যের কূটকচা৯। কবে কখন বেরোয় তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই।
হরিদাস পাল : চলতি কথায় যাদের বলে ব্লগার, আমরা বলি হরিদাস পাল। অসম্পাদিত ব্লগের লেখালিখি।
খেরোর খাতা : গুরুর সমস্ত ব্যবহারকারী, হরিদাস পাল দের নিজের দেয়াল। আঁকিবুঁকি, লেখালিখির জায়গা।
টইপত্তর : বিষয়ভিত্তিক আলোচনা। বাংলায় যাকে বলে মেসেজবোর্ড।
ভাটিয়া৯ : নিখাদ ভাট। নিষ্পাপ ও নিখাদ গলা ছাড়ার জায়গা। কথার পিঠে কথা চালাচালির জায়গা। সুতো খুঁজে পাওয়ার দায়িত্ব, যিনি যাচ্ছেন তাঁর। কর্তৃপক্ষ দায়ী নন।
লগিন করে থাকলে ডানদিকের ভোজনতালিকায় যা পাবেনঃ
আমার গুরুঃ আপনার নিজস্ব গুরুর পাতা। কোথায় কী ঘটছে, কে কী লিখছে, তার মোটামুটি বিবরণ পেয়ে যাবেন এখানেই।
খাতা বা খেরোর খাতাঃ আপনার নিজস্ব খেরোর খাতা। আঁকিবুকি ও লেখালিখির জায়গা।
এটা-সেটাঃ এদিক সেদিক যা মন্তব্য করেছেন, সেসব গুরুতে হারিয়ে যায়না। সব পাবেন এই পাতায়।
গ্রাহকরাঃ আপনার গ্রাহক তালিকা। আপনি লিখলেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকরা পাবেন নোটিফিকেশন।
নোটিঃ আপনার নোটিফিকেশন পাবার জায়গা। আপনাকে কেউ উল্লেখ করুক, আপনি যাদের গ্রাহক, তাঁরা কিছু লিখুন, বা উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটুক, জলদি পেয়ে যাবেন নোটিফিকেশন।
বুকমার্কঃ আপনার জমিয়ে রাখা লেখা। যা আপনি ফিরে এসে বারবার পড়বেন।
প্রিয় লেখকঃ আপনি যাদের গ্রাহক হয়েছেন, তাদের তালিকা।