"এই লজ্জা কার ?ভোটের দায়িত্ব নিতে আমরা প্রথমে গিয়েছিলাম শহীদ মাতঙ্গিনী হাজরা ওম্যান'স কলেজ,তমলুক DCRC দায়িত্ববোধে, কর্তব্যে, দেশের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারে।
বাইরে সব কিছু ছিল সাজানো,সুন্দর, ঝকঝকে;
দেখলে মনে হয়,সব কিছু একদম পারফেক্ট।
কিন্তু ভেতরে?
ভেতরে লুকিয়ে ছিল এক নির্মম, লজ্জাজনক সত্য।
লেডিস টয়লেট!
যেটা জন্মলগ্ন থেকে পরিষ্কার হয় নি মনে হয়,
তাই সেটাকে টয়লেট বলা যায় না,
এ যেন অবহেলার আঁস্তাকুড়,
অপমানের এক নিঃশব্দ কবরস্থান।
মেঝেতে জমে থাকা নোংরা জল,
যেখানে পা রাখলে জুতো ডুবে যায়
জল বেরোনোর কোনো পথ নেই,
পরিষ্কারের কোনো চিহ্ন নেই।
আর সবচেয়ে যন্ত্রণার
টয়লেটে ব্যবহারের জন্য জলই নেই।
ভাবুন একবার
দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ হতে আসা
প্রতিটি মহিলা কর্মী,
কতটা বাধ্য হলে এই পরিস্থিতির মধ্যে নিজেকে ঠেলে দেয়!
নিমতৌড়ি DCRC-তে যে সব মহিলারা গিয়েছিলেন,
প্রত্যেকেই এই অব্যবস্থার শিকার।
প্রত্যেকেই বিস্মিত, প্রত্যেকেই ঝুঁকির মধ্যে,সংক্রমণের ভয়ে আতঙ্কিত!
এই কি আমাদের প্রাপ্য?
এই কি সেই সম্মান, যা মহিলা কর্মীদের পাওয়ার কথা?
কোটি কোটি টাকার নির্বাচনের আড়ালে
যদি এই বাস্তব লুকিয়ে থাকে,
তাহলে সেই আড়ম্বরের কোনো মূল্যই নেই।
এ শুধু অব্যবস্থা নয়
এ এক নীরব অবহেলা,
যা আমাদের স্বাস্থ্য, মর্যাদা আর নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে।
আজ তাই শুধু অভিযোগ নয়,
এ এক প্রতিবাদ।
প্রতিটি মহিলার কণ্ঠস্বর হয়ে,
আমি এই অমানবিক অবস্থার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি
এবং অবিলম্বে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছি।
কারণ স্বাস্থ্যের সাথে কোনো আপোষ নয়
পরিষেবা চাওয়া কোনো বিলাসিতা নয়,
এটা আমাদের অধিকার।"
জনৈক মহিলা ভোটকর্মীর অভিজ্ঞতা!