এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | ১৫ আগস্ট ২০২৬ ০২:১৯558923
  • হ্যাঁ...

    ম্যায় বাপস আউঙ্গা সিনেমাটা নিয়ে অনেকেই লিখছে, আমিও দেখে ফেললাম। দেখতে দেখতে নানা কথা বলাবলি করছিলাম, নানান জিনিস মনে হচ্ছিল। সিনেমার নির্মান, গানের ব্যবহার- এইসব তো একরকম। নানান জিনিসে বাংলার গান কবিতা মনে পড়ছিল। প্রবাসী মানুষের মনোভাব বিষয়ে নিভির একটা সংলাপ শুনে মনে পড়লো পরের জাগা পরের জমিন। গানের মূল আলাদা যদিও কিন্তু তাতে কী, একেক স্তর একেকজনের কাছে একেক রকম। অঞ্জন দত্ত'র একটা গান আছে - সময় ছুটে চলে/ আমি আটকে পড়ে রই/ আমার রাস্তা কাটে আমি কাটি না/ চোখে নিয়ে স্বপ্ন বুকে নিয়ে অনেক অনেক কথা/ আমার বয়স বাড়ে, আমি বাড়ি না। তবে এসব বাহ্য।

    কথা হচ্ছিল এই দেশভাগের ক্ষত, এই আবেগ, এই ট্র‌্যাজেডি পরের প্রজন্মগুলি মনে রাখবে কিনা, নাকি আমরাই শেষ এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে। তাতে কথা হচ্ছিল পাঞ্জাবীরা চর্চা করেন, পার্টিশন আর্কাইভ, পার্টিশনের বিপর্যয় নিয়ে। কমবয়সীরাও, এমনকি প্রবাসীরাও। এইসব জিনিস নিয়ে বাঙালীদের সঙ্গে কিছু মূলগত তফাত দেখি। পাঞ্জাব ও বাংলা দুয়েরই বিংশ শতকের অনেকখানি ইতিহাস রক্তাক্ত বিপর্যস্ত ও করুণ, যার পুরোটাই এড়ানো যেত বলেই মনে হয়।

    তো বাঙালীদের দেখি পার্টিশন নিয়ে একরকম, ওদিকে সত্তর নিয়ে বাঁধা বুলি কিছু বিপথগামী যুবক ইত্যাদি। সহানুভূতি আছে কিন্তু হরেদরে দোষটা ওদেরই আরকি। উল্টোদিকে পাঞ্জাবে খালিস্তান, ৮৪ থেকে শুরু করে অনেকখানি সময় - অন্য সুর শুনি। সেখানে পন্থাকে সমর্থন না করলেও যে সামান্য যে কয়েকজন বর্ষীয়ান পাঞ্জাবীদের সঙ্গে কথা হয়েছে, তাদের কথায় রাষ্ট্রীয় দমনের বিভৎসতাটা বড় হয়ে এসেছে। বাঙালীদের কাছে, পুরো দায় ও দোষটা নিজেদেরই- এরকম। এই মনোভাব কেন, সেটা ভাবতে গিয়ে অবধারিত ভাবেই ছিনিয়ে খায়নি কেন গল্পটা মনে পড়ে যায়। পাঞ্জাবের ক্ষেত্রে এত বিভত্সতার পরেও একরকম রাষ্ট্রীয় সহানুভূতি ও কিছু পুনর্বাসন হয়েছে। কিন্তু একটা লেভেলের কোমর ভেঙে যাওয়ার পর আর হয়তো কিছুই করার থাকে না আর, মনে হয় এ আমার নিজেরই দোষ।

    আমার বাবার বাড়ি-তে দু'টো লাইন আছে - "আমাদের যাদের বয়েস স্বাধীনতার বয়েসের পাশাপাশি তারা ছোটবেলায় প্রায়ই একটা অদ্ভুত প্রশ্নের মুখোমুখি হতাম, দেশ কই? উত্তরে যে দেশের নাম বলার রীতি ছিলো যেমন ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, নোয়াখালী সব ছিলো ভারতের ম্যাপের বাইরে সবুজ এলাকায়।" সিনেমায় নিভি একটা আসরে বলে আমার ঠাকুর্দা মনে মনে সরগোদায় থাক, সঙ্গে সঙ্গে জমায়েত অন্যরা কেউ বললো আমার ঠাকুর্দা রাওয়ালপিন্ডি, কেউ বললো আমার ঠাকুমা লাহোর, কেউ বললো করাচি।
    তো এই সিনেমাগুলি, পপুলার বৃত্তে, যদি বাকি দেশকে মনে করিয়ে দিতে পারে যে স্বাধীনতা কিসের মূল্যে কাদের প্রাণের দামে এসেছে... লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ নিরীহ বিস্মৃত নরনারীর কথা ভেবে যদি সিনেমা হলে পপকর্ন হাতেও কারো চোখে দু ফোঁটা অশ্রু ঝরে, ঐটুকুই নাহয় হোক।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১৫ আগস্ট ২০২৬ ০১:০৬558922
  • কথা বার্তা অনেক পিছনে চলে গেছে তবু মনে হল কথাটা তাই লিখে যাই। আমার মনে হয় নেতাজিকে নিয়ে মানুষের এত রূপকথা বোনা, তিনি ফিরে আসবেন অপেক্ষায় থাকা, মানুষের থেকেও বড়ো একটা প্রতিমা তৈরি করে ফেলা এর কারণ কী? কারণ হলো স্বাধীনতার পর থেকে যে সরকারই কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল ধীরে ধীরে বাংলাকে গুরুত্বহীন করে যাওয়ার চেষ্টা করে গেছে। কেন্দ্রীয় রাজনীতি থেকে মুছে গেছে একে একে। নেতাজি সেখানে বাঙালির শেষ গ্লোবাল রাজনীতিবিদ। বাঙালি সবসময় ভেবেছে নেতাজি থাকলে হাতি ঘোড়া যাই হোক, বাংলা এরকম ভাবে প্রথম পাতা থেকে ছয়ের পাতায় চলে যেত না। এটা হয়তো বাঙালির ফ্যান্টাসি। ইংরেজ আমলে যে জায়গা বিদ্রোহ আর আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল, ভবিষ্যত শাসক ভয় পেয়ে তার ডানা ছা টার চেষ্টা করে গেছে ক্রমান্বয়ে।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১৫ আগস্ট ২০২৬ ০১:০০558921
  • এঁকে দেখেও ঠিক ওই বেগুনি গোবর কালো ট্র্যামপুলিন এসব মনে হল বটে। যাগ্গে যাক।
  • দীপ | ১৫ আগস্ট ২০২৬ ০০:৪৪558920
  • এখানেও এই পণ্ডিতদের দেখা যায়! নিজেদের একটা ক্লাব চালানোর মুরোদ নেই; সবার পিণ্ডি চটকে বেড়াচ্ছে!
  • দীপ | ১৫ আগস্ট ২০২৬ ০০:৪২558919
  • "বাঙালি নৈয়ায়িক—বাঙালি অতি সূক্ষ্ম যুক্তিতে বিতর্ক করে। কর্ম উদ্যোগের আরম্ভ থেকে শেষ পর্যন্ত বিপরীত পক্ষ নিয়ে বন্ধ্যাবুদ্ধির গর্বে প্রতিবাদ করতে তার অদ্ভুত আনন্দ, সমগ্র সৃষ্টির চেয়ে রন্ধ্র সন্ধানের ভাঙন-লাগানো দৃষ্টিতে তার ঔৎসুক্য; ভুলে যায় এই তার্কিকতা নিষ্কর্মা বুদ্ধির নিষ্ফল শৌখিনতামাত্র। আজ প্রয়োজন হয়েছে তর্কের নয়, স্বতঃউদ্যত ইচ্ছার। বাঙালির সম্মিলিত ইচ্ছা বরণ করুক তোমাকে নেতৃত্বপদে, সেই ইচ্ছা তোমাকে সৃষ্টি করে তুলুক তোমার মহৎ দায়িত্বে, সেই ইচ্ছাতে তোমার ব্যক্তিস্বরূপকে আশ্রয় করে আবির্ভূত হোক সমগ্র দেশের আত্মস্বরূপ।"
     
    রবীন্দ্রনাথ
  • Srimallar | ১৫ আগস্ট ২০২৬ ০০:০৩558918
  • ভাটিয়ালিতে আসা হয় না। এসে দেখছি সমুদ্ররচনা চলছে! সে চলুক। চলুক।
  • r2h | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪০558917
  • কী কান্ড। কেকে রাগ করেনি দেখে @কেকে বিশাল রেগে গেছেন। তবে কথা সইত্য। এইসব বেগুনি গোবর তোতা বিষ ট্র‌্যাম্পোলিনে গল্প, এইসবই মনে হয়। বুঝভুম্বুলের অভিজ্ঞতাটা পড়ে ভালো লাগলো। ষোল সতেরো বছর আগে সল্ট লেকের কোন একটা জনবিরল ফুটপাতে দাঁড়িয়ে বিড়ি খাচ্ছিলাম, এক গাড়ি ভর্তি ভদ্রলোক কোন ঠিকানা জিগাতে ভুল করে বেমালুম উল্টো পথ দেখিয়ে দিয়েছিলাম, গাড়ি চোখের আড়ালে যেতেই মনে হল এই যাহ। মানে আমাকে যারা চেনে জানে তারা কদাচ কখনো আমার কাছে আর যাই হোক দিকনির্দেশ চাইবে না, কিন্তু সবাই তো আর আমাকে চেনে না। তো এই নিয়ে আমি এখনও মরমে মরে থাকি। মনে হয় হঠাৎ যদি কোথাও কোন নিরীহ লোক হঠাৎ আমাকে দেখে খেপে উঠে বলে, এই সেই লোক যে আমাদের ভরদুপুরে হারিয়ে দিয়েছিল।
  • r2h | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৩১558916
  • আর ঐ জন্যই জনতার হাতে নির্মোহ ব দিতে নেই বলে আমি মনে করি। ওটি বিশেষজ্ঞের ব্যাপার, বিশেষজ্ঞের হাতেই থাকা উচিত। এই যে মানালি, এত পড়াশুনো, ঐ বয়সে তো আমি ওসব জিনিসপত্রে নামই শুনিনি, নেতাজীর অপমানে কেমন সবাইকে ধিক্কার দিয়ে চলে গেল। তা গেছে যাক এই বয়সে এক পাল আধবুড়ো লোকের সঙ্গে খামোখা আড্ডা দিয়ে হবেটা কী, কিন্তু আবেগের লেবেলটা দেখুন। তো একজন উদীয়মান সমাজবিজ্ঞানীর ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকেরই যদি একজন ঐতিহাসিক চরিত্র নিয়ে এতখানি আবেগ থাকে, তাহলে পাতি পাবলিক নির্মোহ ব লইয়া কী করিবে?
  • r2h | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:১৯558915
  • হিটলার মুসোলিনি ইত্যাদি কী করছেন তা আপামর জনসাধারন না জানলেও ওয়াকিবহাল মহল তো জানতো। তো নেতাজিরও না জানার কথা না।

    তবে, এখানেই ঐ কী হইলে কী হইত প্রশ্নগুলি আসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তি হেরে গেলে দুনিয়া জোড়া ইংরেজদের কুকীর্তিগুলি বেরুতো, তখন কে না জানে, হয়তো ইংলণ্ডেশ্বর ও চার্চিল সায়েবেরও দিব্যচ্ছটা এত জোরদার হতো না। মানে এদের কুকীর্তির কি অবধি আছে? একেকটা জিনিস মনে পড়ে মনে হয়, বাপরে বাপ, মানুষ কি ভয়ানক জীব, এই যে গ্রেট হেজ অফ ইন্ডিয়া - ভাবা যায়, কতগুলি উড়ে আসা জুড়ে বসা লোককে ট্যাক্সো না দিয়ে প্রকৃতি থেকে লবন বানানো আটকানোর জন্য এগারোশো মাইলের একটা বেড়া বানিয়ে ফেললো? দুশো বছরের মধ্য পাঁচ ছটা মেজর দুর্ভিক্ষে কত লক্ষ লোককে মেরে বিলকুল বেমালুম ফেললো- এই দেশ জোড়া কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্প তো এদের জয়ধ্বজার তলায় ঢাকা পড়ে আছে। আর যাওয়ার আগে পার্টিশনের মাস্টারস্ট্রোক।

    হতেই পারে উনি ভেবেছিলেন হিটলার সাগরপাড় থেকে কি আর আমাদের জ্বালাতে আসবে, আগে তো যুদ্ধুটা জিতি। কিছু ভাবনা চিন্তা তো ছিল নিশ্চয়, পড়াশুনো, দীর্ঘ রাজনৈতিক দীক্ষা, প্রাশাসনিক ট্রেনিং ও অভিজ্ঞতা সবই যখন ছিল। তো সেইসব শুধু বাইনারি তথ্য থেকে ধরা মুশকিল।
     
    • অয়নেশ | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:০২
    • ... বীরের মৃত্যুকে সস্নেহে এক প্রশ্নতীত বীরগাথায় পরিণত করেছে। যা যত না নির্মোহ তার চেয়ে অনেক বেশি ইমোশনাল। নির্মোহ হওয়াটা সত্যনিষ্ঠ চর্চাকারীর দায়। জনতার সে দায় নেই। সেটা আরএসএস খুব ভালো করেই জানে। জানে বলেই তারা দিল্লিতে নেহেরু গান্ধীর ইমেজ কে সুভাষ দিয়ে ভাঙতে চায় আর বাংলায় শ্যামাকে দাঁড় করানোর জন্য সুভাষকে ভাঙতে চায়। এর সঙ্গে সত্যনিষ্ঠ ইতিহাসের কোন সম্পর্ক নেই। তাদের খেলাটা জনতার পার্সেপশনে। ...
     
    এইটা, মানে ক্যান্ট অ্যাগ্রি মোর আরকি।
  • এলেবেলে | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:১৬558914
  • দেখুন, এ ব্যাপারে ভাটিয়ালিতে আমি আর কথা বলতে রাজি নই। কোথাও যেন দেখলাম 'হিটলার পাত্তাই দেয় নি' লেখা হয়েছে ভাটপাতায়। অবশ্য যিনি লিখেছেন তিনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, জানি না। সে কারণেই ছবিটা দেওয়া। অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। হিটলারের ভাবমূর্তি, সুভাষের ভাবমূর্তি, ফ্যাসিবাদের বিপদ সম্পর্কে নেহরুর মনোভাব - এসবের কিছু নিয়েই আর আলোচনার ইচ্ছে নেই।
  • এলেবেলের জন্যে প্রশ্ন | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২৩:০০558913
  • ১৯৪২র মে মাসে সুভাষ যখন হিটলারকে meet করেন - এই প্রসঙ্গটাই তুলতে হচ্ছে কারণ দেশত্যাগের আগে সুভাষের অন্য সব রাজনৈতিক দোষ গুণের জন্যে উনি জনমানসে নেতাজী নন, আর আপনি এই ছবিটাই দিলেন ব্যাপার্টা sensetivise করার জন্যে - তখন কি বিশ্বজুড়ে হিটলারের ভাবমূর্তি আজকের মত ছিল? তখনকার পরিস্থিতিকে আজকের সাথ গুলিয়ে দিয়ে আপনি কি পাঠকের সাথে তঞ্চকতা করছেন না?
  • b | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২২:৫২558912
  • যেভাবে বিজেপির স্পনসরশিপ ও ডাইরেকশনে সুবাস্চন্দ শ্যামাপ্রসাদ চিৎকার উঠছে চাদ্দিকে, মনে হয় খুব বড় একটা উচ্চেদ, অধিগ্রহণ কিম্বা বিক্কিরি আসছে সাম্নে। আপনেরা রুমাল নিয়েই ঘোর তক্র বিতক্র করে যাচ্চেন, ওদিকে কখন যে রুমালটা ম্যাও কর্তে কর্তে পালাবে, টেরই পাবেন্না।
  • একক | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২২:০৪558911
  • *মনে হয়
  • একক | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২২:০৩558910
  • হ্যাঁ প্যাটার্ন এক নয়। রাগ আলাদা। পকড় আলাদা। তবে অসম্ভব রাগ তো বটেই। অটোঅলা পয়লা বল্লো পেছনে বসুন। তারপর বল্লো, এট্টু সামনে আসুন। তারপর। তা আধঘন্টা বিতে গ্যাচে। বলে ডান্দিকে এসে বসুন। প্যারট গ্রীন গরলে ভরে যায় চৌদিক। থ্যাপ থ্যাপ করে বেগুনি গোবর লেপে দি মনে হয় সামনের কাচে। কিছুই করিনা যদিও। ডান্দিকে ঝুলতে থাকি। টাটা চারশো সাতের সঙ্গে সাইড নিতে গিয়ে হাঁটুতে ঘষা খাই। বাড়ি ফিরে শুনি এতো দেরি কেনো। একটা কালো ট্রাম্পোলিনের ওপর লাফিয়ে লাফিয়ে পুরো কিচ্ছাটা শোনাতে পারলে শান্তি হতো মনে হত। কী লাভ। ঘেও ছূঁচোর মত সুরুত ওয়াশ্রুমে সেঁদিয়ে যাই বরং। কতো বছর। ওহ মোরস।
  • kk | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:২৭558909
  • তা কলকাতায় থাকা আর ডেলি প্যাসেঞ্জারি দুটোই অনেক বছর করেছি। সে সব দিন ভুলে যাবারও কোনো কারণ নেই। তবে ঐ আর কী, রাগ বা বিরক্তির (বা যেকোনো ইমোশনই বলুন) প্যাটার্ন তো সবার এক রকম হয়না। কী আর করা যাবে?
  • @kk | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:১৭558908
  • আপনি কি কোলকাতায় থাকেন? ডেলিপ্যাসেঞ্জারি করেন-টরেন? নাকি ফরেনে থাকা সেইসব মহান এনারাইদের একজন? বিদেশে ডলার কামিয়ে প্রিভিলেজড লাইফে অভ্যস্ত হয়ে থাকলে দিশি দেহাতি লোকজনের রাগ-টাগ কখন কেন হয় বুঝতে পারা খুব মুশকিল।
  • kk | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৯558907
  • পাঁচটা আট : তাই তো, হিংসুটি জন্মমাসের কথা মনেই ছিলো না!
    রাগের কথা যখন হচ্ছেই, বুঝভুম্বুলের পোস্টটা পড়েও মনে হলো মানুষের রাগ এত বেড়ে গেছে দেখে দেখে কেমন একটা লাগে। এই রকম পরিস্থিতিতে যে রাগ হতে পারে তা তো দেখি প্রথমে আমার মাথায় আসেনি। ঐ ছেলেটির জায়গায় আমি হলে বুঝভুম্বুলই হতাম যে ভদ্রজন এমন যে বললেন তার পেছনে ওঁর কনফিউশনের কারণটা ঠিক কী! পোস্টটা পড়ার পর মনে হলো হ্যাঁ অনেকে রেগে উঠবে বটে। কী করলে রাগ কমতে পারে সেই নিয়ে বাকসিদ্ধা কিছু নিদান দিয়েছেন?
  • b | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ২০:০০558906
  • বাংলাদেশ তো অস্ট্রেলিয়াতে ভালোই ফাইট দিচ্চে। দেখা যাক।
  • বুঝভুম্বুল | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৯:২০558905
  • বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছি, এস্প্ল্যানেড যাবো, ট্রেন ঢুকছে এমন সময়ে একটা ছেলে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলো, এটা কি শ্যামবাজার যাচ্ছে? এর আগে কদিন শোভাবাজার থেকে উঠেছি, খানিক অন্যমনস্কও ছিলাম, বলে দিলাম, উল্টোদিকের গাড়ি ধরুন। এবার আমি ট্রেনে উঠেই শুনি অ্যানাউন্স করছে, পরবর্তী স্টেশন শ্যামবাজার... তক্ষুনি ছেলেটাকে ডাকতে গেলাম, সেও বুঝতে পেরেছে, কিন্তু উঠতে পারার আগেই গেটটা গেল বন্ধ হয়ে
    খানিক এম্ব্যারাসিং একটা হাসি দিলাম, সেও একগাল হাসি ফেরত দিল... এরম সময়ে বিরক্ত না হয়ে হেসে ফেলা যায়?
    ট্রেনটা চলতে শুরু করলো, হঠাৎ মনে হল আমি ঐ জায়গায় থাকলে ঠিক কতটা বিরক্ত হতাম? ভাবার চেষ্টা করতাম দুনিয়ার খেয়েদেয়ে কাজ নেই স্রেফ আমার পেছনে লাগা ছাড়া? এর চেয়ে সুখী মানুষ আর কে?
  • albert | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৪৫558904
  • প্রত্যেক সময়ের একটা চাহিদা থাকে তাই সেই সময় টা বাদ দিয়ে এই আলোচনা মনেহচ্ছে "ছেনালের আঠারো কলা নাং নিয়ে যায় ষষ্টিতলা "[গ্রাম্য বাংলা প্রবাদ ]
    বিজেপির পাতা ফাঁদে পা দেবার কোনো দরকার নেই। যত গুলো জি আছে তার মধ্যে আমার পছন্দ পেঁয়াজি বর্ষা কাল চলছে তো।
    আর খিস্তি বাজ রা ওয়েলকাম অনেক দিন খিস্তি মারিনি।
  • albert | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৩৫558903
  • // ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২৩//yes
  • হেঁয়ালি | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২৩558902
  • রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে নির্মোহ ব করা মানে সময় নষ্ট করা। এই মমতাকে নিয়েই যদি পঞ্চাশ বছর পর নির্মোহ ব হয়, দেখা যাবে কেউ বলছে উনি সততার প্রতীক, কেউ চোর, কেউ মা সারদা আর লেনিনকে দেখতে পাবে, কেউ বলবে লেসার ইভিল।
  • অয়নেশ | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:০২558901
  • সুভাষ একদিকে আদ্যন্ত (কোনো কোনো ক্ষেত্রে তুলনাহীন) অসাম্প্রদায়িক ছিলেন অন্যদিকে হিটলার-যোগের ক্ষেত্রে তাঁর ফ্যাসিজমের মূল্যায়ন সম্পর্কে গুরুতর ভুল ছিল। তো এইরকম ভিন্নদর্শী অবস্থান অধিকাংশ আইকনের ক্ষেত্রেই দেখতে পাওয়া যাবে। এখন আরএসএসের মতো বিষবৃক্ষ এক্ষেত্রে তার অবধারিত সিলেক্টিভ ব্যবহার করবে। তাদের হিটলার যোগ নিয়ে খুব একটা মাথাব্যথা নেই। কিন্তু অসাম্প্রদায়িক সুভাষকে আক্রমণ আসল উদ্দেশ্য। যে সুভাষ ভারতীয় বহুত্ববাদকে অগ্রাধিকার দেন সেই সুভাষকে ভেঙে ফেলাই তাদের উদ্দেশ্য। হিটলারও নীৎসেকে সিলেক্টভলি ব্যবহার করছিলেন। দেখুন, নিও লিবারেল ইকোনোমি উদ্ভুত নিও ফ্যাসিস্টরা নানাভাবে পোস্ট কলোনিয়াল চর্চাকে ব্যবহার করছে। স্লাভয় জিজেক এ নিয়ে বলেই থাকেন। যেমন মুগাবের কাণ্ডকারখানা। তা বলে কি ফ্রাঞ্জ ফ্যানন বা চিনুয়া অচেবে ভুল হয়ে গেলেন? তেমনি এলেবেলের কোট আনকোট নির্মোহ ব -র প্রয়োজনীয়তাও উধাও হয়ে যায় না। ভারতীয় সমাজ সুভাষের অসাম্প্রদায়িক ও বীরত্বপূর্ণ জীবন ও বীরের মৃত্যুকে সস্নেহে এক প্রশ্নতীত বীরগাথায় পরিণত করেছে। যা যত না নির্মোহ তার চেয়ে অনেক বেশি ইমোশনাল। নির্মোহ হওয়াটা সত্যনিষ্ঠ চর্চাকারীর দায়। জনতার সে দায় নেই। সেটা আরএসএস খুব ভালো করেই জানে। জানে বলেই তারা দিল্লিতে নেহেরু গান্ধীর ইমেজ কে সুভাষ দিয়ে ভাঙতে চায় আর বাংলায় শ্যামাকে দাঁড় করানোর জন্য সুভাষকে ভাঙতে চায়। এর সঙ্গে সত্যনিষ্ঠ ইতিহাসের কোন সম্পর্ক নেই। তাদের খেলাটা জনতার পার্সেপশনে। সেটাই বিপজ্জনক। এবং আমার ধারণা এই সুযোগটা তারা পাচ্ছে আমাদেরই আইকন পূজার ধারাবাহিকতায়। লড়াইটা আইডিওলজি বনাম আইডিওলজি না হয়ে আইকন বনাম আইকন হয়ে পড়ছে। লড়াইটা যদি বাঙালির আইকন ব্যক্তি সুভাষের ইমেজ রক্ষার থেকেও সেই অসাম্প্রদায়িক সুভাষ যে বহুত্বের ধারণা পোষণ করতেন সেই ধারণাগুলিকে সঙ্গে নিয়ে আরেসেসের ধারণার বিরুদ্ধে লড়াই হত আমার কাছে তা বেশি বাঞ্ছনীয় হত। তা বলে আইকনের কোনো প্রয়োজনীয়তাই নেই তা আমি বলবো না। কিন্তু সেক্ষেত্রে আরএসএস বিরোধীদেরও একইভাবে উপযোগবাদী সিলেক্টিভ হয়ে পড়তে হবে। সেটাতে ইতিহাস চর্চার কী হবে সেটা পৃথক বিষয়।
  • হেঁয়ালি | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১১:৪৮558900
  • বিজেপির আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর জন্য কাউকে একটা নামিয়ে দিয়ে ডিম্মিডিয়ায় হৈচৈ করানো, এই ব্যাপারটা মজার। সুভাষ উপলক্ষ্য মাত্র।
  • | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১০:৪৪558899
  • ১) এই তরমুজকে দেখলেই আমার নন্টে ফন্টের কেল্টুদার কথা মনে হয়। এঁকে নিয়ে মচৎকার কার্টুন সিরিজ হতে পারে।
     
    ২) চলে যাচ্ছি আর আসবো না নাটকটায় আর আগের সেই তেজ লেজ কিস্যুই নেই। ওটা ব্যবহার হতে হতে হতে হতে একেবারে সয়েলড ডায়াপার হয়ে গেছে।
     
    ৩) শিবাজী নেতাজী হজরত মহম্মদ এঁরা তো জলিজ্যান্ত মানুষ ছিলেন। দোষ গুণ সবই থাকবে। রাম তো কাল্পনিক চরিত্র। তার দোষ গুণ আলোচনা লেখকের সময়কার সমাজের আলোচনা খানিকটা।
     
    ৪) হজরত মহম্মদকে নিয়ে অন্তর্বাসবাহিনীর 'আলোচনা' মানে তো সেই কত বয়সে কত কচি বালিকাকে বিয়ে করা। তা ও তো সেই সময় বটেই এই শখানেক বছর আগেও হিন্দু মুসলমান খ্রীস্টান নির্বিশেষেই প্রথা ছিল। সে আমাদের এখন যতই ওয়াক লাগুক গোটা উপমহাদেশের সকলেরই দাদু বা প্রপিতামহরা সক্কলেই কচি মেয়ে বিয়ে করতেন। এই ৭.০৩ এর ঠাকুমা বা ঠাকুমার শাশুড়ির কবছরে বিয়ে হয়েছিল খোঁজ নিলেই পেয়ে যাবেন।
     
    ৫) ফর আ চেঞ্জ নেতাজী ইত্যাদি নিয়ে ক-এর বক্তব্যে মোটামুটি একমত। সাধারণত কএর বক্তব্য ঠিক লাগে না আমার। কিন্তু এইগুলো লাগছে।
  • এলেবেলে | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১০:৩৫558898
  • তো এত অ্যাকাডেমিক ঢং কেন? স্পষ্ট বললেই তো হয় যে এখানে 'বিশেষ উদ্দেশ্য ও অ্যাজেন্ডাভিত্তিক আলোচনা' করা হচ্ছে এবং সেই উদ্দেশ্যে নানা আজব জিনিসের আমদানি করা হচ্ছে। এই ফালতু নির্মোহ ব-মার্কা ঠেস দেওয়া কেন?
     
    সুভাষ-শ্যামার হাতাহাতিটাও কি ওই 'বিশেষ উদ্দেশ্য ও অ্যাজেন্ডাভিত্তিক আলোচনা'-র ভিত্তিতে নাকি তার পেছনে তথ্য-ফথ্য আছে? রবি ঠাকুর আর সুভাষ মানেই তাসের দেশ এবং দেশনায়ক নয়। সেখানেও কিছু ইফস অ্যান্ড বাটস আছে। অবিশ্যি 'কখন কোন বিষয়ে কোন পক্ষে কতটা মুখ খুলব'-র পোলিটিক্যাল কারেক্টনেস সে সব আব্বুলিশ করে রাখে।
     
    গুরুর খোলা পাতায় আলোচনা যে এত সারগর্ভ, এত আন্তর্জাতিক, বিজেপির লোকজন যে এ পাড়ায় দিনরাত হত্যে দিয়ে পড়ে থাকেন - এসব সারসত্য বুঝতে না পারার জন্য দুঃখিত।
     
    আপনারা চচ্চা চালিয়ে যান (বা চেপে যান)।
  • | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১০:১৩558897
  • রবিবাবু শ্যামাবাবু সম্বন্ধে কী বলেছিলেন বা লিখেছিলেন সেসব জানিনা। কিন্তু অনুমান করি সেসবই শ্যামাবাবুর কলকাতা ইউনিতে কাজ সংক্রান্ত বা বাংলা ভাষার উন্নতিকল্পে ওনার 'অবদান' নিয়ে হয়ত। সেরকম হলে বলার যে এই ব্যাপার নিয়ে রবিবাবু তো আর সুভাষের প্রশংসা করেননি, অতএব আজকের দিনে যখন রাজনীতি আর স্বাধীনতা আন্দোলন আর আদর্শ ও কাজ এইগুলিই তর্কের বস্তু এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে রবিবাবুর সুভাষকে দেওয়া উপাধির কথা উল্লেখ করা হয়, যে উপাধির পরিধি অনেক বড় কারণ তার পেছনে কাজের জগতটাও অনেক বড়, শ্যামাবাবুকে করা প্রশংসার থেকে, তখন শ্যামাবাবুকেও তো রবিবাবু ভাল বলেছিলেন, এই কথার মানেই হয় না মনে করি। বিষয় বা ক্যাটেগরি সম্পূর্ণ আলাদা।
  • :|: | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১০:০৮558896
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০৫:০৮ -- বাকসিদ্ধা গার্গীর উপর রাগ করবেনই বা কেন! আমি ওনাকে (উনিজির অনুপ্রেরণায়) ক্ষমা করে দিইচি। কারণ হিংসুটিদের জন্মমাসের লিস্টিতে আমার জন্মমাস রাখেননি। ;)
    আপনিও কি অই একই কারণে ক্ষমা করে দিতে পারেননা?
  • . | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৪558895
  • Dhuttor | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০৬:৪৭

    রাম তো গল্পের ক্যারাকটার, থুড়ি মহাকাব্যের।
    ইতিহাসের সঙ্গে মহাকাব্য কি আপনারা গুলিয়ে ফেলছেন নাকি!
  • . | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৪১558894
  • @০৭ : ০৩, আপনার ক্ষমতা থাকলে দুপয়সার আলোচনা করেই দেখান দেখি
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত