এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০০:০৭558863
  • হায় রে! কাকে যে হাতি বলা হল আর কাকে ইঁদুর -সেটা না বুঝেই নাপিয়েই যাচ্ছে।
  • তরমুজ | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০০:০১558862
  • ছিঃ! ধিক্কার!
  • তরমুজ | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০০:০০558861
  • //শ্যামাকে নিয়ে আমি অত কচকচিতেই যাব না। স্রেফ মনে করিয়ে দেব যে, সিমলায় সর্বদলীয় সম্মেলনে ওয়াভেল মহাসভাকে ডাকারও প্রয়োজন বোধ করেননি। কাজেই ইঁদুরকে হাতির সঙ্গে খামোখা লড়িয়ে দিতে যাব কেন?//
     
    এইতো রাম বাম চাড্ডি। দুটো পোস্ট আগেই বলেছি। মিলিয়ে নিন।
  • র২হ | ১৪ আগস্ট ২০২৬ ০০:০০558860
  • আমি অবশ্য আক্ষরিক মূর্তি ভাঙার কথা বলিনি, তবে ওই হল।
    অন‍্যদিকে মোটামুটি একই কারণে আমি এলেবেলের বিদ‍্যাসাগর রামমোহনের নির্মোহ ব তে হরেদরে ঘোর দ্বিমত হয়েছি, তবে তার সঙ্গে সময়ের পটভূমিকাকে অস্বীকার করা হয়েছে বলেও মনে করেছি।
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৫৮558859
  • আচ্ছা সুভাষ বোসের মূর্তি ভাঙা হয়েছে বুঝতে পারলাম।
    মূর্তি পুজো করার এটাই ড্রব‍্যাক।
    সোভিয়েত দেশে সর্বত্রই লেনিনের মূর্তি ছিল। এক ঝড়ে প্রায় সব মূর্তিই উধাও হয়ে গেছে। ইতিউতি একটা দুটো রয়ে গেছে। রাস্তার নাম বদলে গেছে, শহরের নাম পরিবর্তন হয়েছে। লার্জার দ‍্যান লাইফ ইমেজ তৈরি করলে এরকমই হয়। লোকে মূর্তি পুজোও করবে, আবার অসময়ে মূর্তি ভাঙা ভাঙিও হতে পারে।
  • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৫১558857
  • শ্যামাকে নিয়ে আমি অত কচকচিতেই যাব না। স্রেফ মনে করিয়ে দেব যে, সিমলায় সর্বদলীয় সম্মেলনে ওয়াভেল মহাসভাকে ডাকারও প্রয়োজন বোধ করেননি। কাজেই ইঁদুরকে হাতির সঙ্গে খামোখা লড়িয়ে দিতে যাব কেন?
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৫০558856
  • মানালি আমাকে ধিক্কার দিচ্ছে।
    গুড। জানা রইল।
    কিন্তু সুভাষ বোস সম্পর্কে আমার যা মত, তা বদলাবে না।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৯558855
  • র২হ, আমি ইন্ট্রোস্পেকশনের পক্ষে, আমি সাধারণভাবে আইকন নির্মাণের পক্ষে নই, এবং আইকনদের বেদীতে বসানোর বদলে তর্ক বিতর্ক করা এবং রক্ত মাংসের মানুষের মনে করে দোষ গুণ নিয়ে আলোচনা করার পক্ষপাটি। কিন্তু জাস্ট এই সময়টা এখন আইকনদের রক্ষা করার সময়। আজ আমি এলেবেলের বিদ্যাসাগর পড়েছি ও মোটামুটি সমর্থন করি বেশির ভাগ সমালোচনা যা উনি লিখেছেন। কিছু কিছু জায়গায় দ্বিমত হতেও পারি। কিন্তু কাল যদি বিজেপি আবার বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙে, ও সেটা নিয়ে মানুষ সরলীকরণ করেই বিদ্যাসাগরকে আইকন হিসেবে তুলে ধরে সেই মূর্তি ভাঙার বিরোধিতা করে, তখন সেই মুহূর্তটা বিদ্যাসাগরের সমালোচনা করার মুহূর্ত নয়, দাঙ্গাবাজদের আটকানোর মুহূর্ত। নেতাজির মূর্তি আজ খাস কলকাতায় নিউ আলিপুরে ভাঙা হয়েছে। সম্ভবত অনন্ত মহারাজের উস্কানিতে যথেষ্ট কাজ না হওয়ায় বিজেপি এটা এসকেলেট করার চেষ্টায় আছে।
  • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৭558854
  • রমিতকে আমি দুটো কথা বলতে চাই।
     
    ১. আমার বিজেপি-বিরোধিতা যথাসম্ভব নিখাদ। সরকারটা যখন কেন্দ্রে রাজ করছে, তখন নিজের নাম ও পেশার উল্লেখ করে আনন্দবাজারে আমার একাধিক উত্তর-সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি ২০ জুন বাংলা ভাগ নিয়ে বিজেপির নয়া ন্যারেটিভকে ভোঁতা করার জন্য প্রদেশ কংগ্রেস যে পুস্তিকাটি ছেপেছে, তার প্রথম লেখাটিই আমার (অ্যাজ ইউজুয়াল তারা আমার অনুমতি নেওয়ার তোয়াক্কা করেনি)। এবং সেটি শ্যামাপ্রসাদ যে আসলে ফাঁপানো বেলুন, সেই সম্পর্কিত লেখা।
     
    ২. কিন্তু বিজেপি-বিরোধিতার জন্য ইতিহাসের সঙ্গে তঞ্চকতা করতে পারব না। বিজেপির সুবিধা হয়ে যাবে, তাই এই ব্যাপারটা চেপে যাই - এটা সম্ভবত ঠিক মনোভাব নয়। এই যে সুভাষ-শ্যামা দ্বৈরথ নিয়ে এত কথা হচ্ছে, এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দু তরফেই। আমি এতে নেই।
     
    সৈকত কাল ফেসবুকে লিখেছিলেন যে, রবীন্দ্রনাথ সুভাষকে 'দেশনায়ক' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন আর শ্যামাকে দিয়েছিলেন লবডঙ্কা। সত্যতার খাতিরে সেখানে আমি রবি ঠাকুরের 'ছাত্রসম্ভাষণ' প্রবন্ধ থেকে কিয়দংশ তুলে দিতে বাধ্য হয়েছি। কারণ আমার মনে হয়েছে যে ভ্রান্ত ইতিহাসের চেয়েও মারাত্মক হল অর্ধসত্য ইতিহাস।
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৬558853
  • মূর্তি কার ভাঙা হলো?
    এই খবরটা জানতাম না।
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৩558852
  • রমিত আমায় ভুল বুঝেছে। ভুল বুঝিস না।
    বিজেপি কী বলছে আমি জানি না। নট ইন্টারেস্টেড।
    কিন্তু সুভাষ বোসের পথ আমার একেবারেই ঠিক বলে মনে হয় নি। সেইম উইথ এম কে গান্ধি। উনি কোন বেসিসে জাতির জনক সেটাই ভুলভাল। দুজনেই পলিটিশিয়ান। লীডারশিপে গান্ধি সারভেন্ট লিডার, সুভাষ বোস ক‍্যারিসম‍্যাটিক। কিন্তু যুদ্ধ করে ব্রিটিশদের কাছ থেকে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়াটা জাস্ট অসম্ভব ছিল, মোরওভার একটা নাৎসি উন্মাদের থেকে হেল্প নিয়ে তো অসম্ভব।
  • র২হ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৩৮558851
  • যা হয়নি তা নিয়ে কী হলে কী হত তা পয়েন্টলেস তো ঠিকই, কারন অতি সামান‍্য ঘটনার নানাবিধ ও বহুমুখী অভিঘাত- এ নিয়ে সব তত্ত্ব টত্ত্বও আছে, আর এ তো টালমাটাল ইতিহাস। তবে স্ট্র‍্যাটেজি যাঁরা করেন তাঁরা নিশ্চয়ই কী কী হতে পারে আর সেসব হলে ফলস্বরূপ কী কী হতে পারে সেসব তুল‍্যমূল‍্য করেন। না হলে আর পরিকল্পনা হবে কী করে। তো সেসব বোঝার জন‍্য কিছু উপযোগিতা থাকলেও থাকতে পারে।
    তবে এক্ষেত্রে এই জিনিসগুলি আমার ইন্টারেস্টিং মনে হয় বিধাতা নির্মাণের উপাদান বুঝতে।
     
    আইকনের প্রয়োজন ব‍্যাপারে আমারও রমিতের মতই মনে হয়।
    আবার এই সূত্রে এও মনে হয় যে জাতীয়তাবাদী আইকন নির্মানের প্রয়োজনে রাজপুত ও মারাঠাদের ফুলিয়ে ফাঁপিয়্ বড় করে তো ক্ষতিই হল।
     
    আসলে মূর্তি ভাঙার চর্চাটা পাঁচ পাবলিকের হাতে গেলে ব‍্যাপারটা বাঁদরের হাতে তলোয়ার তুলে দেওয়ার মত হয়- যেমন ওই পাগড়ি পরা লোক।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:৩৪558850
  • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:৪১558843
     
    আপনি এক কথাই বারবার বলে যান। আগের আলোচনাতেও তাই হয়েছিল। ..... এ সব উত্তরই আগের দীর্ঘ আলোচনায় দিয়েছিলাম। নৌ বিদ্রোহ পর্যন্ত আলোচনা এসেছিল। .... কংগ্রেস সুভাষপন্থী নয়। কংগ্রেস গান্ধির সব কথাই মানে নি। সুতরাং কংগ্রেস 100% গান্ধিবাদীও নয়। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি ভারতে গান্ধি ও সুভাষের প্রচুর অবদান আছে। সেটাকে অ্যাকনলেজ করি। এবং কংগ্রেস সমর্থন না করলেও। যার যা অবদান আছে, সেটা অ্যাকনলেজ করে। ...... আমি কংগ্রেস সমর্থক বলে এটা কখনও বলি না যে কংগ্রেসের মধ্যে কোনো ভুল ছিল না। বা এখনও নেই। ওটা রাম বাম চাড্ডিরা করে। .... শুধু কংগ্রেস নয়। সুভাষ ও গান্ধির মধ্যেও এমন অনেক বিষয় ছিল। যেগুলো সমর্থন যোগ্য নয়। বা কম সমর্থন যোগ্য। তারাও তো মানুষ। কিন্তু একজন মানুষের বিচার হয়, তার জীবনের নেট আউটকামস দিয়ে। বা গড় কাজকর্ম দিয়ে। যেগুলি তারা মূলরূপে সমর্থন করতেন। বা তাদের জীবনের মূল সারমর্ম। যে বিচারে সুভাষ, গান্ধি, ভগৎ সিং সবাই অতুলনীয়। শুধু ভারতে নয়, পুরো বিশ্বে। এবং আমাদের দেশের জনক। যাদের পদাঙ্কিত রূপরেখায় আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে পারি। ..... এবার আমাদের ঠিক করতে হবে যে আমাদের ভবিষ্যৎ আমরা কি রকম ভাবে ভাবতে চাই? একজন দেশ নায়ককে অপমান করে? .... সুভাষের সাথে এদেশে যা হচ্ছে আমেরিকায় গিয়ে লিঙ্কনকে নিয়ে করতে পারবেন? লিঙ্কন কি ধোঁয়া তুলসি পাতা ছিল নাকি? কোনো মানুষই ধোঁয়া তুলসি পাতা নয়। মূল বিষয়টি হল নেট আউটকামস। যে বিচারে সুভাষ, গান্ধির উচ্চতা শুধু ভারতে নয়, বিশ্বেও কেউ ছুঁতে পারেনি। এবং এই রকম মানুষকে নিয়ে দেশের মানুষের আবেগ থাকবে। সেটাই স্বাভাবিক।
  • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:২৪558849
  • ফব-র রাশ তো থাকার দরকার পড়ছে না। কিন্তু শ্যামা-হক মন্ত্রিসভার হোম মিনিস্ট্রি চালানোর কথা ছিল শরৎ বোসের। সেই হিসাবে ফব ওই মন্ত্রিসভাকে সমর্থন করেছিল। সুভাষ সেই বছরের জানুয়ারিতে দেশত্যাগ করছেন আর শরৎ-শ্যামার জুটি হচ্ছে ডিসেম্বরে। আর সুভাষের সঙ্গে শ্যামার হাতাহাতির ব্যাপারটাও পুরোটাই বানোয়াট। কাজেই বিজেপি বিরোধিতা করতে গিয়ে অকারণে মিথ্যাচার করতে পারব না।
     
    যুক্তবঙ্গকে মেনস্ট্রিম কংগ্রেস বা লিগ - কেউই সমর্থন করেনি। গান্ধী একটা শর্ত দিয়েছিলেন বটে কিন্তু সেটা অবিশ্বাস্য শর্ত ছিল। তার আগে অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা থেকে শরৎকে ছাঁটা হয়েছে, কিরণশঙ্কর প্যাটেলের হুমকির মুখে চুপসে গেছেন এবং সোহরাওয়ার্দী-হাশিম জুটি নিজামুদ্দিন-আকরম খাঁর কাছে পরাজিত। কাজেই বিষয়টা সম্ভবত আরেকটু জটিল।
     
    লিগকে ডাইরেক্ট অ্যাকশনে নামার জন্য ব্রিটিশরা প্ররোচিত করেছিল, এমন ভার্সন আমি পাইনি। বরং দু পক্ষই যে বেশ আগে থেকে প্রস্তুত হচ্ছিল, সে খবর আছে।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:১৪558848
  • হুতোদার ট্রুথ টেবিল বেশ ভালো লাগল। তবে এলেবেলে ঠিক বলেছেন যে যা হয়নি সেটার বদলে যেটা হয়েছে সেটা নিয়ে আলোচনা দরকার। তবে আমার একটা অনুরোধ আছে এলেবেলের কাছে, সেকথায় পরে আসছি।
    ডট দি বলছিলেন আমি নেতাজিকে গুরুত্ব কেন দিচ্ছি। আসলে দুটো নেতাজি আছে, একটা ব্যক্তি নেতাজি, যিনি নানা দোষ গুণ নিয়ে একজন মানুষ, সাদাও নয় কালোও নয় একজন ঈষৎ-ধূসর চরিত্র। ভাবার কোনো কারণ নেই যে শিক্ষিত বাঙালি নেতাজির নানা ত্রুটির সম্বন্ধে জানে না। তারা কনানড্রাম পড়েছে, আরও অনেক বইতে ডিটেলে ওঁর বিষয়ে জানা যায়, নাৎসি যোগ, অক্ষ শক্তির সাথে হাত মেলানো, বিদেশের লাভ লাইফ, গান্ধী নেহেরু শিবিরের সাথে রেষারেষি এসব তো অনেক বেশি জানা ব্যাপার, কর্পোরেশন এ লোক ঢোকানো, কিছু দুর্নীতির আভাস, এসব আপাত অন্ধকারাচ্ছন্ন ডিটেলও মানুষ দিব্যি জানে।
     
    এই নেতাজির ঠিক বিপ্রতীপে আরেকজন আছেন পলিটিকাল নেতাজি, যিনি একজন লার্জার দ্যান লাইফ মানুষ। মহারাষ্ট্রের শিবাজীর সমান বাংলার নেতাজি। বাংলার আইকন। কেন দরকার? একটা জাতি যখন হাঁটতে শিখছে, ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে, তার কিছু গ্রেটার আইডিয়াল দরকার, একটা রূপকথা দরকার। আজ তাই জাতির জনক গান্ধীজি। ব্যক্তি গান্ধীর দোষ ত্রুটি এখানে ধরা হচ্ছে না, ওঁর যে আইডিয়াল, অহিংস আন্দোলন, সত্যাগ্রহ, এটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিজেপি গান্ধীর আদর্শকে তিলে তিলে ধ্বংস করেছে ব্যক্তি গান্ধীর ত্রুটিগুলিকেই শুধু হাইলাইট করে। গান্ধী সম্বন্ধে দেশের মানুষকে স্লো পয়জন করা হয়েছে হোয়া বিশ্ববিদ্যালয় এ। আজ বিজেপি বঙ্গ বিজয়ের পর বাংলার সংস্কৃতিকেও ধ্বংস করে উত্তর ভারতীয়করণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। রাম, হনুমান এদের গ্লোরিফিকেশন শুরু হয়ে গেছে, দুর্গা পুজোর প্যান্ডেল ভেঙে দিয়েছে, এবার বেশির ভাগ পুজোয় থিমকে কেটে ছেঁটে সাবেকি পুজোর দিকে নিয়ে আনা হচ্ছে, মানে আগের মতো এক্সপেরিমেন্টাল থিম আর হবে না তেমন। রবীন্দ্রনাথকে ভুলে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু, ক্ষুদিরামকে তুলে ধরেও গীতার মাহাত্ম্য বোঝানো হচ্ছে। সত্যি বিরিয়ানির দোকান ভাঙচুর হচ্ছে, মাছ বাজার তুলে দিচ্ছে, মানুষকে হ্যারাস করছে শ্রাবণ মাসে আমিষ খাওয়ার জন্য। শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়াকে উত্তর ভারতীয় ঢঙে কাওয়ার যাত্রা বলা হচ্ছে, এখানে বলতে অপেক্ষা রাখেনা যে, বাঙালি সংস্কৃতির এই বিপদের দিনে আইকনদেরকে অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে মানুষকে জাগাতে, উত্তেজিত করতে। এটাকে যদি রিভার্স প্রোপাগান্ডা ভাবেন তবে রিভার্স প্রোপাগান্ডা। আজ তাই পলিটিকাল নেতাজিকে অবশ্যই রক্ষা করা প্রয়োজন এবং ব্যবহার করা প্রয়োজন বিজেপির মোকাবিলা করতে।
     
    তাই এলেবেলেকে অনুরোধ এইটা ব্যক্তি নেতাজির ভুল ধরার সময় নয়। এখন এগুলো করা মানে যারা হোয়া ইউনির সিলেবাস লেখে তাদের হাতেই আরো অস্ত্র তুলে দেওয়া। লড়াইটা একটা ফ্রন্টে হচ্ছে, এখন তীর বানাতে গিয়ে কোথা থেকে লোহা আনা হল সেটা নিয়ে প্রশ্ন করার সময় নয়।
  • র২হ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:০৭558847
    • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬
      ... সুভাষ থাকলে দেশভাগ হত না কিংবা বাংলা ভাগ হত না - এটা যে ঠিক কিসের ভিত্তিতে ...
     
    এটা ওই অনেকগুলির মধ্যে একটা আরকি। একচ্ছত্র হল, দর কষাকষির দরকার পড়লো না, ওয়ার্কিং কমিটি অপ্রাসঙ্গিক - ইত্যাদি। আরেকটা পয়েন্ট জুড়ে দেওয়াই যায়- যে এখন দেশ যেমন তাই হল।
     
    • ... কী হইলে কী হইতে পারিত-তে খুব একটা বিশ্বাসী নই।
     
    সে তো বটেই। নেহেরুর বদলে অন্য কেউ হলে দেশের চেহারা কেমন হত তা অনুমান করা অসম্ভব, রাজন‍্য শাসিত রাজ‍্য গুলি কী করতো, মন্ত্রীসভায় বিরুদ্ধমতের কতটুকু জায়গা হত- নানান কিছু।
  • হেঁয়ালি | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২৩:০০558846
  • সুভাষ বাড়ি থেকে পালানোর পর শরৎ বসুকে চার বছর জেলে রাখা হয়েছিল। ছাড়া হয়েছিল ১৯৪৫র সেপ্টেম্বরে। ততদিনে ফবর রাশ মনে হয় বসু ভাইদের হাতে আর ছিল না। এই মাঝের সময়টায় বাংলা রাজনীতিতে ফবর পরিচয়ই ছিল পঞ্চম বাহিনী হিসেবে। নভেম্বরে রশিদ আলী ইত্যাদিদের ট্রায়ালের বিরুদ্ধে ধর্মতলায় যে বিক্ষোভে রামেশ্বর ব্যানার্জিরা মারা যান, সেখানেও শরৎ নিয়ন্ত্রণ পাননি। বাড়ি ফিরে গেছিলেন, পরের দিন শ্যামাপ্রসাদকে শরৎ অনুরোধ করেছিলেন রামেশ্বরের শেষযাত্রায় সঙ্গী হতে [মানে সুভাষের সঙ্গে হাতাহাতি হলেও শরৎ বসুর সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদের সম্পর্ক ভাল ছিল]। তৎকালীন ফব শরৎ বসুর পেছন থেকে সরে যাওয়াতেই তিনি যুক্তবঙ্গর সমর্থনেও বিল পাশ করাতে পারেননি। আর সেই ছাত্র বিক্ষোভের পরেই ডিরেক্ট একশ্যান ডে করানোর জন্য ব্রিটিশরা লীগকে নামিয়ে দিয়েছিল।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:৫৯558845
  • @এলেবেলে, পুরোন নয়। নতুনই নিন। একবার পোস্ট করেছি। আবার করলাম। কারন মূল সমস্যা এটাই। এছাড়া বেশি পুরোনো নয়। কিছু দিন আগেই তো এই নিয়ে আপনার সাথে বিস্তর আলোচনা হল। এই সব রাম বাম চাড্ডিরা হঠাৎ করে সুভাষকে নিয়ে এত সমালোচনা করছে। কারন বিজেপির সুভাষ সম্বন্ধে কুমন্তব্যগুলো যেন প্রাধান্য না পায়। এবং এটা কোনো মুখ ফসকে বলা কথা নয়। পরিকল্পনা মাফিক বলা হচ্ছে। যার পিছনে বিদেশী শত্রুস্থানীয় শক্তির হাত রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার জন্য। স্বাধীনতার 45 বছরের মধ্যে একই দলের তিনজন জনপ্রিয় প্রধান মন্ত্রির খুন। কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এ সবই কিছুদিন আগে ক্ষুদ্র আকারে আলোচনা হয়েছে। সুতরাং চর্বিত চর্বণ করার কোনো ইচ্ছা নেই। বরং আগের লেখাগুলো দেখুন। আসলে কি হচ্ছে তখন কেউ ধারনাও করতে পারেন নি। আমি বলেছিলাম। দেখুন যা বলেছিলাম সেগুলো মিলছে কি না? আর যেগুলো এখনো মেলেনি। প্রস্তুত থাকুন, সেগুলোও মিলে যাবে।
     
    একটা বিষয় বুঝুন। পশ্চিমবঙ্গে রাম বাম নেক্সাস খুব ভয়ঙ্কর। এর সাথে বাংলা পক্ষের মত কিছু সংগঠনও গজিয়েছে। এগুলো সবই বিজেপি ফান্ডেড। এবং এরা বিজেপির সহায়ক। এদের পদ্ধতিটা হল 'ডিভাইড অ্যান্ড রুল'। এবং এরা প্রত্যেকেই ব্রাহ্মণ্যবাদী বা জাতিগত ভাবে ব্রাহ্মণ্যের শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাসী। এরা চায় ভারতের বাকি অংশের সাথে পশ্চিমবঙ্গের একটা বৈরিতা তৈরি হোক। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মত শক্তির হাত শক্ত হয়। কারন বিজেপি তো সাম্প্রদায়িক শক্তি। তারা তো বাঙালিদের উপর অত্যাচার করবেই। এবং এর জন্য সারা ভারতের শক্তি তারা ব্যবহার করবে। কিন্তু বিপরীত দিকে বিরোধীরা বাঙালি অষ্মিতা মারাতে গিয়ে সারা ভারতের শক্তি দিয়ে বিজেপিকে প্রতিরোধ করতে পারবে না। ফলে বিজেপি শাসন করে যাবে। আর তারা বাংলা বাঙালি আর বামপন্থা মারিয়ে যাবে। ঠিক যেমন অনেক রাম বাম চাড্ডিরা যুক্তি দেয়, তারা বিজেপির দুর্নীতি ধরে না। কারন প্রত্যেকটা দলই দুর্নীতিগ্রস্থ। কিন্তু অদ্ভুৎ ভাবে মমতা দুর্নীতিগ্রস্থ হলে সরকার পাল্টে যায়। বামেরা সরাসরি বিপ্লবের তত্ত্বে এগিয়ে যায়। কারন আগামী একশ বছরেও বিপ্লব হবে না। এবং বিজেপির রাস্তা পরিষ্কার থাকবে। সুতরাং এই রাম বাম ও আঞ্চলিক সবকটি শক্তিই একে অপরের সহায়ক। এবং সুভাষ চন্দ্রের যে লড়াই সবার চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিল। সেটা হল এই ক্ষুদ্র আঞ্চলিক স্বার্থ ও ক্ষুদ্র জাতি সত্তা যেমন ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র এর উর্ধ্বে উঠে লড়াই। যা বর্তমান দিনে শিক্ষনীয়। গান্ধি যখন ভারত ছাড়ো আন্দোলন করেছিলেন। তখন তার বিরোধিতা করেছিল আরএসএস, হিন্দু মহাসভা, বামপন্থী, আম্বেদকর। গান্ধিজী সুভাষ সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন,
     
    'আজাদ হিন্দ ফৌজ এমন কিছু কাজ করেছে, যা নিয়ে তারা গর্ব করতে পারে। তারা অসহিষ্ণুতার সময়ও অখন্ড ভারতকে এক সূত্রে গাঁথতে চেয়েছিলেন।'
     
    'বোসের সাথে আমার অনেক বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। কিন্তু দেশপ্রেমের দিক থেকে বলতে গেলে, তিনি ছিলেন অতুলনীয়।'
     
    'নেতাজী ও আজাদ হিন্দ ফৌজের কাছ থেকে যে বিষয়গুলি আমাদের শিখতে হবে, সেগুলি হল ...... তাঁরা কিভাবে জাতি ও আঞ্চলিক স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে একসাথে রক্ত ঝরাতে পেরেছিলেন।'
     
    কথাগুলো একদম এই নয়। তাই কোট ব্যবহার করলাম না। কিন্তু মূল বক্তব্য এটাই ছিল। আগের আলোচনায় কোটেশন দিয়েছিলাম। এছাড়া এগুলো এমন কোনো গোপন বিষয় নয়। একটু রিসার্চ করলেই জানতে পারবেন।
  • Manali Moulik | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:৪৯558844
  • আমার শিক্ষা ও পড়াশোনা অত‍্যন্ত কম ও অভিজ্ঞতাও কম।
    একটা কাজ ও কনফারেন্সের চাপে এই রাতের আগে সাইটে আসতে পারিনি। এখন দেখলাম। একটা কথা বলে যাই,
    বাঙালী আঁতেলেকচুয়ালদের শতসহস্র ধিক্কার।
    তরমুজ সম্পর্কে আমার কিছু বলার ভাষা বা ইচ্ছা কোনোটাই নেই। ডট ম‍্যাডাম, আপনাকে শ্রদ্ধা করতাম, তবে বিদেশে থাকলেই কি একজন দেশনায়ক সম্পর্কে এইকথা বলা যায়? ধিক্কার!! ভাবলে দুঃখ আর মানসিক যন্ত্রণা হয়, এই বাঙালীদের জন‍্য, এই স্বদেশবাসীর জন‍্য স্বাধীনতা যুগের উজ্জ্বল মানুষরা অকথ‍্য কষ্ট সয়েছেন, স্বাধীনতার লড়াই করেছেন ও দেশের চিন্তায় জীবনের সব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ বিসর্জন দিয়েছিলেন।
    আপনাদের চৈতন‍্য হোক। আমার গা ঘিনঘিন করছে।
     
    শরীরে মানুষের রক্ত থাকলে আর দ্বিতীয়বার এই সাইটে আসবো না।
  • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:৪১558843
  • //ভাবিনি এমনও দিন দেখতে হবে যেখানে বাঙালির মুখ দিয়ে সুভাষ চন্দ্রের বদনাম শুনতে হবে।//
     
    একটা সামান্য তথ্য তাহলে এখানে থাকুক। ১৯৩৯ সালের কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে সুভাষের প্রাপ্ত ভোট ছিল সীতারামাইয়ার থেকে ২০৩টি বেশি। সুভাষ বাংলা থেকে সর্বোচ্চ ৪০৪টি ভোট পান। শুধু তা-ই নয়, খোদ বাংলাতেও তাঁর বিরুদ্ধে ৭৯টি ভোট পড়ে। আর বাংলা-লাগোয়া বিহার, উড়িষ্যা ও অসমে সীতারামাইয়া যেখানে পান মোট ৩১৮টি ভোট, সেখানে সুভাষের প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা ছিল ১৪৮।
     
    তাঁরা আজ সবচেয়ে বেশি সুভাষপ্রেমী!!
  • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:৩৫558842
  • হাঃ হাঃ। জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা, মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল। কিংবা একদিন যারা মেরেছিল তাঁরে গিয়ে রাজার দোহাই দিয়ে।
     
    নীরদ চৌধুরীর দাই হ্যান্ড গ্রেট অ্যানার্ক পড়লেই হবে।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:৩০558841
  • হায়রে ভারত বর্ষ। ভাবিনি এমনও দিন দেখতে হবে যেখানে বাঙালির মুখ দিয়ে সুভাষ চন্দ্রের বদনাম শুনতে হবে। প্রথমে গান্ধি তারপর সুভাষ। কেউ ভাল না। শুধু রাম বাম চাড্ডিরা ভাল। দেশকে ভেঙে টুকরো করা ভাল। মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিচ্ছে। সেটা ভাল। বাঃ বাঃ অসাধারন।
  • এলেবেলে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:২৮558840
  • //পিছনের আলোচনাগুলো কেউ ওনাকে এনে দিন তো! ওনার সাথেই বিতর্ক হয়েছিল।//
     
    মানে এসব বলার কী অর্থ? দশ বছর হল এই সাইটে আছি। কাজেই পুরনো আলোচনা দেখার টেকনিক-ফেকনিক জানি।
     
    কিন্তু তাতে মূল প্রশ্নটা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। মুঞ্জে-হেগড়েওয়ারের মুসোলিনি যোগ নিয়ে প্রবল নিন্দা করব আর সুভাষ-হিমলার সব দোষের ঊর্ধ্বে? সাভারকরের নাৎসি-প্রীতি নিয়ে পোবোন্দো নামাব আর সুভাষের বেলায় মুখে আঙুল।
     
    গান্ধী জাতির জনক কেন? মানে কোন জাতির? তিনি ছাড়া আর কেউ ছিলেন না? বা তার আগে জাতির অস্তিত্ব ছিল না? কংগ্রেস তবু এটা মানতে পারে, লিগের সমর্থকরা তা মানবেন কেন? হিন্দু মহাসভাই কি মেনেছিল? তাহলে এই চাপিয়ে দেওয়া বিশেষণের কী অর্থ?
     
    //ট্রুথ টেবিল লিখে রিডাকশনিস্ট এনালিসিস//
     
    হুতো সেটা করেছেন, খুবই ভালো ব্যাপার। কিন্তু আমি ঠিক কী হইলে কী হইতে পারিত-তে খুব একটা বিশ্বাসী নই। এই যে বাঙালির ধারণা যে সুভাষ থাকলে দেশভাগ হত না কিংবা বাংলা ভাগ হত না - এটা যে ঠিক কিসের ভিত্তিতে উচ্চারিত হয়, সেটা আমার অজানা। বিতাড়িত না হলে সুভাষ কংগ্রেসই করতেন এবং কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্তই মেনে নিতেন। ইতিহাস তার সাক্ষী।
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:৩৯558839
  • না। পিতৃতান্ত্রিক টান্ত্রিক না। জাতির জনক আবার কী? জিন্নাহ যেমন পাকিস্তানের। লিডার অবধি ঠিক আছে। জনক আবার কী? অতো গদেগদো হতে হবে কেন? জোর করে চাপিয়েও লাভ নেই। এগুলো জোর করে পড়ানো হয়। মহাত্মা শব্দটি নিয়েও আমার আপত্তি। নেতাজি শব্দ নিয়েও ঐ।
    দুনিয়াশুদ্ধ মানুষ জানছে যে হিটলার একটা নাৎসি। সেখানে শত্রুর শত্রু তাই আমার মিত্র গোছের গোলগোল মিষ্টি সমীকরণ খাটে নাকি? একটা জেনোসাইড করা ক্রিমিনালকে আমি বন্ধু বানাবো? সুভাষ এইটুকু বুঝতে না পারলে তো মুশকিল। একটা লোক আমাকে দেশ স্বাধীন করতে হেল্প করবে বিনা মতলবে? বিনা প্রফিটে? মূল‍্য দিতে হবে না? আর সেই সময়ে হিটলারের নিজেরই ফাটছিল। পরে টোটালি ফাটে রাশিয়া আক্রমণ করতে গিয়ে।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:৩৫558838
  • // বিজেপি ফান্ডেড? বং কেশ নাকি?//
     
    শুধু বাংলায় নয়। কংগ্রেসে 40% লোক আরএসএস এর। অস্বীকার করি না। এবং এটাকে শোধরাতে হবে সেটাও বলি। কিন্তু যা আছি, সেটাই ঠিক আছি। সেটা বলি না। সেজন্যই কংগ্রেস একদিকে পুঁজিবাদের সমর্থক। অন্যদিকে সমাজতান্ত্রিক। দরকার হলে সাম্যবাদও মেনে নেব। সেজন্যই গান্ধির তত্ত্বকে আজ বেশি প্রয়োজন। কংগ্রেসের ভেতর সাম্যবাদী ধারনাকে স্থাপন করার জন্য। কিন্তু বামেরা সবজান্তা এবং প্রাগৈতিহাসিক। অর্থাৎ যাদের বিবর্তন হয় না। এটা ভয়ঙ্কর। তাই বলে মার্কসকে গালাগাল করে লাভ নেই। মার্কস তার সময় অসাধারন কাজ করেছিলেন। মার্কস ও সিপিএম এক নয়। যেমন গান্ধি ও কংগ্রেস এক নয়। ..... কংগ্রেস বিজেপি ফান্ডেড নয়। কংগ্রেস আরএসএস ফান্ডেড।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:২২558837
  • //খুব ভালো করেই জানি, আজ ২০:৩১-এ যে প্রসঙ্গটা উত্থাপন করেছি, এর আগে সেই নিয়ে ভাটে আলোচনা হয়নি। কাজে ফাটা রেকর্ড বাজিয়ে লাভ নেই।//
     
    পিছনের আলোচনাগুলো কেউ ওনাকে এনে দিন তো! ওনার সাথেই বিতর্ক হয়েছিল।
  • সবজান্তা অরিন | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:২১558836
  • গেঞ্জিও পিতৃতান্ত্রিক শব্দ নাকি?
  • albert banerjee | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:১৮558835
  • //তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২৮//
    বাম বিজেপি ফান্ডেড? বং কেশ নাকি?
  • ধুরধুর | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:১৮558834
  • এই নোংরাগাধি যোষিতা আর নোংরাগাধা তরমুজটাকে ধরে একটা টইতে পাঠাক না কেউ। দুটোই যেমন গাঁট তেমনি জঞ্জাল। দুটোই নিজের নিজের পাদের গন্ধে মত্ত হয়ে দাপাতে থাকে এদিকে মাথাভরা গার্বেজ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত