এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৩৪558381
  • //পৃথিবী বিভিন্নপ্রকার পাঁঠায় পরিপূর্ণ।
    দেখে বেশ মজা লাগে।//
     
    না অনেক প্রকারেও আবাল গাধাচোদা গান্ডুতেও পরিপূর্ণ।
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৩২558380
  • //কিন্তু ঐ মুহূর্তে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে কোন কৌশলকে ব্যবহার করা হবে? সেটা নিয়ে দুই শিবিরের মতপার্থক্য ছিল। //
     
    কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর অক্ষ শক্তির পতন যেভাবে হয়েছিল, সেই স্থানে গান্ধিজীর দূরদর্শিতার প্রশংসা না করে পারা যায় না। এবং এই সিদ্ধান্ত এটাই প্রমান করে ঐ মুহূর্তে গান্ধিজীর সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। .... কিন্তু সম্পূর্ণ ভারতকে এক সূত্রে বাঁধা বা ভারত বর্ষকে একটি দেশ হিসেবে কল্পনা করা। এবং তার রূপদানের প্রক্রিয়ায় সুভাষ চন্দ্রের অবদান সব থেকে বেশি। সুভাষ চন্দ্রের জন্যই আজ ভারতবর্ষ একটা দেশ। সুভাষ চন্দ্র অখন্ড ভারতের জনক। এবং এই প্রত্যেক মহাপুরুষই তাদের স্ব স্ব জায়গায় পুজনীয়। আমাদের দেশের পাইয়নিয়ার, ফাউন্ডার। আগামীর পথপ্রদর্শক। অনেক মহাপুরুষের অনেক চিন্তা ভাবনা ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয়। তার মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দুজন ব্যক্তিত্ব হলেন গান্ধিজী এবং সুভাষ চন্দ্র। গান্ধিজীর আর্থ-সামাজিক চিন্তা ভাবনা এবং সুভাষ চন্দ্রের রাজনৈতিক চিন্তা ভাবনা, তৎকালীন সমাজের তুলনায় অনেক এগিয়ে/অ্যাডভান্স ছিল। যা ঐ সময় কার্যকরী না হলেও। আগামী দিনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আর এ কারনেই তারা মহাপুরুষ।
  • দীপ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৭558379
  • পৃথিবী বিভিন্নপ্রকার পাঁঠায় পরিপূর্ণ।
    দেখে বেশ মজা লাগে।
  • @$) | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১২558378
  • তাহলে তরমুজ এর এত এত গ বেষনা র ফল দাঁড়ালো যে ৩৪ বছরের বাম আমলই হলো গিয়ে আজকের সব সমস্যার মুল ?
     
    হাততালির ইমোজি।
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০৬558377
  • তবে গান্ধি ও সুভাষের মধ্যে মতাদর্শগত খুব সুক্ষ ও সামান্য একটি পার্থক্য আছে। যেটা ধরার মধ্যে পড়ে না। সুভাষ ছিলেন জাতিয়তাবাদী এবং গান্ধি ছিলেন মানবতাবাদী। অনেকটা মার্কসের মতই। কিন্তু এই পার্থক্য ধরার মধ্যে পড়ে না। কারন গান্ধিজীর মানবতাবাদী ভাষ্যকে তিনি সমাজ নীতির জন্যই ব্যবহার করতেন। রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে তিনিও অনেক সময় জাতিয়তাবাদের সমর্থক ছিলেন। .... গান্ধি ও সুভাষের মূল পার্থক্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের। সুভাষ তখন সশস্ত্র স্বরাজ চেয়েছিলেন কিন্তু গান্ধিজী অহিংস স্বরাজ। কারন গান্ধিজী ঐ মুহূর্তে কোনো সশস্ত্র স্বরাজের পক্ষে ছিলেন না। মতাদর্শের দিক থেকে বলতে গেলে সুভাষ চন্দ্রও 100% অহিংসায় বিশ্বাসী মানুষ ছিলেন। শুধু সুভাষ নয় যে কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের স্বাভাবিক মানুষই অহিংসায় বিশ্বাসী। কিন্তু ঐ মুহূর্তে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে কোন কৌশলকে ব্যবহার করা হবে? সেটা নিয়ে দুই শিবিরের মতপার্থক্য ছিল। এটা রাজনৈতিক স্ট্যাটেজি। এর সাথে মতাদর্শের কোনো সম্পর্ক নেই। সুভাষ চন্দ্র কি হিটলারের আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন? একদমই না। অন্য দিকে ব্রিটিশও পৃথিবীতে প্রচুর রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। গান্ধিজী ব্রিটিশ ও পাশ্চাত্যের রক্তক্ষয়ী সামাজ্যবাদের বিরোধী ছিলেন। কিন্তু পাশ্চাত্য জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শনের সমর্থক ছিলেন। রবীন্দ্র নাথও তাই। সুভাষ চন্দ্রও তাই। ..... গান্ধিজী নিরামিষ খেতেন পারিবারির খাদ্যাভ্যাসের জন্য। কিন্তু তিনি ব্রিটিশের সাথে লড়াইয়ের জন্য নিজে একবার মাংস খেয়েছিলেন। অভ্যাস না থাকার জন্য ভালো লাগে নি। এবং দ্বিতীয়বার খান নি। কিন্তু সমর্থন করতেন। তিনি ইউম্যান সার্ভাইভালের বিরোধী ছিলেন না। ..... কিন্তু 34 বছরের বাম শাসন গান্ধি, সুভাষের উপর পড়াশোনার বারোটা বাজিয়েছে। তাই বাঙালির মধ্যে এত মিসকনসেপশন। যেটা আরএসএস এর সহায়ক। গান্ধি ও সুভাষের দুটো সাধারন শত্রু হল বাম এবং আরএসএস।
  • দীপ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৪৮558376
  • বাপরে বাপ, কতো জ্ঞান!
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৭:২০558375
  • //সুভাষ গান্ধীজির সততা ও সাংগঠনিক ক্ষমতাকে শ্রদ্ধা করতেন, গান্ধীজির রাজনৈতিক মতাদর্শকে নয়।
    সুভাষ সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন।//
     
    আপনি ইতিহাস, দর্শন, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অ আ ক খ জানেন না। আপনাকে কে বলল গান্ধিজী সমাজতন্ত্রের বিরোধী ছিলেন? গান্ধিজী ভারতীয় সমাজতন্ত্রের একজন অন্যতম পুরোধা এবং জনক ছিলেন। গান্ধিবাদী রাষ্ট্র দর্শনের মূল কথা সমাজতন্ত্র। এবং গান্ধিও মার্কসের মত সমাজতন্ত্র থেকে সাম্যবাদে পৌছানোর জন্য গবেষণা করেছিলেন। কিন্তু মার্কস যেখানে রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের কথা বলেছিলেন। গান্ধিজী তার উল্টো পথে হেটে অহিংস বিপ্লবের কথা বলেছিলেন। এর জন্য আলাদা গান্ধিবাদী দর্শন আছে। শুধু তাই নয় স্বাধীন ভারতে জয়প্রকাশ নারায়নের নেতৃত্বে গান্ধিবাদী অহিংস বিপ্লবকে সামনে রেখে বিখ্যাত জেপি আন্দোলন হয়েছিল। জেপি আগে মার্কসবাদী সমাজতান্ত্রিক ছিল। কিন্তু বামেদের দ্বিচারীতা এবং অহিংস আন্দোলনের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পরবর্তী কালে গান্ধিবাদী সমাজতান্ত্রিক হন। গান্ধিবাদী সমাজতন্ত্রের উপর জেপির নিজস্ব লেখাও আছে। এই জেপি আন্দোলন পরে আরএসএস হাইজ্যাক করে নেয়।যে আরএসএস কে ব্যান্ড করার একজন অন্যতম সমর্থক ছিলেন জেপি নিজে। এই সব ইতিহাস, ভূগোল আগে জানুন। ...... সুভাষ চন্দ্রের সঙ্গে গান্ধিজীর আদর্শগত কোনো মতপার্থক্য ছিল না। ছিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পার্থক্য। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈটিক মতাদর্শ এক নয়। সুভাষ চন্দ্র শেষ দিন পর্যন্ত 100% গান্ধিবাদী ছিলেন। আর সেই কারনে তিনি নিজে কোনো সমাজ তাত্ত্বিক ধারনা বা মতাদর্শ তৈরি করেন নি। কারন তিনি গান্ধিবাদকে সঠিক মতাদর্শ মনে করতেন।
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৫২558374
  • //লক্ষ্মীবাঈ নিজস্ব নারীবাহিনী গঠন করেছিলেন। মন্দার, কাশীবাঈ, ঝলকারিবাঈ প্রমুখ ঐ বাহিনীতে ছিলেন।//
     
    আপনি তো অশিক্ষিতের মত কথা বলছেন। এখানে বলা হচ্ছে ব্রিটিশ বিরোধী আধুনিক রাষ্ট্রীয় সেনার কথা। লক্ষ্মীবাঈ এর লড়াই ভারত বনাম ব্রিটিশের লড়াই ছিল না। মঙ্গল পান্ডের লড়াই ছিল জাত পাতের লড়াই। কিন্তু সুভাষ চন্দ্রের লড়াই ছিল অখন্ড ভারত বনাম ব্রিটিশের লড়াই। সেই অখন্ড ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা ব্রিটিশ ব্রিগেড ছিল ঝাঁসির রাণী ব্রিগেড, রাণী লক্ষ্মীবাঈ এর স্মৃতি রক্ষার্থে তৈরি হয়েছিল। যেমন গান্ধি, নেহেরু, ও মৌলানা আজাদের স্মৃতিতেও ব্রিগেড তৈরি হয়েছিল। এবং ঝাঁসির রাণী ব্রিগেডের বিশেষত্ব ছিল আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে সেনাদের সুশ্রুসা করা। অবশ্য গোমূত্র খাওয়া অশিক্ষিত চাড্ডিরা এসবের গুরুত্ব কি করে বুঝবে? চেষ্টা করেও পারবে না। যার মাথায় যা ঢোকে।
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৩৭558373
  • আজাদ হিন্দ ফৌজ
     
    1. Gandhi Brigade (1st Guerrilla Regiment)Col. Inayat KianiFormed as part of the 1st INA Division; fought in the Imphal-Kohima campaign in Burma.
    2. Nehru Brigade (2nd Infantry Regiment)Col. Gulzara Singh / Col. Gurbaksh Singh DhillonPlayed a key role in defense and counter-offensive actions along the Irrawaddy River sector.
    3. Azad Brigade (3rd Infantry Regiment)Col. Prakash Chand / Col. Gulzara SinghServed as an infantry formation deployed in the North-East Burma sector.
    4. Subhas Brigade (1st Guerrilla Regiment)Col. Shah Nawaz KhanElite unit that saw heavy combat on the Imphal-Kohima front and entered Indian territory in Manipur.
    5. Rani of Jhansi Regiment (Women's Combat Regiment)Capt. Lakshmi Swaminathan (Sahgal)An all-female combat unit formed in July 1943, trained for armed combat and military nursing.
     
    সুভাষ চন্দ্রের প্রচন্ড আপত্তি সত্তেও তার অনুগামীরা ভালোবেসে একটি ব্রিগেডের নাম সুভাষ বিগ্রেড রেখেছিল।
  • Manali Moulik | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৬:১২558372
  • এই সরকার কেন্দ্রে একশো বছর, বাংলায় দুশো বছর থাকবে।
     
     
     
    ওম্মা !!!! তাহলে গড় আয়ু হবে একেকজনের কতোবছর? পরবর্তী মুখ‍্যমন্ত্রী কে আপনার মতে?
  • কৌতূহলী | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৪০558371
  • //দুটো টার্মের বেশী এই গভর্নমেন্ট থাকবে বলে কেউই বিশ্বাস করে না!//
    এখন পাবলিক ম্যান্ডেটে কিছু হয় না। জ্ঞানেশ বাবা মডেলে ভোট হবে আর এই সরকার কেন্দ্রে একশো বছর, বাংলায় দুশো বছর থাকবে।
  • দেশি ব​য় | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২২558370
  • @ ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৪৫
    <<ঐটেই তো অশিক্ষার নমুনা। এবিষয়ে অনেক রিপোর্ট আছে। বেশীরভাগ হয় আত্মীয়দের মধ‍্যে ও এই ভুলভাল কনসেপ্ট মাথায় ঢুকিয়ে সেগুলো চেপে দেওয়া হয়।>>

    জানিনা আপনি কোন দেশ থেকে শিক্ষিত, ভারতের ন​য় বলেই মনে হচ্ছে। অথবা নিজেকে ভারতের আইনের উর্দ্ধে ভাবেন।
    ধর্ষণ(Rape) ফাইনালি একটা লিগাল টার্ম​, কারো মন গ​ড়া বা সাহিত্যিক বা সামাজিক ধারণা কী তা দিয়ে কিছু যায় আসে না।
    BTW,এখানে আশা করা যায় পুরুষ বলতে Adult male-এর কথা হচ্ছে (মাইনর দের জন্য ব্যাপারটা আলাদা। তার জন্য মোটামুটি জেন্ডার নিউট্রাল পকসো আছে)।
  • | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫০558369
  • ওরে বাঁ.. নীচে কথাটা উঠেছিল আইএনএ এর মহিলা ব্রিগেড নিয়ে। সেটার নাম লক্ষ্মীবাঈ ব্রিগেড ছিল না। ঝাঁসির রাণী ব্রিগেড ছিল।
  • দীপ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৪৬558368
  • লক্ষ্মীবাঈ নিজস্ব নারীবাহিনী গঠন করেছিলেন। মন্দার, কাশীবাঈ, ঝলকারিবাঈ প্রমুখ ঐ বাহিনীতে ছিলেন।
    মন্দার গোয়ালিয়রের শেষ যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন। রানী মন্দারের আততায়ীকে হত্যা করেন, কিন্তু ঐ সময় আরেকজন ব্রিটিশ সৈনিক রানীর মাথায় তলোয়ারের আঘাত করে। এর একটু পরেই রানীর বুকে গুলি লাগে। এই দুই আঘাতেই রানীর মৃত্যু হয়।
     
    মহাশ্বেতা দেবীর ব‌ইতে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
    অনুগ্রহ করে পড়ে নেবেন।
  • Manali Moulik | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৪৫558367
  • বিদেশের কথা জানি না, তবে ভারতে ধর্ষণের সংজ্ঞা অনুযায়ী একজন পুরুষ কখনোই ধর্ষিত হতে পারে না।
    Section 63 of the Bharatiya Nyaya Sanhita (BNS)প​ড়ে নিন।
     
     
     
    ঐটেই তো অশিক্ষার নমুনা। এবিষয়ে অনেক রিপোর্ট আছে। বেশীরভাগ হয় আত্মীয়দের মধ‍্যে ও এই ভুলভাল কনসেপ্ট মাথায় ঢুকিয়ে সেগুলো চেপে দেওয়া হয়।
  • | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৩১558366
  • লোকের এইটুকু বেসিক সেন্স চলে গেছে, যে একজন লোককে বাড়িতে নেমন্তন্ন করে ডেকে নিয়ে গিয়ে, তারপরে খেতে বলতে বলার পরে কিছু লোক গুণ্ডামি করে বলছে যে ওকে খেতে দেওয়া যাবে না কারণ অতীতে উনি কোথায় গিয়ে নেচেছিলেন, এসব করা যায় না। স্টেজ আলো করে যারা বসে তারা পরে যুক্তি দিচ্ছে এইসব আর যিনি ডাকলেন তিনি ইন্টারভিয়ুতে কিছু একটা মন্তব্য করকেন যে উনি এসব পছন্দ করেন না !

    হ্যাঁ, জয় পাপ তো করেছেন। এইসব তসলিমার নস্টালজিয়ামার্কা অ-কবিতাকে কবিতা বলে 'দেশ' এর পাতায় চালিয়েছেন, নিছক গদ্যে লেখা স্মৃতিমেদুর রিপোর্টিং যা সব, সেরকম লেখা তো তসলিমা কাল পড়ছিলেন, কলকাতার রাস্তায় আলু- কাবলি খাব, চিৎঅপুরে খালি পায়ে হাঁটব, আর কী কী সব। পাশে দাঁড়িয়ে কিছু লোক টুংটুং করে মিউজিক দিচ্ছে ! এ মানে এসবও কবিতা, এতদিন ইউরোপ না কোথায় কোথায় থেকে এসব কলকাতায় এসে উগড়ানো হচ্ছে ? জয়ের ১৯৯৫ পরবর্তী লেখালেখির এফেক্ট এইসব, এ নিয়েই বাঙালীর উন্নতি হবে।

    আশা করি, বাঙালী জেনজি এইসব ঢ্যাষ্টামো দেখছে এবং পাত্তা দেওয়া থেকে দূরে থাকছে। একদিন যখন এইসব নিয়ে রিয়াকশন দেবে তখন কালচারাল শক না পেলেই হল।
  • দেশি ব​য় | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:১৩558365
  • বিদেশের কথা জানি না, তবে ভারতে ধর্ষণের সংজ্ঞা অনুযায়ী একজন পুরুষ কখনোই ধর্ষিত হতে পারে না।
    Section 63 of the Bharatiya Nyaya Sanhita (BNS)প​ড়ে নিন।
  • ধোরবা | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৯558364
  • ধুরো চাড্ডির বাচ্চা বাপশার পোষ্য পরপর পোস্ট পড়ে মানে বুঝিস না এদিকে খিস্তাতে এসে গেচিস। কোন রানী কী বানিয়েছে সেই নিয়ে কথা হচ্ছেই নারে গাধার গু। একজনা আজাদ হিন্দ ফৌজের নারী বাহিনীর নাম ভুল লিখেছে আরেকজনা সেটা ঠিক করে দিয়েছে। যা তোর বাপের শ্রাদ্ধ করগে যা এবারে।
  • Manali Moulik | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৮558363
  • //রাণী দুর্গাবতীও করেছিলেন।//
     
     
    রাণী দুর্গাবতী গন্ডোয়ানাল‍্যান্ডের সৈন‍্যদল গঠন করেন দিল্লীর সম্রাটের বিরুদ্ধে। সে তো রাণী কর্ণাবতী, দাক্ষিণাত‍্যের আবাক্কা চৌতা, কেলাডি চেনাম্মা (যুদ্ধ-কূটনীতির রাণী) বা রাজকন‍্যা ভেলু নাচিয়ের (প্রাথমিকভাবে মানববোমার সৃজন করেছিলেন) এনারাও আছে।মেদিনীপুরের রাণী শিরোমণিই বা বাদ যাবেন কেন? ইনি তো আরো পরের মানুষ। ব্রিটিশ বিরোধী চুয়াড় বিদ্রোেহে এনার অবদান বিনয় ঘোষ বিস্তারিত লিখেছেন। এতে ইতিহাসের শ্রাদ্ধ বা মৎস‍্যমুখের কী দেখলেন?
  • Manali Moulik | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৩558362
  • @Dhuttor, দেখুন এটা খুব ভুলভাল আইডিয়া। কট্টর নারীবাদ বা পুরুষবাদ কোনোটাই ভালো না। আর পুরুষ ধর্ষিত হয় না এটা কে বলেছে? তবে সেক্ষেত্রে কোনো সম্পর্কেই ডমিনেশন জিনিসটা ভালো না।স্বাভাবিক সম্পর্ক ও সম্মান সবক্ষেত্রে প্রযোজ‍্য।নাহলে তো বিষয়টা ট্রান্সফার অফ পাওয়ার হয়ে যায় না? একজনের মানবিক সম্মান ভূলুণ্ঠিত হবে এরকম কিছু কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ চাইবে না।
     
     
    r2h দা, জয় গোস্বামীর অপমানে আমি ব‍্যক্তিগতভাবে মর্মাহত। তবে এর কারণগুলো অস্বীকার করা চলে না। বিগত সরকারের আমলে একটি পোষ‍্য বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় গ ড়ে উঠেছিলো। এনারা অনেক নারকীয় ঘটনায় নির্বাক থেকেছেন ও শাসকভজনা করেছেন। তাই রোষ একটা থেকেই যায়।
     
    রাজদন্ড বহি, শ্লথছন্দে রচিয়া বিলাপ
    যে চাহে অলোকা, নির্বাসন তার যোগ‍্য অভিশাপ।
     
    তো এই আর কি।
  • দীপ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৬558361
  • সুভাষ গান্ধীজির সততা ও সাংগঠনিক ক্ষমতাকে শ্রদ্ধা করতেন, গান্ধীজির রাজনৈতিক মতাদর্শকে নয়।
    সুভাষ সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন।
     
    রাণী লক্ষ্মীবাঈ একটি নারী সৈন্যদল গঠন করেছিলেন। রাণী দুর্গাবতীও করেছিলেন।
     
    ইতিহাসের শ্রাদ্ধ হচ্ছে!
  • Dhuttor | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১২:৪২558360
  • @ মানালী, আচ্ছা খুব কট্টর নারীবাদী কেউ তার কাছে কোনো ছেলে যদি এরকম স্বেচ্ছায় ধর্ষিত হতে চায় বা ধরুন স্বেচ্ছায় ডমিনেটেড হবে এরকম একটা সম্পর্ক চায় তখন কি প্রতিক্রিয়া হতে পারে নারীবাদীর তরফ থেকে ? Mansplaining করবোনা, একজন মডার্ন ফেমিনিস্ট হিসাবেই আপনি বলুন l
  • | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৪558359
  • নামগুলো দেখেশুনে বলা ভালো।
     
    ঝাঁসির রাণী ব্রিগেড। ঝাঁসির রাণী লক্ষ্মীবাঈ হলেও ব্রিগেডের নাম ঝাঁসির রাণী ব্রিগেড ছিল।
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১১:৩৪558358
  • সুভাষ চন্দ্র গান্ধিজীকে শুধু জাতির জনক আখ্যাই দেন নি। উনি গান্ধিজীর আর্থ-সামাজিক মডেলকেও শ্রেষ্ঠ এবং ভারতের জন্য উপযুক্ত মনে করতেন। এছাড়া শেষ দিন পর্যন্ত নিজেকে গান্ধিবাদী বলে পরিচয় দিতেন। আজাদ হিন্দ ফৌজের ব্রিগেডের নামগুলো জানলেই বুঝতে পারবেন উনি কোন আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন। এবং সুভাষ চন্দ্র প্রথম মহিলা ব্রিগেড তৈরি করেন। লক্ষ্মীবাঈ ব্রিগেড।
  • তরমুজ | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১১:২৫558357
  • //সুভাষ চন্দ্র গান্ধিজীকে বলেছিলেন জাতির পিতা//
    রেফারেন্স দিন। "গুজব ছড়াবেন না গুজবে কান দেবেননা "//
     
    ক্লাস সিক্স থেকে তো তাই পড়ে এসেছি। বাম জমানায়।
  • Manali Moulik | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১১:০৩558355
  • @Dhuttor ঠিক বলেছেন। এটা আমি নির্বাচিত কলামে পড়েছিলাম।
    জামাতেদের কাছে পিনাকী ভট্টাচার্য্য আর এপারে তসলিমার একটা বেসিক ট্রেন্ড লক্ষ‍্য করলাম, সব দোষ বামেদের। যাইহোক। আয়‍্যাম ফ্র‍াষ্টেটেড।
  • | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১০:৪১558354
  • আমি এটা পড়েছিলাম সিলেক্টেড স্পিচেস অব সুভাষচন্দ্র বসু বইতে।
  • | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১০:৩৮558353
  • সিঙ্গাপুর থেকে প্রচারিত আজাদ হিন্দ রেডিওর ভাষণে সুভাষচন্দ্র বলেছিলেন "Father of our Nation! In this holy war of India's liberation, we ask for your blessings and good wishes."
    এটাই প্রথম যদতদূর জানি। এর পর থেকে গান্ধিজীকে জাতির জনক বলা শুরু হয়।
  • albert banerjee | ০২ আগস্ট ২০২৬ ১০:১২558352
  • //সুভাষ চন্দ্র গান্ধিজীকে বলেছিলেন জাতির পিতা//
    রেফারেন্স দিন। "গুজব ছড়াবেন না গুজবে কান দেবেননা "
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত