@হুতোবাবু//কথা হল আপনি যখন পনেরো ষোলটা গান শুনিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন, তার মানে আপনার সুর তাল জ্ঞান আছে। বিশ্বাস করুন, সেরকম খারাপ গাইলে লোকে পনেরোটা গান ধৈর্য ধরে শুনতৈ না, তিন লাইনেই অপমান করে বসতো। //
না না সেরকম ব্যাপার নয়। স্কুলের সহকর্মীরা যত খারাপই গাই, অপমান তো করবেনই না, বরং উৎসাহ দেওয়ার জন্য প্রশংসাই করবেন। অপমানিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আমার মত ভীতু মানুষ প্রায় প্রত্যেকদিন গান শোনাতই না।
একটা গান গাওয়ার সময় একজন ভিডিও করে পরে আমায় পাঠিয়েছিলেন, শুনে হতাশ হয়ে গেছি আমি।
তাই এখানে জানতে চাইছিলাম, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ বা রেওয়াজ, এতে কোন উন্নতি হয় কিনা। কিন্তু সম্ভবত তরমুজবাবু বললেন যে গানের গলা জেনেটিক। গায়কীর উন্নতি হতে পারে বড়জোর।
এবার আমার তো আর স্টেজে বা মঞ্চে গান গাওয়ার উদ্দেশ্য নেই, একজনকে শুনিয়ে তৃপ্তি পাওয়ার ইচ্ছে, তাই, দেখা যাক......।
আর আপনি যে গানটা বলছেন, কিশোরকুমারের, ওই দুটো লাইন এরকম - '' তোমার বাড়ি আমার বাড়ি আমার বাড়ি নেই/পথে ফেলে দিলে আমি পথেই পড়ে রই / আমায় দেখে সবাই কেবল কিনে নিতে চায়/মনের মত মূল্য দিলে তবেই তারা পায়।'' ভাল গান, কিন্তু কিশোরকুমারের ওই সময়ের বাংলা গানগুলো আমার ততটা প্রিয় নয়। বরং আগেরদিন ডিসিবাবু পডোসন এর যে গানটা দিলেন ওটা এ ক্লাস, লুপে শুনেই যাচ্ছি কাল থেকে। অন্য গানগুলোও।
আর বিড়ালটা বেশ মিষ্টি। আমি বিড়াল খুব ভালবাসি।