এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 14.139.***.*** | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:২৬543083
  • 'কিন্তু আমি কোনওদিনই বাংলা হাতের লেখার প্রতি যত্নশীল নয়, এমন মেয়ে অন্তত দেখিনি। '
     
    এইরে,আমি তাহলে কে ?  :(
     
    হাতের লেখা নিয়ে আমার স্কুলজীবনময় অত্যাচারের কাহিনি লিখেছিলুম না ?  সেই মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার পরেও নিয়মিত স্কুলে গিয়ে ওই বাচ্চাবয়সের ডাবল রুল খাতায় দিস্তে দিস্তে হাতের লেখার আসাইনমেন্ট জমা দেবার বিভীষিকা বর্ণনা করিনি ?
  • . | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:৩৫543082
  • প্রায় প্রত‍্যেক হরফের ভাষাতেই মেয়েলি ও ছেলেলি ছাঁদের হস্তাক্ষর বোঝা যায়। এর সঙ্গে সুন্দর হাতের লেখার সম্পর্ক নেই।
  • মেয়েলি হাতের লেখা নিয়ে মতামত | 2600:1002:b1a6:5612:c44d:ef42:e024:***:*** | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:২৪543081
  • হ্যাঁ শিক্ষকদের থেকে শুনেছি উনারা নাকি হাতের লেখা দেখে বুঝতে পারতেন ছেলের লেখা না মেয়ে! 
    কোনরকম টেষ্ট করার সুযোগ হয়নি, শোনা কথা জানালাম 
  • শ্রীমল্লার বলছি | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:২৩543080
  • @r2h, 
    "ছেলেদের আর মেয়েদের হাতের লেখা কি আলাদা রকম হয়?"
     
    এর উত্তরে আমার সামান্য অভিজ্ঞতা দিয়ে বলতে পারি এই যে, স্কুলজীবন পর্যন্ত (কলেজে ছিলাম না বেশিদিন) যত মেয়েদের দেখেছি নিজের মাকে সমেত (মাকে এখনও দেখছি) তাঁরা বাংলা হাতের লেখার ব্যাপারে বেশ যত্নশীল। তাই ব'লে এমন নয় যে বাংলা হাতের লেখার প্রতি যত্নশীল নয় এমন মেয়ে এই দুনিয়ায় নেই, নিশ্চই আছে। কিন্তু আমি কোনওদিনই বাংলা হাতের লেখার প্রতি যত্নশীল নয়, এমন মেয়ে অন্তত দেখিনি। আপনার প্রশ্নটা যদিও ছিল, "ছেলেদের আর মেয়েদের হাতের লেখা কি আলাদা রকম হয়?" এই প্রসঙ্গে একটা কথা বলতে পারি। মিথ্যে নয়। সত্যি কথাই! আমি কী ক'রে যেন হাতের লেখা দেখলে বুঝতে পারি, কোনটা ছেলের হাতের লেখা, আর কোনটা মেয়ের...! 
  • r2h | 165.***.*** | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১৮:০২543079
    • kk | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৪২543076
    • ...বেশ গোলাগাল মিষ্টি পাতিহাঁস টাইপের ...
     
    হাহা, এটা বেশঃ) পড়ে মনে হচ্ছে অনেকগুলি রাবার ডাকির ছবি আঁকা খাতার পাতায়! 

    আমার হাতের লেখা এত খারাপ ছিল যে একেক সময় নিজেও বুঝতে পারতাম না পরে, মানে, সিরিয়াসলি। এখন তো আর হাতে লেখার দরকারও হয় না, আরও খারাপ হয়েছে নিশ্চয়।
    আমাদের সময় মোটামুটি সবাই ছোটবেলায় হাতের লেখা অভ্যাস করতো, আমি কখনো করিনি, কী করে ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলাম কে জানে! বাংলা অক্ষর নিয়ে তেমন বেগ পেতে হয়েছে বলে মনে পড়ে না, কিন্তু ইংরেজি অক্ষরগুলি গোলমাল হয়ে যেত, কিছু কিছু অক্ষর কিছু একটা ছবি ভেবে মনে রাখার চেষ্টা করতাম বলে মনে পড়ে!

    আগেকার বাংলা গল্প উপন্যাসে 'মেয়েলি ছাঁদের লেখা' বলে একটা জিনিস চোখে পড়তো। এতে আমার বেশ একটু কৌতূহল হত - ছেলেদের আর মেয়েদের হাতের লেখা কি আলাদা রকম হয়?
  • Manali Moulik | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ১২:৪৯543078
  • আমার হাতের লেখা কোনোদিনই তেমন ভালো নয়। তবে এখন অধিকাংশ লেখাই ইংরেজিতে বলে যে বাংলা হাতের লেখার কোনো অবনমন বা উন্নয়ন হয়েছে, তা নয়। তবে স্কুলজীবনের থেকে এখন হাতের লেখা তুলনামূলকভাবে অনেক সুন্দর।
  • . | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৫৯543077
  • শ্রীমল্লারের প্রশ্নের জবাব দেবার আগে ভাবছিলাম....
    হ‍্যাঁ আমি রোজ আমার অফিসে ইমেইল ছাড়া বাকি সমস্ত কাজ ইত‍্যাদি বাংলাতেই লিখি। যাতে কেউ পড়তে না পারে। দিনের শেষে সেই কাগজগুলো শ্রেডারে কুচি কুচি হয়ে যায়। তাই বাংলা হস্তাক্ষর মন্দ না। কিছু বছর আগে বেশ কয়েকটা বইয়ের প্রচ্ছদের কাজ করেছি বাংলায় নাম ইত্যাদি লেখা এইসব আর কি।
  • kk | 2607:fb91:4c21:664d:a532:a036:5446:***:*** | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৪২543076
  • অনেক সিরিয়াস আর ভালো আলোচনা চলছে, তার মধ্যে শ্রীমল্লারের প্রশ্নের কেউ উত্তর দিচ্ছেনা। আচ্ছা, আমি দিয়ে যাই। আমার বাংলা হাতের লেখা ভালো করার জন্য বাবা, মা বা টীচারদের কেউ কখনো বিশেষ মাথা ঘামাননি। তা আমার বাংলা হাতের লেখা খারাপ ছিলোনা। খুব ঝকঝকে বা সুন্দর বলা যাবেনা, কিন্তু বেশ গোলাগাল মিষ্টি পাতিহাঁস টাইপের ছিলো। এখন বহুকাল কাগজ-কলমে না লিখে হাতের লেখার বারোটা বেজে গেছে।কাগজ-কলমে লিখিনা বললে ভুল হবে। সে লিখি আমি। প্রচুর। ফ্রী জার্নালিং। কিন্তু সে ইংরেজিতেই হয়। তাই বেচারা বাংলা হাতের লেখার অবস্থা বিশেষ ভালো না!
  • . | ৩০ অক্টোবর ২০২৫ ০১:০৩543075
  • ভয়ঙ্কর
     
  • শ্রীমল্লার বলছি | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ২২:৫৭543074
  • আচ্ছা, আমাদের অনেকেরই নিশ্চই ছোট থেকে বাংলা হাতের লেখা যাতে ঝকঝকে হ'য়ে ওঠে সেইজন্য মা বাবা কিংবা শিক্ষক শিক্ষিকারা বাংলা লেখার অভ্যেস করাতেন? তো কথা হচ্ছে, একটা সময়ের পরে কাগজে কলমে লেখার অভ্যেস না থাকায় অনেকের বাংলা হাতের লেখাই নিশ্চই আর আগের মতো ঝকঝকে নেই। তবু জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, এখন বাংলা হাতের লেখার কার কেমন অবস্থা? 
     
    যদিও আমার বাংলা হাতের লেখা আগে বেশ সুন্দর ছিল। কিন্তু এখন কাগজে কলমে লেখা ছেড়ে দেওয়ায় বাংলা হাতের লেখা সেই আর আগের মতো নেই। যদিও চেষ্টা চলছে আবারও কাগজে কলমে লেখার। আমার বাংলা হাতের লেখা সামান্য ভাল করার পেছনে আমার মা আর আমার বাংলা শিক্ষকের অবদান রয়েছে। মায়ের বাংলা হাতের লেখা জ্যোৎস্নার মতোই স্নিগ্ধ... smiley 
  • Manali Moulik | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৭:২৬543073
  • 'Cosmopolitanism rooted' বইটা Anthony Abbey- এর লেখা সম্ভবতঃ।
    ম‍্যানেজমেন্ট, সেলস্ স্টাডিসের ইত‍্যাদির বাজারকেন্দ্রিক পড়াশোনা একদিকে যেমন শহরকেন্দ্রিকতা বেশ বাড়িয়েছে, তেমন প্রান্তিক লোকসংখ‍্যাকেও যুক্ত করার একটা চ‍্যালেঞ্জ ( যদিও বাণিজ‍্যিক)  এদের রয়েছে তা অস্বীকার্য নয়। কেবল চাকুরীকেন্দ্রিক কলকাতার বাবুসমাজের কিন্তূ এদিক থেকে একটা বিচ্ছিন্নতা ছিলো। এখন ম‍াল্টিন‍্যাশনাল জব আর বাজারকেন্দ্রিক পড়াশোনার জন‍্য যে মূল‍্যবোধের অবক্ষয়ের কথা বলা হয়, সেটা কি 'গোঁড়া- মধ‍্যবিত্ত-মূল‍্যবোধের' পরিবর্তন?  
  • অরিন | 119.224.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৪:০২543072
  • lcm এর পাওয়ার সংক্রান্ত পোস্ট দেখে সাম্প্রতিক পাওয়ার স্ল্যাপ প্রতিযোগিতায় জনৈক ভারতীয়ের কথা মনে হল, power ই বটে, দেখে নিন পাওয়ার কাকে বলে, 
     
  • শ্রীমল্লার বলছি | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৩০543071
  • মৃত্যু পরবর্তী জীবনে আমি বিশ্বাসী নই। কিন্তু আজ সকালে ঘুম ভাঙল এমন একটা স্বপ্ন দেখে— 
     
    স্বপ্নদৃশ্য 
    একজন ছবি আঁকছেন। গ্রামের ঘর। আমি পাশে ব'সে দেখছি। বেশ কয়েকটা ছবি এঁকেছেন তিনি৷ সম্ভবত অনেকগুলো ছবির মধ্যে এটাই তাঁর শেষ ছবি। উনি ছবিটা শেষ করা মাত্রই ওঁর সঙ্গে পৌঁছে গেলাম এক ঘন জঙ্গলে। সঙ্গে আরও কয়েকজন আছেন, কিন্তু তাঁদেরকে ঠিক চিনে উঠতে পারলাম না। এই ছবি আঁকিয়ে ভদ্রলোক এবং আরও ওই কয়েকজন কিছুটা এগিয়ে গিয়ে এই জঙ্গলের মধ্যে একজনকে ঘিরে দাঁড়িয়ে পড়ল। আমিও এগোলাম। গিয়ে দেখি অদ্ভুত একজন! সবাই বলছে এ নাকি আত্মা! এর মৃত্যু হয়েছে! আমার অচেনা কয়েকজনের মধ্যে থেকে দু'জন বললেন, এমন আত্মাকে খুব পাশেই কোথাও দেখা গেছে। তাই কিছু করতে বারণ করলেন... 
     
    আমি করলাম কী, কোত্থেকে আগুন জোগাড় ক'রে– যাঁকে লোকজন আত্মা বলছে, তাঁর মাথায় গায়ে লাগিয়ে দিতে লাগলাম, আগুন। সত্যিকারের আগুন। আর প্রতিবারেই সে বাঁচার চেষ্টা করল নিজের সমস্তটা দিয়ে। এবং শেষমেশ আমি থামলাম। সেও রেহাই পেল আমার অত্যাচার থেকে। কিন্তু এই আত্মার মুখটা আমার শহরে দেখা তাঁর মতোই, যাঁকে ভিক্ষা করতে দেখা যায় যেকোনওদিন। 
     
    *এই ছিল স্বপ্ন। জীবন আমাকে স্বপ্ন উপহার দেয়। বদলে জীবনকে আমি ফিরিয়ে দিই, একসমুদ্র বিস্ময়! 
  • অরিন | 119.224.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ১০:১৯543070
  • lcm, "হে প্রেভু! "
    সে কে মশাই? অকাতরে "পাওয়ার" বিতরণকারী?
  • kk | 2607:fb91:4c21:664d:5143:f1a1:880e:***:*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৪১543069
  • অরিনবাবু,
    ক্রোম, উইন্ডোজ। এখন ঠিক হয়ে গেছে, যেমন লসাগুদা বললেন।
  • lcm | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৩২543068
  • আমাজন ডেটা সেন্টারে আরও অনেক অনেক পাওয়ার চাই, তাই এনার্জি কোম্পানিগুলির ভরসায় না থেকে, আমাজন নিজেরাই একটা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট খুলবে।

    হে প্রেভু! একটু পাওয়ার দাও... এ জীবনে একটু পাওয়ার চেয়েছিলাম....
  • lcm | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:২৭543067
  • আসলে মূল লেখার নিচের দিকের একটা অংশে বোল্ড ছিল, সেটা ঠিকমত ক্লোজ হয় নি বোধহয়। এখন ঠিক হওয়া উচিত। 
  • অরিন | 119.224.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:২৫543066
    • 'দাদামশায়ের থলে' থ্রেডে সব মন্তব্য গুলো বোল্ড অক্ষরে আসছে কেন? আমি অন্তত বোল্ডে লিখিনি তো!
    কোন ব্রাউজার কোন অপারেটিং সিসটেমে দেখছেন? আপনার স্টাইল শীটের ব্যাপার নয় তো!
  • kk | 2607:fb91:4c21:664d:5143:f1a1:880e:***:*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:১৬543065
  • 'দাদামশায়ের থলে' থ্রেডে সব মন্তব্য গুলো বোল্ড অক্ষরে আসছে কেন? আমি অন্তত বোল্ডে লিখিনি তো!
  • lcm | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০৮:৪৮543064
  • ইংরেজ তো কবে ভারত ছেড়ে চলে গেছে.... আর পড়ে কী হবে... 
  • &/ | 151.14.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০২:০৩543063
  • 'ইংরেজ তুমি ভারত ছাড়ো'--এই ব্যাপারটা নিয়ে বিস্তারিত পড়াশুনো প্রয়োজন। আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ নানারকম সম্পদের সন্ধান দেবার জন্য।
    এখন আসি। ভালো থাকবেন সবাই।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৫৯543062
  • এককালে নারীদের লেখাপড়া কম করানো বা না করানো, নারীদের নিজেদের জীবিকা উপার্জনের ব্যাপারে প্রায় নো নো চালানো, এইগুলো ছিল সামাজিক কৌশল। একটা বিশাল মুখ বোজা ত্রিদাসত্বের দল সমাজে টিঁকিয়ে রাখার। গৃহদাসী গর্ভদাসী রূপদাসী। পালানোরও উপায় ছিল না, যাবে কোথায়? বিয়ের পর বাপের বাড়ি পর হয়ে যায়, শ্বশুরবাড়ির একদোরী হয়ে থাকা ভিন্ন গতি ছিল না। কত বিপুল সংখ্যক নারী যে বিতৃষ্ণার সংসার অনিচ্ছার সন্তান নিয়ে সংসার-কারারুদ্ধ জীবন কাটিয়ে গেছেন তার হিসাব নেই।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৫২543061
  • ব্যাপারটা শুধু নারী-পুরুষ বাইনারি নয় বলেই মনে হয়। উপায়ী আর অনুপায়ীর ব্যাপার।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০১:৩৮543060
  • @মানালি, এটা সম্ভবত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ওতপ্রোত জড়ানো। যিনি বা যাঁরা অর্থোপার্জন করে আনবেন, সেই অর্থে সংসার চলবে, তাঁরা উঁচু অবস্থান নেবেনই। জেনে বা অজান্তে। কারণ যাঁরা ঘরসংসারের অন্য কাজ করে সব সামলাচ্ছেন, তাঁরা বাইরে থেকে উপার্জন করে আনছেন না, খাদ্য-বস্ত্র-আশ্রয়ের জন্য নির্ভর করছেন ওই উপার্জনশীল মানুষগুলোর উপরে।
  • r2h | 134.238.***.*** | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ০০:১৫543059
  • রঞ্জনদা, ও, আচ্ছা; হ্যাঁ, তাই তো। দীর্ঘ দিনের, নানান মতের, গোষ্ঠীর কাজ কর্ম, জনমত তৈরি, আন্তর্জাতিক ঘটনাবলী, লাভ লোকসানের গল্প।

    মনে হয় কতকিছুই উল্টোপাল্টা হতে পারতো। ভারত যদি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে স্বাধীন হয়ে যেত, বা আমেরিকা যদি যুদ্ধে না জড়াতো - ওরে বাবা, নানান গোলমেলে সম্ভাবনা।
  • Ranjan Roy | ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ২৩:৫৯543058
  • r2h
    বললাম এই জন্যে যে তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি ইংরেজের ভারত ছেড়ে যাওয়া যে হঠাত করে আজাদ হিন্দ ফৌজের ভয়ে একদিনে হয় নি, তিরিশ বছর ধরে স্টেপ বাই স্টেপ হয়েছে তার গ্রাফিক বর্ণনা।
    আমি লেখকের সংগে কথা বলেছি। উনি মনে করেন ওটা অহিংস সহিংস এবং আন্তর্জাতিক  পরিস্থিতির চাপ -- সবকিছুর সম্মিলিত ফল।
     
    অনেকটা তোমার ও লসাগুর চিন্তার পক্ষে।
  • Manali Moulik | ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ২৩:৩৯543057
  • সম্প্রতি এক পরিচিতা প্রশ্ন তুললেন, 'নারী কে?'
    বললাম, 'মানে?'  তার ছোটোবেলায় একদিন ব্রেকফাস্ট তৈরীতে দেরী হওয়ায় তার বাবা না খেয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে বেরিয়ে যান ও বলেন তার মাকে, "এই মিটিংয়ে সময়মতো না গেলে কী হয় তা বোঝার ক্ষমতা তোমার নেই।" সেদিন ওর খুব রাগ হয়েছিলো, খারাপ লেগেছিলো। আজ সে একটি বহুজাতিক সংস্থার লীগাল অ‍্যাডভাইসারি কমিটিতে রয়েছে। কী এক কথায় বেরোতে দেরী হওয়ার জন‍্য সেও মায়ের বোধশক্তিক‍ে দোষ দিয়েছে। পরে নিজে অনুতপ্ত হয়ে প্রশ্ন করলো, 'শাসক তো বদলায় ; সাব-অল্টার্নের কন্ঠস্বর অশ্রুতই রয়ে যায়। রাষ্ট্রের ক্ষুদ্রতম এককই তো পরিবার!"
    উত্তর দিতে পারিনি। মনটা সেই থেকে দ্বিখন্ডিত হয়ে আছে।
     
  • এলেবেলে | ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ২০:১০543056
  • গ্যারেট জ্যারেট
  • এলেবেলে | ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ২০:০৮543055
  • অলরেডি বিষয়টা নিয়ে আলাদা টই খোলা হলেও আমি ওখানে লিখছি না। প্রথমত যে অনুবাদটা ? (২৮ অক্টোবর ২০২৫ ১৬:৪৫) দিয়েছেন, সেখানে লেখা আছে 'all the out-door work is done entirely by women'। এখন chief এবং entirely-র মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে। কাজেই আপত্তিটা ঠিক কোথায় এবং কী কারণে, সেটা স্পষ্ট হচ্ছে না।
     
    দ্বিতীয়ত রেফারেন্স, রেফারেন্সের রেফারেন্স এবং তস্য রেফারেন্স ইত্যাদির চক্করে একটা জিনিস ভুলে যাওয়া হচ্ছে। সেটা হল ওই পাদটীকাটা ১৮৯১-এর সংস্করণে থাকলেও ১৯৪৯-এর সংস্করণে থাকছে না কেন?
     
    সোফিয়া ডবসন কলেট ১৯০০ সালে রামমোহনের পূর্ণাঙ্গ জীবনী লিখলেও এক্ষেত্রে প্রামাণ্য জীবনীর সংস্করণ হিসাবে ধরা হয় ১৯৬২ সালে দিলীপকুমার বিশ্বাস ও প্রভাতচন্দ্র গাঙ্গুলি সম্পাদিত গ্রন্থটিকেই। আইন-ই-আকবরির ক্ষেত্রে যদুনাথ সরকারের টীকাভাষ্য যোগ করা ও গ্যারেটের প্রচুর টীকা বাদ দেওয়ার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। 
     
    এই যে গ্যারেটের নানা পাদটীকা পরবর্তী সংস্করণ থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, সে ব্যাপারে যদুনাথ প্রধানত তিনটি যুক্তি দেখিয়েছেন।
     
    ১. ... Jarrett had at his disposal only such works of reference and learned treatises on India as were in print in 1884-1889. The authorities cited by him in his notes, as I have pointed out in the Introduction to my revised edition of the 3rd volume of his translation, have proved to be obsolete and often useless in the light of our knowledge today.
     
    ২. My second aim has been to lighten the burden of his notes, many of which are not only obsolete in information, but prolix to the point of superfluity.
     
    ৩. I have also economised space and saved the reader from frequent
    unnecessary interruptions, by the omission of Jarrett’s notes on the
    emendations of the printed Persian text made by him (except in a few
    cases of vital importance.)
     
    তো দেখা যাচ্ছে, গ্যারেটের টীকাটি বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে যদুনাথের প্রথম ও দ্বিতীয় যুক্তিটিকে গ্রহণ করা যেতে পারে। হয়তো যদুনাথ বিষয়টি সম্পর্কে জানতেন কিংবা তথ্যভিত্তিক সমর্থন করেছিলেন। হাজার হোক, তিনি তো আর এয়াই কিংবা ইংরেজি অনুবাদের ভরসায় থাকেননি। রেফারেন্সগুলো মূল ভাষাতে পড়ার দক্ষতা তাঁর ছিল।
     
    'আচার্য' যদুনাথ রঞ্জনবাবুর টইতে জ্বলজ্বল করছেন। তো সেই আচার্যের টীকা বাদ নিয়েও দু-চার কথা হোক।
  • r2h | 134.238.***.*** | ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ১৭:৩৭543054
    • আ খোঁ |  ২৮ অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৩৮
    • ...এখানে যাঁরা নিয়মিত লেখেন বা মন্তব্য করেন তাঁদের পবতে এস আই আর সংক্রান্ত কোনো মাথাব্যথার সঙ্গে আশু কোনো যোগাযোগ বোধহয় নেই।
     
    হ্যাঁ, যোগাযোগের কথা যদি হয়, তাহলে অনেকের সঙ্গে, এমনকি অধিকাংশের সঙ্গেই প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই তো বটেই। অনেকেই প্রবাসী, কেউ কেউ এমনকি ভারতের নাগরিকও নন!
    আমার আবার, যেমন যেখানে আছি সেখানেই ভারতীয় খেদাও বলে রব উঠি উঠি করছে। তো ওখান থেকে খেদালে ওখানে যাবো, ওখান থেকে খেদালে আবার অন্য কোথাও, ঐ আরকি।
    তবে কিনা প্রত্যক্ষ যোগাযোগ থাকাটা বড় কথা না, অপ্রত্যক্ষ যোগাযোগও অনেক বড় ব্যাপার, নিজের আশেপাশের চেনা মানুষজন, পরিবেশ, সেন্স অফ বিলঙ্গিং- এইসব নানান কিছু।

    আবার ধরুন কেউ যখন কোথাও কালেভদ্রে ফর্মালি মিটিং করার জন্য যায় তখন একেবারে নির্দিষ্ট গুরুতর জিনিসগুলি নিয়ে কথা বলে। আবার কেউ যখন দু'বেলা চায়ের দোকানে ঠেক মারতে যায়, তখন হয়তো পাশে বোম পড়লেও সিনেমার নায়কের চুলের ছাঁট নিয়ে কথা বলে। এইসব আরকি।

    যা চলছে তা তো খুবই গুরুতর ব্যাপার। উদ্বেগের তো বটেই।
    লিখুন না বিস্তারিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত