এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ইরানের এই যুদ্ধ ও ধর্মীয় মৌলবাদের ভূমিকা : দ্বিতীয় পর্ব

    Debanjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৫ মার্চ ২০২৬ | ১৬২ বার পঠিত
  • "history proves that, unfortunately and unhappily, Jesus Christ has no advantage over Genghis Khan , if one is strong enough, evil will overcome good"
    বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু - ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী , মার্চ ২০২৬ 

    মৌলবাদের গোড়ার কথা 

    উপরের কথাটা নিয়ে আজকাল অন্তর্জালে বেশ হইচই হচ্ছে | এমনকি আম্রিকা যেখানে খ্রিস্টান মৌলবাদীরা ইসরাঈলকে সবচেয়ে বেশী সমর্থন করে তারাও কিন্তু এখন এই কথাটায় নড়েচড়ে বসেছে | কিন্তু এরকম একটা কথা কেন উঠলো সেটাও একটা প্রশ্ন | সত্যি কি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে শান্তি আর ক্ষমার থেকে যুদ্ধ ও ধ্বংস এতো বেশী প্রাসঙ্গিক ? কিন্তু কেন ? এব্যাপারে জানবার জন্যে আমাদের ফিরে যেতে হবে গত শতাব্দীর একদম গোড়ার দিকে , যখন জায়নবাদ সদ্য সদ্য মাথা চাড়া দিচ্ছে |  তো সেই সময়ে মোটামুটি দুটো ভাগে বিভক্ত ছিলো জায়নবাদ | একদল যাদের মোটামুটি নরমপন্থী বলা যায় এরা বলতেন যে , অন্যান্য উপনিবেশের নেটিভ জনগণের মত প্যালেস্টাইনের আরবদেরও কিছু উন্নয়নের ললিপপ যেমন কিছু স্কুল , কিবুজ (ইসরাইলী কলোনিয়াল সেটেলমেন্ট বাসস্থান প্রোজেক্ট)  এ বেগার খাটার চাকরি এসব দিয়ে শান্ত রাখা যাবে | প্রথমদিকের যারা জায়নবাদী যেমন থিওডোর হার্জেল , ডেভিড বেন গুরিয়ন এদের এরকমই মত ছিলো যে এধরণের নরমপন্থী সাম্রাজ্যবাদে ইহুদীরা নিজেদের রাষ্ট্রও পাবে অন্যদিকে প্যালেস্টাইনের অবমানব জাতি আরবেরা পাশ্চাত্য সভ্যতার কিছু সুফল দেখতে পাবে | তবে সেসময়ে তরুণ তুর্কী ছিলেন বর্তমান পোল্যান্ডের অধিবাসী তাত্ত্বিক জায়নবাদী নেতা জিভ জাবোটিনস্কি | জাবোটিনস্কি iron wall বলে একটা তত্ত্ব প্রচার করে বলেন যে প্যালেস্টাইনের আরবেরা আফ্রিকানদের মত হাবাগোবা বা ভারতের বাঙালী বাবুদের মত নির্বীর্য নয় এদের জন্য কঠোর সামরিক দাওয়াই প্রয়োজন | প্রবল সামরিক নিপীড়ন চালালে প্যালেস্টাইনের আরবেরা তাদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে জায়নবাদের বশংবদ হয়ে পড়বে | বর্তমানের সময়ে নেতানিয়াহু যখন বলেন যে সামরিক শক্তি আর বিরোধীদের অবমানব ভেবে তাদের ধ্বংস করবার উপযুক্ত ইচ্ছা থাকলেই ভবিষ্যতের কোন জেঙ্গিস খান যীশুকে ক্ষমতায় ছাড়িয়ে যেতে পারতেন তখন তার উৎস খুঁজতে গেলে এই জাবোটিনস্কিবাদের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন |  জাবোটিনস্কি iron wall তত্ত্ব আরো একটা ব্যাপার সূচনা করে | ৭০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সেনাপতি টাইটাসের হাতে জেরুসালেমের দ্বিতীয় মন্দিরের পতন হবার পর থেকেই রাব্বি বা ইহুদী ধর্মগুরুদের মধ্যে দুটো স্পষ্ট পথ দেখা যায় | একটি মত অনুযায়ী জেরুসালেমের দ্বিতীয় মন্দিরের পতন হয়েইছিলো ইহুদী জাতির পাপের জন্যে | এখন ঈশ্বর ইহুদী জাতিকে ক্ষমা করেছেন কিনা বোঝাই যাবে যদি স্বয়ং ঈশ্বর কোনো মেসায়াকে ইহুদীদের উদ্ধারকর্তা হিসাবে পাঠান | মেসায়ার আগমন কবে কিভাবে হবে সম্পূর্ণভাবে তা ঈশ্বরের ইচ্ছার উপরে নির্ভরশীল এবং সাধারণ ইহুদী মানুষের কোনো ভাবেই এবিষয়ে কিছু করা উচিত নয় | মূলতঃ এই মতটি যেসব ইহুদী রাব্বি এখনো মেনে চলেন এদের অনেকেই এমনকি ইসরাইলের সৃষ্টি ও তার অস্তিত্বেরও বিরোধী যেহেতু তারা মনে করেন এই ইসরাইলের সৃষ্টির ফলেই কিন্তু ইহুদী জাতি আসলে ইহুদীদের ঈশ্বরের ইচ্ছার বিরোধিতা করেছে এবং এটি চরম পাপ | অন্যদিকে মূলতঃ আশেখেনাজি গোষ্ঠীর রাব্বিদের মধ্যে আরেকটি মত যে মানুষ চাইলে নিজের কর্মের মাধ্যমে ঈশ্বরকে বাধ্য করতে পারে মেসায়াকে পাঠাতে | জাবোটিনস্কিবাদকে পরিপুষ্ট করেছে এই মতবাদটি |
     
     
    (ইসরাইলী iron wall তত্ত্বের মূল প্রবক্তা জীভ জাবোটিনস্কি)
     
    (জাবোটিনস্কির স্মৃতিসভায় নেতানিয়াহু )

    হাবাদের কথা   

    হাবাদ ইসরাইলী আশেখেনাজি ইহুদীদের মধ্যে খুবই পরিচিত একটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান | এই গোষ্ঠী যেসব আশেখেনাজি রাব্বিরা মানুষের কর্মের মাধ্যমে মেসায়াকে পৃথিবীতে ডেকে নামিয়ে আনা যায় বলে মনে করেন তাদের অন্যতম l এই সংগঠনটির জন্ম তৎকালীন জার সাম্রাজ্যের অন্তর্গত লিওজনাতে (বর্তমান বেলারুশ ) l এদের সম্বন্ধে বলা হয় যে এরা ইহুদীদের রহস্য আঁধারে ঘেরা বিদ্যা কাবালার চর্চা করে মেসায়াকে পৃথিবীতে নামিয়ে আনবার কথা বলতেন l সেসময়ে অন্যান্য হাসিদিক (হাসিদ মূলতঃ ইহুদী রাব্বীদের ধর্মগোষ্ঠীদের বলে l এদের সম্বন্ধে ইতিহাসে প্রথম শোনা যেতে থাকে মোটামুটি ৩০০ BCE পরবর্তীকালে যখন প্যালেস্টাইন , মিশর ও সিরিয়াতে ইহুদী সমাজে গ্রীক প্রভাব বাড়তে থাকে মহাবীর আলেক্সান্ডারের পারস্য সাম্রাজ্য বিজয়ের পর থেকেই l মূলতঃ ইহুদী সমাজে গ্রীক প্রভাবের বিরুদ্ধেই প্রতিক্রিয়াশীল সামাজিক , ধর্মীয় ও রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে এদের আবির্ভাব l নিউ টেস্টামেন্ট বাইবেলে এদেরই এক অংশকে ফারিসী হিসাবে বলা হয়েছে l  আমার গুরুচন্ডালীতে "আরেক ইসরায়েলের গল্প" তে এদের সম্বন্ধে কিছু লিখেছি, আরো লেখবার ইচ্ছে আছে l )  রাব্বি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে এদের মূল পার্থক্য হল যে অন্য গোষ্ঠীরা মূলতঃ তোরার (ইহুদীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ) ব্যাখ্যা করতেন আধ্যাত্মিক ও ঈশ্বরচেতনার কাজে এবং সাধারণ মানুষের থেকে সচেতন দূরত্ত্ব রাখতেন কিন্তু হাবাদ রাব্বীরা তোরার জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষের জাগতিক ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে মেসায়াকে পৃথিবীতে নামিয়ে আনবার কথা বলতেন l তোরা বা তালমুদ বা কাবালা এদের কাছে ঐশ্বরিক আধ্যাত্মিক ধর্মচর্চার বিষয় নয় বরঞ্চ জাদুবিদ্যা বা তান্ত্রিক বিদ্যার মত একটা বিশেষ জ্ঞান যার সঠিক প্রয়োগের ফলে মানুষ ঈশ্বরের উপরে ও নিজের চারপাশের ঘটনার উপরেও নিয়ন্ত্রণ পেতে পারে l উনিশ শতকের শেষের দিকে হাবাদ গোষ্ঠীর রাব্বিরা জার সাম্রাজ্য ছেড়ে আম্রিকাতে চলে আসেন l এই গোষ্ঠীর শেষ প্রধান রাব্বী ছিলেন রাব্বী মেনাখেম মেন্ডেল স্নীর্সন l ইনিই নব্বই দশকের শেষে ইসরায়েল প্যালেস্টাইনের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তির প্রবল বিরোধীতা করেন এবং ইস্রায়েলের তরফ থেকে প্যালেস্টাইন এর আরবদের কোনোরকম অধিকার দেবার বিরোধীতা করেন l প্যালেস্টিনিয়ানদের অবমানব চিহ্নিত করে তাদের কোনোরকম অধিকার দেবার বিরোধীতা করে এই রাব্বী স্নীর্সন বলেন অসলো শান্তিচুক্তি অনুসারে ইস্রাঈল প্যালেস্টিনিয়ানদের অধিকার দিলে তা ঈশ্বরবিরোধী কাজ হবে যার ফলে মেসায়ার আবির্ভাব পিছিয়ে যাবে l ১৯৯৪ সালে রাব্বী স্নীর্সন মারা গেলেও তার মতবাদই বর্তমানে হাবাদের প্রতিষ্টান ধ্রুব সত্য বলে প্রচার করে l.                                                                   
    রাব্বী স্নীর্সন কোনোদিনই নিজে স্বয়ং ইসরাইলে যাননি l কিন্তু তিনি ইস্রাঈলের রাজনীতির উপরে প্রভাব বিস্তার করেছেন মূলতঃ ইস্রাঈলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে আধ্যাত্মিক সম্পর্কের মাধ্যমে l আশির দশকের মাঝামাঝি নেতানিয়াহু একজন সাধারণ মাঝারি মাপের  রাজনীতিক , যিনি তার দক্ষিণপন্থী লিকুদ পার্টির মধ্যেও মাঝারি সারিতে ছিলেন l এসময়েই রাব্বী স্নীর্সনকে দেখা গেলো নেতানিয়াহুর জীবনে l  রাব্বী স্নীর্সন নেতানিয়াহুকে বোঝালেন যে তিনিই ইস্রাঈলের পরবর্তী ও শেষ রাষ্ট্রীয় শাসক হবেন এবং নিজের জীবনের শেষে তিনিই মেসায়ার আবির্ভাব দেখবেন ও মেসায়ার হাতে ইস্রাঈলের দায়িত্ব তুলে দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন l প্রসঙ্গতঃ উল্লেখযোগ্য যে ১৯৯৪ সালে রাব্বী স্নীর্সন মারা যাবার পর থেকেই হাবাদ আর কোনো প্রধান রাব্বীর ঘোষণা করেনি | হাবাদের অনেক ভক্তের মতে , রাব্বী স্নীর্সন নিজেই ছিলেন সেই মেসায়া এখন নেতানিয়াহুর পরে তিনিই আবার আবির্ভূত হবেন নিজের আসল মেসায়ার রূপে | কাকতালীয় যে রাব্বী স্নীর্সন এর মৃত্যুর পরেই নেতানিয়াহুর প্রথম ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হওয়া এবং গত তিরিশ বছরের বেশীর ভাগ সময়টাতেই তিনিই ছিলেন ইস্রাঈলের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রায় পুরো সময়টাই তিনি অসলো চুক্তি ও ইস্রাঈল প্যালেস্টাইন শান্তির বিরুদ্ধে কাজ করে এসেছেন | 
     
            
                                                                                                       
     রাব্বী কাহানে ও প্যাক্স জুডায়িকা                                                                                                                                                                                                                          
    (রাব্বী মীর কাহানে)
    রাব্বী মীর কাহানের জন্ম নিউ ইয়র্কে ১৯৩২ সালে l যৌবনে তিনি ​​​​​​​কুখ্যাত ​​​​​​​হয়েছিলেন ভিয়েতনাম যুদ্ধের সমর্থন করে এবং Jewish defense লীগ ​​​​​​​নামক একটা ​​​​​​​সন্ত্রাসবাদী দল ​​​​​​​গঠন ​​​​​​​করে যেটি ​​​​​​​পরে ​​​​​​​আম্রিকাতে ​​​​​​​সোভিয়েত ​​​​​​​ও ​​​​​​​ইরাকী ​​​​​​​দূতাবাসে ​​​​​​​হামলা করে l গত শতাব্দীর সত্তর ​​​​​​​দশকে তিনি ​​​​​​​পাকাপাকি ​​​​​​​ভাবে ​​​​​​​ইসরাইলে ​​​​​​​আলিয়া ​​​​​​​করে ​​​​​​​চলে ​​​​​​​যান ​​​​​​​এবং ​​​​​​​সেখানেই ​​​​​​​নতুন ​​​​​​​একটা ​​​​​​​মৌলবাদী ​​​​​​​রাজনীতির ​​​​​​​জন্ম ​​​​​​​দেন যেটিকে কাহানেবাদ বলা হয় l কাহানেবাদ মূল ​​​​​​​সূত্র ​​​​​​​অনুযায়ী ​​​​​​​আরবদের ​​​​​​​সঙ্গে ​​​​​​​ইস্রাঈলের ​​​​​​​কোনোরকম ​​​​​​​সদ্ভাব ​​​​​​​ইহুদী ​​​​​​​ধর্মীয় আইনে নিষিদ্ধ , ইসরাইলি ​​​​​​​সমাজে ​​​​​​​আরব ​​​​​​​ইহুদী ​​​​​​​মিশ্র বিবাহ বা ​​​​​​​আরবদের ​​​​​​​ইসরাইলে ​​​​​​​ভোটাধিকারেরও ​​​​​​​প্রবল বিরোধী এই ​​​​​​​কাহানে ​​​​​​​বাদ l কাহানেবাদ গ্রেটার ​​​​​​​ইস্রাঈল ​​​​​​​তত্ত্বে ​​​​​​​বিশ্বাসী ​​​​​​​যেখানে মিশর ​​​​​​​থেকে ​​​​​​​ইরাক ​​​​​​​পর্যন্ত ​​​​​​​একটা ​​​​​​​বিশাল ​​​​​​​সাম্রাজ্যের মালিক ​​​​​​​হবে ​​​​​​​ইসরাইল ​​​​​​​এবং ​​​​​​​এই ​​​​​​​সাম্রাজ্য সম্পূর্ণ ​​​​​​​ভাবেই ​​​​​​​চলবে ​​​​​​​ইহুদী ধর্মীয় ​​​​​​​আইন ​​​​​​​হালাকা ​​​​​​​অনুযায়ী ​​​​​​​এবং ​​​​​​​এখানে ​​​​​​​কোনোরকম ​​​​​​​পশ্চিমী ​​​​​​​গণতন্ত্র ​​​​​​​থাকবেনা l অনেকে এটিকে প্যাক্স জুডায়িকা হিসেবেও উল্লেখ করেছেন l                                                                                                                                                                                                                                            বর্তমান ​​​​​​​ইসরাইলী ​​​​​​​সরকারে এই ​​​​​​​কাহানে ​​​​​​​বাদী , হাবাদ ​​​​​​​ও ​​​​​​​জাবোটিনস্কিবাদের মিলন ​​​​​​​দেখা ​​​​​​​যাচ্ছে l এই ​​​​​​​তিন ​​​​​​​ধর্মীয় ​​​​​​​মৌলবাদের ​​​​​​​আদর্শেই ​​​​​​​বর্তমান ​​​​​​​ইস্রাঈল ​​​​​​​সরকারের ​​​​​​​যুদ্ধনীতি ​​​​​​​পরিচালিত ​​​​​​​হয় l গাজা ​​​​​​​জেনোসাইড , ইরান ​​​​​​​যুদ্ধ ​​​​​​​ইত্যাদির ​​​​​​​পিছনে ​​​​​​​মূল ​​​​​​​আদর্শ ​​​​​​​এই ​​​​​​​তিনটি ​​​​​​​ইহুদী ধর্মীয় মৌলবাদ l 
     
     
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Debanjan Banerjee | ২৬ মার্চ ২০২৬ ১১:৫৫739453
  • @হিরেনদা , কালকে শরীর খারাপ থাকায় লেখাটা শেষ করতে পারিনি l এখন শেষ করলাম l আপনি কি বলেন জানার জন্যে খুব আগ্রহ l 
  • হীরেন সিংহরায় | ২৭ মার্চ ২০২৬ ০০:১৬739465
  • প‍্যাকস জুডাইকার সঙ্গে ১৯৩৫ সালের নুরেমবেরগ রেস লজ বেশ মিলে যায়। ( Rassengesetz)। তার রচয়িতা হান্স গ্লোবকে যুদ্ধের পরে আদেনআউয়ারের চিফ সেক্রেটারি হয়ে ছিলেন। টপ আমলা 
  • Debanjan Banerjee | ২৭ মার্চ ২০২৬ ০৭:৪৮739468
  • @ হিরেনদা , খুব ভালো পয়েন্টটা ধরিয়ে দিয়েছেন l আপনি দাদা যেহেতু ইসরাইলে বেশ কয়েকবার গেছেন আপনি জানবেন যে কাহানেবাদ নুরেমবার্গ আইনের Jewish version এর দিকেই যেতে চায় l আশেখেনাজি নয় এমন ইহুদী যেমন সেফারদী বা মিজরাহী বা বাগদাদী বা ইথিওপীয় ইহুদী এদেরও অবস্থা hareetz পড়লে খুব ভালো মনে হয়না l কোনো ইথিওপীয় কৃষ্ণাঙ্গ ইহুদীকে কখনো ইসরায়েলের নেতা বা মোসাদের সর্বোচ্চ কর্তা হিসেবে আমি তো দেখেছি বলে মনে পড়েনা l স্বয়ং নেতানিয়াহুর স্ত্রী সারাকে বেশ কয়েকবার মরোক্কোর আরব বংশোদ্ভূত ইহুদীদের সম্বন্ধে রেসিস্ট মন্তব্য করতে দেখা গেছে l বর্তমান ইসরাইলী সরকারে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এই কাহানে বাদের যোগ্য উত্তরসূরী l এর সঙ্গে হাবাদের মেসায়াবাদকে যোগ করলে যাকে বলে deadly combination l পরিণাম আজকের ইরান যুদ্ধ l 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন