এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ইরানের এই যুদ্ধ পর্ব চার : পেট্রোডলার ও ইরানের যুদ্ধ 

    Debanjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২০ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬ বার পঠিত
  • ইরানের এই বর্তমান যুদ্ধ নিয়ে দেবজিৎবাবু গুরুচন্ডালীতে খুবই প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী একটা লেখা লিখছেন যেখানে উনি দেখিয়েছেন যে পেট্রোডলার সিস্টেম ও বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার মধ্যে কিভাবে এটি এতো গুরুত্ত্বপূর্ন চালিকাশক্তি হয়ে উঠলো l ওনার লেখা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমারও দুকথা বলতে ইচ্ছে জাগলো l ইরানের এই বর্তমান যুদ্ধের পিছনে এবং বর্তমান বিশ্বের নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা পেট্রোডলার সিস্টেমটি নিয়ে অনেক কিছু সম্প্রতি জেনেছি দেবজিৎবাবুর লেখা থেকে l এখন এইযুদ্ধে মূল বিষয়গুলো একবার দেখা যাক l

    পেট্রোডলার সিস্টেমে ইরানের অন্তর্ভুক্তি : কিন্তু কোন শর্তে

    আমরা এই যুদ্ধে দেখেছি যে এই যুদ্ধ শুরু হবার আগে (এবং গতবছর জুনমাসে ) ইরানের সঙ্গে আম্রিকার বেশ দীর্ঘমেয়াদী আলোচনা হয়েছিলো l এই আলোচনা মূলতঃ ইরানের পরমাণু প্রকল্পের সমাধান করবার জন্যে হলেও ইরানের পেট্রোডলার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্তি নিয়েও এই আলোচনা চালিয়ে নেওয়া যেত | পেট্রোডলার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত না হবার কারণেই ইরান একটি বিকল্প সিস্টেমে যেতে বাধ্য হয়েছিলো যেমন দেবজিৎবাবু লিখেছেন কিন্তু সত্যি বলতে কি ইরানের উপরে আম্রিকি জিয়োপলিটিক্স এক্সপার্ট ট্রিটা পার্সি বলেছেন যে ইরানের মোল্লাতন্ত্রের কখনোই আম্রিকি নিয়ন্ত্রিত পেট্রোডলার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত (সিস্টেমিক ইন্টিগ্রেশন ) হতে সমস্যা ছিলোনা মূলতঃ কি শর্তে সেই অন্তর্ভুক্তি হবে সেটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ | এই প্রসঙ্গে বলা যায় যে সৌদী আরব ও আম্রিকার মধ্যে যে পেট্রোডলার চুক্তি যার কথা দেবজিৎবাবু উল্লেখ করেছেন তার লেখাতে, ইরানের সেই ধরণের চুক্তির ক্ষেত্রে সায় নেই | সৌদী আরবের সঙ্গে আম্রিকার চুক্তির আরো অলিখিত একটি শর্ত ছিলো যে সৌদী আরব পরমাণু বোমা বানাবেনা যেহেতু সৌদী আরবের সামরিক সুরক্ষার (মিলিটারী প্রোটেকশন ) দায়িত্ব আম্রিকার | সৌদী আরবের সঙ্গে আম্রিকার এই অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে সৌদী আরব তার ন্যায্য পরমাণু বোমা বানাবার অধিকার পরিত্যাগ করে এবং একই সঙ্গে সৌদী বিদেশনীতিও আম্রিকার উপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে | অর্থাৎ সৌদী আরব আম্রিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে তার নিজস্ব বিদেশনীতি ও সামরিক নীতি যাকে স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি বলা হয় সেটি হারায় | ইরানের ক্ষেত্রে বলা যায় যে ইরান তেলের বিনিময়ে ডলার এধরণের বাণিজ্যে কোনো আপত্তিকর কিছু পায়নি কিন্তু সৌদী আরবের মত আম্রিকার স্বার্থ অনুযায়ী বিদেশনীতি বা সমরনীতি চালানো অর্থাৎ নিজের স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি বিসর্জন দেওয়া এটি করতে ইরান রাজী নয় | পেট্রোডলার নিয়ে ইরানের নীতি হলো যে ইরান পেট্রোডলারের সিস্টেমের মধ্যে অন্তর্ভুক্তি চায় কিন্তু নিজের স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি সম্পূর্ণ অক্ষুন্ন রেখে | এবিষয়ে ইরানের মডেল হচ্ছে ১৯৭১ সালেই করা নিক্সন ও মাওয়ের মধ্যে করা চীন ও আম্রিকার মিত্রতার চুক্তি যার ফলে চীন ডলার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণভাবে নিজের স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি অক্ষুন্ন রেখে অর্থাৎ নিজের স্বার্থানুযায়ী বিদেশনীতি প্রণয়ন ও পরমাণু বোমা ও অন্যান্য সামরিক অস্ত্র তৈরী | আমার মতে, চীনের মডেলটিই ইরানের পেট্রোডলার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্তির অন্যতম লক্ষ্য | এখন প্রশ্ন হচ্ছে, চিনের ক্ষেত্রে আম্রিকার কোনো সমস্যা ছিলোনা চীনের পরমাণু বোমার ব্যাপারে বা স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি ব্যাপারে তাহলে ইরানের ক্ষেত্রে সমস্যা কোথায় ?

    ইস্রাঈল : এই যুদ্ধের মূল হোতা ?

    ট্রিটা পার্সির বইটি (নিচে রেফারেন্সে দিলাম ) দেখাচ্ছে যে ইরান ও আম্রিকার কাছে ঐতিহাসিক ভাবে তিনবার সুযোগ এসেছিলো বর্তমান যুদ্ধের আগেই ইরানকে পেট্রোডলার সিস্টেমে ইন্টিগ্রেট করবার ব্যাপারে | প্রথমে, ১৯৯০ দশকের শুরুর দিকে যখন সাদ্দাম হুসেনের কুয়েত আক্রমণের পরে ইরান এই আগ্রাসনের নিন্দা করে সেসময়ই সুযোগ ছিলো ইরানের পেট্রোডলার সিস্টেমের অন্তর্ভুক্তির যখন ইরানের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন সংস্কারপন্থী রাফসানজানি যিনি ইরানের পেট্রোডলার সিস্টেমের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে ছিলেন | এর পরে, ২০০১ নাইন ইলেভেন সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে ইরান (তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন সংস্কারপন্থী খাতামী ) প্রাথমিকভাবে আম্রিকার আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সমর্থন করে সেসময়েও ইরান আম্রিকার সম্পর্ক উন্নত করবার ও ইরানকে পেট্রোডলার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করবার সুযোগ ছিলো কিন্তু জর্জ বুশ প্রশাসন ইরানকে শয়তানের অক্ষশক্তি (axis of evil) তকমা দিয়ে বসলো | সবশেষে শ্রেষ্ঠ সুযোগ এসেছিলো ২০১৫ সালে যখন ওবামা প্রশাসন ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি করে যার ফলে ইরানকে পেট্রোডলার সিস্টেমে ইন্টিগ্রেট করবার হয়তো সবচেয়ে ভালো সুযোগ ছিলো | কিন্তু এবারও সেই সুযোগ ফস্কে গেলো | ট্রিটা পারসী, মিরেসেইমের ও ওয়াল্ট দেখাচ্ছেন যে এই তিনটি ক্ষেত্রেই মূলতঃ ইসরাইলী লবীর চাপেই ইরানকে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে পেট্রোডলার সিস্টেমের অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারটি নষ্ট হলো | অর্থাৎ পেট্রোডলার সিস্টেমের উপরে বর্তমান যে সিস্টেমিক স্ট্রেস এসেছে এই ইরান যুদ্ধে সেটি চীনের মডেলকে সামনে রেখে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে ইরানকে পেট্রোডলার সিস্টেমে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এড়ানোই যেতো কিন্তু সেটি সম্ভব নয় আপাততঃ যেহেতু ইস্রাঈল যুদ্ধনীতি আসলে পশ্চিম এশিয়া ব্যাপী একটা বিরাট সাম্রাজ্য কায়েমের জন্যই তৈরী এবং ইরান যুদ্ধ হোতা এই জন্যই ইস্রাঈল |

    সিস্টেমের অন্তর্দ্বন্দ্ব

    দেবজিৎবাবু এই পেট্রোডলার সিস্টেমের মধ্যে দেখিয়েছেন যে আরব দেশগুলো তাদের জ্বালানী এক্সপোর্টের সারপ্লাস পুরোপুরি বিনিয়োগ করে আম্রিকার ব্ল্যাকরক জাতীয় ফান্ড গুলোতে এবং সেখান থেকে আম্রিকার মিলিটারী ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের অন্তর্ভুক্ত ডিফেন্স কোম্পানিগুলো যেমন লকহিড মার্টিন ইত্যাদিতে এই বিনিয়োগ আসে | এই যুদ্ধের চলাকালীন আম্রিকি শেয়ারবাজারে এই ডিফেন্স কোম্পানিগুলো যেমন লকহিড মার্টিন ইত্যাদির শেয়ার প্রচুর বেড়েছে অর্থাৎ এই সিস্টেমে যুদ্ধ আম্রিকি যুদ্ধাস্ত্র নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোর শেয়ার মূল্য বাড়াতে সাহায্য করে | অর্থাৎ এই যুদ্ধের ফলে লাভবান হচ্ছে আম্রিকি শেয়ারবাজারে এই ডিফেন্স কোম্পানিগুলো কিন্তু অন্যদিকে সেসব পেট্রোডলারে অন্তর্ভুক্ত আরব দেশগুলো যারা নিজেদের সারপ্লাস ডলার বিনিয়োগ করেছিলো এসব আম্রিকি ডিফেন্স কোম্পানিগুলোতে, তারা হরমুজঃপ্রনালীর বন্ধ থাকবার জন্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভীষণভাবে কিন্তু তাদের সামনে কোনো উপায় নেই এই ক্ষতিপূরণে | পেট্রোডলার সিস্টেমের এই বিশেষ অন্তর্দ্বন্দ্ব (conradiসমাধান করবার কোনোই ক্ষমতাই নেই আরব দেশগুলোর যেহেতু তাদের নিজস্ব স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি নেই | আমিরশাহী যেমন কিছুদিন আগেই ইস্রাঈলের সঙ্গে একটি আব্রাহাম একোর্ড চুক্তি করেছিলো কিন্তু এখন দেখা গেলো ইস্রাঈলের তৈরী করা এই যুদ্ধেই বিপর্যস্ত হলো তাদের অর্থনীতি | তাছাড়া আমিরশাহী সৌদী এবং অন্যান্য আরব দেশগুলোর ক্ষেত্রে আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে যে যদিও আম্রিকাকে ধার দিয়ে এদেশগুলো আম্রিকার ক্রমবর্ধমান বাজেট ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে (অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ধার না নিলে আম্রিকার চলবেনা ) কিন্তু আম্রিকার পলিসিমেকিং বিশেষতঃ যুদ্ধনীতি ঠিক করবার ব্যাপারে এদের কোনো ভূমিকাই নেই !!! একেই বোধয় বলে ইতিহাসের রংতামাশা |

    রেফারেন্স
    ১ | দেবজিৎ ঘোষ, "বিশ্বশক্তির অলিখিত নিয়ম ও ডলারের সাম্রাজ্য - পর্ব ৩", https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=34744
    ২ | trita parsi, "unholy alliance"
    ৩ | john mearsheimer এন্ড stephen walt, "the Israel lobby"

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন