বা ফুলটুসি · আমার নাম ফুলটুসি নয়।
আমার নাম রুমি ।
রুমকি সেন।
কল্যাণী, ব্লক সি, তিনতলা, ফ্ল্যাট ৩২/১।
যে পরিচয় তুমি, সেখানে আমার নামটা কেউ জানে না। শুধু
ছেলেরা ডাকে ফুলটুসি, আমার ঠোঁট কারণ কারণ ফুলের মতো ফুলে থাকে রাত।
মিথ্যে। ওটা শুধু শুনতে।
তোমার যাওয়ার পর সকাল হয়েছিল।
৯ হওয়াতে বাল্বটা এখনও জ্বলছে। আমি নেভাইনি।
দাগগুলি শুকিয়ে গেছে, কিন্তু পালকের মতো ভাসছে এখনও।
আমি চাদরটা নিলাম। ফেললাম না। শুকনো যাতে পরের বার তুমি এলে গন্ধটা তোমার নাকে,
আর তুমি বলো— “আর কথা না”। আমি জানালায় দাঁড়ালম।
ঝড় আগামী। আসন্ন ঝড়।
আকাশ কালো, বৃষ্টি গন্ধ।
কিন্তু এটা সেই লণ্ঠনের ঝড় নয়। এটা সাধারণ কল্যাণীর বর্ষা। যেটা বাজার ভাসিয়ে দেয়, পাড়া ছেলেদের অনেক দেয়, আর আমার ঘরের জানালা আমাকে শাড়িটা ভিজিয়ে দেয়। তোমার কথা ভাব ধারণা।
তুমি বলেছিলে, “আবার আসব”।
আমি বলেছি, "আসিস, কিন্তু নামটা খরচ করবি"।
তুমি হেসেছিলে। ছোট্ট হাসি। তুমি জানো, নামটা জানা কিছু বদল না। কারণ তুমি ফুলটুসিকে চাওনি। তুমি চেয়েছিলে একটা জায়গা—যেখানে মাথা রাখা যায়, যেখানে গন্ধটা আর আবিষ্কার না করে, যেখানে চোদন আছে কিন্তু চোদনামি নেই।
আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি না।
আমি শুধু থাকি। সারথি করে। না, সেভাবে নয়। সাধারণভাবে। চেয়ারে। একটা সাদা শাড়ি পরে। ভিজে। বুকের কাছে তোমার মাথার ভার্টা এখনও আছে। গতিপথ টোকা।
তুমি।
ভিজে। ফেসবুকটা খুললে না আবার। সোজা ভিতরে।
বলে, “রুমি?” আমি হাসলাম। প্রথমবার।
"হ্যাঁ। রুমি। কিন্তু ফুলটুসি বলে চলে। ওটা তোমার নাম।" তুমি কাছে এলে।
হাত বাঁধে আমার কাঁধে।
বলে, “মাই দেব, রুমি৷
আমি শাড়ি সারালাম।
পুরো।
কোনো কিছু নেই। কারণ
তুমি মাথা রাখলে। ভারী। গরম।
আমি তোমার চুলে হাত বুলালাম। এই থামলাম না।
আমি, “পাফাঁক করেই আছি। তুমি শুয়ে পড়লে।
আমি তোমার কাছে বসলাম।
পাচ।
তোমাকে দেখতে দেখতে
তোমার হাত
আমি দেখতে বন্ধ পছন্দ না।
দেখলাম।
দেখতে আমার হাতও চলল ।
জানালা দিয়ে বৃষ্টি হয়েছে।
৯ ওয়াটার আলোয় সাদা সাদা।
দাগ , দাম। নতুন দাগ।
আপনাকে আপনার। তুমি কথা বলে, “ঘুমোতে দেব, রুমি৷ আমি তোমার মাথা বুকে টেনে নিলাম।
“ঘুমা। কিন্তু উত্তর নামটা আবার ব্যবহার করবি। উন্মুক্ত ঝড় শব্দ।
ভিতরে শান্তি।
এই সত্যিকারের। এই ছিল ফুলটুসির—না, রুমির—পরের অধ্যায়। [@
Srimallar]
পরেরটা কার শব্দে?
ঝড়ের?
পাড়ার কোন ছেলের?
সকাল তোর—যে এখন রুমির ঘুমোচ্ছে? আমি বুঝতে পারি। শুধু ডাক।