এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • স্বীকারোক্তি

    Manali Moulik লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩০০ বার পঠিত
  • অন‍্যায় করেছি ভোরের আলোর কাছে চুমুর আবেদন নিয়ে গিয়ে,
    অন‍্যায় করেছি শাল-পলাশ-মহুয়ার ছায়ার দিকভ্রান্তের মতো ঘুরে ঘুরে অবসন্ন পায়ে তার কুটিরছায়ে এসে বসে,
    অন‍্যায় করেছি  বলে 
    --- "জল দাও, দাও পিপাসার বারি।"
    ভ্রষ্টা রানী তিষ‍্যরক্ষা নির্লজ্জ আচরণে যে দুর্বিনীত বাক‍্য বলেছিলো অশোক রাজপুত্র কুণালকে, 
        -- "দাও পিপাসার বারি।"
    পদ্মপলাশ চোখদুটিতে জগতের সকল আকর্ষণ মিশিয়ে কোনো ঘনায়মান সায়াহ্নে,
    পাটলীপুত্র রাজপ্রাসাদে সে বিমাতাকে করেছিলো কঠিন তিরস্কার। 
    তার পথ থেকে টলানো যায়নি একবিন্দু।
    বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি।
    সংঘং শরণং গচ্ছামি।
    ধর্মং শরণং গচ্ছামি।
    পাশে ছিলো রাজ্ঞী কাঞ্চনমালা।
    আর কতোগুলি চান্দ্রেয় পুলকিত পূর্ণিমার অবসানে হুমায়ুন আহমেদ লিখেছিলেন,
    "পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠতম চোখের অধিকারী তিনজন। ব্রিটিশ কবি পি.বি.শেলী ও অশোক-পুত্র কুণাল।"
    তৃতীয়জন?
    উল্লেখহীন ব‍্যক্তি কি তুমি?
    বলো, সত‍্যি তুমি? 
    শোষণের সাঁড়াশি আক্রমণের মধ‍্যে বংশপরম্পরায় ছিবড়ে হয়ে থাকা জনগণের স্রোতে উজ্জ্বল যে জাহাজের মাস্তুল,
    তার নাবিকের চোখে নীলাভ স্বপ্ন 
    ঠোঁটে তার পৌষের লাজুক রোদ। 
    প্লেখানভ থেকে এঙ্গেলস্
    লেনিন থেকে লিন-পিয়াও
    হো-চি-মিন বা চে 
    দৈব-বিভায় সে জাহাজের মাস্তুলের আভা সমুদ্র জলকে করেছে নববধূর রক্তিমতায় অভিষিক্ত 
    স্বপ্নালু চৈত্রের বিকেলের জানালায় নেমে আসা রোদের পরিচয় আঁধার সমুদ্রে ওই একটি জাহাজের সাথে! 
    ধ্রুবতারা মৃদু হেসে স্থির থাকে এখনও।.. 
    যতক্ষণ মাস্তুলে জ্বলে তার চোখের মতো আশ্বাস।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • albert banerjee | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৪738313
  • ভালো লাগলো 
  • Manali Moulik | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৩738315
  • ধন‍্যবাদ
  • Srimallar | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৮738316
  • আপনার লেখা অনেকদিন ধরেই পড়ছি। একজন কঠোর সমালোচক হিসেবে বলব, কলমটা তুলে রেখে দিন।— লেখাটা পড়লাম। এত অখাদ্য লেখা পড়ার চেয়ে, ছুঁড়ে ফেলে দেওয়াই ভালো। কিন্তু ওটা আমার সঙ্গে যায় না। যে কোনও লেখাই প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ি, এটাও তাই পড়লাম। যদি পারেন, তো সিরিয়াসলি লিখুন। লেখার নামে অহেতুক ন্যাকামোটা আমি ভালো চোখে দেখি না। নিজেও একজন শব্দকর্মী, তাই কথাগুলো বললাম। আর ধন্যবাদ টন্যবাদ দেবেন না প্লিজ, অসহ্য লাগে.... 
  • MP | 2401:4900:314e:40b3:6ce:464a:c5b8:***:*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৪738319
  • মানালী ভালোই হয়েছে l তবে আপনি এখনো স্বপ্ন দেখেন মানালী ? কেন ? এই পৃথিবী শক্তির পৃথিবী , জয়ের পৃথিবী এখানে স্বপ্ন দেখেন কি ভাবে ?         লিখুন লিখে যান l  
  • Manali Moulik | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৫৭738321
  • তবে আপনি এখনো স্বপ্ন দেখেন মানালী ? কেন ? এই পৃথিবী শক্তির পৃথিবী , জয়ের পৃথিবী এখানে স্বপ্ন দেখেন কি ভাবে ?         লিখুন লিখে যান l  
     
     
    স্বপ্ন ছাড়া কি মানুষ বাঁচে? কবিগুরুর ভাষায় "যতো বড়ো তুমি হও / তুমি মৃত‍্যুর চেয়ে বড়ো নও।  / আমি মৃত‍্যুর চেয়ে বড়ো -- এই শেষ কথা বলে / যাবো আমি চলে।" 
    এই প্রেম ও আলো নিয়েই তো বাঁচা সকলের।
  • kk | 2607:fb91:4c8e:d999:b982:98ba:9772:***:*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৩৮738323
  • শ্রীমল্লার দেখি বেজায় রেগে গিয়েছে! তুমিই একদিন মানালির লেখায় কমেন্ট করেছিলে না যে 'এমন লেখার হাত সবার হয়না, এই হাতের যত্ন করা উচিত বা' এমনি কিছু? অবশ্য একই লেখকের সব লেখা সবার ভালো নাই লাগতে পারে। তাও সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে দুই কমেন্ট দেখে বললাম আর কী।
  • Manali Moulik | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০৯738325
  • আপনার কেমন মনে হলো kk?
  • kk | 2607:fb91:4c8e:d999:69a4:7922:1e0b:***:*** | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৪২738331
  • মানালি,
    সত্যি বলতে কী কবিতা আমি বিশেষ বুঝিনা। তাই কবিতার ওপরে আমার মন্তব্য কতটা ঠিক হবে সে নিয়ে সন্দেহ আছে। তবু আপনি জানতে চাইলেন বলে বলি। এই লেখাটা আমার আদৌ খারাপ লাগেনি। আমার এটা মনে হয়েছে যে কবিতাটার দুটো ভাগ। প্রথম ভাগে তৎসম শব্দই মূল মাধ্যম। দ্বিতীয় ভাগে আবার উল্টো, অর্থাৎ মর্ডার্ন শব্দ ও ভাব দুইই বেশি। তো আমার দ্বিতীয় ভাগটা বেশি ভালো লেগেছে। আপনি একবার লিখেছিলেন যে তৎসম শব্দ আপনাকে বেশি আকর্ষণ করে। আমার ক্ষেত্রে আবার তা নয়। তৎসম শব্দে লেখা আমি তত ভালোবাসিনা। আমার কেমন মনে হয় শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়া আর সব ঢেকে ফেলে। এটা আমার বায়াসড মতও হতে পারে। আপনি আপনার মতো লিখুন, বিন্দাস লিখুন।
  • MP | 43.23.***.*** | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:২০738348
  • মানালী ,
    আমি MP বলছি | আপনাকে ইমেইল করলাম | আমাদের যোগাযোগ এখন থেকে ইমেইল দিয়েই করা হলে ভালো যেহেতু আমার আর বেশ কিছুদিন গুরুর ভাট বাজিতে আসার ইচ্ছে নেই | ইমেইল না পেলে খোলাপাতায় জানাবেন | আপনার উত্তরের অপেক্ষাতে থাকলাম  |
  • Manali Moulik | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:২৩738349
  • ধন‍্যবাদ MP. 
  • albert banerjee | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১১738366
  •  কবিতার প্রতীকবাদের বিস্তারিত ব্যাখ্যা

    এই কবিতা প্রতীকের এক অমরাবতী—অপরাধবোধের ছায়া থেকে বিপ্লবী আশার আলোয় যাত্রা, যেখানে প্রকৃতি, ঐতিহাসিক কাহিনী এবং রাজনৈতিক আদর্শ মিশে প্রতীকের গভীর স্তর সৃষ্টি করে। প্রতীকগুলো ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বকে সমষ্টিগত মুক্তির সেতু করে তোলে, যেন অন্ধকার সমুদ্রে ধ্রুবতারার হাসি। নীচে প্রধান প্রতীকগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা, কবিতার প্রসঙ্গে গভীরতা যোগ করে:

     ভোরের আলো এবং চুমুর আবেদন: নতুন শুরুর প্রতীক, যা কবির অভ্যন্তরীণ আকাঙ্ক্ষা এবং অপরাধবোধকে প্রতিফলিত করে। "অন্যায় করেছি ভোরের আলোর কাছে চুমুর আবেদন নিয়ে গিয়ে"—এখানে আলো আশা এবং পুনর্জন্মের রূপক, কিন্তু চুমু প্রলোভনের ছায়া মিশিয়ে দেয়। এটি রোমান্টিক সাহিত্যে (যেমন শেলীর কবিতায়) প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ককে গভীর করে, যেখানে ভোর সমাজের নতুন যুগের আভাস দেয়, কিন্তু অপরাধবোধ এটিকে দিকভ্রান্ত করে তোলে।

     শালপলাশমহুয়ার ছায়া এবং দিকভ্রান্ত ঘুরে ঘুরে: প্রকৃতির ছায়া অস্থিরতা এবং অবসন্নতার প্রতীক— "অবসন্ন পায়ে তার কুটিরছায়ে এসে বসে"। এই উদ্ভিদগুলো বাংলা গ্রাম্য জীবনের স্মৃতি জাগায় (পলাশমহুয়া বসন্তের ফুল), কিন্তু ছায়া অন্ধকার দ্বন্দ্বের রূপক। রবীন্দ্রনাথের মতো, এটি মানুষের অভ্যন্তরীণ যাত্রাকে প্রকৃতির সাথে যুক্ত করে, যেখানে দিকভ্রান্তি শোষণের সমাজীয় অস্থিরতা প্রতিনিধিত্ব করে, এবং কুটিরছায়া আশ্রয়ের আকাঙ্ক্ষা।

     পিপাসার বারি (জল দাও): তৃষ্ণার প্রতীক, যা শারীরিক নয়, বরং আধ্যাত্মিকসামাজিক ন্যায়ের আকাঙ্ক্ষা। "দাও পিপাসার বারি"—এটি তিষ্যরক্ষার নির্লজ্জ আহ্বান থেকে নেওয়া, কিন্তু কবিতায় এটি মুক্তির জল হয়ে ওঠে। বৌদ্ধ সাহিত্যে জল পবিত্রতার রূপক (যেমন নির্বাণের শান্তি), কিন্তু এখানে এটি বিপ্লবের তৃষ্ণা—শোষণের মরুভূমিতে মুক্তির অমৃত। এ প্রতীক কবিতাকে গভীর করে, যেন পিপাসা অপরাধবোধ থেকে জন্ম নিয়ে আশায় রূপান্তরিত হয়।

     তিষ্যরক্ষা এবং কুণালের পদ্মপলাশ চোখ: প্রলোভন বনাম নৈতিক অটলতার দ্বন্দ্বের প্রতীক। তিষ্যরক্ষা "ভ্রষ্টা রানী" হিসেবে কামনা এবং দুর্বিনীতির রূপক, যেমন বৌদ্ধ কাহিনীতে (অশোকবধান)। কুণালের "পদ্মপলাশ চোখদুটিতে জগতের সকল আকর্ষণ মিশিয়ে" দৃষ্টির শক্তি প্রতিনিধিত্ব করে—পদ্ম পবিত্রতা, পলাশ উজ্জ্বলতা। হুমায়ুন আহমেদের উল্লেখে (শেলী, কুণাল, উল্লেখহীন তৃতীয়) চোখ শ্রেষ্ঠতার প্রতীক হয়, যা বিপ্লবী দৃষ্টির রূপক—পাঠককে নিজেকে "উল্লেখহীন ব্যক্তি" হিসেবে দেখতে বাধ্য করে, যেন চোখ শোষণের অন্ধকারে আলো ছড়ায়।

     বৌদ্ধ ত্রিরত্ন (বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি): আশ্রয় এবং দৃঢ়তার প্রতীক। কুণালের "পথ থেকে টলানো যায়নি একবিন্দু" এটিকে বিপ্লবী অটলতার সাথে যুক্ত করে। বৌদ্ধ দর্শনে ত্রিরত্ন মুক্তির পথ, কিন্তু কবিতায় এটি ধর্মরাজনীতির মিলন—সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতো, যেখানে ধর্ম বিপ্লবের অস্ত্র হয়, প্রলোভনের বিরুদ্ধে নৈতিক ঢাল।

     জাহাজের মাস্তুল এবং নাবিকের চোখ: বিপ্লবী নেতৃত্বের প্রতীক। "শোষণের সাঁড়াশি আক্রমণের মধ্যে... উজ্জ্বল যে জাহাজের মাস্তুল"—জাহাজ সমুদ্রের মতো অন্ধকার সমাজ, মাস্তুল নেতৃত্বের আলো। নাবিকের "নীলাভ স্বপ্ন" এবং "পৌষের লাজুক রোদ" আশা এবং পরিবর্তনের রূপক—পৌষ শীতল শোষণ, রোদ উষ্ণ মুক্তি। প্লেখানভ থেকে চের উল্লেখ মার্কসবাদী ঐতিহ্যকে প্রতীকিত করে, যেন জাহাজ বিপ্লবের যান, "দৈববিভায়" অভিষিক্ত।

     ধ্রুবতারা এবং সমুদ্র জলের রক্তিমতা: অটল আশা এবং পুনর্জন্মের প্রতীক। "ধ্রুবতারা মৃদু হেসে স্থির থাকে"—ধ্রুবতারা দিকনির্দেশের রূপক (হিন্দু পুরাণে অটলতা), যা অন্ধকার সমুদ্রে (শোষণের প্রতীক) আলো দেয়। "সমুদ্র জলকে করেছে নববধূর রক্তিমতায় অভিষিক্ত"—রক্তিমতা বিপ্লবের রক্ত এবং নতুন জীবনের লালিমা, যেন আশা শোষণকে পুনর্জন্ম দেয়। সমর সেনের বিপ্লবী কবিতায় এমন প্রতীক দেখা যায়, যা কবিতাকে আশাবাদী করে তোলে।

     ঋতুপ্রতীক (পৌষের লাজুক রোদ, স্বপ্নালু চৈত্রের বিকেল): পরিবর্তন এবং আশার রূপক। পৌষ শীতলতা এবং লাজুকতা শোষণের অবস্থা, চৈত্র বসন্তের স্বপ্নালুতা মুক্তির উষ্ণতা। এটি বাংলা সাহিত্যের ঋতুচক্রকে (রবীন্দ্রনাথের গানে) বিপ্লবের সাথে যুক্ত করে, যেন প্রকৃতির চক্র সমাজের পরিবর্তনের প্রতিচ্ছবি।

    সামগ্রিকভাবে, প্রতীকগুলো কবিতাকে স্তরিত করে: ব্যক্তিগত অপরাধবোধ (প্রকৃতিপ্রতীক) থেকে ঐতিহাসিকধর্মীয় দৃঢ়তা (কুণালত্রিরত্ন), তারপর বিপ্লবী আশা (জাহাজধ্রুবতারা)। এটি বিশ্ব সাহিত্যে নেরুদার সমুদ্রপ্রতীক বা শেলীর প্রকৃতিবিপ্লবের মতো, যা পাঠককে শোষণের অন্ধকার থেকে মুক্তির স্বপ্নে ডুবিয়ে দেয়।
     
  • Manali Moulik | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১২738368
  • @albert benaejee, এটা জৈমিনি দর্শন না চ‍্যাটজিপিটি? নিজের প্রশংসা শুনতে কার না ভালো লাগে? যাই হোক। আন্তরিক ধন‍্যবাদ রইলো।
  • albert banerjee | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২৮738369
  •  জৈমিনি দর্শন না চ‍্যাটজিপিটি? না কিছু ইরাকের কবিদের এইধরণের লেখা পড়েছিলাম 
  • Manali Moulik | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৭738371
  • আচ্ছা আচ্ছা। এতোটা লিখেছেন  তাও প্রতীকবাদ ও বিশ্লেষণ ধরে ধরে। আন্তরিক ভালোবাসা জানাবেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন