এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দেবাঞ্জলি ভট্টাচার্য | 57.*.*.* | ১৩ মে ২০১৭ ১৯:০৮365886
  • বাহুবলীর দ্বিতীয় পর্বটি দেখে এলাম। তা দক্ষিণী সিনেমা মানেই নাতি থেকে অতি একটা বিষয় থেকে থাকে। অতিমানব, অতিরোমাঞ্চিত, অতিনাটকীয় , অতিপ্রত্যয়ী, অতিপ্রাকৃত, সর্বোপরি সবরকম উপাদানেরই অতিপ্রাচুর্যে ভরপুর। তবে হয় কি, নায়ক নায়িকাকে দেখতে সুন্দর আর অভিনয় ভাল হলে গল্প যেমনই হোক না ঘুমিয়ে ঘন্টা তিনেকের গোটা সিনেমা দিব্যি দেখে ফেলা যায়। মানে আমি অন্তত সেটা পারি।

    যাইহোক ইতিহাস সৃষ্টিকারী ভারতীয় সিনেমার জন্য ভারতীয় হিসেবে গর্ব বোধ করি। যা বুঝলাম প্রেম-যুদ্ধ, যুদ্ধ-প্রেম ও ষড়যন্ত্রের গল্প, অভিনয়, অ্যাকশন আর স্পেশাল এফেক্টস, পরিচালনা এবং সর্বোপরি লাগাতার যথার্থ মার্কেটিং এর জন্য এই বিপুল সাফল্য। তায় অমরেন্দ্র বাহুবলীর চরিত্রটি এমনভাবে নির্মিত যার মধ্যে কোন দোষ ত্রুটি নেই। সে দুর্দান্ত বীর, ক্ষুরধার বুদ্ধিমান, প্রজাবৎসল উদার, মাতৃভক্ত আবার দুরন্ত প্রেমিকও। মৃত্যুর সময়ও তার মধ্যে কোন রাগ, হতাশা দেখা যায় না। তবে কাটাপ্পার বাহুবলীকে হত্যার কারণটা দুর্বল লেগেছে। রাজাদেশ পালনের জন্য প্রাণাধিক প্রিয়, অন্ধবিশ্বস্তকে হত্যা করা যায় কি না কে জানে ! আমি আবার কোনকিছু একটা বিষয়ে দেখতে বা ভাবতে শুরু করলে চট করে সেখান থেকে বেরোতে পারি না। তা সিনেমা দেখে বেরিয়ে কর্তার সাথে একটু আলোচনা করার ইচ্ছে হল। প্রসঙ্গত বলে রাখি সিনেমা দেখাকালীন প্রথম পার্টের স্মৃতিবিভ্রম জনিত কারণে অমরেন্দ্র আর মহেন্দ্র বাহুবলীকে গুলিয়ে বাহু পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিকে ব্যতিব্যস্ত করেছি।

    —“ আচ্ছা দ্যাখো এখানেও সব গন্ডগোলের কারন কিন্তু এই প্রেম। প্রেমের জন্য লোকে কি না করে। সিংহাসন অবধি ছেড়ে দেয়। ”

    —“ হুমম। ”

    —“এই শাশুড়ি বৌয়ের ঝগড়াই যত নষ্টের মূল। শাশুড়িকে তো বুঝতে হবে যে ছেলে যতই মা ভক্ত হোক একটা সময় পরে সে বউয়ের হবেই। আর বৌ কেও বুঝতে হবে এই শাশুড়ি তার স্বামীকে কোনদিন মায়ের অভাব বুঝতে দেয়নি এমন ভাবে মানুষ করেছে। আর সে জীবনে আসার আগে মা-ই যার কাছে সব ছিল। তা শাশুড়ির সঙ্গে এরম ক্যাটক্যাটে কথা না বলে একটু নম্র বিনয়ী আচরণ করলেই তো হত, শাশুড়ি ঠিক ভুলে যেত। আর দেখছে যখন এমন জাঁদরেল শাশুড়ি যার “বচন”- ই রাজ্যের শাসন। নিজের জায়গা থেকে একটু সরে ট্যাক্টফুলি পরিস্থিতি যদি ম্যানেজ করত তাহলে এত কিছু হত না। আর “পঁচিশ বছর বন্দী থাকতে হত না। বলো ?”

    — “ হুঁ। ঠিক। ”

    —“ আচ্ছা ধরলাম শাশুড়ি মানল না। ছেলেদের নিয়ে একধরণের পজেসিভনেস থাকে তো। এত ভালোবাসে ছেলেকে যখন। তা যখন ওদের তাড়িয়ে দিল রাজপ্রাসাদ থেকে তখন তো বৌ বুদ্ধি দেবে অন্য কিছু করার। কি বৌ !! শুধু যুদ্ধ, আর আত্মসম্মানের জন্য ঝগড়া করতেই শিখেছে। বৌ বললে বাহুবলী ঠিক শুনত। ”

    — “ ও। তা অন্য কিছু কি করত ?”
    প্রচলিত "হুমম হুঁ " থেকে সরে কর্তার প্রশ্ন।

    —“ এই ধরো বাহুবলী তো এত বড় বীর। অসাধারণ তার সাংগঠনিক ক্ষমতা। নিজের রাজ্যে প্রতি পদে অপদস্থ হচ্ছে দেখে বৌ এর প্রস্তাব দেওয়া উচিৎ ছিল যে তার বাপের বাড়ির রাজ্যে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সাহায্য গ্রহণ করুক। ছোট রাজ্যের সাহায্য সীমিত পরিসরে হলেও তাকে প্রসারিত করে পরে যুদ্ধের মাধ্যমে হোক বা গোপন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মাহিষ্মতীর ক্ষমতা দখল করা। ”

    একবার কর্তার মুখের দিকে তাকিয়ে নিলাম। ব্যাজার মুখে চুপচাপ শুনছে। আবার শুরু করি —

    — “আর বাহুবলী এটা করলে অনেকেই তাকে সাহায্য ও সমর্থন করত, যেখানে রাজ্যে তার বিপুল জনপ্রিয়তা। তা না করে নিজেও ষড়যন্ত্রের শিকার হল, আর এত আত্মসম্মানী বৌ ই বা কি অবস্থায় পঁচিশ বছর ধরে জীবন অতিবাহিত করল। সে ছেলে যতই প্রতিশোধ নিক না কেন। সবসময় রাগ, জেদ, আত্মসম্মান দিয়ে জীবন চলে না। তাছাড়া ইতিহাসে এই ধরণের উদাহরণ আছে, এত বড় বীর আর ভালোমানুষের এইভাবে শেষ হয়ে যাওয়া ...."

    আরো কিছু বলার আগেই কর্তার প্রত্যুত্তর ভেসে আসে—

    —“ আসলে কি জানো বিয়ের পর ছেলেদের জীবন হয় গুগলের অপশনের মতো। “ওকে” আর “ইয়েস” না বললে পরের স্টেপে যাওয়াই যায় না। সে বাহুবলীর ক্ষেত্রেও যা, এই আমার মতো হীনবলীর ক্ষেত্রেও তাই। অগত্যা ....…..”

    এখানেই সমাপ্ত।
  • দেবাঞ্জলি ভট্টাচার্য | 57.*.*.* | ১৩ মে ২০১৭ ১৯:০৮365885
  • বাহুবলীর দ্বিতীয় পর্বটি দেখে এলাম। তা দক্ষিণী সিনেমা মানেই নাতি থেকে অতি একটা বিষয় থেকে থাকে। অতিমানব, অতিরোমাঞ্চিত, অতিনাটকীয় , অতিপ্রত্যয়ী, অতিপ্রাকৃত, সর্বোপরি সবরকম উপাদানেরই অতিপ্রাচুর্যে ভরপুর। তবে হয় কি, নায়ক নায়িকাকে দেখতে সুন্দর আর অভিনয় ভাল হলে গল্প যেমনই হোক না ঘুমিয়ে ঘন্টা তিনেকের গোটা সিনেমা দিব্যি দেখে ফেলা যায়। মানে আমি অন্তত সেটা পারি।

    যাইহোক ইতিহাস সৃষ্টিকারী ভারতীয় সিনেমার জন্য ভারতীয় হিসেবে গর্ব বোধ করি। যা বুঝলাম প্রেম-যুদ্ধ, যুদ্ধ-প্রেম ও ষড়যন্ত্রের গল্প, অভিনয়, অ্যাকশন আর স্পেশাল এফেক্টস, পরিচালনা এবং সর্বোপরি লাগাতার যথার্থ মার্কেটিং এর জন্য এই বিপুল সাফল্য। তায় অমরেন্দ্র বাহুবলীর চরিত্রটি এমনভাবে নির্মিত যার মধ্যে কোন দোষ ত্রুটি নেই। সে দুর্দান্ত বীর, ক্ষুরধার বুদ্ধিমান, প্রজাবৎসল উদার, মাতৃভক্ত আবার দুরন্ত প্রেমিকও। মৃত্যুর সময়ও তার মধ্যে কোন রাগ, হতাশা দেখা যায় না। তবে কাটাপ্পার বাহুবলীকে হত্যার কারণটা দুর্বল লেগেছে। রাজাদেশ পালনের জন্য প্রাণাধিক প্রিয়, অন্ধবিশ্বস্তকে হত্যা করা যায় কি না কে জানে ! আমি আবার কোনকিছু একটা বিষয়ে দেখতে বা ভাবতে শুরু করলে চট করে সেখান থেকে বেরোতে পারি না। তা সিনেমা দেখে বেরিয়ে কর্তার সাথে একটু আলোচনা করার ইচ্ছে হল। প্রসঙ্গত বলে রাখি সিনেমা দেখাকালীন প্রথম পার্টের স্মৃতিবিভ্রম জনিত কারণে অমরেন্দ্র আর মহেন্দ্র বাহুবলীকে গুলিয়ে বাহু পার্শ্ববর্তী ব্যক্তিকে ব্যতিব্যস্ত করেছি।

    —“ আচ্ছা দ্যাখো এখানেও সব গন্ডগোলের কারন কিন্তু এই প্রেম। প্রেমের জন্য লোকে কি না করে। সিংহাসন অবধি ছেড়ে দেয়। ”

    —“ হুমম। ”

    —“এই শাশুড়ি বৌয়ের ঝগড়াই যত নষ্টের মূল। শাশুড়িকে তো বুঝতে হবে যে ছেলে যতই মা ভক্ত হোক একটা সময় পরে সে বউয়ের হবেই। আর বৌ কেও বুঝতে হবে এই শাশুড়ি তার স্বামীকে কোনদিন মায়ের অভাব বুঝতে দেয়নি এমন ভাবে মানুষ করেছে। আর সে জীবনে আসার আগে মা-ই যার কাছে সব ছিল। তা শাশুড়ির সঙ্গে এরম ক্যাটক্যাটে কথা না বলে একটু নম্র বিনয়ী আচরণ করলেই তো হত, শাশুড়ি ঠিক ভুলে যেত। আর দেখছে যখন এমন জাঁদরেল শাশুড়ি যার “বচন”- ই রাজ্যের শাসন। নিজের জায়গা থেকে একটু সরে ট্যাক্টফুলি পরিস্থিতি যদি ম্যানেজ করত তাহলে এত কিছু হত না। আর “পঁচিশ বছর বন্দী থাকতে হত না। বলো ?”

    — “ হুঁ। ঠিক। ”

    —“ আচ্ছা ধরলাম শাশুড়ি মানল না। ছেলেদের নিয়ে একধরণের পজেসিভনেস থাকে তো। এত ভালোবাসে ছেলেকে যখন। তা যখন ওদের তাড়িয়ে দিল রাজপ্রাসাদ থেকে তখন তো বৌ বুদ্ধি দেবে অন্য কিছু করার। কি বৌ !! শুধু যুদ্ধ, আর আত্মসম্মানের জন্য ঝগড়া করতেই শিখেছে। বৌ বললে বাহুবলী ঠিক শুনত। ”

    — “ ও। তা অন্য কিছু কি করত ?”
    প্রচলিত "হুমম হুঁ " থেকে সরে কর্তার প্রশ্ন।

    —“ এই ধরো বাহুবলী তো এত বড় বীর। অসাধারণ তার সাংগঠনিক ক্ষমতা। নিজের রাজ্যে প্রতি পদে অপদস্থ হচ্ছে দেখে বৌ এর প্রস্তাব দেওয়া উচিৎ ছিল যে তার বাপের বাড়ির রাজ্যে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সাহায্য গ্রহণ করুক। ছোট রাজ্যের সাহায্য সীমিত পরিসরে হলেও তাকে প্রসারিত করে পরে যুদ্ধের মাধ্যমে হোক বা গোপন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মাহিষ্মতীর ক্ষমতা দখল করা। ”

    একবার কর্তার মুখের দিকে তাকিয়ে নিলাম। ব্যাজার মুখে চুপচাপ শুনছে। আবার শুরু করি —

    — “আর বাহুবলী এটা করলে অনেকেই তাকে সাহায্য ও সমর্থন করত, যেখানে রাজ্যে তার বিপুল জনপ্রিয়তা। তা না করে নিজেও ষড়যন্ত্রের শিকার হল, আর এত আত্মসম্মানী বৌ ই বা কি অবস্থায় পঁচিশ বছর ধরে জীবন অতিবাহিত করল। সে ছেলে যতই প্রতিশোধ নিক না কেন। সবসময় রাগ, জেদ, আত্মসম্মান দিয়ে জীবন চলে না। তাছাড়া ইতিহাসে এই ধরণের উদাহরণ আছে, এত বড় বীর আর ভালোমানুষের এইভাবে শেষ হয়ে যাওয়া ...."

    আরো কিছু বলার আগেই কর্তার প্রত্যুত্তর ভেসে আসে—

    —“ আসলে কি জানো বিয়ের পর ছেলেদের জীবন হয় গুগলের অপশনের মতো। “ওকে” আর “ইয়েস” না বললে পরের স্টেপে যাওয়াই যায় না। সে বাহুবলীর ক্ষেত্রেও যা, এই আমার মতো হীনবলীর ক্ষেত্রেও তাই। অগত্যা ....…..”

    এখানেই সমাপ্ত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন