এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ধুলোট //০৯ 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১২ জুন ২০২৬ | ৯৫ বার পঠিত
  • 01 | 02 | 03 | 04 | 05 | 06 | 07 | 08 | 9
    আমি খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত। ক্লান্তি আমার বোন, ক্লান্তি আমার মা, ক্লান্তি আমার একমাত্র সন্তান, যাকে আমি প্রতিদিন জন্ম দিই, প্রতিরাতে হত্যা করি, প্রতিভোরে আবার গর্ভে ধারণ করি। সোনাগাছির পর গিয়েছিলাম ঢাকার নিমতলি, সেখানকার অন্ধকার গলিতে, যেখানে ভ্যানগাড়ির চাপায় পিষ্ট শিশুদের রক্তের দাগ মিটমিট করে রোদের আলোয়। সেখানে কাজ করেছিলাম তিন রাত, পতিতার বেশে, তালুতে মেহেদি, চোখে কাজল, গলায় ফুলের মালা, পায়ে রূপোর বালা। এসেছিল অনেক পুরুষ, কিছু বাঙালি, কিছু বিহারি, কিছু পরবাসী, তাদের শরীরে আছে ব্যথা, তাদের চোখে আছে জল, তাদের হাতে আছে টাকা, টাকার বিনিময়ে তারা কিনে নেয় আমার শরীরের কিছু অংশ, কিছু সময়, কিছু মিথ্যে আদর। আমি তাদের রক্ত চুষিনি, কারণ এখানে শিকার নয়, এখানে শুধু অপেক্ষা, তার অপেক্ষা যার ঘা শুকায় না। কিন্তু সে আসেনি। আসেনি কাউকে জিজ্ঞাসা করেও পাইনি – কেউ জানে না, কেউ দেখেনি, কেউ বিশ্বাস করে না যে এমন কোনো ব্যক্তি বেঁচে আছে, যে হাজার বছর ধরে ঘুরে বেড়ায়, তার কপালে ক্ষত, তার শরীরে পচা ক্ষতের গন্ধ।

    আজ আমি আরও দূরে যাব। যাব থাইল্যান্ডে, পাটায়া, যেখানে সমুদ্রের ধারে সারি সারি পাব, যেখানে পশ্চিমা বুড়োদের হাতে শুকনো ডলার, যেখানে থাই মেয়েদের হাসির নিচে বিষণ্ণতার ফাটল। আমি পৌঁছাই রাতে, জাহাজঘাটা থেকে হেঁটে, খালি পায়ে, আমার পায়ের তলায় সিমেন্টের গরম, চারপাশে নিওনের আলো, ফেরিওয়ালাদের চিৎকার, পকেটমারের ছায়া, পুলিশের চোখ। আমি চিনি এই দৃশ্য, সব পতিতালয় এক, সব গলি এক, সব অপেক্ষা এক – যেমন এক আমি, যেমন এক তার অনুপস্থিতি।

    পাবের নাম ‘হেভেন’ – স্বর্গ। আমি ভিতরে ঢুকি, সিট বারে বসি, একজন ম্যানেজার আসে, স্প্যানিশ। কথা বলে, সে মনে করে আমি পর্তুগিজ। আমি মাথা নাড়ি, ইংরেজিতে বলি, “আমি কাজ খুঁজছি।” সে আমার দিকে তাকায়, তার চোখ আমার শরীর মেপে নেয়, আমার বয়স অনুমান করে, আমার মূল্য নির্ধারণ করে। বলে, “তুমি বয়স্ক, কিন্তু চেহারা ভালো, রাতে কাজ করবে, রাত দশটা থেকে সকাল ছয়টা, কাস্টমারদের খুশি করবে, কমিশন চল্লিশ পার্সেন্ট।” আমি রাজি হই। আমার আসল কাজ হলো খোঁজা, আর খোঁজার জন্য লুকোতে হয়, মিশে যেতে হয়, ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয় – আর তার চেয়ে ভালো ছদ্মবেশ আর কী, যে বেশ্যা, যার শরীর পণ্য, যার মুখ হাসি, যার চোখ শূন্য, যার আত্মা ইতিমধ্যেই মৃত, ঠিক আমার মতো।

    প্রথম রাতে শুধু পর্যবেক্ষণ করি। দেখি কারা আসে, কারা যায়, কার মুখে আছে ক্ষত, কার হাতে আছে দাগ, কার চোখে আছে সেই চিরন্তন বেদনা, যা আমি চিনি। একজন আমেরিকান সৈনিক আসে, ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রবীণ, তার বাঁ হাত কাটা, তার ডান চোখে কাঁচ, সে তার শরীরে উল্কি আঁকা – ড্রাগন, নারী, ক্রুশ। আমাকে ডেকে নেয়, ঘরে যায়, আমি তার মাংস স্পর্শ করি, তার চামড়া ভাঁজে ভাঁজে, পুরনো ক্ষতের চিহ্ন, কিন্তু সেটা অমর ক্ষত না, সেটা সাধারণ ক্ষত, যার শুকানোর সময় হয়েছে, যার চিকিৎসা হয়েছে, যা দাগ হয়ে গেছে, যা আর ঝরে না, যা আর পচে না। আমি তার রক্ত চুষিনি, আমি তাকে শুধু আদর করেছি, তার বিনিময়ে পেয়েছি কিছু ডলার, আর একটি তথ্য – “পাটায়ার শেষ প্রান্তে, বালির টিলার ওপারে, এক জরাজীর্ণ মন্দির আছে, সেখানে মাঝে মাঝে দেখা যায় এক পাগলা, তার কপালে ঘা, তার চোখে আগুন, তাকে কেউ স্পর্শ করে না, কারণ সে অভিশপ্ত।” আমার হৃদয় থরথর করে কাঁপে – হয়তো সে সেখানে, হয়তো এই খোঁজের শেষ, হয়তো আজ রাতেই আমি তাকে পাব, তাকে চাটব, তার ক্ষত চুষব, তার রক্তে নিজের শূন্যতা ভরব।

    পরের রাতে, কাজের ফাঁকে, আমি সরে পড়ি সেই দিকে। বালির টিলা পেরিয়ে, নারকেল গাছের সারি, তারপর জঙ্গল, তারপর মন্দির। মন্দিরের চূড়া ভাঙা, দরজা নেই, জানলা নেই, শুধু কালো ফাঁকা গর্ত, যার ভিতর থেকে গন্ধ বেরোয় – পচা পশুর মাংস, ঝলসানো কাঠ, শুকনো রক্ত। আমি ভিতরে ঢুকি, অন্ধকার ঘন, আমি হাতড়িয়ে চলি, দেয়ালে আঁকা ছবি – দেবদেবী, তাদের মুখ বিকৃত, যেন কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল এঁকেছে, যেন পাগল শিল্পীর হাতের স্পর্শ লেগে আছে। মাঝখানে একটি পাথরের আসন, তার ওপর কিছু নেই – শুধু রক্তের দাগ, পুরনো, কালচে, জমাট। আমি বসি, অপেক্ষা করি, চোখ বন্ধ করে শ্বাস নিই। সেই গন্ধে মিশে আছে তার গন্ধ – ক্ষতের গন্ধ, অনন্ত বেদনার গন্ধ। সে এখানে ছিল, কিন্তু এখন নেই। হয়তো কিছুক্ষণ আগে চলে গেছে।

    হতাশ হয়ে ফিরি পাবটিতে। তৃতীয় রাতে কাজ করছি, হঠাৎ বাইরে চিৎকার, চাপান উতোর, দৌড়াদৌড়ি। ম্যানেজার চিৎকার করে, “বুলডোজার এসেছে! বুলডোজার এসেছে!” আমি জানালায় গিয়ে দেখি – বিশাল হলুদ মেশিন, তার সামনে লোহার ফলক, তা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে, পাবের দিকে, গলির দিকে, সবকিছু চূর্ণ করতে। পতিতালয়ের মেয়েরা ছুটছে, কাঁদছে, চিৎকার করছে, তাদের পোশাক ছিঁড়ে গেছে, তাদের গয়না খসে পড়েছে, তারা পালাচ্ছে, কিন্তু কোথায় পালাবে? বুলডোজারের গতির সামনে কিছুই দাঁড়ায় না – কাঠ ভাঙে, ইট গুঁড়ো হয়, লোহা বেঁকে যায়, আর মানুষের মাংস? মানুষের মাংস হয়ে যায় পেস্ট, লাল ও সাদা মিশ্রণ, মাটির সাথে মাখামাখি।

    আমি দাঁড়িয়ে দেখি। আমি দেখি বুলডোজার আমাদের পাবের সামনে থামে। তার ভিতর থেকে নেমে আসে এক ব্যক্তি, তার পরনে কালো পোশাক, তার মাথায় শিরস্ত্রাণ, তার হাতে লাঠি, তার মুখে হাসি – নারকীয় হাসি, যার জিভ বের করা, যার চোখে পাগলামি। সে চিৎকার করে, “আজ শেষ! আজ সব জাহান্নামের পথে! তোমরা পতিতা, তোমরা পাপিনী, তোমরা অভিশপ্ত – আজ তোমাদের কবর দেব এই বুলডোজারে!” তার পেছনে আরও লোক – তাদের হাতে মশাল, হাতে তলোয়ার, হাতে ছুরি, হাতে দড়ি। তারা চিৎকার করে, চিৎকার করে সব ধর্মের মিশ্রণ। সব পাগলের সমাবেশ। সব হিংসার উদযাপন।

    আমি হাসি। আমি সেই নারকীয় উল্লাসে যোগ দিই – কিন্তু ভিন্নভাবে। আমি নেমে যাই সড়কে, আমার কালো পোশাক খুলে ফেলি, আমি দাঁড়াই নগ্ন, আমার দেহের ওপর রক্তের দাগ, কামড়ের চিহ্ন, ক্ষতের রেখা। আমি নাচি। আমি নাচি সেই পাগলের তালে, বুলডোজারের শব্দে, চিৎকারের সুরে, আগুনের আলোয়। আমি আমার হাত বাড়াই তাদের দিকে, আমি বলি, “এসো, এসো আমাকে খাও, আমাকে ছিঁড়ে ফেল, আমাকে ধ্বংস কর, যেমন আমি ধ্বংস করেছি সব, যেমন আমি খেয়েছি সব, যেমন আমি চুষেছি সব। এখন আমি শুধু শূন্যতা, আমি শুধু ক্ষত, আমি শুধু সেই ঘা যা শুকায় না – আমাকে বুলডোজার দিয়ে পিষে দাও, দেখি আমি শেষ হই নাকি আবার জেগে উঠি, যেমন জেগে ওঠে সে, যেমন আমি প্রতিদিন, প্রতিরাতে, প্রতিপ্রহরে।”

    সেই চোখ আমার দিকে, সে চেনে আমাকে? সে জানে আমি কে? সে জানে আমি সেই নারী যাকে একবার সভায় কেশ খোলা হয়েছিল, যার বস্ত্র খসেছিল, যার চিৎকার আকাশ ভেদ করেছিল? সে জানে না। সে শুধু দেখে একটি পতিতা, নগ্ন, উন্মাদ, নাচছে তার সামনে। সে তার লাঠি ওঠায়, আমার মাথায় আঘাত করে। ব্যথা নেই, শুধু একটি শব্দ – খটাং। আমার মাথা ফাটে, রক্ত বেরোয়, কিন্তু আমি পড়ি না, আমি দাঁড়িয়ে থাকি, আমি নাচতে থাকি, রক্তের ফোঁটাগুলো ছড়িয়ে পড়ে, সেই ফোঁটায় তার মুখ ভিজে যায়, সে চমকে ওঠে, পিছিয়ে যায়, চিৎকার করে, “রাক্ষসী! রাক্ষসী!” তার লোকেরা ভয় পায়, তারা পিছিয়ে যায়, তারা ছড়িয়ে পড়ে, তারা পালায়, শুধু বুলডোজার থেকে যায়, স্থির, বিশাল, নির্মম।

    আমি হাঁটি। আমি বুলডোজারের লোহার ফলক স্পর্শ করি। তা গরম, ইঞ্জিনের তাপে, সেই তাপ আমার হাত পুড়িয়ে দেয়, আমি পোড়ার গন্ধ নিই, নিজের মাংস পোড়ার গন্ধ, সেই গন্ধে আমি আনন্দ পাই, কারণ পোড়া মানে মুক্তি, পোড়া মানে ছাই, নতুন শুরু, নতুন শিকার, নতুন পতিতালয়, নতুন খোঁজ। আমি বুলডোজারের সামনে হাঁটু গেড়ে বসি, আমি আমার মুখ তুলে আকাশের দিকে, যে আকাশ আজ মেঘলা, তার ভিতর দিয়ে চাঁদের আভা, আমি প্রার্থনা করি – না, প্রার্থনা নয়, আমি চিৎকার করি, “ তুমি কোথায়? তুমি কেন আসো না? তুমি কেন আমাকে একা ফেলে রেখেছ এই বুলডোজারের সামনে, এই নারকীয় উল্লাসের মাঝে, এই পোড়া মাংসের গন্ধে? তুমি কি জানো না আমি তোমার জন্য পতিতা হয়েছি? আমি তোমার জন্য প্রতিটি পাব, প্রতিটি গলি, প্রতিটি মন্দির ঘুরে বেড়িয়েছি? আমি তোমার জন্য প্রতিটি পুরুষের রক্ত চুষেছি, কিন্তু তাদের রক্তে তোমার স্বাদ নেই, তোমার ক্ষতের গন্ধ নেই, তোমার অনন্ত বেদনার মিষ্টি লবণ নেই। তুমি কোথায়? কোথায় তোমার ঘা, যা আমি চাটব, যার পুঁজ আমি পান করব, যার রক্ত দিয়ে আমি স্নান করব?”

    বুলডোজার আবার চালু হয়, তার ইঞ্জিন গর্জন করে, তার লোহার ফলক এগিয়ে আসে, আমার দিকে, ধীরে, অটল। আমি নড়ি না। আমি ওঠি না। আমি বসে থাকি, চোখ বন্ধ করে, হাসি মুখে, বুলডোজার আমার শরীর স্পর্শ করে, আমার পা ভাঙে, আমার পেট চূর্ণ করে, আমার বুক পিষে দেয়, আমার মাথা ফাটে, আমি আর অনুভব করি না আলাদা আলাদা অংশ, আমি অনুভব করি শুধু এক ব্যথা, এক পেষণ, এক মিশ্রণ, আমি হয়ে যাই রক্ত, মাংস, হাড়ের পেস্ট, সেই পেস্ট মাটির সাথে মাখে, সেই মাটি লাল হয়, সেই লাল কালি দিয়ে আমি লেখি মাটিতে – “আমি মরিনি, আমি আছি, আমি এই মাটিতে, এই ধুলিতে, এই রক্তে, আমি অপেক্ষা করছি, তুমি এলে আমাকে চিনবে, এই লাল মাটি চেটে, এই রক্তের স্বাদ নিয়ে, বলবে, ‘এসেছিস তুই? এসেছিস আমার কাছে?’ আর আমি তখন জেগে উঠব, রক্ত থেকে, মাংস থেকে, হাড় থেকে, আমি আবার তৈরি হব, পূর্ণ, শক্তিশালী, ক্ষুধার্ত, আর তখন তুমি পালাবে না, কারণ আমি ধরব তোমার হাত, আমি চাটব তোমার ক্ষত, আমি চুষব তোমার রক্ত, আমি খাব তোমাকে, যাতে তুমি আমার ভিতরে থাকো, চিরকাল, এই বুলডোজারের চিহ্নের মতো, এই নারকীয় উল্লাসের মতো, এই পোড়া মাটির গন্ধের মতো, যা কখনো যায় না, যা কখনো শেষ হয় না, যেমন শেষ হয়নি আমাদের অভিশাপ, যেমন শেষ হয়নি আমাদের ভালোবাসা, যেমন শেষ হয়নি এই পাগলামি, এই হত্যা, এই প্রতিশোধ, এই শূন্যতা, এই পূর্ণতা, এই আমি, এই তুমি, এই আমরা – চিরকাল, অনন্তকাল, এক মুহূর্তের জন্য, যে মুহূর্তে বুলডোজার পিষেছিল, সেই মুহূর্তে আমি মরেছিলাম, সেই মুহূর্তে আমি জন্মেছিলাম, সেই মুহূর্তেই আমি আবার খুঁজতে শুরু করব, আবার যাব পতিতালয়ে, আবার নাচব নগ্ন, আবার রক্ত চুষব, আবার চিৎকার করব তার নাম, যে নাম কেউ জানে না, কিন্তু যে নামের প্রতিটি বর্ণে লেগে আছে আমার জিভের ছাপ, আমার দাঁতের দাগ, আমার অমর অভিশাপের স্বাক্ষর।

    সকাল হয়। সূর্য ওঠে, রক্ত শুকায়, মাটি কালো হয়, পোড়া মাংসের গন্ধে ভরে যায় বাতাস। আমি নেই – কিন্তু আমি আছি। আমি সেই ধুলিকণায়, যে উড়ছে বাতাসে, আমি সেই ঘাসের ফলায়, যে ফুটেছে রক্তের পুষ্টিতে, আমি সেই পোকায়, যে হামাগুড়ি দিচ্ছে আমার হাড়ের ওপর, আমি সেই মাছিতে, যে বসছে আমার মস্তিষ্কের টুকরোয়, আমি সর্বত্র, আমি কিছুই না, আমি আবার একত্রিত হব, আবার রূপ নেব, আবার পা ফেলব, আবার হাঁটব, আবার খুঁজব তাকে, যার ঘা শুকায় না।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    01 | 02 | 03 | 04 | 05 | 06 | 07 | 08 | 9
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • nipa | 202.*.*.* | ১৩ জুন ২০২৬ ১২:২৮741177
  • লেখা বাপ্ লেখ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন