এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মধ্যমগ্রামের রাত, আর গণতন্ত্রের বুকে আটকে থাকা বুলেট

    হারামির হাতবাক্স লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ মে ২০২৬ | ৩২৩ বার পঠিত
  • কলকাতার উপকণ্ঠে রাত নামলে একটা অদ্ভুত শব্দ শোনা যায়। সেটা কুকুরের ডাক নয়, ট্রেনের হুইসেলও নয়। সেটা আসলে ক্ষমতার সাইলেন্সার-লাগানো হাঁপানি। বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এমন এক চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পোস্টারগুলো গণতন্ত্রের কথা বলে, আর গলিগুলো ফিসফিসিয়ে বলে, “মুখটা বন্ধ রাখ, না হলে বন্ধ করে দেব।”
     
    এই রাজ্যে বিরোধী রাজনীতি করা এখন অনেকটা পুরনো ফ্রিজে আইসক্রিম রাখার মতো। বাইরে থেকে ঠান্ডা দেখায়, ভিতরে সব গলে যাচ্ছে।
     
    শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে মধ্যমগ্রামে গুলি করে খুন করা হয়েছে। বাইকে আসা দুষ্কৃতীরা গাড়ি আটকে পরপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে রক্ত, ভাঙা কাচ, কার্তুজ, আর যথারীতি “তদন্ত চলছে” নামক ভারতীয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় লোরি। 
     
    কিন্তু এ ঘটনা শুধুই একটি খুন নয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আবহাওয়ায় এটা একধরনের বারোমাস্যা। এখানে ভোট আসে, ভোট যায়, কিন্তু ভয় থেকে যায়। যেন প্রতিটি নির্বাচনের পরে রাজ্যটা কিছুদিনের জন্য মেক্সিকোর কোনো বি-গ্রেড নার্কো-থ্রিলারের বাংলা ডাবিং হয়ে ওঠে।
     
    মজার বিষয় হল, বাংলার তথাকথিত “প্রগতিশীল” বুদ্ধিজীবীরা এইসব ঘটনায় এমনভাবে চুপ থাকেন, যেন তাঁদের বিবেকটা কোনো সরকারি প্রকল্পের টেন্ডারে আটকে গেছে। কলেজ স্ট্রিটের কফি হাউসে বিপ্লব এখনও পরিবেশন হয়, তবে এখন সেটা কাপে নয়, ফেসবুক স্টোরিতে।
     
    চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে। সিসিটিভি দেখা হচ্ছে। নম্বরপ্লেট নকল ছিল। গাড়ির চেসিস নম্বর ঘষে তুলে দেওয়া হয়েছে। সব শুনে মনে হচ্ছে খুনিরা যেন ইউটিউবে “Perfect Crime in 5 Easy Steps” দেখে মাঠে নেমেছিল। 
     
    এখানে প্রশ্নটা শুধু “কারা মারল” নয়। প্রশ্নটা হল, কেন বাংলায় বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের মৃত্যু এত স্বাভাবিক শোনায়? কেন সংবাদপাঠকের গলায় বিস্ময় কমে গেছে? কেন মানুষ বলছে, “আবার?” যেন এটা বর্ষাকালে জল জমার মতোই এক অনিবার্য নাগরিক অভিজ্ঞতা।
     
    বিজেপি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলছে। তৃণমূল নিন্দা করছে এবং সিবিআই তদন্ত চাইছে। বাংলার রাজনীতিতে এ এক অপূর্ব দৃশ্য। সবাই তদন্ত চায়, কিন্তু কেউ পরিবেশটার মালিকানা নিতে চায় না। যেন গোটা রাজ্যটাই একটা ভাঙা অ্যাপার্টমেন্ট, যেখানে প্রত্যেকে বলছে, “দেয়ালটা আমি ভাঙিনি, আমি শুধু হাতুড়িটা ধরেছিলাম।”
     
    তবে বাস্তব বড় নির্মম। পশ্চিমবঙ্গে গত এক দশকে বিজেপির উত্থান কোনো আদর্শগত সাহিত্যচক্রের ফল নয়। এটা এসেছে রক্ত, হামলা, বাড়িছাড়া, এবং রাজনৈতিক একঘরে হয়ে যাওয়া মানুষের জমাট ক্ষোভ থেকে। দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে শুভেন্দু অধিকারী পর্যন্ত, বিজেপির রাজনীতি এখানে অনেকাংশে “survival politics”। কারণ বাংলায় বিরোধী হওয়া মানে অনেক সময় শুধু মতাদর্শ নয়, ব্যক্তিগত ঝুঁকিও।
     
    এখানে একটা অদ্ভুত সাংস্কৃতিক ভণ্ডামি কাজ করে। যদি দিল্লিতে বিরোধী নেতার গাড়িতে গুলি চলত, বাংলা টুইটার বলত “গণতন্ত্র বিপন্ন।” কিন্তু বাংলায় হলে বলা হয়, “পুরো ঘটনা না জেনে মন্তব্য করা ঠিক নয়।” 
     
    এই “পুরো ঘটনা” নামক প্রাণীটা বাংলায় কখনও সম্পূর্ণ হয় না। ঠিক যেমন কলকাতার মেট্রো নির্মাণ। শুধু ব্যারিকেডটা থেকে যায়।
     
    চন্দ্রনাথ রথ হয়তো জাতীয় রাজনীতির বড় মুখ ছিলেন না। কিন্তু বাংলার বাস্তব রাজনীতিতে আপ্তসহায়ক মানে শুধু PA নয়। সে অনেক সময় ছায়াসঙ্গী, মাঠের সংগঠক, যোগাযোগের সেতু, এবং নেতার রাজনৈতিক স্নায়ুতন্ত্রের অংশ। সেই মানুষটিকে বাড়ির কাছাকাছি গুলি করে মারা মানে শুধু একজনকে হত্যা নয়, একটা বার্তা পাঠানো। 
     
    আর বার্তাটা ভীষণ পুরনো: “বেশি বুঝলে লাশ পড়বে।”
     
    কিন্তু বিজেপির পক্ষে এই ঘটনাকে শুধু আবেগে ভাসিয়ে দিলে ভুল হবে। রাজনৈতিকভাবে তাদের সামনে এখন দুটো রাস্তা। এক, শহিদ রাজনীতি করে ক্ষোভকে ভোটে রূপান্তরিত করা। দুই, আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নটাকে ধারাবাহিকভাবে জাতীয় আলোচনায় তুলে ধরা। দ্বিতীয় পথটাই কঠিন, কিন্তু কার্যকর। কারণ সাধারণ বাঙালি এখন আর শুধু আদর্শ চায় না, নিরাপত্তাও চায়। সে চায় রাতে বাড়ি ফিরতে। চায় ছেলেকে অন্য দলের মিছিলে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরতে না দেখতে।
     
    বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতি বহুদিন ধরেই “ক্যাডার বনাম নাগরিক” দ্বন্দ্বে আটকে গেছে। এখানে দল অনেক সময় রাষ্ট্রের থেকেও বড় হয়ে ওঠে। থানার ওসি বদলায়, কিন্তু পাড়ার ভয় বদলায় না।
     
    সবচেয়ে করুণ ব্যাপার হল, আমরা ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি। খুনের খবর এখন আর মানুষকে স্তব্ধ করে না। কারণ প্রতিদিনের রাজনৈতিক সহিংসতা আমাদের অনুভূতির উপর একধরনের নিকোটিন প্যাচ লাগিয়ে দিয়েছে। 
     
    রক্ত দেখে আর হাত কাঁপে না। শুধু স্ক্রল করি।
     
    চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যু তাই শুধু একটি অপরাধের খবর নয়। এটা পশ্চিমবঙ্গের গণতান্ত্রিক স্বাস্থ্যপরীক্ষার রিপোর্ট। আর রিপোর্টটা খুব ভালো নয়। রোগীর পালস আছে, কিন্তু বিবেকের অক্সিজেন কমে গেছে।
     
    শেষ পর্যন্ত, বাংলার রাজনীতি এখন অনেকটা পুরনো উত্তর কলকাতার ভাড়া বাড়ির মতো। বাইরে এখনও নীল-সাদা রং আছে, ভিতরে দেওয়ালে ফাটল। আর সেই ফাটলের ভিতর দিয়ে মাঝেমাঝে গুলির শব্দ বেরিয়ে আসে। 

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ০৭ মে ২০২৬ ২০:২২740549
  • এবং বর্তমান বিরোধীরা বলছে — কেন্দ্রীয় বাহিনি থাকা সত্ত্বেও মার্ডার হলো?
    কতটা অমানুষ হলে লোকে এই নিয়ে খিল্লি করতে পারে।
  • হারামির হাতবাক্স | ০৭ মে ২০২৬ ২৩:১৭740552
  • অমানুষ নয়, ওরা অতিমানুষ। সমবেদনা পাওয়াই যাদের ট্যালেন্ট, খিল্লি করা তাদের শখ।
  • r2h | 134.*.*.* | ০৮ মে ২০২৬ ০০:০৭740553
  • বাক্সবাবুর লেখার বাঁধুনী চমৎকার। আশাবাদীও, '... আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নটাকে ধারাবাহিকভাবে জাতীয় আলোচনায় তুলে ধরা। '- এই লাইন পড়ে মনে হল। নাহলে বিজেপির অন্যান্য রাজ্যে পারফর্ম্যান্স দেখে তো এমন আশা খুবই বড় ব্যাপার।
    কেন্দ্রীয় বাহিনি নিয়ে কিছু তো আবার বলা যাবে না, তবে এত নিরাপত্তার মধ্যে এমন একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ এরকম খুন হয়ে গেলেন, এ তো ভয়ানক।
    এদিকে এইসব খবর নিয়েও লোকে বলছে, তবে তারা সবই মন্দ লোক, চটিচাটা সেকুমাকু।
  • 007 | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ০৮ মে ২০২৬ ০০:৪৬740554
  • গভঃ তৈরীই হল না, গরুর রচনা লিখে লাভ আছে ? এ কেস বুঝি রাজ্য পুলিস সল্ভ করবে ? দেখি। সিএম হওয়ার আগেই ওঁয়াকে একটু টিপে দেওয়া হল ?
  • 007 | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ০৮ মে ২০২৬ ০০:৫৪740555
  • গভঃ তৈরী হল না, এ তো এখনই দিল্লী দেখায়। হে হে, একটু দম নে।
  • 007 | 2405:*:*:*:*:*:*:* | ০৮ মে ২০২৬ ০০:৫৬740556
  • লোকে তো হাসবে যদি দ্বিতীয় এঞ্জিন দিল্লী এঞ্জিন দেখায় এখন থেকেই। এই কি সেই সনাতনী বাঙালী পলিটিক্স ?
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৮ মে ২০২৬ ০৬:৩৫740557
  • "দুই, আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নটাকে ধারাবাহিকভাবে জাতীয় আলোচনায় তুলে ধরা"
     
    বিজেপির সাথে আইনশৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক অধিকার একই সেনটেন্সে দেখে অবাক হলাম। ইউপি, বিহার, এমপি ইত্যাদি রাজ্যে বিজেপি পলিটিকাল ভায়োলেন্স তো কন্ট্রোল করেইনি, উল্টে নিজেরা সেসবে মদত দিয়েছে, তো পবতে কেন অন্যরকম হবে? তাছাড়া এই হত্যায় তো বিজেপির হাত থাকার চান্স খুব বেশী, কারন এতে ওদেরই লাভ বেশী! বিশ্বগরু আর শাহ স্যারের উজ্জ্বল ইতিহাস আছে নিজেদের দলের লোক মেরে বিশৃংখলা সৃষ্টি করার, কাজেই এটা ওদের কাজ হতেই পারে।
  • হেঁয়ালি | 150.*.*.* | ০৮ মে ২০২৬ ০৯:০৮740558
  • @ডিসি, উনি উত্তর দিতে পারবেন না কারণ লেখাটা এয়াই দিয়ে লেখানো
  • Prabhas Sen | ০৯ মে ২০২৬ ১৫:০৬740581
  • ,খবরে প্রকাশ যে গত তেরো বছরে শুভেন্দু র আরো কয়েকজন আপ্ত সহায়ক ধরাধাম থেকে বিলুপ্ত হয়েছেন! খালি ওঁর আপ্ত রাই কেন বারবার লুপ্ত
    হচ্ছেন জানা নেই! তাঁদের পরিবার বর্গ কে সমবেদনা জানানো ছাড়া আমাদের কি ই বা করার আছে! রাজনৈতিক দলগুলি এই ব্যাপারে ঐক্য বদ্ধ ভাবে কোন পথ নির্ণয় করতে পারেন না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন