এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গোদি মিডিয়ার চিত্রনাট্য 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ মার্চ ২০২৬ | ১১২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • সিপিএমের একজন টিভি-বক্তার ফেবু লাইভ শুনলাম। মধুজা সেনরায়। তার মোদ্দা কথা হল, তাঁকে এবিপি-আনন্দ তাদের কোনো এক তরজায় ডেকেছিল, যেটাকে ওরা আলোচনা বলে। সেখানে বসিয়ে রেখে কিছুই বলতে দেয়নি। অন‍্যান‍্য নানা চাটনি পরিবেশন করেছে। “পরে বলবেন, পরে বলবেন” শুনতে শুনতে উনি রাগ করে উঠে চলে এসেছেন।

    আমি অনুষ্ঠানটা দেখিনি, ওঁকেও চিনিনা। তবে ভাবতে কোনো অসুবিধা হলনা, যে, স্ক্রিনে মুখ‍্যমন্ত্রীর ভাষণ দেখানো হচ্ছে, সেখানে তিনি "কার্যত রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে দেওয়া হয়েছে" বলে জেহাদ ঘোষণা করছেন। শুনে একজন খ্যাতনামা পুজো সংগঠক "এবার প্যান্টুল খুলে এসআইআর হবে" বলে চিল্লাচ্ছেন, একজন উকিল-তকমাধারী "দরকারে সেনা নামিয়ে দেব" বলে লাফাচ্ছেন, একজন "নিরপেক্ষ" বলছেন, "শুধু সেনা নামালেই তো হবেনা, সংগঠনটাও তো দেখতে হবে", আর ওদিকে বেচারি মধূজা মুখ আমসি করে বসে আছেন। আশ্চর্যের কিছু নেই, নেহাৎই নিচুমাপের এই খেউড়কেই টিভিতে আলোচনা বলা হয়ে থাকে।

    যেটা আশ্চর্যের, সেটা হল, ​​​​​​​মধুতা ​​​​​​​বললেন, ​​​​​​​তবু ​​​​​​​এর ​​​​​​​মধ্যেই ​​​​​​​তো ​​​​​​​বক্তব্য ​​​​​​​রাখতে ​​​​​​​হবে, ​​​​​​​সেটা ​​​​​​​খুব ​​​​​​​জরুরি, তাই আমরা আসি। কেন, আদৌ বুঝলাম না। প্রথমত সিপিএম যতগুলো নির্বাচন জিতেছে, কোনোটাতেই সংবাদমাধ্যমের ভরসায় জেতেনি, বরং বিরুদ্ধতা সত্ত্বেও জিতেছে। বরং যখনই সমর্থন খুঁজতে শুরু করেছে, তখন ডুবেছে। বাংলায় কথাই আছে, সরকারবাড়ি ​​​​​​​জিতলে ​​​​​সরকার ​​​​​​​হারাবেন। তো, ​​​​​​​কোন ​​​​​​​সময় ​​​​​​​থেকে ​​​​​​​গোদি ​​​​​​​মিডিয়া ​​​​​​​এত ​​​​​​​গুরুত্বপূর্ণ ​​​​​​​হয়ে ​​​​​​​গেল কে ​​​​​​​জানে। 

    দ্বিতীয়ত, ​​​​​​​ওঁরা ​​​​​​​মোটেই ​​​​​​​সর্বত্র যান ​​​​​​​না। ​​​​​​​আমি ​​​​​​​ডাকলে ​​​​​​​মোটেও ​​​​​​​আসবেন ​​​​​​​না। ​​​​​​​কর্পোরেট ​​​​​​​ডাকলে ​​​​​​​তবেই ​​​​​​​যান। ​​​​​​​এছাড়াও অন্য ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​জায়গাতেও ​​​​​​​যান, ​​​​​​​অন্তত যেতেন, যেমন ​​​​​​​ধরুন ​, ​​​​​​​এবিপি- এইসময় ​​​​​​​খ্যাত ​​​​​​​এক ​​​​​​​প্রাক্তন ​​​​​​​সাংবাদিক, যিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্তফ্রন্টের প্রবক্তা। এই বেছে নেওয়া গুলো একদম সচেতন ভাবে। এইভাবেই গোদি-মিডিয়ার নির্ভরতা তৈরি হয়। সেটা ক্রমশ আর নির্ভরতা থাকেনা, লেজুড়-বৃত্তি ​​​​​​​হয় এবং শেষে ওরাই ​​​​​​​লাইন ​​​​​​​ঠিক ​​​​​​​করে ​​​​​​​দেয়। 

    কীভাবে ​​​​​​​দেয়? ​​​​​​​বামদের অঙ্কের ​​​​​​​হিসেবে ​​​​​​​সব ​​​​​​​টিভি-শোতে ​​​​​​​ডাকারই ​​​​​​​কথা ​​​​​​​না। ​​​​​​​শূন্য আসন, ​​​​​​​পাঁচ ​​​​​​​শতাংশ ​​​​​​​ভোট। ​​​​​​​তাও ​​​​​​​ডাকা ​​​​​​​হয় ​​​​​​​কেন? ​​​​​​​অতি ​​​​​​​অবশ্যই ​​​​​​​কর্পোরেটের ​​​​​​​স্বার্থসিদ্ধি ​​​​​​​হয় ​​​​​​​বলে। ​​​​​​​ওঁদের ​​​​​​​একটা ​​​​​​​মধ্যবিত্ত ​​​​​​​শ্রোতা ​​​​​​​আছে। ​​​​​​​এছাড়াও ​​​​​​​বিজেপির ​​​​​​​বক্তারা ​​​​​​​রিপাবলিক ছাড়া অন্যত্র নেহাৎই অচল, ​​​​​​​চেঁচানো ​​​​​​​ছাড়া ​​​​​​​আর ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​পারেননা। ​​​​​​​লক্ষ্য ​​​​​​​করে ​​​​​​​দেখবেন, ​​​​​​​বামরা ​​​​​​​যতক্ষণ শুধু তৃণমূলের ​​​​​​​বিরুদ্ধে ​​​​​​​বলে ​​​​​​​চলেছেন, ​​​​​​​যৎসামান্য ​​​​​​​বিজেপির ​​​​​​​বিরুদ্ধে, ​​​​​​​ততক্ষণ ​​​​​​​ওঁদের ​​​​​​​মিডিয়ায় ​​​​​​​হেবি ​​​​​​​সমাদর। ​​​​​​​এবং ​​​​​​​যেই ​​​​​​​উল্টোদিকে ​​​​​​​যাবেন, দুচ্ছাই ​​​​​​​করা ​​​​​​​হবে। ​​​​​​​মানেটা ​​​​​​​খুব ​​​​​​​পরিষ্কার, ​​​​​​​বিজেপির ​​​​​​​সঙ্গে ​​​​​​​বক্তব্যের খুব ​​​​​​​বেশি ​​​​​​​তফাত ​​​​​​​যেন ​​​​​​​না ​​​​​​​থাকে। বিজেপির কাজটা তোমরাই করে দাও, ​​​​​​​ভোট ​​​​​​​এলে ​​​​​​​যেন ​​​​​​​ভোটটা ​​​​​​​ওরাই ​​​​​​​পায়। ​​​​​​​দিনের পর দিন এই বার্তাটাই সম্প্রচারিত হয়ে গেছে। আজকে নায়ারণ ব্যানার্জি থেকে তিলোত্তমার মা, এটাকেই সহজ ভাষায় বলছেন, যে, বাপু প্রতিবাদটা তো তোমরা করেই দিয়েছ, গুজব-টুজবও গম্ভীর মুখে রটিয়ে দিয়েছ, এবার ভোট না কেটে ওটা যথাস্থানে যেতে দাও। এই সোজা ব্যাপারটা দেখতে না পাবার কোনো কারণ নেই। 

    এবং সর্বোপরি, ​​​​​​প্রভাবটা এতটা ঘোরপ্যাঁচেরও না। ​দেখবেন, টিভিতে ​​​​​​​নিয়মিত ​​​​​​​প্যানেলিস্ট ​​​​​​​যাঁরা, ​​​​​​​দলের ​​​​​​​এবং ​​​​​​​তথাকথিত নিরপেক্ষ, ​​​​​​​তাঁদের ​​​​​​​অনেককেই ঝাল-ঝোল-অম্বল সবেতেই ​​​​​​​দেখা ​​​​​​​যায়, ​​​​​​​সব ​​​​​​​ব্যাপারেই ​​​​​​​তাঁরা ​​​​​​​বিশেষজ্ঞ। আমি ​​​​​​​যদ্দুর ​​​​​​​জানি, ​​​​​​​এঁরা ​​​​​​​মোটা-টাকার ​​​​​​​মাসোহারা ​​​​​​​পাওয়া ​​​​​​​প্যানেলিস্ট। ​​​​​​​সব্বাই নন, নিয়মিতরা। এবার কে ​​​​​​​কে ​​​​​​​নিয়মিত, কে কে কার ​​​​​​​তালিকায় ​​​​​​​আছেন, সে ​​​​​​​অবশ্য ​​​​​​​জানিনা। এতে ​​​​​​​এমনিতে ​​​​​​​দোষেরও ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​নেই। কিন্তু ​​​​​​​গোদি-মিডিয়ার ​​​​​​​বিরোধী ​​​​​​​যাঁরা, ​​​​​​​তাঁদের ​​​​​​​ক্ষেত্রে এতে একটা ​​​​​​​কনফ্লিক্ট ​​​​​​​অফ ​​​​​​​ইন্টারেস্ট ​​​​​​​থেকে ​​​​​​​যায়। ​​​​​​​একই ​​​​​​​সঙ্গে ​​​​​​​তো ​​​​​​​আপনি ​​​​​​​মশার ​​​​​​​উকিল ​​​​​​​আর ​​​​​​​ম্যালেরিয়ার ​​​​​​​ডাক্তার ​​​​​​​হতে ​​​​​​​পারেন ​​​​​​​না। যদি ​​​​​​​হন, ​​​​​​​তাহলে ​​​​​​​আপনাকে ​​​​​​​ব্যালেন্স ​​​​​​​করে ​​​​​​​চলতে ​​​​​​​হবে, ​​​​​​​যেন ​​​​​​​ধরা ​​​​​​​না ​​​​​​​যায়। ​​​​​​​বছরের ​​​​​​​শেষে ​​​​​​​অ্যাপ্রাইজাল ​​​​​​​হবে, ​​​​​​​পুনর্নবীকরণ ​​​​​​​হবে, ​​​​​​​আর ​​​​​​​আপনি ​​​​​​​গোদি-মিডিয়ার ​​​​​​​বিরুদ্ধে ​​​​​​​বলে ​​​​​​​যাবেন, ​​​​​​​তা ​​​​​​​তো হয়না। ওখানে একটা ​​​​​​​ব্যালেন্স ​​​​​​​করতে ​​​​​​​হবে, ​​​​​​​প্রয়োজনে ​​​​​​​দলের ​​​​​​​নীতিকে ​​​​​​​একটু ​​​​​​​বদলেও ​​​​​​​নিতে ​​​​​​​হবে। 

    শুধু সিপিএমের নয়, এই শেষটা বাকিদলের ক্ষেত্রেও ​​​​​​​প্রযোজ্য। কেউ বলেনা, ​​​​​​​চলে ​​​​​​​আসছে, ​​​​​​​সে ​​​​​​​তো ​​​​​​​টিভির ​​​​​​​পর্দায় ​​​​​​​খেউড়ও ​​​​​​​চলে ​​​​​​​আসছে, ঠিকই আছে। শুধু অনুগ্রহ করে ​​​​​​​বলবেন ​​​​​​​না, নেহাৎই দলের ​​​​​​​কথা ​​​​​​​বলতে ​​​​​​​টিভিতে ​​​​​​​যেতে ​​​​​​​হয়। ​​​​​​​গোদি-মিডিয়ার এখন যা অবস্থা, লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তাকে বাদ দিলে অবিজেপি রাজনৈতিক বক্তব্যই রাখা যায়না। বিশুদ্ধতা ​​​​​​​রাখতে ​​​​​​​হলে, জাস্ট ​​​​​​​বেরিয়ে ​​​​​​​আসুন। 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:9a3:5a02:7a35:***:*** | ২২ মার্চ ২০২৬ ০৭:৪৮739355
  • এই লেখাটা ভালো লাগল। ইন জেনারাল, আমি যতোটুকু দেখি, সব রাজ্যেই যেসব দলের ভালো গ্রাসরুট লেভেলের আউটরিচ থাকে তাদের জেতার সম্ভাবনা বেশী থাকে। টিভির "অলোচনা / বিতর্ক" আর সোশ্যাল মিডিয়ার আউটরিচ তো থাকেই, কিন্তু পার্টির কর্মীরা গ্রাউন্ড লেভেলেও মানুষের সাথে থাকেন। পবতেও সিপিএম এটা করতে পারলে বেশী ভোট পাবে। আমার তো মনে হচ্ছে এবার পবতে সিপিএমের রেজাল্ট ভালোই হবে :-)
  • মশার ​​​​​​​উকিল ​​​​​​​আর ​​ম্যালেরিয়ার ডাক্তার | 47.39.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৬ ১০:৩০739358
  • যা তা!
  • এক্স | 2001:df1:c500:100e:bf26:14c:6d02:***:*** | ২২ মার্চ ২০২৬ ১০:৪৫739359
  • নিজেকে বড্ড গুরুত্ব পূর্ণ ভাবা লেখকগণ আসলে inferioirity complex এ ভোগেন
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন