এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ইয়াঙ্কিদের শান্তি চুক্তি ডিপ্লোম্যাসী ও রেড ইন্ডিয়ানদের অভিজ্ঞতা

    AR Barki লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ মার্চ ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • বর্তমানের প্রবল পরাক্রম ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকার জন্ম হয়েছিল রেড ইন্ডিয়ানদের মেরে কেটে সাফ করে তাদের জমি ও সম্পত্তি দখল করার মাধ্যমে। এই দখল প্রক্রিয়ায় তারা ইহুদীদের গাঁজায় অনুসৃত নীতির থেকেও কঠোর সাম্রাজ্যবাদী নীতি প্রয়োগ করেছিল।
     
    এক পর্যায়ে রেড ইন্ডিয়ান আদিবাসীরা বিদ্রোহ করে অস্ত্র হাতে তুলে নিলে উভয়পক্ষের মাঝে অনেক সংঘর্ষ হয়। সেই সব সংঘর্ষের বেশ কিছু ঘটনা নিজেদের বিপক্ষে যাওয়ায় আমেরিকানরা তথাকথিত শান্তি চুক্তির ডিপ্লোম্যাসী অবলম্বন করে। সাদাদের তথাকথিত শান্তি চুক্তি ও ডিপ্লোম্যাসী সম্পর্কে ধারণা না থাকায় রেড ইন্ডিয়ানরা অস্ত্র পরিত্যাগ করে সম্পূর্ণ ধরা খায়।
     
    ১৭৭৮ থেকে ১৮৭১ সালের মধ্যে মার্কিন সরকার আদিবাসী আমেরিকান জাতিগুলোর সাথে ৫০০টিরও বেশি চুক্তি সম্পাদন করে, যার মধ্যে প্রায় ৩৭৪টি কংগ্রেসে অনুমোদিত হয়েছিল। অর্থাৎ এই চুক্তি গুলি মেনে চলার ব্যাপারে মার্কিন সরকারের সাংবিধানিক বাধ্যবিধিকতা ছিল। 
     
    কিন্তু পরিহাসের বিষয় হলো, মার্কিন সরকার এই চুক্তিগুলির সবগুলোই ভঙ্গ করেছে এবং তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে! আদিবাসী আমেরিকান প্রতিরোধ আন্দোলনের নায়ক, সিটিং বুল (১৮৯০ সালে নিহত), বলেছিলেন: 
     
    "এই আমেরিকানদের সাথে কথা বলে কোনো লাভ নেই। ওরা সবাই মিথ্যাবাদী। ওরা যা বলে তার কিছুই বিশ্বাস করা যায় না, এবং ওরা যা-ই প্রস্তাব দিক না কেন; আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি কারণ আমরা তাদের প্রতিশ্রুতি বিশ্বাস করি না।
     
    শ্বেতাঙ্গরা এমন কোন চুক্তি মেনে চলেছে যা আদিবাসীরা ভঙ্গ করেছে? একটিও না... শ্বেতাঙ্গরা আমাদের সাথে এমন কোন চুক্তি করেছে যা তারা রক্ষা করেছে? একটিও না।" 
     
    আমেরিকা ইসরাইলের সাথে ইরানের সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির প্রেক্ষাপটে ইরানের নেতৃবৃন্দের উচিত হবে রেড ইন্ডিয়ানদের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নেওয়া।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • albert banerjee | ১৭ মার্চ ২০২৬ ২০:০৯739232
  •  আমেরিকানদের চুক্তিভঙ্গের ইতিহাসcheeky

    আমেরিকানদের চুক্তি করার ইতিহাসটা অনেকটা সেই ছেলেটার মতো, যে বউকে বলে "আমি আর মদ খাব না", কিন্তু পরের দিনই বন্ধুদের সাথে বারে গিয়ে ফের গ্লাস হাতে ধরা খায়। ব্যাপারটা একদম সিরিয়াস, কিন্তু বলতে গেলে হাসি পায়!

     চুক্তি মানে কী? আমেরিকার কাছে তা এক ধরণের 'টিস্যু পেপার'!

    আমেরিকা যত চুক্তি করেছে, তার অধিকাংশেরই অবস্থা হয়েছে সেই বিখ্যাত উক্তি "ইটস কমপ্লিকেটেড"-এর মতো। ওদের কাছে চুক্তি মানে যেন টিস্যু পেপার - একবার ব্যবহার করে ফেলে দিতে হবে, বা প্রয়োজনে সেটা দিয়েই মুখ পুঁছে নিতে হবে!

    আদিবাসীদের সাথে 'বন্ধুত্বের গল্প'

    গল্পটা শুরু করা যাক ১৭০০ শতকের দিকে। তখন আমেরিকা আদিবাসীদের খুব ভালোবাসত, ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবে নিয়ে যেত হাজার হাজার একর জমি!

    আমেরিকা: "ভাই, তুমি তোমার এই জমিটা আমাকে দাও। আমি তোমাকে চিরকাল মনে রাখব, তোমার যত্ন নেব, খাবার দেব, কম্বল দেব। চলো, চুক্তি করি!"
    আদিবাসী: "ঠিক আছে, তোমার মুখ দেখে বিশ্বাস করলাম।"

    পরের দিন... ভূগর্ভে স্বর্ণ পাওয়া গেছে!
    আমেরিকা: "ওহ! স্বর্ণ! চুক্তি? কোন চুক্তি? ওটা তো ওল্ড ডকুমেন্ট, সেটা মিউজিয়ামে রেখে দাও। বাই দ্য ওয়ে, তোমরা এখান থেকে সরে যাও, ওই রিজার্ভেশনে চলে যাও!"

    ব্ল্যাক হিলসের ঘটনা তো ক্লাসিক উদাহরণ। ১৮৬৮ সালে ফোর্ট ল্যারামির চুক্তিতে স্পষ্ট লেখা "ব্ল্যাক হিলস চিরকাল সিউ উপজাতিদের থাকবে"। কিন্তু সেখানে স্বর্ণ পাওয়া যেতেই আমেরিকার মনে পড়ে গেল - "আরে, 'চিরকাল' শব্দটার মানে কী? ওটা তো সাপেক্ষ ব্যাপার!" স্বর্ণ আর আদিবাসীর অধিকার - যেখানে স্বর্ণ, সেখানেই অধিকার ট্রাম্প কার্ড!

     কিউবার সাথে 'লিজ-এ-গ্রীণমেন্ট'

    এবার ১৯০৩ সালের ঘটনা। আমেরিকা কিউবার কাছ থেকে গুয়ানতানামো বে 'লিজ' নিল। চুক্তি অনুযায়ী, চাইলে যেকোনো পক্ষ চুক্তি বাতিল করতে পারে। কিউবা বিপ্লবের পর ১৯৫৯ সালে বলল, "আমরা বাতিল করলাম। নাও তোমার চেক, নাও তোমার চুক্তি!"

    আমেরিকা: "কি? বাতিল? ও, না না না, তুমি ভুল বুঝেছ। আমাদের চুক্তিতে 'বাতিল' শব্দটা আছে, কিন্তু সেটা শুধু তোমাদের জন্য প্রযোজ্য না। আমাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। আর চেক? ওটা তো রাখো, আমরা খুশি হয়ে তোমাদের ট্যাক্স দেব! কিন্তু চলে যাব? না না, আরাম করো!"

    আজও গুয়ানতানামো বে-তে আমেরিকার ঘাঁটি আছে। কিউবা বলছে "যাও", আমেরিকা বলছে "না, আরেকটু থাকি"। ব্যাপারটা অনেকটা সেই মেহমানের মতো, যে বলে "আমি তো এক কাপ চা খেয়েই যাব", কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানেই থেকে যায়!

    ইরানের সাথে 'ডেট-কাম-ডেট-গো'

    ২০১৫ সালে ভিয়েনায় বসে বিশ্বের বড় বড় নেতারা ইরানের সাথে এক ঐতিহাসিক চুক্তি করলেন। ইরান বলল, "ঠিক আছে, আমি আমার পরমাণু কর্মসূচি কমিয়ে দেব, তোমরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নাও।" বিশ্ববাসী খুশি, শান্তি ফিরল মধ্যপ্রাচ্যে।

    তারপর এলেন মি. ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বললেন, "ওই চুক্তি? সেটা তো খুব খারাপ চুক্তি! ওবামার করা। আমি বাতিল করলাম।"

    পুরো বিশ্ব: "কি???"
    ইরান: "আপনারা তো বলেছিলেন চুক্তি চিরন্তন!"
    আমেরিকা: "চিরন্তন? ওই শব্দটা আবার চুক্তিতে ছিল নাকি? ওটা তো শুধু আদিবাসীদের সাথে করতাম আমরা!"

    ট্রাম্প সাহেব একতরফাভাবে চুক্তি বাতিল করে দিলেন। ইউরোপের মিত্ররা চিৎকার করছে, রাশিয়া বলছে "আমি তো আগেই বলেছিলাম", আর ইরান বসে বসে ভাবছে - "আমার বিশ্বাস করার কী ছিল!"

     লিবিয়ার ট্র্যাজিক কমেডি

    ২০০৩ সালে লিবিয়ার গাদ্দাফি ভাবলেন, "আচ্ছা, আমি যদি আমার সব অস্ত্র পরিত্যাগ করি, তবে পশ্চিমারা কি আমাকে ভালোবাসবে?" ব্রিটেন আর আমেরিকা বলল, "অবশ্যই! তুমি আমাদের বন্ধু। আমরা তোমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি। বিশ্বাস করো!"

    গাদ্দাফি বিশ্বাস করলেন। নিজের অস্ত্র কর্মসূচি গুটিয়ে নিলেন। আট বছর পর... ২০১১। আরব বসন্ত। লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ।

    আমেরিকা ও ন্যাটো: "ওহে গাদ্দাফি! আমরা তো এসেছি তোমার দেশের মানুষদের বাঁচাতে। তুমি একটু সরে দাঁড়াও তো!"

    গাদ্দাফি: "কিন্তু আপনারা তো আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন!"
    আমেরিকা: "সেটা তো সেদিনের কথা। আজ নতুন দিন, নতুন হিসাব!"

    গাদ্দাফির পরিণতি? তিনি মৃত, দেশ ছারখার। আর লিবিয়ার মানুষ আজ ভাবছে - "বুঝলাম না, অস্ত্র রাখলে খারাপ, রাখলেও খারাপ। শেষ রক্ষা কী?"

    এবারো সেটা

    অতি সম্প্রতি, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের ঘটনাও মনে করিয়ে দেয় এই চুক্তিভঙ্গের ইতিহাস। তালেবানের সাথে দোহাতে চুক্তি করে আমেরিকা বলেছিল "আমরা চলে যাব, কিন্তু শর্ত মেনে"। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই 'অর্ডারলি উইথড্রল'-এর পরিবর্তে যা হলো, তা দেখে আফগান মিত্ররা হতভম্ব! তারা ভাবছে, "আমেরিকা আমাদের কথা দিয়েছিল, কিন্তু কথা তো হাওয়ায় মিশে গেল!"

    চুক্তি মানে কী আমেরিকার কাছে?

    আমেরিকার চুক্তিভঙ্গের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে মনে হয়, ওদের কাছে চুক্তি মানে যেন একটা মুভি টিকিট। দেখলাম, মুভি শেষ, টিকিট ফেলে দিলাম। নতুন মুভি, নতুন টিকিট।

    আদিবাসীদের সাথে প্রতারণা থেকে শুরু করে ইরান চুক্তি ভঙ্গ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমেরিকা প্রমাণ করেছে, যখন স্বার্থের প্রশ্ন আসে, চুক্তি তখন তাদের কাছে অনেকটা -এর মতো – যা যখন খুশি যেমন খুশি মোড়ানো যায়!

    আর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়? তারা এখন আমেরিকার সাথে চুক্তি করার আগে একবার ভাবে - "এই চুক্তি কি কাল পর্যন্ত টিকবে, নাকি আজ রাতেই ভাঙবে?"

    তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, আমেরিকা নিজেও জানে যে ওদের এই চুক্তিভঙ্গের খ্যাতি আছে। কিন্তু তাতে কী? ওরা বলে, "দেখো, ইতিহাস তো ইতিহাস। আমরা বর্তমান নিয়ে ভাবি। আর বর্তমানে আমাদের যা খুশি করার ক্ষমতা আছে, সেটাই বড় কথা!"

    সুতরাং, আমেরিকার চুক্তি ভঙ্গের ইতিহাস নিয়ে যতই মজা করি না কেন, এর পেছনের বাস্তবতা কিন্তু খুব গম্ভীর। আর এই গম্ভীর বিষয় নিয়ে মজা করার সময়ও মনে রাখতে হবে, যে জাতি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না, তারা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটায়। আর আমেরিকা যেন ঠিক সেটাই বারবার প্রমাণ করে চলেছে - বারবার চুক্তি ভাঙা, বারবার নতুন চুক্তি, আর বারবার সেই চুক্তি ভাঙার নাটক!

    আর চুক্তিভঙ্গের পেছনে রয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্ন—যা প্রতিবারই টুকরো টুকরো হয়ে গেছে আমেরিকার স্বার্থের বলিতে।)
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন