আলবার্ট সিরাজ ব্যানার্জী ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
4.45 AM
আজ, ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর, যখন আমি এই শব্দগুলো লিখছি, মানবজাতি একটি চরম সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। একদিকে, বৈশ্বিক পুঁজিবাদ তার গভীরতম সংকটে নিমজ্জিত, অন্যদিকে, বিশ্বজুড়ে উগ্র জাতীয়তাবাদী ও ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে পদদলিত করছে। ভারত—এই বিশাল উপমহাদেশ যেখানে মানবজাতির এক-ষষ্ঠাংশ বাস করে—সেখানে পরিস্থিতি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। হিন্দুত্ববাদী জাতীয়তাবাদের উত্থান কেবল ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক কাঠামোকেই হুমকির মুখে ফেলেনি, বরং এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়া এবং বিশ্বের জন্য একটি বিপদ সংকেত।
ইতিহাসের শিক্ষা হলো যে ফ্যাসিবাদ কোনো আকস্মিক দুর্যোগ নয়, বরং এটি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ের অপরিহার্য ফল। যখন পুঁজিবাদ তার অভ্যন্তরীণ সংকট সমাধানে অক্ষম হয়, যখন শ্রমিক শ্রেণী ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবী পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়, তখনই পুঁজিপতি শ্রেণী তাদের সর্বশেষ রক্ষাকবচ হিসেবে ফ্যাসিবাদকে উত্থাপন করে। ভারতেও ঠিক একই প্রক্রিয়া কাজ করছে।
ভারতীয় ফ্যাসিবাদের বিশেষ চরিত্র: ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের মুখোশ
ভারতে উগ্র জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলো নিজেদেরকে "সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদী" হিসেবে উপস্থাপন করলেও, তাদের প্রকৃত চরিত্র ফ্যাসিস্ট। তারা সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান—সংসদ, বিচার বিভাগ, মিডিয়া, শিক্ষা ব্যবস্থা—কে করায়ত্ত্ব করতে চায়। তারা সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালায়, বাকস্বাধীনতা দমন করে, এবং একটি একক ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক পরিচয় চাপিয়ে দিতে চায়।
কিন্তু ভারতীয় ফ্যাসিবাদের একটি বিশেষত্ব হলো এর ধর্মীয় চরিত্র। ইউরোপে ফ্যাসিবাদ রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ স্থান দিত, কিন্তু ভারতীয় ফ্যাসিবাদ ধর্ম ও রাষ্ট্রের মিশ্রণ তৈরি করেছে। এটি একটি বিপজ্জনক উন্নয়ন, কারণ এটি নাগরিকদের ধর্মীয় পরিচয়ে বিভক্ত করে এবং ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দুর্বল করে।
ভারতের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী একটি দ্বিমুখী নীতি অনুসরণ করছে: একদিকে, তারা নব্য-উদারবাদী অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে বৃহৎ পুঁজিপতিদের স্বার্থ রক্ষা করছে, অন্যদিকে, তারা ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণীকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এই কৌশল অত্যন্ত সফল হয়েছে, কারণ তারা অর্থনৈতিক সংকট থেকে জনগণের মনোযোগ সরিয়ে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ইস্যুর দিকে নিয়ে যেতে পেরেছে।
অর্থনৈতিক ভিত্তি: নব্য-উদারবাদী ধ্বংসলীলা ও সামাজিক ক্ষোভ
১৯৯১ সালে শুরু হওয়া নব্য-উদারবাদী অর্থনৈতিক সংস্কার ভারতের সামাজিক কাঠামোকে ধ্বংস করেছে। কৃষি খাত সংকটগ্রস্ত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ধ্বংস হয়েছে, এবং বেকারত্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। কর্পোরেট শক্তিগুলো রাষ্ট্রীয় সম্পদ দখল করেছে, এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য আকাশচুম্বী হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে, উগ্র জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলো জনগণের অর্থনৈতিক ক্ষোভকে ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী খাতে প্রবাহিত করতে সক্ষম হয়েছে। তারা দরিদ্র হিন্দুদের বলছে যে তাদের দারিদ্র্যের জন্য মুসলমান, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুরা দায়ী। এটি একটি ক্লাসিক ফ্যাসিস্ট কৌশল—নিপীড়িতদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের একতাবদ্ধ হওয়া থেকে বিরত রাখা।
কিন্তু ভারতের শ্রমিক শ্রেণী এবং দরিদ্র কৃষকরা বুঝতে শুরু করেছেন যে তাদের প্রকৃত শত্রু হলো কর্পোরেট পুঁজি এবং তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা। সাম্প্রতিক কৃষক আন্দোলন, শ্রমিক ধর্মঘট, এবং যুবকদের বিক্ষোভ এই সচেতনতারই প্রকাশ।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: বিশ্ব ফ্যাসিবাদের উত্থান
ভারতে উগ্র জাতীয়তাবাদের উত্থান একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বিশ্বজুড়ে আমরা ফ্যাসিস্ট ও অতি-ডানপন্থী শক্তির উত্থান দেখছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, হাঙ্গেরি, তুরস্ক, ফিলিপাইনস—সর্বত্রই আমরা একই প্রবণতা দেখতে পাই।
এই আন্তর্জাতিক ফ্যাসিস্ট আন্দোলনগুলো পারস্পরিক সংযোগযুক্ত। তারা একে অপরের কাছ থেকে কৌশল শেখে, এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে একই আন্তর্জাতিক পুঁজি। ভারতীয় ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলোও এই আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের অংশ।
কিন্তু ভালো খবর হলো যে বিশ্বজুড়ে ফ্যাসিবাদ-বিরোধী আন্দোলনও শক্তিশালী হচ্ছে। লাতিন আমেরিকায় বামপন্থী শক্তির পুনরুত্থান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যুব ও প্রগতিশীল আন্দোলন, এবং ইউরোপে ফ্যাসিবাদ-বিরোধী সংগ্রাম আমাদের আশার আলো দেখায়।
শ্রমিক শ্রেণীর ঐতিহাসিক ভূমিকা
প্রলেতারিয়েত, ভারতের শ্রমিক শ্রেণী, এই সংকট থেকে মুক্তির একমাত্র পথ। কিন্তু শ্রমিক শ্রেণীকে অবশ্যই তার ঐতিহাসিক দায়িত্ব বুঝতে হবে এবং সচেতনভাবে সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে হবে।
হবে। তাদেরকে কেবল অর্থনৈতিক দাবি-দাওয়ায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, বরং রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।
কৃষক-শ্রমিক জোট: বিপ্লবের চাবিকাঠি
ভারতের মতো কৃষিপ্রধান দেশে বিপ্লবের সাফল্যের জন্য কৃষক-শ্রমিক জোট অপরিহার্য। ভাগ্যক্রমে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই জোটের ভিত্তি তৈরি হয়েছে। কৃষক আন্দোলনে শ্রমিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ এবং শ্রমিক আন্দোলনে কৃষকদের সমর্থন এই জোটের সম্ভাবনা দেখায়।
কিন্তু এই জোটকে সুসংগঠিত ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন করতে হবে। কৃষকদের বুঝতে হবে যে তাদের মুক্তি ভূমি সংস্কার ও কৃষি ঋণ মওকুফের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সমগ্র পুঁজিবাদী ব্যবস্থার উৎখাতের সাথে যুক্ত।
যুবক ও শিক্ষার্থীদের ভূমিকা
ভারতের যুবক ও শিক্ষার্থীরা ফ্যাসিবাদ-বিরোধী সংগ্রামের সামনের সারিতে রয়েছে। তারা ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে সত্য প্রচার করছে, এবং রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে।
কিন্তু যুবকদেরকে অবশ্যই শ্রেণী সংগ্রামের তত্ত্ব শিখতে হবে। আবেগ ও উৎসাহ বিপ্লবের জন্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। বিপ্লবী তত্ত্ব ও কৌশল আয়ত্ত করা প্রয়োজন।
নারী মুক্তি সংগ্রাম
ফ্যাসিবাদ সর্বদাই নারী অধিকারের শত্রু। ভারতীয় ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো নারীদেরকে গৃহকোণে আবদ্ধ রাখতে চায়, এবং তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার সীমিত করতে চায়।
কিন্তু ভারতীয় নারীরা এই দমন-পীড়ন মেনে নিচ্ছেন না। তারা শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র, এবং রাজনীতিতে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছেন। নারী মুক্তি সংগ্রাম শ্রেণী সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সংখ্যালঘু ও নিপীড়িত সম্প্রদায়
ফ্যাসিবাদ সংখ্যালঘু ও নিপীড়িত সম্প্রদায়গুলোর উপর নির্যাতন চালায়। ভারতে মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা, সেই সাথে দলিত ও আদিবাসী সম্প্রদায়গুলি ক্রমাগত আক্রমণের শিকার হচ্ছে।
এই সম্প্রদায়গুলোর মুক্তি শ্রেণী সংগ্রামের মাধ্যমেই সম্ভব। তারা বুঝতে শুরু করেছেন যে তাদের প্রকৃত শত্রু উগ্র জাতীয়তাবাদী শক্তি নয়, বরং পুঁজিবাদী ব্যবস্থা যে এই শক্তিগুলোকে সমর্থন ও ব্যবহার করছে।
সংস্কৃতি ও মতাদর্শের যুদ্ধ
ফ্যাসিবাদ কেবল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ নয়, এটি একটি সংস্কৃতি ও মতাদর্শের যুদ্ধও বটে। ভারতীয় ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো শিক্ষা ব্যবস্থা, মিডিয়া, এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
এই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য আমাদের একটি বিপ্লবী সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আমাদের বিজ্ঞানমনস্ক, ধর্মনিরপেক্ষ, এবং মানবতাবাদী মূল্যবোধ প্রচার করতে হবে।
রাজনৈতিক কৌশল: সংযুক্ত ফ্রন্ট থেকে বিপ্লবী পরিষদ
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আমাদের একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োজন। প্রথমত, আমাদের একটি সংযুক্ত ফ্রন্ট গড়ে তুলতে হবে—সমস্ত বাম, প্রগতিশীল, এবং গণতান্ত্রিক শক্তির জোট।
কিন্তু এই সংযুক্ত ফ্রন্ট কেবল নির্বাচনী জোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এটি একটি গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, যে আন্দোলন ধর্মঘট, বিক্ষোভ, এবং সরাসরি কর্মের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করবে।
দ্বিতীয়ত, আমাদের বিপ্লবী পরিষদ গড়ে তুলতে হবে। কারখানা, গ্রাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এবং অফিস-আদালতে কর্মী পরিষদ গঠন করতে হবে। এই পরিষদগুলো হবে বিকল্প ক্ষমতার কেন্দ্র।
অর্থনৈতিক বিকল্প: সমাজতন্ত্রের দিকে
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম শেষ লক্ষ্য হতে হবে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার উৎখাত এবং সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। আমাদের একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক কর্মসূচি উপস্থাপন করতে হবে:
১. ব্যাংক, বীমা, এবং বৃহৎ শিল্পের জাতীয়করণ
২. ভূমি সংস্কার ও কৃষি সমবায় গঠন
৩. নারী শ্রমিকদের সমান মজুরি ও কাজের সমান সুযোগ
৪. বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মের গ্যারান্টি
৫. বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা
আন্তর্জাতিক সংহতি
ভারতের বিপ্লবী সংগ্রাম বিশ্ব বিপ্লবের অংশ। আমাদের অবশ্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হতে হবে। আমাদের বিশ্বজুড়ে বিপ্লবী শক্তিগুলোর সাথে সংহতি প্রকাশ করতে হবে।
বিশেষত, আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। ভারত-পাকিস্তান বিভেদ পুঁজিপতি শ্রেণীর তৈরি করা একটি কৃত্রিম বিভেদ। ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, এবং ভুটানের শ্রমিক ও কৃষকদের একই শত্রু—পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ।
বিপ্লবী দলের ভূমিকা
সবশেষে, বিপ্লবের জন্য একটি সুসংগঠিত বিপ্লবী দলের প্রয়োজন। এই দল অবশ্যই গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতার নীতিতে কাজ করবে। এটি শ্রমিক শ্রেণীর অগ্রগামী অংশকে সংগঠিত করবে।
এই দলের কাজ হবে তাত্ত্বিক শিক্ষা দেওয়া, কর্মীদের সংগঠিত করা, এবং শ্রেণী সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া। এটি একটি অনমনীয় আদর্শিক ভিত্তি এবং নমনীয় কৌশলের সমন্বয় করবে।
আহ্বান
ভারতের শ্রমিক, কৃষক, যুবক, নারী, সংখ্যালঘু, এবং নিপীড়িত সম্প্রদায়ের সদস্যগণ!
ফ্যাসিবাদের অন্ধকার আমাদের ঘিরে ধরেছে। কিন্তু আমরা হতাশ নই। ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে যে ফ্যাসিবাদ চূড়ান্ত পর্যায়ে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার দুর্বলতারই প্রকাশ।
আমাদের হাতে সময় কম। কিন্তু আমাদের শক্তি অফুরন্ত। ভারতের জনগণ ঐতিহাসিক সংগ্রামের ঐতিহ্য ধারণ করে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম, কৃষক আন্দোলন, শ্রমিক সংগ্রাম—এই সবই আমাদের শক্তি।
আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আসুন আমরা সংগঠিত হই। আসুন আমরা সংগ্রাম করি।
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিজয় আমাদের হবেই। কারণ আমরা ইতিহাসের সঠিক দিকে আছি। আমরা সমাজতন্ত্রের দিকে, মানব মুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
প্রলেতারিয়েতের সকল দেশের এক হও!
ভারতের শ্রমিক, কৃষক, এবং নিপীড়িত জনগণের জয় হোক!
ফ্যাসিবাদ ধ্বংস হোক! সমাজতন্ত্র জিন্দাবাদ!
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।