এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক কু উ উ উ উউউউউ

    st
    অন্যান্য | ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ | ১২৩৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • েূ | 127.*.*.* | ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:২৫655094
  • ঝিক ঝিক ঝিক ঝিক কু উ উ উ উউউউউর
    চলছে রেলের গাড়ী অনেক দূরের পাড়ি
    দিল্লী বোম্বাই ম্যাড্রাস ঘুরে যাবে মোতিহারী ….........

    কবে প্রথম ট্রেনে চড়েছি মনে নেই। তবে ছোটবেলা থেকেই কেন জানি না ট্রেনের প্রতি একটা প্রবল আকর্ষণ ছিল। মফস্বল শহরে বড় হয়েছি। এই ছোট্ট শহরে স্টেশন আর গঙ্গার ধার ছাড়া সেরকম যাবার আর কোন জায়গাও ছিল না। ট্ট্রেন আমাদের শহরের লাইফ লাইন। তার সাথে পরিচয় প্রায় জন্ম থেকেই হলেও সখ্যতা হয় কলেজজীবনে। ভোরের আবছা আলোআঁধারি কাটতে না কাটতেই ফাস্ট লোকাল এসে দাঁড়াতো প্ল্যাটফরমে। ভো ও ও ও...............শব্দে শহরের ঘুম ভাঙা্তো। শুরু হত তৎপরতা। হুড়মুড় করে শাকসবজি ভর্তি ঝুড়ি, বস্তা নেমে পড়তো। চিতকার চেঁচামেচি । দর কষাকষি হরেক রকম কথা স্টেশন চত্বরকে মুখরিত করে তুলতো। লাইনের ধারে অপেক্ষারত ভ্যান রিক্সাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যেত কে আগে মাল তুলবে। ছোটখাট বচসা গালাগালি। তারপর চলে যেত নিজ নিজ গন্তব্য বাজারে। আবার স্টেশন খানিকটা শান্ত।

    ছোটবেলায় দাদুর হাত ধরে সকালবেলা ট্রেন দেখতে যেতাম। প্ল্যাটফরমের শেষের দিকে কৃষ্ণচুড়া গাছের নীচে লাল সিমেন্টের বেঞ্চটা ছিল ভীষন পছন্দের। প্রিয় জায়গাটা খালি না পেলে একটা রাগ মেশানো মন খারাপ হত । পাশেই ছিল একটা বিরাট লোহার খাঁচা তার দরজায় মস্ত তালা ঝোলানো থাকতো। মাঝে মাঝে দেখতাম দুটো লোক ট্রেন থেকে খাকি রঙের বস্তা নামিয়ে ওখানে রেখে দিত । আবার পরেরদিন দেখতাম খাচাটা খালি। দাদু বলতো ওটা আর এম এস র ঘর। বস্তায় করে দূরদূরান্ত থেকে চিঠি এসে ওখানে জমা হয়। পরের দিন পোস্টাপিসে যায়। খুব ইচ্ছা করতো নিজের নামে একটা চিঠি পেতে। খামের ওপর বড় বড় অক্ষরে আমার নাম লেখা থাকবে। একান্ত নিজস্ব চিঠি হবে। কাউকে খুলতে দেব না। নিজে খুলে পড়বো। কিন্তু কে লিখবে ? টিকলি তো লিখতে পারে আমাকে। যাবার আগে তো কতবার বললো চিঠি লিখবে …...............। ঠিক ভুলে গেছে। বন্ধুগুলো কি এরকম ই হয় ?
  • st | 127.*.*.* | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৩:১৩655095
  • '”হাওড়া যাবার ডাউন ট্রেন ব্যাণ্ডেল লোকাল এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে আসবে “। মেয়ের গলায় ঘোষণা শোনার সাথে সাথেই লোকজনের মধ্যে সাড়া পরে যেত । সিটে বসা যাত্রীরা উঠে পায়চারী শুরু করে দিত। অত্যুতসাহী কয়েকজনকে দেখতাম লাইনের ওপর ঝুঁকে কি দেখছে। খুব ইচ্ছা করতো ওদের সাথে ঝুঁকে দেখি । কিন্তু লাইনের ধারে যাওয়া বারন । সিটে বসে ওদিকে তাকিয়ে ঝুকে অনেকবার দেখার চেষ্টা করতাম কিন্তু কিছুই নজরে আসতো না। একটু পরেই দেখতাম ঝম ঝম করে ট্রেন এসে দাঁড়াতো প্ল্যাটফ্রমে। লোকেদের ঠেলাঠেলি নামাওঠা। দুমিনিট পরেই আবার ছেড়ে চলে যেত নিজের গন্তব্যে। ওপাশে ছিল কালোর চাএর দোকান। দোকানে যে চা বানাতো সে কিন্তু বেশ ফর্সা ছিল। তাও ওর নাম কেন কালো ? সবসময় দেখতাম কয়লার উনুনের ওপর একটা ঢাউস কেটলি ফুটতো । কেঊ চা চাইলে সেখান থেকে ভাড়ে করে চা দিত। মাঝে মাঝে একেকজন জিজ্ঞাসা করতো কেলো এটা ক ফুট ?
    কালো কিছু না বলে মিচকি হেসে চা এগিয়ে দিত।
    তখন এই ফুট কথার মানে বুঝতাম না। ভাবতাম চা আবার মাপা যায় নাকি ?
    বড় হয়ে জেনেছি আসলে জানতে চায় চা কে কতবার ফোটানো হয়েছে।
    চা খেয়ে ভাড়্গুলো লাইনের ওপর ফেলে দিত সবাই । লাইনটা যেন ডাস্টবিন । । ঐ জায়গায় রেললাইনের নীচে পাথর দেখা যেত না শুধু ভাঙা ভাড়ের টুকরা র পাহাড় ।
    তার পাশে ছিল বইকাকুর দোকান। সকালের খবরের কাগজ ট্রেন থেকে নামার আগেই ওনার দোকান খুলে যেত। অনেককেই দেখতাম সকালবেলা ওনার দোকানে কাগজ পড়তে আসতেন। বাড়ীতে কাগজ রাখার বিলাসিতা হয়তো তাদের সাধ্যে কুলাতো না। বইকাকুর দোকানে কতধরনের বই। ছোটদের ছড়া ছবি থেকে গল্প, উপন্যাস, রান্নার বই, খেলার বই …............ম্যাগাজিন, কাগজ কিছুর শেষ নেই। লোলুপ দৃষ্টি তে বইগুলোর দিকে তাকাতাম আর ভাবতাম কাকুর কি মজা কোন কাজ নেই সারাদিন বই পড়ে। বড় হয়ে আমিও এরকম একটা বই র দোকান দেব। নানারকম শব্দ, হরেকরকম মানুষ তাদের বিচিত্র সব কার্যকলাপ দেখতে দেখতে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যেতে ভীষণ ভাল লাগত।
  • st | 127.*.*.* | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৩:০৭655096
  • একটু বেলা হলেই শুরু হয়ে যেত অফিসযাত্রীর ভীড়। সকাল সকাল কোনমতে মুখে চারটি গুজে বেড়িয়ে পরে রুজিরুটি্র সন্ধানে। সবার তাড়া। একটু দেরী হলেই ট্রেন মিস। অফিসে পৌঁছাতে দেরী। বসের মুখ হাঁড়ি। হাজিরা খাতায় লাল ঢেরা। সব এক সুতায় বাঁধা। অতএব দেরী করা যাবে না। প্রচণ্ড ভীড় কামরায় তিল ধারণের জায়গা নেই। অর্ধেক লোক বাইরে ঝুলছে তাতেই ঠেলেগুতিয়ে চড়তে হবে পা রাখার জায়গা করে নিতে হবে। যাদের হাতে একটু সময় থাকতো তারা ট্রেন আসার ফাঁকে বুকস্টলে খবরের কাগজের পাতায় একটু চোখ বুলয়ে নিত।
    অফিসের ভীড় হালকা হতে না হতেই শুরু হয়ে যেত স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের আনাগোনা।
    দুপুরে কিছুক্ষণ ভীড় কিছুটা হালকা। সে সময় ট্রেনও একটু নিঃশ্বাস ফেলে। দেরীতে দুলকি চালে চলতো। এইসময় ট্রেন ভর্তি যেত ছানা। কলকাতার সব মিষ্টির দোকানের ছানা মফস্বল থেকেই সরবরাহ করা হয়। আবার বিকাল পাঁচটা বাজতে না বাজতেই শুরু হয়ে যেত বাড়ী ফেরার পালা।

    স্টেশনের সেডের লোহার বিমে অজস্র পাখির বাসা। সন্ধ্যে হলেই তাদের শান্তির নীড় দখলের তাড়া পরে যেত। শুরু হত কিচিরমিচির। শ্রান্ত যাত্রীরা ক্লান্ত পায়ে ট্রেন থেকে নামতো। বাড়ীর পথ ধরতো। রাত গভীর হবার সাথে সাথেই কলরব হয়ে যেত শান্ত। দোকানের ঝাপ বন্ধ হয়ে যেত আস্তে আস্তে। কেলোর উনুনের আগুন নিভু নিভু। লাস্ট ট্রেন যাবার সাথে সাথে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যেত শহর।

    প্ল্যাটফরমের শেষ প্রান্তে অনেকটা পাঁচিল ভাঙা ছিল। অনেকেই ওখান দিয়ে লাইন টপকে শটকাট পথ ধরতো। ওখানদিয়ে আস্তে গিয়ে আমাদের পাড়ার এক কাকু একদিন আমাদের সাবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন। অনেকে বললো রাত্রিবেলা ট্রেন আসছিল দেখতে পাননি। আবার কেউ কেউ বললো সাংসারিক ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি পেতে নিজের ইচ্ছায় একাজ করেছেন। পরে কাকীমাকে দেখেছি মলিন মুখ করে ঘুরতেন। হাসি যেন কোথায় হারিয়ে গেছে। কারণ যাই হোক হাজার খুঁজলেও তো সেই মানুষটাকে ফিরে পাওয়া যাবে না ….........।
  • st | 127.*.*.* | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ২১:৪০655097
  • আমাদের বাড়িতে বেড়াতে যাবার খুব একটা চল ছিল না। বাবা সারা সপ্তাহ কলকাতায় ডেলী প্যাসেঞ্জারী করতো। তাই ছুটি পেলেই বাড়িতে আয়েস । কখনো সখনো বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছিড়লে আমরা ট্রেনে চেপে কলকাতা যেতাম বেড়াতে। সেদিন কি আনন্দ, উদ্দীপনা। আগের রাতে তো উত্তেজনায় ঘুমই আসতো না। ট্রেনে চেপে যতটা পারা যেত জানলা দিয়ে হাঁ করে বাইরে দেখার চেষ্টা করতাম । হু হু করে ট্রেন ছুটত সাথে পাল্লা দিত মন। লাইনের ধারে পোষ্টগুলো কি জোড়ে দৌড়ায়। নিমেষে দৌড়ে পেছনে চলে যায়। দূরের সবুজ সবল গাছগুলো হঠাত চোখের সামনে। যেন হাত বাড়ালেই ছুতে পাড়বো। সবার চোখ এড়িয়ে জানলা দিয়ে একটু হাত বাড়ালেই কর্কশ গলা্য শুনতে পেতাম হাত বের করো না। বেগুনী রঙের মোচা, কাঁদি কাঁদি কলা ঝুলছে কলা বাগান। একটা দুটো তিনটে …......কাঁদিগুলো গোনা শেষ করার আগেই নজরে আসতো কেউ ছাদে কাপড় মেলছে। কোথাও মাঠ সরগরম করে ফুটবল ম্যাচ চলছে। এখন অবশ্য আর এসব দৃশ্য দেখা যায় না। রেললাইনের দুধারে শুধু বাড়ী। ইটকাঠ পাথরের জঙ্গল। সবুজের রেখা কোথায় হারিয়ে গেছে। কলাবাগান কেটে পুকুর বুজিয়ে তৈরি হচ্ছে বহুতল আবাসন। নজরে আসে শুধু এসির বাক্স আর থালার মত ডিস এন্টেনা।
    একটাকায় চারটে …... মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে। লেবু লজেন্স। কাঁচের বয়ামের মধ্যে কমলা রঙের লজেন্সগুলো সুন্দর করে সাজানো থাকতো। কেউ কিনলে ছোট্ট কাগজের টুকরোয় চামচে করে বের করে দিত। কি নিপুন হাতে কাগজের টুকরো গুলো কাটা হত একটু ছোটবড় নেই। প্রচণ্ড ভীড় পা ফেলার জায়গা নেই তারি মধ্যে লেবুওয়ালা, কলাওলা, পেয়ারাওলা জায়গা করে চলে আসতো সবার কাছে। অনেকেই বিরক্ত হত। কারো পা মাড়িয়ে দিলে তো কথাই নেই, অনেক কটু কথা শুনতে হত তাদের। হকারদের মুখে কিন্তু প্রত্যুত্তর বেশী দেখতাম না।
  • kaataakutu | 84.*.*.* | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৭:৫৮655098
  • আমি নীরব পাঠক। ভালো লাগে সবার লেখা পড়তে। লেখা চলুক নিজের ছন্দে লোকাল ট্রেনের গতিতে। সাথে আছি ......
  • st | 127.*.*.* | ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৬:৫৪655099
  • সত্যি মানুষের জীবন কি বিচিত্র। আমরা ট্রেনে চরতাম আনন্দ করে বেড়াতে যাবার জন্য। আর হকারদের কাছে ট্রেনে চড়া মানে রুজিরুটির সন্ধান করা। যাত্রীদের কটুক্তি, বকুনি কিছুই ওদের গায়ে লাগে না। পেটের টান বড় টান। সেখানে সব কিছু জলাঞ্জলি দিতে হয়।
    কলেজে পড়ার সময় দেখতাম একজন মধ্যবয়স্ক হকার সেফটিপিন,টিপবোতাম এইসব টুকিটাকি জিনিষ ফেরী করত। তার বুলি ছিল GKW তে চাকরী করতাম। কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে তাই এখন GKW সেফটিপিনের পাতা বিক্রী করছি। তবে যাত্রীদের মন কতটা ভিজতো এই কথায় জানি না। আর একটা জিনিষ দেখতাম। একটু কম ভীড় কামারায় ঊঠত বেশ কিছু যুবক। হাতে তাদের ছোট বক্স আর মাইক্রোফোন। বাঙ্কের অপর বক্স রেখে তারা গান শুরু করতো। একেকজনের কিন্তু সত্যি সুরেলা গলা ছিল। সুযোগের অভাবে এরকম অনেক প্রতিভা নষ্ট হয়ে যায়। গান শেষে হাত পেতে বলতো বেকার ছেলে কিছু সাহায্য করুন। পরের দিকে অনেককে দেখেছি টেপে কিশোরকুমারের গান চালিয়ে নিজে মাইক্রোফোনে ঠোট নেড়ে যেত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন