@একক, খুবই বিরক্তি সহকারে চলে গিয়েছিলাম। হঠাৎ দেখলাম আপনি আমাকে খোঁজাখুজি করছেন, তাই আসতে হল।
আপনি যে সময়টা নিয়ে কাজ করতে চাইছেন, মানে ১৮৫৮-৬৪, তাতে বিদ্যাসাগরের জীবনের মূল ঘটনা এগুলি -
১৮৫৮ -- মে মাসের মধ্যে, মোট ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত। ৩ নভেম্বর, সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষের পদ ত্যাগ।
সেরা আলোচনা পাবেন ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্যাসাগর-প্রসঙ্গ-তে।
১৮৫৯ -- ২৯ সেপ্টেম্বর, বাংলা সরকারের কনিষ্ঠ সচিব টমসনকে ‘শ্রমিকশ্রেণিগুলির শিক্ষার চেষ্টা নিষ্প্রয়োজন’ বলে জানান।
মূল চিঠিটি পাবেন ইন্দ্রমিত্র-র করুণাসাগর বিদ্যাসাগর গ্রন্থের পরিশিষ্ট অংশে এবং টোমাসনের শিক্ষা পরিকল্পনার আকর গ্রন্থ হল J. A. Richey (ed.), Selections from Educational Records, Part II, 1840-1859
১৮৬০ -- বোর্ড অফ এগজামিনারের সদস্যপদ ত্যাগ।
যে কোনও বিদ্যাসাগর জীবনীতেই পাবেন। চণ্ডীচরণ, বিহারীলাল, সুবল মিত্র, বিনয় ঘোষ বা ইন্দ্রমিত্র।
১৮৬১ -- ‘ক্যালকাটা ট্রেনিং স্কুল’-এর সম্পাদক।
সেরা আলোচনা সুবল মিত্রের বইতে। ইন্দ্রমিত্র এবং বিনয় ঘোষেও পাবেন।
১৮৬২ -- কৃষ্ণদাস পাল হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার সম্পাদক হিসাবে নিযুক্ত।
এই হিন্দু প্যাট্রিয়টের দায়িত্ব গ্রহণের ব্যাপারটা ইন্দ্রমিত্রের বইয়ে বিস্তারিত ভাবে আছে।
১৮৬৩ -- নভেম্বর, ওয়ার্ডস ইনস্টিটিউশনের পরিদর্শক।
ইন্দ্রমিত্র। এখান থেকে পদত্যাগের কারণটা চণ্ডীচরণ এবং ইন্দ্রমিত্র আছে।
১৮৬৪ -- ‘ক্যালকাটা ট্রেনিং স্কুল’ মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন-এ পরিবর্তিত।
নিঃসন্দেহে সুবল মিত্র।
সোমপ্রকাশ কি বহুবিবাহ-সম্পর্কিত লেখাপত্রের জন্য খুঁজছেন? পত্রিকাটির কিছু আলোচনা বিনয় ঘোষ সম্পাদিত সাময়িকপত্রে বাংলার সমাজচিত্র ১৮৪০-১৯০৫ (তৃতীয়-চতুর্থ খণ্ড, ১৯৬০) গ্রন্থে পাবেন।
আমি টেকনিক্যাল ব্যাপারে খুবই তালকানা। তবুও আপনার কাজে লাগতে পারে ভেবে সোমপ্রকাশের একটা লিঙ্ক দিলাম। দেখুন আপনার কাজে লাগে কি না।