এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২৮558531
  • British Prime Minister Clement Attlee realized that with the armed forces no longer loyal, maintaining control over India by force was impossible. Shortly after the navy revolt was suppressed, the British government announced the Cabinet Mission of 1946 to negotiate the complete transfer of power and Indian independence.
     
    শালা অ্যাইকে দিয়ে লেখালে ওই গান্ডু এমন উত্তরই দেবে!
     
    অথচ ঘটনা হল নৌ বিদ্রোহ শুরু হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারি আর ভারতসচিব ব্রিটিশ সংসদে ক্যাবিনেট মিশন পাঠানোর ঘোষণা করেন ১৯ ফেব্রুয়ারি। আরও মজার কথা হল, ব্রিটেনের মন্ত্রিসভা মিশন পাঠাবার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন ২২ জানুয়ারি অর্থাৎ নৌ বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পাক্কা ২৭ দিন আগে।
  • একক | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২৫558530
  • @এলেবেলে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এগুলো ধরে এগোই দরকার হলে আবার আপনাকে জিগাবো :)
     
    এলবার্ট আপনাকেও ধন্যবাদ। এআই খুব কাজের। কিন্তু কিউরেটেড ডেটাসেট নয়। এলেবেলে হলেন আমাদের কিউরেটেড নলেজ বেস :))
  • @এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫৯558529
  • • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১১:৪৬558501
    • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ০২:২৯

    মানে এই জেঞ্জিদের যত দেখছি, তত অবাক হচ্ছি। বেসিক জ্ঞান জিরো হওয়ার পরেও কী কনফিডেন্টলি যে ভাট ভকা যায়, সেটা দেখার। এরা কি সুমিত সরকারের বেসিকস্য বেসিক বইটাও পরেনি? নাকি তাঁকেও অবলীলায় 'উনি আগে থেকেই ধরে নিয়েছেন' বলে দাগিয়ে দেওয়া যাবে?

    এক লিটার মদ হজম করার পরে এটা একবার দেখা যেতে পারে -

    এই উত্তরটা তরমুজ আগেই দিয়েছিলেন

    • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৪৫558449
    • //সুভাষকে কেউই হিন্দুত্ববাদী বলবেন না। কিন্তু তিনি যে তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন, হাত মিলিয়েছিলেন লিগের সঙ্গেও - এটা তো ঐতিহাসিক ভাবে সত্য। একটা ব্রিগেডের নাম দিয়েই যদি প্রমাণিত হয় যে তিনি গান্ধীবাদী, তাহলে গান্ধী তাঁকে নির্মম ভাবে সভাপতির পদ থেকে ছেঁটে ফেলেন না। সুভাষের সমর্থকেরাও তাঁর দিকে চপ্পল তাক করেন না। একই কথা নেহরু ব্রিগেড সম্পর্কেও প্রযোজ্য।//

    1942 সালে গান্ধিজীর নেতৃত্বে ভারত ছাড়ো আন্দোলন হয়। আরএসএস, হিন্দু মহকসভা, মুসলিম লীগ, বামেরা, আম্বেদকর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিরোধীতা করে। অন্যদিকে সুভাষ চন্দ্র বসু বা আজাদ হিন্দ বাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল অখন্ড ভারতের স্বাধীনতা। গান্ধিজী সুভাষ ও আজাদ হিন্দ বাহিনী সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন

    "যদিও আজাদ হিন্দ ফৌজ তাদের আশু লক্ষ্যে পৌছুতে পারে নি। তথাপি তারা এমন কিছু করেছে, যেজন্য তারা গর্ববোধ করতে পারে। সবচেয়ে বড় কৃতিত্বের কথা হচ্ছে। এই যে তারা একই পতাকা তলে ভারতের সকল ধর্ম ও জাতির মানুষকে একত্রিত করতে পেরেছিল। ধর্মীয় ও অন্যান্য ভেদবুদ্ধির উর্ধে তাঁরা একতা ও সংহতির আদর্শ সঞ্চারিত করেছেন।"

    এরপর সুভাষের অন্তর্ধ্যান শুরু হয়। গান্ধিজীই প্রথম বলেন সুভাষ বেঁচে আছেন। এবং তিনি ভারতে সুভাষকে নেতা হিসাবে দেখার জন্য উদগ্রিব। তারপর গডসে গান্ধি হত্যা করে। গডসের ভাষায় 'বাপু আপনাকে হত্যা করা ছাড়া দেশ বাচানোর অন্য কোনো উপায় ছিল না।' সেই স্বাধীনতার 45 বছরের মধ্যে ভারতের তিন জন প্রধান মন্ত্রীর খুন হয়। যারা বিপুল জনপ্রিয় ছিলেন। সে আলোচনা নয় ছেড়েই দিলাম।

    এরপর মনে হয় না যে এই বিষয়ের উপর অন্য কোনো মন্তব্য বা প্রমান দেওয়ার প্রয়োজন আছে।
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫৫558528
  • এখানে যে আজকাল অনিয়মিত হয়ে গেছি, সে দেখছি এক প্রকার ঈশ্বরের আশীর্বাদ! বিহারী সরকার হচ্ছেন বিদ্যাসাগরের প্রামাণ্য জীবনী লেখক আর ব্রজেন বাঁড়ুজ্জে হয়ে গেছেন অরবিন্দ মৈত্র!
     
    তওবা তওবা!!
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫০558527
  • @একক, খুবই বিরক্তি সহকারে চলে গিয়েছিলাম। হঠাৎ দেখলাম আপনি আমাকে খোঁজাখুজি করছেন, তাই আসতে হল।
     
    আপনি যে সময়টা নিয়ে কাজ করতে চাইছেন, মানে ১৮৫৮-৬৪, তাতে বিদ্যাসাগরের জীবনের মূল ঘটনা এগুলি -
     
    ১৮৫৮ -- মে মাসের মধ্যে, মোট ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত। ৩ নভেম্বর, সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষের পদ ত্যাগ।
    সেরা আলোচনা পাবেন ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্যাসাগর-প্রসঙ্গ-তে।
    ১৮৫৯ -- ২৯ সেপ্টেম্বর, বাংলা সরকারের কনিষ্ঠ সচিব টমসনকে ‘শ্রমিকশ্রেণিগুলির শিক্ষার চেষ্টা নিষ্প্রয়োজন’ বলে জানান।
    মূল চিঠিটি পাবেন ইন্দ্রমিত্র-র করুণাসাগর বিদ্যাসাগর গ্রন্থের পরিশিষ্ট অংশে এবং টোমাসনের শিক্ষা পরিকল্পনার আকর গ্রন্থ হল J. A. Richey (ed.), Selections from Educational Records, Part II, 1840-1859
     
    ১৮৬০ -- বোর্ড অফ এগজামিনারের সদস্যপদ ত্যাগ।
    যে কোনও বিদ্যাসাগর জীবনীতেই পাবেন। চণ্ডীচরণ, বিহারীলাল, সুবল মিত্র, বিনয় ঘোষ বা ইন্দ্রমিত্র।
     
    ১৮৬১ -- ‘ক্যালকাটা ট্রেনিং স্কুল’-এর সম্পাদক।
    সেরা আলোচনা সুবল মিত্রের বইতে। ইন্দ্রমিত্র এবং বিনয় ঘোষেও পাবেন।
     
    ১৮৬২ -- কৃষ্ণদাস পাল হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার সম্পাদক হিসাবে নিযুক্ত।
    এই হিন্দু প্যাট্রিয়টের দায়িত্ব গ্রহণের ব্যাপারটা ইন্দ্রমিত্রের বইয়ে বিস্তারিত ভাবে আছে।
     
    ১৮৬৩ -- নভেম্বর, ওয়ার্ডস ইনস্টিটিউশনের পরিদর্শক।
    ইন্দ্রমিত্র। এখান থেকে পদত্যাগের কারণটা চণ্ডীচরণ এবং ইন্দ্রমিত্র আছে।
     
    ১৮৬৪ -- ‘ক্যালকাটা ট্রেনিং স্কুল’ মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশন-এ পরিবর্তিত।
    নিঃসন্দেহে সুবল মিত্র।
     
    সোমপ্রকাশ কি বহুবিবাহ-সম্পর্কিত লেখাপত্রের জন্য খুঁজছেন? পত্রিকাটির কিছু আলোচনা বিনয় ঘোষ সম্পাদিত সাময়িকপত্রে বাংলার সমাজচিত্র ১৮৪০-১৯০৫ (তৃতীয়-চতুর্থ খণ্ড, ১৯৬০) গ্রন্থে পাবেন।
     
    আমি টেকনিক্যাল ব্যাপারে খুবই তালকানা। তবুও আপনার কাজে লাগতে পারে ভেবে সোমপ্রকাশের একটা লিঙ্ক দিলাম। দেখুন আপনার কাজে লাগে কি না।
  • albert banerjee | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৪৭558526
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২২ এইগুলোদেখতে পারেন
     
    বিদ্যাসাগর (বাংলা): প্রামাণ্য জীবনীগ্রন্থ। বিহারীলাল সরকার রচিত এই বইটি বিদ্যাসাগরের জীবন ও কর্মের বিশদ বিবরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে ১৮৫৮ সালের পদত্যাগ থেকে শুরু করে পরবর্তী সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যকলাপের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।
    [ [https://archive.org/details/20200917_20200917_1045/20200917_20200917_1045/ ]
    "Vidyasagar: Reflections on a Notable Life": এই জীবনীগ্রন্থটি বিদ্যাসাগরের শিক্ষা ও সমাজসংস্কারে দীর্ঘস্থায়ী অবদানের ওপর আলোকপাত করেছে।[লেখক: অমিয় পি. সেন , প্রকাশক: ওরিয়েন্ট ব্ল্যাকসোয়ান (Orient BlackSwan) প্রকাশের সাল: ২০২১]
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: অরবিন্দ মিত্র।
    এখানে ১৮৫৮ সালের ৭ই মে ভারত সরকারের চিঠি এবং বিদ্যাসাগরের আর্থিক বিষয়ক বিতর্কের নথি পাওয়া যায়।
  • khoka | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৩৬558525
  • @@khoka,
     
    Nehruvian অর্থনীতি
    Mainstream মিডিয়া
    অর্থনীতি ≠ মিডিয়া
  • . | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৩৩558524
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২১
    এটি এআই দিয়ে খুঁজে বের করা।
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২৭558523
  • তার সাথে এটাও থাক যা গতকাল একবার পোস্ট করেছি
     
    Warning the British Government
    ​Nehru issued a stern warning to the British authorities against taking punitive measures against the INA men:
    • ​He pointed out that punishing these soldiers would cause severe resentment among the general public and within the Indian soldiers serving in the British Indian Army.
  • একক | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২২558522
  • এলেবেলে কি আছেন ? অনেকদিন বাদে লিখলেন ভালো লাগলো।
     
    আঠেরোশো আটান্ন থেকে চৌষট্টি এই কবছরে বিদ্যাসাগরের জীবন কর্মকান্ড বিতর্ক, ডিটেইল্ড এবং ফোকাসড লেখা কোথায় পাই ? আমি খুবই ফাঁকিবাজ ছাত্র কিন্তু নিজের লেখার তাগিদে এক্সপ্লোর করচি, কাজেই গভীরে ঢোকা জরুরি। বুলেটস ধরে জানি কিন্তু ডিটেইল চাই। সোম প্রকাশ পত্রিকাও খুঁজছি স্ক্যান কপি ইত্যাদি।
  • albert banerjee | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:২১558521
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:১৬
    এই লেখাটা কার?
  • albert banerjee | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:১৯558520
  • পড়েই আসছি
    ""গান্ধীজি ১৯১৯ সালের ১৮ই এপ্রিল রাওলাট সত্যাগ্রহ প্রত্যাহার করে নেন""
    এটা গান্ধী কেন করলেন?
    এবার আসি যারা রাওলাট সত্যাগ্রহ প্রত্যাহারকে বিরোধিতা করেছিলেন
     
    চিত্তরঞ্জন দাশ (সি.আর. দাশ)-এর মতো নেতারা এই প্রত্যাহারকে কৌশলগত দুর্বলতা ও আত্মসমর্পণ হিসেবে দেখেছিলেন।
    গান্ধীজি যখন আন্দোলন প্রত্যাহার করে ব্রিটিশদের প্রতি 'আপসের' পথে হাঁটছিলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে একাই এগিয়ে আসেন এবং ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া 'নাইটহুড' উপাধি ত্যাগ করেন।
    এবার আমাকে বোঝান গান্ধিবাদী এর ডেফিনিশন
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:১৬558519
  • অ্যালবার্টের প্রশ্নের ভিত্তিতে। যা জানবেন পুরোটা জানবেন অর্ধেক অর্ধেক জানবেন না।
     
    While the strike initially began over grievances like poor food, racial discrimination, and abusive officers, the political fervor generated by the Red Fort INA Trials served as the major catalyst that turned a local naval strike into a full-scale anti-colonial uprising.

    The Red Fort Trials (November 1945 – January 1946) brought the heroism, patriotic speeches, and sacrifice of Subhas Chandra Bose’s Indian National Army into the public consciousness through newspapers and radio. Indian sailors (ratings) on board British ships followed the trial closely. It broke the myth of absolute loyalty to the British Empire and inspired the sailors to stand up against colonial authority.

    . Explicit Demands for INA Release
    ​When the sailors elected the Naval Central Strike Committee on February 19, 1946, they formulated a list of official demands. Alongside demands for better food and equal pay, they explicitly included:
    • ​The unconditional release of all INA prisoners of war.
    • ​The withdrawal of Indian troops from Indonesia and Indochina (where they were being deployed to restore European colonial rule).

    . Open Political Defiance
    ​Inspired by Netaji's vision, the revolting sailors replaced the British White Ensign with three flags tied together—the Indian National Congress, Muslim League, and Communist Party flags—signifying anti-imperialist unity. Ratings were seen shouting slogans like "Jai Hind", "Inquilab Zindabad", and "Release the INA prisoners!" on the streets of Bombay.

    Combined Impact on the British Empire
    ​Together, the INA Trials and the Royal Indian Navy Revolt dealt a decisive blow to British rule in India:
    • ​Breakdown of Armed Discipline: The INA Trials proved that Indian soldiers could turn their guns against the Raj. The RIN Revolt (which spread to 78 ships, 20,000 sailors, and was joined by Royal Indian Air Force strikes) confirmed that the British could no longer rely on Indian military personnel to suppress the freedom movement.
    • ​Accelerated Transfer of Power: British Prime Minister Clement Attlee realized that with the armed forces no longer loyal, maintaining control over India by force was impossible. Shortly after the navy revolt was suppressed, the British government announced the Cabinet Mission of 1946 to negotiate the complete transfer of power and Indian independence.
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৪558518
  • // কমান্ডার আর্থার ফ্রেডরিক কিং-এর অপমানজনক মন্তব্য এবং খারাপ খাবারের প্রতিবাদে অনশন ধর্মঘট শুরু হয়। এটাই পুরো বিদ্রোহের সূচনা করে।বিদ্রোহটি দ্রুত বোম্বাই থেকে করাচি, মাদ্রাজ, কলকাতা সহ অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। যদিও কংগ্রেস ও এটাকে সমর্থন করেনি,"//
     
    @অ্যালবার্ট, এক কথা বারবার বলতে ভালো লাগে না। গত দু দিন ধরে যেটুকু আলোচনা করেছি। সেটুকুই আপনার রেফারেন্সের জন্য যথেষ্ট। আপনি বেসিকই জানেন না। দুখানা বই টেনে, দুটো লাইন জুড়ে দিলে হয় না। আমি যেটুকু তথ্য দিয়েছি আগে সেটুকু হজম করুন। দরকার হলে ভাটে যেটুকু লিখেছি। সেটা একশ বার পড়ুন। তার মধ্যেই আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনি আলাদা কিছু বলছেন না। যা আমার বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
  • | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০৩558517
  • কালই বল্লাম - যে একে কিছু বই দিয়ে ঘর বন্ধ করে পড়তে বসান। হোমওয়ার্ক দিন। নইলে না পড়েই ছড়িয়ে চলবে।
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০২558516
  • ভাই তরমুজ, আমি এখানেই ক্ষান্ত দিচ্ছি। আপনি যা সব বলছেন - সুভাষ অক্ষশক্তির সাহায্য নিয়ে গান্ধিবাদী আদর্শকে মনে ধরে অখন্ড ভারত স্বাধীন করার এজেন্ডা, সুভাষের এই কাজকে গান্ধি থেকে আজাদ নেহেরু সবাই অ্যাকনলেজ করেছিল, গান্ধি ও সুভাষের আলোচনায় নেহেরু ও অন্যান্য কংগ্রেসীরা অপ্রাসঙ্গিক ইত্যাদি প্রভৃতি - তার পরে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অর্থ হয় না।
     
    আপনি গান্ধীর নিজের বক্তব্য মানবেন না, ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত মানবেন না, অহিংসায় বিশ্বাসী সীমান্ত গান্ধীর কথাকে পাত্তা দেবেন না, গান্ধী যে বহু আগেই নেহরুকে তাঁর উত্তরসূরী হিসাবে নির্বাচিত করেছিলেন সেই নেহরুকে অপ্রাসঙ্গিক মনে করবেন এবং কংগ্রেসের বাকি নেতারা যেন খণ্ডিত ভারতবর্ষকে স্বাধীন করতে চেয়েছিলেন বোঝাতে চাইবেন - সত্যিই অনর্থক টাইপ করার মানে হয় না।
     
    আপনাকে হাজার রেফারেন্স দিলেও আপনি সেই আউল্বাউল চোদ্দচাউল বকে যাবেন। বকতে থাকুন, আমি কাটি।
  • জেনেক্স | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১৩:০২558515
  • আমি একদিকে এই সিজেপির আন্দোলনে দেখছি ছেলেমেয়েরা কি সাহসের সঙ্গে রুখে দিচ্ছে শাসকের নখ দাঁত - আর আমাদের কলকাতার কিছু নার্সিসিস্ট নিজস্ব cocoon এর থেকে মুখ বের করে আমি কত্ত রেফারেন্স রাখি - আমায় একটু ভালো বলো - তোমরা আমাকে উৎসাহ দাও/ আমি তোমাদের জ্ঞান আর উপদেশ দেবো - এই চলছে। এতো ডিলিউশন কিসের? এই এ আই এর যুগে কোন নাম বা কোটেশন নিয়ে কেউ সিরিয়াসলি নেয় না - get a life
  • albert banerjee | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৭558514
  • //ওতেই সমাধান হয়ে যাবে।//
    কে ভাই আপনি, নতুন বিশ্বগুরু নাকি?
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৭558513
  • @অ্যালবার্ট, ইতিমধ্যে সংক্ষেপে আলোচনা হয়েছে। আগে বেসিক পড়ুন। না হলে সব গোলমাল হয়ে যাবে।
  • albert banerjee | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৫558512
  • //আজাদ হিন্দ বাহিনীর বিচারকে ঘিরে মানুষের মনে দেশমাতৃকার প্রতি এক বিশেষ আবেগ জন্মায়। যার ফলে নৌ বিদ্রোহ শুরু হয়।// তাই নাকি?
    "১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬-এ বোম্বাইয়ের HMIS Talwar-এ কমান্ডার আর্থার ফ্রেডরিক কিং-এর অপমানজনক মন্তব্য এবং খারাপ খাবারের প্রতিবাদে অনশন ধর্মঘট শুরু হয়। এটাই পুরো বিদ্রোহের সূচনা করে।বিদ্রোহটি দ্রুত বোম্বাই থেকে করাচি, মাদ্রাজ, কলকাতা সহ অনেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। যদিও কংগ্রেস ও এটাকে সমর্থন করেনি,"
    এটা জানতাম তো
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৫558511
  • এলেবেলে আপনি যা রেফারেন্স দিচ্ছেন আমি তাতে আবার বলবো, আগে বেসিকটা ভালো করে পড়ুন। তারজন্য ইতিমধ্যে আমি যে আলোচনাগুলো করেছি সেগুলো নিয়ে স্টাডি করুন। আপনি আসল জায়গাটাই ধরতে পারছেন না। আমি কোন বিষয়ের উপর কি বোঝাতে চাইছি, সেটাই বুঝতে পারছেন না। এর জন্য আমার নতুন কোনো তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। যেটুকু দিয়েছি। আগে সেটুকু ভালো করে স্টাডি করুন।ওতেই সমাধান হয়ে যাবে।
  • . | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫২558510
  • তরমুজের কি রাহুল গান্ধিকে পছন্দ?
  • albert banerjee | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫০558509
  • //সুভাষ গান্ধিবাদী ছিলেন কিনা//
    না ছিলেননা আর মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী ছাড়া আরকেউ গান্ধিবাদী ছিলেননা।
    Civil Disobedience বাই হেনরি ডেভিড থরো এবং Unto This Last বাই জন রাসকিন এইদুটো বই মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধীকে গান্ধিবাদী করেছিলো। এবং গান্ধিবাদী এর ডেফিনিশন টা একটুবলবেন? গায়ে দেয় না মাথায় মাখে?
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৪৮558508
  • //আলোচনা ছিল সুভাষ ও গান্ধির মধ্যে মতাদর্শগত মিল অমিল। এবং সুভাষ গান্ধিবাদী ছিলেন কিনা। //
     
    এবং সুভাষ অখন্ড ভারতের রূপকার ছিল কিনা। এটাও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু ছিল। যার সাথে আপনি ডিফার করেছিলেন। এবং এখন বিষয়টা নেহেরুর দিকে টেনে নিয়ে যাওয়াটা সম্পূর্ণ বিপরীত। সেটা আপনার কথাতেই প্রমান হচ্ছে। সুভাষ অক্ষশক্তির সাহায্য নিয়ে গান্ধিবাদী আদর্শকে মনে ধরে অখন্ড ভারত স্বাধীন করার এজেন্ডা নিয়ে এগিয়ে ছিলেন। এবং সুভাষের এই কাজকে গান্ধি থেকে আজাদ নেহেরু সবাই অ্যাকনলেজ করেছিল। যুদ্ধে পরাজিত হলে এবং অক্ষশক্তির পতন ঘটলেও আজাদ হিন্দ বাহিনীর বিচারকে ঘিরে মানুষের মনে দেশমাতৃকার প্রতি এক বিশেষ আবেগ জন্মায়। যার ফলে নৌ বিদ্রোহ শুরু হয়। এবং এই সব কর্মকান্ডের জন্য বিভিন্ন কংগ্রেসী নেতা এমনকি হিন্দু মহাসভাও আজাদ হিন্দ বাহিনীকে অ্যাকনলেজ করতে বাধ্য হয়। স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। এটা সুভাষের কূটনৈতিক জয়। কিন্তু গান্ধি ও সুভাষের মতাদর্শের দিক থেকে গান্ধির প্রতি সুভাষের এবং সুভাষের প্রতি গান্ধির যে একটা আলাদা ভালোবাসা ছিল। সেটা অস্বীকার করা যায় না। এর বহু প্রমান আছে এবং এটি প্রতিষ্ঠিত সত্য। সুতরাং সুভাষ গান্ধিবাদী। আর গান্ধি ও সুভাষের আলোচনায় নেহেরু ও অন্যান্য কংগ্রেসীরা অপ্রাসঙ্গিক। কারন গান্ধির সব সিদ্ধান্ত তো কংগ্রেসও মানেনি। গান্ধিবাদের অর্থ কংগ্রেসবাদ নয়। তবে কংগ্রেসের উপর গান্ধির যে একটা প্রভাব ছিল, সেটা অনস্বীকার্য। যে প্রভাবটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে কমতে থাকে। সেক্ষেত্রে দেশ ভাগ ছাড়া সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হল গান্ধি হত্যা।
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৪৬558507
  • ও, গান্ধীরটা দিতে ভুলে গেছি। ‘I believe that Subhas Bose will have to be resisted by us.’
  • হেঁয়ালি | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৪৫558506
  • এটা ঠিক জেন জির ব্যাপার না। অ্যাই ব্যবহার করে প্রপার সাইটেশন, কনটেক্সট ছাড়া মনগড়া ইতিহাস নামানো জলভাত। এবার অ্যাই হ্যালুসিনেট করছে না ঠিকঠাক তথ্য দিচ্ছে এসব বসে বসে কে খুঁজবে। জঞ্জাল ইন, জঞ্জাল আউট।
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৯558505
  • আলোচনা শুরু হয়েছিল গান্ধী, নেহরু, আজাদ ব্রিগেড নিয়ে। সেখানে গোটা কংগ্রেস নেতৃত্ব ফৌজকে কী চোখে দেখত, তার ইতিহাস আছে। ফ্যাসিবাদি শক্তির সঙ্গে হাত মেলানোর ব্যাপারটা কংগ্রেসের কেউই ভালো চোখে দেখেননি। 'গান্ধীবাদী' সুভাষ ফ্যাসিবাদী শক্তির সহায়তায় সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে দেশকে স্বাধীন করবেন এবং তার পরেও তাঁর গান্ধীবাদী তকমা অটুট থাকবে, এ কথা শুনলে ঘুড়ায় হাসব কত্তা।
     
    গান্ধী-সহ কংগ্রেসের এই ব্যাপারে কী অবস্থান? As late as October 1945, the Working Committee reconfirmed in a resolution that the Congress had not in its principles ‘deviated from its policy of attaining independence by peaceful and legitimate means’. সুমিত সরকার লিখেছেন, এর পরে কংগ্রেসে গান্ধী ক্রমশ প্রান্তিক হচ্ছেন আর তাঁর জায়গায় উঠে আসছেন প্যাটেল-নেহরু জুটি।
     
    নেহরুর বক্তব্য আগেই জানিয়েছি।
     
    সীমান্ত গান্ধী কী বলেছিলেন জানেন? তিনি স্পষ্ট জানান, "If only they [INA] had been shot in Rangoon or Singapore, everyone would have been pleased."
     
    গোটা ওয়ার্কিং কমিটি সশস্ত্র অভ্যুত্থানের কথা বলছে না, নেহরু চরম নিন্দা করছেন, এমনকি সীমান্ত গান্ধী ফৌজের সেনানীদের মৃত্যুকামনা পর্যন্ত করছেন, তার পরেও সুভাষ গান্ধীবাদী?
     
    ও হ্যাঁ, সোর্স চাইলে বলবেন। এগুলো যে আমার বানানো গপ্পো নয়, সেটা বোঝাতে ইঞ্জিরি ব্যবহার করলাম।
  • Manali Moulik | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩১558504
  • বাঙালীর কী লেভেলে ডিলিউশন সত‍্যি ! কেউ কোনো ক্রিয়েটিভ ফিল্ডে অসামান‍্য কাজ কাজ করলে সেটা সর্বাগ্রে স্বীকার করতে হবে। তার মানেই সেই ব‍্যক্তির রাজনৈতিক মতাদর্শ বা নৈতিকতা নিয়ে হ‍্যাজাতে হবে কেন? ব‍্যক্তিচিন্তন অনেক ব‍্যক্তিত্বের সমষ্টি। Persona and personality দুটো বস্তু আলাদা ম‍্যান! সবাইকে শশাঙ্ক ভাবলে হবে? আমি তো এখনো জয় গোস্বামীর সব কবিতা পড়বো। আপনারাও রাগ কষ্ট দুঃখ ভুলে গিয়ে বলুন,
     
    "পোড়ারমুখো দু-চোখের বিষ!
    ফের তুই দল পাল্টেছিস?" (অনুপ্রেরণা দ্বারা প্রাপ্ত)
  • তরমুজ | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:১১558503
  • @এলেবেলে, আপনি কোথাকার আলোচনা কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন? আলোচনা ছিল সুভাষ ও গান্ধির মধ্যে মতাদর্শগত মিল অমিল। এবং সুভাষ গান্ধিবাদী ছিলেন কিনা। সংক্ষেপে যার উপযুক্ত তথ্যও দিয়েছি। পিছনের পাতা গুলোয় গিয়ে দেখে নিন। আলোচনার বিষয় বস্তু সম্পর্কে এখনো আপনার কাছ থেকে সঠিক কাউন্টার পেলাম না। নিজের সুবিধা মত বিষয় বস্তু ঠিক করে নিলে হবে?
  • এলেবেলে | ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১১:৪৮558502
  • বইটাও পরেনি? পড়েনি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত