এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Dhuttor | ১৫ জুলাই ২০২৬ ১০:১৫557628
  • @ তরমুজ, আপনি ঠিকই বলেছেন যে বুদ্ধ প্রচারিত মতাদর্শ ধর্মে পরিনত হয়েছে। কারন তার পিছনে ধার্মিক শক্তি কাজ করেছিল। কিন্তু ফিজিক্স বা কেমিস্ট্রি বা ইকোনমিক্স ধর্মে পরিনত হয়নি l তবে এর পিছনে মূল কারণটা আমার মনে হয় যে, একটা মতাদর্শ ধর্মে পরিণত হবার পিছনে থাকে যে সেই মতাদর্শটা কতোটুকু popular mobilization করতে পেরেছে বা পারছে l বিশাল সংখ্যক মানুষকে মাঠে ঘাটে রাস্তায় নামাবার এবং দীর্ঘদিন ধরে আর্থসামাজিক আন্দোলন করাবার মতো mobilize করতে বিশেষ আবেগ প্রয়োজন যুক্তি নয় যেহেতু যুক্তিবান মানুষ সব দেশেই সব সমাজেই খুবই কম সব সময়ে l সেকারণেই কোনো মতাদর্শকে মানুষের মনে টিকে থাকতে গেলে তাকে লংটার্মে ধর্মই হতে হয় l মার্ক্সবাদ বা পরবর্তীকালে পলিটিক্যাল ইসলাম বা হিন্দুত্ব এই popular mobilization নামক কাজটি করতে সক্ষম l সর্বহারার সাম্রাজ্য বা বিশ্ব খিলাফত বা রামমন্দির হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সেই ধরণের আবেগ যা মানুষকে রাস্তায় নামতে এনকারেজ করে l অন্যদিকে নিউটন আইনস্টাইন ফ্রয়েড কেইন্স বা ডারউইনের তত্ত্ব থেকেই সাধারণ মানুষ দূরে থাকে যেহেতু এগুলো সহজে সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা অসম্ভব l মার্ক্সবাদকে আমি আরএসএসের মতোই একটা ধর্ম বলেই মনে করি যেহেতু তার ক্ষমতা আছে মানুষকে রাস্তায় নাম্বার জন্যে অনুপ্রাণিত করতে l এখানেই বৌদ্ধ ধর্মের মতোই একটা ধর্ম হয়ে উঠেছে মার্ক্সবাদ l
  • X | ১৫ জুলাই ২০২৬ ০২:৪১557627
  • সাধারণ ভাবে হিস্ট্রি বা ইকনমিক্সের টুল বা মেথড বা ফ্রেমওয়ার্কের আলোচনায় না গিয়ে বলি - আমার দেখা শর্টকামিং হচ্ছে এটা অনেকটাই গবেষকের পার্সপেক্টিভ বেসড। হিস্ট্রি তে তো কোন কথাই নেই- বিজয়ীই লেখে এবং এটা মোটামুটি মান‍্য। ইকনমিক্সের ক্ষেত্রে আমার মনে হয় মডেলিং এ কিছু জিনিস বাদ পড়েই - ফলে অনেকটাই হাইন্ডসাইট হিসেবে ভালো কাজ করে প্রেডিকশনের থেকে। তা ছাড়াও একটা স্থানীয় ভাবও থাকে। যেমন ইউ এস এ শিক্ষিত ইকনমিস্ট ও চাইনা য় শিক্ষিত ইকনমিস্ট একই ঘটনার বিপরীত ইন্টারপ্রিটেশন দেওয়া টা আশ্চর্য নয়। কিন্তু সায়েন্স এ এটা হয়না কখনো
     
    যেমন গ‍্যাসের ক্ষেত্রে বয়েলস্ ল বা থার্মোডায়নামিক্স এর ল অনেক বেশি রিলায়বল সাপ্লাই ডিমান্ড ল এর থেকে - কারণ সেখানে অন‍্যান‍্য ফ‍্যাক্টর অনেক থাকে
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ০২:০১557626
  • যে বিষয়গুলো সাধারন ভাবে সায়েন্স নামে পরিচিত সেগুলো মূলত পদার্থ বিদ্যা। কিন্তু সোসাল সায়েন্স হল সমাজ বিদ্যা। এবার কথা হল এত কিছু থাকতে সায়েন্স বা বিজ্ঞান শব্দটাই কেন ব্যবহার করা হয়? কারন বিজ্ঞান শব্দের মধ্যে যে গুণগুলি উপস্থিত। তার সমতুল্য অন্য কোনো সমার্থক শব্দ নেই। সুতরাং পদার্থ বিদ্যার মধ্যে যে যুক্তি ও গুণের উপস্থিতি রয়েছে। সেই একই মানের যুক্তি ও গুণকে সমাজ বিদ্যায় প্রয়োগ করার জন্য বিজ্ঞান শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বিষয়ের মেথডলজি, আউটপুট অবশ্যই আলাদা। কিন্তু গুণমান সমান। এজন্যই বিজ্ঞান।
  • X | ১৫ জুলাই ২০২৬ ০১:০৯557625
  • তরমুজের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত- আধুনিক বিজ্ঞান যুক্তি দিয়েই সব কিছু বুঝে নিতে শেখায় - সেটাই মূল শিক্ষা। অতীতে সায়েন্সের নামে চার্চ রাজত্ব করেছে এই যুক্তিতে সায়েন্স এর সঙ্গে সব কিছু তুলনা করে ঘেঁটে না ফেললেই মঙ্গল।
     
    সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা ফাইনান্সিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং যেমন প্রকৃত ইঞ্জিনিয়ারিং নয়, সোশাল সায়েন্স ও প্রকৃত অর্থে সায়েন্স নয় - কিন্তু তাতে ইকনমিক্সের বা ইতিহাসের গুরুত্ব কিছুই কমেনা
  • তরমুজ | ১৫ জুলাই ২০২৬ ০১:০৬557624
  • মার্কসবাদ বামপন্থা ও কুসংস্কারের মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে। এটা মার্কসবাদ বুঝতে না পারার কারনে হয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে এই নিয়ে একটা টই খুলেছিলাম।
     
  • . | ১৫ জুলাই ২০২৬ ০০:১০557623
  • বৈকুন্ঠ মল্লিক ফের টইয়ে আবির্ভূত হয়েছেন।
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২৩:৪৪557622
  • //আহা বেশ বেশ। এই সব শক্তির উৎস সম্পর্ক আর একটু শোনা যাবে?//
     
    যেমন সেক্স করতে একটা হরমোনাল ফোর্স লাগে।
     
    //মানে atheist রাও অন্ধভাবে কিছু ফলো করলে সেটা ধর্মের মতোই দাঁড়াবে//
     
    অবশ্যই, যখন বিষয়ের মধ্যে থেকে কার্য কারন সম্পর্ক হারিয়ে যাবে। তখনই সেটা অন্ধ বিশ্বাস বা ধর্মের আকারও নিতে পারে।
  • X | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩৬557621
  • মানে atheist রাও অন্ধভাবে কিছু ফলো করলে সেটা ধর্মের মতোই দাঁড়াবে
  • X | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩২557620
  • এা সাউথ পার্ক এ বেশ চমৎকার দেখিয়েছিল - বেশ একটা হীনজান মহাজান কনফ্লিক্ট টাইপ
  • বিশ্বাস ও যুক্তি | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩১557619
  • শক্তি সব করে রব
    আহা বেশ বেশ। এই সব শক্তির উৎস সম্পর্ক আর একটু শোনা যাবে?
    তার পরে নয় দেবাশিষ ভটচাযের টইতে ফের যাওয়া যাবে!
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২৩:১৯557618
  • যুক্তি চর্চা কেউ শুধু শুধু করে না। যুক্তিকে চালিত করার জন্য এক বা একাধিক চালিকা শক্তি বা ফোর্সের দরকার হয়। যেমন গাড়ি চালানোর জন্য তেলের দরকার হয়। সুতরাং কোন ধরনের শক্তি বিষয়টিকে চালনা করছে, সেটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বুদ্ধ ধর্মে পরিনত হয়েছে। কারন তার পিছনে ধার্মিক শক্তি কাজ করেছিল। কিন্তু ফিজিক্স বা কেমিস্ট্রি বা ইকোনমিক্স কি ধর্মে পরিনত হয়েছে? বিষয়টা শুনতেই তো বোকা বোকা লাগে। কারন এই সব বিষয়ের জন্য যে শক্তিগুলি কাজ করেছিল, তারা ধর্মীয় শক্তি ছিল না। তারা বৈজ্ঞানিক শক্তি ছিল। অন্যদিকে প্রাচীন ভারতে দেখা যাবে যে তৎকালীন গণিত, চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথেও জাগযজ্ঞ কল্পকথা জুড়ে একটা ধর্মীয় আবেশ দেওয়া হয়েছে। কালের গহ্বরে যার বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গী হারিয়ে গেছে। এবং পড়ে রয়েছে শুধুই ধর্ম।
  • বিশ্বাস ও যুক্তি | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২২:২২557617
  • দুনিয়াসুদ্ধ লোক বসে বসে যুক্তির চাষ করলে তো কথাই ছিলনা, সে চীনই হোক কি রাশিয়া বা কিউবা বা ভেনিজুয়েলা! জে কোন দেশের কত শতাংশ লোক যুক্তিচর্চা করে? বুদ্ধ তো যুক্তিচর্চাই করতেন, সেটা একটা organized religion হয়ে নানাবিধ মূর্তিটুর্তি ঢুকিয়ে মহাযান ইত্যাদি ঘটে গেল। আর মার্ক্সের তো দুশো বছরও হয় নি, বেঁচে থকলে উহাও ধর্মই হয়ে যাবে। 
    তাছাড়া, ক্যাপিটালিজমে যুক্তির অভাব আছে নাকি!  
    সাহিত্যে আবেগ থাকে বটে, মহৎ সাহিত্যে সেইটে minimise করে তার গভীরে যাবার যুক্তিবাদী চেষ্টা থাকে। সবচেয়ে বড় কথা, সাহিত্যে যা খুশী করা যায় বটে, তবুও নিয়ম থাকে তার, যুক্তিপরম্পরায় কাঠামো রাখতে হয়!  
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২১:৩০557616
  • ধর্ম মানুষের ব্রেইনওয়াশ করতে পারে। যুক্তিবাদ কী করে ব্রেইনওয়াস করবে? অন্ধ বিশ্বাস তো যুক্তির বিপরীতে।
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২১:২৮557615
  • নাহ
  • Dhuttor | ১৪ জুলাই ২০২৬ ২০:২১557614
  • @Dot, ধর্ম বলতে যে অর্থে আরএসএস নিজেদের হিন্দুত্ব কে ধর্ম মনে করে, মার্ক্সবাদীদের কাছে মার্ক্সবাদ কি সেরকম dhormo?
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১৮:১০557613
  • তসলিমা নাসরিন কোলকাতায় ফিরতে পারছেন - এটা সুসংবাদ
  • | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১২:৩৯557611
  • নির্মল ঘোষের ছেলেকে লটারির টিকিট বন্দুক দেখিয়ে জোরে করে আদায়ের কেসে জেলে পাঠিয়ে যারা আরজিকরের কেস সল্ভ করে ফেলে অনুগামীদের খুশী করে দিল, তারা ভাবছেন চিরতরে হকার উচ্ছেদ করে পঃবঃ কে সুনার বাংলা করবে ? লোককে তো একটু চুষিকাঠি দিতে হবে, তো লটারির টিকিটে কেস দেওয়া সেরকম ব্যাপার, যাক, জেলে তো গেল। কিছু ডিম ছোঁড়াছুঁড়ি হয়েছে, কিছু নাচা - গানা হয়েছে, অনুগামীরা তাতেই খুশী। নেতারাও জানে কোথায় কী ছড়াতে হয়।
  • | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১২:৩০557609
  • শ্যালদা চত্বরে তো সেই ভরা বাজার আবার বসে গেছে। ক'দিন আগে ফাঁকা করা হয়েছিল, তারপর দু-চারটে ফলের দোকান বসল, তারপর সেই পুরোন বাজার, সব্জী - জামা কাপড় - মোবাইল কভার - ব্যাগ ইত্যাদির বড় বাজার আবার বসে গেছে। তো নতুন রেটটেট নিশ্চয় ঠিক হয়েছে, সে পাবে, কারা দেবে সেসবের নতুন নিয়ম তৈরীর পরে সেই রেলের জমিতেই (যার জন্য রেলের এত লড়াই), লোকাল নেতাদের বদান্যতায় আবার পুরোন ব্যবস্থাই ফিরে এসেছে। কিছু গ্যালারি শো হল, সাপোর্টাররা খুশী হল, দেশী ও বিলিতিরা কলকাতা এবার সত্যি লণ্ডন হবে ভাবল, যারা প্ল্যান করে এসব করল, তারাও জানে কারা খুশী হবে, কাদের জন্য নতুন ব্যবস্থা করে দিতে হবে। সেক্টর ফাইভে তো সব দোকান ভাঙ্গেনি, কিছু দোকান তো ভাঙতেই পারবে না, মোটামুটি পার্মানেন্ট স্ট্রাকচার করা আছে, সেখানে দোকান থাকবে, কিছু তার বাইরেও অস্থায়ী হিসেবে ছিল, তাদের ভাঙ্গা হয়েছে বা বন্ধ রাখা হয়েছে, নিশ্চয় নতুন ব্যবস্থা হবে।
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৯557608
  • আমাদেরও ইন্সটিটিউটে যে বিষয়গুলো পড়েছি, যেমন: কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস, ফিলসফি (মার্কসীয় লেনিনীয়), পোলিটিকাল ইকনমি, এথিক্স, এস্থেটিক্স - সমস্তই বিজ্ঞান, অর্থাৎ সমাজবিজ্ঞানের বিষয়াদি।
    এর সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিষয়াদিও বিজ্ঞান বলেই পরিগণিত হতো। এমনকি গণিতকেও বিজ্ঞান হিসবে মান্য করা হতো।
  • X | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৪557607
  • সেক্টর ফাইভ এর ঝুপস্ এর পরে দক্ষিণেশ্বর স্কাই ওয়াক এও নাকি হকার উচ্ছেদ হয়েছে কাল কে? কোন মেন মিডিয়ায় আসছে কি?
  • Manali Moulik | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৮557606
  • পোলিটিক্যাল সায়েন্স যেমন একটি সোশাল সায়েন্সের বিষয়, ঠিক তেমনি অর্থেই বিজ্ঞান।
     
     
     
    ১০০ %। ইভেন এটা প্রমাণ করার জন‍্য প্রশ্নও আসতো স্কুল লেভেলে। সমাজবিজ্ঞানও বিভিন্ন পরীক্ষাভিত্তিক পদ্ধতি ও চিন্তার দ্বারা এগোয়। তবে জিনিস হচ্ছে এর কেন্দ্রীয় একক অর্থাৎ মানুষ প্রতিনিয়ত অনির্দিষ্ট ও পরিবর্তনশীল। এটার জন‍্য তার সঙ্গে included institutions সবই একটা বিশাল ব‍্যাপ্তি নিয়ে বিরাজ করে। ঐগুলো বিচার্য।
     
    বাই দ‍্য ওয়ে, আমি অনিদ্রায় আক্রান্ত হয়েচি।
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১১:২৬557605
  • Dhuttor | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০৫:৫২

    আমার খ্যাঁদা নাকটাই গলাই। ধর্ম বলতে আপনি কী বলতে চাচ্ছেন? ঈশ্বর সংক্রান্ত ধর্ম, নাকি অন্য ধর্ম (যেমন "পদার্থের ধর্ম কী কী?" গোছের)?
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১১:২০557604
  • পোলিটিক্যাল সায়েন্স যেমন একটি সোশাল সায়েন্সের বিষয়, ঠিক তেমনি অর্থেই বিজ্ঞান।

    পশ্চিমবঙ্গের সিপুয়েম পার্টিরা যেখানে ক্লাস নেয়, সেখানে কারা পড়ায় এবং তা থেকে কারা শেখে এবং কী শেখে সেসব নিয়ে যত কম আলোচনা করা যায়, ততই মঙ্গল।

    সেই হিসেবে ইতিহাসও বিজ্ঞান অর্থাৎ সমাজ বিজ্ঞানের অঙ্গ।

    কিন্তু নাক সিঁটকোনো "সায়েন্সের" ছাত্রছাত্রীদের কাছে বিজ্ঞান মানে শুধুই ফিজিক্স কেমিস্ট্রি লাইফ-সায়েন্স ভূগোল ইকোনমিক্স ইত্যাদি। সমাজ বিজ্ঞান নৈব নৈব চ।
  • . | ১৪ জুলাই ২০২৬ ১১:১২557603
  • সমাজ বিজ্ঞান
  • Wissenschaftlich Sozialismus | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০৮:২১557602
  • মার্ক্স নিজেই wissenschaftlich sozialismus শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেছেন। যদিও এর অর্থ ঠিক ন্যাচারাল সায়েন্স অর্থে নয়।
     
    The distinction between Utopian and scientific socialism originated with Marx, who criticized the Utopian characteristics of French socialism and English and Scottish political economy. Engels later argued that Utopian socialists failed to recognize why it was that socialism arose in the historical context that it did, that it arose as a response to new social contradictions of a new mode of production, i.e. capitalism. In recognizing the nature of socialism as the resolution of this contradiction and applying a thorough scientific understanding of capitalism, Engels asserted that socialism had broken free from a primitive state and become a science.
     
    ১৮৮০ সালে এংগেলস এই বইখানা লেখেন।
     
  • Dhuttor | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০৫:৫২557601
  • @ তরমুজ / মানালী, আচ্ছা মার্ক্সবাদ কি একই সঙ্গে একটা ধর্ম এবং বিজ্ঞান হতে পারে ? মানে ধরুন ৬০ ভাগ ধর্ম এবং বাকিটা বিজ্ঞান l এরকম হতে পারে কি ?
  • তরমুজ | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০১:০৪557600
  • সময়ও কার্য কারন সম্পর্কের বাইরে নয়। অর্থাৎ সময় কার্য কারন সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। এবং বিশেষ কার্য কারন সম্পর্ক সময়কে প্রভাবিত করতে পারে।
  • Manali Moulik | ১৪ জুলাই ২০২৬ ০০:৪৮557599
  • কিন্তু কার্য কারন সেভাবে থাকে না
     
    একেবারেই। কিন্তু কার্যকারণ সম্পর্ক সময়ের সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। তাই স্লেভ সোসাইটির সমাজের একটা কার্যকারণ সম্পর্কের সঙ্গে আজকের Speculation based society আলাদা। সেটা বুঝতেই হবে ও সেইভাবে মার্কসিসমের প্রয়োগ করতে হবে। নাহলে ওই প্রেডিকশন থেকেই যাবে। ঠাকুরের সেই কথাটার মতো, "পাঁজিতে লিখেছে অমুক তিথিতে এতো জল হবে, কিন্তু পাঁজি নিঙড়ে ক ফোঁটা জল পাবে?"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত