আজকের আনন্দবাজার থেকে পশ্চিমবঙ্গের খবরগুলো: ১) বার্ধক্য ভাতা বাড়ছে! ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দিচ্ছে নতুন সরকার, একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত
রাজ্যে বার্ধক্য ভাতা আগে থেকেই চালু ছিল। আগের সরকারের আমলে ষাটোর্ধ্বরা ভাতা হিসাবে মাসে ১০০০ টাকা করে পেতেন। ক্ষমতায় এসে নতুন সরকার তা বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
২) পুরসভা এলাকাগুলিতে বসছে শুভেন্দুর সরকারের ‘চোখ’! কাজকর্মে চলবে নজরদারি
৩) দুর্নীতিতে যুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য রাজ্যের অনুমতি আর নিতে হবে না সিবিআইকে, ছাড়পত্র শুভেন্দুর
৪) মাছে-ভাতে বিজেপি! শপথ নিতে যাওয়া বিধায়কদের মধ্যাহ্নভোজে ষোলোআনা বাঙালিয়ানা, উদ্যোক্তা প্রোটেম স্পিকার তাপস
৫) গ্রেফতার বরাহনগরের তৃণমূল কাউন্সিলর! ভাড়াটে সমস্যা মেটানোর নামে তোলাবাজি করার অভিযোগ
৬) অনুমোদনহীন সব টোল গেট বন্ধ করতে হবে, আর টাকা তোলা যাবে না সেখানে! নির্দেশিকা জারি করল শুভেন্দুর সরকার
৭) শান্তনুকে পাঠাতে আর্জি! ইডির চিঠি নিরাপত্তা নির্দেশনালয়কে, পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি হয়েছিল আগেই
৮) কলকাতায় বৈঠক তৃণমূলের একাধিক ‘বেসুরো’ বিধায়কের, দলের নির্দেশের চেয়ে প্রাধান্য পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপের
৯) বিধায়কসংখ্যা ২০৮ করার লক্ষ্য নিয়ে তৎপরতা বাড়াল বিজেপি, দিনভর ঠাসা কর্মসূচি সেরে পার্টি অফিসে ফলতা-বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী
১০) রাজ্য প্রশাসনে বড় রদবদলের সঙ্গে ছাঁটাই, চুক্তিভিত্তিক এবং পুনর্নিযুক্ত পদাধিকারীর মেয়াদ শেষ করে কড়া বার্তা প্রশাসনের
১১) প্রোটেম স্পিকার হিসাবে শপথ নিলেন তাপস! বিধানসভায় বিধায়কদের শপথগ্রহণের পর স্পিকার নির্বাচন হবে শুক্রবার
১২) ‘বুলডোজ়ার নয়’, আন্দোলনে বাম
১৩) নীল-সাদার কলকাতা বদলাচ্ছে রং! মহাকরণ, নবান্নের পরে এ বার গেরুয়া আলোয় সাজানো হল বিধানসভা
১৪) গরু পাচারের চেষ্টা! একই দিনে রাজ্যের দুই জেলায় গ্রেফতার মোট ছয়, আটক এক গাড়িচালক
এখানে যারা গেল-গেল রব তুলছেন, তাঁরা একটু বুঝিয়ে বলবেন এর মধ্যে কোনটা খারাপ? ১৩ বাদ দিয়ে। আমরা ছাপোষা সাধারণ মানুষ নীল-সাদাও পছন্দ করিনি, গেরুয়াও করছিনা। কিন্তু যাঁরা নীল-সাদাকে মমতার আপন খেয়াল হিসেবে দেখেছিলেন, তাঁদের গেরুয়া নিয়ে বলার মুখ কোথায়? বাকি খবরগুলোয় শুধু দেখছি দুর্নীতিহীন গুড গভর্নেন্সের প্রচেষ্টা। এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে একটা জনমুখী শিল্পমুখী সরকার এল যারা জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কোনো সেন্টিমেন্টাল পলিটিক্স খেলছে না। হিন্দু-মুসলমান ভেদাভেদ করে পাইয়ে দেবার রাজনীতি করছে না। নিজেদের দলের লোককে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে সরকার এবং পার্টি পৃথক রাখবার জন্য। তাহলে বিজেপিকে নিয়ে যেসব ভয়ংকর জুজু দেখিয়েছিলেন আপনারা, তার জন্য ক্ষমা চাইবেন তো পাবলিকের কাছে?