"সাগর নদী কতো দেখেছি দেশ আর পাহাড়ে সোনালী কতো সূর্যোদয় আমি দেখেছি দ্বীপ কতো অন্তরীপ আর নিশীথ রাত্রি বনে চন্দ্রোদয় তবু ভরে না মন, তবু ভরে না মন কি করে বোঝাবো যা দেখে নয়ন সব সেরার দেশ আনে হৃদয় রেশ আহা জন্মভূমি এই আমার দেশ . " গুরুচন্ডালির এক আগন্তুক বন্ধু লেখার মন্তব্যে জানিয়েছিলেন এই গান টি ..... মৃত্যুর সাহস টা রেখো . ঘাসপাতা দিয়ে তিলে তিলে বুনেছো এই পৃথিবী . মৃত্যুর সাহস টা রেখো . তোমার শোনি তে ও মজ্জায় কোটি কোটি অঙ্গীকারের ভীড় .তাই মৃত্যুর সাহস টা রেখে এই পৃথিবী ছেড়ে যেও . ( এই লাইন ক 'টি এই অধমের লেখা, এর বেশি আর মস্তিষ্কপ্রসূত হয়নি, অনেকটা ওই ... ...
ব্যাঞ্জোর স্ট্রামিং এ ঘুম ভেঙে যায় এক রোববার . মন আনন্দে ভরে ওঠে . বিছানা ছেড়ে আওয়াজের দিক নির্ণয় করতে করতে টেপ রেকর্ডার এর পাশে গিয়ে বসি . রেকর্ডারে তখন বাজছে Oh, Susanna Don't you cry for me I come from Alabama With a banjo on my knee বাবা বলে এক কাপ কফি হয়ে যাক তাহলে আর বাবা এবং কফি সহযোগে চলতে থাকে Where have all the flowers gone ? Long time passing .Where have all the flowers gone ? Long time ago . Where have all the flowers gone? The girls have picked them everyone. Oh, When will you ever learn? Oh, When will you ever learn? সেই রোববার দুপুরে সুমন - অঞ্জন ... ...
বিকেলের ট্রেনে করে ফিরছিলাম .. বাইরে ভেজা ভেজা বৃষ্টি, জোলো ধূসর আকাশ। ।.... হালকা ঠান্ডা হাওয়া। ....ট্রেন মোটামুটি ফাঁকাই। ...আমিও বরাতজোরে জানালার ধার পেয়ে গেলাম . বোঝাই যাচ্ছে মঞ্চ কিভাবে প্রস্তুত। ...এবার "আসা-যাওয়ার পথে " playlist থেকে ( আমার ট্রেন জার্নির playlist) প্রিয় প্রিয় গানগুলো মঞ্চস্থ হলেই হয়। ...সম্প্রতি "আসা - যাওয়ার পথে " গানের তালিকায় নতুন এক গানের সংযোজন হয়েছে - Kolkata farewell। ...সেদিন সেই গানটাই শুনলাম প্রথমে - মৃদুমন্দ ইউকেলিলির তালে তালে আমিও বেরোলাম ঘর ছেড়ে আর অভিমানী পিছুটান মুখ লুকায় এই বিষাদ স্নান কোন স্রোতের টান শুনতে চায় ঘরে ফেরার গান এতো মায়া মাখা গলা। ...এতো আলতো আদরে গাওয়া গান। ....কি যে ভালো ... ...
আজ সকালে সৈকতবাবুর কণ্ঠে ও আলোর পথযাত্রী গানটা শুনছিলাম, জানি না কেনো এই গানটা শুনলেই কেঁদে ফেলি। ....... তারপর আরো দুটো গান শুনলাম - কারার এই লৌহকপাট, আর যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে। ও আলোর পথযাত্রী, আর, একলা চলো রে আমার বরাবরের জ্বালানি। আমাকে আবার উঠে দাঁড় করায় এই গানগুলোই। Dekhun, কি অদ্ভুত, আজ আর ডেনভার, গিটার, বাঁশি কিছুই শুনতে ইচ্ছে ... ...
পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথচলা আজ সারাদিন ধরে কালক্যাটা ইয়ুথ কোয়ারের গান গুলো শুনেছি। ....আজ সারাদিন ধরে বৃষ্টি পড়েছে কম বেশি; অন্য দিন হলে সেতার, সুমন, Celine Dion এইসব বেজে চলতো কাজের সঙ্গে সঙ্গে। .....হ্যাঁ তবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যেতে যেতে একলা পথে, যেকোনো বৃষ্টির দিনে আমার বরাবরের প্রিয়। .....আজও শুনেছি। ...অনেকবার শুনেছি। .....শ্রীকান্ত আচার্য্যর কণ্ঠে। .....আর বারবার মনে হয়েছে বৃষ্টিস্নাতা হয়ে আমিও একবার ওদের ভিড়ে দাঁড়াই। ....ওই যারা বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে পুলিশের মার খেয়েছে। ...আর বলেছে : 'মারো স্যার অউর মারো '। .....এমন অদম্য সাহসের এক কণাও আমার নেই . আজ সারা দেশ " নুতন যৌবনেরই দূত "। ।....এই ... ...
গান শোনার বিষয়ে আমরা প্রত্যেকেই খুব স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল। কোনো কোনো সময় এমন হয় খুব প্রিয় গানগুলোই যেনো শুনতে মন চায় না। কারণ চারপাশ টা সেই গানগুলোর একেবারেই প্রতিকূলে সেই মুহূর্তে। তখন খুব না প্রিয় কোনো গান অদ্ভুত ভাবে মানিয়ে যায় চারপাশের সঙ্গে। তার মানে কি গান মন ঠিক করে নাকি মন গান ঠিক করে ? এ এক অদ্ভুত হেঁয়ালী, এক অদ্ভুত ধাঁধা। আমার আজকের বিষয়বস্তু এই ; কোনো আঘাত বা অভিযোগ নয় ; একান্ত ব্যক্তিগত কিছু ভালো লাগা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া - বরং হয়ে যাক না এক নির্ভেজাল আড্ডা, আমার এই লেখার হাত ধরেই, আমার বড় ... ...
লেখাটার পিছনে কোনো লেখাপড়া নেই . সস্তার "emotional writing" . ফাঁকিবাজির " emotional writing" . হ্যাঁ, তবে কারুর জন্যে কষ্ট পাওয়া আছে . তাদের জন্যে কষ্ট পেয়ে নিজে শান্তি তে না থাকতে পারা আছে . Empathy ? হয়তো নেই . আবার, হয়তো আছে . চোখের সামনে আমার ছোট্টো মফস্বলএর চেহারা পাল্টে গেলো রাতারাতি . প্ল্যাটফর্মের উপর আমার প্রিয় আমের চপ আর ফুলুরির দোকান টা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলো . থানকুনি পাতা আর কলমী শাক নিয়ে বসতো যে দিদি ( তার অবিশ্যি স্যারের খাতায় আগেই নাম কেটে গিয়েছে ) কোন অন্ধকারে যেন চাপা পড়ে গেলো . ওই কান চাপলে যেমন গোঙানির আওয়াজ শোনা যায়না ।....ঠিক সেইরকম। .....একনম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে নেমেই অনিলদার কচুরির দোকান . গুমটি দোকান তবে অমন কচুরী আর ছোলার ডাল ত্রিভুবনে মিলবে না . না, আর কোনোদিনই মিলবে না . অনিলদার পেট চলবে কিভাবে আমি জানিনা . সন্ধ্যেবেলায় অনিলদার হাতের বেগুনি খেতে খেতে বলেছিলাম তোমায় নিয়ে লিখবো . অনিল দা বলেছিলো ওসব করলে আর কচুরি দেবো না . দারুন পরিহাস ! শুধু মাটির উনোন টা রেখে বাকিটুকু সব দুমড়েমুচড়ে দিলো . টিকিট কাউন্টার এর কোনাকুনি লেবুর সরবতের দোকান . গরমের দুপুরে দশ টাকায় অমৃতপান . এগুলোই জীবন। .বিশ্বাস করুন। ...গুমটি দোকানের ডিমটোস্ট। ....তার আলাদাই স্বাদ ..... পান বিড়ি সিগারেটের ... ...
Whatever is against the establishment I instantly fall in love with it. I cannot help it. এটি আমার মুদ্রাদোষ বলতে পারেন। স্রোতের প্রতিকূলে যা তা আমার বড়ই সুস্বাদু লাগে। এই সময়ে রাষ্ট্র-কর্পোরেট-মিডিয়ার ত্রিবেণী সঙ্গমে গড়ে ওঠা রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে 'বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ' নাটকটি বেশ জোরালো এক কণ্ঠস্বর বলে মনে হয়েছে। মূলতঃ কমরেড চারু মজুমদারের রাজনৈতিক জীবন, নক্সালবাড়ি আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলন, তাঁর আদর্শে নতুন করে ... ...
এই সেদিনের কথা। পাশের পাড়ায় সমুদ্র দেখতে গিয়েছিলাম। চোখের সামনে একখানা সমুদ্র হলেই হলো আমার, সে নীল, সবুজ, ধূসর যাই হোক না কেনো। ঘন নীল সমুদ্র আমি দেখিনি যদিও। সমুদ্রের ওই প্রবাহমান ব্যাপ্তিই বড়ো অমোঘভাবে টানে আমায়। তবে আমার মতো বাঙালী কম রয়েছে এ আমি হলফ করে কইতে পারি। আর গড়পরতা বাঙালী যা ভাবমূর্তি তৈরী করে রেখেছে বহির্জগতে সে আর কি বলি। সমুদ্রের পাড়ে পা ভিজিয়ে আমি আর আমার পুত্র স্থির করলাম খানিক নেয়ে ... ...
" আমার কত কি করার ছিল যে আমি কত কি পারি নি হতে সেই কথাটাই আজও মনেরই ভেতরে গুমরে গুমরে গুমরে মরে " ২০১৪ কি ২০১৫ হবে।.... হঠাৎ ইচ্ছে হলো ইয়ুনিভার্সিটির বন্ধুরা মিলে ম্যাগাজিন বের করবো।... অতঃপর শুরু হয়ে গেলো বাবাকে উৎপাত করা।.... কারণ আমার ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো সেইই।.... প্রেস, বিজ্ঞাপন সব বাবাই বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলো।..... আমরা অকালকুষ্মান্ড ধেড়েরা কিছুই করে উঠতে পারি নি।... শুধু খানিক হাবজি-গাবজী লেখা ছাড়া।... আর একটু আধটু "প্রুফ-রিড"। .... ৬টা এডিশন বের করতে পেরেছিলাম।.. শেষটায় বেশ ... ...