এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হে হে | 2a0b:f4c2::***:*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২১:১৫549712
  • এই দাঁত না মাজা পোঁদ না ধোয়া গিদ্ধড় আবার এসেছিস? কেন রে সায়েবরা গাঁড়ে লাথ মেরেছে বুজি?
  • Manali Moulik | ১০ মার্চ ২০২৬ ২১:১৩549711
  • নানারকম ঝড়তি পড়তি সবজি কুচি কুচি করে কেটে অতি সামান্য তেল নুন হলুদ যাকে বলে নামমাত্র মশলায় নিবু নিবু আঁচে ধীরে ধীরে বাটিচচ্চড়ি নামের এক অসাধারণ খাবার তৈরী হত।
     
     
    বিভূতিভূষণের অসাধারণ গল্প  -  "বাটিচচ্চড়ি"
  • Manali Moulik | ১০ মার্চ ২০২৬ ২১:১২549710
  • &/ হ‍্যাঁ, কন্টিনেন্টাল ফুডের অধিকাংশটাই তাই। স্প্রিং রোল, ভেজ চাউমিনে স্পিনাজ খেতে আমার দারুণ লাগে ! 
  • &/ | 151.14.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২১:১১549709
  • নানারকম ঝড়তি পড়তি সবজি কুচি কুচি করে কেটে অতি সামান্য তেল নুন হলুদ যাকে বলে নামমাত্র মশলায় নিবু নিবু আঁচে ধীরে ধীরে বাটিচচ্চড়ি নামের এক অসাধারণ খাবার তৈরী হত।
  • &/ | 151.14.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২১:০৬549708
  • অনেকে নিরামিষ খাবারকে শাকপাতা ঘাস কচু ঘেঁচু ইত্যাদি বলে নাক সিঁটকাতেন, কিন্তু নতুন নতুন গবেষণায় যখন এইসবের খুব উপকারিতা দেখা গেল, তখন ধনী লোকজন হুলিয়ে এইসব খেতে শুরু করে দিলেন। ঃ-)
  • | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:৫৭549707
  • ওহে  ass(২০.৩৯) একটু ইঞ্জিরি শিকে ফ্যালো। এমন কিস্যু কঠিন নয়। শিকে ইউরোপিয়ান আম্রিকানদের সাথে আড্ডা মারো গে। কদিন আর এখানে উঞ্ছবৃত্তি করে কাটাবে?  এক চামচে মনোযোগের জন্য এমন লেউলেউ ভিখিরিপনা দেখলেও গা ঘিনঘিন করে। 
  • $ | 40.16.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:৩৯549705
  • এহে, বাঙাল মোট্টে সহ্য করতে পারিনা। ইউরোপের যেকোনো দেশে বাঙালরা চোরছ্যাঁচোড় হিসেবে পরিচিত। আমেরিকায় কম, তাও নিউ জার্সিকে থার্ড ওয়ার্ল্ড বানিয়ে ছেড়েছে। যেখানে যাবে, এন্ডিগেন্ডি নিয়ে গেড়ে বসবে। মোস্ট আনসিভিলাইজড গ্রূপ।
  • | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:৩৭549704
  • ও ডাল। ডাল খাওয়া নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে বিলাসিতা ছিল। বাড়িতে শুনেছি মুনিষ মাহিন্দররা ডাল খেত চেয়ে চেয়ে। কারণ খালে বিলে মাছ অপর্যাপ্ত,  সেসব খেয়েই থাকে। কিন্তু ডাল দামী জিনিষ, বাড়িতে নিয়মিত  খাওয়া সম্ভব ছিল না।  মা বলে সেই ব্যপারটা বুঝতে পারে উদ্বাস্তু হয়ে আসার পরে প্রথম দু তিনবছর যখন বেশ টালমাটাল অবস্থা ছিল। 
  • dc | 2401:4900:4dde:8a89:1cc:8d3c:243e:***:*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:৩৩549703
  • আমার মা অসাধারন ভালো কাঁচকলার খোসাবাটা বানায়। ভাত দিয়ে মেখে খাই, ঝাল ঝাল খেতে হয় :-)
  • r2h | 165.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:২৪549702
  • শাকপাতা খাওয়ার অভ্যাসের সঙ্গে আয়ুর্বেদচর্চারও বোধহয় কিছু যোগাযোগ আছে।
  • | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:১৯549701
  • বাঙালবাড়ির দ্বিতীয় প্রজন্ম here
    হ্যাঁ অনেক খাবারই দেশেভাগের আগেও মোটামুটি অবস্থাপন্ন বাড়িতেও হত। যেমন আলুর  খোসাভাজা, লাউয়ের খোসাভাজা যেটা বাকলাভাজা নামে পরিচিত। এই বাকলাভাজা শ্রাদ্ধবাড়ির অত্যাবশ্যক পদ ছিল কিশোরগঞ্জে বলে শুনেছি। প্রায় সব রকম তরকারির খোসাবাটা,  যেটা এখন ভর্তা বলে চেনে লোকে। এছাড়া  হিন্দু বিধবাদের কঠোর বৈধব্যপালনের জন্যও খাদ্য বৈচিত্র‍্য বাড়াতে বিভিন্ন তরকারির প্রায় কোন অংশই ফেলা হত না। মোচার ঘটভাজা (রেসিপি আমিই দিয়েছিলাম গুরুতে) এরকম একটা পদ। মোচা ছাড়িয়ে নেবার পরে তলায় যে ঘটের মত অংশ থাকে সেটা দিয়ে ভাজা। কাঁঠালবীচির ডাল, ভাজা ইত্যাদি ছাড়াও কাঁঠালবীচির কোপ্তাকারি। ওলকপি বা  ফুলকপির ডাঁটা আর পাতার চচ্চড়ি,  থোড়ের নানা পদ ইত্যাদি।  মানকচুবাটা, পটলের খোসা বাটা, ঝিঙের খোসাবাটা এগুলো সবই প্রচলিত ছিল। 
     
    দেশভাগের আগে বাঙালি আরো দুটো বিপর্যয় পেরিয়েছে। ৪৩এর মন্বন্তর আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ জনিত কন্ট্রোল ইত্যাদি। এই দুটো আসলে একটাই, Ww2রই এফেক্ট। যাই হোক তার থেকেও কিছু অভ্যাস এসেছে। যেমন আমার মা বড়মাইমা, সেজমাইমারা  যতদিন বেঁচে ছিল ভাত বানাবার আগে চাল নিয়ে একমুঠো চাল তুলে অন্য কৌটোয় রাখা হত। এটা মন্বন্তরের সময়কার অভ্যাস। দিদার থেকে প্রজন্মান্তরে মা বড়মাইমারাও পালন করে গেছে।
     
    এছাড়া নদীবহুল পূর্ববঙ্গে বেশ কিছু অঞ্চলে বর্ষা থেকে প্রায় শীত অবধি জল জমে থাকত।  ভাটির দেশ বলে এই জায়গাগুলোতে একঘর থেকে অন্য ঘরে যেতেও নৌকো লাগত। এবং এই সময় তরি তরকারি খুব কিছু পাওয়া যেত না। তাই যতটুকু যা পাওয়া যেত তার সবটুকু কাজে লাগানোর চেষ্টা থাকত। 
     
    শুঁটকি মোটামুটি যত জায়গায় অপর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যায় সেই সব জায়গাতেই শুকিয়ে রাখার চল আছে। মহারাষ্ট্রে মালভন উপকূলে  শুঁটকি খুবই জনপ্রিয়। পুণেতে আমি চিংড়ি,  আঞ্চোভির আচার আর শুঁটকি দুইই দেখেছি দোকানে। লটে অর্থাৎ বম্বে ডাক তো খুবই জনপ্রিয়। ভাজা স্ন্যাক্স হিসেবে দিব্বি জনপ্রিয়। আমি বাঙাল রেসিপিতে লইট্যার চচ্চড়ি করে নিয়ে গেছিলাম। সহকির্মীরা পারলে টিফিন বাক্সটাও কামড়ে খেয়ে ফেলত এমন অবস্থা। 
     
    দেশভাগের সময় উদ্বাস্তু মানুষ  তাদের রন্ধননৈপুণ্যকে আরো ধারালো করে তুলেছে বা তুলতে বাধ্য হয়েছে। 
     
    আর বাঙাল রান্নার জন্য স্মৃতি ভদ্রের রসুইঘরের রোয়াক রেফার করতে পারেন। 
  • kk | 2607:fb91:4c1f:10de:45a8:b5c8:a8a6:***:*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:১৭549700
  • খাবার দাবারের শিল্পকলা কোথায় চলে গেছে আর আপনারা এখনও বাঙাল ভালো না ঘটি ভালো সেই নিয়ে পড়ে আছেন?!! ফুড স্ক্র্যাপ দিয়ে, সবচেয়ে ঝড়তি পড়তি সব্জি দিয়ে কোন লেভেলের খাবার বানানো যায় তা না দেখলে বিশ্বাস হয়না। খাবারের মত জিনিষকে যারা "এটা তো ঐ ওরা খায়" বলে লেবেল করেন বা সরিয়ে রাখেন তাঁরা কত কিছু যে মিস করছেন!
  • :/ | 148.113.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ২০:০৫549699
  • Ekak | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৫:০৭549681
    আরেকটা কথা বলে যাই সিভিলাইজেশনের প্রশ্ন যখন উটলোই , বাঙালরা সভ্যতার নিরিখে ইহুদিদের পরেই। মানে আর কেও মাঝখানে আসবেনা।
     
    নাঃ, কথাটা সত্যি হতো যদি বাঙালরা একটু শুকনো জমি পেত। জোলো আবহাওয়ায় থেকে থেকে ওদের ইন্টেলেক্টে সর্দি হয়ে গেল। নইলে ইহুদিদের পিছনে ফেলে দিত।
  • r2h | 165.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৯:২৫549698
  • ইশ ছি ছি বইয়ের নাম ভুল লিখেছি বারবার। মায়ের না, মা'র।
  • r2h | 165.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৯:২২549696
    • Manali Moulik | ১০ মার্চ ২০২৬ ১১:৫৪
    • ... মানে ১৯৪৭ সালের আগে কি যশোর, খুলনা বা মৈমনসিংহের কোনো সম্ভ্রান্ত বাড়িতে এসব রান্না হতো? 
     
    খানিকটা ঐ জন্যই আমার মায়ের বাপের বাড়ি ইত্যাদি। সবকিছু খাদ্যাভাবের ওপর চাপিয়ে দিলে চলবে? গরীব লোক চিরকালই গরীব, সে পূব হোক আর পশ্চিম। এই যে দেশভাগে উদ্বাস্তুর ঢল - যাদের তখনও রমরমা জমিদারি ইত্যাদি ছিল, এবং তাঁদের মধ্যে যাঁরা হাওয়া বুঝেছিলেন, তাঁরা আস্তে আস্তে বিষয় সম্পত্তির বিলিব্যবস্থা করছিলেন, আর অবিভক্ত বাংলায় বড়লোকেদের ব্যবসা ও সম্পত্তিও ব্যাপক ডাইভার্সিফাইড ছিল। গড়পারের রায় বা জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িও কিন্তু সেই পূর্ববঙ্গের জমিদার। তো ঐ দক্ষিন কলকাতার আলোকজ্জ্বলের অনেকটা কিন্তু তারা। কলকাতার দক্ষিনতম প্রান্তে পাড়া দেখেছি যেখানে দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গের জমিদার পরিবার গ্রামকে গ্রাম তুলে এনে প্রজা বসিয়েছেন। প্রজাবৎসল বলেই, কারন ঐ করে তো আর জমিদারি আয় হবে না, মানুষের দুর্দশায় ইত্যাদি। কিন্তু সেসব বিষয় সম্পত্তি যে একেবারে ছিল না তা না। পেশাজীবি, এবং ভূমিহীন নিম্নবিত্তরা কেসটা খেয়েছে সবচে বেশি। আবার এইসব প্রসঙ্গে এলেই দময়ন্তীদির সিজনস অব বিট্রেয়ালে গোবর দিয়ে দাওয়া নিকনোর অংশটা মনে পড়ে। হ্যাঁ তার পরেও বিপুল লড়াই, আজ যে লোকে বাঙালী ঐক্য বলে হেদিয়ে যায়, এইটা আমার এমন হাস্যকর লাগে, ফুটপাথে গ্রামের লোকের অভুক্ত মৃতদেহ পেরিয়ে কলকাতার লোক ফার্পোতে সাত কোর্সের লাঞ্চ খেতে গেছে, পূর্ববঙ্গীয় উদ্বাস্তু মানুষকে নিয়ে ছড়া বেঁধেছে, পিঠে কাঁটাতারের দাগ বলে কুৎসিত রসিকতা করেছে, বাঙালী ঐক্য!
    যাগ্গে এটা অপ্রাসঙ্গিক হল।

    তো ঐ মানালির কথা প্রসঙ্গে, কিছুদিন আগে পর্যন্তও যেমন পান্তা ভাত শুঁটকি মাছ এগুলি নিতান্ত ইউটিলিটি খাবার ছ্ল, কোন পালা পার্বন উৎসব অনুষ্ঠানে সঙ্গতি আছে এমন লোক এগুলি খাওয়ার কথা ভাবতো না। এখন সেগুলি বেশ একটা মূলস্রোতে এসেছে- সে খুবই ভালো কথা, কিন্তু ব্যাপারটা খুবই রিসেন্ট।
  • কৌতূহলী | 115.187.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫৮549695
  • তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী গানটার ইংলিশ লিরিকটা পেতে কেউ সাহায্য করবেন প্লিজ? আমার খুব দরকার। গুগল সার্চ করলে অন্য লিরিক আসছে। 
  • Anindya Rakshit | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৮:০১549694
  • @ রমিত চট্টোপাধ্যায়
    অম্বুরি তামাক কথাটাও সম্ভবত অ্যাম্বারগ্রিস থেকে এসেছে। 
  • Manali Moulik | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৮549693
  • এম্বারগ্রিস নামে 'ফ্লোটিং গোল্ড'। যখন ফ্রেশ অবস্থায় থাকে ডার্ক কালারের হয়, পুরোনো হয়ে জমে গেলে একটা কমপ্লেক্স সামুদ্রিক ও মিঠে গন্ধযুক্ত হয়। আসলে স্কুইড হজর করার এনজাইম এইটে। তিমির অন্ত্রে হয়। অনেক দেশ অবশ‍্য তিমি রক্ষার স্বার্থে কেনাবেচা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে এটার।
  • dc | 2a09:bac2:3f47:11c3::1c5:***:*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৭549692
  • বি ঠিকই বলেছেন, পোস্ট করার পর আমারও মনে হয়েছিল। সরি চাই :-)
  • b | 14.139.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৭:৪৫549691
  • আহা তিমি মাছের বমি একটা কথার কথা। আপনেরা জাগতিক সব কিছুতেই একেবারে আনন্দমেলার দশম শ্রেণীর ফার্স্ট বয় হলে তো ভাট বকাই মুশ্কিল। 
  • dc | 2401:4900:4dde:8a89:1cc:8d3c:243e:***:*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৬:৪৮549690
  • এতো সব খাবারের কথা পড়ে আমার আবার মনে পড়ে গেলঃ নিঝুম নিশুত রাতে একা শুয়ে তেতালাতে, খালি খালি খিদে কেন পায় রে? 
  • Manali Moulik | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩২549689
  • প‍্যাট চ‍্যাপমানের ফুড হিষ্ট্রি নিয়ে গবেষণা বেশ বিখ‍্যাত। যেমন দুগ্ধজাত খাবারের চলটা মেসোপটেমিয়ানদের থেকেই এলো। ওরা বুঝেছিলো, একটা গবাদি পশু তার লাইফটাইমে যে দুধ উৎপন্ন করে ও তার থেকে যা ক‍্যালোরি পাওয়া যায়, ওটাকে মেরে মাংস খেলে পাবে তার চারভাগের একভাগ। এছাড়া চিত্রিতা ব‍্য‍‍ানার্জীর Life an food in Bengal, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ‍্যায়ের 'ভারতবাসীর আহার'  এগুলো বেশ ভালো বই। ফুড হিষ্ট্রির তো একটা শাখাই আছে সোশিওলজিতে। স্থান ও আবহাওয়াভেদে খাদ‍্যের পরিবর্তন নিয়ে। ও হ‍্যাঁ, বিজয় গুপ্তের মনসামঙ্গলে একটা পার্ট পাচ্ছি রান্নাবান্নার, বলতে ভুলে গেছিলাম।
     
    অনেকদিন পরে রান্ধে মনের হরিষ
    ষোল ব‍্যঞ্জন রান্ধিল নিরামিষ।।
    প্রথমে পূজিল অগ্নি দিয়ে ঘৃত ধূপ।।
    নারিকেল কোরা দিয়া রান্ধে মুসুরির সুপ।
    পাটায় ছেঁচিয়া নেয় পোলতার পাতা।
    বেগুন দিয়া রান্ধে ধনিয়া পোলতা
    জ্বরপিত্ত আদি নাশ করার কারণ।
    কাঁচকলা দিয়া রান্ধে সুগন্ধ পাঁচন।।
    জমানী পুড়িয়ে ঘৃতে করিল ঘন পাক।
    সাজ ঘৃত দিয়া রান্ধে গিমা তিতা শাক।।
     
     
    আবার মাছের ফ‍্যান্টাষ্টিক বিবরণ আছে,
     
    রোহিত মৎস‍্য দিয়া রান্ধে কলতার আগ
    মাগুর মৎস‍্য দিয়া রান্ধে গিমা গাছ গাছ।।
    ঝাঁজ কটু তৈলে রান্ধে খরসুল মাছ।।
    ভিতরে মরিচ গুঁড়া বাহিরে জড়ায় সুতা।
    তৈল পাক করি রয়েছে রান্ধে চিংড়ির মাথা।।
    ভাজিল রোহিত আর চিতলের কোল।
    কৈ মৎস‍্য দিয়া রান্ধে মরিচের ঝোল।।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৬:২৫549688
  • এম্বারগিস সত্যিই খুব বিরল আর বহুমূল্য জিনিস। দারুন সব পারফিউম তৈরিতে ব্যবহার হয় শুনেছি। খায় কিনা জানিনা। হতে পারে কোনো সুপার হাই এন্ড রেস্তোরাঁতে হয়তো ফ্লেভারিং এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করেছে।
  • dc | 2401:4900:4dde:8a89:1cc:8d3c:243e:***:*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৬:১৮549687
  • তিমি মাছের বমি তো শুনেছি খুব দামি জিনিষ। সেটা খায় নাকি?
  • r2h | 165.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৬:০৫549686
  • দুটো না হয়ে গেছে প্রথম বাক্যে, স্যরি। একটাই হবে।
  • r2h | 165.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৬:০৪549685
  • ঝালের ব্যাপারটা মনে হয় না অর্থনীতি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না আদৌ। আর এই বাঙাল রান্না, বাঙাল খাবার- এই জিনিসটা আরেক ঢপ। পূর্ববঙ্গে যেসব অঞ্চলে টাটকা মাছ সারা বছর পাওয়া যায় সেসব জায়গার লোক শুঁটকি মাছ দেখলে নাক সিঁটকাতো। আবার ঝালের সঙ্গে সমুদ্রতীরবর্তী জায়গায় থাকার কী সব সম্পর্ক আছে। ভিটামিন সি-র জোগান টোগান। ট্র‌্যাডিশনালি চট্টগ্রাম সিলেট ময়মনসিংহ কুমিল্লা - ইত্যাদি জায়গার খাবার দাবারে অনেক তফাত ছিল।

    মানে কী কাণ্ড, থাই, মেক্সিকানরা তো পাজাঞ্জুরিতে তিড়িতংক লাগিয়ে দেওয়ার মত ঝাল খায়। শুঁটকি মাছ (ও মাংস)ও নানান দেশে নানান লোক খায়।
  • b | 14.139.***.*** | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৫:২৮549684
  • আমার এক বন্ধুর নানাবিধ উদ্ভট খাবারের শখ : হাঙ্গরের গলব্লাডারের ছেঁচকি, তিমিমাছের বমির পায়েস ইত্যাদি। সে আমায় একবার উজবেক না কাজাখ রেস্তোরাঁতে নিয়ে গেছিলো। সেখানে খুব ভালো ল্যাম্বের বিচি আর ল্যাম্ব আইবল পাওয়া যায়। ল্যাম্বের বিচিটা যাও খেতে পেরেছিলাম, আইবলের ব্যাপারে হাত তুলে দিয়েছিলাম। নরম বলগুলো চিবানো যায় না, মুখে দিলেই দিয়ে হড়হড় করে ইসোফেগাসের দিকে চলে যায়। হয়তো খাবার তরিকা আছে।
  • Manali Moulik | ১০ মার্চ ২০২৬ ১৫:২২549683
  • @একক, হতে পারে। কালচার অঙ্গীভূত হয় তো সময়ের সাথে সাথে। এজিয়ান অঞ্চলের নোমাডিকরা স্থায়ী ব্রোঞ্জ এজ সিভিলাইজেশনের কতো কী নিজেদের মধ‍্যে নিয়েছে। পলিস তো প্রাচীন মাইসিনীয়ানদের কিছু টেক্সট কপি করেছে। আবার হিট্টাইটদের পাত্রগুলো মেসোপটেমিয় ভাস্কর্য আর ব‍্যাবীলনের পদ্ধতির সংমিশ্রণ। একটা ব‍্যাপক গল্প প্রচলিত আছে জাপান নিয়ে এপ্রসঙ্গে। একটা ক্রিসমাসের রাতে কয়েকজন জাপানী কৃষক বেহেড হয়ে ফিরছিলো, ওদের মধ‍্যে খ্রিষ্টান কালচার আসার পর থেকেই বড়োদিন পালন একটা আবশ‍্যিক অঙ্গ হয়ে গেছে। তো কাছেই একটা মিশনারি চার্চে মৃদু পিয়ানো বাজছে, আলো দিয়ে খুব সাজিয়েছে, দেখে একজন জিজ্ঞেস করেছে অপর কৃষককে, "ওই বাড়িটা কী রে? কী হচ্ছে ওখানে?" 
    -- "খ্রিষ্টানদের চার্চ। বড়োদিন সেলিব্রেট হচ্ছে।"
    তো সে শুনে বললো, "হুঁ, কালে কালে কতোই হলো ! এখন নাকি আবার খ্রিষ্টানরাও আমাদের বড়োদিন পালন করছে!"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত