প্যাট চ্যাপমানের ফুড হিষ্ট্রি নিয়ে গবেষণা বেশ বিখ্যাত। যেমন দুগ্ধজাত খাবারের চলটা মেসোপটেমিয়ানদের থেকেই এলো। ওরা বুঝেছিলো, একটা গবাদি পশু তার লাইফটাইমে যে দুধ উৎপন্ন করে ও তার থেকে যা ক্যালোরি পাওয়া যায়, ওটাকে মেরে মাংস খেলে পাবে তার চারভাগের একভাগ। এছাড়া চিত্রিতা ব্যানার্জীর Life an food in Bengal, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'ভারতবাসীর আহার' এগুলো বেশ ভালো বই। ফুড হিষ্ট্রির তো একটা শাখাই আছে সোশিওলজিতে। স্থান ও আবহাওয়াভেদে খাদ্যের পরিবর্তন নিয়ে। ও হ্যাঁ, বিজয় গুপ্তের মনসামঙ্গলে একটা পার্ট পাচ্ছি রান্নাবান্নার, বলতে ভুলে গেছিলাম।
অনেকদিন পরে রান্ধে মনের হরিষ
ষোল ব্যঞ্জন রান্ধিল নিরামিষ।।
প্রথমে পূজিল অগ্নি দিয়ে ঘৃত ধূপ।।
নারিকেল কোরা দিয়া রান্ধে মুসুরির সুপ।
পাটায় ছেঁচিয়া নেয় পোলতার পাতা।
বেগুন দিয়া রান্ধে ধনিয়া পোলতা
জ্বরপিত্ত আদি নাশ করার কারণ।
কাঁচকলা দিয়া রান্ধে সুগন্ধ পাঁচন।।
জমানী পুড়িয়ে ঘৃতে করিল ঘন পাক।
সাজ ঘৃত দিয়া রান্ধে গিমা তিতা শাক।।
আবার মাছের ফ্যান্টাষ্টিক বিবরণ আছে,
রোহিত মৎস্য দিয়া রান্ধে কলতার আগ
মাগুর মৎস্য দিয়া রান্ধে গিমা গাছ গাছ।।
ঝাঁজ কটু তৈলে রান্ধে খরসুল মাছ।।
ভিতরে মরিচ গুঁড়া বাহিরে জড়ায় সুতা।
তৈল পাক করি রয়েছে রান্ধে চিংড়ির মাথা।।
ভাজিল রোহিত আর চিতলের কোল।
কৈ মৎস্য দিয়া রান্ধে মরিচের ঝোল।।