দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক গোপাল পাঁঠা না?
Bal
network o nai balance o nai dhus#
Disclaimer kaurei troll bolini
Ami nijei to troll
Khetro bisheshe valo mondo boro chhoto sokol type lekhok real othoba online e trolling kom beshi koreche.
Ki jani total bongo onchole perfectioism er ekta batik ache mone hoy.
Ghotona holo nirvul nirdosh manush hoy na. Bastobe fakijuki diye image toiri kora zay. Kintu online sob theke zay hazar angle e hazar khondito rupe take bisleshon korar jonno.
Age vabtam amar sob emo hachi kashi sob website e record hochche. Ekhon dekhi amar hata cholar o ojosro video theke zachche. Age oshudh dokane shudhu camera chilo. Ekhon rastar dui dharer sob majhari o boro mudi dokan o camera bosiyeche.
zoto data ekhon collect hoy oto data naki bisleshon korar khomota nai.
perfect trolling comment hoilo
স্বাভাবিক জীবনে কবে ফেরা যাবে কে জানে ! Taxing Time !
গত বছর এই সময়ে কাশ্মীরে ছিলাম ।
হা,হা,হা।আমিও খপর টা পড়ে চমকে চোদ্দ হয়ে গেছিলুম।--))
ভাইরাস আনবে কেন?ভ্যাকসিন বাজারে আনবে বলেছে। -))
Online er somossai eta
Ekhane kew thik moto zete na
na Celeb na perfectionist na troll
Real ar Virtual e jetar songa tai alada
moral high ground ero bishesh agamatha nei.
@sm সেদিন সংস্কৃত সাহিত্য ও যৌনতা প্রসঙ্গে কথাটা আসলে @dcকে বলেছিলাম । :-)
খুবই নোংরা ইঙ্গিত তো আমাকেও করা হয়েছে। ঃ) যার যেরম ইয়ে আর কী! না জড়ানোই ভালো।
শুধু আপনাকে নয়, অন্যদেরও বললাম। ব্যাপারটা বিশ্রী তিক্ততায় না চলে যায়।
তার আগে দয়া করে বাকিদের অন্তত উস্কানিটা দিতে বন্ধ করার অনুরোধ করুন। এই রকম নোংরা মানসিকতার লোকজনের সঙ্গে গুরুতে মোলাকাত হবে তা কোনও দিন ভাবিনি। এই অভিযোগের আঙুল যদি আপনার দিকে তোলা হত, তাহলে আপনার প্রতিক্রিয়া কী হত? আমি কলকাতা থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে থাকি। আমাকে এ সবের মধ্যে জড়ানো কেন?
বেশ তো, ছিবড়ে যখন করে দিয়েছেন তখন আর উস্কানিতে কান দেবেন না, অনুরোধ রইল। নইলে তো এ চলতেই থাকবে।
থামবে কীভাবে? আহত অহং তো! তো তাকে দুমড়ে-মুচড়ে ছিবড়ে করে ছেড়ে দিয়েছি। খাঁচায় দম আছে বলে সোজা রৌহিন এবং ঈপ্সিতার সঙ্গে কথা বলে নিতে বলেছি। আক্রোশ কি আর একটা" সে যে বহুমুখী!! তাই বহুমুখী প্রতিভাধররা একবার এই নিক আরেকবার সেই নিক, তাতেও না কুলোলে আরেক নিকে নোংরামি করেই যাচ্ছেন। অথচ সামনে আসার মুরোদটি দেখাতে পারছেন না!! হাসিও পায়, করুণাও হয়।
এইগুলো এইবার থামালে হয় না?
মানে ওই গুরুমা কেলেঙ্কারি না কী ছাই-ছাতা বলছেন। সত্যি, জবাব নেই মাইরি!
ওরে বাবা, এক শেষ না হতেই আরেকটা! বেশ, খোদ ঈপ্সিতাকে জিগিয়ে নিন এ বিষয়ে। দুনিয়াতে অচেনা নিক থেকে চুকলি কাটা ছাড়া আমার আরও অনেক কাজ আছে। খাঁচায় দম থাকলে এসব বলার আগে লগ ইন করে মন্তব্য করুন প্লিজ।
সমালোচনা, ওয়েল ওয়েল। আপনি আমার অশেষ উপকার করলেন। বেশ, তাহলে এই অভিযোগটারও উত্তর দিয়ে নিই।
//ভবিষ্যতে দুম করে লোকের নিন্দে করার আগে খ্যাল রাখবেন কে কোথায় কি লিখেছে আমরা মনে রাখি।//
খুবই ভালো করেন, মানে খুবই ভালো। কিন্তু আমার স্মৃতিশক্তি খুব একটা কম নয় এবং দুম করে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করার আগে অন্তত একবার ভেবে নিই। আমি অ্যাটাকিং প্লেয়ার, কিন্তু তার আগে ডিফেন্স নিশ্ছিদ্র না করে অন্তত গুরুতে খেলতে নামি না। নামি না বলেই আজ আমার দীর্ঘ উত্তরের প্রেক্ষিতে অচেনা নিকেরা উবে গেছেন!
একক আমার শত্রু নন, হওয়ার কোনও কারণও নেই। তিনি কে, কী করেন কিছু জানিও না, জানতে চাইও না। এবারে তাঁর মন্তব্য নিয়ে সামান্য কাটা-ছেঁড়া করে নেওয়া যাক।
এক) আমি বলেছি তাঁর মন্তব্যটি দীঈর্ঘ ছিল। আপনিও তাই বলেছেন। ফাইন।
দুই) আমি বলেছি সেই দীর্ঘ মন্তব্যটিতে প্রায় একটিও বানাম্ভুল ছিল না। এখন সেটা দেখাও যাচ্ছে। এককের বানান নিয়ে অনেকেই মজা করেন। আমিও সেই মজার ছলেই সে দিকে ইঙ্গিত করেছি। আশা করি এ ব্যাপারেও আপনার সঙ্গে মতভেদ নেই বা হবে না।
৩) এবারে আসি আসল কথায়। একক লিখেছেন //আপনার লেখার যা ফর্ম সেটা এরকম দ্বিমাত্রিক খাঁচায় ধরার চেষ্টার ফলেই প্রাপ্র্য মনোযোগ হারাচ্ছে। মুশকিল হলো লেখালেখির জগতে কোনো বহুমাত্রিক খাঁচা এই ২০১৬ সালেও নেই ।// তার অর্থ যে ফর্ম উনি নিজে দাবি করছেন লেখকের থেকে, সেটা যে আদতে নেই সেই কথা উনি নিজেই স্বীকার করছেন! তাহলে এই আচাভুয়া দাবিটির যৌক্তিকতা কোথায়? তাও নেহাতই আনকোরা এক না-লেখকের থেকে। এমনও নয় যে তার আগে পর্যন্ত লেখক এখানে প্রচুর বহুমাত্রিক খাঁচা দেখতে পেয়েছেন। এমনও নয় যে এককের নিজের লেখাতেও (মানে তদ্দিনে লেখক যতগুলো পড়ে উঠতে পেরেছিলেন) সেই খাঁচাটি দেখতে পাওয়া গেছে। যাবেও না কারণ তার আগেই তিনি খোদ বলে ফেলেছেন 'লেখালেখির জগতে কোনো বহুমাত্রিক খাঁচা এই ২০১৬ সালেও নেই'। তাহলে যেটা আদতে নেই, তাকে আছে বলার দাবিটা কতটা যৌক্তিক?
এবং তখনও আমার উত্তর একই ছিল --- ''আমি কিন্তু অতশত দ্বিমাত্রিক খাঁচাটাঁচা ভাবিইনি লেখার সময়। একটা হতকুচ্ছিত পাখিকে একটু অন্যভাবে চেনাতে চেয়েছিলাম মাত্র। মানে সুকুমার রায় আর কাকপ্রসন্নর টিপিক্যাল খাঁচা থেকে বের করতে চেয়েছিলাম আর কি। আর লেখালেখির জগতে কোনো বহুমাত্রিক খাঁচা এই ২০১৬ সালেও নেই যখন , তখন আর কীই বা করার আছে ?''
এবারে আপনি সিদ্ধান্তে এসেছেন //আপনি আসলে নিজের লেখার ক্রিটিসিজম নিতে পারেননা। কিন্তু আবার ভাব দেখাতে চান আলোচনা-সমালোচনার ব্যাপারে দারুণ উদার।//
আজ্ঞে এটাও ভুল। তার সামান্য নমুনা হিসেবে এইটা রাখছি --- //@ +-×÷ ২) //"ভারতীয় মারা গিয়েছিলে অন্ততপক্ষে ১২০০ জন। অথচ ভারতীয়দের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডকে ধিক্কার না জানিয়ে গান্ধী বলেন, “But the slow torture, degradation and emasculation that followed was much worse, more calculated, malicious and soul killing, and the actors who performed the deeds deserve greater condemnation than General Dyer for the Jallianwala Bagh ম্যাসাকার"
-- এটা পুরোপুরি ভুল লেখা। দেখা যাচ্ছে আসলে সেই বাকি ৮০০ জনের হত্যাকে জালিয়ানওলাবাগের ৪০০ জনের হত্যার থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে এবং সেজন্য Col O'Brien, Mr. Bosworth Smith, Rai Shri Ram and Mr. মালিক খানদের অভিযুক্ত করেই গান্ধী এই বিবৃতি দিচ্ছেন।//
এই বক্তব্যটিকে সাবস্ট্যানশিয়েট করে দেখার চেষ্টা করি বাকি ৮০০ জনের হত্যার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিদের গুরুত্ব ঠিক কতখানি।
ক) কর্নেল ও'ব্রায়েন --- ইনি আসলে লেফটেনান্ট কর্নেল। সেই সময়ে গুজরানওয়ালায়। তিনি প্রত্যেকে ভারতীয়কে ইউরোপীয়দের বাধ্যতামূলক সেলাম করার হুকুমজারি করেছিলেন।
খ) বসওয়ার্থ স্মিথ --- ইনি সিভিল সার্ভেন্ট। শেখপুরায় মার্শাল ল জারি করেছিলেন।
গ) রায় শ্রী রাম --- আমি কোনও তথ্য পাইনি এঁর ব্যাপারে।
ঘ) মালিক খান --- পদমর্যাদায় কর্নেল। গ্রামবাসীদের সেনা হওয়ার উপযুক্ত বয়স হলে তাঁদের এক-তৃতীয়াংশের সেনাবাহিনীতে যোগদান করার 'কোটা' নির্দিষ্ট আছে বহুদিন ধরে - সে কথা তাঁদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন। পাঞ্জাবের অনেক যুবকই দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিতেন। কিন্তু প্রথম বিশ্বুদ্ধের শেষ দিকে এই নিয়ে পাঞ্জাবে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল। গান্ধী তা জানতেন এবং তার পরেও তিনি সাম্রাজ্যবাদীদের রিক্রুটিং অফিসার হয়ে সেনা সংগ্রহ অভিযানে নামতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি।
আপনি কি নিশ্চিত যে এই চারজনই ওই 'বাকি ৮০০ জনের হত্যা'-র নায়ক?
আপনি এবং রিভু অনেক কিছুর উল্লেখ করলেও আসলে এবং গান্ধী 'My purpose is to secure the removal of the wrongdoers from any office under the Crown' ঘোষণা করলেও আপনারা এবং গান্ধী যাঁদের কথা ঘুণাক্ষরেও উল্লেখ করেননি এইবার তাঁদের নামগুলো উল্লেখ করি।
ক) লর্ড চেমসফোর্ড - ১৯২৪ সালে তিনি ব্রিটিশ মন্ত্রী
খ) কারমাইকেল মুনরো - চেমসফোর্ডের কম্যান্ডার-ইন-চিফ (ভারতে)। পরবর্তীকালে জিব্রাল্টারের গভর্নর।
গ) উইলিয়াম বেনিয়ন - মেজর জেনারেল। মার্শাল ল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর।
এই তিনজনের বিন্দুমাত্র শাস্তি হওয়া দূরে থাক, 'any office under the Crown'-এ কাজ পেতে কোনও অসুবিধাই হয়নি। কারণ এঁরা ইন্দিরা-সিদ্ধার্থ, কেপিএস গিল নন।
হাতি-ঘোড়া সব বাদ রইলেন, জল ঘোলা হল মশা-মাছি নিয়ে!//
বলা বাহুল্য, তার পরে +-×÷ বা ঋভু আর কোনও মন্তব্য করেননি। এখান থেকে কোন সিদ্ধান্তে পৌছব আমি? এক. তাঁরা এই নিয়ে আর তর্ক বাড়াতে চাইছেন না কারণ পাল্টা যুক্তি তাঁদের নেই। কিংবা দুই. 'আমি আসলে নিজের লেখার ক্রিটিসিজম নিতে পারি না' জাতীয় ভেবে-টেবে চুপ করে গেছেন। আমি প্রথম সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। খুব ভুল সেটা?
প্রসঙ্গত ওই একই মন্তব্যে এটাও লেখা ছিল --- //@রিভু,
গুরুতে এডিট করার সুযোগ নেই। তবুও বলি আপনি যদি ওই 'ঠুলি' শব্দের প্রয়োগে আঘাত পেয়ে থাকেন তো আমি সেই শব্দরাজি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। মন্তব্য করুন, সমালোচনা করুন, বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গী তুলে ধরুন। আমিই একমাত্র ঠিক এবং বাকি সবাই ভুল, তাই যদি মনে করতাম তাহলে আর পাঠকদের মন্তব্যের উত্তর দেওয়া কেন? আমরা সবাই শিখছি, শেখা তো স্তব্ধ হয়ে যায়নি। আপনাকে আবারও অনুরোধ করলাম এখানে মন্তব্য করার জন্য।//
যেহেতু আপনারা "কে কোথায় কি লিখেছে আমরা মনে রাখি" বলেছেন তাই আর তারিখ-ফারিখ উল্লেখ করলাম না। শুধু দেখে নেবেন কিছু চেরিপিকিং করেছি কি না।
এই সুযোগে একটা ভুল স্বীকার করে নিই। আগে ঋভুকে অভ্যু লিখেছি। এই ত্রুটির জন্য আমি লজ্জিত।
হ্যাঁ, আরও একটা কথা (যদিও সে প্রসঙ্গ আপনি উত্থাপন করেননি কিন্তু পরে কেউ আবার সেই নিয়ে অকারণে ত্যানা প্যাঁচাতে পারেন বলে জানিয়ে রাখি)। প্রযুক্তিবিদ যিনি ইতিহাস লেখেন এবং যে ইতিহাসে প্রচুর ছ্যাঁদা থাকে তিনি আর যেই হন সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় নন। তিনি পড়ুয়া মানুষ, সুভদ্র, ইতিহাস-সচেতন এবং এঁড়ে তক্কো করেন না। ইনি ছাড়া আর কোন কোন প্রযুক্তিবিদ এখানে ইতিহাসচর্চা করলেও প্রশ্ন ওঠে না কিন্তু একজন কর্নেল করলে ওঠে, সেটা ভেবে দেখবেন। কর্নেলের এত দোষ!!
আশা করি, এই সম্পর্কিত কথা চালাচালির অবসান এখানেই ঘটবে।
আসলে | 2a0b:f4c2:2::1 | ০৫ জুলাই ২০২০ ১৩:১৫449127
দেবোত্তম এখানে ফেসবুকের লাথখাবার বদলা নেয়। কয়েকবছর আগে ঈপ্সিতা কেন ব্লক করেছে কোন এক গ্রুপে সেই নিয়ে এখানের টইতে কাঁদুনি গেয়েছিল। নিয়মিতই এটা করে। যারা ফেসবুকে ওই গ্রুপগুলোতে নেই তারা ভাবে আহা কেমন কিচ্ছু বলে নি।
ও বাবা , এসব আসলে সেই কুখ্যাত গুরুমা কেলেন্কারি র উপাখ্যান নাকি ? সব জল ঘুরে ফিরে এক ঘাটে গড়ায় তাহলে ?
কার অবচেতনে যে কি আছে ভগা দা আর মোটাভাই ই জানেন , আমরা তো খেজুরে লোক মাত্র
কিন্তু এইটি তো ওই পার্সেন্টেজ বাবু র অবদান , সারস্বত শব্দ ব্যবহার করেছেন , জয়প্রকাশ বাবু তো দেশপ্রেমী মার্কা জ্বলন্ত লেখা দিয়ে থাকেন সাধারণত
হা,হা।
%% | 193.182.144.50 | ০৩ জুলাই ২০২০ ২৩:১০448941
পর্নাইলা গুরুকে গুগুল একি উৎপাত
অন্তর্জালে স্মিতহাস্যে সেবক সারস্বত
এইটি কি ? sm কি এটার কথাই বলছিলে ?
এখানে ইদানিং যাঁরা নিয়মিত লিখছেন তাঁদের বলার অজানা random নিক থেকে আসা ব্যক্তি আক্রমণগুলো ইগনোর করুন। যাঁরা স্বনামে, বা লগইন করে, বা নির্দিষ্ট নিক নিয়ে লেখেন, তাঁরা ব্যক্তি আক্রমণ করলে অবশ্যই প্রতিবাদ করবেন। কিন্তু random নিক থেকে যাই লেখা হোক না কেন সেগুলোকে অ্যাড্রেস করে খামোখা তাদের গুরুত্ব বাড়াবেন না। কারণ এরকম অনেক ক্ষেত্রেই হয় যে একই ব্যক্তি দুটো আলাদা random নিক নিয়ে দুপক্ষের দিক থেকে চোখা চোখা আক্রমণ করে চলেছে। এদের সাধারণত উদ্দেশ্য কোনো এক পক্ষকে ডিফেন্ড করা নয়, বরং দুপক্ষের তীব্র ঝগড়া বাধিয়ে মজা দেখা। এগুলোর কারণেই অনেক সময় মনে হতে পারে দল বেঁধে অ্যাটাক করা হচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তে দল পাকানোর মত লোকজন সেভাবে গুরুতে আসেননা। আপনি যদি ঐ random নিকগুলোকে অগ্রাহ্য করেন, তাহলেই বিষয়টা স্পষ্ট বুঝতে পারবেন।
আর একটা অনুরোধ সবার কাছেই। আজকাল আপনারা সব সিরিয়াস আলোচনা, তর্কই ভাটে করে ফেলছেন। অথচ আমরা কিন্তু প্রচুর খেটেখুটে নিয়মিত নানান লেখাপত্র পাবলিশ করে চলেছি। ইনফ্যাক্ট সেসব কাজে এতটাই ব্যস্ততা চলে যে ভাটে আসার সময় পাওয়া যায় না। আপনারা যদি সেই লেখাগুলো একটু পড়েন এবং সেসব লেখার নিচেও (বা টই খুলে) একটু আলোচনা/তর্কবিতর্ক করেন (অনেকেই করেন সেটা, এমন নয় যে কেউই করেন না) তাহলে লেখকরা এবং আমরা একটু বাড়তি উৎসাহ পাই। আলোচনাগুলোও পরে ফিরে পড়তে বা খুঁজতে সুবিধে হয়। যেমন S এর খোলা আমেরিকার টইতে লম্বা আলোচনা চলছে। দশবছর পরেও কেউ জানতে চাইলে তাকে রেফার করা যাবে ঐ টইটা। যেমন এখনও আমরা বিভিন্ন লোককে পুরোনো ইন্টারেস্টিং আলোচনার টই রেফার করি। এগুলোর তো একটা আর্কাইভাল উদ্দেশ্যও আছে। একটা সময়ের চলমান আলোচনা তর্কবিতর্ককে একটা স্ট্রাকচার্ড পদ্ধতিতে ধরে রাখা। সব তর্ক আলোচনা ভাটে করে ফেললে পরে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে যায়। এখানেও আড্ডার অংশ হিসেবে অনেক আলোচনাই হবে। সেসব হোক। কিন্তু সেগুলো একটু লম্ব হতে শুরু করলে একটা টই খুলে ফেলুন। বা অনেক সময়েই আমরা দেখি যে টপিক নিয়ে ভাটে ধুন্ধুমার আলোচনা হচ্ছে, সেই একই সময়ে এগজ্যাক্টলি একই বিষয়ের ওপর একটা চমৎকার লেখা আমলা পাবলিশ করেছি, যার নিচে কোনো মন্তব্য নেই। তো এরকম ক্ষেত্রে আলোচনাটা ঐ লেখার নিচে শিফট করিয়ে দিতে পারেন। এভাবে চালাতে পারলে বুবুভা, টই, ভাট মিলে একটা সিম্বায়োটিক ব্যাপার তৈরী হতে পারে। নইলে সবই খুব ডিকাপলড রয়ে যাচ্ছে। ভাট ভাটের মত চলছে। আবার টই, বুবুভা বা ব্লগ যেন সম্পূর্ণ প্যারালাল ট্র্যাক। এগুলোর চলার রাস্তা আলাদাই হবে হয়ত। তবু ওভারল্যাপের সুযোগ থাকলে সেটা নেওয়াই উচিৎ।
এলেবেলে বাবু, আপনার কাক সম্পর্কে লেখায় একক খুব বিস্তারিত কমেন্ট করেছিলঃ
Ekak | 53.224.129.50 | ২০ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৫৮
পড়েছি। আপনি ধৈর্য্য ধরে লিখেছেন । তথ্যবহুল সুলিখিত । কেমন লেগেছে জিজ্ঞেস করলে সমস্যায় পরবো । আমার সব মিলিয়ে ভালো লাগেনি । সেটার দোষ আপনার নয় । সমস্যা টেকনোলজির ।আপনার লেখার যা ফর্ম সেটা এরকম দ্বিমাত্রিক খাঁচায় ধরার চেষ্টার ফলেই প্রাপ্র্য মনোযোগ হারাচ্ছে। মুশকিল হলো লেখালেখির জগতে কোনো বহুমাত্রিক খাঁচা এই ২০১৬ সালেও নেই । খুব , খুবই ইম্ম্যাচীয়র একটা জগতের মধ্যে আছি আমরা। এখানে যতই বলি পাঠক তার মত বুঝে নেবে আদতে পাঠকের চক্ষুদান অসম্পূর্ণ ও বসে জিরুতে গেলেই বাবলা কাঁটা। তো সেই টেকনিকাল খামতি কাটিয়ে ওঠার জন্যে লেখক যা করেন তা হলো গাইড এর কাজ । একটা হাওয়া সাপ বানিয়ে ছেড়ে দেওয়া যে লেখাটিকে ধান খেতের মত এপাশ ওপাশ কেটে বেরিয়ে যায় সবকিছু আপাত দৃশ্যমান রেখেও কিন্তু মর্জিমাফিক। মানে ওই দ্বিমাত্রিক মিডিয়াম এই অগ্মেন্ট ও সাসপেন্ড করে করে একটা শেপ এ আনা।
আপনার লেখায় সেটি অনুপস্থিত। পুরাণ থেকে লোককাহিনী , সিনেমা থেকে বিজ্ঞান সব কিছুই আছে কিন্তু ওই হাওয়া সাপ টি নেই। ফলে পাঠক হঠাত কিছু "মিস " করলেও সেই মিসিং অনুভুতি টা তাকে ঝটিতি ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাতে বাধ্য করেনা।ফলত লেখাটি সুলিখিত তথ্য সংগ্রহ হয়ে থেকে যায়, সবকিছু ছাপিয়ে লেখা হয়ে ওঠেনা। সুরম্য উইকি বলা যায় খানিক ।
এখন এগুলো আপনার দোষ নয়। যদি সত্যি কোনো বহুমাত্রিক এবং টিউনিংসম্ভব কন্টেন্ট এক্সপ্লোরিং মিডিয়াম আমাদের হাতে থাকত তাহলে যে যার নিজের মত গুর্গুরুতে যেত নির্দ্বিধায়। কিন্তু যতদিন নেই , তদ্দিন , এ একান্তই ব্যক্তিগত মনে হওয়া , যে লেখক এর একটা দায়ীত্ব থাকে চক্ষুদান এর।
এই আর কি । আমি প্রথমে , আসল এ " সব মিলিয়ে দাঁড়ায় নি , গোটা লেখা টার মধ্যে দিয়ে কোনো কাক উড়ে যাচ্ছে না " লিখে ছেড়ে দিয়েছিলুম। তারপর মনে হলো ওরম আঁতলামো করলে আপনার সৎ প্রচেষ্টার অবিচার হবে । তাই একটু দ্বিমাত্রিক ভাবে লিখলুম যে কেন ভালো লাগেনি।
আপনি উত্তরে লিখেছিলেনঃ
দেবোত্তম চক্রবর্তী | 11.39.37.94 | ২২ এপ্রিল ২০১৬ ২২:০৬
Ekak,বড়ো ভালো লাগল। না, আমার ‘সৎ প্রচেষ্টার’ প্রশংসা দেখে নয়। বরং আপনার যে লেখাটা ‘সব মিলিয়ে ভালো লাগেনি’ এই সৎ এবং সাহসী উচ্চারণ দেখে। লেখাটার প্রথম দিকে জ একটা হাল্কা ঝাঁকুনি দিয়েছিলেন, তারপর আপনার জোরালো ধাক্কা। খুব দরকার ছিল এটার। লোকে আজকাল নিজের মর্জিমাফিক কিছু না হলেই হয় সস্তা খেউড়ে মাতে, নয়তো এঁড়ে তর্ক করে। আপনি “সব মিলিয়ে দাঁড়ায়নি,গোটা লেখাটার মধ্যে দিয়ে কোনো কাক উড়ে যাচ্ছে না” বলেই দায় সারতে পারতেন। তা করেননি। বেশ বিস্তারিতভাবেই কেন খারাপ লাগল তা বলেছেন । পাঠক তো এমনটাই হবেন, লেখকের পিঠ চুলকে দেওয়ার ঠেকা নিতে তার বয়েই গেছে। তবে আমি কিন্তু অতশত দ্বিমাত্রিক খাঁচাটাঁচা ভাবিইনি লেখার সময়। একটা হতকুচ্ছিত পাখিকে একটু অন্যভাবে চেনাতে চেয়েছিলাম মাত্র। মানে সুকুমার রায় আর কাকপ্রসন্নর টিপিক্যাল খাঁচা থেকে বের করতে চেয়েছিলাম আর কি। আর লেখালেখির জগতে কোনো বহুমাত্রিক খাঁচা এই ২০১৬ সালেও নেই যখন , তখন আর কীই বা করার আছে ? তবে হ্যাঁ, হাওয়া সাপ আর ধান খেতের ধারণাটা বেশ লেগেছে।
সৎ উচ্চারণ হজম করতে পারেননি বোঝাই যাচ্ছে। কেননা এখন সুযোগ বুঝে আপনি লিখে দিলেনঃ
এলেবেলে | 202.142.71.177 | ০৫ জুলাই ২০২০ ১১:২৭
আমি এখানে একদম প্রথমে মানে প্রায় পাঁচ বছর আগে স্বনামে একটি মাত্র লেখা পোস্ট করেছিলাম। তখন যেমন অনেকেই ্নবাগত একজন না-লেখককে স্বাগত জানিয়েছিলেন, তেমনই অনেকেই তাকে তাচ্ছিল্ল্যে ভরিয়ে দিতে কার্পণ্য করেননি। তার মধ্যে অন্যতম ছিলেন একক। তাঁকে একটা কারণেই আমি মনে রেখেছি আজও। তিনি একটি দীঈর্ঘ মন্তব্য করেছিলেন একদম শুদ্ধ বানানে, কোনও টাইপো ছাড়াই! সম্ভবত ওটাই এককের এক ও একমাত্র শুদ্ধ বানানে মন্তব্য!!!
আপনি আসলে নিজের লেখার ক্রিটিসিজম নিতে পারেননা। কিন্তু আবার ভাব দেখাতে চান আলোচনা-সমালোচনার ব্যাপারে দারুণ উদার। ভবিষ্যতে দুম করে লোকের নিন্দে করার আগে খ্যাল রাখবেন কে কোথায় কি লিখেছে আমরা মনে রাখি।
এই ঘ্যানঘ্যান করা আমেরিকা ইলেকশন এর চাইতে সারস্বত বাবুর কোবতে ভালো। যে কোন সুস্থ লোকের মাইগ্রেন হয়ে যাবে।