এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • শপিং মল 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ৮২ বার পঠিত
  • জয়তী ঝড়ের বেগে ঘরে ঢুকে বলল, ‘ ওঠ ওঠ .... বেলা নটা বাজে ... আর কত ঘুমোবে। ওঠ তাড়াতাড়ি। আজ রোববার। ঘরের ঝুল ঝাড়ব। পড়ে পড়ে ঘুমোলে জীবন চলবে ? ‘
    অর্ণব কথা না বাড়িয়ে বিছানা ছেড়ে বাইরে বেসিনের দিকে যায়। সেখানে তখন তার সাত বছরের ছেলে চিন্টু দাঁত ব্রাশ করছে। আজ রবিবার বলে দেরিতে দাঁত ব্রাশ। বাবাকে দেখে মাজনের ফেনা ভরা মুখে বলল, ‘ বাবা বাবা ...... আমাদের স্কুলে না সায়েন্স একজিবিশান হবে নেক্সট স্যাটারডে অ্যান্ড সানডে। সবাইকে হান্ড্রেড রুপিজ করে দিতে হবে। দেবে তো ? ‘
    চিন্টুর শিশুমনে এই মুহুর্তে এইটাই চিন্তা ও উত্তেজনার প্রধান বিষয়বস্তু।
    ‘ হ্যাঁ, ঠিক আছে ..... দেখি সর....’, বলে বাথরুমে ঢুকে গেল অর্ণব।
    সকালে জলখাবার আজ লুচি ভেজেছে জয়তী। রোববারের সকালে সাধারণত: লুচি আর তরকারি বাঁধা। বাবা ছেলেকে খেতে দিয়ে জয়তীও লুচি তরকারি নিয়ে খেতে বসল। চিন্টু একটা লুচি নিয়ে নাড়াচাড়া করে যাচ্ছে। ওর খাবার ধরণ ওরকমই।
    জয়তী লুচি মুখে পুরে বলল, ‘ আজ সাউথ সিটি মলে যাবে গো.... চল না, খুব যেতে ইচ্ছে করছে । সেই একবারই গিয়েছিলাম।’
    অর্ণবের খাওয়া থেমে গেল জয়তীর প্রস্তাব শুনে। তার পকেটের অবস্থা সে নিজে ভালভাবেই জানে। ফ্ল্যাটটা কিনেছে লোন নিয়ে। প্রতিমাসে ইএমআই দিতে হচ্ছে চার হাজার করে। সে যে নিরস প্রকৃতির তা নয়। কিন্তু আর্থিক ভারসাম্য টলে যাবার আশঙ্কায় সব সময়ে উদ্বিগ্ন থাকে। যাই হোক, সে নীচু গলায় বলল, ‘ তা.... গেলে হয় .... কিন্তু.... ’
    অর্ণবের ঘরনী ন বছরের অভ্যস্ত অভিজ্ঞতায় অনায়াসেই তার মনের কথা পড়তে পারল। সে মুখের লুচিটা চিবোতে চিবোতে বলল, ‘ না না কিছু কেনাকাটা করব না, এমনি ঘুরতে যাব। কি দারুন লাগে। মনটা ফুরফুরে লাগে। বেড়াতে যাবার কথায় চিন্টুর চোখ হাসির আলোয় ভরে গেল। তরকারি মাখা মুখে অর্ণবের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ যাবে বাবা ? ’
    অর্ণব এতক্ষণে ধাতস্থ হয়েছে। ছেলের মাথায় হাত রেখে বলল, ‘হুঁ .... ’।

    সন্ধে ছটা নাগাদ সাউথ সিটি মলের তিনতলায় ওরা তিনজন এদিক এদিক ওদিক দেখতে দেখতে প্যাসেজ ধরে হাঁটছিল। জমজমাট আনন্দোজ্জ্বল বাতাবরণ। আলো আর ঝলমলে খুশি ভরা রকমারি বিপণি। চিন্টু মাঝে মাঝে ছুটে গিয়ে এক একটা শো উইন্ডোর সামনে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে আর ম্যানিকুইনগুলোকে দেখে খিলখিল করে হাসছে। আবার বাঁই করে ছুটে ফিরে আসছে মা বাবার কাছে। কি ভাল লাগছে জয়তীর। সে বলল, ‘ বুঝলে গো.... এখানে .....যদি পারি মাসে একবার করে আসব। কি ভাল লাগে, না ? সংসারের সমস্যাগুলোর কথা মনেই থাকে না।’
    অর্ণব বলে, ‘ ইচ্ছে তো করে .... দেখি.... কি হয় ....’

    মা বাবার কোন ইচ্ছেই সে পুরণ করতে পারে নি। এখন তারা কেউ বেঁচে নেই। কিন্তু অর্ণবের মনে আফশোষের ক্যাকটাস, কাঁটা জাগিয়ে বেঁচে রইল।
    শিলিগুড়ি থেকে জয়তীকে বিয়ে করে নিয়ে এল। সাদামাটা ভোলাভালা মেয়ে। অল্পে রেগে যায়, আবার অল্পেই ঠান্ডা হয়। চাহিদা তেমন কিছু নেই। তবে তার সাংসারিক কর্তৃত্ব-এ হাত দিলেই জয়তীর মেজাজ খাট্টা। ওটা তার নিবিড় স্নেহ দিয়ে বোনা, মায়া দিয়ে ঘিরে রাখা সজল সজীব সাম্রাজ্য। এইটুকুনি পৃথিবীতে সেই সম্রাজ্ঞী। রেগে গিয়ে দু একবার অর্ণবকে দুমদাম বলে দিয়েছিল, ‘ তোমার সংসার করা উচিৎ হয়নি। বিয়ে করা উচিৎ হয়নি।’ শুনে অর্ণব বলে, ‘ এই এতদিনে একটা খাঁটি কথা বলেছ। লাখ কথার এক কথা। উ: ..... কি বুদ্ধি তোমার ! ’
    শুনে জয়তী তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে। এই রাগটা অর্ণব বেশ উপভোগ করে। চিন্টু আসার পর অবশ্য এসব খুনসুটির অবকাশ কমে আসল। তখন দুজনে মিলে তাদের যৌথ আত্মার নির্যাস চিন্টুকে নিয়ে মশগুল হয়ে রইল।
    কতরকমভাবে ছেলেকে আদর করলে যে মনের তৃপ্তি মেটানো যায় বুঝতে পারত না দুজনেই।

    একটা জুয়েলারি শপ-এর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল ওরা। দেখল এক দম্পতি দোকানে ঢুকছে। মল থেকে সাধারণত: গয়না কেনে খুব কম লোকই। বাইরে শোকেসে নানান আধুনিক ডিজাইনের অলঙ্কার সাজানো। মেয়েরা অভ্যাসবশে দাঁড়িয়ে যায় কাঁচের দেয়ালের বাইরে। জয়তীও দাঁড়িয়ে গেল। কৌতূহলী কিন্তু নির্লোভ চোখে গয়না পরখ করতে লাগল। চিন্টু কাঁচে নাক ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। চিন্টুর পিছনে দাঁড়িয়ে আছে অর্ণব। দোকানের দরজায় একজন সিকিওরিটি গার্ড দাঁড়িয়ে আছে। সে চিন্টুর দিকে তাকিয়ে ছিল পেশাদারি ভঙ্গীতে। সে এবার বলে উঠল, ‘ কাঁচে মুখ লাগিও না বাবু ..... হাত দিও না। দূর থেকে দেখ।’ চিন্টু ছিটকে পেছিয়ে গিয়ে বাবার গা ঘেঁসে দাঁড়াল। অর্ণব একহাত দিয়ে ছেলেকে জড়িয়ে ধরে দারোয়ানকে বলল, ‘ কেন কি অসুবিধে করেছে ও। ওকে কি চোর চোট্টা মনে হচ্ছে ? তোমরা কি নিজেদের রাজা বাদশা মনে কর নাকি ? ’
    সিকিওরিটি পেটের দায়ে চাকরি করতে এসেছে। সে একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেল। কাঁচুমাচু হয়ে বলল, ‘ আপনি মিছিমিছি রাগ করছেন স্যার। উইন্ডো গ্লাসে হাত দেওয়া মানা আছে। আমাদের ওপর ইনস্ট্রাকশান আছে .... নইলে কেন আমি এইটুকু বাচ্চাকে বলব ... ’
    — ‘ নিকুচি করেছে তোমার ইনস্ট্রাকশানের ! ইনস্ট্রাকশান বানান জানিস শালা .... ’, অর্ণব এক অবদমিত হীনম্নন্যতার আগুনে আচমকা জ্বলে ওঠে। জয়তী তাড়াতাড়ি ছুটে এল কথা কাটাকাটির আওয়াজ পেয়ে — ‘ আরে কি করছ .... চুপ কর...চুপ কর বলছি .... কি সব বলছ ! চল চল ওদিকে যাই । এস এস .... যেখানে সেখানে এত মাথা গরম কর কেন ! ’ জয়তী চিন্টুর হাত ধরে হাঁটতে থাকে।
    হাঁটতে হাঁটতে একটা ফ্যাশান স্টোরের কাছাকাছি এসে পৌঁছল। দোকান ঠাসা ঘর সাজাবার নানান সরঞ্জামে। ইন্টেরিয়র ডেকরেশান বলাই ভাল। অনেক অ্যানটিক আইটেমও আছে।
    দোকানের মুখটা পেরোনোর সময় মুখোমুখি হল। ওরা দোকানে ঢুকতে যাচ্ছিল। ওরা মানে, কোয়েল আর তার স্বামী।
    কোয়েল বিস্ময়ে উচ্চকিত হয়ে উঠল, ‘ আরে .... জয়ী না ! আমি তো বিশ্বাস-ই করতে পারছি না।কতদিন পরে দেখা। তারপর কেমন আছিস বল।’ কোয়েল প্রবল নস্ট্যালজিক আবেগে জয়িতাকে জড়িয়ে ধরল।
    কোয়েল হল জয়তীর বাগবাজারের পুরনো পাড়ার বন্ধু। এখন জয়তীদের বাড়ির কেউই আর ওখানে থাকে না। সব শিলিগুড়িতে। প্রায় বারো বছর পরে দেখা। বাগবাজারে জয়তী আর কোয়েলের হলায় গলায় বন্ধুত্ব ছিল। কতদিন বাড়িতে লুকিয়ে দুজনে মিলে সিনেমা দেখেছে। দুজনের সঙ্গে অবশ্য আর একজনও নিয়মিত থাকত। শমিত। অতি উজ্জ্বল ছাত্র। কোয়েলের প্রেমে পড়ে হাবুডুবু খাওয়া একনিষ্ঠ রোমিও। সেই শমিতকেই এখন দেখা যাচ্ছে কোয়েলের স্বামী হিসেবে। বলাই বাহুল্য জয়তীও কোয়েলের দেখা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল। ওদের সঙ্গেই দোকানে ঢুকল। কোয়েল তার মেয়েকে শ্বাশুড়ির কাছে রেখে এসেছে।
    দোকানে প্রাচীন সামগ্রীর কাউন্টারে আকাশ ছোঁয়া দামের জিনিসপত্র বাছাবাছি করতে দেখে জয়তী এবং অর্ণব দুজনেই ওদের আর্থিক বৈভবের পরিষ্কার আন্দাজ পেল। প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকার কেনাকাটা করে কার্ডে দাম মিটিয়ে দোকান থেকে বেরোল ওরা। ইতিমধ্যে অর্ণবের সঙ্গে কোয়েল আর শমিতের পরিচয় হয়েছে। এরপর কোয়েল আর শমিত একের পর এক আউটলেট এবং স্টোরে ঢুকতে লাগল এবং দেদার কেনাকাটা করতে লাগল। অর্ণবরা অনিচ্ছা সত্বেও ওদের অনুসরণ করে যাচ্ছে। সরে যাওয়াও যাচ্ছে না। কোয়েল জয়তীকে একেবারে আঁকড়ে ধরে আছে। অনর্গল পুরনো দিনের স্মৃতিচারণা করে চলেছে। দুজনের কথা আর ফুরোয় না। এর ফাঁকেই জয়তী তার কর্তাটির দিকে নজর রেখে চলেছে তার মেজাজ যাতে বিগড়ে না যায়।
    একটা মোবাইল স্টোর থেকে বেরিয়ে শমিত বলল, ‘ ম্যাকডোনাল্ডস-এ যাওয়া যাক। প্রচুর ক্ষিধে পেয়েছে।এখানে খুব ভাল আউটলেট আছে ওদের।’
    অর্ণবের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ চলুন ব্রাদার যাওয়া যাক।’
    বৈভবের সঙ্গে সপ্রতিভতার একটা নিবিড় সম্পর্ক আছে বোধ হয়।
    অর্ণব আর জয়তী মুখ চাওয়া চাওয়ি করল। ম্যাকডোনাল্ডসে খাওয়ার মাশুল সবাই জানে। যারা কোনদিন খায়নি তারাও। যদিও এ কথা সহজেই অনুমেয় যে পুরো বিল শমিতই মেটাবে। কিন্তু স্রেফ চোখ কান বুজে সেটা হতে দেওয়া যায় না। গায়ের চামড়া বলে একটা ব্যাপার আছে। শমিত বলল, ‘ উপেনকে ফোন করছি। জিনিসগুলোকে নিয়ে গিয়ে গাড়িতে রাখুক।’ জয়তী কৌতূহলবশত: জিজ্ঞেস করে, ‘ কে উপেন ? ’
    — ‘ আমাদের ড্রাইভার। গাড়িটা পার্ক করতে হয়েছে একটু দূরে। যাই হোক উপেন এসে পড়বে এক্ষুণি। তারপর আমরা ..... ’, শমিত জানায়।
    জয়তী আর সমস্যা ঘনীভূত হতে দিতে চায় না। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয়। সে শমিতকে বলে , ‘ আজকে আমাদের হাতে আর সময় নেই শমিতদা.... আপনারা যান.... আবার অন্য কোনদিন না হয়.......আমাদের বাড়িতে দুজন গেস্ট আসার কথা আছে আটটার মধ্যে।’
    শমিত অর্ণবের দিকে তাকিয়ে বিনীতভাবে বলে, ‘ আপনারাও চলুন না। ওখানকার বার্গার দারুণ। কতক্ষণ আর লাগবে! আমরাও তো ওই রুটেই ফিরব। আমাদের গাড়িতেই জায়গা হয়ে যাবে। ফেরবার রাস্তায় ড্রপ করে দেব আপনাদের।’
    অর্ণব গম্ভীর মুখে দাঁড়িয়ে থাকে। পরিস্থিতি গম্ভীর দেখে জয়তী আবার আসরে নামে — ‘ না না আমরা এক্ষুণি বেরিয়ে যাব। দেরি হয়ে যাচ্ছে আমাদের। গেস্টরা এসে পড়ল বলে। আচ্ছা কোয়েল ....শমিতদা আমরা আসি তা’লে। ওই যে নাম্বার দিলাম..... ফোন করিস । আমিও করব .... চল চিন্টু।’
    ঠিক এই সন্ধিক্ষণে চিন্টু বেঁকে বসল। এক, ম্যাকডোনাল্ডসের বার্গার আর দুই, প্রাইভেট গাড়ি চড়ে বাড়ি ফেরা — এই দুইয়ের অমোঘ জোড়া আকর্ষণের সুযোগ তার সরল শিশুমন হারাতে চাইল না। সে বলে উঠল, ‘ চল না বাবা আঙ্কেলের গাড়িতে যাই। আগে বার্গার খেয়ে নিই , তারপর..... টি ভি-তে ছবি দেখেছি.... ’
    জয়তী পরিস্থিতি সামলে এনেছিল। এখন চিন্টুর কথায় তা কেঁচে যাবার আশঙ্কায় অর্ণবের মাথায় আগুন ছলকে উঠল। সে সপাটে এক চড় কষালো সাত বছরের ছেলের গালে। তার কচি ফর্সা গাল নিমেষে লাল হয়ে গেল। এই অপ্রত্যাশিত আচমকা আঘাতে হতভম্ব হতচকিত চিন্টু ছলছল চোখে ছুটে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরল। সে বুঝতে পারল না তার অপরাধ কি। এ আকস্মিক অগ্নুৎপাতের উৎস সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল জয়তী তার ছেলের মাথা চেপে ধরল তার কোলের কাছে। শমিত আর কোয়েলের মুখ থেকে যন্ত্রণামাখা অস্ফূট শব্দ বেরিয়ে এল — ‘আ...হা আ...হা ! এইটুকু বাচ্চা .... ‘

    রাত প্রায় দুটো। ছোট্ট চিন্টু ঘুমিয়ে কাদা। বোধহয় কোন সুখস্বপ্ন দেখে ঘুমের ঘোরে মৃদু মৃদু হাসছে। তার মা-ও এখন ঘুমের ঘোরে। হঠাৎ কিসের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেল জয়তীর। পর্দার ফাঁক দিয়ে দেখতে পেল বাইরে ডাইনিং স্পেসে আলো জ্বলছে। চট্ চট্ করে আওয়াজও আসছে ওখান থেকে। অর্ণবের গলার আওয়াজও পাওয়া যাচ্ছে। জয়িতা এই রাতদুপুরে ভীষণ অবাক হয়ে বাইরে বেরিয়ে এল।

    জয়তী দেখল বেসিনের সামনে দাঁড়িয়ে অর্ণব নিজের দুগালে সপাটে চড় কষিয়ে চলেছে। দু হাত দিয়ে যত জোরে পারে নিজেকে নিজে চড়িয়ে চলেছে। যেন কোন দুশমনকে শায়েস্তা করে চলেছে। পাগলের মতো বলে চলেছে — ‘মার শালাকে মার মার মার.... দেখ শালা কেমন লাগে..... মার মার মার।’

    একটু দূরে দরজার পাশে দম বন্ধ করে বিষ্ফারিত চোখে দাঁড়িয়ে জয়তী দেখতে লাগল অর্ণবের অভিনব প্রায়শ্চিত্ত ।

    *******★********★*********★****
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ripon | 43.23.***.*** | ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৭737660
  • ভাল লাগল, আরও লিখুন 
  • Anjan Banerjee | ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:২৮737663
  • ধন্যবাদ 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন