এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সৌপ্তিক কান্ড - ৫ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ মে ২০২২ | ৭৭৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  •  

    আজ সোমবার। বেলা দেড়টা বাজতে চলল। কলতান ব্যাঙ্কশাল কোর্টের উকিল সুদীপ্ত নিয়োগীকে ডায়াল করল। সুদীপ্ত তার ছোটবেলার বন্ধু। বেশির ভাগ সময়েই সে এত ব্যস্ত থাকে যে ফোন ধরতে পারে না। পরে কল ব্যাক করে। ভাগ্য ভাল, সুদীপ্ত এখন সঙ্গে সঙ্গেই ফোন ধরল।
    ------ ' হ্যালো বস্ .... বল ..... কি খবর ? অধমকে কি মনে করে হঠাৎ ..... অনেক দিন দেখা হয় না তোর সঙ্গে ..... '
    ----- ' আরে কি বলব ..... সময় পাইনা একদম .... আর তোরও তো একই অবস্থা .... তাই ..... '
    ----- ' যাক ..... কেমন আছিস বল .... তুই তো একজন ইলাসট্রিয়াস ফিগার এখন। কত জটিল কেস সলভ করছিস। লিগাল স্ফিয়ারে তোর কথা খুব ওঠে নানা ডিসকাসনে .....'
    ------ ' আরে ..... আর বলিস না .... ভীষণ টেডিয়াস জব ..... মাঝে মাঝে খুব এক্সহস্টেড লাগে ..... তবে ফুল স্যাটিসফ্যাকশান আছে এটুকু বলতে পারি। হ্যা ......বায় দা বায় ..... যেটা বলছিলাম ..... আজ কি 'মা তারা কনস্ট্রাকশান কোম্পানি' বলে কোন বিল্ডিং
    প্রমোটার কোম্পানির হিয়ারিং আছে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ? '
    ----- ' কি ..... মা তারা কনস্ট্রাকশান ? হ্যা ... হিয়ারিং হচ্ছে তো ..... একটা থেকে শুরু হয়েছে। সমরেন্দ্র প্রামাণিকের এজলাসে হচ্ছে মোস্ট প্রোব্যাবলি। ফিনান্সিয়াল ডিসঅর্ডার রিলেটেড লিটিগেশান ..... '
    তার সে যে ডিসঅর্ডারই হোক কলতান বুঝতে পারল যে তার অনুমানপ্রসূত সন্দেহ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আদালতে সলিলবাবুদের সত্যিই আজ মামলার দিন পড়েছে।
    ----- ' আচ্ছা .... আচ্ছা ..... এটুকুই জানার ছিল। ইনফর্মেশানটা দরকার ছিল ..... '
    ------ ' মা তারা কি তোর ক্লায়েন্ট ? '
    ------ ' না ..... ওরা ঠিক ক্লায়েন্ট না ..... ওদের একজন পার্টনার আমার পার্টি বলতে পারিস .... ব্যাপারটা এখন ডিসক্লোজ করতে চাইছি না। পরে জানাব সব ...... কিংবা হয়ত খবর পেয়েও যাবি। '
    ------ ' শিওর ....শিওর .... তোর কেস যখন খবর এমনিই ঠিক পেয়ে যাব .... হাঃ হাঃ হাঃ.....'
    ------ ' আচ্ছা ..... সুদীপ্ত .... এখন তা'লে রাখি .... তোর সময় নষ্ট করব না আর ..... পরে আবার কিন্তু তোর হেল্প দরকার হতে পারে ....'
    ------ ' ওকে বস্ ...... ইটস মাই প্লেজার .... '

    কলতান এবার কুলচাকে একটা ফোন করল।
    কুলচা নিশ্চয়ই এখন ইউনিভার্সিটিতে আছে। ক্লাসে থাকলে তো ..... না, এবারেও ফোন একবারেই লেগে গেল।
    ----- 'হাঁ ..... তানমামা বল .....'
    ----- ' হ্যা .... কুলচা শোন ...... তোর সঙ্গে জরুরী দরকার আছে। কাল একবার আসতে পারবি ? '
    ------ ' ওরে বাবা ..... কার মুখ দেখে উঠেছি আজকে .......মিস্টার কলতান গুপ্তের আমার সঙ্গে জরুরী দরকার ! যাই হোক ..... কাল আমি সারাদিন ফ্রি আছি। সকালের দিকেই যাব। '
    ------ ' ঠিক আছে .... চলে আয়। '

    রাত নটা নাগাদ সলিল হালদারের ফোন এল।
    ------ ' হ্যালো স্যার ..... হালদার বলছি। আজকের হিয়ারিংটা হয়ে গেছে। আবার কবে ডেট পড়বে কে জানে। যত্ত হ্যারাসমেন্ট ..... যাক, আপনি তা'লে কবে আসছেন ? '
    ----- ' ও আচ্ছা ..... আমি ..... আমি কালকে যাব তাহলে ..... ওই টাইমেই। '
    ----- ' মানে, এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে ? '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে ..... আসুন। '

    কুলচাকে বাইকে চাপিয়ে কলতান সলিলবাবুর অফিসে এসে হাজির হল। অফিস মানে, একটা নির্মিয়মান বহুতল বাড়ির নীচের তলায় একটা বারো ফুট বাই দশ ফুট ঘর। পাঁচ ছটা ফাইবারের চেয়ার এবং একটা টেবিল রয়েছে। দেয়ালে সাঁটানো তাকে অনেক ফাইল টাইল দেখা যাচ্ছে। সলিল হালদার একাই বসেছিলেন। আর কাউকে দেখা গেল না। কলতানদের বাইক থেকে নামতে দেখে বেরিয়ে এলেন।
    ----- ' আসুন .... আসুন .... চিনতে কোন অসুবিধে হয়নি তো ? '
    সলিলবাবু কলতানের সঙ্গে কুলচাকে দেখে একটু অবাক হয়ে গেলেন। বোধহয় একটু বিব্রত বোধ করছিলেন। বারবার তাকাচ্ছিলেন। কলতান এটা লক্ষ করে বলল, '
    মিস্টার হালদার ... এ হল সম্পৃক্তা সেন। আমার অ্যসিস্ট্যান্ট বলতে পারেন। সম্পর্কে আমার ভাগ্নী। '
    ----- ' ও আচ্ছা .... আচ্ছা .... খুবই কম বয়েস .... নমস্কার ... '
    সলিলবাবু খানিক ইতস্তত করে আলগাভাবে দুহাত জড়ো করে একটু ওপরদিকে তুললেন। কুলচাকে অল্পবয়েসি দেখেই বোধহয়।
    ------ ' সম্পৃক্তা একজন খুব কমপিটেন্ট সাইকোলজিস্ট ..... বুঝলেন সলিলবাবু। থট রিডিঙ জানে। মানে, মনের কথা পড়তে পারে।'
    ------ ' ওরে বাবা ..... তাই নাকি ! তা'লে তো খুব সাবধানে থাকতে হবে। মুশকিলের ব্যাপার হল দেখছি ....। ' হালদারবাবু ছদ্ম ভয়ের ভান করেন।
    তারপর আবার বলেন, ' ঠান্ডা খাবেন তো ? কোল্ড ড্রিঙ্কস আনাই .... '
    ------ ' না না ...... সলিলবাবু .... ওসব একদম না। ইনভেস্টিগেশনে গিয়ে কিছু খাওয়া, বিশেষ করে কোন পানীয় .... আমাদের পেশায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। সুতরাং ....। ব্যাপারটা অন্যভাবে নেবেন না মিস্টার হালদার .....'
    ----- ' না না বুঝতে পেরেছি ..... ঠিক আছে ঠিক আছে ..... '
    কলতান এবার কাজের কথায় আসে।
    ------ ' আপনার আর কোন পার্টনারকে তো দেখছি না ..... '
    ----- ' এখন কাউকে পাবেন না। একজন ফ্যামিলি নিয়ে ট্যুরে গেছে হিমাচল প্রদেশে। একজন নিউটাউনে আমাদের আর একটা সাইটে দেখাশোনা করছে। আর, আর একজন বিকেলে আসে ..... চারটের পর। আমার তখন ছুটি হয়। ' সলিল হালদার জানালেন।
    -----' আপনাদের কটা প্রোজেক্ট চলছে এখন ? '
    ----- ' প্রোজেক্ট আর কোথায় ? এই তো দুটোই কাজ এখন .... এখানে আর নিউটাউনে ....'
    এখানকার কাজে নির্মাণকর্মীদের রীতিমতো ব্যস্ততা চোখে পড়ল কলতানের।
    ------ ' কালকের কোর্ট কেসটা কি ব্যাপারে ছিল ? '
    ----- ' ওই ...... ট্যাক্সের ব্যাপারে .... আর বলেন কেন ..... আমাদের উকিলটা একেবারে ফালতু ..... অপদার্থ। পদে পদে ডোবাচ্ছে সেই প্রথম থেকে। ওই দেবদুলালের কালেকশান এসব ..... '
    ------ ' দেবদুলাল কে ? '
    ------ ' ওই .... যে পার্টনার ট্যুরে গেছে হিমাচলে ..... '
    বলে কুলচার দিকে তাকান সলিলবাবু।
    ----- ' কি ম্যাডাম ..... ঠিক বলছি তো ..... ভুল বললে ধরিয়ে দেবেন কিন্তু .... হাঃ হাঃ হাঃ .... '
    কুলচা কলতানের সঙ্গে কাজ করতে করতে এরকম পরিস্থিতিতে অনেকবার পড়েছে। স্পটে গিয়ে কলতান তাকে আচমকা একটা সম্পূর্ণ অন্য চরিত্রের পোশাক পরিয়ে দিয়েছে।
    আগে বেসামাল হয়ে যেত। এখন অনায়াস এবং অভ্যস্ত হয়ে গেছে।
    সে বলে দিল, ' ভুল ধরানোর সময় এখনও আসেনি। সময় এলেই ঠিক ভুল ধরিয়ে দেব ..... '
    কলতান কুলচার প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব দেখে চমৎকৃত হল।
    সলিল হালদার একটু থতমত খেয়ে গেলেন। মুখে বললেন, ' হাঃ হাঃ ..... দারুণ বললেন কিন্তু .... '
    কলতান এবার সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত একটা প্রসঙ্গে চলে যায়।
    ----- ' আচ্ছা সলিলবাবু .... আপনাদের বিয়ের কত বছর পরে সৌপ্তিকের জন্ম হয়েছিল ?
    ------ ' অ্য ...কি .... সৌপ্তিক ? ওই ... দু তিন বছর পরে হবে ..... '
    ------ ' না মানে .... যদি একটু প্রিসাইজলি বলেন ..... দু বছর না তিনবছর ..... '
    ------ ' দুবছরের মতো হবে ......'
    ------ ' বেশ ..... আপনাদের বিয়ে হয়েছে কত বছর ? '
    ------ ' ওই ..... কুড়ি বাইশ বছর হবে ..... দেখতে হবে ..... '
    ------ ' দেখে জানাবেন তো একটু ..... একটু দরকার আছে। কুড়ি বাইশ বছর হলে তো হিসেবে মিলছে না ..... রেকর্ড অনুয়ায়ী সৌপ্তিকের বয়স হয়েছিল তেইশ বছর। '
    ------ ' হ্যা হ্যা ...... জানাব ..... জানাব .... দেখে নিই ..... গায়ত্রী ঠিক বলতে পারবে ..... '
    সলিল হালদার এইসময়ে আর একবার অস্বস্তিভরা দৃষ্টিতে কুলচার দিকে তাকালেন।
    ------ ' এই অফিস থেকে আর কোন বিজনেস অপারেট করেন ? ' কলতান বলে।
    ------ ' না না ......এটা সামলাতেই জেরবার হয়ে যাচ্ছি। এই থানা পুলিশ, কোর্ট কাছারি, কর্পোরেশান, ইলেকট্রিক অফিস ..... নাজেহাল অবস্থা। আমাদের তো আর তিন পুরুষের রক্তে বিজনেস নেই ...... হঠাৎই এ লাইনে এসে পড়েছি .... '
    ----- ' সেটা খুব সত্যি কথা। '
    ----- ' এখন আমার বাড়িতে যাবেন তো ? '
    ------ ' না আজ থাক। অন্য আর একদিন অবশ্যই যাব। ওই যে প্রেসক্রিপশানগুলোর কথা বলেছিলাম সেদিন ..... ওগুলো নেব সেদিন ..... জেরক্স হলেও চলবে। '
    ------- ' হ্যা হ্যা ...... ওগুলো আমি নিয়ে এসেছি ..... এই নিন .... সব ফটোকপি .... '
    কলতানকে হতবাক করে দিয়ে সলিলবাবু খটাশ করে তার অ্যটাচি খুলে একতাড়া কাগজ বার করে কলতানের দিকে এগিয়ে ধরল।
    ------ ' গত তিন বছরের আছে ..... দেখুন যদি আপনার কোন কাজে লাগে। আমি সবরকম ভাবে আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আফটার অল গরজটা তো আমারই ......'
    ------ ' থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ মিস্টার হালদার ....'
    ------ ' আপনাকে আর বেশি ট্রাবল দেব না ..... একটা কথা জিজ্ঞেস করছি ..... '
    ------ ' হ্যা বলুন না ...... '
    ----- ' দীপ্সিতা রায়কে আপনি চেনেন .... মানে নাম শুনেছেন ? '
    ------- ' দী..প ..সিতা ! ! সে আবার কে ? সে কি এই কেসের সঙ্গে জড়িত ? '
    ----- ' না .... তা ঠিক না ..... আমাদের কাজই
    তো সব জায়গায় টোকা মেরে দেখা ..... আচ্ছা ঠিক আছে ..... আজ উঠি আমরা ..... আর একদিন এসে আপনার বাড়ি যাব। '
    ----- ' কি আর বলব ..... দেখবেন একটু .... যাতে ন্যায়বিচার পাই ..... '
    বলে আড়চোখে কুলচার দিকে দেখলেন হালদারবাবু। ছদ্ম ভীতিতে কিনা কে জানে !
    ( ক্রমশঃ )
    ***********************************************************************************

     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Anjan Banerjee | ১৫ মে ২০২২ ১০:১১507643
  • দিয়েছি। ভাল থাকবেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন