বাঙালি একটি মদ্যপায়ী প্রাণী : আবু মুস্তাফিজ
বুলবুলভাজা | | ১৮ অক্টোবর ২০১৪ | ১৩৩৬ বার পঠিত | মন্তব্য : ৪
আমরা তখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আশ্রিত। পড়ালিখারে ভ্রান্ত জ্ঞান করিয়া এধার ওধার ঘুরে বেড়াই। আর জনমনে ভ্রান্ত ধারণা ছড়াই। হাতে কিছু পয়সাপাতি এলে বন্ধু বান্ধব মিলে বুড়ির বাড়ি দৌড়াই।
দিলীপ প্রচুর ঠকাতো বলে বুড়ির বাড়িই হলো আমাদের শেষ ঠিকানা। আহা বুড়ির বাড়ি। সে একটা বাড়ি ছিল বাহে। নিকোনো উঠান, ছায়াঘেরা মায়াঘেরা একটা বাড়ি। একটা ইয়া বড় মূলা ক্ষেত এবং আরও চার পাঁচটা সর্ষেক্ষেত পেরিয়ে বুড়ির বাড়ি। তার আগে অবশ্য আপনাকে একটা মজা খাল পেরুতে হবে। এবং এর আগে পেরুতে হবে খিস্টানদের কবরস্থান ও সাধু পৌলের গির্জা। রাত দুটোর সময়। রাজাসন বাজার থেকে। সাভার বাসস্ট্যান্ড থেকে যার দূরত্ব প্রায় দু/তিন কিলো। প্রেম এক্কার মতো একজন একচোখা দৈত্য যখন রিকশাওয়ালা। অত রাতে কেবল চাঁদ আর প্রেম এক্কা সঙ্গী। আপনার আর কোনও বন্ধুই যেতে চাইবে না। তখন আপনার বুকও খামচে ধরতে পারে ভূত এবং অজানা আশঙ্কার ভয়। চারপাশ শুনশান। সামনে সাধু পৌলের গির্জা, ভয় জাগানিয়া। পাশ দিয়ে মাটির রাস্তা। পেঁয়ারা বাগান আর কবরস্থান। পার হয়ে রিকশা চলে যাবে পিটারদের বাড়ি। প্রেম এক্কা নেমে রিকশাটাকে ভাল করে বাঁধবে ওদের বাড়ির সুপারি গাছের সঙ্গে। তারপর বললেন, দাদা চলেন।
অল্ফ বাঘের গল্ফ : আবু মুস্তাফিজ
বুলবুলভাজা | ইস্পেশাল : পুজো ২০১০ | ০১ অক্টোবর ২০১০ | ১০৮১ বার পঠিত
একটা ঘুড়া আপন মনে ঘাস চাবাইবার নুইছিল। হঠাশ একটা বাঘ আইসা কইল, মামা আমি আফনের কান্দে চড়ি এট্টু? ঘুড়া ঘাস খাউয়া বাদ দিয়া বুবা হইয়া রইল কতক্ষণ। তাহাদে কইল, ধেইশ হারামজাদা। তরে কান্দে চড়াই আর তুমি আমার ঘাড়ের মইদ্যে কামুড় দিয়া জানডা কবজ করো আর কি! আমারে ভুদাই পাইছো?
বাঘ কয়, কী যে কন না মামা? এইন্না এট্টা কতা কইলান? আফনে জানেন না যে আমাগো হদা গুষ্টিতে কেউ আর মান্সো খায় না। আমরা বইদ্য ধর্ম গ্রহণ নিছি তিন পুরুষ আগে।
-হু কইছে! তর বড্ডাই না গতবছর এট্টা কুত্তা ধইরা খাইছিল দিক্যা মাইনষ্যে তারে বাইড়িয়া মাইরা হালাইছে। ঘুড়া জুয়াব দেয়।