পঁচিশ বছর ধরে সারা অঙ্গে দূরারোগ্য বাতে আমার সারা শরীরে ব্যথা। যা এই শীতে বেড়েছে। বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারিনা। ২০০২ তে নাম না থেকে আনম্যাপড হওয়ায় কাল এসআইআর হিয়ারিং। একজনকে নিয়ে যাচ্ছি যে আমার হয়ে দাঁড়াবে। যদি পাবলিক এ্যালাউ করে। আমার বয়স ৬৪। অবসরপ্রাপ্ত উপসচিব, পশ্চিমবঙ্গ সরকার। উপসচিব বলতে নিজের পরিচয়ের সত্যতা বুঝিয়েছি। ঘ্যাম দেখানোর জন্য নয়। আমার থেকে অনেক হনু আবার একদম নিম্নবর্গের ও আমার থেকে অনেক অসুস্থ/অক্ষম মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে ইসিআই। গণতন্ত্র বলতে এই কমিশন যে সরকারের বকলমা নিয়ে কাজ করে, তাঁরা বোঝেন লাইনে দাঁড় করিয়ে ভোগা দেওয়া। এই অসংবেদনশীলতার ভোগান্তির নাম কি গণতন্ত্র ? ... ...
২০০২ আই আরয়ের সময় নাম বাদ দেবার আগে নিশ্চয় হিয়ারিং হয়েছিল। তবে সেসব বিশেষ কেউ জানতেও পারেনি। এখন যদি বলি ওইসময়ে হিয়ারিংকে ম্যানিপুলেট করেছিল সিপিএম তাতে এমনকি কিছু নকশালপন্থী ঘনিষ্ঠ লোক সাধারণ বাম ঐক্যের স্বার্থে লাফাতে লাফাতে এসে সব দোষ এআইয়ের ওপর চাপাচ্ছে । ২০০২ সালে এআই ছিল না, পরে এসেছে। তাছাড়া ২০০২ এ যে লাখ লাখ নাম হাতে কাটা ছিল তা নামে কমিশনের হলেও সে হাতটা কার ? ওরা ভুলে যাচ্ছে বাম ঐক্যের ডোমেনে শাসক বামফ্রন্টিদের যাবতীয় কুকীর্তির দায় মূলত সিপিএময়ের। সেজন্য সিপিএমকে দোষ স্বীকার করতে হবে নইলে ঐক্য হবে ঘন্টা। আমি লক্ষ্য করছি কলকাতার কিছু মিডিয়া পারসন সিপিএমকে ... ...
সম্ভবত জানুয়ারি ৩ তারিখ ২০২৬ এসএইআর হিয়ারিংএ যাচ্ছি। কোন নোটিস ছাড়া নিঃশব্দে আমার মতো ৬৯ লাখ লোকের নাম কাটা গিয়েছিল ২০০২ তে। সেসময় কারা মাতব্বর ছিল ? ... ...
মুরশিদকুলি খানের আগে বাংলায় শক্তিশালী মোঘল কেন্দ্রের যুগে প্রশাসনিক / ভূমি বন্দোবস্ত১) প্রধান দুই ভাগঔরঙ্গজেবের আমলে সব সুবার মতো বাংলার প্রশাসনও নিজামত আর দেওয়ানি দুভাগে বিভক্ত ছিলো। নিজামতের প্রধান ছিলেন সুবেদার আর দেওয়ানির প্রধান ছিলেন দেওয়ান। দুজনকেই শাহী দরবার থেকে নিযুক্ত করা হতো।২) নিজামতের ন্যস্ত দায়িত্বনিজামতের কাজ ছিলো শাহী দরবার নিযুক্ত মনসবদারদের অধীন সওয়ারদের তদারকি, সামরিক কাজ পরিচালনা আর আইন শৃঙ্খলা রক্ষা।৩) দেওয়ানির ন্যস্ত দায়িত্বদেওয়ানিতে মূলত হিন্দু রাজকর্মচারীদের দিয়ে জমিদারদের কাছ থেকে মালজমির (খোদ বাদশাহের হকের খালসা বা মনসবদারের হকের জাগীরের জমি) খাজনা-খারাজ আর হাট, গঞ্জ, বাজার আর জলচৌকি (জলপথে বাহিত পণ্যের ওপর শুল্ক আদায় ও নিরাপত্তার জন্য চৌকি ব্যবস্থা) থেকে সায়ির (বাণিজ্য ... ...
টেলিগ্রাফে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ( লিংক প্রথম কমেন্টে ) ২০২৫ শের ভোটার তালিকার ৪৫ শতাংশ ভোটাদের সঙ্গে ২০০২ এর তালিকার ম্যাপিং করা যাচ্ছে না। ২০২৪এর ভোটার ছিল কমবেশি ৭,৬০,০০,০০০ সাত কোটি ষাট লাখ। সেই সংখ্যাটা বেড়েছে। তবু তর্কের খাতিরে যদি ধরে নিই একই আছে তবে তার ৪৫ শতাংশ মানে ৩,৪২,০০,০০০ তিন কোটি বিয়াল্লিশ লাখ সেটাকেও কমিয়ে ধরছি তিন কোটি। এদের হিয়ারিংএ ডাকা হবে। যারা হিয়ারিং নেবেন সেই ভোটার নিবন্ধীকরণ আধিকারিক ... ...
ছবি : শায়েস্তা খান সূত্র উইকিমিডিয়া কমন্স ইরানি শায়েস্তা খান ছিলেন নুর জাহানের ভাই আর মুমতাজ মহলের বাবা বিখ্যাত আসফ খানের ছেলে। উত্তরাধিকারের লড়াইয়ের সময় ঔরঙ্গজেবের সমর্থক আর অতি বিশ্বস্ত। ঔরঙ্গজেবের সেই মামুজান শায়েস্তা খান পুনেতে শিবাজির বর্গিগিরি – আচমকা আক্রমণে কোনক্রমে জান বাঁচিয়ে, বেইজ্জত হয়ে চালান হয়েছিলেন জল জঙ্গল আর পর্তুগিজ হার্মাদ আর মগ দস্যু পীড়িত সুবে বাংলায় সুবেদার হয়ে। যাবার আগে দরবারের তরিকা মতো বাদশাহ দেখা পর্যন্ত করেন না তাঁর মামুর সঙ্গে। অথচ দেখা যাচ্ছে ষোল শো তেষট্টিতে বাংলায় এসে হতমান শায়েস্তা খান ভালোই পাকড় জমিয়ে দিলেন। সবকটা ফিরিঙ্গী শক্তিকে জব্দ করতেন তিনি। এর বিরুদ্ধে তাকে ব্যবহার করেন অথচ বাণিজ্যে অনুমতি দিতেন সবাইকে ... ...
মীর টাকি মীর জবানকে -কথার মহিমাকে যদি কাব্যে এনে ফেলতে পারেন তবে পদাবলী মাধুর্য দিয়ে সমকালে রামপ্রসাদও তাই করলেন। বাল্মীকির 'মা নিষাদ' জবান যদি পেল্লায় রামায়ণ কাব্য বানানোর শুরুয়াত , তবে ফিরিঙ্গী অত্যাচারে মা মা ডাক ছাড়তে ছাড়তে লাখে লাখে মরতে থাকা লোকের জন্য নিজের বড় দুঃখে ওই সাধক কালী আর উমার গোটা ধারণায় কী একটা যেন করে দেন । ফলে ভয়ঙ্করী দেবী মূর্তি একেবারে ঘরের ভেতর, ঘরের মেয়ে হেন ঢুকে বসে থাকছে । সতেরোশো সত্তরের মন্বন্তরে সুবে বাংলার এক কোটি লোক মরে পড়ে পড়ে পচতে থাকে। সারা জাহান অন্ধকারের ভেতর সেঁধিয়েছে , সেই তখন তমসার দেবীদের বাংলার ঘরে ঘরে ... ...
দিল্লীর বৈশিষ্ট্য হলো যে সে কোন একটা নির্দিষ্ট এলাকা ভিত্তিক শহুরে বসতি নয়। তবে সে কী? অনেক দিন ধরে, অনেক রাজবংশের আমলে তৈরি নানা শহরের যোগফল হলো শহর এ দিল্লী বা দিল্লী মহানগরী। দিল্লীর ইতিহাসকে হাজার তিনেক বছর পেছনে সিন্ধু সভ্যতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যায়। লোককথা সূত্রে এ হলো পাণ্ডবদের রাজধানী ইন্দ্রপ্রস্থ নগরী। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ হয়েছিল এই ইন্দ্রপথ সহ আরো চার পথ বা জায়গায় যারা পানিপথ, সোনপথ, তিলপথ আর বাগপথ বলে পরিচিত। দিল্লীর পুরোনো কেল্লার আসপাশে ইন্দ্রপথ বলে একটা গ্রামের অস্তিত্বের জন্য অনেকে এই লোককথার কল্পনার ইতিহাসকে সত্যি বলেও মানে। একসময় নানা যুগের সাত শহর নিয়ে গড়া দিল্লীর ধারণা সবাই ... ...
স্বদেশীকতা বা প্যাট্রিয়টিজম এক অতি প্রাচীন ধারণা। সিরাজদ্দৌলা যখন ব্রিটিশদের সঙ্গে লড়তে গেলেন তখনও তাঁর মানসিকতায় এক মোঘল সাম্রাজ্যীয় স্বদেশীকতার কথা বললেন ঐতিহাসিক রজতকান্ত রায়। আর এক ইতিহাসকার সি এ বেইলি সিরাজ বা মহাবিদ্রোহের সময় হিন্দু মুসলিম সব কৌওমের লোকেদের একজোট হয়ে লড়াইকে টুপিওলা ফিরিঙ্গীদের বিরুদ্ধে পাগড়িওলাদের ঐক্যের কথা বলেছেন। নেশনের ধারণা এসেছে সুরেন্দ্রনাথ বাড়ুজ্জের হাত ধরে কংগ্রেস হয়ে। রামমোহনেও নেশনের ধারণা ছিল না। তিনি বিলেতে মোঘল বাদশাহের হয়ে দরবার করতে গিয়ে ১৮৩১ সালের জুন মাসে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বড় কত্তাদের কাছে লেখা চিঠিতে নেশনস অফ হিন্দুস্থানের কথা বলেছেন। পঞ্চাশ বছর পর ,যিনি কিনা রাষ্ট্রগুরু সেই সুরেন্দ্রনাথ গড়ে উঠার ... ...
ভয়ানক রুশ ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে বসে জনৈক রুশ সেনার গাওয়া গানকেমন আছিস, কেমন তুই সোনাতুলোর মতোন পেঁজা মেঘে হয়তবাড়ির ওপর শরৎ আকাশ ঢাকছে। সকালের সোনা রোদে পথ করে লাইশাইচেনস্কেতে তারা টুকরোরা পড়ছে।কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি। সকালের সোনা রোদে পথ করে ভিটলোডাস্কে তারা টুকরোরা পড়ছে।কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি।গতকাল রাতে বন্ধু মরেছে ইউক্রেন বাচ্চাদের পোঁতা মাইনে।বেড়াতে গিয়ে ফিরছে এরোপ্লেনে গায়েকালো টিউলিপ রঙা জামা এক ভাইবাজি ধরেছি আমি আর দোস্ত ম্যাক্সিমফেরে যেন সে নিরাপদে। কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি। বাজি ধরেছি আমি আর দোস্ত ম্যাক্সিমফেরে যেন সে নিরাপদে।কথা দে, মাকে বলবি না আমি বাখমুটে যাচ্ছি।ও ঘাড় ঘুরিয়ে চলে যাবে, ... ...