পর্ব-৩ একটা শিষ্যকুল না থাকলে নামের শেষে আনন্দ বসিয়ে স্বঘোষিত স্বামীজী হওয়া যায় না। আমারও একটা পার্মানেন্ট শিষ্যকুল আছে, তবে তার সাইজ মেরেকেটে দুই – একজন শিষ্য, আরেকজন শিষ্যা, শিষ্যের নাম হিজিবিজি - দেখতে প্যাংলা মতন। প্যাংলা শব্দটা বাংলা অভিধানে আছে কিনা আমি কখনও চেক করিনি। আমাদের স্কুলে দেবু আমাকে বলেছিল প্যাংলা হল তারা, যাদের দেখবি কোন মেয়ে পছন্দ করে না। যদিবা কখনও করে, সে অন্য কোন সুবিধা নেওয়ার জন্য। যেমন দেখবি যারা প্যাংলা, কিন্তু পড়াশোনায় খুব মনযোগী, তাদের সঙ্গে মেয়েরা মিশতে চায়। কিন্তু ওই স্কুল জীবনেই। তারপরে যেই একটা সত্যিকারের ভাল ছেলে পেয়ে গেল অমনি প্যাংলা কে ল্যাং মেরে নতুনটার ... ...
পর্ব-২আমার নামের অদ্ভুত্ব নিয়ে আমি প্রথম অবহিত হলাম কলেজের প্রথম দিনে। কলেজের প্রথম দিনে যে মেয়েটির সাথে পরিচয় হল তার নাম ঊর্মি। আমার নাম শুনে সে, সুচিত্রা সেনের মত হেসে বললঃ এ মা, তোর নাম ভুরভুরা ? তোকে তো সবাই খেপাবে। আমি বললাম, খেপাবে কেন ? ভুরভুরা তো আমার নাম। আমার স্কুলে, আমাদের পাড়ায় তো কেউ আমায় খেপায় না। ঊর্মিলা বলল, দেখ্ কলেজ তো অনেক বড় জায়গা। তারপর একটু ভেবে আমাকে ব্যাপারটা ভাল করে বোঝানোর জন্য বলল, স্কুল হল গিয়ে গ্রাম, আর কলেজ হল গিয়ে শহর। এখানে সব কিছু আধুনিক। তোর নামটা বড় ... ...
নামের ইতিহাস (এটা ফেসবুকেও ছিল সেখান থেকে কপি করে দিলাম) আমার পোশাকী নাম ভুরভুরা। ভুরভুরা যে কিভাবে ভুলেভরা হয়ে গেল, সে এক কাহিনী। তবে আগে বলে নিই, আমি কিন্তু বাঙ্গালী, নিছকই মাছভাত খাওয়া পিওর বাঙ্গালী। আমার নাম ভুরভুরা কপাট। ছোটবেলায় মুখ দিয়ে ভুর্ রর ভুর্ রর…শব্দ করে আমি নাকি অন্যদের প্রভূত আনন্দ দিতাম। তাই আমার ডাকনাম হয়ে গেল ভুরভুরা। মুখেভাতের সময় নামকরণের চল তখনো চালু হয় নি। পোশাকী নামের প্রথম প্রয়োজন ... ...