এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হিজিবিজি ভাবনা এলোমেলো কথা - পর্ব ২

    bhurbhura ashram লেখকের গ্রাহক হোন
    ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | ৫০ বার পঠিত
  • পর্ব ১ | পর্ব ২
    পর্ব-২

    আমার নামের অদ্ভুত্ব নিয়ে আমি প্রথম অবহিত হলাম কলেজের প্রথম দিনে। কলেজের প্রথম দিনে যে মেয়েটির সাথে পরিচয় হল তার নাম ঊর্মি। আমার নাম শুনে সে, সুচিত্রা সেনের মত হেসে বললঃ এ মা, তোর নাম ভুরভুরা? তোকে তো সবাই খেপাবে। আমি বললাম, খেপাবে কেন? ভুরভুরা তো আমার নাম। আমার স্কুলে, আমাদের পাড়ায় তো কেউ আমায় খেপায় না। ঊর্মিলা বলল, দেখ্‌ কলেজ তো অনেক বড় জায়গা। তারপর একটু ভেবে আমাকে ব্যাপারটা ভাল করে বোঝানোর জন্য বলল, স্কুল হল গিয়ে গ্রাম, আর কলেজ হল গিয়ে শহর। এখানে সব কিছু আধুনিক। তোর নামটা বড় বেখাপ্পা। এখানে মানায় না। আমি মনে মনে একটু দমে গেলাম। সেদিন কথা আর বেশী এগোল না। তবে ঊর্মির কথা ফলল না। দেখলাম ঊর্মি ছাড়া আমার নাম নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই। সবাই আমাকে খুব সহজেই ভুরভুরা বলে ডাকত। ঊর্মি শুধু মাঝে মাঝে বলতো তোর নামটা একটু আর্টিস্টিক হলে ভাল হত, ভুরভুরা নামটা কেমন যেন!

    আমাদের ফিজিক্স পড়াতেন কৃষ্ণেন্দু স্যার। যেমন হ্যাণ্ডসাম চেহারা তেমনি নাকি লেখাপড়ায় তুখোর। ‘নাকি’ বললাম এই কারণে যে তার একাডেমিক সার্টিফিকেটগুলো খতিয়ে দেখার সুযোগ আমার হয়নি। এগুলো সব শোনা কথা। মাধ্যমিকে ফার্স্ট, উচ্চ মাধ্যমিকে থার্ড, জয়েন্টে ৩০ রাঙ্ক করেও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন নি, তারপর প্রেসিডেন্সি থেকে বি এস সি, রাজাবাজার সাইন্স কলেজ থেকে এম এস সি। দুটোতেই ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট। যে কোন দিন চলে যেতে পারেন বিদেশে। ছেলেমেয়েরা কৃষ্ণেন্দু স্যার বলতে অজ্ঞান। “উঃ অ-সাম, কি অসাধারণ বোঝান।“ সত্যি বলতে কি আমি সবার সাথে সহমত ছিলাম না। আমি অবশ্য ফিজিক্সে বরাবর কাঁচা, অপেক্ষাকৃত সহজ টপিকগুলোও আমার মাথায় ঢুকতো না। ক্লাস টেনে আমাদের পড়তে হত একটা থেমে থাকা বাসকে ভিতর থেকে ঠেলে কেন নড়ানো যায় না। আমদের ক্লাসে যারা ফার্স্ট সেকেণ্ড থার্ড হত তারা খুব সহজে এর উত্তর লিখে ফেলত। স্যার বেশ কয়েকবার বোর্ডে ছবি এঁকে বুঝিয়েছেন কেমন করে প্রদত্ত বল লম্বালম্বি ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু ওই যে বললাম কনফিউসন, আমি ছিলাম ভীষণ কনফিউসড। সত্যি কথা বলতে কি, এই প্রশ্নটার সঠিক বৈজ্ঞানিক উত্তর আমি আজকেও জানিনা, কিন্তু আমার কনফিউসন কেটে গেছে। কি করে কাটল সেই গল্পটা বলি।

    একদিন ক্লাস তখন শেষের মুখে, আমি আর দেবু শেষের বেঞ্চে বসে স্যারের কথা শোনার ফাঁকে ফাঁকে কাটাকুটি খেলছিলাম। আমার দান দিতে দেরী হচ্ছে দেখে ও বোধহয় আমাকে তাগাদা দিচ্ছিল। ব্যাস, স্যার দেখে ফেলল। হঠাৎ দেখলাম ডাস্টারটা উড়ে এসে পড়ল দেবুর সামনে। স্যার দেবুর দিকে কড়া চোখে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন, এই জানোয়ার, বল্‌, একটা থেমে থাকা বাসকে ভিতর থেকে ঠেলে কেন তুই নড়াতে পারবি না? আমি মনে মনে প্রমাদ গুনছি, দেবুর পক্ষে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কিছুতেই সম্ভব নয়। ওটা ছিল দেবুর ক্লাস নাইনে দ্বিতীয় বছর। আর দেবু না পারলেই প্রশ্নটা আমাকে করা হবে এবং না পারলেই চড়থাপ্পর। আমাদের সময়ে কথায় কথায় গার্জেন কল্‌ হত না, যা করার স্যারেরাই করে দিতেন। আমি ভয়ে কাঁটা হয়ে আছি।

    কিন্তু সবাইকে অবাক করে দেবু বললঃ নিউটনের প্রথম সূত্র অনুসারে, স্যার।

    স্যারঃ নিউটনের প্রথম সূত্র? কি করে? বুঝিয়ে দে।

    দেবুঃ নিউটনের প্রথম সূত্র অনুসারে, স্যার, বাহির হইতে বলপ্রয়োগ না করিলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকিবে এবং চলমান বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় চলিতে থাকিবে। নিউটন বলেছেন স্থির বস্তুকে চলমান করিতে হইলে বাহির হইতে বলপ্রয়োগ করতে হবে। সুতরাং ভিতর হইতে ঠেলা দিলে আমি কেন স্যার, কেউই বাসকে নড়াতে পারবে না। পুরো ক্লাস একসাথে হেসে উঠল। হাসলাম না শুধু আমি আর স্যার। স্যার অবাক চোখে দেবুর দিকে তাকিয়ে থাকলেন। আর আমিও তাকিয়ে থাকলাম চোখে একরাশ শ্রদ্ধা নিয়ে। অপূর্ব ! অসাধারণ উত্তর - আমার সমস্ত কনফিউসন এক নিমেষে উবে গেল। তত সময়ে ক্লাস শেষের ঘন্টা বেজে গেছে। দেবুর দিকে একবার ক্রূদ্ধ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে স্যার ক্লাস ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন। আমার অবাক চোখের দিকে তাকিয়ে দেবু ব্যাখ্যা করল, আজ সকালেই বাবার তিনটে থাপ্পর খেয়ে নিউটনের প্রথম সূত্রটা মুখস্ত করেছি। স্যারকে কেমন ভড়কে দিলাম বল্‌ দেখি! আমি বললামঃ দারুণ!

    দেবুর গল্পটা এখানে উদ্ধৃত করলাম এটা বোঝাতে যে কনফিউসন আসলে মনের মধ্যে প্রশ্নের আনাগোনা, যে প্রশ্নের উত্তর জানাটা আমার খুবই দরকার। সবাই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে চায় না, সব প্রশ্নের উত্তর জানাটা সকলের জন্য জরুরীও নয়। কিন্তু যে কথাটা জানা জরুরী তা হল, একেবারে সঠিক উত্তর বলে কিছু হয় না। আমাদের দরকার আমাদের বিশ্বাস নির্ভর কিন্তু যুক্তিগ্রাহ্য একটা উত্তর। এই বাক্যটা লজিক-সিদ্ধ হল কিনা জানিনা, কারণ বিশ্বাস আর যুক্তি দুই বিপরীত শব্দ। কিন্তু আমার মনে হয় এই দুই শব্দের মধ্যে কোন শত্রুতা নেই। সমস্ত যুক্তিই কোন না কোন বিশ্বাস নির্ভর।

    ফিজিক্সে আমার চিরকালীন দুর্বলতার আরেকটা প্রমাণ দিতে হল কৃষ্ণেন্দু স্যারের ক্লাসে। সেখান থেকেই আমার নাম ভুরভরা থেকে হয়ে গেল ভুলেভরা। পরবর্তীকালে অনেকেই আমাকে ভুরভুরার বদলে ভুলেভরা নামে ডেকেছে এবং এই গল্পটা না জেনেই। তাদের মধ্যে যেমন ছিল আমার ইউনিভার্সিটির বন্ধুরা, অফিসের কলিগেরা, এমন কি নিকট আত্মীয়পরিজনেরাও। সেই গল্পটাই বলি। কৃষ্ণেন্দু স্যারের একটা হবি ছিল নামের সাথে মিল খুঁজে বার করা, আর রোলকল করার সময় সেই মিল ধরে নাম ডাকা। যেমন ধরুন, কারও নাম শীলা। কৃষ্ণেন্দু স্যার নাম ডাকলেন, রোল নাম্বার বারো, শীলা। তারপর শীলা হাতের আঙ্গুলের দিকে তাকিয়ে বললেন, বাঃ তোমার আঙটিটা খুব সুন্দর, কি পাথর ওটা? নীলা? শীলা হয়ত সরল মনেই উত্তর দিল, না স্যার, এটা গোমেদ। স্যার বলবেন সে তো দেখেই বোঝা যাচ্ছে, কিন্তু তোমার নামের সাথে গোমেদ যায় না, নামের সাথে মিলতে হলে ওটা হবে নীলা। সারা ক্লাসে সবাই হেসে উঠল। কৃষ্ণেন্দু স্যারের সেন্স অফ হিউমার ছিল অসাধারণ। উনার পড়ানোটা আমার মাথায় না ঢুকলেও, আমিও ছিলাম তার হিউমারের ফ্যান। ক্লাসের প্রায় সব ছেলেমেয়ের নামই তার কাব্যপ্রতিভার জাঁতাকলে কমবেশী লাঞ্ছিত হয়েছে। অল্প যে কয়েকজন বাকী ছিল তারমধ্যে ছিলাম আমি আর ঊর্মি। সেদিন ছিল আমাদের দিন। স্যার নাম ডাকলেন, রোল নাম্বার সাত, ভুরভুরা। আমি প্রেসেন্ট স্যার বলতেই, উনি বললেন, তোমার মন সদাই থাকুক ফুরফুরা। যেমন প্রায়দিনই হয়, সবাই হেসে উঠল। ঊর্মি বসত ফার্স্ট বেঞ্চে। সে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, শব্দটা কিন্তু স্যার ফুরফুরে। ফুরফুরা বলে কোন শব্দ বাংলা অভিধানে নেই। স্যার একটু থমকে গেলেন বটে, তারপর বললেন, আচ্ছা রেজিস্টারে তোমার নাম ঊর্মি। কিন্তু ছোটবেলায় তোমার নাম ছিল তো ঊর্মিলা। তার ছোটবেলার নাম কৃষ্ণেন্দু স্যার কি করে জানল, হয়ত সেটা ভাবতে গিয়ে ঊর্মি ভ্যাবাচাকা খেয়ে বলল হ্যাঁ। কৃষ্ণেন্দু স্যারঃ তবে তুমি বোসো, ঊর্মিলা, তোমার মাথার স্ক্রু ঢিলা। ক্লাস জুড়ে হাসির রোল উঠল।

    সেদিনের টপিক ছিল ম্যাগনেটিস্‌ম্‌। ক্লাসের শেষের দিকে স্যার বলতে লাগলেনঃ তোমরা যদি কখনো উত্তর মেরুতে বেড়াতে যাও আর সেখানে গিয়ে মাটির মধ্যে একটা লোহার রড পুঁতে দিয়ে আস, আবার একমাস পরে গিয়ে রডটাকে টেনে বার কর, ওটা দেখবে চুম্বকে পরিণত হয়েছে। লোহার রডের যে প্রান্তটা মাটির মধ্যে ছিল, সেটা হবে গিয়ে ওই চুম্বকের সাউথ পোল, আর যেদিকটা বাইরে ছিল, সেটা হবে নর্থ পোল। তারপর ঊর্মির দিকে তাকিয়ে বললেনঃ ঊর্মি তুমি তো দক্ষিণ মেরু যাবে বলে ঠিক করেছ। সেখানে গিয়ে যদি একটা লোহার রড পুঁতে দিয়ে আস, তাহলে কি হবে? ঊর্মি সঠিক উত্তর দিল, ভিতরের দিকটা নর্থপোল আর বাইরের দিকটা সাউথ পোল হবে। আমার মাথায় কি এক পোকা কিলবিল করে উঠল। একটা উদ্ভট প্রশ্ন করে বসলামঃ কিন্তু স্যার, লোহার রডটা যদি সোজা না হয়ে বাঁকানো হয়, মানে যদি রডটাকে বাঁকিয়ে তার দুই প্রান্তকেই মাটির মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে কি হবে? দুই প্রান্তেই কি নর্থ পোল তৈরী হবে? তাহলে সাউথ পোল কোনটা হবে? কৃষ্ণেন্দু স্যার খানিক্ষণ ভাবলেন, তারপর বললেনঃ ভুরভুরা, তোমার প্রশ্ন ভুলে ভরা। প্রশ্নে ভুলটা যে কি ছিল, সেটা আজও আমার জানা নেই, তবে সেইদিন থেকে আমার নাম হয়ে গেল ভুলেভরা। প্রথম প্রথম একটু অস্বস্তি হলেও, সয়ে গেল। পরে আমি নামটার সাথে একটা আনন্দ জুড়ে সন্ধি করে নিলাম। রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীদের নামের শেষে আনন্দ থাকে, যেমন লোকেশ্বরানন্দ, যেমন মুমুক্ষানন্দ। আনন্দ শব্দটার মধ্যে দিয়ে সন্ন্যাস জীবনের একটা স্তরকে বোঝানো হয়। এটা একটা উপাধিও বটে। বাড়িঘর ছেড়ে যখন আপনি প্রথম সন্ন্যাসী হবেন তখন মাথা নেড়া করে আপনাকে পরতে হবে সাদা ধুতি এবং সাদা পাঞ্জাবী। এই পর্বে আপনার নামের আগে বসবে ব্রহ্মচারী। এইভাবে এক যুগ অর্থাৎ বারো বছর কাটাতে হবে। তারপরে আপনার অধিকার জন্মাবে গেরুয়া বসনে। তখন আপনার হবে পরিধান গেরুয়া ধুতি এবং গেরুয়া পাঞ্জাবী, আপনি একটা নতুন নাম পাবেন যার শেষে সন্ধি করে থাকবে আনন্দ এবং আক্ষরিক অর্থেই একটা উপাধি, সেটি হল মহারাজ । এটা বলতে পারেন সন্ন্যাস জীবনের গ্রাজুয়েশন বা পোস্ট-গ্রাজুয়েশন। রামকৃষ্ণ মিশনের ব্রহ্মচারী এবং মহারাজেরা ধুতি পরেন লুঙ্গির মত করে (যেমন ভাবে ধুতি পরেন দক্ষিণ ভারতের লোকেরা) এবং এই পোশাক নির্দেশিকা মেনে চলা এখানকার শৃঙ্খলাপরায়ণতার অঙ্গ। রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্রদের পাজামা বা লুঙ্গি পরা নিষদ্ধ। তাদের ট্রাউজার্স পরে থাকতে হবে অথবা ধুতি পরতে পারে। কিন্তু ধুতি পরতে হবে বাঙালীদের মত কাছা দিয়ে। ব্রহ্মচারী পর্যায়ের আগেও বোধহয় একটা পর্যায় আছে। তখনো আপনাকে পরতে হবে সাদা ধুতি সাদা পাঞ্জাবী, মস্তকমুণ্ডন বাধ্যতামূলক নয়, কিন্তু ধুতি পরতে হবে কাছা দিয়ে।

    আমার নামের শেষে যে আনন্দ, তা কিন্তু নিছক আনন্দ করেই লাগান। আমার ভার্চুয়াল গুরুদেব আমাকে প্রথম যে মেসেজটা দিয়েছিলেন, সেটা হল সদা আনন্দে থাকো। যারা দেখবি কষ্টে আছে, তারা আসলে কনফিউসড্‌ । আমি বললাম ঈশ্বর কেন তবে কনফিউশন তৈরী করেছেন? গুরুদেব বললেন, দূর বোকা, কনফিউশন না থাকলে মানুষ এগোত নাকি? কনফিউশন আছে বলেই না ডাক্তার আছে, পুলিশ আছে, নেতারা আছে, আমরা আছি। সব সৃষ্টির মূলে আছে কনফিউসন। যাঃ তোকে আর কনফিউসড্‌ হতে হবে না। ভুরভুরা, তুই ভুলেভরা আনন্দে থাক্‌। ভুল করবি আর আনন্দে থাকবি। ঠিক করার আনন্দ খুব ক্ষণস্থায়ী। সেই থেকে আমি স্বঘোষিত আনন্দ - ভুলেভরানন্দ। নাম নিয়ে আর আমার কোন কনফিউসন নেই। ভুলেভরাই সই
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    পর্ব ১ | পর্ব ২
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পর্বগোল | 108.16.***.*** | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:৫০737797
  • এইটে কার কার লেখার সাথে যেন জুড়ে গেল - ইনারা সব একই মানুষ? মানে, হতেই পারেন, তবে লেখাগুলো অন্য ধাঁচ, এগুলো কি একসাথে যাবে? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন