আমি বেঁটে আর খাটো। মোটের ওপর মোটা মাথা,পেট রোগা অনেকটা হসন্ত-এর মতো
তেমন কিছুই না। কবিতা লিখি। উপন্যাস লেখার ইচ্ছা পোষণ করি। সর্বদাই আগন্তুক। বেখাপ্পা। দশজনের মধ্যে এগারোতম। বলাই বাহুল্য, ব্যর্থ।
দেশের জন্য ভাষার জন্য প্রেমে ভাসলে কী আর দেশ, সমাজ বোঝে কখনো? না কোন যুগে কোন কালে তা হয় নি, হবে ও না। সে রাজা রামমোহন রায় বিদ্যাসাগর থেকে এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অধমের আজন্মের দুর্ভাগা দেশ! কখনোই যাদের অপমান করে, তাহাদের তুচ্ছাতিতুচ্ছ করা কে ই গৌরবের মনে করে। রবিঠাকুরের কথা আর ফললো কৈ! তবু "জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী"সেই ব্রত মাথায় নিয়ে জলে ভাসা পদ্ম আমি মোহিনী চৌধুরীর কালজয়ী গান গেয়ে যাই- “যাঁরা স্বর্গগত তাঁরা এখনও জানেস্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভূমিএসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভিসেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি।।” ... ...
দুর্ঘটনাবশত আমার একটা অদ্ভুত নাম আছে। আপনারা জানেন, আমার সেই নাম শ্রীমল্লার। প্রথম প্রথম খুব অবাক লাগত ছোটবেলায়, এ কী নাম রেখেছে আমার! পরে যখন কবিতা লেখার চেষ্টা শুরু করলাম, তখন মনে হল, ভালই তো! খারাপ লিখি কিংবা ভালই লিখি, ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাওয়ার চান্স কম, আমার এই অত্যাশ্চর্য নামের কারণে। শ্রীমল্লার আমার কোনও ছদ্মনাম নয়। এটা আমার আসল নাম। ... ...
তাহলে আমি তো ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি। আমাকে লম্বা বলা যাবে?
"খেলা হবে " স্যাল কুত্তা্রা কামড়াইবেন। ও পুথে গু টা আবার আছেন কিনা।
আমি আদতে আনাড়ি!
ইন সার্চ অফ মিনিং।
আমার আবার রাতে সূর্য ওঠে। রাতই ভাল।
আমি গনেশ,পাগলা গনেশ।গরম রক্ত,নরম মন।সবকিছুতে যুক্তি খুঁজি,ঈশ্বরে বিশ্বাস মোটেই নেই।ওই যাকে বলে নাস্তিক,আমি তাই। একটু আধটু লেখালিখি করি,তবে ওটা শখের বশেই।ইচ্ছে তো আছে একদিন বিশাল নাম-যশ হবে,কিন্তু আমি মাত্রাতিরিক্ত কুঁড়ে আর ভাঁড়ারে আছে লবডঙ্কা।তাই..... আমি লিখি, মানে লেখার চেষ্টা করি,অনেকে বলবেন ডার্ক,ঋণাত্মক ইত্যাদি।তবে আমি তা বলি না।আমি বলি আমার দৃষ্টিভঙ্গি আপনাদের উপহার দিতে চাই মাত্র।জানাতে চাই এভাবেও দেখা যায়,লেখা যায়।তবে আমার দৃষ্টিভঙ্গি,আমার মতই যে একমাত্র মত,একমেবদ্বিতীয়ম পথ, তা মানি না। তারপর কী খাজা লেখা যে লিখি, তা তো আপনারা জানেনই। নিজের সম্বন্ধে সন্দিহান,একইসাথে প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী। মানে ব্যাপারটা এরকম,নিজের সম্বন্ধে কয়েকটা বিষয় খুব ভালো জানি,আবার কিছু জিনিস আমার ধরাছোঁয়ার বাইরে।নাগাল পেতে চেষ্টা করি,কিন্তু কাঁটাতারের বেড়া।পশ্চিমবঙ্গ ... ...
দোষের মধ্যে এই যে, কবিতাকে খুঁজে বেড়াচ্ছি যখন তখন। কিন্তু কিছুতেই নাগাল পাচ্ছি না।
আগে বিজ্ঞানের ব্যবসায় ছিলাম, বর্তমানে শুয়ে শুয়ে কড়িকাঠ গুণি আর মাঝেমধ্যে লেখার চেষ্টা করি।
বিজ্ঞাপন দিবার কিছুই নেই
নিজেকে খুঁজে চলেছি। আপনাদের সহযোগিতা কাম্য।
নিজেকে খুঁজে চলেছি। আপনাদের সহযোগিতা কাম্য।
হুদাই। অলস। নড়বড়ে। মুখের সামনে থেকে খাবার নিয়ে গেলেও প্রতিবাদ করে না। মনে মনে ভাবে, বলে কী হবে? এতটা নির্বিষ হওয়া ভালো নয়। মনে হয়, পোকার কোনো সাহস নেই। যেন ভীতুর ডিম। কাফকার মেটামরফোসিস! তাই ছদ্মনামে আবির্ভাব। কথা বলতে হবে। তা মুখোশে মুখ ঢেকে হলেও। কথা তো বলতেই হবে। এখানে 'জোনাকি পোকা ৭১' আদতে পরিচয়ের আড়ালে রাখা বারুদের ভাষা। বাঙলাদেশের কোনো এক নিশুতি গ্রাম থেকে পোকা'র আবির্ভাব। এছাড়া পোকা'র বিশেষ কোনো পরিচিতি দেবার কিছু নেই। জোনাকি পোকা তো নিশিতের অন্ধকারে মিটিমিটি জ্বলে। জোনাকি তো নিজেকে জ্বালিয়ে অল্প আলোতে পৃথিবীর বিশেষ ভরকে ক্ষণিকের জন্য বহন করে। ৭১ হলো সেই ক্রান্তির চেতনা। ১৯৭১ সালে বাঙলাদেশের বুকের ভেতর যে ... ...
ছেলেবেলা থেকে আকাশ বাতাস ফুল পাখি গাছ পালা লতা পাতা প্রকৃতির যা কিছুই দেখতাম প্রাণে যে একটা আকুলি বিকুলি জেগে উঠত, কিছুতেই তাকে প্রকাশ করতে পারতাম না। কবিতা গল্প গান যাই ভাবতাম, মনে হ'ত নতুন করে কিই বা লেখার আছে। তাছাড়া গান গল্প কবিতা লিখতে গেলে যত পড়তে হয় জানতে হয়, আমার সে পাথেয় কই! এই করেই দিন পার হয়ে এই উপান্তে এসে একদিন হঠাৎ মনে হল এই যে আমার অন্তরের আকুলি, এটাকেই তো লিখে ফেলতে পারি! এতো একান্তই আমার ভাবনার প্রকাশ হবে। সেই শুরু। টুকটুক করে আমার এই জীবনে নানান যাপনের গল্প গুলো লিখে ফেলে প্রাণে বড় আরাম বোধ ... ...
বাঙালদেশে থাকি। হাফ হিঁদু হাফ মুসুল্লি আর পুরাটাই নাস্তিক! লেখালেখি করি। খুব গম্ভীর। ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি। গার্লফ্রেন্ড নাই।
নাম : মানালি মৌলিক
আমি স্বাতী। ফেসবুকের জ্বালায় তিতিবিরক্ত হয়ে এখানে এসেছি। শিক্ষকদের গ্রুপে ও বাজি পোড়ানো সনাতন ধর্ম বলে গণ্য হচ্ছে। সনাতন ধর্মের জ্বালায় মাথা ঘুরছে।