এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অমরকণ্টক-কানহা-জবলপুরে কয়েকটা দিন 

    mina dan লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩ বার পঠিত
  • প্রথম পর্ব | দ্বিতীয় পর্ব
    অমরকণ্টক পাহাড় ও বনভূমিময়। এই পাহাড়ের রেঞ্জটির নাম মৈকাল বা মহাকাল। এই মৈকাল রেঞ্জের অমরকণ্টক অংশটি থেকে দুটি নদীর উৎপত্তি – নর্মদা ও শোণ। নর্মদা পশ্চিমবাহিনী আর শোণ পূর্ববাহিনী। ভারতের দক্ষিণ-উপদ্বীপ অংশের দীর্ঘতম পশ্চিমবাহিনী এই নর্মদা নদী মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাট পেরিয়ে আরব সাগরের খাম্বাত উপসাগরে মিশেছে। আর পূর্ববাহিনী শোণ মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ পেরিয়ে বিহারের দানাপুরের কাছে গঙ্গায় মিশেছে। শোণকে সোনা ও মৈকালসুত নামেও জানা যায়। শোণের উৎসটি শোণমুড়া নামে পরিচিত। এই দুই নদীর সৌজন্যে অমরকণ্টকের ভৌগোলিক গুরুত্ব যথেষ্ট। পাহাড়, জঙ্গল ও নদীর উৎস – সব মিলিয়ে স্থানটির সাধন ও ভক্তিমাহাত্ম্যও অপরিসীম। অকৃপণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য, যাকে অনায়াসে বলা যায় ভার্জিন বিউটি, এটি একটি পর্যটক-প্রিয় স্থানও বটে। তবে অমরকণ্টকের তীর্থক্ষেত্র ও হিল-স্টেশন – এই দুটি পরিচয়ের মধ্যে তীর্থক্ষেত্র মুখটিই মুখ্য, হিলস্টেশন গৌণ। এই পুরো চত্বরটিই আমিষভোজ্য বর্জিত। তীর্থক্ষেত্র হিসেবে আকর্ষণীয় করে তোলার নিরন্তর উদ্যোগের কারণে অসংখ্য মন্দির নির্মাণ হয়েছে, আর যেমন-তেমন নির্মাণকার্যের ফলে নদী দুটির প্রাকৃতিক উৎসমুখ, পাহাড়ের পাথরের লেয়ার, উৎস-পরবর্তী স্রোতের ধারা ইত্যাদি ন্যাচারাল ফেনোমেনা সব চাপা পড়ে গেছে মন্দিরের মার্বেল বা সিমেন্ট-বাঁধানো কৃত্রিম চৌবাচ্চা ও চাতালের নিচে। চোখে দেখে এসব কিছুই খুঁজে পাওয়া যায় না। তার ওপর বিজেপির রাজত্বে মন্দিরের সংখ্যাও বাড়ছে!
    অমরকণ্টক ঘিরে প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট বেশ কিছু দ্রষ্টব্যস্থান রয়েছে। সেসবের খোঁজেই আমরা পরদিন অটোয় চড়ে রওয়ানা হলাম। প্রথম গন্তব্য সবচেয়ে দূরের কপিলধারা ও দুধধারা – নর্মদার যাত্রাপথে নদী ও পাহাড়ের যোগসাজশে সৃষ্টি হওয়া দুটি জলপ্রপাত। যাবার পথে যেমন চওড়া পিচ রাস্তা পেলাম, কোনো অংশ বেশ ভালো আবার কোনো অংশ বড়োই ভাঙাচোরা বন্ধুর, তেমনই পেলাম নিবিড় জঙ্গলের বুকে শিরা-উপশিরার মতো বিছোনো রহস্যময় পথ। এই জঙ্গলের নাম আচানকমার। এই জঙ্গল বড়ো চমৎকার – মূলত দীর্ঘদেহী শাল-সেগুনের সমাহার, ঘনত্বের জন্যে গাছের মাথা বা ফাঁক দিয়ে ঢোকা রোদ আলোছায়ার মায়া তৈরি করে। জঙ্গল তকতকে পরিস্কার, কারণ মাটির ওপর গাছের নিচে ঝোপঝাড় নেই, মাটি দেখা যায়। পথের প্রতিটি বাঁকেই মনে হয় সামনে যেন নতুন কিছু অপেক্ষা করছে। সে প্রকৃতির নতুন কোনো সৌন্দর্যও হতে পারে, আবার হিংস্র জন্তুর মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতাও হতে পারে। আচানক মানে হঠাৎ, আর মার তো বিপদের আরেক নাম। এই জঙ্গলের পোশাকী নাম আচানকমার বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য (Achanakmar Wildlife Sanctuary)। এখানে ৫০০-র বেশি প্রাণী-বৈচিত্র্য দেখা যায়, যার মধ্যে প্রধান রয়াল বেঙ্গল টাইগার, ভারতীয় চিতা বাঘ ও গৌর। এটি কানহা টাইগার রিজার্ভের সঙ্গেও যুক্ত, ফলে বন্য প্রাণীদের অবাধ চলাচলের পথও বটে। অতএব হঠাৎ-বিপদ হাজির হবার প্রভূত সম্ভাবনা। এই জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে আমরা বেশ কয়েকবার যাতায়াত করেছি। জঙ্গলের পর কপিলধারা। কপিলধারায় প্রবেশের মুখে বেশ বড়ো এক চত্বরে গাড়ি পার্কিং-এর ব্যবস্থা ও বসে খাবার দোকান। আমরা সেখানেই ব্রেকফাস্ট সেরে কপিলধারার দিকে গেলাম। সামান্যই পথ।
    কপিলধারা হল নর্মদার যাত্রাপথের প্রথম জলপ্রপাত। উৎসমুখের প্রায় ৬ কিলোমিটার পরে ১০০ ফুট উঁচু থেকে পুরো নদী ঝাঁপিয়ে পড়ছে নিচে পাহাড়ের ওপর। কপিলমুনি এই স্থানে তপস্যা করে দিব্যজ্ঞান লাভ করেন। তাঁর নামানুসারে এর নাম কপিলধারা। অধুনা ধারার ঠিক মুখোমুখি একটি ভিউ-পয়েন্টে ছোট্ট একটি গ্লাসব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। তার টিকিট ২০ টাকা করে। একসঙ্গে ৫ জন করে ওঠা যায়। জুতো খুলে উঠতে হয়। ছবি তোলার উপযুক্ত জায়গা।
    কপিলধারা থেকে এক কিলোমিটার পায়ে হেঁটে দুধধারা। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পাহাড়ি পাথুরে উৎরাই পথ। অল্প অংশে সিঁড়ি আছে, বাকিটায় কিছুটা পায়েচলা পথ, তার শেষে নিজের পথ নিজে খোঁজো। এই অংশে নদীর একটি ধারাও সহযাত্রী। নুড়ি, মাটি, কাদা, জল, স্রোত, পাথুরে ঢাল – সব মিলিয়ে দারুণ ট্রেকিংয়ের অভিজ্ঞতা। পথের শেষে নর্মদা প্রায় ১০ ফুট উঁচু থেকে প্রবল বিক্রমে ঝাঁপিয়ে পড়ছে নিচের পাথুরে তলে। তাতে সৃষ্ট হচ্ছে দুধের মতো সাদা ফেনা, তাই এর নাম দুধ বা দুগ্ধধারা। প্রপাতটির পাশে একটি গুহা। এই গুহায় তপস্যা করেছিলেন দুর্বাসা মুনি। এই স্থানের সঙ্গে কাশ্যপ মুনির নামও জড়িয়ে আছে। গুহার ভেতরে দুর্বাসার মূর্তি। সেই মূর্তি অবধি পৌঁছতে হলে প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে যেতে হয়, কারণ গুহার ছাদ খুব নিচু। এখন একজন সাধু থাকেন এই গুহায়। কথা বলে জানলাম যে কুম্ভ ও ওই ধরনের উৎসব ছাড়া সারা বছর উনি এখানেই থাকেন। এই প্রপাতে হঠাৎ দুজন লোক নেমে পড়েছিল। উনি গুহার ভেতর থেকে নজর রাখেন। সঙ্গে সঙ্গে এসে খুব ভদ্রভাবে ‘আপনারা যথেষ্ট দায়িত্বশীল মানুষ, এই ভাবে নামবেন না, এখানটা খুব বিপজ্জনক। উঠে আসুন’ – বলে এই অতিভক্তির কালপ্রিটদের উঠিয়ে তবে ঘরে, থুড়ি, গুহায় ফিরলেন। আমার এরকম দায়িত্বশীল সাধু দেখে খুব ভালো লাগলো। আমরা ছোটোবেলা থেকেই আমাদের নিবেদিতা স্কুলে কর্মঠ, দায়িত্বশীলা, ডিসিপ্লিনড সন্ন্যাসিনী দেখে অভ্যস্ত। তাই ওই শুধুই হরিবোল মার্কা খোলখত্তাল-সাধু বড়োই না-পসন্দ। এখন আবার না-পসন্দের দলে রাজনৈতিক গেরুয়াও ঢুকে গেছে।
    এই পথে প্রচুর বানর – মাঝারি ও ছোটো মাপের। অমরকণ্টকের পথেঘাটেও অসংখ্য বানর। তাদের কাণ্ডকারখানা দেখতে দেখতে ফিরলাম। সেই আগের দোকানটিতেই লাঞ্চ সেরে নিয়ে আবার জঙ্গলের পথে যাত্রা শুরু। এরপর আরও দুটি মন্দির - বাণেশ্বর মন্দির ও জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির - দেখে আমরা পৌঁছলাম শ্রী সর্বোদয় দিগম্বর জৈন মন্দিরে। এটি ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জৈন তীর্থক্ষেত্র। গোলাপী বেলেপাথর, চূন ইত্যাদি দিয়ে এই মন্দিরটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০৬ সালে, এখনও তা চলছে। সামনেই একটি বিশাল কারুকাজখচিত স্তম্ভ – যার নাম জৈন ধর্মে সহস্রকূট জিনালয়। গুগল বলছে এই স্তম্ভে অষ্টধাতু নির্মিত ১০৮টি জৈন তীর্থঙ্করদের মূর্তি স্থাপনের পরিকল্পনা আছে। সেই পরিকল্পনা কতদূর বাস্তবায়িত হয়েছে তার প্রমাণ পাইনি, তবে ওই দীর্ঘ স্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে ঘাড় উঁচু করে দেখেছি প্রতিটি তলার চওড়া কার্নিশওলা মনোরম স্ট্রাকচার আর প্রতিটি কার্নিশের আশ্রয়ে তার নিচে অসংখ্য মৌচাক। মাটিতে মৌমাছিদের মরদেহ ও বাতাসে তাদের ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে যাওয়াও দেখেছি। স্তম্ভের পরে বাঁধানো চত্বর পেরিয়ে মূল মন্দির। আগেই বলেছি কোনো লোহা-সিমেন্ট দিয়ে নয়, গোলাপী বেলেপাথর, চূন ইত্যাদির নির্মাণ। মন্দিরটি প্রথম জৈন তীর্থঙ্কর ভগবান আদিনাথ বা ঋষভদেবকে উৎসর্গীকৃত, অভ্যন্তরে পদ্মপীঠে তাঁরই বিশাল অষ্টধাতুর মূর্তি, ৫২ টনের। মন্দিরের একপাশে কারিগররা নির্মাণকাজ করে যাচ্ছে। তবুও মন্দিরের পরিবেশ বেশ শান্ত, বসে থাকতে ভালো লাগে।
    এরপরের দ্রষ্টব্য শ্রীযন্ত্র মন্দির। মন্দির বন্ধ ছিল, তাই ভেতরে ঢোকা হয়নি। এখানেও নির্মাণকাজ চলছে। তবে অপূর্ব স্থাপত্যের প্রবেশদ্বারটি দেখেই মন ভরে যায়। প্রবেশদ্বারের মাথায় চারমুখো চারটি বিশাল মুখাবয়বের সমাহার – চারটি মুখই একসাথে জোড়া, চার দিকে তাদের বিন্যাস। গুগল বলছে – এঁরা হলের দেবী লক্ষ্মী, সরস্বতী, কালী ও ভুবনেশ্বরী; মন্দিরটি হিন্দুধর্ম ও তন্ত্রসাধনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান; এটি মহামেরু মন্দির নামেও পরিচিত।
    এরপর চললাম শোণমুড়া, শোণনদীর উৎসে। অনেকগুলো সিঁড়ি দিয়ে নেমে উৎসে পৌঁছতে হয়। এখানেও মন্দির ও চত্বরে বাঁধানো স্ট্রাকচারের ফলে ভক্তির পাল্লা ভারি হলেও উৎস মুখের প্রকৃতি-বিজ্ঞান চাপা পড়ে গেছে। বাঁধানো চৌবাচ্চা আর গরুর মুখমূর্তি থেকে নিসৃত ধারাকে উৎস বিশ্বাস করে সন্তুষ্ট থাকা ছাড়া অন্য পথ নেই। এখানেও ছোট্টো একটি গ্লাসব্রিজ আছে, যেখান থেকে পাহাড়, উপত্যকা ও শোননদীর নিম্নগামী ঝিরঝিরে ধারার নয়নভোলানো দৃশ্য দেখা যায়। এরপর মাঈ কি বাগিচা। এখানেও প্রাকৃতিক রহস্য সব মন্দিরাবৃত। গল্পে বলে এই স্থান নর্মদামাঈয়ের শৈশবের লীলাভূমি। এখানে এখনও রাতে মাঈ সখিদের সঙ্গে নেচে বেড়ান, তাঁর নূপুরের শব্দ পাওয়া যায়। এই মন্দিরের ভেতর ও আশপাশ দিয়ে নর্মদার ছোটো ছোটো ধারা বয়ে চলেছে। তাদের সবকটিকে চোখে না দেখলেও তাদের কুলুকুলু শব্দ কানে আসছে। রাতের নিস্তব্ধতায় এসব তো নূপুরনিক্কণই হয়ে উঠবে!
    এখান থেকে ৫০০ মিটার দূরেই আমাদের হোটেল। ফিরলাম। অটোওলার তালিকায় নর্মদা মন্দির থাকলেও সেখানে আর গেলাম না। গতকাল গেছি। আগামীকালটাও আমাদের হাতে আছে ইচ্ছেমতো খরচ করার জন্যে। আড্ডা, বিশ্রাম, পায়ে হেঁটে ঘোরাঘুরি ইত্যাদি হবে। তারপরে পরশু ভোরে রওয়ানা দেব। আপাতত টানা বিশ্রাম। সারাদিন পাহাড়-জঙ্গলের পথে অটোর ঝাঁকুনিতে শরীরের ২০৬টি অস্থি যথেষ্ট নাচানাচি করেছে। তাদেরও তো শরীর-মন নিয়ে স্বস্থানে থিতু হবার সময় দিতে হবে!
    নর্মদা মন্দিরের একটি পুণ্যি মাপার যন্ত্রের বর্ণনা দিয়ে এই পর্বের ইতি টানি। নর্মদামাঈয়ের ও তার বিপরীতের শিবের মন্দিরের মাঝের চাতালে ছোটো একটি পাথরের হাতির মূর্তি আছে। চারপায়ে দাঁড়িয়ে আছে। বেশ দেখতে। এই হাতির চারপায়ের ফাঁক দিয়ে যে শুয়ে শুয়ে গলে বেরোতে পারবে সে পুণ্যাত্মা। আর আটকে গেলে তার পুণ্যির ঝুলি ফাঁকা। গলে বেরিয়ে এসে আবার হাতিকে দক্ষিণা দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই হালকা চেহারার সবাই পুণ্যাত্মা, আর ভারিদের সবারই পাপের পাল্লা ভারি! আমরা সেখানে অনেকক্ষণ বসে গভীর পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করে তবেই এই সিদ্ধান্তে এসেছি।
    পরের পর্ব আসতে কদিন দেরি হবে, তাই আগে থেকে মাফ চেয়ে রাখছি।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    প্রথম পর্ব | দ্বিতীয় পর্ব
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন।