এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বাংলা সাহিত্য পর্যালোচনায় ৪০ টি বিষয়ভিত্তিক কাঠামোর প্রথম রূপকার : শংকর হালদার শৈলবালা- লেখক : বিষ্ণুপদ ভৌমিক (পাগল)

    SANKAR HALDER লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | ৬৬ বার পঠিত
  • বাংলা সাহিত্য পর্যালোচনায় ৪০ টি বিষয়ভিত্তিক কাঠামোর প্রথম রূপকার : শংকর হালদার শৈলবালা

    লেখক : বিষ্ণুপদ ভৌমিক (পাগল)

    প্রথম অধ্যায় : বাংলা কবিতা-সমালোচনার ধারা ও শৈলবালার ৪০ বিষয়ের বিন্যাস-পদ্ধতি

    বাংলা সাহিত্যে কবিতা-সমালোচনার দীর্ঘ ঐতিহ্যে বহু কবি, সাহিত্যিক, গবেষক ও সমালোচক কবিতার বিষয়, ভাষা, ছন্দ, রস, অলংকার, চিত্রকল্প, দর্শন ও নন্দনতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই দীর্ঘ ধারার মধ্যে শংকর হালদার শৈলবালার কবিতা-পর্যালোচনাকে বিচার করতে হলে তাঁকে বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং পূর্ববর্তী ও সমকালীন ৭০ জন কবিতা-সমালোচক ও পর্যালোচকের সঙ্গে তুলনামূলকভাবে দেখা প্রয়োজন। এই তুলনা কোনো ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতা নয়, বরং বাংলা সমালোচনার বিবর্তন-রেখায় একটি পদ্ধতির অবস্থান নির্ণয়।

    এই গ্রন্থে আলোচিত ৭০ জন সমালোচকের কাজের বিষয়, আলোচনার পরিসর, বিশ্লেষণ-পদ্ধতি এবং মূল্যায়নের কাঠামোর সঙ্গে শংকর হালদার শৈলবালার পদ্ধতির তুলনা করলে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য সামনে আসে—তিনি একটি কবিতাকে একাধিক পৃথক মানদণ্ডে বিশ্লেষণ করার জন্য ৪০ টি বিষয় ভিত্তিক কাঠামো নির্মাণ করেছেন। যেখানে অধিকাংশ সমালোচনা পাঠের অনুভূতিকে ব্যাখ্যা করে, সেখানে শৈলবালার কাঠামো অনুভূতিকে পরিমাপযোগ্য পর্যবেক্ষণে রূপান্তরিত করে।

    অর্থাৎ তাঁর পদ্ধতিতে কবিতাকে শুধু ‘ভালো’ বা ‘খারাপ’ বলা নয়; বরং কবিতার বিষয়বস্তু থেকে শুরু করে ভাষা, ব্যাকরণ, যতিচিহ্ন, আন্তঃপাঠ, চিত্রকল্প, শ্রুতিগত আবেদন, ছন্দ, রস, সাহিত্যিক মূল্য, তুলনামূলক অবস্থান, পাঠকের উপর প্রভাব এবং কবিতার প্রকাশ-পরিসর পর্যন্ত বিস্তৃতভাবে বিচার করার একটি কাঠামো তৈরি হয়েছে। এ যেন কবিতার দেহ ব্যবচ্ছেদ নয়, কবিতার আত্মার মানচিত্র নির্মাণ।

    ৭০ জন সমালোচক ও পর্যালোচকের সঙ্গে শংকর হালদার শৈলবালার তুলনা করার ক্ষেত্রে প্রধান প্রশ্নটি হবে—একটি কবিতাকে কতগুলি স্বতন্ত্র দিক থেকে এবং কতটা পদ্ধতিগতভাবে বিচার করা হয়েছে।

    এখানে শুধু সমালোচকের সংখ্যা বা প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা বিবেচনা করা হচ্ছে না। বরং তুলনার জন্য বিবেচ্য—

    ১. বিষয়বস্তুর বিশ্লেষণ
    ২. ভাব ও ভাবব্যঞ্জনা
    ৩. সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা
    ৪. দর্শন ও জীবনবোধ
    ৫. ভাষা ও শব্দচয়ন
    ৬. ছন্দ ও সঙ্গীতধর্মিতা
    ৭. অলংকার ও চিত্রকল্প
    ৮. রূপক ও সংকেত
    ৯. রস ও আবেগ
    ১০. ব্যাকরণ ও শব্দগত শুদ্ধতা
    ১১. যতিচিহ্ন ও উচ্চারণ
    ১২. আন্তঃপাঠীয় সম্পর্ক
    ১৩. পাঠকের উপর প্রভাব
    ১৪. পূর্বসূরি কবিদের সঙ্গে তুলনা
    ১৫. সমকালীন কবিদের সঙ্গে তুলনা
    ১৬. কবিতার অভ্যন্তরীণ সংহতি
    ১৭. সৃষ্টিপ্রেক্ষিত ও ঐতিহাসিক অবস্থান
    ১৮. প্রকাশ ও গ্রহণযোগ্যতা
    প্রভৃতি। এই তালিকা কেবল বিষয়ের সমষ্টি নয়, এটি কবিতা থেকে পাঠক পর্যন্ত একটি সম্পূর্ণ যাত্রাপথ।

    এই দিকগুলিকে পৃথকভাবে চিহ্নিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামোতে একত্রিত করাই শংকর হালদার শৈলবালার পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্য। বিচ্ছিন্ন আলোকরশ্মিকে একত্রিত করে তিনি একটি সমালোচনার দর্পণ তৈরি করেছেন, যেখানে কবিতা নিজের পূর্ণ প্রতিবিম্ব দেখতে পায়।

    শংকর হালদার শৈলবালার ৪০ টি বিষয়ের কাঠামোতে কবিতার নান্দনিক ও কারিগরি উভয় দিককে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। একটি কবিতার মূলভাব যেমন আলোচনার বিষয়, তেমনই তার শব্দচয়ন, বানান, ব্যাকরণ, যতিচিহ্ন ও উচ্চারণও আলোচনার আওতায় এসেছে। এই দৃষ্টিতে কবিতা শুধু ভাবের বাহন থাকে না, সে হয়ে ওঠে ভাষা-শিল্পের নির্মাণ-কৌশল।

    আবার কবিতার রস ও আবেগের পাশাপাশি চিত্রকল্প, রূপক, অলংকার, ছন্দ ও ধ্বন্যাত্মক শব্দেরও মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কবিতার দুর্বলতা ও উন্নতির পরামর্শ, পূর্বসূরি ও সমকালীন কবিদের সঙ্গে তুলনা এবং পাঠকের উপর কবিতার প্রভাব। অর্থাৎ সমালোচনা এখানে বিচারকের রায় নয়, সহযাত্রীর মানচিত্র।

    ফলে এই পদ্ধতিতে কবিতাকে শুধু সাহিত্যিক সৌন্দর্যের বস্তু হিসেবে নয়, বরং ভাষাগত, নান্দনিক, ছান্দসিক, ঐতিহাসিক, সামাজিক, আন্তঃপাঠিক এবং পাঠক-মনস্তাত্ত্বিক একটি সমন্বিত শিল্পরূপ হিসেবে দেখা হয়। এখানে কবিতা একটি বিচ্ছিন্ন পঙক্তি নয়, সে একটি সাংস্কৃতিক সংলাপ।

    এই গ্রন্থে আলোচিত ৭০ জন সমালোচকের কাজের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, প্রত্যেক সমালোচকের নিজস্ব আগ্রহ ও আলোচনার ক্ষেত্র রয়েছে। কেউ মূলত কাব্যতত্ত্ব, কেউ নন্দনতত্ত্ব, কেউ ভাষা, কেউ ছন্দ, কেউ আধুনিক কবিতার ভাবনা, কেউ নির্দিষ্ট কবি বা কবিতার ঐতিহাসিক অবস্থান নিয়ে কাজ করেছেন। প্রত্যেকেই আলোর একটি কোণ থেকে কবিতাকে দেখেছেন, কিন্তু পূর্ণ আলোকবৃত্ত রচনা করার প্রয়াস ছিল বিরল।

    শংকর হালদার শৈলবালার বিশেষত্বের দাবি এখানে অন্যত্র—তিনি বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন আলোচনাদিককে একটি একক পর্যালোচনা-কাঠামোর মধ্যে সংযুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। এই সংযুক্তি কোনো যান্ত্রিক জোড়া নয়, এটি একটি জৈবিক সংশ্লেষ, যেখানে একটি মানদণ্ড অন্যটিকে আলোকিত করে।

    অর্থাৎ পার্থক্যটি কেবল ‘কত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন’—এতটুকু নয়; বরং একটি কবিতাকে মূল্যায়নের জন্য কতগুলি পৃথক পর্যবেক্ষণ-বিন্দুকে একই কাঠামোর মধ্যে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিই এখানে মূল তুলনামূলক মানদণ্ড।

    ৪০টি বিষয়ের কাঠামোকে একটি সমন্বিত সমালোচনা পদ্ধতি হিসেবে দেখা যায়। এর মধ্যে কিছু বিষয় কবিতার বিষয়গত দিক, কিছু ভাষাগত দিক, কিছু নান্দনিক দিক, কিছু কারিগরি দিক এবং কিছু তুলনামূলক ও মূল্যায়নমূলক দিকের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই বহুস্তরীয় বিন্যাস কবিতাকে একইসাথে হৃদয় ও মস্তিষ্ক দিয়ে স্পর্শ করার পদ্ধতি শেখায়।

    বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো—“কবিতার দুর্বলতার দিকগুলো ও উন্নতির পরামর্শ” এবং “কবিতার মান নির্ণয়”। এর ফলে পর্যালোচনা কেবল প্রশংসামূলক আলোচনা না হয়ে মূল্যায়নমূলক রূপ পায়। প্রশংসা পাঠককে তৃপ্ত করে, কিন্তু মূল্যায়ন কবিকে নির্মাণ করে—এই বোধই এই কাঠামোর প্রাণ।

    এই পদ্ধতির আরও একটি বৈশিষ্ট্য হলো নম্বরভিত্তিক মূল্যায়ন। ভাব ও বিষয়বস্তু, আবেগ, ভাষা, ছন্দ, চিত্রকল্প, মৌলিকতা, পুনরাবৃত্তি, গঠন, ধ্বন্যাত্মক শব্দ এবং পাঠকের উপর প্রভাব—এসবকে পৃথক মানদণ্ডে বিচার করার ফলে কবিতার গুণগত মূল্যায়নকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। অনুভবের অনির্দিষ্টতাকে তিনি একটি স্বচ্ছ পদ্ধতির নির্দিষ্টতায় নিয়ে আসতে চেয়েছেন।

    এই তুলনামূলক আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, একটি কবিতাকে ৪০ টি পৃথক বিষয়ের অধীনে বিচার করার পরিকল্পিত কাঠামোটি শংকর হালদার শৈলবালার সমালোচনা-পদ্ধতির একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। এটি ধার করা কোনো তত্ত্বের অনুকরণ নয়, এটি দীর্ঘ পাঠ-অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা একটি মৌলিক নির্মিতি।

    তাঁর ‘কবিকণ্ঠ’ ধারায় বিভিন্ন কবির কবিতা নিয়ে পর্যালোচনার ধারাবাহিকতা এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগের একটি ক্ষেত্র তৈরি করেছে। অনলাইন প্রকাশনায় ‘কবিকণ্ঠ : কবিতার পর্যালোচনা’ নামে তাঁর কাজ এবং বিভিন্ন কবিতার পর্যালোচক হিসেবে তাঁর নাম পাওয়া যায়।

    এছাড়া ২০২৬ সালের একটি প্রকাশিত আলোচনাতেও ‘কবিকণ্ঠ’-এর বিভিন্ন ভাগ এবং শংকর হালদার শৈলবালার পর্যালোচনা ও সম্পাদনার ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে, তাঁর কাঠামো শুধু তত্ত্বে আটকে নেই, তা প্রয়োগে পরীক্ষিত।

    এই গ্রন্থের গবেষণাগত আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রাখা প্রয়োজন। “বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বপ্রথম”—এ ধরনের দাবি প্রমাণ করতে হলে সমগ্র বাংলা সাহিত্য-সমালোচনার বিপুল গ্রন্থপঞ্জি পরীক্ষা করতে হবে। সমগ্র ইতিহাসের দাবি আবেগের, কিন্তু নির্বাচিত পরিসরের প্রমাণ গবেষণার—এই সচেতনতাই একটি গবেষণা গ্রন্থকে নির্ভরযোগ্য করে।

    কিন্তু এই গ্রন্থে আলোচিত নির্দিষ্ট ৭০ জন সমালোচক ও পর্যালোচকের নির্বাচিত কাজের তুলনামূলক কাঠামোর মধ্যে, একটি কবিতাকে ৪০টি নির্দিষ্ট বিষয়ের মাধ্যমে বিচার করার ক্ষেত্রে শংকর হালদার শৈলবালার পদ্ধতিকে প্রথম বা সর্বাধিক বিস্তৃত কাঠামো হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে—যদি এই ৭০ জনের প্রত্যেকের নির্বাচিত গ্রন্থ ও পর্যালোচনা পদ্ধতির পূর্ণ পাঠে এর বিপরীত কোনো দৃষ্টান্ত না পাওয়া যায়।

    অতএব, গবেষণা গ্রন্থের ভাষায় অধিক নির্ভুল বক্তব্য হবে

    “এই গ্রন্থে আলোচিত ৭০ জন সমালোচক ও পর্যালোচকের নির্বাচিত রচনার তুলনামূলক পর্যালোচনায় একটি কবিতাকে ৪০টি পৃথক বিষয় ভিত্তিক মানদণ্ডে বিচার করার সুসংবদ্ধ কাঠামোর দিক থেকে শংকর হালদার শৈলবালার পদ্ধতি সর্বাধিক বিস্তৃত এবং স্বতন্ত্র অবস্থান অধিকার করে।”

    এই বক্তব্যটি “সমগ্র বাংলা সাহিত্যে সর্বকালের প্রথম” দাবির তুলনায় অনেক বেশি গবেষণা সম্মত। এবং এই সংযত, প্রমাণ-নির্ভর দাবিই শেষ পর্যন্ত লেখককে পাঠকের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন।