এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অবাক বাংলা -  ২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৯ আগস্ট ২০২৬ | ১৪ বার পঠিত
  • ( ২ )

    কেমন যেন ছায়া ছায়া আঁধার ওখানে। আর্সিয়ানা ওই দিকেই তাকিয়ে রইল। হঠাৎ দেখে ওই শাল গাছগুলোর আড়াল থেকে অ্যালসেসিয়ানের মতো দেখতে টমি বেরিয়ে এল। ল্যাজ নাড়তে নাড়তে ধীরে সুস্থে হেঁটে আর্সিয়ানার সামনে এসে দাঁড়াল। মুখটা তুলে ঠিক কালকের মতো করুণ আবেদনময় চোখে আর্সিয়ানার দিকে তাকিয়ে থাকল। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে অদ্ভুত একটা আবেশ জড়িয়ে ধরছে যেন তাকে। আর্সিয়ানার হঠাৎ সৌমিনির কথা মনে পড়ল। সে জোর পায়ে হাঁটা দিল ছাতিমতলা কুঠির দিকে। কুকুরটাও তার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটতে লাগল। তার নিজের ওপর খুব রাগ হল। মনে হল, যদিও কমলাকে বলে এসেছে সৌমিনিকে দেখার জন্য, তবু একটা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত মেয়েকে একা ফেলে আসা উচিৎ হয়নি। আর কমলা তো.... কাল রাত্রের কথা মনে করে শিউরে উঠল সে। তার কি বুদ্ধিসুদ্ধি লোপ পেয়ে গেল নাকি। অন্তত আজ রাতটা কাটাতে হবে এখানে। হাঁটতে হাঁটতেই ফাঁড়ির ও সি-র মোবাইল নম্বর ডায়াল করল। এটা মনে হচ্ছে একেবারেই পুলিশ টুলিশের মামলা নয়। তবু, আর্সিয়ানা ওদের ছাড়া আর কার সাহায্যই বা নিতে পারে এখানে।
    তরতর করে দোতলায় উঠে ঘরে ঢুকে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল আর্সিয়ানা। বিছানায় বালিশে ঠেস দিয়ে বসে সৌমিনি কমলার সঙ্গে কি সব গল্প করছে। অবশ্য কমলাকে দেখে সৌমিনির কোন প্রতিক্রিয়া হবার কথা নয়।সে তো কাল রাতে কমলাকে দেখতেই পায়নি। যা দেখেছে, তা শুধু আর্সিয়ানা। মাথার দিকে জানলার বিশাল পাল্লা দুটো খোলা। হু হু করে হাওয়া বইছে শালবনের মধ্যে দিয়ে।
    দুপুরবেলায় দুজন দেহাতি মহিলা মাদুর বিক্রি করতে এল। এখানে গরমকালে এগুলোর খুব চাহিদা। দামও কম। রকমারি সব সেলাই ও বুনন। কমলা, বজ্র আর অমিতাংশুবাবু একতলার সামনের বারান্দায় বসে মাদুর পছন্দ করছে। আর্সিয়ানা সৌমিনিকে নিয়ে নীচে নেমে এল। হাওয়ায় কেমন যেন আতরের গন্ধ নাকে লাগল আর্সিয়ানার।
    সৌমিনি এখন অনেক স্বাভাবিক।কিন্তু আজ রাতে আবার কি ঘটে সেটা চিন্তা ক’রে আর্সিয়ানার মতো মেয়েরও গা সিরসির করে উঠল। মোবাইলে তো এখনও থানার অফিসারের সঙ্গে একবারও কথা বলা গেল না। ওখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মাদুর কেনা বেচা দেখতে দেখতে থানার ও সি-কে একটা টেক্সট মেসেজ করল — আজ রাতে তার সাহায্যের দরকার হতে পারে। দু মিনিটের মধ্যে উত্তর এল— ওকে, জাস্ট গিভ মি আ মিস কল। টেক কেয়ার। এক চান্সেই কানেকশান হল। অথচ ভয়েস কানেকশান কিছুতেই হচ্ছিল না। নেটওয়ার্কের এত প্রবলেম যে বলার নয়। কিন্তু আর্সিয়ানার অনুসন্ধিৎসু মনে সবসময়ে সন্দেহের কাঁটা লটকেই থাকে। তার মনে হতে লাগল, কে যেন মোবাইল যোগাযোগে বাধা দিচ্ছিল। আর ওই ঘর্ঘর আওয়াজ .... ওটা কি যান্ত্রিক গন্ডগোল, নাকি .....! আবোলতাবোল চিন্তা আসছে আর্সিয়ানার মাথায়। সে ঠিক করে ফেলে আজ রাতটা কোনরকমে কাটিয়ে কালকেই সৌমিনিকে নিয়ে কলকাতায় রওয়ানা দেবে। তারপর দরকার হলে সে আবার একা ফিরে আসবে এখানে। রহস্যটা তো উন্মোচন করতেই হবে। কাল রাতের সেই সাঙ্ঘাতিক দৃশ্যটা মনে করে আর্সিয়ানার মতো ডাকাবুকো মেয়েও মনে মনে একটু যেন কেঁপে গেল। পেরিফেরাল ভিসুয়াল হ্যালুসিনেশান ? কে জানে, হবে হয়তো। কিন্তু সৌমিনি তাহলে ট্রমাটাইজড হল কেন ? বড্ড ধাঁধার ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে গোটা ব্যাপারটা।
    মাদুর বাছাবাছি চলছে বারান্দায়।টমি বারান্দায় উঠে এল। কমলার একদম কাছ ঘেঁসে বসল।বসেই রইল। সেই একইরকম জিভ হ্যালহ্যাল করছে। মাঝে মাঝে মুখ তুলে কমলার দিকে তাকাচ্ছে। আর্সিয়ানার মনে হল, কেমন যেন আসঙ্গলিপ্সু ধরণ। কমলার অবশ্য কোন হেলদোল নেই। সে মাদুরওয়ালিদের সঙ্গে দেহাতি ভাষায় নানা গল্পগাছায় ব্যস্ত।
    অমিতাংশুবাবু আর্সিয়ানাকে বললেন, ‘ বিকেলে আপনারা লাট্টু পাহাড়ে ঘুরে আসতে পারেন। ভাল লাগবে। সঙ্গে কমলা আর বজ্রও যাবে। আরও দুএকদিন থাকলে হলদি ঝর্ণা দেখে আসতে পারতেন। খুব ভাল পিকনিক স্পট।যাক, পরে আবার কখনও এলে..... ‘
    কমলাও বলল, ‘ হাঁ দিদি চলেন, বিকেল বেলা ওখান থেকে সানসেট দেখবেন ....খুব সুন্দর। ’
    সকাল গড়িয়ে চলল দুপুরবেলার দিকে। মাদুরওয়ালিরা গা তুলল। কমলাও কোমরে আঁচল জড়িয়ে রান্নাঘরের দিকে গেল। এখানে রান্নাঘরগুলো খানিক তফাতে। ওই কুয়োতলার পাশে। টমিও একেবারে কমলার গায়ে গা লাগিয়ে হাঁটতে লাগল রান্নাঘরের দিকে। কমলাকে যেন কাছছাড়া করতেই চাইছে না। আর হ্যাঁ, বজ্রকে ধারে কাছে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। ওই যে আমগাছের নীচে দাঁড়িয়ে বিড়ি খাচ্ছিল। ধোঁয়া বেরোতে দেখল।ওটা বজ্র তবে ? সেটাও কি তবে ভিসানারি অ্যাবারেশান ! আর্সিয়ানার মাথায় বিদ্যুতের মতো চিড়িক দিয়ে উঠল একটা ভাবনা। তবে কি ......
    কিন্তু টমি তার দিকে করুন চোখে তাকিয়ে থাকে কেন ? ওর কি কিছু বক্তব্য আছে আর্সিয়ানার কাছে ?
    আর্সিয়ানা ঠিক করে নেয়, আজ রাত্রেই ফয়সালা করতে হবে।
    বিকেলবেলা মনোরম বাসন্তী আবহে ভরে আছে। আর্সিয়ানা আর সৌমিনি কমলাকে সঙ্গে নিয়ে লাট্টু পাহাড়ের নীচে গিয়ে দাঁড়াল। এটা কিছুই না, একটা ছোট টিলা। শীতকালে অনেক টুরিস্ট আসে শিমূলতলায়। এখন একদম ফাঁকা। নির্জন বিকেলে পড়ে আছে আশপাশ। তিনজনে মিলে উঠতে লাগল টিলার ওপর দিকে। আর্সিয়ানা দেখল বজ্রও যোগ দিয়েছে ওদের সঙ্গে।কমলা ঘুরে নীচের দিকে তাকিয়ে কি দেখছে। আর্সিয়ানা দেখল নীচের থেকে তীরবেগে ওপরে দৌড়ে আসছে টমি। এসে কমলার চারপাশে একবার ঘুরপাক খেয়ে নিল। তারপর তাদের সঙ্গে টিলার ওপরে উঠতে লাগল।আর্সিয়ানা ভাবল, কুকুররা খুব ফেথফুল হয়। কমলা টমিকে খেতে দেয়। তাই বোধহয় কমলার সঙ্গে এত দোস্তি। বজ্র তাদের সঙ্গেই হাঁটছিল। টমি আসার পর অনেকটা তফাৎ হয়ে গেল। ও নিশ্চয়ই কুকুরটাকে তেমন পছন্দ করে না।
    এখন অফ সিজন। লাট্টু পাহাড়ে একটাও টুরিস্ট নেই। টিলার ওপর থেকে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়।ঝোপঝাড়, পাথুরে মালভূমি, আবছা জনপদ নীরব ক্যানভাসের মতো এলিয়ে আছে। সন্ধে নেমে আসছে। পড়ন্ত আলোয় শত শত নীড়ে ফেরা পাখির কাকলিতে মুখর হতে লাগল চারপাশ। বজ্র বলল, ‘ ওই দেখুন ম্যাডাম .... ওইদিকে স্টেশান আছে।’ তারপর উল্টোদিকে ঘুরে বলল, ‘ ....আর ও..ই দিকে হলদি ঝর্ণা .... এখান থেকে খরিফ ছ কিলোমিটার হবে। ওই যে.... অনেক পেড় দেখা যাচ্ছে। ওটা একটা টুরিস্ট স্পট। কুছ দিন পহলে ওখানে নাকি অচানক বাঘ দেখা গিয়েছিল।’
    — সৌমিনি প্রবল উৎসাহে বলে, ‘ তাই নাকি ! ইশশ্ হাতে টাইম থাকলে যাওয়া যেত .....’
    আর্সিয়ানা সৌমিনির পিঠে হাত দিয়ে সান্ত্বনা দেয়, ‘ কাম অন ডিয়ার, ডোন্ট ওয়ারি...... আবার আসব, চিন্তা নেই...’
    বজ্রও সায় দেয়, ‘ হাঁ ম্যাডাম, জরুর আসবেন।’
    এই সময়ে টমি বজ্রের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ প্রচন্ড গর্জন করতে লাগল। কমলা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। মোটেই থামাবার চেষ্টা করছে না কুকুরটাকে। বজ্র আবার তফাতে সরে গেল। পুঁচকে পাহাড়টার ধারে গিয়ে দাঁড়াল। আলো আরও মরে এসেছে। বিহঙ্গের কলকাকলিতে তিরতির করছে গোধূলি। কমলা একদিকে আঙুল দেখিয়ে বলল, ‘ ওই ওদিকে, অনেক দূরে যেখানে ছোট ছোট ঘর দেখা যাচ্ছে ওইখানে আমাদের গাঁও ছিল।’
    আর্সিয়ানা কমলার দিকে তাকিয়ে থাকে। বলে, ‘ কেন, এখন আর নেই ? আর যাও না ওখানে ?’ কমলা তার গাঁওয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আনমনে বলল, ‘ হাঁ, গাঁও তো জরুর আছে, মগর আমি তো আর নেই .....’ কমলা আনমনে উদাস দৃষ্টি মেলে ওই দূর গাঁওয়ের দিকে তাকিয়ে রইল। আর্সিয়ানার মাথায় চিড়িক দিয়ে উঠল একটা ভাবনা। সে কমলার দিকে ঘুরে বলল, ‘ তার
    মানে ? '
    টমি দুজনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। একটানা লেজ নাড়াতে নাড়াতে একবার এর মুখের দিকে আর একবার ওর মুখের দিকে তাকাচ্ছে।যেন সব কথাই বুঝতে পারছে। কমলা কোন উত্তর দিল না। আনমনে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল নীচের ওই দূর গাঁয়ের দিকে।কোন ঘোরে যেন ডুবে আছে।এ জগতে নেই। আর্সিয়ানার চোখে পড়ল টমিও কমলার পাশে দাঁড়িয়ে ওই দূরের ঘরবাড়ি ক্ষেতখামারের দিকে তাকিয়ে আছে উন্মুখ হয়ে। ওই গাঁ যেন ওরও খুব চেনা।

    পকেট থেকে মোবাইল বার করে ফের একটা টেক্সট করে ফাঁড়ির ও সি-কে — ‘ প্লিজ মেক শিওর টু স্টে ক্লোজ বাই আফটার ইভনিং ....’। জবাব এল তক্ষুণি, ‘ ওকে ....ডোন্ট ওয়রি। জাস্ট গিভ আ মিস কল। স্টে সেফ।’
    একসময়ে সন্ধে নেমে আসে। দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে আর্সিয়ানা আর সৌমিনি দূর পাহাড়ের আড়ালে লাল আবির ছড়িয়ে সূর্য ডুবে যাওয়ার ছবি দেখছিল। একদম ছবির মতো দৃশ্য। কমলাকে দেখা গেল একটা ঝাঁটা আর ঝুড়ি নিয়ে বাড়ির সামনের শুকনো পাতা পরিষ্কার করছে। মেয়েটা সবসময়ে কোন না কোন কাজে ব্যস্ত। অমিতাংশুবাবু কোথায় বেরিয়ে গেলেন। বোধহয় এখান থেকে মিনিট পাঁচেক দূরে এক উকিল বন্ধুর বাড়ি গেলেন আড্ডা মারতে। আর্সিয়ানার মনে হল, এই অমিতাংশুবাবু মানুষটিও বেশ সন্দেহজনক চরিত্র। বেশ দুর্বোধ্য ধরণের। সারাদিন কোথায় যে থাকেন বোঝা গেল না। কাল রাতে ওরকম অদ্ভুত ঘটনার পর ফোন করে কোন সাড়া পাওয়া গেল না। অবাক কান্ড।
    এখানে বিদ্যুতের ভোল্টেজ খুব কম। জোলো পানসেব আলো। আর্সিয়ানাদের ঘরের দরজার পাশের দেওয়ালে একটা অংশে প্লাস্টার খসে গিয়ে ইঁটের পাঁজরা বেরিয়ে পড়ে দেয়ালের ওপর একটা নগ্ন মানুষের আকার তৈরি হয়েছে। দরজার পাশে যেন দাঁড়িয়ে আছে কার প্রতীক্ষায়। ভর সন্ধেবেলায় চোখে পড়লে গা ছমছম করে।
    এর ঠিক পাশেই অমিতাংশুবাবুর ঘর। দরজা আধখোলা।আর্সিয়ানা বারান্দার এদিক থেকে ওদিক ধীর পায়ে পায়চারি শুরু করল। পায়চারি করতে করতেই অমিতাংশুবাবুর ঘরের ভেতর উঁকি দিল। ভেতরে অন্ধকার। যেটুকু দেখা যাচ্ছে মনে হচ্ছে ঘরে আসবাবপত্র খুব কম। সৌমিনির মোবাইলে থানার ও সি-র নম্বরটা সেভ করে দিয়ে বলল, ‘ শোন তুই এখানে দাঁড়া।কোন ভয় নেই। আমি একটু এ ঘরটায় ঢুকছি। যদি সাত মিনিটের ভেতর না বেরিয়ে আসি এই নাম্বারে একটা মিসকল দিবি শুধু। এখানে দাঁড়া। কোন ভয় নেই। কিচ্ছু হবে না।’ মোবাইলের টর্চ জ্বেলে আর্সিয়ানা অমিতাংশুর ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ল। দুদিকে দুটো বড় বড় জানলা। জানলার পর্দাগুলো হাওয়ায় নাচানাচি করছে।একটা ঢাউস সাইজের ড্রেসিং টেবিল রয়েছে একপাশে। আর একটা দুজন শোবার মতো খাট। খাটে একটা মশারি টানানো রয়েছে। চারপাশ ওপর দিকে গোটানো। একটা টেবিলও রয়েছে মনে হচ্ছে খাটের মাথার দিকে। আর্সিয়ানা ঘরের চারদিকে মোবাইলের আলো ফেলতে লাগল। একটা দেয়াল আলমারি রয়েছে দক্ষিণদিকের জানলার পাশে। জানলার একটা পাল্লা খোলা।
    আর্সিয়ানা ঘরের চারদিকে মোবাইলের আলো ঘোরাতে লাগল। ঘরের সিলিং-এ একটা পুরনো ঝুলমাখা পাখা ঝুলছে। আর্সিয়ানা দেখতে পেল সিলিং ফ্যান থেকে একটা মোটা নাইলনের দড়ি ঝুলছে। ঘরে কোন জামাকাপড়, তোয়ালে, চিরুনি বা অন্য কোন সরঞ্জাম দেখা গেল না। আর্সিয়ানা দেয়াল আলমারির দিকে এগিয়ে গেল। পাল্লাটা খুলে ফেলল। ভেতরটা একদম ফাঁকা।পাল্লা খুলতেই ভেতর থেকে যেন একটা মিস্টি আতরের গন্ধ মাখা দমকা ঝলক এক ঝটকায় বেরিয়ে এসে আর্সিয়ানাকে ঝাপটা মারল।

    সাত মিনিট পুরো হবার আগেই আর্সিয়ানা বেরিয়ে এল। সৌমিনি যেন ধড়ে প্রাণ ফিরে পেল।

    ( এরপর পরের পর্বে )
    **************************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন