এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কি? 

    লতিফুর রহমান প্রামানিক লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ মার্চ ২০২৬ | ১৩০ বার পঠিত
  • স্নায়ুযুদ্ধ বহুল প্রচলিত শব্দ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে। কিন্তু তার ফাঁকে ফাঁকে সামরিক যুদ্ধের স্বাক্ষী ও হয়েছে পৃথিবীর মানুষ। সম্প্রতি কালে ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ টাকে খুব অল্প সময়ের যুদ্ধ বলে প্রথম দিকে ধারণা হলে ও তা এখন দীর্ঘ সময় গড়িয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ এ শুরু হওয়া যুদ্ধ টা চার বছর ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাশিয়া কে আমেরিকার সাথে আর ইউক্রেন কে ইরানের সাথে তুলনা করলে চিত্র টা কাছাকাছি স্পষ্ট হয়ে উঠে।  আমেরিকা আর রাশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে প্রশ্নের কোন সুযোগ নেই।  আমেরিকার ঘাড়ে বন্দুক রেখে রাশিয়াকে নাস্তানাবুদ করে চলেছে ইউক্রেন সমান তালে। রাশিয়ার সীমান্তে একটা দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের ক্ষেত্র জিইয়ে রাখাই আমেরিকার জন্য সফলতা। আমেরিকার সাথে রাশিয়ার এই যুদ্ধ দীর্ঘকালের। নিজস্ব বলয়ে আধিপত্য বজায় রাখার এই চ্যালেঞ্জ ধরে রাখাই স্নায়ুযুদ্ধের প্রতিযোগিতা।  ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ তাদের নিজ্বস্ব অঞ্চলে চাপ সৃষ্টির কারণ হলেও মিডল ইস্ট বা এশিয়ার জন্য মাথা ব্যথার আশঙ্কা দেখা যায় নি। কিন্তু এবারের যুদ্ধক্ষেত্র সমস্ত দুনিয়ার জন্য অশনি সংকেত হিসেবে দেখা দিয়েছে।  যুদ্ধ মানেই প্রতিযোগিতা। সেই প্রতিযোগিতায় কোন পক্ষই পরাজিত হইতে রাজি নয় এটা সাধারণ ধারণা গত বিষয়। বিশেষ করে আমেরিকা রাশিয়ার মতো দেশের জন্য পরাজয় হজম করা কল্পনার অতীত। অন্য লেখায় বলেছি, এই যুদ্ধ আরবের উপর প্রভাব ধরে রাখতে ইসরায়েল কে টিকে রাখার জন্য। যার পরোক্ষ সুবিধা ভোগী আমেরিকা। কিন্তু দাবার গুটির চাল ভুল হয়েছে আমেরিকার। ইরান নিয়ে তাদের স্টাডি যে অপরিপক্ক ছিলো তা সি আই এ বা মোসাদের নাজুকতা এবার স্পষ্ট। ধারণা করা যায় ইরান আসন্ন যুদ্ধ নিয়ে যতটা না প্রস্তুত ছিলো ইসরায়েল বা আমেরিকার প্রস্তুতির ব্যাপক ঘাটতি দৃশ্যমান। ইরান অন্তত এটাই বুঝাতে সক্ষম যে, শুধু ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ হয় না, যুদ্ধ হয় পানিতে আর বড় যুদ্ধ হলো অর্থনৈতিক যুদ্ধ।  ইতোমধ্যে হাপিত্যেশ অবস্থা সারা আরব তথা এশিয়ায়। বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র দেশের জন্য যা মৃত্যুর মুখোমুখি অবস্থা। ভারতের গ্যাস স্টেশন এ লম্বা লাইনের ছবি ও চোখে পড়ছে। ফিলিপাইন জরুরি অবস্থা জারী করেছে, জাপানের মানুষ আগাম সতর্কতা হিসেবে মজুদ করছে। ইরানের আর হারাবার কিছু নেই, এখনো স্থল বাহিনী অক্ষত, গুপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র আর গোলাবারুদ কারখানার ব্যাপ্তি দেখে নাভিশ্বাস উঠে গেছে আমেরিকা ইসরায়েল এর। হরমুজ প্রণালী কেন্দ্রিক যুদ্ধ এখন অপেক্ষা। সরু সমূদ্র পথ কি গোলাবর্ষণ আর পাহারা বসিয়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?  জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাহাজ চালানোর মতো সাহস নাবিকের থাকতে পারে না।  ইরান তার বন্ধু দের জাহাজ গুলো পাহারা বসিয়ে চালাতে দিচ্ছে। কিন্তু আমেরিকা?  ইসরায়েল?  জাপান বা আমেরিকার বন্ধু রাস্ট্র গুলোর কি হবে?  আমেরিকার উপর ক্রমশ চাপ বাড়ছে। ইরাক, কুয়েত, সৌদি, জর্ডানের অর্থনীতি ধসিয়ে পড়ছে প্রতিদিন। তেল হয়ে উঠছে মারনাস্ত্রের চেয়ে ও আরও ভয়ংকর ভাবে। 
    আগামী সাত কিংবা দশ দিন যুদ্ধ চলমান থাকলে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়বে দুনিয়ার অনেক দেশ। যুদ্ধের এ-ই ভয়াবহতা কত কঠিন তা হয়তো হাড়েমজ্জায় টের পাব আমরা।  চীন রাশিয়া ইরানের বন্ধু। আমেরিকাকে ঘায়েল করার মোক্ষম অস্ত্র আর সময় হাল আমলে খুব একটা আসেনি। আমেরিকা আর ইসরায়েলের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, আধিপত্য ধংস করার এত বড় সুযোগ পেলে কেউ হাতছাড়া করতে চাইবে না। আমেরিকা যেভাবে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা নিয়মিত করছিল তা যদি রাশিয়া সেভাবে ইরান কে সহায়তা করে তাহলে অপরাধ কি? চীনের ক্ষেত্রে ও তাই। তাইওয়ান কে দিয়ে চীনের টেনশনে ঘি ঢালার মতো যে কাজ টা আমেরিকা করে তা যদি এবার চীন ইরান কে দিয়ে করে তাহলে সমস্যা কি?  হুহু করে চীনের মুদ্রা আর রাশিয়ার রুবলে তেল বেচাকেনা চলছে। ডলারের আধিপত্য ধংস করার জন্য সেটাই যথেষ্ট। 
    আগামী দিনে আমরা হয়তো সেদিকেই যাচ্ছি।  তেলের পরে এবার পানির কথা বলি। আরবের দেশগুলো ৯৫% সমুদ্রের পানিকে শোধন করে খাবার পানি হিসাবে ব্যবহার করে। প্রায় ৪০০ এর উপরে এসব শোধনাগারে হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছে যদি তাদের বিদ্যুৎ পরিষেবায় আক্রমণ করে আমেরিকা। আর ইরানের এসব হামলা যদি সত্যি হয়ে যায় তাহলে আরব দেশগুলো হয়ে যাবে এক মৃত্যুপুরীতে।  আমেরিকাকে সেটাও ভাবতে হবে। যুদ্ধে কোন নিয়ম থাকে না, আইন থাকে না, মানবিকতা থাকে না। এমন অমানবিক ঘটনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের  হাতে করতে দেখেছি।  
    আমরা কি সেই পথেই যাচ্ছি?  নানা রকম ভাবনায় ধিরে ধিরে ক্লান্ত হচ্ছে মানুষ।  
    তাহলে কি আমেরিকা পরাজয় হজম করবে? 
    আমেরিকার জন্য সেইফ এক্সিট খুঁজে বের করাই মুস্কিল হয়ে গেছে। সরাসরি যুদ্ধ থামিয়ে দিলে আমেরিকার প্রভুত্ব মাটিতে মিশে যাবে, আমেরিকার দীর্ঘদিনের আরবে থাকা সামরিক ঘাটিগুলো নিয়ে পালাতে হবে। ইসরায়েল হয়ে যাবে নিশ্চিহ্ন সেটা নিশ্চিত। এই পরাজিত আমেরিকা আগামী দুশো বছরে আর মাথা তুলে দাঁড়িয়ে যেতে পারবে না।  ভবিষ্যতে আজকের এই তেল হয়ে উঠবে আমেরিকার সাথে যুদ্ধ করার প্রধান অস্ত্র। বিশ্বরাজনীতিতে নতুন প্রভুর আবির্ভাব হবে। 
    তাহলে কি এই যুদ্ধ বছরের পর বছর চলবে?  সেই প্রশ্ন ও রয়েছে। এই সামরিক ময়দানে বেশি দিন যুদ্ধ চালানোর মতো নয়। কোনভাবেই তা নয়। সমস্ত দুনিয়াকে অন্ধকারে নিমজ্জিত রাখা দীর্ঘদিন সম্ভব নয়। আমেরিকার পক্ষে এই যুদ্ধক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সেটা আমেরিকা ও জানে।
    আগেই বলেছি আমেরিকা তার সম্মানজনক একটি সেইফ এক্সিট চাইছে।  সেই দরকষাকষি সহজ ও নয়। তাই যুদ্ধ প্রলম্বিত হচ্ছে এটা স্পষ্ট।  কিন্তু আমেরিকা তাহলে কিভাবে এর সমাপ্তি ঘটাবে? নিজেকে জয়ী হিসেবে কিভাবে  জারী করবে? 
    আমেরিকার হাতে উপায় খুব কম, যতই সময় এগুতে থাকবে আমেরিকা তার বন্ধু হারাবে, যা আমেরিকা চাইবে না। 
    আমরা কি আরেকটি হিরোশিমা নাগাসাকির জন্য অপেক্ষা করছি? 
    আমি খুব উড়িয়ে দিচ্ছি না।  এবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে যদি তাকাই তাহলে তারই চিত্র ফুটে উঠেছে এবারের ঘটনা প্রবাহে। সেবার পরমাণু বোমা হামলার ৬ দিনের মাথায় যুদ্ধ থেমে যায়। জাপান আত্মসমর্পণ করে আমেরিকার কাছে। নয়তো আরও দীর্ঘদিন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ চলতে পারতো।  পরমাণু বোমা হামলাই যে আমেরিকার শেষ সেইফ এক্সিট নয় তা হয়তো আপাতত বলা যাচ্ছে না। কিন্তু উড়িয়ে দিচ্ছি না। এবারের রাজনৈতিক জটিলতা আমেরিকার জন্য অস্তিত্বের লড়াই। লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে হিংস্র হতে হয়। আমেরিকা হয়তো সেটাও ভাবনায় রাখছে। তবে আমার ধারণা অমুলক হোক, আমার চিন্তার ভুল হোক। এই যুদ্ধ দ্রুত শান্তিতে ফিরে আসুক। 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2402:3a80:43d:2eec:40b2:4a03:d8e4:***:*** | ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫৫739455
  • "ভারতের গ্যাস স্টেশন এ লম্বা লাইনের ছবি ও চোখে পড়ছে" - আমি চেন্নাইতে থাকি, এখানে কোন লাইন এখনও অবধি দেখিনি। গতকালও পেট্রল ভরিয়েছি। কিছু কিছু ​​​​​​​জায়গায় ​​​​​​​বোধায় ​​​​​​​প্যানিক ​​​​​​​বাইং ​​​​​​​হচ্ছে, ​​​​​​​তবে ​​​​​​​এখনও ​​​​​​​অবধি বোধায় ​​​​​​​পেট্রল ​​​​​​​শর্টেজ শুরু ​​​​​​​হয়নি। 
     
    "তাইওয়ান কে দিয়ে চীনের টেনশনে ঘি ঢালার মতো যে কাজ টা আমেরিকা করে তা যদি এবার চীন ইরান কে দিয়ে করে তাহলে সমস্যা কি?" - সমস্যা হলো, চীন আমেরিকার ইন্টারেস্টের বিরুদ্ধে কিছু করছে না, অন্তত প্রকাশ্যে তো নয়ই। ইরানকে সাহায্যও করছে না। উল্টে ট্রাম্প বলছে মে মাসে শি র সাথে দেখা করবে।  
     
    "হুহু করে চীনের মুদ্রা আর রাশিয়ার রুবলে তেল বেচাকেনা চলছে। ডলারের আধিপত্য ধংস করার জন্য সেটাই যথেষ্ট" - নাঃ, ডলারের আধিপত্য আরও কয়েকটা কারনের ওপর বেস করে দাঁড়িয়ে আছে। তার ওপর ডলারের আধিপত্য ধংস হলে চীনের নিজেরই ইকোনমি ডিস্টেবিলাইজড হয়ে যাবে, কাজেই চীন ওরকম কোন পদক্ষেপ এখনই নেবে না। 
  • লতিফুর রহমান | 118.179.***.*** | ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:০৮739456
  • ধন্যবাদ বিশ্লেষণের জন্য দাদা।
  • | ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:০৯739457
  • পশ্চিমবঙ্গে অটোর লাইন পড়ছে পাম্পগুলোতে।  পারডানকুনি আর কোন্নগরে অটোর বিশাল লাইন আমিই দেখেছি ৩ দিন। ইন ফ্যাক্ট একটা গুজব ভাসছে যে উনিজি লকডাউন ডিক্লেয়ার করতেও পারে। 
    ভারতের তেল গ্যাসের রিজার্ভ নাকি সাড়ে নদিন চলার মত এটা আরটিয়াইয়ের উত্তরে জানিয়েছে সরকার। 
  • লতিফুর রহমান | 118.179.***.*** | ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:১১739458
  • অনেক ধন্যবাদ দাদা পড়ার জন্য। 
  • dc | 2402:3a80:43d:2eec:40b2:4a03:d8e4:***:*** | ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:১২739459
  • আচ্ছা। তবে এই সুযোগে তো গ্যাসের দাম একবার ষাট টাকা বাড়িয়ে দিল, এখন তেলের দামও বাড়ালে অবাক হবো না। 
  • | ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:৫৮739461
  • শুধু ৬০ টাকা বাড়াল তাই না, আবার নাকি সিলিন্ডার ১০ কেজির করবে ১৪ কেজি থেকে কমিয়ে। আমাদের পাড়ায় যে সিলিন্ডার দেয় পিন্টুদা সেই বলে গেল। পরে কাগজেও দেখলাম এরকম ভাবনা চিন্তা চলছে। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২৬ মার্চ ২০২৬ ২১:০২739462
  • আমার মনে হয়না সেফ এক্সিট পরমাণু বোমা বলে। আপাতত হরমুজ প্রণালী খোলানোটাকেই আমেরিকা জয় হিসেবে ঘোষণা করবে। যেমন আফগানিস্তানে তালিবানের বিরুদ্ধে লড়াই করে সাফল্যের সাথে নতুন সরকার অর্থাৎ তালিবানের হাতে দেশ ছেড়ে গৌরবময় পশ্চাদপসরণ করল, ঠিক সেরকম।
  • লতিফুর রহমান প্রামানিক | ২৬ মার্চ ২০২৬ ২৩:১৩739464
  • হরমুজ প্রণালীর দখল টা আপাতত সহজ মনে হচ্ছে না। তারপর ও দেখা যাক আমেরিকা কিভাবে পলায়ন করে 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন