এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দাদার কীর্তি

    Amitava Sen লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ মার্চ ২০২৬ | ৬০ বার পঠিত
  • তুলনায় দুর্বলের প্রতি সবলের বীরত্ব, সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকেই আছে। প্রায় সব বড় রাজ্য/সাম্রাজ্য এই নিয়মের ব্যত্যয় হতে দেয় নি। তবে ৭/৮ কোটি মানুষের মৃত্যুর পরে, ছয় বছর ব্যাপী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানে রাষ্ট্রনেতা, পুঁজিপতি, সামরিক জেনারেলদের হয়তো মনে হয়েছিল, "বড্ড বেশি মানুষ গেছে বানের জলে ভেসে" অথবা এই শক্তিক্ষয়ে ওনাদের বেওসার লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হচ্ছিল। যাই হোক না কেন, যুদ্ধ শেষের পর কয়েকটা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলো - যার কেন্দ্রে ছিলো রাষ্ট্রপুঞ্জ (United Nations' Organization)। উদ্দেশ্য বিশ্বে একটা Rule Based Order তৈরি করা, যাতে মানুষের সভ্যতায় "জঙ্গলের নিয়ম" এর অবসান হয়, যুদ্ধের বদলে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা হয়, প্রত্যেক রাষ্ট্র অন্যের সর্বভৌমত্বে নাক না গলায় ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেক চার্টার ইত্যাদি তৈরি হলো, যাতে শান্তির স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়।

    এটা মানতেই হবে ১০০% সাফল্য না পেলেও রাষ্ট্রপুঞ্জ গত ৮০ বছর ধরে বেশ কিছু জায়গায় সাফল্য পেয়েছে। তবে কেঁদো দাদারা, সে লাল-নিল-হলুদ-সবুজ যে রং এরই হক, তাদের রংবাজি চালিয়েই গেছে, যখন তাদের নিজেদের দেশের বেওসায়ীদের স্বার্থে সেটার খুব প্রয়োজন হয়েছে।  নিচে তার কিছু উদাহরণ রইলো। দুর্ভাগ্যজনক বাস্তব হলো ইরান, ২০২৬ প্রথম নয়, শেষও নয়। স্যামকাকা, এই মুহূর্তে সারা দুনিয়ার স্বঘোষিত গণতন্ত্রের পাহারাদার, এই মুহূর্তে প্রাক্তন ও বর্তমান সাম্যবাদের অভিভাবকের থেকে অনেকটা এগিয়ে । নীচে এই দাদাগিরির একটা সংকলন রইলো, একবার ফিরে দেখার জন্য।

    ১৯৫৩, ইরান
    CIA পরিচালিত “অপারেশন অ্যাজাক্স” - প্রধানমন্ত্রী মোহম্মদ মোসাদেখ ক্ষমতা থেকে উৎখাত। ওনার অপরাধ ইরানের তেল শিল্পের জাতীয়করণ।

    ১৯৫৪, গুয়াতেমালা
    ১৯৪৪ সালে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে মানুষের বিপ্লবে। গণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতায় আসেন প্রেসিডেন্ট আরেভালো। তিনি ভয়ঙ্কর সব সিদ্ধান্ত নিলেন। ন্যূনতম মজুরির আইন পাস করলেন তার সাথেই এলো সার্বজনীন ভোটাধিকার। ন্যূনতম মজুরিতে গোঁসা হলো আমেরিকার ইউনাইটেড ফ্রূট কোম্পানি - কলা বেচার ব্যবসায় একটু মুনাফা কমায়। গোদের ওপর বিষফোঁড়া। পরের প্রেসিডেন্ট জ্যাকব আর্বেনজ ভূমি সংস্কার করলেন আর দেশের কমিউনিস্ট পার্টির ওপর থেকে নিষিদ্ধ তকমা সরালেন। আর কত সহ্য হয়! CIA র মদতে সামরিক অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত আর্বেনজ, ফিরে এলো সামরিক জেনারেলের একনায়কতন্ত্র।

    ১৯৫৬, হাঙ্গেরি
    ছাত্রদের বিক্ষোভ, সাথে সাধারণ মানুষ। দাবি সোভিয়েত উনিয়ন এর কুক্ষিগত হয়ে নয়, বাঁচবে তারা স্বাধীন হাঙ্গেরিতে। হাঙ্গেরির সরকার বিক্ষভের মুখে যখন অসহায়, নতুন প্রধানমন্ত্রী নাগি, ঘোষণা করেছেন হাঙ্গেরি ওয়ারশ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসবে, সোভিয়েত সেনা ইউনিটগুলো হাঙ্গেরি ছাড়বে -  ঠিক তখন সেখানে প্রবেশ করলো সোভিয়েত ট্যাঙ্ক বাহিনী। গুঁড়িয়ে গেলো হাঙ্গেরি বিপ্লব, আপাত সমাধি হলো, মুক্ত হাঙ্গেরির স্বপ্ন।

    ১৯৬১, কিউবা
    ক্ষমতায় কিউবান কমিউনিস্ট পার্টি, ১৯৫১ র বিপ্লবের পরে। CIA প্রশিক্ষিত বাহিনী দিয়ে বে অফ পিগস আক্রমণ। তার আগে বোমারু বিমান দিয়ে ওপর থেকে বোমা বর্ষণ। লক্ষ্য ছিল কাস্ত্রোর সরকারকে উৎখাত করা, তবে এখানে সফল হয় নি উদ্দেশ্য। ক্ষান্ত না দিয়ে এরপরে বহুবার কাস্ত্রোকে গুপ্ত হত্যার চেষ্টা চালিয়ে যায় CIA। আমেরিকান সেনেটের চার্চ কমিটির মতে এরকম চেষ্টা ৮ বার হয়েছিল। কিউবার গোয়েন্দা দফতরের হিসেবে ৬৩৪ বার - ১৯৫৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে। কাস্ত্রোকে না পারলেও চে গুয়েভারাকে ১৯৬৭ সালে বলিভিয়ার জঙ্গলে ধরে খুন করতে সফল হয় CIA। সেই এক ভয় চে বেঁচে থাকলে লাতিন আমেরিকায় কমিউনিস্টদের বেড়ে ওঠার সম্ভাবনা।

    ১৯৬৫, ডোমিনিকান রিপাবলিক
    ৩০ লাখ মানুষের ছোট্ট দেশ। আয়তনে পশ্চিম বঙ্গের প্রায় অর্ধেক। সেই দেশে জুয়ান এমিলিও বোশ গাভিনো, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রর প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।  রাষ্ট্রপতি হয়ে গাভিনো ভয়ঙ্কর কিছু সংস্কার করার চেষ্টায় ছিলেন। বাক স্বাধীনতার অধিকার, কোম্পানির মুনাফায় শ্রমিকদের ভাগ, ভূমি সংস্কার, শিশু-কৃষক-অনগ্রসর শ্রেণির মানুষদের অধিকার রক্ষা, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, চার্চের প্রভাব থেকে বেরিয়ে ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের দিকে এগোনো, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা কমানো– ইত্যাদি ইত্যাদি। ব্যস, একাধারে ভুস্বামী, শিল্পপতি, চার্চ, সামরিক বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ল। হল সামরিক অভ্যুত্থান। স্যাম কাকার সেনাবাহিনী ঢুকে পড়ল - অপারেশান পাওয়ার প্যাক। কার পক্ষ নিল, আমেরিকান সেনা, সেটা বোঝার জন্য বোধহয় গুগুল বাবার শরণাপন্ন হতে হবে না।

    ১৯৬৮, চেকোস্লোভাকিয়া
    আলেকজান্ডার দুবচেকের কমিউনিস্ট সরকার, সামান্য কিছু সংস্কার করার চেষ্টায় ছিল – যেমন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বিভিন্ন স্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করা। ভয়ঙ্কর পদক্ষেপ, তায় আবার ব্যাপক মানুষের সমর্থন পাচ্ছিল এই সংস্কারের প্রচেষ্টা। কাজেই চেক জনগণকে বাঁচাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে ওয়ারশ চুক্তির অন্তর্ভুক্ত পোলান্ড, বুলগেরিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরির সেনাবাহিনী প্রবেশ করে প্রাগ বসন্তের দফা রফা করে দেয়। 

    ১৯৬৫-১৯৭৩, ভিয়েতনাম
    সেই বামাতঙ্ক। ৮ বছরের যুদ্ধে, অন্তত ৩০ লাখ ভিয়েতনামের অধিবাসীর মৃত্যু, দূর দেশে লড়তে এসে, আমেরিকার সেনা মৃত্যু ৫৮,০০০ এর কাছাকাছি। পারামাণবিক অস্ত্র বাদে যাবতীয় নিষিদ্ধ অস্ত্রের ব্যাবহার – নাপাম বোমা, রসায়নিক অস্ত্র, ক্লাস্টার বোমা ইত্যাদি ইত্যাদি। নৃশংসতার যদি কখনো লিস্ট বানানো হয়, ভিয়েতনামে আমেরিকার সেনাবাহিনীর কান্ড কারখানা, নিশ্চিত করেই প্রথম দিকেই থাকবে।

    ১৯৭৩, চিলি
    সালভাদর আলেন্দে, বোধহয় লাতিন আমেরিকার প্রথম নির্বাচিত মার্ক্সবাদী রাষ্ট্রপতি। বামপন্থী রাষ্ট্রপতি, তাও লাতিন আমেরিকায়, আর যায় কোথায়, CIA সমর্থিত সামরিক অভ্যুত্থান। সালভাদর আলেন্দে খুন হলেন। উনি দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তাব প্রতাখ্যান করে, রাষ্ট্রপতি ভবনেই নিহত হন। ক্ষমতায় আসেন জেনারেল অগাস্টো পিনোশে। আমেরিকা সঙ্গে সঙ্গে পিনোশের সরকারকে স্বীকৃতি দেয়।

    ১৯৭৯, আফগানিস্তান
    ১৯৭৮ এ রাজতন্ত্র উৎখাত করে ক্ষমতায় আসে পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ আফগানিস্তান (PDPA)। ক্ষমতায় আসার পরেই পার্টির মধ্যের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে খুন খারাপি চালু। তবে আধুনিক আফগানিস্থান স্থাপন করার চেষ্টা হয়েছিল PDPA আমলে, সেটা আবার গোঁড়া মুসলিমদের বিলকুল না পসন্দ, কাজেই জিহাদের শুরু। PDPA র নিজের ক্ষমতায় কুলায় নি এ জিনিষ সামলানো। নেমন্তন্ন গেলো সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে। নিমন্ত্রণ ফেরান অভব্যতা। কাজেই সোভিয়েত সেনা সরাসরি আফগানিস্তানে প্রবেশ এবং বাম সরকারকে রক্ষার যুদ্ধ শুরু।

    ১৯৮০র দশক, নিকারাগুয়া
    ১৯৮৪ সালের সাধারন নির্বাচনে ৬৭% ভোট পেয়ে গঠিত হয় সান্দিনিস্তা সরকার। আবার এক সমস্যা – সরকার বাঁদিকে টাল খাওয়া। ঘুড়ির একদিকে টাল থাকলে যেমন বাচ্চারা “কারনিক” দেয়, সেইরকম লাতিন আমেরিকায় বাম ঘেঁষা সরকার এলেই স্যাম কাকা হাজির হয় “কারনিক” নিয়ে।    নিকারাগুয়া ব্যাতিক্রম নয়। সান্দিনিস্তা সরকারকে ফেলার জন্য CIA “কনট্রা” বিদ্রোহীদের সবরকম সাহায্য করেছিল পুরো ৮০র দশক জুড়ে। 

    ১৯৮৩, গ্রেনাডা
    ক্ষমতার দখল নিয়ে শাসক দলের মধ্যে লড়াই, প্রধানমন্ত্রী ও তার ঘনিষ্ঠ নেতারা ফায়ারিং স্কোয়াডে ঝাঁঝরা। সামরিক অভ্যুথান। যে সামরিক শাসক ক্ষমতায় এলেন, হাডসন অস্টিন, তাঁর নাকি আবার বাঁদিকে কারনিক। কাজেই চলে এলো মার্কিন সেনাবাহিনী, উৎখাত হলেন হাডসন অস্টিন। পরে ১৯৮৪ সালের নির্বাচনে অবশ্য বামপন্থীরা হেরে যায়। 

    ২০০৩, ইরাক
    মার্কিন নেতৃত্বে আক্রমণে প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেনের পতন। যুদ্ধর শুরু করার অজুহাত - ইরাকের কাছে আছে Weapons of Mass Destruction (WMD)। যদিও, যুদ্ধের আগের তদন্তকারী দলের সদস্যরা কিছুই খুঁজে পান নি, কিন্তু স্যাম কাকার নাকে ঠিক গন্ধ গেছে। হল যুদ্ধ, মারা গেলেন ১১,০০০ ইরাকি ও ৪,৫০০ মার্কিন সেনা। ধ্বংস হল একটা দেশ, শুরু হল এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়। পরের ১৫ বছরে যেখানে মারা যাবেন প্রায় ৩,০০,০০০ মানুষ, যার মধ্যে অসামরিক মানুষ ২ লাখের অপর। WMD র টিকিও অবশ্য স্যাম কাকার লোকেরা তন্ন তন্ন করেও আজও খুঁজে পায় নি।

    ২০২২, ইউক্রেন
    ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে বিভিন্ন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলো বিচ্ছিন্ন হবার সময় বিশেষ কোন হানাহানি হয় নি। বেশ কিছু কারণের মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল, ১৯৩৬ এর সংবিধানে বিচ্ছিনতার অধিকারের স্বীকৃতি। ১৯৪৪ এর সংশোধনের পর সবকটি প্রজাতন্ত্র পায় নিজস্ব বিদেশমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৬ এর মধ্যে ইউক্রেন সেচ্ছায় তার পারমাণবিক অস্ত্রের ভাণ্ডার তুলে দেয় রাশিয়ার হাতে। ইউক্রেনের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয় দুনিয়ার সবচেয়ে বড় দাদারা – ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও রাশিয়া। ১৮ বছরের মধ্যেই প্রতিশ্রুতির ফানুস ফেটে যায়, যখন ২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে। এর পরের গল্প সবাই জানি। ইউক্রেন NATO তে ঢোকার চেষ্টা ফল দেবার আগেই, রাশিয়ার আক্রমণ ২০২২ সালে। তারপর থেকে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে।

    ২০২৫, ভেনিজুয়েলা
    রাষ্ট্রপতি মাদুরো, পছন্দের লোক নয়, অন্তত মুখে বামপন্থী হুগো শ্যাভেজ এর উত্তররাধিকারী। তার ওপর তেলের রফতানি আর ডলারকে কাটিয়ে অন্য মুদ্রায় তেল বেচার চেষ্টায় ছিলেন। উড়ে এলো স্যাম চাচার প্লেন, তুলে নিয়ে ভরে দিল আমেরিকার জেলে। 

    পাঠকের ইচ্ছে থাকলে --- ১৯৫১-তিব্বত, ১৯৫৭-সিরিয়া, ১৯৬০-কঙ্গো, ১৯৬৪-ব্রাজিল, ১৯৬৫-ইন্দোনেশিয়া, ১৯৭০-কাম্বোডিয়া, ১৯৭৫-৮০-অ্যাঙ্গোলা, ১৯৮০ র দশকে এল সালভাদর, ২০১১-লিবিয়া, ২০১৫-সিরিয়া --- গুগুল বাবার হাত ধরে পড়ে নিতে পারেন। তবে মনে রাখবেন বিপ্লব কেতনের সেই গান:

    নিশীথ রাতে প্রিয়ার সাথে কোন কথাটি কও 
    ঘুমের মাঝে স্বপ্ন রাজ্যে কোথায় তুমি রও
    মাটিতে পা আছে কিম্বা
    শূন্যেতে রও ভাসিয়া
    সব জানতে পারবে সিয়ার কাছে
    সিয়া সিয়া সিয়া।

    বি দ্র:
    ১. CIA র declassified documents থেকেই অধিকাংশ তথ্য পাওয়া যায়, KGB র এসবের বালাই কোনদিন ছিলো না, আজও নেই। সেইজন্য গোপন অপারেশন গুলোর তথ্য পাওয়া খুব মুশকিল।

    ২. স্যাম চাচার দেশে ব্যাতিক্রমহীন ভাবেই, সব সময় সাধারণ মানুষ যুদ্ধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। লাল দেশেগুলোর ক্ষেত্রে এটাও বোধহয় বলা যাবে না।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন