এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নাটকঃ ফুসমন্তর

    Sagarmay Mandal লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ মার্চ ২০২৬ | ১৭৭ বার পঠিত
  • ফুসমন্তর
    [ একাঙ্ক নাটক ]
    (শরৎচন্দ্র মণ্ডলের ছোটগল্প “সিঁদুরপড়া” অবলম্বনে)
    রচনাঃ সাগরময় মণ্ডল

    পাত্রপাত্রী

    মহাদেব : নিম্নবিত্ত পরিবারের গৃহকর্তা, বয়স পঞ্চান্ন বছর। সাধাসিধে, ভালো মানুষ।
    উমা : মহাদেবের বৌ। বয়স পঞ্চাশ বছর। বদ মেজাজি, বউমাকে দেখতে পারে না।
    সাধন : মহাদেবের ছেলে। বয়স ছাব্বিশ বছর। ফুটবল পাগল।
    তরলা : সাধনের বৌ। বয়স বাইশ বছর। শাশুড়ির সঙ্গে বনিবনা হয় না।
    গনক : ঠাকুর সাধক। বয়স পঞ্চাশ বছর। গ্রামের প্রান্তে ছোট আশ্রম করে থাকে।

    [ নাট্যকারের কথা : খবরের কাগজ, টেলিভিশন, সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্র আজ বিজ্ঞাপনের দখলে। আর এই বিজ্ঞাপনের একটা বড় অংশ জুড়ে আছে জ্যোতিষী বাবা, তাবিজ-মাদুলি বাবারা। কাগুজে বিজ্ঞাপন ছাড়াও গ্রামে গঞ্জে আরও অনেক গনক ঠাকুর বা ঠাকরুন নীরবে তাবিজ-মাদুলি, জল-পড়া, তেল-পড়া বিক্রি করে আঁখের গুছিয়ে নিচ্ছে। তাদের রমরমা বাজার। মানুষ ঠকছে তবু যাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হওয়া দরকার। মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাকে নিঃস্ব করার খেলা বন্ধ হওয়া জরুরি। গ্রামের নিম্নবিত্ত এক পরিবারের গল্প নিয়ে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এই নাটক। আসুন এই নাটক মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদ দিকে দিকে ছড়িয়ে দিই। নাটক যদি ভালো লাগে এবং মঞ্চস্থ করতে চান, তাহলে কমেন্ট বক্সে জানালে লেখকের ভালো লাগবে এবং আরও ভালো নাটক লিখতে অনুপ্রাণিত হবে। ]

    প্রথম দৃশ্য

    [ মহাদেবের বাড়ি। চালা ঘরের বারান্দা। পাশে রান্না করার সামান্য জায়গা। মহাদেব ও উমা বারান্দায় বসে আছে। রান্নাঘরের ভিতর থেকে বাসনপত্র ছোঁড়ার শব্দ কানে আসছে। ]

    উমা : ভাঙ, ভাঙ। সব ভেঙ্গেচুরে শেষ করে দে। এমন সুন্দর সাজানো সংসার আমার ভেঙে চুরে শেষ করে দিলে গো। এমন অলক্ষ্মী মেয়েকে কেউ বৌ করে ঘরে আনে! আমার মন্দ কপাল এঁ হে হে (নাকি কান্না)।

    মহাদেব : তাই তো সাধনের মা। কত সাধ করে সাধনের বিয়ে দিলাম। লক্ষ্মীমন্ত বউমা হবে, সংসারটাকে হাসি খুশি দিয়ে ভরিয়ে রাখবে। আর তা না হয়ে..

    উমা : বিয়ের আগে আমি তোমাকে পইপই করে বললুম, ওগো, ভালো ভাবে খোঁজ খবর না নিয়ে ছেলের বিয়ে দিও নি। এখন বুঝতে পারছ তো কেমন অলক্ষ্মী মেয়েকে ছেলের বৌ করে ঘরে এনেছো।

    মহাদেব : ওঃ! এখন সব দোষ এই মহাদেবের, তাই না? তুমিও তো মেয়ের বাড়ি গিয়ে দেখে এলে। মেয়ের মা তো নাই, তবু ঠাকুমার সঙ্গে কি ঢলাঢলি! যেন তিন জন্মের মাসি বোনঝি। আর ওই ফাঁদে পড়েই তো তুমি বিয়ের কথা পাকা করে এলে। আর এখন আমার দোষ!

    উমা : বা, বা, বা। আরে সে না হয় আমি কথা দিয়ে এলুম। কিন্তু তুমি তো পুরুষ মানুষ, ছেলের বাপ। তোমার মত ছিল না বুঝি? তুমিই তো ওই মরাখেকো ঘটকের সঙ্গে বাইরের ঘরে বসে বোতল খুলে খুলে মাংসের চাট দিয়ে ঢুক ঢুক করে ছাইপাঁশ গিলে একেবারে বিয়ের দিন পর্যন্ত পাকা করে চলে এলে।

    মহাদেব : হ্যাঁ, হ্যাঁ। করেছি বেশ করেছি। তাই বলে ঘরের বৌ হয়ে শ্বশুর শাশুড়ির সঙ্গে মুখে মুখে তক্কো করবে? আর এই মহাদেব মল্লিক সেটা মেনে নেবে? কভি নেহি। আমি এর একটা হেস্তনেস্ত করে তবেই ছাড়বো। ও মহাদেব মল্লিককে চেনে না। এমন প্যাঁচ কষে টাইট দেব না। হু হু বাবা, ঘুঘু দেখছো, ঘুঘুর ফাঁদ তো দেখ নি! এবার ঘুঘুর ফাঁদ দেখাবো।

    উমা : হ্যাঁ, হ্যাঁ, করো, কিছু একটা করো। ওই অলক্ষ্মী কে বিদেয় করো। আমি আবার আমার ছেলের বিয়ে দিয়ে লক্ষ্মীমন্ত বউমা ঘরে আনবো।

    মহাদেব : সেই তালেই তো আছি। কিন্তু শালা, এই মাথায় কোন মতলব আসছে না।

    উমা : খাটাও, খাটাও। মাথা খাটাও। দরকার হলে দুটো বেশি বেশি বিড়ি খাও, বুদ্ধির গোঁড়ায় ধুমো দাও। একটা বুদ্ধি বের করে ওই অলক্ষ্মীকে এই বাড়ি থেকে দূর করে দাও।

    [ তরলার প্রবেশ ]

    তরলা : দূর করে দাও বললেই তো হবে নিকো। এ আমার সোয়ামীর বাড়ি। তোমাদের না পোষালে চলে যাও। সদর দরজা খোলা আছে। কেউ তো হাতে পায়ে বেড়ি পড়িয়ে রাখে নি।

    উমা : ওঃ, এটা শুধু তোর সোয়ামীর বাড়ি? আমার সোয়ামীর বাড়ি নয়? সাধনের বাবা আর আমি মিলে কত কষ্ট করে এই সংসারটাকে দাঁড় করিয়েছি। ছেলেকে মানুষ করে বিয়ে দিয়ে ছেলের বৌ এনেছি। আর সেই বৌ বলে কিনা, না পোষালে বেইরে যাও। এমন কথা তু বলতে পারলি? মুখে আটকাল না?

    তরলা : না আটকায় নি। আর আটকাবেই বা কেন? আমি তো ন্যায্য কথাই বলেছি। ওই বলে না দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভালো। এই গোয়ালে থাকতে হলে আমার কথা মতো চলতে হবে। নইলে ওই যে ওই দিকে দরজা আছে।

    উমা : তা তো বলবেই। (মহাদেবকে দেখিয়ে) ওই লোকটা সকাল থেকে না খেয়ে আছে। এতো বেলা হোল, এখনও উনুনে হাঁড়ি চড়লো না।

    তরলা : চড়ালেই তো হয়। আমি তো আর হাঁড়ি, কড়াই, উনুন মাথায় করে বাপের বাড়িতে রেখে আসি নি। রান্না করে খাওগে। আমি হেঁসেল ঠেলতে পারবো না। খেতে হলে খেটে খাও। দিন রাত মাগ ভাতারে গুজুর গুজুর ফুসুর ফুসুর করবে। ঠ্যাঙের উপর ঠ্যাং তুলে খাবে আর আমার পিণ্ডি চটকাবে, ওসব চলবে নি। আমি গাধার মতো খাটবো, আর সাহেব মেমসাহেব বসে বসে খাবে? যাও যাও মেলা বকোনি। খেটে খাওগে।

    উমা : হ্যাঁ, হ্যাঁ। খেটেই তো খাই। কে আর বসে খেতে দেবে? তেমন কপাল্ কি আর আমার আছে? না তেমন কপাল করে বৌ এনেছি? হ্যা্‌…।হ্যা…। (কান্না)

    তরলা : ওসব কাঁদুনি গেয়ে লাভ হবে নি। আমার বাড়িতে থাকতে গেলে আমার কথা মতো চলতে হবে। সবাইকে আমার বশে থাকতে হবে।
    উমা তবে রে পোড়ারমুখী! যার শীল, যার নোরা, তারই ভাঙবি দাঁতের গোঁড়া! আমার ঘর আমার সংসার। আর বলে কিনা ওর কথা মতো চলতে হবে, ওর বশে থাকতে হবে? দাঁড়া, মজা দেখাচ্ছি। আজ আমার একদিন কি তোর একদিন।

    তরলা : কি মারবি নাকি? দেখ না গায়ে হাত দিয়ে, তোদের আমি কি করতে পারি। থানা পুলিশ করে জেলে ঢোকাব।

    উমা : কি -

    মহাদেব : ও বৌ থামো। থামো। তোমার না হার্টের ব্যামো! মাথা গরম করো না। মাথা বেশি গরম হয়ে গেলে, কি করতে কি হয়ে যাবে। তার চেয়ে—

    উমা : তার চেয়ে মরণ ভালো। যত সব অপয়া অলক্ষ্মীর কারবার।

    তরলা : কি বললি! আমি অপয়া! অলক্ষ্মী? অপয়া, অলক্ষ্মী তো মা। তোর চৌদ্দ পুরুষ।

    উমা : কি, আমার মা বাবা কে তুলে কথা!! দাঁড়া— (কোমড়ে কাপড় জড়িয়ে তরলার দিকে এগিয়ে যায়। তরলাও কোমড়ে কাপড় জড়ায়।)

    সাধনের প্রবেশ। মুখে তার রেফেরির বাঁশি।

    সাধন : ফুরররর…… না না সেম সাইড হয়ে যাচ্ছে। এখানে ফাউল প্লে চলবে না। সব খেলার একটা নিয়ম আছে। নিয়ম না মানলে খেলা ভণ্ডুল। মাঠে তান্ডব নেত্ত।

    উমা : তুই তোর বৌকে সামলা সাধন। দেখছিস তো, আমার গায়র হাত তুলতে আসছে।

    তরলা : না না না। একদম মিথ্যে কথা। ওই তো আমাকে মারবে বলে কোমরে কাপড় জড়িয়ে তেড়ে আসছিল। আমি তো শুধু আটকাতে গেছি। আমাকে এক ঘা দিলে দু ঘা বসিয়ে দেব না।

    সাধন : আহা হা। শ্বাশুরি হলেও তো মা নাকি? ওই রকম করে কেউ কথা বলে।

    তরলা : মা না হাতি। আমাকে মারতে এলে মার খেতেও হবে। তুমিই তো আমাকে বিয়ে করে ঘোরে এনেছো, সে টা কি তোমার মায়ের হাতের মার খাওয়ার জন্যে? আমাকে তো খুব বলছো, মাকে বলতে পারছো না? মাতৃভক্ত রামপ্রসাদ আমার!

    সাধন : না না , মাকেও তো বোঝাবো। (উমাকে) মা, ও মা। একটু মানিয়ে নাও না মা। বৌমা হলেও তো তোমার মেয়ের মতো।

    উমা : মেয়ে না মনসা। অমন মেয়ের মুখ আমি দেখতে চাই না। যত তাড়াতাড়ি পারিস বিদেয় কর। (প্রস্থান)

    সাধন : যা চলে গেল। (মহাদেবকে) বাবা, ও বাবা। তুমি কিছু একটা করো না। এতো মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ। তুমি তো সেই টসের সময় থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছো, একটু বোঝাও না।

    মহাদেব : আমি আর কি বোঝাবো। ওরা কি কেউ ছোট নাকি। যে লজেন্স হাতে ধরিয়ে দিলে সব ভুলে যাবে। ওরা খুব সেয়ানা। বেশি বোঝাতে গেলে আমার হাড় মাস কালি করে দেবে, তার চেয়ে ওরা যা ভালো বোঝে করুক গে। তবে আমিও দেখছি, কি করে ওই বৌয়ের নাট বল্টু টাইট করা যায়। (প্রস্থান)

    তরলা : যা যা, তাই যা। আমাকে চেন না।আমার নাট বল্টু টাইট করতে এলে তোমার নাট বল্টু ঢিলে করে দেব না।

    সাধন : যা বাবা! এক পক্ষ তো মাঠ ছেড়ে পালালো! পুরো ওয়াক ওভার। মাঠে কোন লাইন্সম্যান ও নেই। তাহলে আর কি হবে ম্যাচ, শেষ। (বাঁশি বাজাতে যায়)

    তরলা : না, ম্যাচ শেষ হয় নি। এবার আমি ফাঁকা মাঠে গোল দেব। তুমি বসে বসে গুনবে। সারা জীবন তো শুধু ম্যা ম্যা করে মায়ের পিছু পিছু ঘুরলে। এবার ব্যা ব্যা করে বৌয়ের পিছু পিছু ঘোড়। নইলে তোমার ওই বাঁশির মুখে আমি নুড়ো জ্বেলে দেব। আমার নাম তরলা, সেটা মনে রেখো। (প্রস্থান)

    সাধন : এটা কি রকম হোল! মাঠ ভর্তি দর্শক, বাঁশি মুখে রেফারি! মাঠে কোন প্লেয়ার নেই! মনে হচ্ছে, ম্যাচ শুরু হতে দেরি হবে, কিন্তু ম্যাচ হবেই। দু দলই এখন এখন কোচের কাছে গিয়ে নতুন স্ট্রাটেজি ঠিক করছে। বড় খেলা হবে মনে হচ্ছে। আপনারা সবাই চুপ করে বসে খেলা দেখুন। ফুরররর…(বাশি বাজিয়ে প্রস্থান)

    [ পর্দা নামে ]
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Srimallar | ০৩ মার্চ ২০২৬ ২৩:০৭738951
  • Bookmark kore raakhlaam... Notun lekha, anander snge pordbo... 
  • সুদক্ষিণা গুপ্ত | 115.187.***.*** | ০৪ মার্চ ২০২৬ ০৯:৫০738959
  • নাটকের স্ক্রিপ্ট খুব ভালো লাগলো। বেশ সহজ সমাধান। এভাবেই যদি সব ঘৃণার অবসান হতো, তাহলে খুবই ভালো হতো। লেখক একটা পথ দেখালেন। 
  • সন্তু সিংহরায়। | 2409:4061:2088:c257:f8ff:e4c5:de9:***:*** | ০৪ মার্চ ২০২৬ ২০:০৯738967
  • খুব ভালো লাগলো।বর্তমান সামাজিক সমস্যা নিরসনে শিক্ষণীয় সহজ সমাধান।লেখার বাঁধুনিও খুব সুন্দর। 
  • বিশ্বজিৎ ব্যানার্জী | 103.144.***.*** | ০৪ মার্চ ২০২৬ ২০:২৫738968
  • একাধিক বার পড়লাম। ভাই সন্তু লিঙ্ক পাঠালো। তরল কিন্তু বেধ্য নাটিকা। বেশ লাগলো। খুব সুন্দর।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন