এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নাটকঃ ফুসমন্তর

    Sagarmay Mandal লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ মার্চ ২০২৬ | ৮৬ বার পঠিত
  • পঞ্চম দৃশ্য

    [ মহাদেবের বাড়ি। বারান্দার এক পাশে মহাদেব ও উমা এবং অন্য পাশে তরলা বসে আছে। ]

    মহাদেব : এবার কি হবে সাধনের মা? আজ তো দু’মাস পূর্ণ হয়ে গেল।

    উমা : তাই তো। কি হবে বুঝতে পারছি না। হ্যাঁ গো, মা তো না চাইতেই সব দিয়েছেন। এতো সুখ, এতো ভালোবাসা… এবার কি সব কেড়ে নেবে! এই দু’মাস ধরে গড়ে ওঠা মধুর সম্পর্ক আজ ভেঙে যাবে? মা কি এতো নিষ্ঠুর হবেন!

    মহাদেব : কেঁদো না গো কেঁদো না। কপালে থাকলে তাই হবে। নিয়তি তো কেউ পালটাতে পারবে না।

    উমা : হ্যাঁ গো, আমরা যদি ওই দ্বিতীয় দফার ওষুধ না নিই, তাহলে কি হবে?

    মহাদেব : সেটা গনক ভাইই বলতে পারবে।

    উমা : চলো, গনক ঠাকুরপোর কাছে যাই, একবার কথা বলে আসি।

    মহাদেব : সে তো যাবে, কিন্তু একবার বউমার দিকে তাকিয়ে দেখ, সেও তো বসে বসে কাঁদছে।

    উমা : তাই তো। ও তো সত্যি সত্যি কাঁদছে। কিন্তু ও কাঁদছে কেন? ও তো এই তেল-পড়ার ব্যাপারে কিছু জানে না। তাহলে ও কাঁদবে কেন?

    মহাদেব : ঠিকই তো। ওর তো তেল-পড়ার ব্যাপার জানার কথা নয়! তাহলে কি হোল ওর? চলো তো একবার দেখি।

    [ মহাদেব ও উমা তরলার কাছে যায়। উমা তরলার মাথায় হাত রাখতেই সে জোরে কেঁদে ওঠে এবং উমাকে জড়িয়ে ধরে। ]

    তরলা : মা!

    উমা : তুই কাদছিস কেন মা? কি হয়েছে তোর?

    তরলা : আমার কপাল আবার পুড়লো গো মা। আমার এই পোড়া কপালে কোন সুখ সইবে না।

    উমা : আরে বাবা, কি হয়েছে বলবি তো। আমরা তো আছি নাকি?

    তরলা : আজকেই তো এ মাসের তিন তারিখ, তাই না?

    মহাদেব : হ্যাঁ, কিন্তু তাতে কি হয়েছে?

    তরলা : আজ তো দু’মাস পূর্ণ হোল।

    উমা : কিসের দু’মাস?

    তরলা : ওই গনক কাকার সিন্দুর-পড়ার।

    মহাদেব : সিন্দুর-পড়া! [ উমার দিকে চায় ] কি ব্যাপার বুঝতে পারছো?

    উমা : অ্যাঁ, তুই ও কি তবে গনকের কাছে গেছিলিস?

    তরলা : হ্যাঁ মা। তোমরা তো আমাকে ভালবাসতে না। তাই তোমাদেরকে বাড়ি ছাড়া করার জন্য গনককাকার কাছ থেকে সিন্দুর-পড়া এনেছিলাম।

    মহাদেব : তারপর?

    তরলা : তারপর আর কি? গনককাকার কথা মতো তোমাদের সঙ্গে ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে তোমাদের আসল ভালোবাসায় বাঁধা পড়ে গেছি। তোমাদের ছাড়া আমি বাঁচবো না মা। তোমারা আমাকে ভুল বুঝো না। [ পায়ে ধরে ]

    উমা : ওঠ ওঠ। কে বলল আমারা তোকে ভুল বুঝেছি, না আমরা এই বাড়ি ছেড়ে চলে গেছি। আমরা তো তোর সঙ্গেই আছি।

    তরলা : গনককাকা বলেছে, দু মাস পরে এই সিন্দুর-পড়া আর কাজ করবে না। অন্য ওষুধ দেবে, আর সেই ওষুধে তোমরা নাকি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাবে।

    উমা : তাই তো রে মা। গনক ভাই আমাদেরকেও একই কথা বলেছে। [ মহাদেব জিভ কাটে ]

    তরলা : মানে? তোমরাও কি গনককাকার কাছে গিয়েছিলে নাকি?

    উমা : হ্যাঁরে মা। আমরাও তো তোকে এই বাড়ি থেকে তাড়াবো বলে তেল-পড়া এনেছিলাম। তোকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়ে আমরা আবার সাধনের বিয়ে দিয়ে নতুন বৌ ঘরে আনবো ভেবেছিলাম। সে আমাদেরকেও দু মাস সময় দিয়েছিল।

    তরলা : মা!

    মহাদেব : কিন্তু তুই আমাদেরকে এমন ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে দিলি যে আমরা সে ফাঁদ কেটে বেরোতে পারছি না।

    উমা : আমরা বেরতেও চাই না। তোর মতো বউমাকে ছেড়ে কি সংসারে বেঁচে থাকা যায়!

    তরলা : মা!

    মহাদেব : আচ্ছা, এবার তোমরা থামো তো। শুধু কান্না কাটি করলেই হবে। কিছু একটা ব্যবস্থা তো করতে হবে, যাতে আমাদের সোনার সংসার ভেঙে না যায়।

    উমা : কি করতে হবে বলো?

    মহাদেব : চলো আমরা সবাই মিলে গনকের কাছে যাই, সে যদি কিছু করতে পারে।

    তরলা : বলবো আমাদের আর ওষুধের দরকার নেই। আমরা যেমন আছি তেমনি থাকবো।

    [ সাধন সহ গনকের প্রবেশ ]

    গনক : তা বললে তো হবে না বৌমা। মহাদেবদা, তোমার হয়তো মনে আছে, আমি তোমাদেরকে কথা দিয়েছি, এই অলক্ষ্মী মেয়েটাকে এই বাড়ি থেকে বিদেয় করে দেব।

    উমা : অলক্ষ্মী তোর বৌ। তরু আমার লক্ষ্মী মেয়ে। আমার আদরের বৌমা। ও আমাদের কাছেই থাকবে।

    গনক : [তরলাকে] কি গো বৌমা, তোমার শাশুড়ি কি কথা বলছে, শুনেছো? দজ্জাল, ঝগড়ুটে বৌমা নাকি আজ ঘরের লক্ষ্মী হয়ে গেছে, হা হা হা। তা মা লক্ষ্মী, তুমি কি ওদের সুরেই কথা বলবে নাকি ওই বুড়োবুড়িকে বাড়ির বাইরে পাঠাবে?

    তরলা : না না গনককাকা, মা বাবাকে ছেড়ে আমি এ বাড়িতে থাকতে পারবো না। এই দু’মাসে আমি জীবনে যে ভালোবাসার স্বাদ পেয়েছি, তা আমি হাত ছাড়া করতে পারবো না। আপনার পায়ে পড়ি, আমার বাবা মাকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেবেন না।

    গনক : ওঠ, ওঠ। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ওষুধ….

    তরলা : ও আপনি আপনার কাছে রেখে দিন। আমাদের লাগবে না। আর এই নিন আপনার বাকি টাকা। আপনার কাছে শুধু একটাই ভিক্ষা, আমার ফিরে পাওয়া সুখ আপনি কেড়ে নেবেন না।

    গনক : কি মহাদেবদা, তোমারও কি একি কথা?

    মহাদেব : হ্যাঁ ভাই। আমি আর নতুন করে কি বলবো। বউমাকে প্যাঁচে ফেলতে গিয়ে নিজেরাই এমন প্যাঁচে পড়ে গেছি যে সে প্যাঁচ আর খুলছে না।

    গনক : সাধন -

    সাধন : ভালোই তো কাকা। মেসি আর রোনালদো এক টিমে খেলতে চাইলে খেলুক না। তুমি আর বাধা দিও না।

    উমা : গনক ভাই, তুমি বউমার কথা রাখো। আর আমাদেরও এক কথা, আমরা এক সঙ্গেই এই বাড়িতেই থাকবো। এই নাও তোমার বাকি টাকা। তোমার ওষুধ আর চাই না। তবে তোমার ওষুধের গুণে আমরা যে ভালোবাসার সংসার পেয়েছি, তা হারাতে বলো না।

    গনক : এই কথাগুলো আমার কাছে যাবার আগে তোমাদের ভাবা উচিত ছিল।

    মহাদেব : আমরা তো দু’মাস ধরে তোমার কথা মতো চলেছি।

    তরলা : হ্যাঁ গনককাকা, আমরা সবাই আপনার আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি।

    উমা : যাকে আমরা কোনদিন দেখতে পারতাম না, দিনরাত মৃত্যু কামনা করতাম, তোমার কথায় আমরা তাকে ভালোবেসেছি। তোমার দেওয়া মন্ত্রপূত তেল নিজের হাতে তার মাথায় মাখিয়েছি।

    তরলা : আমিও তো আপনার দেওয়া সিঁদুর বাবামার কপালে পড়িয়েছি।

    গনক : সে তো দেখতেই পাচ্ছি। তুই তো চেয়েছিলি তোর শ্বশুরশাশুড়িকে ভিটে ছাড়া করতে। কি চাস নি? আর মহাদেবদা বৌঠান, এখন তো তোমরা খুব সাধু সাজছো, তোমরা চাও নি ওই বউটাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বিদেয় করে, ছেলের আবার বিয়ে দিয়ে নতুন বৌ ঘরে আনতে। কি কোন জবাব দিচ্ছ না যে? জবাব আর কি দেবে? তোমাদের জবাব দেবার মুখ আছে। যত সব ধান্দাবাজের দল।

    মহাদেব : কিন্তু তখন তো ভাই আমরা পরস্পরকে ভালোবাসিনি। বরং ঘৃণা করেছি। নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করেছি।

    উমা : ভালোবাসা যে এতো মিষ্টি, তাতো তখন জানতাম না।

    তরলা : মানুষকে ভালোবেসে কাছে টানলে, সে যে পাল্টে যায়, তা আমরা জানতাম না।

    সাধন : আজ সব ঘৃণা, অবিশ্বাস, ভালো না লাগাকে একপাশে সরিয়ে রেখে নতুন জীবনের সন্ধান পেয়েছি। সেখানে সবাই সবাইকে ভালোবাসে, শ্রদ্ধা করে, একে অপরের দুঃখে কাতর হই। বাঁচার এমন সুখ আর কোথায় পাবো বলো?

    গনক : সবই তো বুঝলাম সাধন, সবই বুঝলাম। তোরা একটু বেশি বেশিই ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পড়েছিস। কিন্তু আমার কাজ তো আমাকে করতেই হবে। মায়ের কাছে প্রতিজ্ঞা করেছি, তোদেরকে আমি এই বাড়ি ছাড়া করবোই। আমি তো তোদের সুখের জন্য নিজের কথার খেলাপ করতে পারি না। এই নে তোদের দ্বিতীয় দফার ওষুধ। আর যা যা বলবো তাই করবি। তারপর তোরা এক এক করে চলে যাবি, আর আমিও আমার পাওয়া নিয়ে এখান থেকে সরে যাবো।

    মহাদেব : তোমার পাওনা তুমি নিয়ে যাও। কিন্তু আর কোন ওষুধ আমরা নেব না।

    তরলা : আপনি আমাদেরকে সুস্থ ভাবে বাঁচতে দিন কাকা।

    গনক : তার মানে তোরা আমার কোন কথাই শুনবি না। তাহলে আমাকে নিজেই আমার কাজ করতে হবে। তোরা যদি মায়ের দেওয়া ওষুধ না নিস, আমি এই ওষুধ তোদের বাড়ির উঠোন এ পুঁতে দিয়ে যাবো। নিমেষে তোরা সব হাওয়া হয়ে যাবি।

    সকলে : খবরদার! তুমি এখনি এই বাড়ি থেকে চলে যাও। নইলে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেব।

    গনক : যাবো তো। তাবে এখানে এই ওষুধ পুঁতে দিয়ে যাবো। দেখি তোরা কি করতে পারিস। [ গনক হাঁটু গেড়ে মাটিতে ওষুধ পুঁততে যায়। সবাই গোল হয়ে ওকে ঘিরে ধরে, বাঁধা দেয়। গনক ধাক্কা মেরে উঠে পরে। সবাই ঝিটকে পড়ে। ] হা হা হা! আজ তোমরা জিতে গেলে গো, তোমরা জিতে গেলে। আর জিতে গেল আমার মায়ের আশীর্বাদ।

    সকলে : মানে?

    গনক : আমি তো এতক্ষণ এটাই পরীক্ষা করছিলাম, তোমাদের ভালোবাসার বন্ধন কত দৃঢ়। কত মজবুত। তোমরা জিতে গেলে গো। তোমাদের ভালোবাসায় আজ আর কোন খাদ নেই। এ খুব মজবুত বন্ধন।

    সাধন : গনক কাকা!

    গনক : তোমরা যখন প্রথম আমার কাছে গিয়েছিলে, আমি দেখেছিলাম, তোমাদের প্রত্যেকের চোখে ঘৃণা আর অবিশ্বাস ঝরে পড়ছে। অথচ তোমাদের ভিতরে ভালোবাসা আছে, তোমরা সেই ভালোবাসাকে ছুঁতে পারছো না। ঘৃণা আর অবিশ্বাসের আস্তরণের তলায় ভালোবাসা মুখ তুলতে পারছে না। আমি দু’মাস সময় নিয়ে তোমাদের সেই ঘৃণা আর অবিশ্বাসের আস্তরণটাকে সরিয়ে দিয়ে ভালোবাসা আর বিশ্বাসকে উন্মুক্ত করতে চেয়েছি। মার কাছে কামনা করেছি, মা, সংসার তো সবাই ভাঙতে পারে, তুই ওদের সংসারটাকে ভালোবাসার সুতোয় জড়িয়ে দে না মা। ওরা খুব সরল। ওদেরকে পথ দেখা মা। মা আমার সে ডাক শুনেছে। তোরা পেরেছিস পরস্পরকে ভালোবেসে কাছে আসতে। আর কি চাই!

    সাধন : তা হলে ওই তেল-পড়া, সিঁদুর-পড়া?

    গনক : ও সব বুজরুকি। ভাঁওতাবাজি, ফুসমন্তর। ওটা দিয়ে আমি তোদের কুসংস্কার যুক্ত মনকে আশ্বাস দিতে পেরছি। আমার নির্দেশিত পথে চল, তোদের মনস্কামনা পূর্ণ হবে। তোরা বিশ্বাস করেছিস। কিন্তু তোরা খুব বড় ঝুঁকি নিয়েছিস।

    মহাদেব : কেন, ঝুঁকি কেন?

    গনক : তোরা আমার কাছে না গিয়ে যদি একটা ভুল লোকের কাছে যেতিস, সে তোদেরকে ভুল পথে চালিত করে তোদেরকে সর্বস্বান্ত করে দিতে পারতো। এক্ষেত্রেও মা তোদের কে রক্ষা করেছেন।

    উমা : তাই তো আমরা যদি কোন মাদুলি-তাবিজ বাবাজীর কাছে যেতাম! তাহলে তো সে আমাদের সর্বস্ব লুটে নিত।

    গনক : নিতেই পারতো। নিচ্ছেও তাই। কত বড় বড় বিজ্ঞাপন দেখিস না আজকাল। সব ভরং বাজী। আসল কথা কথা হোল বিশ্বাস আর ভালোবাসা। মানুষকে বোঝার চেষ্টা করো, তাকে ভালবাসো, তার মনে বিশ্বাস সঞ্চার করো, দেখবে এই সংসার স্বর্গ সমান মনে হবে। আজ থেকে এই আওয়াজ তোল..

    সকলে : কী?

    গনক : ভালোবাসা বিশ্বাসে ভরে রাখো অন্তর। জল-পড়া, তেল-পড়া সব ফুসমন্তর। সকলের জয় মা। জয় গনক ঠাকুর।

    [ পর্দা নামে ]

    ** সমাপ্ত **
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan | 2001:999:78c:eca5:7eef:9cb:2c59:***:*** | ০৪ মার্চ ২০২৬ ২২:৩৭738970
  • পড়লাম l
    বেশ লেগেছে ভাই l
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন