এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নাটকঃ ফুসমন্তর

    Sagarmay Mandal লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ মার্চ ২০২৬ | ৬৩ বার পঠিত
  • তৃতীয় দৃশ্য

    [মহাদেবের বাড়ি। পর্দা উঠলে দেখা যায় তরলা ঠাকুর ঘরে পুজো করছে। মাঝে মাঝে চারিদিক দেখে নিচ্ছে। মহাদেব ও উমা মঞ্চে আসে এবং তরলাকে পুজো করতে দেখে থমকে যায়। তারা উঁকি মেরে দেখে তরলা ঠিক কি করছে। উমা তার আঁচলের তলায় রাখা তেলের শিশিটা মাঝে মাঝে হাত দিয়ে দেখছে, ঠিক জায়গায় আছে কিনা। তারা তরলাকে ডাকতে গিয়েও ডাকতে পারে না। উমা ও মহাদেব ইশারায় কিছু বলার চেষ্টা করে। তরলা সেটা এক ফাঁকে দেখে নেয়। যেন লুকোচুরি খেলা। তরলা এবার শাঁখ বাজিয়ে পুজো সমাপনের ইঙ্গিত দেয়। সে ঠাকুরঘরে প্রনাম করে বেরিয়ে আসে। উমাও মহাদেবকে দেখে চমকানোর ভান করে।]

    তরলা : তোমরা এখানে? আমাকে কি তোমরা কিছু বলবে বাবা, মা।

    মহাদেব : বাবা! মা! একি কথা, একি কথা! [আলহাদে নেচে ওঠে]

    উমা : ওগো শুনছো, বৌমা আমাকে মা বলছে।

    মহাদেব : তাই তো শুনলুম মনে হচ্ছে। আমাকেও তো বাবা বলছে। ওরে বাবারে এ আনন্দ আমি কোথায় রাখবো রে!

    তরলা : তোমরা ঠিকই শুনেছো বাবা, মা।

    মহাদেব : ওই দেখ আবার বলেছে!

    উমা : তা শ্বশুর শাশুড়িকে বাবা মা বলবে নাতো কি বলবে? এবার থেকে তুমি আমাদেরকে বাব মা বলেই ডাকবে। বাঃ বাঃ, মনটা ভরে গেল।

    মহাদেব : [উমাকে কানে কানে বলে] এসব ওই তেল পড়ার গুন। তেল বাড়িতে ঢুকতেই খেল আরম্ভ হয়ে গেছে। মাথায় পড়লে আর দেখতে হবে না। ও হো হো.. আমার যে কি আনন্দ হচ্ছে! [উমা ও মহাদেব অর্থপূর্ণ হাসি হাসে।]

    তরলা : [আর চোখে দেখে] দাঁড়া দাঁড়া, এখন যত পারিস আনন্দ করে নে। একবার সিঁদুরটা কপালে পড়াই, তার পর বুঝবি কত ধানে কত চাল।

    উমা : বৌমা।

    তরলা : আমাকে কিছু বলছো মা?

    উমা : না না তেমন কিছু নয়। তোমাকে তো এর আগে কোন দিন ঠাকুরঘরে ঢুকতে দেখিনি তো, তাই….

    তরলা : আজ থেকে আমাকে রোজ ঠাকুরঘরে দেখতে পাবে।

    উমা : সত্যি!

    তরলা : হ্যাঁ মা। একদম সত্যি। চন্দ্র সূর্যের মতো সত্যি।

    মহাদেব : তা ভালো, তা ভালো।

    তরলা : আসলে কি জানো তো, ভেবে দেখলাম, ক দিনের জন্যই বা পৃথিবীতে এসেছি। তার বেশির ভাগ সময় আমরা যদি ঝগড়া-ঝাঁটি করে কাটাই, তাহলে জীবনের আনন্দ উপভোগ করবো কবে? তাই আজ থেকে আমি আমার মন পাল্টে ফেলেছি।

    উমা : কি রকম?

    তরলা : এই ধরো, এক সাথে মিলেমিশে থাকবো, ঠাকুর দেবতার পুজো করবো, শ্বশুর শাশুড়ির সেবা যত্ন করবো। এই আরকি।

    মহাদেব : এতো খুব ভালো কথা। মিলেমিশে থাকার আনন্দই আলাদা।

    তরলা : এই দেখো দেখি, কথায় কথায় ঠাকুর পুজোর প্রসাদ দিতেই ভুলে গেছি। এই নাও, নাও। [মাথায় পুজোর ফুল ছুঁয়ে দেয়, কপালে সিঁদুর পড়িয়ে দেয় এবং হাতে প্রসাদ দেয়। প্রসাদের থালা রাখতে রাখতে বলে] একবার যখন তোদের কপালে সিঁদুর পড়াতে পেরেছি, তখন তিন দিনও পারবো। এরপর হয় আমার বশে থাকবি, নয় বাড়ি থেকে পালাবি।

    মহাদেব : বেঁচে থাকো মা বেঁচে থাকো। [উমাকে] ও গিন্নী, প্রসাদ খাবো তো? কিছু গড়বড় হয়ে যাবে নাতো?

    উমা : তাই তো। এতো ভক্তি তো ভালো ঠেকছে না। তবে ওর মাথায় তেল লাগাতে গেলে ওকে চটালে তো চলবে না। চোখ মুখ বুজে মায়ের নাম করে গিলে নাও। এখন দেখি তেলটা কি করে মাখাবো।

    মহাদেব : [প্রসাদ খেয়ে] বাঃ বাঃ ! কতদিন পরে ঘরে বসে ঠাকুরের প্রসাদ পেলাম। জয় মা জয় মা।

    উমা : একি গো বৌমা! তুমি স্নান করে এসে ঠাকুর ঘরে ঢুকেছ, মাথায় তেল দাও নি, চুলে চিরুনি দাও নি। দেখ দেখি মেয়ের কাণ্ড! চলো তো, তোমার মাথায় তেল দিয়ে চুলটা আঁচড়ে দিই। না বলো না কিন্তু।

    তরলা : [স্বগত] এ আবার কি ফ্যাসাদ রে বাবা! কোন মতলব আঁটছে নাকি! কিন্তু এখন না করলে তো হবে না। ঝুঁকি একটু নিতেই হবে। যা বলবে শুনতে হবে। [উমাকে] না মা। না করবো কেন? তুমি কত সাধ করে চুল বেঁধে দেবে, আর আমি না করবো কেন? দাও দাও।

    মহাদেব : [স্বগত] মাছে টোপ গিলেছে। এবার মজা আসবে। [প্রকাশ্যে] তোমরা এখানে বসো। আমি বরং তোমাদের জন্য একখানা আয়না আর চিরুনি নিয়ে আসি। [প্রস্থান]

    [উমা তরলার চুল বাঁধতে বসে। চুলে তেল লাগিয়ে দেয়]

    উমা : তোমার বাবার ওই এক খেয়াল। আমার কিছু দরকার হলে ও ওই রকম দৌড়ে চলে যাবে। আমার কোন অসুবিধা হতে দেয় না। সাধনটা কিন্তু ওর বাপের মতো হোল না। তবে তুমি ওকে আলগা দিও না। ঠিক মতো চেপে ধরতে পারলে, সব পুরুষ মানুষই বৌয়ের কথায় দৌড়োয়।

    [কথাগুলো বলে এবং শুনে দুজনেই হাসে এবং একে অপরের দিকে তাকায়। দুজনেই বলে] হেসে নে হেসে নে। দু’মাস বইতো নয়।

    [মহাদেব : আয়না চিরুনি নিয়ে আসে এবং সেগুলো উমার হাতে দিয়ে দেয়।]

    তরলা : জানো তো মা, আজ এই প্রথম কেউ আদর করে আমার চুলে তেল দিয়ে বেঁধে দিচ্ছে। আমার তো মা নেই। তাই মায়ের আদর কি তা বুঝতে পারি নি। আজ বুঝতে পারছি।

    উমা : তাই তো রে মা। আমারও তো সাধ ছিল ছেলের বৌ ঘরে আসবে। সারা দিন মা মা করে আমাকে অতিষ্ঠ করে তুলবে। আর আমার মেয়ে না থাকার যন্ত্রণাটা ভুলিয়ে দেবে।

    তরলা : এবার তুমি দেখে নিও মা, আমি আর কোনদিন তোমার অবাধ্য হবো না।

    উমা : তুইও দেখে নিস আমিও আর কোনদিন তোর সঙ্গে ঝগড়া করবো না। ভালোবাসায় যে এতো সুখ তা আমি কোন দিন বুঝি নি রে।

    তরলা : মা !

    মহাদেব : বাঃ বাঃ , তোমরা মা মেয়ে একে অপরকে ভালবাসবে, আর আমি বুঝি বানের জলে ভেসে এসেছি?

    তরলা : না না , তা কেন হবে বাবা! আজ থেকে আমি আর মা মিলে সংসাসের সব কাজ সামলে নেব। তুমি শুধু ঘুরে বেড়াবে। কি মা ঠিক বলিনি?

    উমা : নিশ্চয় নিশ্চয়। তুই ঠিক বলেছিস।

    মহাদেব : তোমরা তো মা আর মেয়ে গায়ে গায়ে লেগে থাকবে। আমার সময় কাটবে কিভাবে? আমার কিন্তু তাড়াতাড়ি একটা দাদুভাই কি দিদিভাই চাই।

    উমা : উঃ! হবে হবে। সব হবে। দুদিন ধৈর্য ধরো। কিরে মা ঠিক বলিনি?

    তরলা : ধ্যাত! তোমরা কি যে বল না। [সবাই একসঙ্গে হেসে ওঠে]

    উমা : ওর কথা ছাড় তো। ওর সবেতেই বাড়াবাড়ি। গোঁড়া ছেড়ে একবারে মগডালে ওঠা।

    মহাদেব : ওঃ! এখন আমার দোষ হয়ে গেল। আর তুমি যখন রাতের আঁধারে একলা বারান্দায় বসে আকাশের দিকে চেয়ে একটা নাতি নাতনীর জন্য ব্যাকুলতা প্রকাশ করতে, তখন বুঝি দোষ হয় না!

    উমা : তুমি তাও লক্ষ্য করেছো?

    মহাদেব : লক্ষ্য করতে হয় গিন্নী, সব কিছুই লক্ষ্য করতে হয়। এইতো সংসারে মোট চারটি প্রানী। তার মধ্যে দুজন আলাদা হয়ে গেলে কার ভালো লাগে বলো? আমিও রাতে ঠিক মতো ঘুমতে পারিনা। মনে হয় শালা এই সংসারের মুখে আগুন জ্বেলে দিয়ে বিবাগী হয়ে চলে যায়।

    তরলা : তোমাকে আর বিবাগী হতে হবে না বাবা। তুমি এবার থেকে তোমার এই অবাধ্য মেয়ের কাছ থাকবে। এই দেখ আমি আবার আবেগের বশে তুমি বলে ফেললাম।

    উমা : বেশ করেছিস তুমি বলেছিস। বাবা মাকে তাদের মেয়ে তুমি বলবে নাতো সব সময় আপনি আজ্ঞে করবে নাকি? ও সব শুনতে ভালো লাগে না। কেমন যেন পরপর মনে হয়। তার থেকে তুমি ডাক কত আপন। শুনলে প্রান জুড়িয়ে যায়। এই মেয়ে, আজ থেকে তুই আমাদেরকে তুমি বলবি, হ্যাঁ।

    তরলা : আচ্ছা তাই হবে মা, তাই হবে। তুমি তুমি তুমি। ঠিক আছে?

    মহাদেব : একদম।

    তরলা : আচ্ছা মা, তোমাকে একটা কথা বলবো?

    উমা : একটা কেন তুই হাজারটা কথা বল, আজ মা যখন মুখ তুলে চেয়েছেন, তখন তোর সব কথা আমি শুনবো। আজ থেকে জীবনের সব স্বাদ আমি চেটেপুটে উপভোগ করবো।

    তরলা : তাহলে চলো, আজ আমরা বড় রস্তার মোড়ে গিয়ে ফুচকা খেয়ে আসি। কত দিন খাই নি।

    উমা : আমি তো ভাবলাম তুই কি না কি বলবি। ফুচকা খাবি, এ আর এমন কি কথা। চল আজই যাবো।

    মহাদেব : সে তোমরা যেও। তবে ফেরার সময় আমার জন্য এক প্লেট চুরমুর আনতে ভুলও না যেন। জীবনের স্বাদটা আমিও একটু উপভোগ করি। [প্রস্থান]

    তরলা : ওঃ! বাবা পারেও বটে। মা, তোমার ডান হাতটা একবার বাড়াও তো দেখি।

    উমা : কেন রে? কি করবি আমার এই হাজা ধরা হাত নিয়ে?

    তরলা : আরে বাবা , হাতটা একবার দেখাও না।

    উমা : [বাঁ হাতটা বাড়িয়ে দেয়] এই নে কি করবি কর।

    তরলা : না মা, বাঁ হাতটা নয়। ডান হাতটা দাও।

    উমা : না না ও হাত আমি তোকে দেখাবো না।

    তরলা : হাতটা তুমি দেখাও না মা, তোমার পোড়া হাত তুমি দেখাতে লজ্জা পাচ্ছো? তোমার হাতের ওই পোড়া দাগের জন্য দায়ী তো আমিই মা। [উমার ডান হাতটা নিয়ে হাত বুলিয়ে দেয়] সেদিন রাগের মাথায়, তোমার এই সুন্দর হাতে গরম খুন্তির ছ্যাকা তো আমিই দিয়ে ছিলাম। তুমি খুব কষ্ট পেয়েছিলে, ব্যথায় চিৎকার করে উঠেছিলে। তুমি আমায় ক্ষমা করে দাও মা।

    উমা : থাক ও কথা। ওই পুরনো কথা ভেবে নিজেকে কেন আবার কষ্ট দিচ্ছিস? আমরা তো অতীতকে ভুলে নতুনের স্বপ্নকে সঙ্গী করার অঙ্গিকার করেছি।

    তরলা : মা !

    উমা : এই দাগ দেখলে দেখলে এতদিন আমার গা রাগে জ্বলে যেত, তোকে কত শাপ শাপান্ত করতাম। কিন্তু আজ থেকে এ দাগ আমার কাছে তোর ভালোবাসার স্মৃতি।

    তরলা : মা তুমি এতো ভালো!
    [ উমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে। উমা গায়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। পর্দা নামে।]
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন