এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অন‍্য একটি রূপকথা

    Manali Moulik লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩২ বার পঠিত
  • আজ আর দত‍্যি-দানো,রাজপুত্তুরের পক্ষীরাজ অথবা রাজকন‍্যের সোনার সাজের গল্প শোনাবো না। আজকের গপ্পো মানুষকে নিয়ে। যদিও সন্দেহ আছে, তারা সবাই কি মানুষ? একজন মানুষ, একজন অন‍্যকিছু? তা এইভাবেই তো চলছে, পৃথিবী নিজের গতিতে আবর্তন করছে এতকাল ধরে। আর পৃথিবীর মানুষগুলো? মহাকর্ষ-অভিকর্ষের ভারসাম‍্য ঠিক রক্ষা পেয়ে যায়, প্রকৃতি মুক্তমনে সমান সম্পদ বিলিয়ে দিতে চায় সবাইকে, শুধু মানুষের এতটুকু সময় হয় না এই ‘সমান’ ব‍্যাপারটা বোঝার জন‍্য। জীবনের রসদ জোটাতে এত দৌড়ঝাঁপ দরকার ; যে এসব বাজে ভাবনার সময়ই নেই!  কারণ ‘সমান’ শব্দটা ভারসাম‍্যের মতো প্রাসঙ্গিক আর নৈমিত্তিক হয়ে  উঠলে যে আর কেউ রাজা-রানীর গল্প শুনবে না! সবাই কেবল মানুষের গল্প পড়বে, প্রাসাদ না চেয়ে ‘মানুষ’ হতে চাইবে, হীরের মালা - সোনার বালার বদলে চাইবে একটাদিন মানুষের মতো বাঁচতে। তাহলে যে সব উল্টে-পাল্টে যাবে গো! খোকা আর তলোয়ার-যুদ্ধ খেলতে চাইবে না। বলবে, “কেন মানুষকে তলোয়ারে কাটা হবে মিছিমিছি?”     
    খুকি আর রাজরানী হবার স্বপ্নে বুঁদ হবে না। বলবে,  
    “ কী দরকার বাপু সোনা-হীরের শিকল পরার? বেশ তো আছি !”  

    তাহলে রূপকথার কী হবে?  সব আবার নতুন করে লেখা কি সম্ভব? 

    কিন্তু নতুন করে লিখতে চাইলো এক মানুষ। বললে, “রূপকথায় আমাদের কথা কই?”  

    সে আবার কী? 

    কথা বলতে গেলেই তো রাজামশাই রেগে যান, রানীমার মুখ আঁধার হয়। তারপরেও গলা চড়িয়ে শুধু ‘আমাদের কথা’  বলতেই থাকলো সে। রাজপুত্তুর,সভাপন্ডিত,দৈবজ্ঞ তর্কে আর প্রতিরোধে হেরে গিয়ে ফিরে এলেন। তারপর কী হলো?  রূপকথার রাজ‍্যের প্রান্তিক মানুষ যারা, ছোটো ছোটো কুঁড়েঘরে মাছির মতো মরছিলো, সবাই ওই ‘বেশী কথা বলা মানুষটি’ -র বন্ধু হয়ে গেলো! এখন প্রতিসন্ধ‍্যায় রূপকথাকে বাঁচিয়ে রাখার ফসল তুলে তারা আর ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়ে না। ওই মানুষটার চারপাশে ঘিরে বসে তার কথা শোনে। কতক বোঝে,কতক মাথার ওপর দিয়ে যায়। সে তবু বলে। ভয়,আড়ষ্টতা,লোভ,স্বার্থ কোনোকিছু ছাড়াই বলে…বলে যায়। রূপকথার রাজ‍্যের যে দিকগুলো ছায়া-ছায়া,অন্ধকারে ঘেরা, অনাবিষ্কৃত ; সেখানেই ওই আশ্চর্য মানুষটি জমিয়ে বসে। তারপর ধীরে ধীরে প্রদীপ জ্বেলে দেয়। তার বন্ধুর দল,প্রান্তিক মানুষের দল,রূপকথার ‘হাবিজাবি’ মানুষের দল দৌড়ে আসে তার কাছে। তারপর তার হাতের প্রদীপখানি থেকে নিজেদের লক্ষ লক্ষ মশাল জ্বালিয়ে নেয়। ব‍্যাস্,  আলো-আঁধারি স্থানগুলো যেন শারদীয়ার সকাল ওঠে তখন! কিন্তু একজন ওর ধারেকাছে কখনো আসে না। একটু ভালো ছাউনির ঘরে থাকে, রূপকথার রাজ‍্যে তাদের বলে ‘মধ‍্যবিত্ত’। কে জানে, এর মানে কী! সেও জানে না। শুধু জানে, পুঁথি পড়ে রাজদরবারে একটা স্থান পেতে হবে। তখন তাদের দুটি মাঝারি আকৃতির মাটির ঘর হয়ে উঠবে পরিপূর্ণ। পুঁথি খুব তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয় তার, আঁক কষতেও ভুল হয় না। সবাই গালভরে প্রশংসা করে। তবু তার মনে ততো সুখ নেই। খালি ভাবে,  “আহা, রাজবাড়িতে কাজটি যে কবে পাবো!  নিজস্ব মোহর না হলে কী সুখ আছে!”

    কিন্তু রূপকথার রাজ‍্যের মানুষরা বড় কথা বলতে ভালোবাসে। তাদের মুখে মুখে ফেরে সেই নতুন কথা বলা মানুষটির নাম,কাজ,কথা… তার নাম? সে তো জানি না। আচ্ছা, ধরে নিলাম ‘সূর্যদ‍্যুতি’। আলোর উৎস ছাড়া কীসের সাথেই বা তুলনা করা যায় তাকে?   সবাই বলে তার কথা, রাজামশাই শোনেন। ভাবেন,মাথা নাড়েন,ক্রুদ্ধ হন।

    আর অন্ধকারে লুকিয়ে যে পুঁথি পড়ছিলো, সেও শোনে। ভাবে,কিছু বলতে যাওয়ার সাহস হয় না। ভাবার সাহসও বেশীক্ষণ হয় না। কী জানি, যদি পুঁথির কোনো পাতা পড়া বাকি থেকে যায়! যদি পড়ার ফাঁকি থেকে যায়? আর রাজবাড়িতে কাজ পাওয়া না হয়?  কী হবে তখন? ভয়ে চোখ বোজে সে। আবার পড়ে। খায়,খেলে,কাজ করে।  যতো যন্ত্রণা তার  ঘুম এলেই শুরু হয়। স্বপ্নের মধ‍্যে তো নিয়মরক্ষীর দল থাকে না,তাই বিনাবাধায় সেখানে আক্রমণ চালিয়ে যায় ‘আলোর দল’। ভয়-ভয় কৌতুহলের স্বপ্ন দেখে সে চমকে উঠে বসে। ঘর্মাক্ত হয় ভীতিতে। কিন্তু হৃদয়ের যেখানে ভয় পৌঁছতে পারে না,সেখানে কী প্রীতির জাগরণ ঘটে?  কে জানে! 
    ওহো! তার নামটাই বা কী ছিলো?  দাঁড়াও, ভুলে গেছি। ধরে নাও না কেন, কৃষ্ণলতা।  কৃষ্ণপক্ষের 
    আঁধার যার নির্ভরতার আশ্রয়,কিছুটা  বা স্বার্থপরতার। দুর্বল দুইহাতে স্বার্থ গোছানোর মরিয়া চেষ্টা করে আর অন্ধকারে লুকিয়ে আলোর জন‍্য কাঁদে। ভীতু বলো,ভন্ড বলো..ও শুনতে পাবে না। ওর কান্নাটাও তেমনি তোমরা কেউ শুনতে পাবে না। 

    সেদিন ছিলো কৃষ্ণলতার রাজবাড়ি যাওয়ার তিথি। ওমা! রূপকথার ‘হাবিজাবি’ মানুষের দল যে রূপকথার রাজপথ জুড়ে দাঁড়িয়ে। ‘সূর্যদ‍্যুতি’তে তারা আলোকিত। কেবল বলছে, “আমাদের প্রাণ চাই, আমাদের ভাত চাই,আমাদের কথা চাই!” 
    রাজসৈন‍্যরা রেগেমেগে তাড়িয়ে দিতে ব‍্যস্ত। সেনাপতি বলে ,  “আপদের দল ভেবেছেটা কী?”
    মন্ত্রী বলেন, “রূপকথার রাজ‍্যে এসব তো আগে হয়নি !”
    রাজপুরোহিত বলেন, “ঘোর কলি! ধ্বংস আসন্নপ্রায় পাতকীদের!” 
    সভাপন্ডিত বলেন, “ নতুন এক তত্ত্ব! ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি এখনো!”

    মহারাজ ক্রোধে অগ্নিশর্মা হয়ে বলেন,

    – “অতশত বুঝি না! এসবের মূলে কে? তার গর্দান চাই!”

    কে নেবে গর্দান? ও তো রাক্ষস নয়। 

    – “নয় তো কী হলো? আমরা ওকে রাক্ষস সাজিয়ে দেবো।”  বলেন দৈবজ্ঞ।

    – “তারপর অর্ধেক রাজ‍‍্য আর রাজকন‍্যার লোভে ওর চারপাশের লোকেরাই নেবে ওর গর্দান !”     পরামর্শ দেন মন্ত্রী। 

    –  “বৃথা কল্পনা! এতো সময় কোথায় হে? তার থেকে ভালো হবে, ক’টা রাক্ষস ডেকে আনো। মানুষগুলো ভয় পালাবে ওকে ছেড়ে,আমাদেরই হবে সুবিধে। পরে না হয় ওই রাক্ষসগুলোকে পুরস্কৃত করবো আমরা। আর কোনো রাজপুত্তুর তাদের মারবে না। প্রতিশ্রুতি দিলাম।”    রাজামশাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।

    কৃষ্ণলতা এতকিছু জানতো না। সে সবার আশীর্বাদ নিয়ে ভোরে বেরিয়েছে। রাজদরবারে আজ তার যোগ‍্যতা প্রমাণের দিন। পথে এই কান্ড! কৃষ্ণলতার চোখে জল আসে। তবে তার পুঁথি পড়া বিফলে যাবে! রাজদরবারে যেতে পারবে না সে! কাজটা পাবে না তাহলে?  ওকে ছলছল চোখে পথের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দ‍্যাখে সূর্যদ‍্যুতি।

    – “তুমি এগিয়ে এলে না যে?”

    – “ বাঃ,আমি বুঝি রাজদরবারে কাজের জন‍্য যাবো না?”  অভিমানে আহত হয় কৃষ্ণলতা।

    – “আমরা তো সবাই কাজ আর ভালো থাকার জন‍্যই রূপকথাটা নতুন করে লিখতে চাইছি।”

    – “লিখতে যে অনেক সময় লাগবে,আমি অতোদিন বসে থাকবো নাকি?”  কেঁদে ফেলে কৃষ্ণলতা।

    – “মান চাও না, আত্মসম্মান চাও না, নিজের কথাও চাও না, কেবল কাজ চাও?” 

    – “হ‍্যাঁ। তাই তো।  আমাকে যাওয়ার পথ ছেড়ে দাও।”

    কৃষ্ণলতার চোখে শ্রাবণের ধারাপাত। সূর্যদ‍্যুতির নির্দেশে রূপকথার মানুষের দল তাকে পথ করে দেয়। একদল মাথা উঁচু করা মানুষের পাশ কাটিয়ে সে মাথা নীচু করে ঢোকে রাজবাড়িতে।
     
    তারপর?

    কৃষ্ণলতার যোগ‍্যতা - পরীক্ষা তখন প্রায় শেষ,হঠাৎ দরবারে ঢোকেন সেনাপতি মশাই।

    – “প্রণাম মহারাজ। বকরাক্ষস তার কাজে সফল হয়েছে। বকবক করতো বলে ওকে গুরুত্ব দিতাম না বটে, কিন্তু দেখুন, আপদগুলোর আর গলা শুনতে পাবেন না।”

    – “ সাধু! সাধু!”   সভা কেঁপে ওঠে যেন।

    – “আমি বলেছিলাম কি না? ‘মানুষ! মানুষ!’ করে চেঁচায়,রাক্ষস ছাড়া ওকে শায়েস্তা করা যেতো না হে।” 
    কথা শেষ করে গোঁফে তা দেন মহারাজ। 

    — “মনটা ভারী খুশি হলো। এই,তোমার চাকরি পাকা হে, যাও !! খুশির দিন আজ!”

     “মহারাজের জয় হোক!” 

    যান্ত্রিক পুতুলের মতো কৃষ্ণলতা সিংহদ্বার পেরিয়ে এসে দ‍্যাখে রাজপথে মানুষের অন্তহীন লড়াইয়ের চিহ্ন ছাড়া আর কিচ্ছুটি পড়ে নেই। যে পথ খুঁজেছে আজ সকালে, পথ ছেড়েও দিয়েছে তাকে,সেও নেই।  সূর্যহীন,মুখভার করা আকাশে অভিমানী মেয়ের নাকছাবির মতো সন্ধ‍্যাতারাটি কেবল জ্বলছে।
                     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • MP | 103.4.***.*** | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৫738706
  • একেবারেই অন্যরকম একটা গল্প | আরো লিখুন | এধরণের প্লট আগে বেশী দেখিনি | আপনার চিন্তাভাবনা বেশ মৌলিক |
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন