এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • ধ্বংসের ছায়ায়: পুরাতন ভেঙে ‘নতুন’ মনিকর্ণিকা ঘাট ও একটি ‘ডোগলামি

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ | ৩০ বার পঠিত
  •  ঘন কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়ার মেঘে ঢাকা ছিল সেদিনের ভোর। গঙ্গার জল ধীরে ধীরে রক্তিম আভা ধারণ করছিল, যেন পূর্বাভাস দিচ্ছিল এক অপঘাতের। কাশীর প্রাণকেন্দ্রে, যেখানে হাজার হাজার বছর ধরে প্রার্থনার ধূপ আর মন্ত্রের ধ্বনি বাতাসে মিশেছে, সেখানে জাগ্রত হল বিধ্বংসীর দল। পুরানো ইট আর পাথরের টুকরো উড়তে লাগল বাতাসে, আর সাথে উড়ল ইতিহাসের পাতাগুলোও। মনিকর্ণিকা ঘাটের বহু প্রাচীন মন্দিরটি ভেঙে পড়ল রাষ্ট্রীয় শক্তির হাতুড়ির আঘাতে। এ যেন সময়ের চাকা উলটে চলা; এক অদ্ভুত উলটপুরাণ, যেখানে রক্ষকই হয়ে ওঠে ভক্ষক, আর রাষ্ট্রের ‘উন্নয়ন’ নামক মহামায়ার আড়ালে ঢাকা পড়ে যায় এক সম্পূর্ণ সভ্যতার আত্মিক স্মৃতিচিহ্ন।

    এই দৃশ্য শুধু একটি ভবনের পতন নয়। এটি একটি প্রতীক। একটি আদর্শের বিজয়-ডঙ্কা। যে আদর্শের কাছে ‘প্রাচীন’ মানেই ‘অনুন্নত’, ‘প্রতিবন্ধক’। যে দৃষ্টিতে দেখে, গঙ্গার তীরে দাঁড়িয়ে থাকা শতাব্দীপ্রাচীন মন্দিরটি রেললাইন বা বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সের চেয়ে কম মূল্যবান। কিন্তু এই ভাঙন কেবল পাথরের নয়; এটি ভাঙন ঐতিহ্যের, বিশ্বাসের, এবং সেই বহুস্বরের ভারতীয়তার, যা কিনা একটিমাত্র, একরৈখিক, একপ্রকোষ্ঠবাসী জাতীয়তাবাদী ন্যারেটিভের কাছে পরাজিত হচ্ছে।

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: নতুন দিল্লির ‘আওরঙ্গজেব ?

    এখানেই চোখ এড়ানো এক সাদৃশ্য জেগে ওঠে। সতেরো শতকের মাঝামাঝি, মুগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের একটি ফরমান ভারতীয় উপমহাদেশের ধর্মীয় ভূগোলে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছিল। তাঁর রাজকীয় হুকুমে বহু মন্দির ভেঙে পড়েছিল, নিদেনপক্ষে অযত্নে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। এটি ছিল রাজনৈতিক ক্ষমতার এক নগ্ন প্রদর্শন; একটি বিজয়ী শক্তির দ্বারা পরাজিতের সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় পরিচয় মুছে ফেলার, কিংবা অন্তত দমন করার প্রয়াস। আওরঙ্গজেবের নাম তাই ইতিহাসে শাসক হিসেবে নয়, বরং এক বিধ্বংসী শক্তির প্রতিচ্ছবি হিসেবে অনেকের কাছেই অমর হয়ে আছে।

    বর্তমানের শাসনযন্ত্রে, ‘উন্নয়ন’ ও ‘সুবিধার’ নামে যে ধারাবাহিক ও সুপরিকল্পিত উপায়ে প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনাগুলো অপসারণ বা পরিবর্তন করা হচ্ছে, তা কি একবিংশ শতাব্দীর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সেই পুরনো ন্যারেটিভেরই পরিশীলিত সংস্করণ নয়? যেখানে আওরঙ্গজেবের তলোয়ার ছিল স্পষ্ট ও রক্তলাল, সেখানে আজকের হাতিয়ার হল আইনের জটিল জাল, প্রশাসনিক আদেশ, এবং ‘জনকল্যাণ’-এর মোহনীয় বুলি। কিন্তু প্রভাব অভিন্ন: ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে চালিত একরৈখিক ধারণার কাছে স্থানীয় ইতিহাস, বিশ্বাস ও পরিচয়ের বলিদান। পার্থক্য কেবল ভাষার। তখন ধর্মের নামে, আজ ‘জাতীয় উন্নয়ন’ ও ‘আধুনিকতা’-র নামে। তখন সাম্রাজ্যবাদী দমনের সরলীকরণ, আজ কর্পোরেট-রাষ্ট্রীয় জোটের জটিল প্রক্রিয়া। আওরঙ্গজেব চাইতেন একটি ইসলামিক রাজ্য; আজকের ক্ষমতাকেন্দ্র চায় একটি ‘নতুন ভারত’, যার স্থাপত্যশৈলী, অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক প্রকাশ একই ছাঁচে গড়া, বিশ্বায়িত কর্পোরেট দুনিয়ার সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।

    হিন্দু ধর্মের ‘রক্ষক’ বনাম ‘পরিচালক’

    এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে তিক্ত পরিহাসটি লুকিয়ে আছে ধর্মের প্রতি দাবিতে। শাসক দল ও তার মতাদর্শগত প্রাণকেন্দ্র নিজেদের হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির একমাত্র রক্ষক ও সংজ্ঞাদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বহু বছর ধরে প্রচার চালিয়েছে। কিন্তু মনিকর্ণিকা ঘাটের মতো স্থানে তাদেরই দ্বারা চালানো ধ্বংসযজ্ঞ একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে: রক্ষা করার অর্থ কি নিজের মত করে পুনর্নির্মাণ করা? ‘সংস্কৃতি’র নামে রাজনৈতিক র্যালি করা, অথবা পবিত্র ও প্রাচীন স্থানগুলোর সার্বজনীন, জটিল, লৌকিক অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া?

    একটি জীবন্ত ধর্মের প্রকৃত রক্ষণাবেক্ষণ মানে তার বহুরৈখিক প্রবাহকে, তার স্থানীয় অভিব্যক্তিগুলিকে, তার জটিলতাকে সন্মান করা। কিন্তু যখন রাষ্ট্র বা একটি শক্তিশালী আদর্শগত গোষ্ঠী নিজেকে ধর্মের ‘ম্যানেজার’ বা ‘সিইও’ হিসেবে দাঁড় করায়, তখন ধর্ম হয়ে ওঠা রাষ্ট্রীয় সম্পদ। তার ইতিহাস, তার প্রতীক, তার স্থাপত্য—সবই রাষ্ট্রীয় ন্যারেটিভের সেবায় নিযুক্ত হয়। যেটি সেই একক ন্যারেটিভের সাথে খাপ খায় না, সেটি ‘অপ্রয়োজনীয়’, ‘বাধাদানকারী’, এমনকি ‘অশুদ্ধ’ হয়ে ওঠে। ফলে, হিন্দু ধর্ম নামক অফুরন্ত, বৈচিত্র্যময় নদীর গতিপথকে একটি কংক্রিটের খালে পরিণত করার চেষ্টা চলে। যেখানে পূজা-অর্চনা, আচার-ব্যবহার সবই হতে হবে এক নির্দিষ্ট, নিয়ন্ত্রিত, রাজনৈতিকভাবে অনুমোদিত মোড়কে। মনিকর্ণিকা ঘাটের মন্দির ভাঙা এই খালকরণ প্রক্রিয়ারই একটি পদক্ষেপ। এটি হিন্দু ধর্মকে অপমান নয় (কারণ অপমান করার ইচ্ছা নাও থাকতে পারে), বরং একে ‘সংশোধন’ করা, একে রাষ্ট্র ও বাজার-বান্ধব করে তোলার প্রয়াস।

    বিদেশি কর্পোরেটের হাতে ‘ভারত’ বিক্রির পালা

    এখানেই ‘বিকিয়ে দেওয়া’-র প্রশ্নটি প্রকট হয়ে ওঠে। কাশী শুধু একটি ধর্মীয় শহর নয়; এটি একটি প্রতীকী রাজধানী, একটি সাংস্কৃতিক হৃদয়। এই ধরনের স্থানগুলোর পবিত্র ভূগোল ও ঐতিহাসিক নকশা বদলে ফেলা শুধু স্থানীয়দের আবেগে আঘাত করা নয়, এটি সেই ‘ভারত’-কে বদলে ফেলা, যা বিশ্বের কাছে তার প্রাচীনতা, জটিলতা ও আধ্যাত্মিকতার জন্য আকর্ষণের বিষয়। নতুন যে ভারত গড়ার দিকে ঝুঁকছে, তার আকর্ষণ অন্য জায়গায়।

    এই রূপান্তরের চূড়ান্ত লাভভোগী কারা? উত্তর হল সেই কর্পোরেট শক্তি, যাদের কাছে ইতিহাস ও আধ্যাত্মিকতা হল পণ্য, আর পবিত্র নদী তীর হল রিয়েল এস্টেট। উন্নয়নের নামে যে প্রকল্পগুলি চালু হয়, সেগুলির প্রায়শই শেষ গন্তব্য হয় একচেটিয়া বাণিজ্যিকীকরণ। গঙ্গা তীরের ‘বিনোদন কেন্দ্র’, ‘হেরিটেজ হোটেল’, বা ‘বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স’—এগুলো স্থানীয়দের চেয়ে বহুজাতিক কোম্পানি ও দেশীয় বৃহৎ পুঁজির স্বার্থেই বেশি কাজ করে। রাষ্ট্র এখানে মধ্যস্থকারীর ভূমিকা পালন করে। এটি পুরনো, প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে কম লাভজনক (রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিতে) কাঠামোগুলো ভাঙে, এবং সেখানে নতুন, বিনিয়োগ-আকর্ষক, কর্পোরেট-বান্ধব অবকাঠামো গড়ার পথ সুগম করে। এটিই হল সেই ‘বিকিয়ে দেওয়া’—জাতীয় ঐতিহ্য ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থকে বিদেশি ও দেশীয় কর্পোরেট পুঁজির স্বল্পমেয়াদী মুনাফার কাছে বলি দেওয়া।

    ‘ডোগলামি’: দ্বিচারিতার রাজনীতি

    এবং এই পুরো প্রক্রিয়াটির নামই হল ‘ডোগলামি’। এটি সেই রাজনৈতিক কৌশল, যেখানে কথা ও কাজের মধ্যে, আদর্শ ও প্রয়োগের মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক থাকে। এক মুখে হিন্দু গরিমার বুলি, অন্য হাতে প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের ভিত্তি উৎপাটন। এক দিকে ‘সনাতন সংস্কৃতি’ রক্ষার ডাক, অন্য দিকে সেই সংস্কৃতির মূর্ত প্রতীকগুলিকে ‘প্রগতি’র অন্তরায় বলে চিহ্নিতকরণ। এক পক্ষ আওরঙ্গজেবকে ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে, অন্য পক্ষ তার চেয়েও সুপরিকল্পিতভাবে একই ধরণের সাংস্কৃতিক সমর চালায়—শুধুমাত্র ভিন্ন অস্ত্রে ও ভিন্ন ভাষায়।

    এই ডোগলামিই আজকের শাসনের পরিচয়। এটি একটি দ্বৈত সত্তার রাজনীতি, যেখানে জনগণকে একটি গল্প শোনানো হয়, কিন্তু কার্যত সম্পূর্ণ অন্য একটি গল্পের উপর ভিত্তি করে দেশ চালানো হয়। গল্পটি হল জাতীয়তাবাদ, গৌরব ও শক্তির; কিন্তু বাস্তবতা হল কর্পোরেট-নিয়ন্ত্রিত, এককেন্দ্রিক, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যবিরোধী একটি রাষ্ট্রযন্ত্রের উত্থান।

    কী হারালো, কী তৈরি হল?

    মনিকর্ণিকা ঘাটের মন্দিরের ধ্বংসস্তূপ তাই শুধু একটি পুরনো ভবনের শেষ নয়। এটি একটি ক্রসরোডের ইঙ্গিত। এটি প্রশ্ন তোলে: আমরা কোন ভারত গড়ছি? যে ভারত তার অতীতের স্তরগুলোকে, তার স্মৃতির স্তম্ভগুলোকে ভেঙে চুরমার করে, তার জায়গায় কাঁচ-কংক্রিটের একরৈখিক উচ্চাভিলাষের মিনার তুলবে? নাকি যে ভারত তার বহুস্তরীয় ইতিহাসকে অস্বীকার করতে শেখে, যেখানে প্রাচীন মন্দির ও আধুনিক প্রয়োজনীয়তা পাশাপাশি থাকতে পারে সংলাপ ও সংবেদনশীলতার মাধ্যমে?

    ধ্বংসের ধোঁয়া কাশীর আকাশে মিলিয়ে গেছে। গঙ্গা আবার নিজের পথে বয়ে চলেছে, বহন করছে ইতিহাসের সাক্ষী। কিন্তু যে পাথরগুলি ভাঙা হল, সেগুলি শুধু একটি ঘাট বা একটি শহরের নয়; সেগুলি ছিল ভারতীয় সভ্যতার সেই বিশেষ ধারার অংশ, যা স্থানীয়, লৌকিক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। সেগুলির স্থানে যা তৈরি হবে, তা সম্ভবত আরও চকচকে, আরও ‘ব্যবহারিক’ হবে। কিন্তু তা হবে একটিমাত্র ভাবনার, একটিমাত্র স্বার্থের প্রতিনিধি। এই পরিবর্তন যেন কোনো এক অদৃশ্য আওরঙ্গজেবের ফরমানেরই সাময়িক প্রতিফলন, যার লেখা এখন উন্নয়নের দলিলে, বুলডোজারের শব্দে, এবং একটি পুরো দেশের পরিচয় পুনর্লিখনের নীরব অথচ অক্লান্ত প্রচেষ্টায়। প্রশ্ন শুধু এই, যে এবারের ‘সাম্রাজ্য’ কত দিন টিকে থাকে, এবং এর পতনের ইতিহাস কেমন হবে।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন