এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • চকিত মায়া 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬ বার পঠিত
  • মফিজুল বাইক ছুটিয়ে হিঙ্গলগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। দুপুর প্রায় বারোটা। বাইকে ব্রেক কষতে  হল।রাস্তার একদিকের পুকুরের পাড় থেকে উঠে ভোলা ভালা একটা জলঢোঁড়া সাপ উল্টোদিকে মাঠের দিকে যাচ্ছে ধীর গতিতে। বোধহয় চষা ক্ষেতে নেমে যাবে খাদ্যের সন্ধানে। বর্ষাকাল। জ্যান্ত ব্যাঙের অভাব হবে না নিশ্চয়।সারা দুনিয়াই তো ঘুরছে যে যার খাবারের খোঁজে। সাপটা সড়সড় করে মাঠে নেমে গেল।
    বর্ডার এরিয়ায় একচ্ছত্র রাজত্ব কায়েম করতে সাত আট বছর ধরে কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি।এই ক’বছরে কয়েক কোটি টাকা এমনি হয়নি। অনেক বন্দোবস্ত করতে হয়েছে সে জন্য। দু চারটে লাশও ফেলতে হয়েছে বাধ্য হয়ে।কি করা যাবে। এই রাজা বাদশার জীবন থেকে আবার সেই রাজমিস্ত্রির যোগাড়ের জীবনে তো আর ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। মনের নরম ডাল কবেই কেটে ফেলে দিয়েছে মফিজুল। এলাকার ভেতরের দিকের ব্যাপারে তেমন মাথা ঘামায় না সে। কাজল  মন্ডলকে ছেড়ে রেখেছে আপাতত:। বর্ডারের কারবারেই মফিজুল ভর ভরন্ত একেবারে। মানুষ বা গরু, সোনা বা ওষুধ যে কোন পাচারেই সে বর্ডার ডন। ধারে কাছে কেউ আসতে গেলেই তাকে দুনিয়া থেকে খালি করে দাও— সোজা ফর্মূলা। সে কাজল মন্ডল হলেও একই টোটকা। তবে খামোখা জল ঘোলা করতে চায় না মফিজুল। কেউ ফোঁস  করলে তবেই তার ফনাটা কেটে নেওয়ার দরকার পড়ে। কাজল এখনও ফনা তোলেনি তার দিকে।বোধহয় জল মাপছে বসে বসে।শালাকে বিশ্বাস নেই কিছু।পঞ্চায়েত সদস্য হবার পর যেন সাপের  পাঁচ পা দেখেছে।
    পোস্টাফিস পেরিয়ে বাঁদিকের রাস্তায় ঘুরল মফিজুলের বাইক। এ রাস্তাটা বেশ সরু। দুপাশে অনেক পাকা বাড়ি আছে। মফিজুল দেখতে পেল উল্টোদিক থেকে ছাতা মাথায় দিয়ে একটা মেয়ে আসছে। দূরত্ব একটু কমতে সে চিনতে পারল মেয়েটাকে। বিষ্ণুপদ দাসের মেয়ে তোর্সা । কোচিং ক্লাস থেকে ফিরছে বোধহয়। কাজল মন্ডলের, বিষ্ণুর ভেড়ি জবরদখল করার খবর সবই  সে  জানে। ইচ্ছে করেই সে ব্যাপারটা নিয়ে মাথা ঘামায়নি। তার কারবারের বাইরের ব্যাপার এটা। এসব তো হতেই থাকবে। কেউ আটকাতে পারবে না। যার ব্যাপার সে সামলাক।  হয় মার, না হয়  মর। মফিজুল জানে, সে চিরকাল টিকে  থাকবে না। কিন্তু জায়গা খালি পড়ে থাকে না। তার জায়গায় আর একজন আসবে। সে হয়ত তার চেয়েও খতরনাক। 
    তোর্সা কাছাকাছি আসতে সে বাইকের গতি একদম কমিয়ে দিল। হেলমেটহীন মাথা সোজা রেখে সামনের রাস্তার দিকে তাকিয়ে রইল। তোর্সা ছাতা মাথায় ধরে ধীর পায়ে হেঁটে চলে গেল বকুলতলার দিকে। মফিজুলের বাইক সহসা গতি বাড়িয়ে ছুটে চলে গেল ওদিকে।
      
      মফিজুলের সময়টা ইদানীং মোটেই ভাল যাচ্ছে না।বর্ডারে ভীষণ কড়াকড়ি চলছে। একে ওকে প্রচুর খাওয়াতে হচ্ছে। এত দিয়ে টিয়ে আর থাকবেটা কি। আর চারদিকে দুশমনের তো অভাব নেই। তার নিজের গ্যাং-এরই অন্তত দুজন— সইফুল্লা আর গনেশ পাল,এই দুজনকে সে একেবারেই বিশ্বাস করে না। খবর পেয়েছে দুজনেই নিজের গ্যাং তৈরির ধান্দায় আছে। এর মধ্যেই মফিজুলের পারমিশান না নিয়েই বেশ কয়েকটা ভেড়িতে গিয়ে তোলাবাজি করেছে বলে খবর আছে। জিজ্ঞাসা করলে বলে, ‘ ফালতু খবর ..... সোর্সটা কি বলতো গুরু .... কারা এসব বেকার খবর আনে ! এসব ওই শালা কাজল মন্ডলের লপচপানি। শালাকে পুরো উড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে। হারামির বাচ্চা। ‘ 
      মফিজুল চুপ করে থাকে। সবই বুঝতে পারে সে। এসব লাইনে ঘাসে মুখ দিয়ে চলার কোন জায়গা নেই। দিন রাত চোখ কান খোলা রাখতে হয়। নইলে উড়িয়ে দেবে কেউ না কেউ। আরও কিছুদিন ওয়াচে রাখতে হবে এ দুটোকে। আখের  মানাতে না পারলে খালাস করে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। মফিজুল  ভাবে তার পক্ষে এখন তো আর লাইন ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। সে আবার রাজমিস্ত্রির যোগাড়ে বনে যেতে পারবে না। কিংবা দূরে কোথাও চলে গিয়ে পীরবাবা সেজে বসে থাকতে পারবে না। দাঁতনখ ঝেড়ে ফেললেই দুশমন এসে ঘিরে ফেলবে চারদিক থেকে। 
     সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে বেড়াচাঁপার মিশিরবাবার কথা মনে পড়ল। বেড়াচাঁপা ঠিক না। ওখান থেকে আরো দশ পনের কিলোমিটার ভিতরে জঙ্গলের মধ্যে থাকেন মিশিরবাবা। মিশিরবাবা না হিন্দু , না মুসলমান। জঙ্গলের ভেতরে একটা তিনশো বছরের পুরণো দেউলটি। সেখানে উনি থাকেন। তার ভক্তের সংখ্যা প্রচুর। তারাই বাবার দেহধারণ করার ন্যূনতম জিনিসপত্র সরবরাহ করে। মানে, চাল ডাল কলা মুলো এইসব। জঙ্গলে বিদ্যুৎ নেই। রাত্রে প্রতিদিন ঘোর অন্ধকারে এসে কারা যেন শ’ খানেক প্রদীপ জ্বালায় দেউলটিতে। রাতের বেলায় সে এক রহস্যময় অতিপ্রাকৃত পরিবেশ। গা ছমছম করে। আবার মন আচ্ছন্নও হয়। মনে হবে যেন দাঁড়িয়ে আছি তিন চারশো বছর অতীতের কোন এক রহস্যময় গহ্বরে। মুছে গেছে আধুনিক দিনকাল। বাবা নাকি, লোকে বলে, বাকসিদ্ধ। যাকে যা বলেন তাই ফলে।
        মফিজুল ভাবে, প্রায় ছ মাস মিশিরবাবার কাছে  যাওয়া হয়নি।সময়টা ভাল যাচ্ছে না। একবার ওনার দোয়া মাঙতে যাওয়া উচিৎ। মনের ভিতরটা কেমন যেন ওলোট পালোট খায় আজকাল। মিশিরবাবা হিন্দু না মুসলমান কে জানে।  

      তোর্সা বাড়ি ফিরে এল। তার সবুজ মনে নানা চিন্তা ঘোরাফেরা করে। বাবাকে নিয়ে তার অনেক চিন্তা। তাদের এলাকাটা একদম ভাল না। মারামারি, জবরদখল, গুন্ডামি এসব লেগেই আছে। কজন লোকের জন্য পুরো গ্রাম তটস্থ হয়ে থাকে। সবসময়ে যেন ভয়ে ভয়ে থাকা। তার একদম থাকতে ইচ্ছে করে না এ এলাকায়। অন্য কোন সুন্দর জায়গায় চলে যেতে ইচ্ছে করে যেখানে কেউ কারো ক্ষতি করার চেষ্টা করবে না। সবাই মিলেমিশে আনন্দে থাকবে এমন একটা জায়গায় চলে যেতে ইচ্ছে করে। 
    চান টান করে নিয়ে সে ইংরীজি টেক্সট বইটা খুলে বসল। এই কবিতাটা তার খুব প্রিয়— স্টপিং বাই দা উডস অন আ স্নোয়ি ইভনিং। ওই যে.... মাইলস টু গো বিফোর আই ক্যান স্লিপ .... মাইলস টু গো বিফোর আই ক্যান স্লিপ। আনমনে সামনের জানলা দিয়ে পুকুরের ওপারে গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে রইল। মেঘলা দিন। মেদুর ছায়ায় ঢেকে আছে মাঠ ঘাট। ছায়ায় ঢাকা মাঠের ঘাসের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মনে ভেসে উঠল একটা মুখ। তার পাশ দিয়ে বাইকে যেতে যেতে চকিতে রাঙা মুখ তুলে এক পলক তার দিকে দেখেছিল। সে কি এতই গুরুত্বপূর্ণ কেউ নাকি যে অমনভাবে দেখতে হবে ! সাধারণ একজন মেয়ে। এমনকি সায়েন্সও পায়নি, আর্টস নিয়ে পড়ে। ধুৎ ..... । তাছাড়া, সবাই জানে যে ছেলেটা সমাজবিরোধী। পুলিশের খাতায় প্রচুর কেস আছে ওর নামে। বর্ডারে প্রচুর কুকর্মের রেকর্ড আছে ওর। আরে ধুৎ, সে এসব আবোলতাবোল ভেবে মরছে কেন। সামনে পরীক্ষা ......  

      সন্ধে ছ’টা নাগাদ খবর পেল ইটিন্ডেঘাটের বর্ডারের কাছে পুলিশের কাছে তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে কাদায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে মফিজুল ইসলাম। 
     প্রায় পঞ্চাশ মিটার দূরে দেখা গেল পুলিশের জিপে নৃপেন্দ্র বিশ্বাসের সঙ্গে বসে আছে সইফুল্লা আর গনেশ পাল।
       আজ শনিবার। মিশিরবাবা তখন ধ্যানে বসেছেন। আচমকা দমকা বাতাসে কেঁপে উঠল জঙ্গলের ভিতর দেউলটির একশো দীপশিখা, কেঁপে গেল মিশিরবাবার ধ্যানযোগের  সুষুম্নানাড়ি।
    তিনি, সবাই বলে বাকসিদ্ধ পুরুষ। কিন্তু মুখের কথা খসার আগেই একি কান্ড ঘটে গেল !
       একটু পরে ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল গেরাম জুড়ে।
     জলঢোঁড়া সাপটা চষা ক্ষেতের দিক থেকে এঁকেবেঁকে ধীরে সুস্থে রাস্তার ওপারের ডোবাটার দিকে যাচ্ছে। 
      যে কোনও মৃত্যুর খবরই মনকে নাড়া দেয়। সঘন বাদুলে বিষাদে তোর্সাও ঢেকে গেল। চুপ করে বসে রইল ইংরীজি বইটা সামনে খুলে রেখে। ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে তখন।    

    ************★***********★*********★******
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন