এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • না। বাংলায় চাকরি নেই 

    কালের নৌকা লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ৭২৭ বার পঠিত
  • আমরা সকলেই প্রায় নিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গে ছেলেমেয়েদের আর চাকরি নেই। শুধুই যে রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক বিরোধীতার পরিসরেই এই বিষয়টি বারংবার উঠে আসছে, তাই নয়। মিডিয়া জুড়ে সকলেই এই একটি বিষয়ে একমত। কারণ পশ্চিমবঙ্গ থেকে শিল্প তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কলকারখানায় তালাচাবি পড়ে গিয়েছে। বাঙালির ছেলেমেয়েদের তাই চাকরি পেতে দিল্লী বোম্বে মাদ্রাজ ব্যাঙ্গালোরে ছুটতে হচ্ছে। আমাদের নিজেদের ঘরে ঘরেই তো এই ছবি। ফলে এই বিষয়ে আর যাই হোক বিতর্ক নেই যে, পশ্চিমবঙ্গে ছেলেমেয়েদের চাকরি নেই। আর থাকবেই বা কি করে? শুধুই তো শিল্প বাণিজ্যে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে রয়েছে, তাই নয়। রাজ্যসরকারের, কেন্দ্র সরকারের দপ্তরগুলিতেও যে নিয়মিত ভাবে যথেষ্ট সংখ্যক চাকরির দরজা খুলে যাচ্ছে, তাও নয়। আমরা সকলেই চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি। তবুও রাজ্যসরকারের যে যে দপ্তরগুলিতে চাকরি দেওয়া হচ্ছিলো। সেখানেও বিস্তর চুরি জোচ্চুরি। লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের চাকরি প্রাপ্তির বিষয়টি রাজ্যবাসীর সামনেই ঘটেছে। এই যেমন রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির ফলে একদল বছরের পর বছর পথে বসে রইলো চাকরি না পেয়ে। আর একদল লাখ লাখ টাকা দিয়েও জ‌োচ্চুরি করে পাওয়া চাকরি ধরে রাখতে পারলো না। সেই সূত্রেই আবার একদল যোগ্যতার বলে চাকরি পেয়েও চাকরিহারা হয়ে আবার চাকরির পরীক্ষায় চাকরি প্রার্থীর লাইনে। সেই চাকরি চুরির ফলেই আজকে ছিল একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা।

    খবরে প্রকাশ, আজকের পরীক্ষায় ১৩ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ভিন রাজ্য থেকে এসেছে। যারা বাংলা জানে না। তারা বাংলার সরকারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসে গিয়েছে বাঙালি ছেলেমেয়েদের পাশাপাশি। বাংলার যে ছেলেমেয়েদের বাংলায় চাকরি নেই বলে আমাদের সকলের রাতের ঘুম উধাও। কদিন আগেও নবম দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাতেও এই একই চিত্র দেখা গিয়েছিল। বিহার উত্তরপ্রদেশ হরিয়ানা রাজস্থানের ছেলেমেয়েরা হাজারে হাজারে বাংলায় ছুটে এসেছে সেই শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাতেই বসতে। যে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বিস্তর কারচুপি ও দুর্নীতির কারণেই ২০১৬ সালের নেওয়া পরীক্ষা বাতিল করে প্রায় এক দশকের মাথায় পুনরায় আবার পরীক্ষা নিতে হচ্ছে। উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের ছেলেমেয়েরা কিন্তু বছরের পর বছর এইভাবেই ছুটে আসছে একটা চাকরি’র জন্যে, ঠিক সেই রাজ্যেই। যে রাজ্যের ছেলেমেয়েরা রাজ্যে যথেষ্ট পরিমাণে চাকরি না থাকার কারণে ভিন রাজ্যে ছুটে যেতে বাধ্য হচ্ছে। রোজগারের ধান্দায়। আমরা যখন বাড়ির বাইরে যাই। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে। যখন যাই কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তরগুলিতে। যখন প্রায়শই আমাদের গিয়ে পৌঁছাতে হয় রাষ্ট্রায়ত্ব বিভিন্ন ব্যাংকগুলিতে। যখন টিভির পর্দায় নানান গোলমালের খবরে পুলিশকে সক্রিয় ভুমিকায় দেখা যায়। তখন আমরা দেখতে পাই বিগত দশ কুড়ি বছরের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক অবাঙালি ছেলেমেয়েদেরকে সরকারি চাকরিগুলির বিভিন্ন পদে কর্মরত অবস্থায়। ঠিক যে পদগুলিতে আমাদের ছেলেমেয়েদের চাকরি নেই বলেই রাজ্যজুড়ে এই হাহাকার। এই রাজ্যে ছেলেমেয়েদের চাকরি নেই।

    বিষয়টি কি অদ্ভুত না? না বোধহয়। এটাই তো স্বাভাবিক। ভারতবর্ষের যে কোন নাগরিক যে কোন অঞ্চলে (শুধু কয়েকটি বিশেষ অঞ্চল বাদে) রোজগার করার এবং বসবাস করার অধিকারী। ঠিক যেমন আমাদের রাজ্যে চাকরি নেই বলেই আমাদের ছেলেমেয়েরা ভারত জুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে ছুটে গিয়ে স্থিতু হয়েছে। রোজগার এবং বসবাসের উদ্দেশে। তবে তো ঠিকই আছে। অসুবিধা কোথায়? না, অসুবিধা আসলে অন্য কোথাও নয়। অসুবিধে শুধু আমাদের নিজেদের ভিতরেই। আমরাই আসলে একটু অদ্ভুত রকমের। তাই না? রাজ্যে চাকরি নেই চাকরি নেই বলে বিলাপ করছি। অথচ দেখতে পাচ্ছি রাজ্যজুড়ে একের পর এক দপ্তরে অবাঙালি ছেলেমেয়েরা জাঁকিয়ে বসে গিয়েছে। দাপিয়ে রোজগার করে চলেছে। না, শুধুই তো আর রাজ্য এবং কেন্দ্রের অধীনস্ত বিভিন্ন ধরনের সরকারি দপ্তরগুলিতেই নয়। অধিকাংশ বেসরকারি ব্যবসা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের ভিতরে পা দিলেই আমরা দেখতে পাই, বেশিরভাগ কর্মীই বাংলা জানে না। এই বাংলার ছেলেমেয়ে নয়। বাঙালির সন্তান নয়। কিন্তু তাতে তাঁদের কিন্তু কোনভাবেই এই বাংলায় করেকম্মে খেতে বিশেষ কোন অসুবিধে হচ্ছেও না। তাদের জন্যে চাকরির অভাবও নেই। বেশ দেখা যাচ্ছে বিগত তিন দশকে রাজ্যের সরকারী এবং বেসরকারী কর্মক্ষেত্রগুলিতে বাঙালির তুলনায় অবাঙালির ছেলেমেয়েরাই অধিক পরিমাণে কাজ পেয়ে চলেছে। হতে পারে তাদের যোগ্যতা বাঙালির ছেলেমেয়েদের থেকে অনেক বেশি, তাই। কিন্তু বিষয়টা কেমন অদ্ভুত না? আমাদের সেই তুলনায় কম যোগ্যতার বাঙালি ছেলেমেয়েরাই তো ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নানান ধরনের চাকরিতে কর্মরত। ও, তবে বোধহয় অন্যান্য রাজ্যগুলিতে কম দক্ষতার কর্মীদেরই কদর বেশি। তাই তুলনায় বেশি দক্ষতার অবাঙালি ছেলেমেয়েরা আমাদের রাজ্যে সরকারী এবং বেসরকারী চাকরির একটা বড়ো অংশেই কর্মরত রয়েছে। তাই নিশ্চয় হবে। নাকি আমাদের রাজ্যের বেতন এবং মজুরির হারে আমাদের বাঙালির ছেলেমেয়েরা সন্তুষ্ট নয়। নয় বলেই অধিকত রোজগারের উদ্দেশেই তাদের ভিন রাজ্যে গমন? কিন্তু তাহলেও যে একটা প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে। এই রাজ্যের তুলনামূলক কম হারের বেতন ও মজুরির লোভে ভিন রাজ্যের ছেলেমেয়েরা অধিক হারের বেতন মজুরি ফেলে ছুটে আসছে তবে? হাজারে হাজারে? কি অদ্ভুত না?  না হলে আমরা বাঙালিরাই নিশ্চয় খুব অদ্ভুত একটি জাতি। কোনটা আমাদের আসল ধারণা। আর কোন ধারণাটিকে আমরা বেশি করে প্রচার করতে ভালোবাসি। কিংবা কোন কোন বহুল প্রচারিত ধারণায় আমাদের বিশ্বাসের নোঙর ফেলে রাখতে আমরা আনন্দ পাই। সব কিছুর হিসাব মেলানো সত্যিই খুব কঠিন। কোনটা অদ্ভুত আর কারা আসলেই অদ্ভুত। সেই বিতর্ক হয়তো কোনকালেই মিটবে না। কিন্তু সত্য এটাই, পশ্চিমবঙ্গে সরকারি এবং বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে অবাঙালি ছেলেমেয়েদের কোন অভাব নেই। সংখ্যাটি অবশ্য প্রতি বছরেই বৃদ্ধির পথে। একদিন এমন দিনও আসতেই পারে। রাজ্যের স্বনির্ভর জনবিন্যাসে বাংলাভাষী বাঙালিই সংখ্যালঘু হয়ে গেল। তা যাক। তাতে কি? আমরা তো ভারতীয়।

    ©কালের নৌকা ১৪-০৯-২০২৫
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Debanjan Banerjee | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৬:১০734128
  • হক কথা l 
  • দীপ | 2402:3a80:1975:bcff:678:5634:1232:***:*** | ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৫:২১735869
  • আজ যখন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠছে তখনও তিনি নিজেকে দাবাং অফিসার জ্ঞান করছেন৷ করবেনই তো! কারন WBCS পাওয়ার আগে থেকেই তিনি রাজ্য প্রশাসনের  একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি৷ আর সেই কারনেই ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে ফেল করেও মেইনসে বসার সুযোগ পেয়েছিলেন । তার পর সেই প্রার্থী ২০১৭-র মেইনসে 'প্রথম' ঘোষিত হয়ে নিজ জেলার বিডিও হিসাবে নিয়োগ পান৷ ২০১৭-র মেইনসে 'প্রথম' ঘোষিত ওই প্রার্থীর ইংরেজি আবশ্যিকে প্রাপ্ত নম্বর ০ থেকে বেড়ে ১৬২ এবং আবশ্যিক বাংলায় ১৮ থেকে বেড়ে ১৬৮ হওয়ার অভিযোগও উঠেছিল৷ 
    এইখবর এই কলমচির নয়, এই সংক্রান্ত খবর প্রথম যে সংবাদপত্রটিতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল তার নাম "এই সময়"৷ WBCS এ নম্বর কেলেঙ্কারি এই অভিযোগে গৌরব কুমার বসু নামে এক আইনজীবি কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন। পরবর্তীতে আরও দুটি মামলা যুক্ত হয়৷  তবে গৌরববাবু সেই সময় জনস্বার্থ মামলার সূত্রেই  হাইকোর্টে একটি সাপ্লিমেনটারি এফিডেভিট পেশ করে জানিয়ে ছিলেন যে তিনি ১৭০০৩৫৩ রোল নম্বরের প্রার্থীর রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনে ২০১৮ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে একটি আরটিআই দাখিল করেছিলেন। তাতে তিনি ২০১৭-র ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশান্ত বর্মনের প্রাপ্ত নম্বর জানতে চেয়েছিলেন। 
    সেটির উত্তরে খোদ রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে স্টেট পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার (এসপিআইও) ও ডেপুটি সেক্রেটারি তাঁকে জানিয়েছিলেন যে, তিনি ২০১৭-র প্রিলিমিনারিতে সাকুল্যে ৬.৮৬৫ শতাংশ (২০০-র মধ্যে মাত্র ১৩.৭৩) পেয়েছেন। সে বছর প্রিলিমিনারিতে সফল প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৯২১। আর ১৭০০৩৫৩ রোল নম্বরের প্রার্থীর র‍্যাঙ্ক ছিল ৭৩ হাজার পিছনে- ৮০,৯৪৭। এমনকী, সে বছর প্রাথমিক ভাবে প্রকাশিত সফল প্রার্থীদের তালিকায় তাঁর নামই ছিল না। পরে পিএসসি একটি সংশোধনী জারি করে 'সফল' প্রার্থী হিসাবে ১৭০০৩৫৩ রোল নম্বরের নাম ঘোষণা করে। এই 'অন্তর্ভুক্তির' সমর্থনে কোনও নথিও যে পিএসসি-র দপ্তরে নেই, আরটিআইয়ের উত্তরে এমন কথাও এসপিআইও জানিয়েছিলেন।
    গৌরবের বক্তব্য, 'এসপিআইও-র জবাব থেকে পরিষ্কার, ওই প্রার্থীর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মারাত্মক অসঙ্গতি ও দুর্নীতি রয়েছে। উচ্চ আদালতের কাছে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিল করার ও আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন 
    জানিয়েছিলেন৷ বেশ কয়েকটি শুনানিও হয়েছিল৷ কিন্তু কোন জাদুবলে সেই মামলা আজও বোতল বন্দী৷ তবে মামলাটি আবার পুনরায় শুরু হলে আসল সত্যিটা জানা যাবে৷
    বলাবাহুল্য, সেসময় পিএসসি-র চেয়ারম্যান ছিলেন দেবাশিস বসু৷ 
    মলয় মুখোপাধ্যায়৷
    ১০.১১.২৫
  • দীপ | 2402:3a80:1975:bcff:678:5634:1232:***:*** | ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:৫৭735875
  • "এই যুগের শ্রেষ্ঠ বাঙালি পার্থ চ্যাটার্জী। টাকা চুরি, দুর্নীতি কোনো ইস্যুই নয় টাইপের সত্যি কথা বলার ধক এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আর একটা বাঙালিরও নেই। অথচ মনে মনে আমরা সবাই জানি এটাই ধ্রুবসত্য। তাই প্রতিটা সংবাদমাধ্যম রোজ বুম ধরে পার্থর সামনে।

    কিছু দিন আগে কোন এক প্রাক্তন বামমন্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। জীর্ণ পোশাকে ভদ্রলোক কিছু সবজি কিনছেন বাজারে এসে, বাজারের ব্যাগের দীন অবস্থা বুঝিয়ে দিচ্ছে ওঁর আর্থিক অবস্থা। ফেসবুক অ্যালগোরিদম অদ্ভুত, তার ঠিক নীচের খবরটাই ছিল লেটেস্ট আই ফোন কিনতে পারেনি বলে একজন মজদুরের ছেলে আত্মহত্যা করেছে।

    ওই দামী ফোন, ঘড়ি, গাড়ি আসলে আজ বাঙালির অ্যাসপিরেশন। ঠিক যেই কারণে পার্থ গ্রেফতার হলে ওর বাড়ির সামনের চায়ের দোকানে পরদিন রাগ, ক্ষোভ দেখা যায় না – একজন বাঙালি আরেকজনকে বলে ইস্ পার্থর খাটের তলা থেকে কয়েকটা নোট উড়ে এসে আমার ছাদে পড়তে পারত তো। 

    বাঙালি জানে চাকরি নেই, শিক্ষা নেই, সিনেমা-গান-কালচার কিস্যু নেই। পাঁচজন ছাত্র মিলে সিনেমা বানালে সেই সিনেমা রিলিজ হয় না, কিন্তু মিটু খ্যাত অরিন্দম শীল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মাথা। এই পচে যাওয়া বাংলার শ্রেষ্ঠ প্রতিবিম্ব আজ পার্থ চাটুজ্জেই। 

    ফোপরদালাল বাঙালির ওই শিক্ষা আর সততা নিয়ে মেকি গর্বের মুখে এত সুন্দর করে মূত্রবিসর্জন আর কেউ করেনি।"
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:89ae:fe9a:d344:***:*** | ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ২২:০১735878
  • এবাবা দীপচাড্ডি দেখি কার কার লেখা নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছে! ফেবু না কোত্থেকে টুকেছে কে জানে! laugh
  • দীপ | 2402:3a80:197f:9d5f:878:5634:1232:***:*** | ০২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:২৬736376
  • আজ মুখ্যমন্ত্রী ১৫ বছরের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন। ২ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে এই বঙ্গে। বাংলায় ৮০ হাজার বুথ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, বুথ পিছু প্রায় ২৫০ জনের কর্মসংস্থান হওয়া উচিৎ।
     
    সম্ভবত রাস্তার চপের বা চায়ের দোকানকে উনি রাজ্য সরকারের কর্মসংস্থান হিসেবে দেখাতে চেয়েছেন!
  • দীপ | 2402:3a80:42f0:a786:578:5634:1232:***:*** | ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১৭737283
  • পলিটিক্স জিনিসটাই দারুণ মজার !
    এই যেমন তাপস রায় আর পার্নো মিত্র । 
    গত ভোটে বরানগরে তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন তাপস, বিজেপি প্রার্থী ছিলেন পার্নো।
    এখন তাপস রায় বিজেপিতে । পার্নো আজকে গেলেন তৃণমূলে।
    বেশ মজার, তাই না?
  • দীপ | 2402:3a80:1cd6:ba55:778:5634:1232:***:*** | ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:৫৬737412
  • আজ দুর্গাঙ্গনের অনুষ্ঠানের আয়োজনে কত কোটি গেল ?

    ২৬১ কোটি ১৭ লক্ষ দিয়ে হিন্দু সাজতে গেছে একটা সরকার...

    চার কোটি খরচ করেও একটা জমি ইতিমধ্যে জলে গেছে...

    অন্যদিকে আজকেরই আবার খবর...

    "গত দেড় বছর ধরে কোন বিচারক নেই রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের তিন নম্বর বেঞ্চে। প্রায় দেড় হাজার মামলা ঝুলে রয়েছে সেখানে ।

    কলকাতা জেলার চারটি ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনের অবস্থাও প্রায় একই রকম । সপ্তাহে পাঁচ দিনের মধ্যে দু দিন বসেন, বাকি সময়ে অন্যত্র ।

    রাজ্যের সব ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনের  কাজকর্ম ডকে । বিচারক নেই,  প্রয়োজনের কর্মী নেই । 
    কেন ? 
    সরকারের টাকা নেই, 
    অতএব নিয়োগ নেই..."

    "ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী ফোন করলে ধরছেন না, 
    মেসেজ করলে দেখছেন,
    কিন্তু উত্তর দিচ্ছেন না..."

    কেউ কিছু বলবেন ?

    সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়
  • দীপ | 2402:3a80:1971:e300:578:5634:1232:***:*** | ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:২২737725
  • আশা কর্মীরা যদি অন্য রাজ্যে ২৮ হাজার,৩২ হাজার বা ৩৯ হাজার টাকা ভাতা, ইনসেনটিভ, ফোনের টাকা নিয়ে পেতে পারেন এই রাজ্যে সেটা কেন ৬ হাজার টাকার নিচে ? 
     
    আজ স্বাস্থ্য ভবনের সামনে যেভাবে তাঁরা ব্যারিকেড ভাঙলেন, ডিএ না পাওয়া পুলিশ সেটা অসহায়ের মত দেখলো।
    বেশ লাগলো । 
     
    সেই নারায়ণ স্বরূপ নিগম কোথায় পালালেন ??
    হেলিকপ্টারে করে গঙ্গাসাগর ভ্রমণ শেষ হল , মুখ্যমন্ত্রী ??
     
    কেউ জানেন ?
     
    সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় 
    (৯৮৩০৪২৬০৭৮)
     
     
  • দীপ | 2402:3a80:198b:61da:678:5634:1232:***:*** | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৮737917
  • "আজকাল একটা কথা বহুল আলোচিত। বাঙালির মধ্যে নাকি সহনশীলতা কমে গেছে, বাঙালি সাম্প্রদায়িক হয়ে গেছে, মেরুকরণ সমাপ্ত - ইত্যাদি। এবার আমায় কাজের সূত্রে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শহর- সর্বত্রই ঘুরতে হয়। পথ আমাকে অনেক কিছু দেখায়৷ তাই আমি উপরের মতামতগুলিকে সমর্থন করি না। 
     
    যেমন আজকেই আমাকে ব্যারাকপুর মহকুমার একটি অজ পাড়াগাঁর মধ্য দিয়ে বাইক নিয়ে যেতে হচ্ছিল। সেখানে এক অনির্বচনীয় দৃশ্যের অবতারণা। জনাপাঁচেক তরুণ, যাঁদের জন্ম ২০০০ এর ওপাশে বলেই প্রত্যয় হয়, গায়ে বেশ চকরাবকরা জামা, পরনে প্রত্যেকেরই লুংগি, অদ্ভুতভাবে প্রত্যেকেরই গোঁফ নেই এবং চোয়ালে বা থুতনিতে দাড়ি বর্তমান- হাতে ছোট ছোট লাঠি নিয়ে গাড়ি ও বাইক থামাচ্ছেন। এবং রীতিমতো ধমকধামক দিয়ে সরস্বতী পুজোর চাঁদা আদায় করছেন। পঞ্চাশ টাকার নিচে বিল দেওয়া গুণাহ বলেও ঘোষণা করছেন। আপনিই বলুন, এর চেয়ে অসাম্প্রদায়িক আপনি কিছু দেখেছেন? দেখেই আমার বগল থেকে বগবগ করে খিচুড়ি সিমাইএর মিশ্র সৌরভ নির্গত হতে শুরু করল। ছলছল চোখে কুড়ি টাকা দিয়ে বিদায় নিলাম। 
     
    আমার অবশ্য ধারণা পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাম্প্রদায়িকতা দমনে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাঁরা ঠিক করেছেন মানুষকে এতটাই গরীব ও জবলেস করে দেবেন যে মানুষ পেটের দায়ে, পয়সার দায়ে আর ধর্মের কথা ভাবতেই না পারে। আপনিই বলুন না, দুর্ভিক্ষের সময় কি কেউ মন্দিরমসজিদগীর্জাসিনাগগ ভাবে? যে যেখানে পারে পটকে যায়। 
     
    ওঁদের এই হোলিস্টিক এপ্রোচের কথা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে৷"
     
    প্রত্যক্ষদর্শীর অভিজ্ঞতা।
  • :x | 2001:67c:e60:c0c:192:42:116:***:*** | ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৮737919
  • এই ঘিনঘিনে গুয়ের পোঁকা দিপচাড্ডিটা কুনো না কুনো ভাবে মুসলিমদের টার্গেট করবেই। 
  • দীপ | 2402:3a80:197d:e3f1:878:5634:1232:***:*** | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০২738047
  • মাননীয়(!!!) স্বাস্থ্যসচিব,
    আপনি তাঁদের (আশা কর্মী) ডাকলেন, তাঁরা যখন আপনার আমন্ত্রণে সাড়া দিলেন, তখন বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলেন! পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যাঁরা আপনার আমন্ত্রণ রক্ষার জন্য ট্রেনে উঠলেন, আপনার পুলিশ তাদের জোর করে ট্রেন থেকে নামিয়ে দিল, গ্রেফতার করল! নাছোড়বান্দা যাঁরা কলকাতার ষ্টেশনে এসে উপস্থিত হলেন, তাঁদের ষ্টেশনেই পুলিশ দিয়ে আটকে রাখলেন। খাবার দূরের কথা সামান্য পানীয় জল পর্যন্ত দিচ্ছেন না? শৌচাগার ব্যবহার করতে দিচ্ছে না আপনার পুলিশ। 
    কেন তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন?
    এ কোন সভ্য মানুষের আচরণ?
    এর পরেও কি আপনি নিজেকে সভ্য মানুষ বলে দাবি করবেন? নিজের সরকারকে গণতান্ত্রিক বলে দাবি করবেন?
    তীব্র ঘৃণা ও ধিক্কার!
  • দীপ | 2402:3a80:1971:e768:578:5634:1232:***:*** | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪০738395
  • PSC- র নতুন Hon'ble Member দিগন্ত বাগচী।
    ইনি বর্তমানে বাংলা TV Serial করেন। ইনি ঠিক কোন যাদুবলে আর কী যোগ্যতায় এই পদ পেয়েছেন কেউ কি জানেন???
  • দীপ | 2402:3a80:198f:e6cd:878:5634:1232:***:*** | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:০২738559
  • আন্তর্জাতিক 'যেমন খুশি সাজো' প্রতিযোগিতায় শিবুদা অংশগ্রহণ করল। নানা দেশ থেকে হাজার হাজার প্রতিযোগী অংশ নিলেন। প্রতিযোগিতার দিন সব প্রতিযোগী নানাবিধ সাজে একে একে মঞ্চে আসছেন, অসাধারন সব ইনোভেটিভ সাজ। কিন্তু শিবুদাকে দেখা গেল সম্পূর্ণ বিবস্ত্র, পরনে একটা সুতোও নেই, শুধু মাথায় তিনটে পাঁচশোটাকার নোট দিয়ে বানানো একটা মুকুট আর হাতে ধরা একটা কাগজে লেখা, 'আমি যুবহাতি প্রকল্প'। শিবুদা ফার্স্ট!
    এই আনন্দে সরকার রাজ্যে চারদিনব্যাপী উৎসব ঘোষণা করেছে! 
     
    বিনোদ ঘোষাল
  • দীপ | 2402:3a80:198f:b692:878:5634:1232:***:*** | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৪৫738593
  • কেউ বলছেন খাতা পেন ও ফর্ম ফিলাপ তো হবে! একটা সময়ের পর বাবা মায়ের কাছে টাকা চাইতে সংকোচবোধ হয়।কেউ বলছেন একটা গ্রুপ D চাকরি পেলেও ভাল হতো। কেউ বলছেন হোটেলে একবার খেতে 50 টাকা লাগে। কেউ বলছেন ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে;বিদেশে কাজ পাচ্ছি না। কোচবিহার to  কাকদ্বীপ দেখিয়ে দিল বেকারের চিত্র! কেউ B.Tech.;  M.Sc.;M.A  পাশ করেও লাইনে দাঁড়িয়ে। ডবল ডবল চাকরি যে নেই প্রমাণিত। বেকারদের Pulse নাকি বুঝে গেছে!
    কর্মসংস্থান যে দরকার সেটা প্রকট হয়ে গেল। মানুষের লাইন বলে দিচ্ছে চাহিদা কত! আমার এক ছাত্র Mathematics (Hons.)। ক্লাসে First boy  ছিল। ভাতার লাইনে দাঁড়াতে হবে সে স্বপ্নেও ভাবেনি। কেউ আবার ব্যঙ্গ করে বলছে -- তুইও লাইনে; আমিও লাইনে! তাহলে তোর এতো পড়াশোনার দাম কোথায়? 2021 সালে B.Sc nursing করেও লাইনে দাঁড়িয়ে গেছে এক ছাত্রী। আক্ষেপের সুরে বললো আজও কপালে কিছু জোটে নি!

    শিক্ষকের আর্তনাদ!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন