এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • শান্তনীড় রহস্য - ১০ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ১৩০৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রেলব্রীজের নীচে সারি সারি ঝোপড়া। দুধারে ফাঁকা জমি। মালিকানার ঠিক নেই। রাতের বেলায় শুনশান, নীরব আঁধার।   জমির দখল নিয়ে দুটো দলে মারামারি, বোমাবাজি চলে যখন তখন। বিশেষ করে রাতের বেলায়।   গুলিও চলে মাঝেমাঝেই।   এসব নিয়েই ঘর করে ঝোপড়ার লোকগুলো। এসব গা সওয়া হয়ে গেছে ওদের। এসব অনেক বছর আগের কথা। সুনন্দ তখন ছোট ছেলে।  
    একদিন গুলি খেয়ে এক দলের একজন মারা গেল।  পুলিশ এসে ঝোপড়ার সব পুরুষদের ঝেঁটিয়ে তুলে নিয়ে গেল পরদিন সকালবেলায় এসে। মেয়েদের এবং বাচ্চাগুলোকে বাদ দিয়ে। কল্পনা, মিনতি, শাকিলারা কাঁদতে লাগল। বলতে লাগল,  ' আমাদের কি হবে ...... ওদের ছাড়াবে কে ..... কেস খাইয়ে কোর্টে তুললে ওদের হয়ে দাঁড়াবে কে ! আমাদের কি কোন ক্ষমতা আছে ?  পুলিশ একবার হেফাজতে  নিলে কি আর রক্ষে আছে ..... হায় ভগবান .....'
    এরপর সাতদিন কেটে গেল। ঝোপড়ার মেয়ে বাচ্চারা কেউ  জানে না তাদের লোকগুলোকে  কোথায় রেখেছে। কেউ জানে না কোথায়  ছোটাছুটি করবে। কাকে ধরাধরি  করতে হবে। থানায় গিয়ে কথা বলার মতো বুকের পাটা নেই ওদের।   শর্মিলা কাড়া বলল, ' ছাড়াতে গেলে উকিল লাগে শুনেছি। নইলে কোর্টে গিয়ে কথা কইবে কে ? আমরা ওসব পাব কোথায় ? কি যে হবে আমাদের ..... কোথায় যাব ..... '
    কে একজন বলল, ' চল আমরা বনগাঁর ওদিকে উঠে যাই ..... কিন্তু ঘরের লোকগুলোকে ফেলে যাইই বা কি করে ..... '
    এসব শুনে ভয়ে জবুথবু হয়ে যায় অসহায় লোকগুলো। চুপচাপ বসে থাকে উদ্বেগে কাঁটা হয়ে।  
    আট দশদিন কেটে গেছে। ক্রমাগত যন্ত্রণা সহ্য করতে করতে অনুভূতি একসময়ে অবশ হয়ে যায়। এবার কষ্টের নতুন এক কাঁটাগাছ  গজিয়ে উঠল। ঝোপড়ার দরজায় চটের আড়াল। গভীর রাতে ঝুলন্ত আড়াল সরিয়ে কারা যেন ঘরের ভিতর উঁকি মারতে লাগল বুভুক্ষু লোলুপ শ্বাপদের মতো।   সারারাত না ঘুমিয়ে জেগে থাকে বেচারারা। চমকে চমকে ওঠে কোথাও সামান্য শব্দ হলেই।   
    সুনন্দ আর তার দিদি মাকে আঁকড়ে ধরে শুয়ে থাকে সারারাত বুকের ভিতর ধুকপুকুনি নিয়ে।
    বাবা কোন হাজতে রাত কাটাচ্ছে কে জানে  ....... 
    *****************************************
    কলতান জুতোর দোকানের হলদে রঙের বিলটা বার করল। দোকানের নাম পদার্পণ। তার নীচে দোকানের ঠিকানা --- 113A,  Sodepur Road . N. 24 pgs. ক্রেতার নাম নামটা লেখা হয়নি। অপরিষ্কার হাতের লেখা থেকে জুতোর ধরণ আবিষ্কার করা যাচ্ছে না।
    কলতান ভাবল, সৌভাগ্যক্রমে ক্রেতার নামটা যদি পাওয়া যেত বিলটা থেকে মামলাটার ফয়সালা প্রায় হয়েই যেত। কিন্তু তা হবার নয়।

        অন্তত দশটার আগে নিশ্চয়ই দোকান খুলবে না। কলতান অস্থির হয়ে উঠছিল। ভাবছিল, কাল পুরো দিনটা সে নষ্ট করেছে পোস্ট মর্টেম সেল থেকে কোন প্রাথমিক ফরেনসিক রিপোর্ট পাবার আশায়। কিন্তু সে গুড়ে বালি। কাজ কিছুই এগোয়নি এখন পর্যন্ত। সে ভাবল কাল সন্ধেবেলায় প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। আজকেও রোদের তেজ ঝিমোনো। আশা করা যায় শান্তনীড় কমপ্লেক্সের কাদা এখনও শুকোয়নি এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে অপরাধী কাল রাতে একবার ঘটনার আশেপাশে চক্কর মেরে গেছে।
    সেটা অবশ্য পুরোপুরি সম্ভাবনার ব্যাপার।   কোন নিশ্চিৎ ব্যাপার নয়। বিশেষ করে  পাকাপোক্ত স্বভাব অপরাধীরা ও রাস্তা দ্বিতীয় বার  মাড়ায় না। কিন্তু, কলতান যতদূর জানে আবেগপ্রবণ এবং স্বাভাবিক অপরাধী নয়  এমন মানুষদের সাধারনতঃ এই প্রবণতা লক্ষ করা গেছে।  অবশ্য সাম্প্রতিককালে অপরাধী মনস্তত্ব অনেক বদলে গেছে।
    কলতান বাইক নিয়ে বেরিয়ে গেল সকাল নটার মধ্যে। প্রথম গন্তব্য ১১৩এ, সোদপুর রোড।
        সাইবার সেলের অনিন্দ্য হাজরা যাকে কলতান বৈশাখীর ফোন নম্বরটা ফরোয়ার্ড করেছিল তার একটা মেসেজ আসল কলতানের ফোনে।   জানিয়েছে, এই নম্বরে আসা গত দশ দিনের মেসেজ ট্র্যাক করে জানা গেছে প্রেরকের মোবাইল লোকেশান জানা গেছে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর অঞ্চলের। কলতান নিশ্চিন্ত মনে জবাব দিল, '  ওকে .... তোমার সঙ্গে পরে কথা বলছি। ' মনে মনে ভাবল,   'হুমম্ ...পসেসিভনেসের পরাকাষ্ঠা!' কলতানের বাইক শ্যামবাজার ছাড়িয়ে বি টি রোডে পড়ল।    
        কলতান যখন জুতোর দোকানটার সামনে পৌঁছল দোকানটা তখন সবে খুলেছে। ঝাড়পোছ চলছে। কলতান বাইক থেকে নেমে দোকানের বাইরে অপেক্ষা করছিল।  সাতসকালে বাইকে সওয়ার হয়ে খদ্দের এসে হাজির হওয়ায় ভীষণ উৎসাহিত হয়ে দোকানদার বলল, ' আসুন দাদা .... আসুন ... ভেতরে আসুন ..... বলুন .... '
    কলতান দোকানে ঢুকে পকেট থেকে হলুদ রঙের ক্যাশমেমোটা বার করল।
    ' পরে সময় পাব না বলে ফার্স্ট আওয়ারে আসলাম আর কি ..... এই যে দেখুন ..... এই জুতোটা এখান থেকে কেনা হয়েছিল ক'দিন আগে। আমার এক রিলেটিভ এসেছিল। আমার ঠিক এই জুতোটা আর এক জোড়া চাই।দেখুন তো একটু ..... আছে কিনা। এই একই
    সাইজের দেবেন কিন্তু।
    দোকানদার বিলটা নিয়ে চোখ বুলিয়ে বলল, ' হুঁ .... হয়ে যাবে মনে হচ্ছে। দেখছি ..... ' বলে বিলটা কলতানকে ফেরত দিয়ে দিল।
    ওপরের তাক থেকে একটা বাক্স নামিয়ে আনল। বাক্স খুলে একজোড়া সস্তার স্নিকার গোত্রের জুতো বার করল। ব্র্যান্ডের নাম ডলফিন।
    ------ ' এই যে ..... লাস্ট এক পেয়ারই পড়ে ছিল স্টকে। কম দামের মধ্যে খুব ভাল জিনিস। দু বছর আরামসে চলবে। খুব চলছে ডিজাইনটা।'  দোকানদার বিগলিত স্বরে জানায়।
    ------ ' একই সাইজের দিয়েছেন তো ? '
    ------ ' একদম  .... একদম। আট নম্বর। নিশ্চিন্তে নিতে পারেন। '
    ------ ' কত পড়বে  ? '
    ------ ' ওই একই .... আটশো পঁচাত্তর।   বেশি কেন নেব .... '
    দোকান থেকে বেরিয়ে কলতান থানার ওসি সমীরণ ঘোষকে ফোন করল।
    ------ ' হ্যালো .... কলতান ... বলুন। কিছু এগোল ?
    ------ ' না না .... আমি তো আর স্পট ভিজিট করিনি সেদিনের পরে ....এখন যাচ্ছি শান্তনীড়-এ। কিছু চেক অ্যন্ড স্ক্যান-এর দরকার পড়তে পারে। আপনার পারমিশান নিয়ে রাখলাম ‌'
    ---- ' ও শিওর শিওর .... আমি এখন থানাতেই আছি। একটা দেড়টা নাগাদ শান্তনীড়-এ যাব। ওখানকার রেসিডেন্টদের ডিপোজিশান নেওয়ার কাজটা বাকি আছে। ফর্ম্যালিটি আর কি। তেমন কগনিজেবল কিছু পাওয়া যায় না এসব ফর্মাল ডিপোজিশান থেকে। আপনি আপনার মতো প্রসিড করুন। কোন প্রবলেম ফেস করলে আমাকে ফোন করবেন। '
    কলতান ভাবল,  কার সমস্যা কে সামলায় .... সরি হে দীনবন্ধু .... ইন্টারোগেশনের কাজটাই এখনও সেরে রাখতে পারেনি। পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত এরা এরকম গা এলিয়ে দিয়ে বসে থাকবে। এ একেবারে চেনা ছক।  কলতান ঠিক করল, শুধু ওই পাঁচিল ঘেঁসা খুপরিতে থাকা মহিলা আর বাচ্চাটার সঙ্গে সে নিজে কথা বলবে।
      যাই হোক, সে মুখে বলল,  'অনেক ধন্যবাদ মিস্টার ঘোষ। ' 
      
        আবাসনের গেটের কাছে পৌঁছে গেল কলতান। ভিতরে তাকিয়ে দেখল, কালকের বৃষ্টির ফলে মাটি এখনও নরম ও ভিজে আছে।
    আশা নিরাশার দোলায় দুলতে দুলতে কলতান তার বাইক ভিতরে ঢোকাতে লাগল। জুতোর বাক্সটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রইল ওই ডোবাটার দিকে তাকিয়ে। ডানদিকে তাকিয়ে দেখল সেই মহিলা তার খুপরির সামনের জায়গাটা ঝাঁট দিচ্ছে। একটা লঝ্ঝড়ে খাটিয়ার ওপরে বসে আছে একটা শ্রমিক ধরণের লোক। বোধহয় মহিলার স্বামী।   আর তাদের বাচ্চা ছেলেটা  একটা আধলা ইট দিয়ে  চার ইঞ্চি সাইজের একটা চকচকে পেরেক ঠুকে চলেছে  ঘরের পাশের একটা নারকেল গাছের গায়ে ---- নেহাতই খেলাচ্ছলে। কলতান ওদের দিকে তাকিয়ে রইল।
       
        বিকাশ বক্সির শরীরটা ক'দিন ধরে ভাল যাচ্ছে না। সুগার লেভেল অনেকটাই বেড়েছে। প্রসটেটের এবং মূত্রঘটিত সমস্যা ছিলই।   পিঠের ডানদিকে একটা ব্যথা হচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে। ডাক্তার অনুপম মিত্র খ্যাতনামা নেফ্রোলজিস্ট। তিনি বিকাশবাবুকে কিডনির পরীক্ষা নিরীক্ষার কথা লিখে দিয়েছেন। তার দেখভাল করার লোকের অবশ্য অভাব নেই। তার দুই ছেলে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং বাবার প্রতি অত্যন্ত দায়িত্বশীল। তার মেয়েও তাই। সে বিবাহিত হলেও নিয়মিত বাবার  খোঁজখবর রাখে এবং যথেষ্ট কর্ত্তব্যশীল। বিকাশ বাবুর স্ত্রীবিয়োগ ঘটেছে প্রায় তিন বছর আগে। সুতরাং ব্যক্তিগত পরিসরে তার লোকবলের অভাব নেই। কিন্তু মনের গোপন কোণে কার যে কি অভাববোধ লুকিয়ে থাকে কে জানে। এই এতগুলো বছর ধরে সুনন্দর প্রতি স্নেহের শিকড়ে তার মন অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গেছে।
    তিনি এখনও পর্যন্ত ওকে জীবনের মূল স্রোতে ফিরিয়ে এনে দাঁড় করাতে পারলেন না। না পারলেন না ওকে  অন্তর্লীন মানসিক উৎকেন্দ্রিকতা থেকে বার করে আনতে।
    বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময়ে বিকাশবাবু নিজের ঘরে চায়ের কাপে চুমুক দিলেন। চিনি দুধ ছাড়া এক কাপ চা এবং একটা সুগার ফ্রি বিস্কুট।  তিনি ভাবতে লাগলেন, কলতান গুপ্তকে সোদপুরে শান্তনীড় আবাসনে সুনন্দর খোঁজ নিতে বলেছিলেন, কিন্তু কলতান তো কোন খবর দিল না। একটা কেস নিয়ে গেছে
    ওখানে। সময় পাচ্ছে না হয়ত। তাছাড়া আবাসনের ভিতরে একটা খুন হয়েছে। সেই মামলাতেও কলতান জড়িয়ে পড়েছে কিনা কে জানে। ক্রিমিনাল কেসের অনুসন্ধান কাজ তার পেশা এবং নেশা দুটোই। কিংবা এও হতে পারে ওখানে গিয়ে সুনুর দেখাই পায়নি কলতান। এখন ফোন করে কলতান কে বিরক্ত করতে চাইলেন না বিকাশ বাবু। ভাবেন,  তার নিজের একবার যাওয়া উচিত সোদপুরে কিন্তু শরীরে দেয় না।  তার মাঝেমাঝেই মনে হয় তার সময় শেষ হয়ে আসছে। চিন্তার কালো ছায়া পড়ে মনে। তিনি চলে গেলে তার সুনুর কি হবে !
    দর্জিপাড়ায় একটা মেয়ের কাছে যায় সুনন্দ। প্রিয়াঙ্কা না কি যেন নাম। বারণ করলেও শোনে না। এ ব্যাপারে সুনুর কোন লুকোছাপা নেই। বলে, ও ছাড়া আমার আর কেই বা আছে। ওপাড়ায় গিয়ে বিকাশ বাবুর পক্ষে মেয়েটার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব নয়।
    বিকাশ বাবুর এক এক সময়ে তাজ্জব লাগে। তিনি নিজের ছেলেমেয়েকে নিয়ে এত চিন্তা করেননি কখনও।
    তিনি মোবাইলটা নিয়ে সুনন্দর নম্বরে ডায়াল করলেন। সুনন্দ ফোন তুলল মাত্র দুবার বাজার পরেই।
    ------ ' হ্যালো ..... বলুন স্যার ..... শরীর কেমন আছে এখন ? আমি কাল আপনার কাছে যাব।'
    ------ ' আচ্ছা ..... সে ঠিক আছে ..... তুমি কেমন আছ ? '
    ----- ' ভাল '
    ------ ' আচ্ছা বেশ .....। আমার শরীরটা তেমন ভাল নেই। ডাক্তার অনেকরকম টেস্ট করতে বলেছে ‌.... '
    ------ ' তাই নাকি ? কতদিন ধরে এরকম হচ্ছে ? আচ্ছা ঠিক আছে আমি কাল আপনার বাড়ি যাব। কোন চিন্তা করবেন না। সব ব্যবস্থা করব। '
    ------ ' আচ্ছা এস। তুমি এখন কোথায় আছ ? '
    সুনন্দর নির্বিকার উত্তর এল -----
    ' এই দর্জিপাড়ায়। প্রিয়াঙ্কার ঘরে। আজ রাত্রে এখানেই থাকব। '
      ( ক্রমশঃ )
    ************************************************************************************

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ৩০ এপ্রিল ২০২২ ০৪:২৮507018
  • প্রায় রবীনহুড চরিত্র যেন...তারপর? yes
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন