এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নাস্তিকতার সহায়ক পাঠ 

    পাগলা গণেশ লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ | ২০৩৯ বার পঠিত
  • আমি সম্পূর্ণ কুসংস্কারমুক্ত, বিজ্ঞানমনস্ক। এমন কিচ্ছু নেই, যা আমার সামনে ঘটেছে বা আমার সাথে সম্পর্কিত অথচ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজিনি। ওটা আমার অসহায়তা। সে যে কী জিনিস, যে না জানে বুঝতে পারবে না। আমদের প্রত্যেকের এক বা একাধিক অ্যাজেন্ডা থাকে (অবশ্যই যারা একটু ভাবে), আমরা সারাজীবন আমাদের আশেপাশের লোকেদের সমর্থন পেতে এবং নিজের দলে টানতে চেষ্টা করি। বেশিরভাগই সমর্থ হই না। তার কারণ, হয় আমাদের অ্যাজেন্ডা সময়োপযোগী নয়, বা হলেও তা লোকের কাছে ঠিকঠাক তুলে ধরতে পারি না। আমার দমবন্ধ লাগে, রাগ হয়; এরকম কত মত ছিল, যারা জনসমক্ষে আসতে পারেনি। অথচ যদি তারা দিনের আলো দেখত, পৃথিবী কত বছর এগিয়ে যেত।

    আমিও একটু একটু ভাবার চেষ্টা করি, ভুল বললাম বোধহয়;আমি সারাদিন শুধু ভাবি। এলোপাথাড়ি, একনাগাড়ে, নিরন্তর - শুধু ভেবেই চলি। যেটুকু আমি লিখছি বা প্রকাশ করছি, তা সেই ভাবনার খুব ক্ষুদ্র অংশের যেটুকু আমার প্রকাশযোগ্য মনে হয়েছে সেটুকুই। এমন অনেককিছু আছে, যেগুলো আমার মনে হয়েছে সমাজ তথা মানুষ তার উপযুক্ত নয় এখনও। বুঝতে পারবে না আসলে আমি কী বলতে চাইছি, উল্টো বুঝে বসবে। এরকম ধারণার বশবর্তী হয়ে কত ভাবনা কলমের আগায় আনিইনি, মনের অন্ধকার কন্দরে হারিয়ে গেছে বুদবুদের মতো।

    আমি দার্শনিকতা করি, তবে তা ততদূরই, যেখান পর্যন্ত গেলে নিজেকে মিথ্যা আশ্বাস না দেওয়া হয়। যেমন আমি প্রেমকে দিব্য, স্বর্গীয় বা জন্মান্তরের বস্তু বলে ভাবি না। আমি চাই এবং চেষ্টা করি তাকে যতটা সুন্দর করে পারি প্রকাশ করতে, কিন্তু মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে নিজের সাথে প্রতারণা করতে চাই না। আমি তার জন্য সাত সমুদ্র পার হতে পারি, যদি সম্ভব হয় চাঁদ পেড়ে আনতে পারি, মহাকাব্য লিখতে পারি শুধু তার সৌন্দর্য্য বর্ণনায়, অপেক্ষাও করতে পারি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, কিন্তু পরের জন্মে পাব, স্বর্গে আবার দেখা হবে - এসব কথা বলে প্রবঞ্চনা করতে চাই না।

    অবশ্য তার কারণ এই যে, আমি নাস্তিক মানুষ। আমি ঈশ্বর, আল্লাহ, গড এসব কিচ্ছু নেই বলেই জানি। যাতে মানুষের ক্ষতি হয় এমন যেকোনো কাজ থেকে বিরত থাকি, যদি কেউ করে তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করি, না পারলে ঘৃণা করি। এবারে একটা সমস্যা মনে আসতে পারে সবার, ধর্ম এবং ধর্মবিশ্বাস মানুষকে ঠিক পথে রাখে। ঠিক হোক বা ভুল, মানুষকে নিয়মের নিগড়ে বেঁধে রাখে। যখন মানুষের পাপ - পূণ্যের ভয় থাকবে না, পরজন্ম বা পরকালের ভয় থাকবে না, কিসের ভিত্তিতে মানুষ ন্যায়নিষ্ঠ থাকবে?
    সত্য কথা, উপযুক্ত প্রশ্ন।
    আমার উত্তর, মানব সভ্যতাকে যতদিন পারা যায় টিকিয়ে রাখার চেষ্টা। আরো বড় করে দেখলে, সমগ্র পৃথিবীর জীবজগৎকে টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনে।
    আমাদের উদ্দেশ্য যদি থাকে জীবজগৎকে বাঁচিয়ে সুস্থ রাখার, তাহলেই ধর্ম থাক বা না থাক, ঠিক কাজ করার জন্য কোনো সমস্যা হবে না, আর সেই হিসেবে আইন-কানুন বানালেও করো আপত্তি থাকবে না বলেই মনে হয়। বরঞ্চ তা অনেক বেশি মানবিক এবং উপকারী হবে।

    আমার খুব আশ্চর্য লাগে, যে মানুষগুলো আদ্যোপান্ত বিষয়ী, অত্যন্ত সতর্ক, যুক্তিশীল, হয়তো কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয়ের সাথে যুক্ত, তারাও ধর্মের ক্ষেত্রে নিজের মস্তিষ্ক খুলে আলোচনা করতে বসেন। সেখানে শুধু বিশ্বাসের চচ্চড়ি (ছড়াছড়ি)। আমার তো ওই আলোচনা সভার পাশ দিয়ে যেতে ভয় লাগে। না মারের ভয়ে নয়, পাছে বিশ্বাসে পা দিয়ে পিছলে পড়ি!

    ওরকম দ্বিধাচরিত্র হয়ে কী করে রাতে ঘুমায় ওরা? আমি তো অমন দ্বৈত জীবন কিছুতেই যাপন করতে পারি না, নিজেকে ধোঁকা দিয়ে বেঁচে থাকা, ভিতর থেকে কুরে কুরে খাওয়ার মতো মনে হয়।

    এরপর আসে ব্যালেন্সবাদী। ধর্ম যে যার ব্যক্তিগত ব্যাপার, বাইরে সবাই মানুষ। এসব ঝড়ের মুখে ঘরের সামনে ন্যাতা ঝুলিয়ে নিজেকে সুরক্ষিত মনে করার চেষ্টা। এরা আসলে পলায়নবাদী, সত্যকে দূরে সরিয়ে নিজের মনের শান্তি অক্ষুণ্ন রাখতে চায়। যদিও তা হয় না, ধর্মীয় কার্যকলাপ ত তাতে বন্ধ থাকে না। তুমি চোখ বন্ধ করে আছো বলে তো এমন নয়, যে ধর্ম এবং তার ধ্বজাধারীরা চুপচাপ বসে আছে! তারা ঠিক নির্মল মনগুলোকে দাগিয়ে যাচ্ছে নিয়মিত, নিয়মিত স্বাভাবিক মানুষকে আক্রান্ত করছে ধর্মীয় বিকার দিয়ে, জোম্বি সেনাবাহিনী বানাচ্ছে।

    ওদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতেই হবে। নইলে পৃথিবীর মুক্তি নেই, মানুষের মুক্তি নেই। মানছি আমাদের অনেক সমস্যা, আমরা তার থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় চাই, দুঃখ থেকে আড়াল করতে চাই নিজেকে এবং পরিজনকে। কিন্তু তার জন্য দানবকে নিজের মাংস তো বিক্রি করা চলে না! আমি তৃষ্ণার্ত, তার মানে তো এই নয়, যে আমি বিষ পান করব!
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:f88c:9ce1:6a9d:***:*** | ০১ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:১০540412
  • পাগলা গণেশবাবুর লেখার সাথে বেশ কিছু জায়গায় একমত, আর তার পরের আলোচনাও পড়তে ভালো লাগলো। দেবাশীষবাবুর সাথে একমত, পৃথিবীর বহু জায়গাতেই বা বহু গোষ্ঠীর মধ্যেই ধর্মের প্রভাব কমছে, এথেইস্ট বা অ্যাগনস্টিকদের সংখ্যা বাড়ছে। যাঁরা ধর্মে বিশ্বাসী, তাঁরাও বোধায় আস্তে আস্তে প্রভাব মুক্ত হওয়ার দিকে যাচ্ছেন। আর "যে জাতি ধর্ম ছেড়ে বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেছে তারা এগিয়ে আর যারা ধর্ম নিয়ে মাতামাতি করেছে বা করছে,তারাই পিছিয়ে" - ১০০% একমত। ধর্ম নিয়ে মাতামাতি করলে ইকোনমিক প্রোগ্রেস হয় না, র‌্যাশনাল ওয়ার্ল্ড ভিউ বাড়ালে প্রোগ্রেস হয়, এটা মোটামুটি লাস্ট দুশো থেকে একশো বছরের ওভারল ট্রেন্ড। 
     
    তবে এক জায়গাতে দ্বিমত আছে - "ওদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতেই হবে। নইলে পৃথিবীর মুক্তি নেই, মানুষের মুক্তি নেই"। ধর্মবিশ্বাসীরা অস্বাভাবিক জীবন যাপন করেন বলে মনে হয়না। আমার মনে হয় র‌্যশনালিজম আর ইন জেনারাল সায়েন্স / টেকনোলজি যতো এগোবে, ধর্ম জিনিষটা আস্তে আস্তে ততো কমবে। এ নিয়ে জোরজবরদস্তি করার দরকার নেই :-)
  • kk | 172.56.***.*** | ০১ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:১৫540413
  • ওহো, আগের পোস্টে দুটো জিনিষ বাদ পড়ে গেছে। দুটো প্রশ্ন। "ওরা ধর্মকে আঁকড়ে পড়ে থেকে বিজ্ঞানকে অস্বীকারও করেনা" এই কথার পরে জানতে ইচ্ছে করে, আপনি কি অ্যান্টিভ্যাক্সার ও ফ্ল্যাট-আর্থারদের বাদই দিচ্ছেন? যাঁরা স্কুলে ইভোল্যুশন পড়ানোর বিরোধী, কারণ 'গড' সবাইকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁদের? বাদ দিলে কেন? দ্বিতীয় প্রশ্ন -- আপনি "প্রথম আঘাত" হানতে চান বলে লিখেছেন। সেটা ঠিক কীভাবে করবেন বলে আপনি ভাবছেন?

    একটা ডিসক্লেমার দিয়ে রাখি। প্রশ্নগুলো প্রশ্ন হিসেবেই করছি। আপনাকে জাজ করা, ঠেস দেওয়া, কাটাছেঁড়া করে মূল বক্তব্য চাপা দেওয়া ইত্যাদি অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই।
  • পাগলা গণেশ | ০১ জানুয়ারি ২০২৫ ২৩:২৪540415
  • dc বাবু,
    যারা ধর্মাচরণ করে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করে বলে তো আমার মনে হয় না। এটা খুব একপেশে মনে হতে পারে, কিন্তু আমি কারণ বলছি। আমি দেখছি সূর্য একটা আগুনের গোলা, আমি যদি তাকে কোনো মনুষ্যআকৃতি সমন্বিত দেবতা বলে ভাবি বা প্রচার করি তাহলে আমি স্বাভাবিক জীবন যাপন করছি কি?
    যেমন আমি কারো টাইফয়েড হয়েছে দেখে বলছি, "না না, কিছুই হয়নি এর গা গরম একটু, ওরকম হয়।"
    এবারে বলবেন, সূর্যকে দেবতা জ্ঞান করা তো ক্ষতিকারক নয়, কিন্তু টাইফয়েড রোগীকে ফেলে রাখা ক্ষতিকারক। ব্যাপারটা তা নয়। তার কারণ, কেউ যদি সূর্যকে দেবতা মানার প্রতিবাদ করেন, বিশ্বাসী লোকটি অবিশ্বাসীকে খুন পর্যন্ত করতে পারে। তার উদাহরণ আমরা বহু দেখেছি।
     
    কমবে আমি নিশ্চিত। কিন্তু সেটা কী করে কমবে? সচেতনতা ছড়ালে তো? সেটাই করব আমি। আর করছিও।
    ভালোবাসা নেবেন।
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:f88c:9ce1:6a9d:***:*** | ০১ জানুয়ারি ২০২৫ ২৩:৫১540416
  • আপনার উদ্যোগ অবশ্যই সমর্থন করি, সচেতনতা ছড়ানো অবশ্যই আমাদের কাজ। তবে র২্হ যেমন বললেন, এর মধ্যে আরও কিছু ব্যাপার আছে :-)
     
    বিটিডাব্লু, একটা কথা বলি। গত দুদিন আমরা চারজন ফ্যামিলি ঘুরতে বেরিয়েছিলাম, চারজনেই পড়শী। এক ফ্যামিলি মুসলমান, তাঁরা নিয়ম করে নমাজ পড়েন। এক ফ্যামিলি হিন্দু ও ভেজিটেরিয়ান, তাঁরা নিয়ম করে পুজো করেন ও মন্দিরে যান। আরেক ফ্যামিলি হিন্দু ও নন ভেজিটেরিয়ান। আর আমরা হলাম গিয়ে নাস্তিক। প্রথম দুজন মদ খায় না, পরের দুজন মদ খায়। সবাই মিলে খুব এনজয় করেছি, রাত বারোটার সময়ে পরষ্পরকে হ্যাপি নিউ ইয়ার বলেছি, বাজি পোড়ানো দেখেছি। আমরা দুজন হুস্কি ও অন্য দুজন কোল্ড ড্রিংকস খেয়েছে। পসন্দ আপনা আপনা :-)
  • r2h | 208.127.***.*** | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০০:১৪540417
  • "যে জাতি ধর্ম ছেড়ে বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেছে তারা এগিয়ে" - এতে একেবারেই কোন সন্দেহ নেই, শুধু কোন সে আলোকপ্রাপ্ত জাতি, তাই নিয়ে কৌতূহল আরকিঃ)

    দেবাশিসবাবু লিখেছেন, এছাড়াও অনেক জায়গায়, বিশেষ করে ইওরোপের, শুনতে পাই লোকজন ধর্মউদাসীন, নাস্তিক - ইত্যাদি হচ্ছেন ঢেলে, তবে সেসব তো জাতিগত না, ব্যক্তি মানুষ। সমষ্টি থেকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক মানুষ হলে বিরাদরি গঠনের চাপ কমে, তাতে নানান জিনিস হয়। আবার সমষ্টিকে উপেক্ষা করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক হতে গেলে জীবনধারনের প্রাথমিক শর্তগুলি কাউকে পরোয়া না করে পূরণ হবে, সেই সুবিধা দরকার।

    আমাদের এক বন্ধুর ছেলে অটিজম স্পেকট্রামে, লাইব্রেরিতে ঐ সংক্রান্ত বই নাড়াচাড়া করতে দেখে এক সহানুভূতিশীল ভদ্রমহিলা বলেছেন - হ্যাভ ইউ ট্রাইড ক্রিশ্চিয়ানিটি? রোব্বার আমাদের গির্জেয় এসো না কেন?

    ধর্ম নিয়ে পড়ে থাকা বিষয়ে এলজিবিটিকিউএ, অ্যাবর্শন রাইটস নিয়ে মনে হচ্ছিল, কেকে অলরেডি বলেছেন।
     
    নাস্তিকতার প্রচার বিষয়ে এত ফুট কাটার দরকার ছিল না, ব্যাপারটা প্রায় ছিদ্রান্বেষনের পর্যায়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়ে অস্বস্তি হচ্ছে।
    কিন্তু কোন এক জাতি বিজ্ঞান নিয়ে উন্নত আর আরেকজাতি ধর্ম নিয়ে মারকাট করছে - এই ভাবনার মধ্যে গভীরতার অভাব এবং গভীর বিপদ - এই দুই আছে। 
  • পাগলা গণেশ | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০০:২৯540418
  • Kk বাবু,
    আমি কাউকেই বাদ দেওয়ার কথা ভাবছি না। সবাই আমার সমাজের অংশ। তা সে ফ্ল্যাট আর্থার হোক বা অ্যান্টি-ভ্যাক্সার। সবাইকে সচেতন করতে হবে, মূলধারার সাথে যুক্ত করতে হবে। ইভোল্যুশন বিরোধীদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
     
    প্রথম আঘাত বিশ্ব, ভারত কোনোটাতেই নয়। আমি আমার যাত্রাপথে প্রথম আঘাত হানব। তার জন্য, প্রথমে সচেতনতা ছড়াব, আগে তো মোটামুটি একটা দল দরকার যারা কাজটা করবে। তারপর রাষ্ট্রব্যবস্থায় প্রতিনিধি দরকার যারা বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারাকে প্রাধান্য দেবে, পাঠ্যসূচির অন্তর্ভূক্ত করবে। তারপর মানুষ যখন শিক্ষিত হবে, অর্থনীতি মজবুত হবে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হবে, মানুষ নিজেই ধর্মের প্রভাবমুক্ত হবে।
     
    ব্যাপারটা এত ছোট নয়, কিন্তু মোটামুটি সারমর্ম এই।
  • পাগলা গণেশ | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০০:৪২540419
  • r2h,
    আপনি আবার ভুল বুঝলেন আমায়। আপনি আমার জুতোয় পা গলিয়ে দেখুন। আমার মতো করে বোঝার চেষ্টা করুন। আমি মোটেই বলছি না যে পশ্চিমারা সম্পূর্ণ বিজ্ঞানমনস্ক এবং ধর্মহীন। তা কিন্তু নয়, হতেই পারে না। আমাদের সমস্যা হচ্ছে, আমরা ভাবি ভালো মানে শুধুই ভালো, আর খারাপ মানে শুধুই খারাপ। তা কিন্তু নয়। হতে পারে না। চীনা দর্শনে Yin and Yang ☯️ বলে একটা ধারণা আছে। সেরকমই প্রতিটা সমাজে ভালো, আবার পাশাপাশি সমান খারাপ দিক সমানে বেড়ে ওঠে। আমেরিকার কথায় ধরুন, ওরা প্রতিটা অলিম্পিকে সবচেয়ে বেশি পদক পায়, অথচ ওদের জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ মানুষ ওবিস। এবারে এটা তো এমনভাবে বলা যায় না। কিন্তু একথা স্বীকার করতে হবেই, যে আমেরিকায় নিশ্চয় নাস্তিক হওয়ার জন্য হয়রান হতে হয় না, কিন্তু পাকিস্তানে হতে হয়। সেজন্যই আমেরিকা এগিয়ে কিন্তু পাকিস্তানের লোকেরা খেতে পায় না।
     
    আপনাকে সমগ্র চিত্রটা দেখতে হবে। আমি ছিদ্রান্বেষণ মোটেও করছি না। ছিদ্রান্বেষণের কথা আসছেই বা কোথা থেকে? আমি তো মিথ্যা ছেড়ে দৃশ্যমান সত্যের দিকে আসতে বলছি। আমি বলছি আপাতবিরোধী দুটো সত্ত্বা নিজের মধ্যে পালন না করে সহজ সুন্দর সত্যকে গ্রহণ করতে, বিজ্ঞানমনস্ক হতে। এতে তো সমস্যা কিছু হবে বলে মনে হয় না!
  • পাগলা গণেশ | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০০:৪৮540420
  • অয়ণেশ বাবু,
    ইউরোপ যে আমাদের বা আমার আদর্শ একথা আপনি কী করে ভাবলেন আমি জানি না। আমি কারো হয়ে ওকালতি করিনি, বা করতেও চাই না।
    আর আমি তো ওগুলোই বলতে চাইছিলাম। ওরা নিজের ভুলটা স্বীকার করে বিজ্ঞানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে (বেশিরভাগটা)। তাই ওরা এগিয়ে গেছে। তবু ওরা যে পুরোপুরি সভ্য তা বলা যায় না। ওখানে এখনো বর্ণবৈষম্য বিদ্যমান, নিওনাৎসিবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে। আমি শুধু এটুকু বলছি, বিজ্ঞানকে ওরা যেটুকু ব্যবহার করেছে, তাতেই ওরা বহুযোজন এগিয়ে গেছে, আমরা যদি পুরোটা করতে পারি, তাহলে আরো কতগুণ বেশি এগিয়ে যেতে পারি শুধু ভেবে দেখুন।
     
    ভালোবাসা নেবেন।
  • পাগলা গণেশ | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০০:৫৯540421
  • Kk বাবু, ২২:০৩
    আমি বুঝতে পারছি না, কেন সবাই ভেবে নিচ্ছে আমি পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থক! আমি ধর্মবিরোধী। যারা ধর্মবিরোধী, নাস্তিক আমি তাদের একজন। যারা বিজ্ঞানমনস্ক তারা আমার ভাইবোন। সে ইউরোপ হোক আমেরিকা আর ভারত হোক বা পাকিস্তান। সাদা হোক কালো হোক, বেগুনি, বাদামী, নীল, হলুদ, সবুজ সব। যারা বাইবেল পড়ায়, নরকে পাঠায় তারা ধর্মব্যাপারী তাদের কর্ম আমার দায় নয়। আমি বরং ওগুলোকেই পাল্টাতে চাই। আমি LGBTQ দের সমর্থক, আমি স্বেচ্ছায় গর্ভপাতেরও সমর্থক।
    আমি শুধু বিজ্ঞানমনস্কতা, নাস্তিকতা তথা ধর্মবিরোধিতার পক্ষে। আমি আর কোনো দলে নেই।
     
    আর শেষ কথা, আমি মোটেও জাজমেন্টাল হচ্ছি না। তা যদি হতাম, সবার প্রশ্নের উত্তর দিতাম না। সবার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি প্রস্তুত। আরো বেশি করে প্রশ্ন করুন, কোনো চাপ নেই। আমি প্রতিটার ধৈর্য্য সহকারে উত্তর দিয়ে যাব। তাতে আমারও যে লাভ হবে, তা আমি নিঃসন্দেহ। হয়তো আমার নিজের কোনো কোনো জায়গা বুঝতে সুবিধা হবে। এই দেখুন না, আপনাদের সাথে কথা বলতে বলতে কত নতুন কথা জানতে পারলাম, কত নতুন বিচারধারার সাথে পরিচিত হলাম, কত জ্ঞানী মানুষদের সংস্পর্শে এলাম! এটা কি কম।
    সবাই আমার ভালবাসা নেবেন।
    সব্বাই নাস্তিক হন, বিজ্ঞানমনস্ক হন।
  • অয়নেশ | 2401:4900:8829:c7f8:4878:1f5b:b97c:***:*** | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০৩:১১540422
  • গণেশবাবু 
    আপনি সম্ভবত ছোট ভাইয়ের মতো। ছোট ভাইয়ের মতো হলেও আপনার সারল্যের প্রতি আমার শ্রদ্ধা থাকলো। স্নেহও থাকলো। এইখান থেকেই দুটো কথা বলি। 

    প্রথমতঃ আমার ধারণা, আপনি দেবাশিসবাবুর পরিচিত নন। আপনি যে দল থেকে শুরুর কথা বলছিলেন, আপনার নাস্তিক্যের যাত্রাপথে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য হতে পারেন। আমারো শুভেচ্ছা রইল।  

    এবার আমার কথা -- 
    ০০:৪২এ এইযে আপনি চীনা দর্শনের উদাহরণ দিলেন, যা চমৎকারভাবে আমাদের সামগ্রিকতায় বিচার করা শিক্ষা দিচ্ছে। সামগ্রিকতা কী? অন্তর্গত সমস্ত বিরোধাভাসকে হিসেবের মধ্যে রাখা। সেটাই দ্বান্দ্বিক নিরীক্ষণের উপায়, তাই তো? কিন্তু যে আবার পরক্ষনেই বললেন দুটো আপাত বিরোধী সত্তাকে পালন না করতে। একটি সত্যকেই গ্রহণ করতে। এবার ধরুন র২হ যদি তাঁর অন্তস্থ একটি সত্যকেই একমেবাদ্বিতীয়ম বলে পণ করেন তাহলে তিনি কেনই বা পাগলা গণেশের জুতোয় পা গলিয়ে দেখবেন? বোঝাতে পারলাম? আপনি নিজেই তো সুন্দর বললেন --  'আমাদের সমস্যা হচ্ছে,আমরা ভাবি ভালো মানে শুধুই ভালো,আর খারাপ মানে শুধুই খারাপ।' এই যেমন আমি মনে করি সত্য কখনোই এক হতে পারে না। সত্য স্থির কিংবা অপরিবর্তনীয় কিছুও নয়। একটি একক সত্য যদি স্থির ও অপরিবর্তনীয় হয়ে যায় তো সেটাই মৌলবাদ। তো আপনি আমায় নেগেট করতেই পারেন। কিন্তু আপনার নেগেশনটা দ্বান্দ্বিক হওয়া দরকার। তাই না? যেমন আপনি বুদ্ধের নাস্তিক্যকে নেগেট করে দিলেন। দিতেই পারেন। কিন্তু নেগেশনটা দ্বান্দ্বিক রইল না। কেন? কারণ আপনি বুদ্ধের মতামতকে তার ঐতিহাসিক পেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখলেন। (ব্যাপারটা রঞ্জনবাবু ও র২হ আগেই বলেছিলেন) সাদা শুধুই সাদা আর কালো শুধুই কালো আর ওই সাদার পথে হেঁটেই আমাদের ক্রমমুক্তি হবে; ব্যাপার গুলো এতো সরলরৈখিক না। (যেমন র২হ-ও বললেন)  প্রযুক্তি আর আর্থিক সমৃদ্ধি এতো সহজেই যদি ধর্মকে হঠিয়ে দিতে পারতো তাহলে আম্বানিরা আপনারও আগে নাস্তিক হয়ে যেত। সেইরকমই আরেকটা কথা -- এই এগিয়ে যাওয়া জাতি বা পিছিয়ে যাওয়া জাতি -- দুম করে কি বলে দেওয়া যায়? যে লোকটা চাকা আবিষ্কারেরও আগে আলতামিরার গুহায় বসে বাইসন এঁকেছিলেন, তিনি আমার থেকে জীবনের অর্থে কোনো অংশে পিছিয়ে থাকা মানুষ ছিলেন বলে আমি মনে করি না। যেমন মনে করি না একজন আমেরিকান আমার থেকে এগিয়ে থাকা। জীবনের সত্য সবার জন্য এক কী? না তার মাপকাঠি এক! এই আলোচনার পরিসর এখানে নেই। সত্য কি নৈতিকতা নির্মাণ করে না নৈতিকতা সত্য নির্মাণ করে! মানুষের কালেকটিভ এবং ব্যক্তিগত বাঁচার জীবনদর্শন ও তার সঙ্গে হাজার হাজার বছরের ধমীয় দর্শনের কোথায় সম্পৃক্ততা বা বিজ্ঞান তার নিজস্ব দর্শন তৈরী করতে পেরেছে কি না বা পারলে তা কিভাবে উপযুক্ত বাঁচার ক্ষেত্রে ক্রিয়াশীল অথবা বিরোধ সেসব কূটতর্কে আর যাচ্ছি না। যদিও ধর্মকে নেগেট করতে গেলে সেগুলো গভীরভাবে জানা উচিত বলেই আমার ধারণা। যাই হোক। অনেক বকবক করে ফেললাম। আশা করি আমার বক্তব্য বোঝাতে পারলাম। আর হয়তো আমার কথাগুলোও আপনার যাত্রাপথে কিছু কাজে আসবে। :) অনেক ভালোবাসা নেবেন।  
  • অয়নেশ | 2401:4900:8829:c7f8:4878:1f5b:b97c:***:*** | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০৩:১৫540423
  • সংশোধন 
    মানুষের কালেকটিভ এবং ব্যক্তিগত বাঁচার জীবনদর্শন ও তার সঙ্গে হাজার হাজার বছরের ধমীয় দর্শনের কোথায় সম্পৃক্ততা অন্যদিকে বিজ্ঞান তার নিজস্ব দর্শন তৈরী করতে পেরেছে কি না বা পারলেও  তা কিভাবে উপযুক্ত ও মননশীল বাঁচার ক্ষেত্রে কীভাবে ক্রিয়াশীল অথবা কোথায় তার বিরোধ সেসব কূটতর্কে আর যাচ্ছি না।
  • অয়নেশ | 2401:4900:8829:c7f8:4878:1f5b:b97c:***:*** | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০৩:২৫540424
  • ০০:৪৮ 
    আপনার কথা শুনে মনে হয়েছে আপনার মতামতে ইউরোপের আলোকায়ন পর্বের বড়সড় প্রভাব রয়েছে। একান্তই আমার মনে হওয়া। আমি ভুল হতেও পারি। 
  • :|: | 2607:fb90:bd82:e50b:38d2:38c:2ea5:***:*** | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০৫:১২540425
  • লেখাটি তো মজাদার বটেই। লেখকের মতামতের অংশগুলি তার চেয়েও ভালো। কয়েকটি ভালো লাগা অংশ --

    ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:২৭ 
    সুইটেস্ট সেনটেন্স “কত লোক, রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে, শুধু এই কারণে, ধর্ম তাদের চিকিৎসার সুযোগ দেয়নি।আর বিজ্ঞানের দোষ দিলে হয় না।কিছু মানুষের লোভ আর নিষ্ঠুরতার জন্য মানুষ মরেছে, বিজ্ঞানের জন্য নয়।”
    অর্থাৎ মানুষ নিজের "লোভ আর নিষ্ঠুরতার জন্য" চিকিৎসা না করিয়ে ধর্মের দোহাই দিলে দোষ ধর্মের। কিন্তু বিজ্ঞানের দোহাই দিলে দোষ মানুষের! :)

    ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ ২২:৩২ তো রত্নখচিত।
    “আমি আমার যাত্রাপথে প্রথম আঘাত হানলাম।” কালিদাসের পরই আপনি। তিনি নিজে যে ডালে বসেছিলেন সেটি কেটেছিলেন আর আপনি হেঁহেঁ।

    জৈন বৌদ্ধরা নিরীশ্বর কিনা প্রসঙ্গে এইটি বে—শ জটিল বাক‍্য! “নিরীশ্বরবাদী প্রথমে ছিল না।কিন্তু এখন তারা (বৌদ্ধ ও জৈন) তাদের প্রবর্তককেই ঈশ্বর মানে।তাতেও সমস্যা আছে।”
    তো খাড়াইলো কী? নিরীশ্বরবাদ তখন না এখন? 

    ০১ জানুয়ারি ২০২৫ ১৪:০৩
    “আলেকজান্ডার তো বেঁচে নেই,আমরা তার ইতিহাস কেন পড়ি?”
    কী মুশকিল! বেঁচে নেই বলেই তো ইতিহাসে পড়তে হয়!
     
    যা হোক, খুব ভালো লেগেছে এই রচনা। একটু বাচ্চাদের মতো। তা হোক। এই সব নিয়ে ভাবতে ভাবতেই চিন্তায় ম‍্যাচিওরিটি আসবে। তখন ঠিকই এক সময় স্তরে স্তরে সমস্তটাই ছবির মতো ফুটে উঠবে। তদ্দিন কিপিটাপ! yes
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:65e8:a001:e3bd:***:*** | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ০৭:৩৩540426
  • "প্রথম আঘাত বিশ্ব,ভারত কোনোটাতেই নয়।আমি আমার যাত্রাপথে প্রথম আঘাত হানব"
     
    এইটা ভালো লাগলো। আমরা প্রথমে নিজেকে পাল্টানোর চেষ্টা করতে পারি, সেটাই সবথেকে কঠিন কাজ :-)
  • Debasis Bhattacharya | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ২০:১৩540437
  • নাস্তিকতা নিয়ে সবাই এত উৎসাহের সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন, দেখে খুব ভাল লাগছে। সবার সব কথা মানতে পারছি কিনা, সে তো পরের প্রশ্ন। কথা বলাটা সবাই জরুরি মনে করছেন, এটাই বোধহয় আসল ব্যাপার। 
  • একক | ০২ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:৫২540440
  • কতকগুলো বেসিক ব্যাপার পরিস্কার করে না নিলে, আধুনিক নাস্তিকদের পক্ষে হতাশাময় পরিস্থিতি থেকে বেরোনো সম্ভব না।
     
    হোমো স্যাপিয়েন্স  বিবর্তনের গোড়া থেকেই, তার চেতনার ব্যপ্তি নিয়ে সজাগ। এই যে "আমি" বোধ তার সীমানা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরে এইটে সে বুঝতে এবং বোঝাতে চেয়েছে। ধর্ম এবং বিজ্ঞান দুটোই কিন্তু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরের কথা বলে। "আঁখো দেখি"-র সোক্র‍্যাটিক মডেল বিজ্ঞানের মডেল নয়। যা অঙ্কের যুক্তিতে অস্তিত্ববান তাই আদতে অস্তিত্ববান। ম্যাথেম্যাটিকাল রিয়ালিটি ইজ দ্য  সায়েন্টিফিক রিয়ালিটি। ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতা শেষ কথা নয়। ইন্দ্রিয় ইলিউশন ও তৈরী করতে পারে। যা বিজ্ঞান মানে না। 
     
    এবার, ধর্মও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতার বাইরে বেরতেই " যারে যায়না দেখা যায়না শোনা " গোত্রের একটা মডেল আমদানি করে। যা আদতে চেতনার ব্যপ্তির অঙ্গ। যে তুমি লোকটা এই মাংস চামড়া নিউরনের বাইরেও একটা কিছু। যদিও সেই জগৎ টা অঙ্কের যুক্তির জগৎ না। 
     
    একেই স্পিরিচুয়ালিটি বলে। আমি, আমার বাইরেও কিছু এই চেতনার ব্যপ্তি।  ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের বাইরেও ব্যপ্ত হবার ক্ষমতা। 
     
    এটা কেও ধর্ম থেকে পায় কেও বিজ্ঞান থেকে। এটা এক্সিস্টেনশিয়াল খিদে, একে অস্বীকার করে চেতনাযুক্ত মানুষের অস্তিত্ব সম্ভব না।
     
    আমাদের বুঝতে হবে, ব্যাপারটা স্পিরিচুয়ালিটি ভারসাস সায়েন্স নয়। এই জগাখিচুড়ি টা পাকিয়েচে মূলত প্রযুক্তিবিদ্যার জয় যাত্রা শুরু হবার পর। বিজ্ঞানের স্পিরিচুয়াল স্পেস টা মায়ের ভোগে গ্যাছে। বিজ্ঞান শিক্ষা বলতে রয়ে গেছে টেকনোলজি শিক্ষা। ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগত টাই রয়ে গ্যাচে বিজ্ঞানের জগৎ নামে। 
     
    কাজেই,  মানুষের মাথার স্পিরিচুয়াল স্পেসে যদি ঢুকতে হয় তাহলে,  "এই দুহাজার চব্বিশে বসে আপনি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন???  " মার্কা ফাঁকা বোলচাল দিয়ে হবে না। যে লোকটা ডাক্তারের ওষুধ খায় সেও একটা ইন্সটিটিউশনাল প্র‍্যাক্টিস করে মাত্র, ওষুধের গুণাগুণ নিয়ে পাব্লিশড পেপার সে পড়ে দেখেনি আর দেখাও সম্ভব নয় সর্বদা, বাস্তবে। 
     
    তাহলে কী সম্ভব??  টেকনোলজির রিচুয়ালিস্টিক জগতের বাইরে, বিজ্ঞান যে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যতার অতীত অঙ্কের জগতের কথা বলে,  সেই স্পিরিচুয়াল স্পেসের সাধনা করা। 
     
    তবেই,  ধর্মের স্পিরিচুয়ালিটির বাইরে বেড়িয়ে মানুষ আরও অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং একটা স্পিরিয়াচুয়াল স্পেসের দিকে এগিয়ে যাবে। 
     
    বাস্তবে আমরা কী দেখচি?  থিওরিটিক্যাল সায়েন্সের চর্চায় অনুদান শুন্যে নেবে আসচে। দামড়া সব " বিজ্ঞানী " গনেশ পুজো করে রকেট ওড়াচ্চে!  হবে না কেন??  ও তো বিজ্ঞানী নয় ও প্রযুক্তিবিদ। ওর রোজগার হয় বিজ্ঞান করে আর হেডস্পেসে যে স্পিরিচুয়াল ভ্যাকাম সেখানে বৈজ্ঞানিক অতিন্দ্রীয়তার কোন যায়গা নেই, ধর্মীয় অতিন্দ্রীয়তায় ঘর ভর্তি।  
     
    এই ফাঁকা টা ভরাতে হবে বাপু। যুক্তিশাস্ত্র দর্শন বিজ্ঞান পড়াতে হবে। থিওরিটিক্যাল সায়েন্সে জোর দিতে হবে। গন্ডায় গন্ডায় প্রযুক্তির কেরানি বানালে তারা দিনের শেষে সেই প্রযুক্তির মধ্যে দিয়েই ধর্মীয় রিচুয়াল ছড়াবে মাত্র। যেভাবে ফেসবুকে বড়মার মাহাত্ম্য প্রচার হয়। আধুনিক নাস্তিকরা শিক্ষাপদ্ধতি পরিবর্তনের দাবী তুলবেন এবং যেখানে যেখানে তাত্বিক বিজ্ঞানশিক্ষার বারোটা বাজিয়ে করপোরেট কেরানী বানানোর খেলা চলচে তার বিরোধিতা করবেন...এই দাবী করি।
     
    আমরা কিন্তু ব্রুনো গ্যালিলিওর সময়ে নেই। তখন ও আস্তিক নাস্তিকের লড়াই ছিলো হেডস্পেস ভারসাস হেডস্পেস। মূলত দুইরকম স্পিরিচুয়ালিটির সংঘাত।
     
    ওই জায়গাটা ফিরিয়ে আনতে হবে। নইলে পুনঃপুনঃ  হতাশা ছাড়া কিছু নেই। 
  • অয়নেশ | 2402:3a80:42e0:2b8a:178:5634:1232:***:*** | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ০০:২৯540441
  • একক দুর্দান্ত বললেন। 
    সত্যিই আধুনিক নাস্তিকদের এই অবস্থা। চেতনার স্পিরিচুয়াল ব্যাপারটা অনুধাবন করা তো দূরের ব্যাপার, ধর্ম-বিজ্ঞান দ্বন্দ্বের মধ্যে রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাসবোধ, মনস্তত্ব কোনো কিছুকেই সংযুক্ত করতে পারেন না বা করেন না। বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তিকে মূলধারায় স্থাপনা আসলে বিজ্ঞানকে দর্শনচ্যুত করা। প্রযুক্তিবিপ্লবের পর থেকে তো বটেই, আমার ধারণা পুঁজিবাদের বিকাশ থেকে এর শুরুয়াত। এমনকি মার্ক্সবাদের যান্ত্রিক ব্যাখ্যার নিরন্তর অনুশীলনও এতে হাওয়া দিয়েছে। ফলাফল এইরকম একটা রিইফায়েড জগৎ। 
    একটা কথা আপনার কথার সূত্রে যোগ করতে চাই, ধর্মীয় স্পিরিচুয়ালিটি আর বিজ্ঞানের স্পিরিচুয়ালিটি সবসময় সংঘাতপূর্ন কী? এই যেমন নিয়মগিরি একটা ইনস্ট্যান্স। নিয়মগিরির প্রতিরোধে ধর্মীয় স্পিরিচুয়ালিটির ভূমিকা তো আমরা প্রত্যক্ষ করেছি।  কিন্ত এর মধ্যে, আমার বিশ্বাস, বৈজ্ঞানিক স্পিরিচুয়ালিটিও শামিল। যে বিজ্ঞান এই মুহূর্তের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয়, যা এই গ্রহের সাস্টেনেবল ভবিষ্যৎ অটুট রাখার বিজ্ঞান তা এক স্পিরিচুয়াল লেভেলেই সংযুক্ত ছিল। তো এখানে দুই স্পিরিচুয়ালিটি শেষ পর্যন্ত এক বিন্দুতে পৌঁছয়। মানে আমার তো তাই মনে হয়। যে বিশেষ জায়গাটিতে সে খাচ্ছে, ঘুমাচ্ছে, মলত্যাগ-মৈথুন করছে, চাষ করছে, পশুপালন করছে তাকে সে অবজেক্টিফিকেশনের ওপরে এক স্পিরিচুয়াল সম্পর্কে বেঁধে নিচ্ছে। শুধু ধর্ম নয়, বিজ্ঞানও তার স্পিরিচুয়ালিটিতে শামিল। তা সে হাজার বছরের জীবনধারায় আয়ত্ত করেছে। তাই তো সে হাজার হাজার বছর ধরে সাস্টেইন করতে পেরেছে। 
  • Debasis Bhattacharya | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ০১:২২540443
  • কাম সার্সে! ঠিক কী নিয়ে কথা হচ্ছে, মহাশয়গণ! 
  • একক | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ০১:৩৪540444
  • অয়নেশ,  আপনি যা বলছেন ওটা স্পিরিচুয়ালিটি অবশ্যই কিন্তু বিজ্ঞানের বলে বোধ হয় না। বরং রবিবাবুর ভূমা প্রবন্ধে এর বিস্তারিত রূপ মেলে। ও একরকম ধর্মই।
     
    স্পিরিচুয়ালিটি শব্দটা ইটসেল্ফ খুব লোডেড। তার সঙ্গে সায়েন্সের স্পিরিচুয়ালিটি বললে খানিক সায়েন্টোলজির মত শুনতে লাগে। আমি ওসব ফঙ্গবেনে ব্যাপারে নেই। 
     
    আপনার বক্তব্যের রাজনীতিটুকু সমর্থন করি অবশ্যই। 
  • r2h | 208.127.***.*** | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ০২:৫০540445
  • "বিজ্ঞানের স্পিরিচুয়াল স্পেস টা মায়ের ভোগে গ্যাছে। বিজ্ঞান শিক্ষা বলতে রয়ে গেছে টেকনোলজি শিক্ষা" এইটা খুবই মনের মত কথা হয়েছে। চেতনার ব্যপ্তি, স্পিরিচুয়ালিটি - এইসব জিনিস আমি ভালো বুঝি না, তবে বিজ্ঞান কী ও কেন, বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য কী, বা কী হওয়া আদর্শ, বিজ্ঞানের দর্শন কী, বা কোথায় কী, এইসব নিয়ে মনে হয় বিপুল হেলাফেলা।
    আর বিজ্ঞান শিক্ষা বলতে কেবল টেকনোলজি শিক্ষা- এইটা বড় আপদ।
  • একক | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ০৩:২৭540446
  • ও হ্যাঁ,  অয়নেশ বাবু লিখেছেন : " মারক্সবাদের যান্ত্রিক ব্যখ্যা ", এখানে কিন্তু আমি মারক্সবাদের পক্ষই নেব কারণ দোষটা মারক্স বা অনুসারীদের নয়। রোগ শুরু হয়েছিল অনেক আগে যখন থেকে শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিকীকরন হলো এবং " নলেজ ইজ পাওয়ার " নামক মূলোকে নাকের ডগায় ঝোলানো শুরু হলো। জ্ঞানের পিপাসা মূলত একটি যৌন কৌতুহল যার উদ্দেশ্য জানার আনন্দ,  জ্ঞান " সঞ্চয় " বা তার ক্ষমতায়ন নয়। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রির হাত ধরে তার খোল নলচে বদলাতে শুরু করলো। মার্কসবাদ সেই ইন্ডাস্ট্রি কালচারের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া মাত্র। ওদের পক্ষে তো আর টাইম ট্র‍্যভেল করে ফিরে যাওয়া সম্ভব ছিলো না।
     
    জ্ঞান বিজ্ঞানের ক্ষমতায়ন নিয়ে পিটার স্লটারডাইকের একটি অসামান্য দীর্ঘ প্রবন্ধ আচে, থিওরি অফ হিস্ট্রি এন্ড লিটেরেচারের ভলিউম নাম্বার ফোরটি তে। নাম : ক্রিটিক্স অফ সিনিক্যাল রিজন।  কাকে ব্যঙ্গ করে নামকরণ বুঝতেই পারচেন :) একটু কোট করলুম।  
     
    "
    What is presented here under a title that alludes to the great traditions is a meditation on the sentence "Knowledge is power." This is the sentence that dug the grave of philosophy in the nineteenth century. It sums up philosophy and is at the same time its first confession, with which the century-long agony begins. This sentence brings to an end the tradition of a knowledge that, as its name indicates, was an erotic theory —the love of truth and the truth through love (Liebeswahrheii). From the corpse of philosophy arose the modern sciences and theories of power in the nineteenth century in the form of political science, theory of class struggle, technocracy, vitalism, and in every form armed to the teeth. "Knowledge is power (Wissen ist Macht)." This sentence fixed the course for the unavoidable politicization of thinking. Those who utter the sentence reveal the truth. However, with the utterance they want to achieve more than truth: They want to intervene in the game of power. " 
     
    ... কাজেই,  গলদ অনেক গভীরে এবং গোড়ায় :)
  • . | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ০৪:৪১540447
  • জটিল করে কিছু লিখলে জিনিসটা অনেক ক্ষেত্রেই মান‍্যতা পায়। যারা বুঝতে পারল না, তারাও হুঁ হুঁ করে ওঠে। মোটামুটি এরকমই ট্রেন্ড। গাদাগাদা ভারি ভারি শব্দ দিয়ে ভরিয়ে দিলে তো আর কথাই নেই। তবে সহজ করে লিখে বোঝানোটা ঢের শক্ত।
    সে যাকগে।
    তবে বিজ্ঞান ভার্সেস নাস্তিকতার বাইনারি একেবারেই ছেঁদো তর্ক মনে হয় আমার। যে লোক এক ফোঁটা বিজ্ঞান পড়ে নি জীবনে, তা সে থিয়োরিটিক‍্যাল বিজ্ঞান হোক বা গণিত কিংবা প্রযুক্তি, সেও ঈশ্বর নির্ভর না হতে পারে এবং অনেক মানুষ আছে।
    যে জিনিসটা এই গোটা আলোচনার মধ‍্যে একজনের লেখাতেও দেখতে পেলাম না, সেটা হচ্ছে যে আস্তিকতা দুম করে পেট থেকে পড়েই মানুষ শেখে না। তাকে শেখানো হয়। ধর্মাচরণের মাধ্যমে বা সেটা ছাড়াই। এই শেখানোর ব‍্যাপারটা যেন ধরেই নেওয়া হচ্ছে সমাজের একটা স্বতঃসিদ্ধ ব‍্যাপার। কিন্তু তা একেবারেই ঠিক নয়। আস্তিক বা/এবং ধার্মিক পরিবেশের বাইরেও মানুষের বেড়ে ওঠা সম্ভব। বিজ্ঞানের পাঠ না থাকলেও সম্ভব। আবার চুড়ান্ত বিজ্ঞান জানা মানুষও জীবনের কোনও সময়ে ঈশ্বরের অস্তিত্বের নির্ভরতায় শান্তি পেতে পারেন। চয়েস, পছন্দ। ঘুরে ফিরে জীবন তো তার নিজস্ব এবং একান্ত নিজেরই। 
    আবার চুড়ান্ত আস্তিক পরিবেশে জীবনযাপন করেও অনেকে নাস্তিক বনে যেতে পারে ( এদের সংখ্যা মনে হয় বেশি, এবং এরাই বেশি বেশি করে বুক বাজিয়ে আমি নাস্তিক আমি নাস্তিক করে চেঁচামেচি করে)। 
    দুটো আলাদা প‍্যারাডাইম। আল্টিমেটলি যত কম ক্ষতি করা যায় দুনিয়ার অন‍্য কারোর, সেটাই তো ভালো মানুষ হবার ব‍্যাখ‍্যা। বিজ্ঞানমনস্ক হয়েও তুমি একটা জঘন‍্য মানুষ হতে পারো, আবার দশ আঙুলে দশটা আঙটি পরেও তুমি একটা ভালো মানুষ হতে পারো। জোর করে কারোকে নাস্তিক কি বৈজ্ঞানিক বানানোর চেষ্টাটাই বিশ্রীমতন, লড়াইক্ষ‍্যাপা টাইপ। নিজে বাঁচো, অন‍্যদেরও বাঁচতে দাও। তুমি বিজ্ঞান জেনে কতটা স্পিরিচুয়াল স্পেস ভরাট করলে নিজের জন‍্য, তা নিজের কাছেই রাখো। বা ধর্ম গ্রন্থ বা গুরুর প্রতি ভক্তিতে কতটা জবজবে হলে, সে তোমার নিজের ব‍্যাপার, অন‍্যদের বা অনিচ্ছুকদেরকে ভিজিও না।  লড়াইক্ষ‍্যাপা লেভেলে পৌঁছে গেলে অন‍্য মানুষের ব‍্যক্তিগত পরিসরে অনধিকার প্রবেশ করার চান্স বেশি থাকে। নাস্তিক মানেই ভালো এবং আস্তিক মানেই বোকা/পাজি/"গণিত বোঝে না" এরকম চিন্তা কিন্ডারগার্টেনের বাচ্চাদের সাজে।
  • Debasis Bhattacharya | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১২:২৬540450
  • অ্যাকদম ক্লিয়ার বুইদে পেরিচি। কোনটা সত্যি সেটা ফ্যাক্টর নয়কো। এই জগতটা ক্যাম্নে চলে, যুক্তি আর নিয়মে, নাকি অলৌকিক বদ্দার হুকুমে, ধম্মোশাস্তরে যেসব গপ্পোগুনো আচে সেগুনো সত্যি না মিত্যে --- এ সব বড়ো কতা নয়কো। কে খাটের তলায় ভূত বোসে আচে ভেবে এট্টু ভয় কিম্বা শান্তি পায়, কে বিজ্ঞান-ফিজ্ঞানের তোয়াক্কা না কোরে রোজ রাতে পেট ভরা শান্তি নিয়ে ঠেসে ঘুমোয়, কে ভিকিরিকে দুটো পয়সা বেশি বেশি দিয়ে নিজের উড়োখুড়ো মোনটাকে ঠাণ্ডা করে, কে মোনের মতন কতা না কইলে খ্যাঁক করে খেঁকিয়ে ওটে (কিম্বা ওটে না) --- এইসব হোচ্চে আসোল কতাবাত্রা! 
  • একক | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:২২540453
  • কথা হচ্চে সরষের তেলে ভাজা লুচি স্বাস্থ্যকর না সূর্যমুখি তেলে, তাই নিয়ে। 
     
    এবার, যো- দির বক্তব্য যে যা খেতে চায় খেতে দাও!  
    কথাটায় আপত্তি নেই। কিন্তু স্বাস্থ্যের বিতর্কের সঙ্গে তার সম্পর্কও নেই। চয়েস তো চয়েস। আমি নেশা করি আমার চয়েস। কিন্তু নেশা করা স্বাস্থ্যকর এ দাবি তো করিনা :) 
     
    তবে,  রাদ্দিন শুধু লুচি খেয়ে থাকা অস্বাস্থ্যকর, এই টে মানি। ওই পয়েন্ট এ সমত্থন :) 
     
    স্বাস্থ্যের বিতর্কে ফেরা যাক,  কারণ মানুষ মুখের স্বাদের জন্যে লুচি খাবেই। তাকে যে নামেই ডাকুন।
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:88fc:fc33:7756:***:*** | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:২৭540454
  • প্রশ্ন হলো, লুচিটা কি দিয়ে খাবে? বেগুন ভাজা না আলুর দম? 
  • Debasis Bhattacharya | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:৪৬540455
  • এই বিতর্ককে কি 'মেটালুচি ডিবেট' বলা যায়? 
  • পাপাঙ্গুল | 103.87.***.*** | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৩:৪৯540456
  • লুচি নয়। কড়াইশুঁটির কচুরি আর গুড়ি আলুর দম। 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:88fc:fc33:7756:***:*** | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৪:২০540457
  • মেটালুচি বা বার্টোলুচি। পসন্দ আপনা আপনা। 
  • Debasis Bhattacharya | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৪:২৩540458
  • বার্টোলুচি-টা কী? বারকোশে লুচি? নাকি, লুচির মাধ্যমে বার্টার সিস্টেম? 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:88fc:fc33:7756:***:*** | ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১৪:২৩540459
  • সিনেমা দেখতে দেখতে লুচি খেলে তখন তাকে বলে বার্টোলুচি। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন