এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৯:২২558803
  • তরমুজ,
    আমার সম্পর্কে কিছুই জানো না তুমি।
    জোর করে পেছনে লেগে লাভ নেই। বিজেপি তোমার দেশের পার্টি তোমরা তাদের ভোটে জিতিয়েছ।
    আমি জীবনে একটিবারই ভারতে ভোট দিয়েছি সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন সিপিয়েম আমল, নব্বইয়ের দশক।
    না জেনে ফোঁপর দালালি করলে গায়ের ঝাল মেটে, ব‍্যক্তিগত জীবনের ফ্রাস্ট্রেশন ভেন্ট আউট হয় কিছুটা। কিন্তু এতে তোমার জীবনের সমস‍্যা মিটবে না। পাঞ্চিং ব‍্যাগ কিনে ঘরে বসে ওসব করো। মুর্খের মতো আমাকে চাড্ডি বা বিজেপি বা বাম বা তৃণমূল ভেবে লাভ তোমার হবে কি? হবে না।
    আমি অন‍্য দেশের বাসিন্দা এবং নাগরিক। আমি যে পার্টি কে ভোট দিই বা সাপোর্ট করি, সেই পার্টির নাম তোমার চোদ্দ পুরুষের কেউ জানে না, বুঝেছো?
    কারোকে দিনের পর দিন নেম কলিং করা এবং মিথ্যে করে দাগালে, তোমার চোদ্দপুরুষ কি উদ্ধার হবে? তোমার চিন্তার দারিদ্র্য কমবে? বুদ্ধি থাকলে খরচ করো।
    তুমি আমার রাজনৈতিক ভাবনা সম্পর্কে না জেনে ঘেউ ঘেউ করলেই কি তোমার চোদ্দপুরুষ বর্তে যাবে?
    তাহলে ঐটাই করো।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৫৪558802
  • কয়েকটা গান আছে। যার কথাগুলো একটু এদিক ওদিক করে দিলে একটা সম্পূর্ণ পৃথক অর্থ তৈরি হয়। কিছুক্ষণ আগে ভাটে একটা গান পোস্ট করেছিলাম "চন্দন মে"। এই গানটায় একটা কথা আছে
     
    "উঁচি চড়কে দেও আজান,
    না বনো অনজান .... পর্দা হঠাও জি।"
     
    এটা যদি একটু পাল্টানো যায়, তাহলে অর্থ সম্পূর্ণ পাল্টে যায়,
     
    "উঁচি চড়কে দেও আজান,
    বনো অনজান .... পর্দা হঠাও জি।"
     
    অর্থাৎ, খ্যাতি সম্পন্ন না হয়ে। বরং অখ্যাত হয়ে পর্দা উঠিয়ে বাঁচো। একজন সাধারন মানুষ হয়ে, শিঁরদাড়া সোজা রেখে। আর এই বিষয়টি বলতে গেলে এই গানটিও পোস্টাতে হয়।
     
  • r2h | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৪৪558801
  • সেসব অন্য রকম দিন কাল ছিল, অবসর যাপন আর বিনোদনের কীই বা তেমন উপায়? টিভি বলতে দিল্লি দূরদর্শন, তাও সব বাড়িতে টিভি থাকতেই হবে তেমন কোন ব্যাপার নেই। সাতটা পঞ্চাশে রেডিওতে স্থানীয় সংবাদ শুনে লোকে রাতের খাওয়া খেয়ে নেয়, রাত আটটায় দোকানপাট বন্ধ, সাড়ে আটটা বাজতে না বাজতে রাস্তাঘাট শুনশান; বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক দোকান বাজার বন্ধ।

    তারপর তো হুহু করে সব বদলে গেল, কয়েক বছরের মধ্যেই যেন সেইসব অন্য যুগের কথা।
  • Dhuttor | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৪৪558800
  • @ ১৮ : ২৬, শুধু বাঙালীদের বা বিজেপির মধ্যেই হিটলারের জনপ্রিয়তা আছে এটা ভাবা চরম ভুল l ইসরাইলের জায়নবাদীদের মতাদর্শটাও অনেকটাই হিটলারের আদর্শে তৈরী l আমার মতে হিটলার আর ইস্রায়েল এক মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ যেহেতু দুটো মতাদর্শই গণহত্যা ও ঘৃণার উপরে দাঁড়িয়ে l দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়েও বহু জায়নবাদী হিটলারের সঙ্গে হাত মেলায় l বর্তমানে ভারতে ইসরাইলের সমর্থক খুব বেশী কাজেই ইস্রায়েল আসলেই হিটলারও পিছু পিছু আসবে এ আর নতুন কি !
  • r2h | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৪০558799
  • ওদিকে আমি যে স্কুলে পড়েছি তার নামও নেতাজী সুভাষ বিদ্যানিকেতন। গান্ধীবাদী নেতাজী ভক্ত লোকের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়া স্কুল, আমাদের সময় শহরের অন্যতম সেরা ও বড় স্কুল। সেখানে তেইশে জানুয়ারি বিরাট শোভাযাত্রা বেরুতো, ক্লাস ফোর থেকে প্রতি ক্লাসে প্রতি সেকশনে ট্যাবলো থাকতো, শহরের অন্যান্য স্কুলও অংশ নিত একেক বছর। শুরুতে এনসিসি ব্যান্ড, তারপর পায়ে হাঁটা বালক বালিকা, হাই স্কুলে ট্রাকের ওপর ট্যাবলো। শহরের সব লোক ঐ মিছিল দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকতো, আশেপাশের শহর থেকেও লোকজন আসতো দেখতে। মিছিলের পরের কদিন শহরে সবাই ঐ নিয়েই কথা বলতো, কাদের সাজ সজ্জা সবচে ভালো হয়েছে ইত্যাদি। যারা ভালান্টিয়ার হওয়ার সুযোগ পেত তাদের ব্যাপক গৌরব। বসন্ত সমাগত, উত্তুরে পাহাড়ি শীতের হাওয়া মলয় পবনকে জায়গা করে দিচ্ছে, ঐ সময় নাহক দুচারটে প্রেমও হত।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৩৫558798
  • @ডট, আপনার মতাদর্শগত বাবারা হিটলারকে আসনে বসিয়ে পুজো করে। আপনার অবস্থা, " না ঘর কা, না ঘাট কা"। আর ইতিহাস ছেড়েই দিন। শুধু ভুলভাল চর্চা করে যাবেন। যার কোনো সারবত্তা ও প্রমান নেই। একটা দুটো শব্দ বারবার বলে যাচ্ছেন। বিতর্ক করার জায়গার ধারে কাছেও নেই। ..... সুভাষ নিয়ে চর্চা করতে গেলে ক্লাস সিক্সের বই দিয়ে শুরু করুন।
  • r2h | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৩৩558797
  • তবে সেই সময় সাংবাদিকতায় অনার্স কলকাতায় খুব দু চারটে কলেজে পড়ানো হত, নেতাজী নগর তার মধ্যে একটা ছিল। দিনে না সন্ধ্যার কলেজে তা ঠিক মনে নেই। সেখানে বেশ ঝকঝকে ছেলে মেয়েরা ভর্তি হত। আর বাংলাদেশের ছাত্র আসতো বেশ কিছু। ছাত্র-ই, ছাত্রীরা অসতো বলে দেখিনি বা শুনিনি। অবশ্য ইভিনিং কলেজ যদি হয়, সেটা শুধু ছেলেদের কলেজ ছিল কিনা তাও ঠিক মনে পড়ছে না। বাংলাদেশের ছেলেরা অধিকাংশই খুব ধনাঢ্য ও আধুনিক কেতার, তাদের সব ডলারে মাসিক খরচা আসতো, ডলার তুলতে না ভাঙাতে তারা সব ধর্মতলা যেত, বিদেশি সিগারেট খেত। মেহেদি, ইশতিয়াক, এদের কাছে এলঅঅরবি, মাইলস- এইসব গান শুনি প্রথম। আর হুমায়ুন আহমেদ। হুআ অবশ্য আগেই পড়েছিলাম, আগুনের পরশমনি, তবে মিশির আলি ইত্যাদি তখন।
  • দীপ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৩০558796
  • সুভাষকে শ্রদ্ধা করা আর হিটলারকে সমর্থন এক?
    শত্রুর শত্রুকে কূটনৈতিক মিত্র রূপে গ্রহণ মহাভারতের যুগ থেকেই স্বীকৃত।
  • তরমুজ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২৮558795
  • একটা বিষয় বুঝুন। পশ্চিমবঙ্গে রাম বাম নেক্সাস খুব ভয়ঙ্কর। এর সাথে বাংলা পক্ষের মত কিছু সংগঠনও গজিয়েছে। এগুলো সবই বিজেপি ফান্ডেড। এবং এরা বিজেপির সহায়ক। এদের পদ্ধতিটা হল 'ডিভাইড অ্যান্ড রুল'। এবং এরা প্রত্যেকেই ব্রাহ্মণ্যবাদী বা জাতিগত ভাবে ব্রাহ্মণ্যের শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাসী। এরা চায় ভারতের বাকি অংশের সাথে পশ্চিমবঙ্গের একটা বৈরিতা তৈরি হোক। যার ফলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মত শক্তির হাত শক্ত হয়। কারন বিজেপি তো সাম্প্রদায়িক শক্তি। তারা তো বাঙালিদের উপর অত্যাচার করবেই। এবং এর জন্য সারা ভারতের শক্তি তারা ব্যবহার করবে। কিন্তু বিপরীত দিকে বিরোধীরা বাঙালি অষ্মিতা মারাতে গিয়ে সারা ভারতের শক্তি দিয়ে বিজেপিকে প্রতিরোধ করতে পারবে না। ফলে বিজেপি শাসন করে যাবে। আর তারা বাংলা বাঙালি আর বামপন্থা মারিয়ে যাবে। ঠিক যেমন অনেক রাম বাম চাড্ডিরা যুক্তি দেয়, তারা বিজেপির দুর্নীতি ধরে না। কারন প্রত্যেকটা দলই দুর্নীতিগ্রস্থ। কিন্তু অদ্ভুৎ ভাবে মমতা দুর্নীতিগ্রস্থ হলে সরকার পাল্টে যায়। বামেরা সরাসরি বিপ্লবের তত্ত্বে এগিয়ে যায়। কারন আগামী একশ বছরেও বিপ্লব হবে না। এবং বিজেপির রাস্তা পরিষ্কার থাকবে। সুতরাং এই রাম বাম ও আঞ্চলিক সবকটি শক্তিই একে অপরের সহায়ক। এবং সুভাষ চন্দ্রের যে লড়াই সবার চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিল। সেটা হল এই ক্ষুদ্র আঞ্চলিক স্বার্থ ও ক্ষুদ্র জাতি সত্তা যেমন ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র এর উর্ধ্বে উঠে লড়াই।
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২৬558794
  • তবে বাঙালিদের মধ্যে এখনও নাৎসি মানসিকতার লোকজন আছে জেনে খারাপ লাগছে। যে হিটলার ভারতীয়দের অবমানব মনে করে, তার কাছে গেছে সাহায্য চাইতে। দেখাও করেনি ঐ হিটলার। এই পদবী যাদের ছিলো, তারা লজ্জায় হিটলার পদবী বদলে ফেলেছে। জারমানিতে কেউ আর অ্যাডল্ফ নাম রাখে না- একটা জঘন্য ওয়ার ক্রিমিনাল নোংরা লোক, এদের আইডল।
  • r2h | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২৬558793
  • পাশাপাশি দুই পাড়া, নেতাজী নগর আর গান্ধী কলোনী। গান্ধী কলোনীতে একটা বড় স্কুল আছে, তার থেকে রানিকুঠির দিকে একটু এগুলে একটা নামকরা মেয়েদের ইংরিজি স্কুল আছে- জিডি বিড়লা কি? পাশাপাশি রাস্তায় দুই স্কুলের চরিত্র নিতান্ত আলাদা।

    আমি আসলে গেছিলাম বিজয়গড় কলেজে ভর্তি হতে। তেমন কোন ব্যাপার না, পাড়ার অন্য একজন বখা ছেলে বিজয়গড় কলেজে ভর্তি হয়েছিল, তাতে মনে হল ওকে যদি নেয় তাহলে আমাকেও নিয়ে নেবে নিশ্চয়। তারপর ত্রিগুণা সেন মহাশ্বেতা দেবী এট আলের যোগাযোগের কথা জেনে আরেকটু উৎসাহ হল। তো ফর্ম তোলার মরশুমে কলকাতায় ভরা বর্ষা। আমি সেই নীল পাহাড়ের মুলুক থেকে একা একা এসে বন্ধুদের মেসে উঠেছি, আর ফেউ ফেউ করে ঘুরছি আর কলকাতার জমজম দেখে চোখে ঝিলমিল লেগে যাচ্ছে। তো চেনাশুনো স্কুলে তাড়ানো কলেজে খেদানো বখা ছেলেরা সব কোথায় কোথায় ভর্তি হতে পেরেছে সেই খবর নিয়ে কলেজে কলেজে ফর্ম তুলছি। বিজয়গড় কলেজের কাদাভরা মাঠে জাবর কাটা মোষ দেখে একটু খুঁতখুঁত করছি, এমন সময় শুনলাম এক পাল ছেলে মেয়ে বলছে চল চল নেতাজী নগর কলেজ যাই। দেখে মনে হল ব্যাপারটা কাছে পিঠেই। একটু দূর থেকে তাদের অনুসরন করে করে পৌঁছে গিয়ে মনে হল বাহ দালান বাড়ি তো নেহাত মন্দ না। তো ঐ আরকি। ১৪ না ১৬-ই আগস্ট লিস্টি বেরিয়েছিল মনে আছে।
  • দীপ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২৩558792
  • মার্কনির কাজ জগদীশচন্দ্রের পরে ও জগদীশচন্দ্রের দ্বারা প্রভাবিত।
    নোবেলকমিটিও এই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।
  • দীপ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২২558791
  • আজাদ হিন্দের সৈন্যবাহিনী সর্বপ্রথম সুভাষচন্দ্রকে "নেতাজি" নামে সম্বোধন করে। এরপর থেকে সারা ভারতে সুভাষচন্দ্র এই নামেই সম্মানিত।
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:২২558790
  • না। মার্কনিও একই সময়ে গবেষণা করেন এবং অনেক বেশি কাজ করেছেন, এটাই সত্য।
  • দীপ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৯558789
  • আচার্য জগদীশচন্দ্র (১৮৫৮-১৯৩৭) ভারতীয় উপমহাদেশে বিজ্ঞানচর্চার ভগীরথ। শ্রদ্ধেয় মহেন্দ্রলাল সরকারকে এর মধ্যে ধরিনি, কারণ তিনি সরাসরি বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নন।
    আচার্য জগদীশচন্দ্র ১৮৯৫-৯৬ সালে রেডিওতরঙ্গ একস্থান থেকে অন্যস্থানে প্রেরণ করেন। কলকাতা, ইংল্যান্ড, লন্ডনে তিনি তাঁর গবেষণার প্রমাণ প্রদর্শন করেন। পরবর্তীকালে মার্কনি এই পদ্ধতির আরো উন্নতিসাধন করেন; কিন্তু প্রথম কৃতিত্ব জগদীশচন্দ্রের। নোবেলকমিটিও ১৯৯৭ সালে এই বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
    আচার্য সত্যেন বোস, আচার্য মেঘনাদ সাহা, আচার্য জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ পরবর্তীকালের কৃতী বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্রের ছাত্র।
    আমাদের দুর্ভাগ্য; এঁদের সম্বন্ধে আমরা সঠিক জানিনা!
  • তুই তোর | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৯558788
  • ভগবান হিটলারকে ডাক হারামির বাচ্চা
  • বেশি নেতাজিভক্ত | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৭558787
  • মানেই হিটলারের পুজারি
  • হেহেহেহিহিহি | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৭558786
  • ছাগিকে নেতাজীনগর কলেজের কেউ ডিচ করেছিল নিঘঘাত। ওইজন্যে তাথৈ তাথৈ লাপাচ্ছে।
  • r2h | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:১৩558785
  • কী মুশকিল আপনারা খিস্তিখাস্তা করছেন করুন, কিন্তু নেতাজীনগর কলেজ নিয়ে পড়লেন কেন? আমি নেতাজীনগর কলেজে পড়েছি যে। মানে পড়াশুনো কিছু করিনি তা সত্যি কথা, কিন্তু যৈবনের অমূল্য বছরগুলির সিংহভাগ ঐ কলেজে কাটিয়েছি। পড়াশুনো কেমন হত তা নিয়ে বলা আমার সাজে না, তবে চমৎকার ভালো ভালো অধ্যাপক অধ্যাপিকা ছিলেন। আর ছাতের ওপর খুপরি ক্যান্টিন ছিল, তার বাইরে বসে ছেলেপুলেরা গিটার বাজিয়ে ভালো ভালো সঙ্গীতচর্চা করতো। আর সে যুগে তো কলেজ ক্যান্টিনে বিড়ি সিগারেট খাওয়াই হত, তবে গাঁজা খাওয়াতে একটা অলিখিত নিষেধ ছিল। সেই যে অ্যাডিউ অ্যাডিউ, ও ঘড - সেই সবই নেতাজী নগর কলেজের গল্প।
  • নেতাজি | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০৯558784
  • হাহ তুমি আর হেগো না
  • কলেজে যাও | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০৭558783
  • কলেজে যাও।
  • হাহ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০৫558782
  • নাম পাল্টানোর কি আছে ছাগি? চাড্ডিদের খুপ রাগ নেতাজীর উপরে। শ্যামাপোকাকে ডান্ডা দিইছিল কিনা। কিন্তু নোংরাযোষিতা কি আর এসব জানে,আস্ত ছাগি ত।
  • এক্কেবারে | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০৪558781
  • ফালতু কলেজ কিন্তু
  • ব্যাস | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০৩558780
  • আর নাম পাল্টে এলে কী হবে নেতাজিনগরের প্রোডাক্ট
  • ব্যাস | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০১558779
  • নোংরাযোষিতার পুরো চাড্ডি সেপটিক ট্যাঙ্ক নেবে পড়েছে।
  • r2h | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৮:০১558778
    • বাক্‌সিদ্ধা গার্গী | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৩০
    •  
      • ত্রিশূলটি যেন কোনও ধাতুর তৈরি হয় সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে। প্লাস্টিক বা লোহার তৈরি ত্রিশূল বাড়িতে রাখা উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
     
    শাস্ত্রে যে প্লাস্টিক বিষয়ে বলা আছে সেটা ইন্টারেস্টিং। আবার লোহা ধাতু না, সেটাও একটা ব্যাপার দেখা যাচ্ছে।
  • নেতাজিনগর | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৫৮558777
  • কলেজের মাল নাকি ?
  • হাহ - নামের | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৫৬558776
  • এই নেতাজির বাচ্চাটা কি শুধুই গু খায়?
  • হাহ | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৫৩558775
  • নোংরাযোষিতা কথা ঘোরাতে নোংরামি করতে নেমেছে। বিচিপি দাঙ্গা লাগাতেই চাইছে তা নোংরাযোষিতার চেয়ে ভাল কে জানে। ওইজন্যেই ত এখেনে খেপ খেটে যায়। রমিতকে বাচ্চা পেয়ে টার্গেট বানাচ্ছে নোংরা চাড্ডি। এর পেছুনে আসবে দিপচাড্ডি বাংলাদেশ এনে কপিপেস্ট মারতে।
  • . | ১৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:৪৬558774
  • রমিত এই ইসুটা নিয়ে এতটা গুরুত্ব দিচ্ছে সেটাই বরং আশ্চর্যের লাগল। এত ফালতু কারণে যদি পাবলিক ক্ষেপে গিয়ে কামড়াকামড়ি করে, তবে কিছু বলার নেই। খামোখা কেন ফুটেজ দেওয়া হচ্ছে? দাঙ্গা বাঁধানো যাবে না বলে অন্য অপশন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত