এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ২২:০৬558471
  • এছাড়া আপনি একটা দুটো তথ্য তুলে মূল কনসেপ্টকে পরিবর্তন করতে পারেন না। তাই বলে এই নয় যে তথ্যগুলো ভুল। যেমন আমি এক লিটার মদ খেয়েও টাল খাই না। এখানে এক লিটার মদ খাওয়া এবং টাল না খাওয়া দুটোই সত্য। ইতিহাসে সেই সব সত্যের মাধ্যমেই ধারনা তৈরি করা হয়। যেগুলো কমন বা এভারেজ। আপনি একটা দুটো তথ্য, শব্দ তুলে সেই ধারনাকে পাল্টাতে পারেন না। যদি পাল্টাতে হয় তাহলে প্রমান সহকারে সেই রকম কাজ করতে হবে। একটা মানুষের জীবন অনেক বড় হয়। সেই জীবনে অনেক কিছু ঘটে। কিন্তু ইতিহাস সেটাই হয়, যেগুলি সেই দীর্ঘ জীবনের মধ্যে বৃহৎ আকারে প্রকাশ্যে। মূল কর্মকান্ডে পরিনত হয়। আশাকরি বোঝাতে পারলাম।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:৫৬558470
  • //কংগ্রেস বাড়ির ছেলে নেহরু জানে না গো! আবার উইকি নিয়ে সে কি চোপা!!//
     
    গতকাল থেকে এই নিয়ে প্রচুর লিখেছি। পিছনে গিয়ে দেখে নিন।
  • এলেবেলে | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:৩১558469
  • বেশ। উইকি কিংবা অ্যাইকে বলুন এই প্রমাণটা হাজির করতে।
     
    Hitler and Japan must go to hell. I shall fight them to the end and this is my policy. I shall also fight Mr. Subhas Bose and his party along with Japan if he comes to India. Mr. Bose acted very wrongly though in good faith. Hitler and Japan represent the reactionary forces and their victory means victory of the reactionary forces in the world.
     
    কংগ্রেস বাড়ির ছেলে নেহরু জানে না গো! আবার উইকি নিয়ে সে কি চোপা!!
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ২১:০৭558468
  • কেন উইকিতে উঠলে ইতিহাস পাল্টে যায় নাকি? যদি আপনার লেখা ততটা ক্ষুরধার হত। তাহলে আপনারটাও উইকিতে থাকত। কোন বিষয়কে বিশ্লেষণ। এবং কোন বিষয়কে প্রতিষ্ঠা করা দুটি আলাদা বিষয়। কোন ঘটনাকে যদি আপনি চোখে দেখেন বা নিজে সেই সময়ে দাড়িয়ে উপলব্ধি করেন সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু আপনি বেসিকের বিপরীতে গেলে সেই রকম প্রমান দিতে হবে যা বেসিকের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। কত জনই কত কি লেখে। তাতে কি ইতিহাস পাল্টে যায়?
  • Manali Moulik | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ২০:৪৫558467
  • বাঁকিপুর গেরুয়া সাম্রাজ‍্যে একটা ঝাঁকি দিয়ে গেলো।
  • @&$ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ২০:০০558466
  • তরমুজের বেলুন কি ফুটো হয়ে গেল ? নাকি এখন ​​​​​​​উইকি ​​​​​​​হাতড়ানো ​​​​​​​চলছে ​​​​​​​?
     
    Unfortunately artificial intelligence is still no match for natural stupidity
  • এলেবেলে | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৫০558465
  • বুয়েচি। অ্যাই, উইকি নয়! অন্যকে টেক্সট বই পড়ার উপদেশ দিয়ে নিজে অ্যাই-এর দৌলতে বাগাড়ম্বর করছেন!! ভাই রে, বিষয়টা নিয়ে এই গুরুতেই অধমের একটা হাজার ৪৫-৫০ শব্দের পোবোন্দো আছে। সেই উপলক্ষে কিছু বই-টই পড়তে হয়েছিল আর কি। তো তাতে নেহরুর শামলা চাপানোর ব্যাপারটা এমনটা ছিল। তার পরে তো অ্যাই যা বলে তা-ই ঠিক!
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৪৬558464
  • @এলেবেলে, উইকি নয়, এআই দিয়ে লিখেছি। আপনার সাথে এ সাধারন বিষয় নিয়ে হ্যাজাতে আর কত টাইপ করবো। এগুলো তো সবাই জানে। এমন কিছু গোপন বিষয় নয়। আপনি আগে ভাল করে টেক্সট বই পড়ুন।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৪৩558463
  • //তরমুজ কি আনএমপ্লয়েড?
    ওকে সিভিকের কাজ দিয়া হৌক।//
     
    হ্যাঁ এই ধরনের একটা কাজ পেলে মন্দ হত না। সিভিক পুলিশ বা জেল পুলিশ। কিন্তু ম্যাডাম হঠাৎ পুলিশ কেন? আবার বলবেন না যে কয়েকদিন জেলে থেকে দেখার ইচ্ছা আছে যে জেলে থাকতে কেমন লাগে। এই ধরনের অভিজ্ঞতার উৎসাহ আমার ছোট বেলা থেকে। সম্ভবত অন্ধ্রে একটা জেল মিউজিয়াম আছে যেখানে আপনি থাকতে পারেন। তবে লকাপে ঢোকার ইচ্ছা হলে, তার জন্য সিভিক হতে হবে না। অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য লাইনে থাকতে হয় নাকি? কোলকাতায় জেল মিউজিয়াম হয়েছে। ইচ্ছা পোষন করলে বলবেন।
  • এলেবেলে | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৯:৪১558462
  • আজকাল কি গুরুর ভাটে উইকি থেকে খাবলা মেরে তুলে কিংবা অ্যাইকে দিয়ে লিখিয়ে নেওয়া জিনিস কলার তুলে উগলে দেওয়া হয়? কী জানি বাবা, এটাই বোধহয় নিউ নরমাল!
     
    ১৯৪২ সালে গুয়াহাটিতে নেহরু হিটলার ও জাপানের সমালোচনা করে বলেছিলেন যে, সুভাষ যদি কোনও বাহিনী নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন, তবে তিনি শেষ পর্যন্ত তার বিরোধিতা করবেন। এর অর্থ সুভাষের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলা নয়, তাঁর অনুসৃত পথ নিয়ে প্রশ্ন তোলা। বিশেষত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন যেখানে স্বয়ং গান্ধীও এক সময় ফ্যাসিবাদি শক্তির জয় সম্পর্কে নিঃসন্দিহান হয়ে হিটলারকে চিঠি লেখেন, সেখানে একমাত্র নেহরুই আন্তর্জাতিক ব্যাপারে সবচেয়ে ধারাবাহিক অবস্থান নিয়েছিলেন এবং ঠিক অবস্থান নিয়েছিলেন। বামেদের জনযুদ্ধ লাইনের সঙ্গে নেহরুর এ ব্যাপারে বিস্তর ফারাক আছে।
     
    উইকির 'Pandit Jawaharlal Nehru played a pivotal role' বাকতেল্লাটা তখনই ফুস হয়ে যায় যখন জানা যায় যে মামলাটা চলেছিল ৮ সপ্তাহ ধরে আর নেহরু গায়ে শামলা চাপিয়েছিলেন সাকুল্যে ৩ দিন। আজাদ হিন্দ ফৌজ যেহেতু আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসকে ভালো ডিভিডেন্ড দেয়। বিশেষত হিন্দু পি কে সেহগাল, মুসলমান শাহ নওয়াজ এবং শিখ গুরুবক্স সিং ধিলোঁ কংগ্রেসকে সেকুলার দল হিসাবে তুলে ধরার এক অভাবনীয় সুযোগ এনে দেয় এবং মুক্তির পরে তিন জনেই জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য হওয়ায় কংগ্রেসের নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া সুবিধাজনক হয়ে যায়। সেটা আগাম বুঝতে পেরেই নেহরুর শামলা চাপানো ও সওয়াল করা।
     
    আর গান্ধীর সার্টিফিকেট ধুয়ে জল খেয়ে লাভ নেই। বস্তুতপক্ষে গান্ধী যদি সুভাষের ডানাটি অমন নির্মম ভাবে না ছাঁটতেন, তাহলে সুভাষ আদৌ দেশত্যাগী হতেন কি না, সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। আজাদ হিন্দ তো অনেক পরের ব্যাপার। বিদেশে তৈরি আজাদ হিন্দ ফৌজ সম্পর্কে দরাজ সার্টিফিকেট দেওয়া গান্ধী দেশি সেনাদের নৌ বিদ্রোহ সম্পর্কে কী বলেছিলেন? কেন বলেছিলেন? তাঁরাও কি স্বাধীন ভারতের সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হতে পেরেছিলেন?
     
    কংগ্রেসি তরমুজ সুভাষকে গান্ধীবাদী বলে যতই নিজের কোলে ঝোল টানার চেষ্টা করুন না কেন, এই বিশেষণে গান্ধীবাদীরা তো বটেই, সুভাষপন্থীরাও খ্যাক খ্যাক হাসবে। আসলে ৩৯ সালের পরে সুভাষের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক বড় তিক্ত। কয়েকটা মোলায়েম বাণী বিতরণ করলে সেই তিক্ততা কমে না। এবং ওই সময় থেকে গোটা বাংলায় তো বটেই, গোটা ভারতবর্ষেই তিনি কার্যত একা। জিন্না থেকে সাভারকর - সব দুয়ারেই তিনি গেছেন এবং দিনের শেষে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। কাজেই সুভাষকে খামোখা 'আমাদের লোক' বলে জাহির করার কিছু নেই।
     
    গোলপোস্ট সরতে সরতে বহু দূর চলে গেছে। ভারত ছাড়ো আন্দোলনে কংগ্রেসের ভূমিকার দৌড় বোঝা গেছে। এবারে ক্ষ্যামা দিন।
     
    এই আরেক জেঞ্জি কৌতূহলী! ওফ, নোয়াখালি, বিহার, গড়মুক্তেশ্বর - তিনটেই দেশভাগের আগে, পরে নয়। সারা দেশের কথা বলতে পারব না, তবে বাংলায় কাস্ট অ্যাঙ্গেল ছিল না। দাঙ্গায় মারা গিয়েছিলেন সমাজের প্রান্তিক অংশের মানুষরা - মাঝি, ঝাড়ুদার, দারোয়ান, গাড়োয়ান, কুলি - আর দাঙ্গায় অংশ নিয়েছিল বিহার-ইউপির মুসলমান এবং সংগঠিত হিন্দু ও শিখ গুণ্ডাবাহিনী। এখানে উচ্চবর্ণ বনাম নিম্নবর্ণের গপ্পো নেই।
  • . | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৯:০৭558461
  • তরমুজ কি আনএমপ্লয়েড?
    ওকে সিভিকের কাজ দিয়া হৌক।
  • X | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৯:০২558460
  • @১৭ঃ০৩ গান্ধিকে ধ্রুব না ভাবলেও তো চলে - এমনিতেই তার অনেক বিষয়ে সেল্ফ কনট্রাডিকশন / কনফিউশন ছিল- তার পলিসি গত ভুলও ছিল অনেক। যা হোক গান্ধি দেশের আমজনতার কাছে তার সাধারণ জীবন যাপন/ পোশাক/ লাইফস্টাইল এর মাধ্যমে একটা গণভিত্তি পেয়েছিলেন - শিক্ষিত লিবারেল নেতাদের থেকে অনেক বেশি- যেটা স্বাধীনতা আন্দোলনে সাহায্য করেছিল বিশেষ করে শহরের বাইরে গ্রামীণ জনতাকে ইনভলভ করতে।
     
    সাধারণ ভাবেই গান্ধি সুভাষের বা আজাদ হিন্দের বিরোধিতা করেছিলেন - কারণ আজাদ হিন্দের সাফল‍্য গান্ধির সত‍্যাগ্রহের গুরুত্ব কমিয়েই দিতো - হয়তো তিনি ফিলসফিকালিও যুদ্ধের বিরোধিতা করতেন - কিন্তু মনে রাখতে হবে অন‍্য অনেক ক্ষেত্রেই তিনি যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা সাপোর্ট করেছেন।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:১৯558459
  • সুভাষকে বোঝা শক্ত
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:০৩558458
  • //আজাদ হিন্দ সম্পর্কে যদি এত ভালো ভালো সার্টিফিকেট বিলানো হয়, তাহলে স্বাধীন ভারতের সেনাবাহিনীতে তাঁদের একজনও অন্তর্ভুক্ত হলেন না কেন? //
     
    গান্ধিজীর উক্তিগুলি:
    "আই.এন.এ.-র (আজাদ হিন্দ ফৌজ) জওয়ানরা অসাধারণ শক্তি, বীরত্ব এবং বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু আমি স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছি যে তাদের এই সাফল্য আমার চোখ ধাঁধিয়ে দিতে পারেনি। কাউকে না মেরে নিজের জীবন বলিদান দেওয়া অনেক বেশি বীরত্বের পরিচয়। শত্রুকে হত্যা করা এবং সেই প্রক্রিয়ায় নিজে নিহত হওয়ার মধ্যে দারুণ বা অলৌকিক কিছু নেই। কিন্তু যে মানুষ শত্রুর সামনে নিজের ঘাড় বাড়িয়ে দেয় ফাঁসির জন্য, তবুও তার ইচ্ছার কাছে মাথা নত করতে অস্বীকার করে—সে বহু উচ্চমানের সাহসিকতা প্রদর্শন করে।"

    "নেতাজির জীবন থেকে আমরা সবচেয়ে বড় যে শিক্ষাটি গ্রহণ করতে পারি, তা হলো—তিনি যেভাবে তাঁর অনুগামীদের মধ্যে ঐক্যের চেতনা সঞ্চারিত করেছিলেন, যার ফলে তারা সমস্ত ধর্মীয় ও প্রাদেশিক সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে একটি সাধারণ উদ্দেশ্যে একসাথে নিজেদের রক্ত ঝরাতে পেরেছিল।"

    "তিনি হয়তো ভুল পথে পরিচালিত হতে পারেন... আমি বহুবার বোসের বিরোধিতা করেছি... কিন্তু দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তাঁর সংকল্পের কথা বললে, তিনি ছিলেন অতুলনীয়।"
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৭:০০558457
  • //লালকেল্লায় বিচারের সময় নেহরুও গায়ে শ্যামলা চাপিয়েছিলেন। এর মানে তিনি এই ফৌজের কর্মকাণ্ড সমর্থন করেছিলেন?//
     
    Pandit Jawaharlal Nehru played a pivotal role during the 1945–1946 Red Fort Trials (INA Trials / Lalkila Muqaddama), where three key officers of the Azad Hind Fauj—Colonel Prem Sahgal (Hindu), Colonel Gurbaksh Singh Dhillon (Sikh), and Major-General Shah Nawaz Khan (Muslim)—were court-martialed by the British Raj for treason.
    ​Nehru’s stand was a powerful combination of legal action, public advocacy, and political strategy.

    1. Donning the Lawyer's Gown After 25 Years
    • ​Though Nehru had given up his legal practice decades earlier to join Gandhi's Non-Cooperation Movement, he donned his barrister's gown once again specifically to defend the INA soldiers at the Red Fort.
    • ​He joined the INA Defence Committee set up by the Indian National Congress, which also featured top legal minds like Bhulabhai Desai, Sir Tej Bahadur Sapru, Asaf Ali, and K.N. Katju.

    2. Challenging the Charge of "Treason"
    ​Nehru argued that the soldiers were not traitors or deserters, but patriots who fought for national liberation.
    • ​Right to Liberation: Nehru and the defence counsel contended that under international law, a subjugated nation has a legitimate right to fight for its freedom.
    • ​Provisional Government: They argued that the INA was a recognized, organized army operating under a legitimate provisional government (Arzi Hukumat-e-Azad Hind), making their actions an act of war under international law rather than criminal treason under British municipal law.

    3. Warning the British Government
    ​Nehru issued a stern warning to the British authorities against taking punitive measures against the INA men:
    • ​He pointed out that punishing these soldiers would cause severe resentment among the general public and within the Indian soldiers serving in the British Indian Army.
    • ​He stated that any vindictive action would "create bad blood between England and India" at a time when the British were planning their exit.

    4. Reconciling Non-Violence with the INA's Armed Struggle
    ​When questioned by reporters on how the Congress (which advocated non-violence) could defend an armed army, Nehru explained:
    • ​While Congress retained its commitment to non-violent methods, it could not ignore the supreme patriotism and sacrifice of the INA soldiers.
    • ​He emphasized that the trial had become a matter of national self-respect and the collective desire of the Indian people for independence.

    The Outcome and Historical Impact
    • ​Public Upsurge: Nehru’s active participation, alongside the Congress committee, galvanized massive public demonstrations across India.
    • ​Commutation of Sentences: Although the military court found the three officers guilty of waging war against the King-Emperor, Commander-in-Chief Sir Claude Auchinleck—sensing widespread rebellion and mutinies within the British Indian Armed Forces—remitted and suspended their sentences.
    • ​Release: The officers were set free in early 1946 to widespread public celebration, marking a major political defeat for the British administration in India.
     
     
     
  • Manali Moulik | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:৫৩558456
  • বাঁকিপুরে হাওয়া ঘুরছে.....ইয়ে !!!
  • কৌতূহলী | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:২৯558455
  • @এলেবেলেদা
    অনেকদিন পর আপনাকে সক্রিয় আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে দেখে ভাল লাগল।
    একটা প্রশ্ন আছে আমার, এই ফাঁকে করে রাখি, যদিও অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন, মানে আমার যেমন স্বভাব আর কী।
    দেশভাগের পর যেসব কমিউনাল রায়টগুলো হয়েছিল, নোয়াখালি, বিহার, গড়মুক্তেশ্বর, বা পরবর্তীতে বাংলাদেশ এবং ভারত উভয় জায়গাতেই সংখ্যালঘু নির্যাতন, এতে কোন কাস্ট এঙ্গেল আছে? মানে আক্রমনকারীরা উচ্চবর্ণের আর আক্রান্তরা নিম্নবর্ণের, ধর্ম যাইই হোক, এই ব্যাপারটা আছে কি?
  • | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:২৭558454
  • একে কেউ একটু বইপত্র কিনে হোমওয়ার্ক দিয়ে একটা ঘরে বসিয়ে দিন। নইলে পাতার পর পাতা জুড়ে হেজিয়ে যাবে, অথচ পড়া করবে না।
  • এলেবেলে | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:২৬558453
  • বুঝলাম। তার মানে হাতে রইল পেন্সিল ভারত ছাড়ো আন্দোলন। মুশকিল হচ্ছে কংগ্রেস আন্দোলনটার ডাক দিয়েছিল মাত্র, আন্দোলন পরিচালিত করেনি। উপরন্তু এই আন্দোলনে যে সব হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিল, তাকে অস্বীকার করার জন্য গান্ধী এবং আজাদের ব্যাকুলতা দেখার মতো। এইটা নাকি কংগ্রেসের ইউএসপি!
     
    আজাদ হিন্দ সম্পর্কে যদি এত ভালো ভালো সার্টিফিকেট বিলানো হয়, তাহলে স্বাধীন ভারতের সেনাবাহিনীতে তাঁদের একজনও অন্তর্ভুক্ত হলেন না কেন? লালকেল্লায় বিচারের সময় নেহরুও গায়ে শ্যামলা চাপিয়েছিলেন। এর মানে তিনি এই ফৌজের কর্মকাণ্ড সমর্থন করেছিলেন?
     
    ঠিক আছে। আপনি আপনার মতে অবিচল থাকুন।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:১১558452
  • //সেই স্বাধীনতার 45 বছরের মধ্যে ভারতের তিন জন প্রধান মন্ত্রীর খুন হয়। যারা বিপুল জনপ্রিয় ছিলেন। সে আলোচনা নয় ছেড়েই দিলাম।//
     
    এবং সবচেয়ে বড় কথা এই তিনজন প্রধান মন্ত্রীই একটা নির্দিষ্ট দলের ছিল।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৬:০৬558451
  • //১৯৩৭ সালে ফজলুল হকের সঙ্গে কংগ্রেসের কোয়ালিশনটা হলে সম্ভবত বাংলাটা ভাগ হত না আর ফজলুল হকও লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক হতেন না। কিন্তু এই যে প্রত্যাশিত কোয়ালিশনটা হল না, তার পেছনে বসু পরিবারের বিশেষত শরৎ বসুর ভূমিকা নেহাত কম নয়।//
     
    এটা ভুল তথ্য। 1937 সালের সাথে 1947 এর দেশ ভাগে তথা বাংলা ভাগের প্রত্যক্ষ কোনো সম্পর্ক নেই। এটা হলেই ওটা হত। এরকম বলা যায় না। 1947 এ দেশ ভাগ তথা বাংলা ভাগের প্রথম পদক্ষেপ ছিল ক্রিপস মিশন। যার কারনে পরবর্তী কালে ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু হয়। হিন্দু মহাসভা, মুসলিম লিগ ও বামের প্রত্যক্ষভাবে এই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল। এবং শুধু বিরোধীতা করে নি, হিন্দুত্ববাদীরা ও বামেরা বিভিন্ন কাজ কর্মের মধ্যে দিয়ে এই আন্দোলন ব্যর্থ করেছিল। এবং এর পর থেকে হিন্দুত্ববাদী ও মুসলিম লিগ দেশ ভাগের নতুন অধ্যায় শুরু করে। যার সাথে প্রত্যক্ষভাবে দেশ তথা বাংলা ভাগের সম্পর্ক আছে। সেই সময় সুভাষ সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অখন্ড দেশ স্বাধীন করতে চেয়েছিলেন। যা গান্ধি তথা নেহেরু, আজাদ অ্যাকনলেজও করেছিলেন। অতএব সুভাষ গান্ধিবাদী নেতা ছিলেন। কিন্তু রাম বাম চাড্ডিরা অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ভুলভাল ইতিহাস গুজে সুভাষকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করে। যে ইতিহাসের কোনো প্রমান ও সারবত্তা নেই।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৫০558450
  • //বিষয়ে কী নতুন কথা বলেন, তা জানতে উৎসুক। কিন্তু মনে রাখবেন, ১৯৩৭ সালে ফজলুল হকের সঙ্গে কংগ্রেসের কোয়ালিশনটা হলে সম্ভবত বাংলাটা ভাগ হত না আর ফজলুল হকও লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক হতেন না। কিন্তু এই যে প্রত্যাশিত কোয়ালিশনটা হল না, তার পেছনে বসু পরিবারের বিশেষত শরৎ বসুর ভূমিকা নেহাত কম নয়।//
     
    আপনি মনে হয় একটা ক্ষুদ্র বিষয়ের উল্লেখ বারবার করে চলেছেন। যার উত্তর আমি ইতিমধ্যেই দিয়েছি। অনেক রকম ভাবে। এবং এর থেকেও বড় বিষয় হল সুভাষের হিটলারের সঙ্গে দেখা করা এবং অক্ষ শক্তির সহায়তা নেওয়ার পরেও সুভাষ সম্পর্কে গান্ধিজীর মন্তব্য। এর বহু প্রমান আছে।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৪৫558449
  • //সুভাষকে কেউই হিন্দুত্ববাদী বলবেন না। কিন্তু তিনি যে তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন, হাত মিলিয়েছিলেন লিগের সঙ্গেও - এটা তো ঐতিহাসিক ভাবে সত্য। একটা ব্রিগেডের নাম দিয়েই যদি প্রমাণিত হয় যে তিনি গান্ধীবাদী, তাহলে গান্ধী তাঁকে নির্মম ভাবে সভাপতির পদ থেকে ছেঁটে ফেলেন না। সুভাষের সমর্থকেরাও তাঁর দিকে চপ্পল তাক করেন না। একই কথা নেহরু ব্রিগেড সম্পর্কেও প্রযোজ্য।//
     
    1942 সালে গান্ধিজীর নেতৃত্বে ভারত ছাড়ো আন্দোলন হয়। আরএসএস, হিন্দু মহকসভা, মুসলিম লীগ, বামেরা, আম্বেদকর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিরোধীতা করে। অন্যদিকে সুভাষ চন্দ্র বসু বা আজাদ হিন্দ বাহিনীর মূল লক্ষ্য ছিল অখন্ড ভারতের স্বাধীনতা। গান্ধিজী সুভাষ ও আজাদ হিন্দ বাহিনী সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন
     
    "যদিও আজাদ হিন্দ ফৌজ তাদের আশু লক্ষ্যে পৌছুতে পারে নি। তথাপি তারা এমন কিছু করেছে, যেজন্য তারা গর্ববোধ করতে পারে। সবচেয়ে বড় কৃতিত্বের কথা হচ্ছে। এই যে তারা একই পতাকা তলে ভারতের সকল ধর্ম ও জাতির মানুষকে একত্রিত করতে পেরেছিল। ধর্মীয় ও অন্যান্য ভেদবুদ্ধির উর্ধে তাঁরা একতা ও সংহতির আদর্শ সঞ্চারিত করেছেন।"
     
    এরপর সুভাষের অন্তর্ধ্যান শুরু হয়। গান্ধিজীই প্রথম বলেন সুভাষ বেঁচে আছেন। এবং তিনি ভারতে সুভাষকে নেতা হিসাবে দেখার জন্য উদগ্রিব। তারপর গডসে গান্ধি হত্যা করে। গডসের ভাষায় 'বাপু আপনাকে হত্যা করা ছাড়া দেশ বাচানোর অন্য কোনো উপায় ছিল না।' সেই স্বাধীনতার 45 বছরের মধ্যে ভারতের তিন জন প্রধান মন্ত্রীর খুন হয়। যারা বিপুল জনপ্রিয় ছিলেন। সে আলোচনা নয় ছেড়েই দিলাম।
     
    এরপর মনে হয় না যে এই বিষয়ের উপর অন্য কোনো মন্তব্য বা প্রমান দেওয়ার প্রয়োজন আছে।
  • X | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৫:১৩558448
  • @১৪ঃ০০ এখনো কাউন্টিং চলছে- কোথায় ভাজপা দসু‍্য মোহনের মত কি করে রেখেছে কে জানে ? তবে এম পি তেও কংগ্রেস এগোচ্ছে বলছে- দেখা যাক
  • এলেবেলে | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৩৩558447
  • //তার আগে বাংলা ভাগেরও একটা ইতিহাস আছে//
     
    সে বিষয়ে কী নতুন কথা বলেন, তা জানতে উৎসুক। কিন্তু মনে রাখবেন, ১৯৩৭ সালে ফজলুল হকের সঙ্গে কংগ্রেসের কোয়ালিশনটা হলে সম্ভবত বাংলাটা ভাগ হত না আর ফজলুল হকও লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক হতেন না। কিন্তু এই যে প্রত্যাশিত কোয়ালিশনটা হল না, তার পেছনে বসু পরিবারের বিশেষত শরৎ বসুর ভূমিকা নেহাত কম নয়।
  • এলেবেলে | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৪:২৮558446
  • দ্বিজাতিতত্ত্ব এবং সেপারেট ইলেক্টোরেটের বিরোধিতা যদি সুভাষের মূলধন হয়ে থাকে তবে ১৯৩৭-এর নির্বাচনে সেই সেপারেট ইলেক্টোরেট ছিল? তার পরেও ফজলুল হকের সঙ্গে শরৎ বসুর কোয়ালিশনের কথাবার্তা হয়েছিল? সভাপতি থাকার সময় অসমে তিনি যে নতুন মন্ত্রিসভা করেছিলেন, সেখানে সেপারেট ইলেক্টোরেট ছিল? কর্পোরেশনে সেপারেট ইলেক্টোরেট ছিল? মুসলিম লিগের সঙ্গে আঁতাত কি লাহোর প্রস্তাবের আগে না পরে? তাহলে দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরোধিতা করা যায়?
     
    সুভাষকে কেউই হিন্দুত্ববাদী বলবেন না। কিন্তু তিনি যে তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন, হাত মিলিয়েছিলেন লিগের সঙ্গেও - এটা তো ঐতিহাসিক ভাবে সত্য। একটা ব্রিগেডের নাম দিয়েই যদি প্রমাণিত হয় যে তিনি গান্ধীবাদী, তাহলে গান্ধী তাঁকে নির্মম ভাবে সভাপতির পদ থেকে ছেঁটে ফেলেন না। সুভাষের সমর্থকেরাও তাঁর দিকে চপ্পল তাক করেন না। একই কথা নেহরু ব্রিগেড সম্পর্কেও প্রযোজ্য।
     
    শুধু কি সুভাষ একা? সুভাষ যখন কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত এবং দেশছাড়া, তখন শ্যামা-হক মন্ত্রিসভায় কিরণশঙ্কর রায়ের নেতৃত্বাধীন 'সরকারি' কংগ্রেসের ২৫ জন সদস্যও ছিলেন। কাজে কাজেই হিন্দুত্ববাদী শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে কংগ্রেস এবং সুভাষ - দুই দলেরই সহাবস্থান ও আঁতাতের ইতিহাস বর্তমান।
  • Manali Moulik | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৪:১৭558445
  • পরিশ্রান্ত। রাত সাড়ে চারটে পর্যন্ত পেপার প্রেজেন্টেশন রেডি করে ঘুমিয়েছি। উঠে পড়া।
    বজ্রযানের উপর বুদ্ধিষ্ট হিষ্ট্রির কটা বই ডাউনলোড করেছিলাম, লাতিন আমেরিকান লিটারেচার পড়ে আছে। আমার অমূল‍্য টাইমগুলো বেরিয়ে যাচ্ছে।
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৪:০৪558444
  • //ভারতবর্ষকে যখন ভাগ করা হচ্ছে, সুভাষ তখন মৃত। কাজেই কী থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তিনি অবিভক্ত ভারতবর্ষের সমর্থক ছিলেন এবং কংগ্রেসের বাকি নেতৃবৃন্দ ভারতবর্ষকে ভাগ করতে চেয়েছিলেন?//
     
    ভারত ভাগের শুরু হয়েছিল দ্বিজাতি তত্ত্বের মাধ্যমে। ভারত একদিনে ভাগ হয়নি। তার আগে বাংলা ভাগেরও একটা ইতিহাস আছে। ভারত ভাগের সময় সুভাষ ছিলেন না। কিন্তু দ্বিজাতি তত্ত্বের এবং দুই ইলেকটোরাল সিস্টেমের তিনি প্রবল বিরোধী ছিলেন। আর সেই সময় থেকেই আরএসএস হিন্দু মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি করে এসেছে। সুভাষ সারা জীবন তার বিরুদ্ধ চারন করে গেছে। অন্যদিকে আম্বেদকর বিভাজিত ইলেকটোরাল সিস্টেমের প্রতি সহমত পোষন করতেন। এর একটা দীর্ঘ ইতিহাস আছে। এবং সেই ইতিহাসই প্রমান করে সুভাষ হিন্দুত্ববাদী ছিলেন না। গান্ধিবাদী ছিলেন। ..... আপনি দ্বিজাতি তত্ত্ব এবং দুটি নির্বাচনী ব্যবস্থার আলোচনাকে বাদ রেখে ভারত ভাগ ও হিন্দুত্ববাদী বনাম সুভাষ, গান্ধির আলোচনা করতে পারবেন না।
  • | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৪:০০558443
  • বাঁকিপুর উল্টোচ্ছে।

    জয় জনতা, জয় বিহার।

    দেখা যাক, দেখা যাক !
  • তরমুজ | ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১৩:৫০558442
  • //সত্যিই সুভাষ হিন্দুত্ববাদীদের তাড়া করে বেড়াতেন? নাকি তাঁর সমর্থকেরা? সেই সমর্থকেরা যে প্রায় একই সময়ে প্যাটেল তো কোন ছাড়, স্বয়ং গান্ধীর দিকে চপ্পল নিক্ষেপ করেন - সেই তথ্যটা জানা আছে? সেই ঘটনাকে গান্ধী ব্রিগেডের নামকরণ দিয়ে মুছে ফেলা যায়?

    সুভাষ জাপ বাহিনীর সমর্থন নেওয়ার পরে সুভাষ ও তাঁর ফৌজ সম্পর্কে নেহরুর বিখ্যাত উক্তিটি জানা আছে? সেই উক্তি সুভাষের কানে পৌঁছয়নি? তার পরেও তিনি যদি নেহরুর নামে ব্রিগেডের নাম রাখেন, তাহলে তার পেছনে বিন্দুমাত্র পরিকল্পনা ছিল না - এমনটা ভেবে নেওয়ার কী কারণ?//
     
    সুভাষ চন্দ্রের নির্দেশে তার সমর্থকেরা তাড়া করে বেড়াতেন। আর গান্ধির, প্যাটেলের সঙ্গে সুভাষের বিরোধের পরেও যে তিনি গান্ধির নামে ব্রিগেডের নাম রেখেছিলেন এর থেকে এটাই প্রমান হয় মতাদর্শগত ভাবে তিনি গান্ধিবাদী। আরও জোরালোভাবে প্রমান হয়। সুভাষ সারা জীবনে সাংগঠনিক দিক থেকে কোন হিন্দুত্ববাদী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন? ভারত বিভাজন থেকে শুরু করে হিন্দুত্ববাদ, ব্রাহ্মণ্যের শ্রেষ্ঠত্ব, ব্রিটিশের পদলেহন, হিটলারের পলিটিক্স অফ এক্সক্লুশন, আর্যের শ্রেষ্ঠত্ব। কোন বিষয়কে তিনি এজেন্ডা হিসাবে তুলে ধরেছিলেন। অন্য দিকে গান্ধির হাজার একটা বিষয় আছে যেগুলি তিনি সবদিনই এজেন্ডা করেছেন। এবং সুভাষের রাজনীতি ছিল পলিটিক্স অফ ইনক্লুশন সুতরাং কোন যুক্তিতে মনে হয় যে সুভাষ হিন্দুত্ববাদী ছিলেন। ...... এছাড়া সুভাষকে হিন্দুত্ববাদী প্রমান করার জন্য অল্ডারম্যান পদের জন্য লড়াই। এই উদাহরনের কোনো প্রয়োজন নেই। এর থেকে অনেক বড় প্রমান হল তিনি নাৎসীদের সমর্থন চেয়েছিলেন। যে নাৎসী ও ফ্যাসিস্টদের সাথে তৎকালীন হিন্দুত্ববাদীদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল।.... অতএব এক্ষেত্রে যুক্তিগত ভাবে তিনটি সিদ্ধান্ত হতে পারে,
    a) সুভাষ তৎকালীন ভারত বর্ষের কোনো বিশেষ সংগঠন, আদর্শ বা লবির সমর্থক ছিলেন না।
    b) একমাত্র গান্ধি ও কংগ্রেসের কিছু এজেন্ডার সমর্থক ছিলেন। কিন্তু সম্পূর্ণ এজেন্ডার নয়। এছাড়া অন্য কোনো সংগঠনের সমর্থক ছিলেন না।
    c) সুভাষ গান্দিবাদী ছিলেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত