দ্রি তুমি বলো, ইসিআই এর যাই হিস্টোরিকালি অ্যাম্বিট হোক না কেন এর আগের কোনো ধরণের রোল রিভিউতে এ কথা শোনা যায় নি।
- একটা লোককে, ছ জন বাবা হিসেবে ঘোষণা করলে সে লজিকাল ডিসক্রিপান্সিতে পড়বে
- ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এবং এখন মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করা হয়েছে প্রসেস শুরু করার পরে।
প্রথমতঃ দুটোই হিন্দু ফান্ডামেন্টালিস্ট এর হেরেসির উপরে ভিত্তি করে নিয়ম। ধরে নেওয়া হচ্ছে মুসলমানরা পয়দা করে জনসংখ্যায় প্রোপোরশন বাড়াচ্ছে আর দুই হল নিম্নবর্গীয় ছোটলোকরা ওয়েলফেয়ারের উপরে চাপ তৈরি করছে, অতএব বৈধতায় কোপ মারো। কারণ এদের জন্য সপ ঘোষণা করে বিজেপি ছাড়া অন্য দল জিততে পারে। আর একটা হল মাধ্যমিক পাশ বেশির ভাগ স্বল্পশিক্ষিত লোক করবে না, অনেকের বার্থ সার্টিফিকেট থাকেনা এটা সম্বল, আবারো ওয়েলফেয়ার এ দায় কমানোর প্রথম ধাপ নেওয়া হচ্ছে।
এবার ইসিকে এই কন্ডিশন তৈরি করার অ্যাম্বিট মূল আইনে নেই। মানে ইন্স্টিটিউশনাল চার্টারে, উল্টে এখন, সরকারি অর্ডার ও পাস করানো নেই, গেজেট পাবলিকেশন নেই, অর্ডিনান্স নেই, কোর্ট অর্ডার নেই।
তো সেই অশ্বডিম্ব দিয়ে এসআইআর চলছে। আর ভারতে কিভাবে আজখাল বিচারক নিয়োগ হচ্ছে তুমি জানো না? বিচারের আশা অযৌক্তিক। আজকাল যেটা প্যাটার্ন, বিচারকরা কি কেসে রেজিম এর সঙ্গে যায়, নন কি কেসে দু চারটে লিবেরেল অর্ডার দিয়ে আফটার ডিনার স্পীচ দেয়। গোটাটাই বালে পরিণতঃ হয়েছে।
এবং এক কোটি সাইত্রিশ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকারে এই ভাবে আঘাত আনা হয়েছে কারণ 2002-এর এনডিএ আমলের রোল এ ম্যাপিং নেই এরকমলোক মাত্র 58 লক্ষ বের করা গেছে, বিজেপিদের বিদেশী ইনফ্লাকস্ এর এস্টিমেট ছিল দুকোটি, সেই নম্বর মেকাপ করা হচ্ছে মাত্র।
এছাড়া শুনলে খুশি হবে ইলেকশন কমিশনার এর মেয়ে জামাই দিল্লীর কাছে পোস্টিং পাবার পর থেকে মোদি ঐনিষ্ট অফিসার বাংলা ডেলিভার করার দায়িত্ব পেয়েছৃন, আইন বদলে তার আপয়েন্টিং কমিটি বদলানো হয়েছিল, এখন কি কি বিষয়ে মামলা করা যাবে না তার অর্ডার এনে তারপরে এইসব বাল অ্যাপ তৈরি হয়েছে। সুতরাং রুল অফ ল নিয়ে ঘেঁটো না ।
এছাড়া প্রতিটি মুসলমান বেশি আছে এরকম ডিস্ট্র্ইক্টে ভোটের আগে বিজেপি ঘনিষ্ঠ ডিএম সহ অফিসার নিয়োগ হয়েছে। একজন করে মাইক্রো অবসার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে বিএলও দের উপরে, কম্যান্ড স্ট্রাকচার অ্যাবসোলি উটলি এনআরসির মতো। অতএব ডিসপুটে ফেবারেবল রেজালট পেতে কয়েকটি ভোট পেরোবে। দ্য প্রসেস ইটসেল্ফ ইজ ডিজাইন্ড টু বি দ্য পানিশমেন্ট।
হিন্দু উচ্চবর্ণদের আধিপত্যবাদ চলছে, তলে হার্ড এভিডেন্স ক্লাস বায়াস কিছু নেই। শুধু গ্রামীন নিম্নবর্গ অসংগঠিত মুসলমান মতুয়াদের এলাকাগুলিতে নোটিশের সংখ্যা ডিসপ্রোপোরশনেটলি বেশি।
দিস ইজ হার্ড অ্যান্ড সিস্টেমিক ফাক অল রুলিং।