এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ভাতা ভাবনা

    Eman Bhasha লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৭২ বার পঠিত
  • শিশু কিশোর কিশোরী বৃদ্ধ বিশেষ ভাবে সক্ষমদের দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সব নাগরিকের শিক্ষা স্বাস্থ্য ভরণপোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। মার্কসবাদ এটাই শেখায়। অন্য ভাবনা মার্কসবাদ নয়।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • যাচ্ছেতাই স্পষ্ট | 103.85.***.*** | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩১738335
  • আপনার মাননীয়ার তাঁবেদারি, মার্কসের বা লেনিনের মতবাদের অপভ্রংশ, যেখানে উৎপাদন বলতে কেবল নির্লজ্জ চাটুকারিতা 
  • %% | 2406:7400:10c:cb52:bc66:2a2b:68dd:***:*** | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪৭738336
  • এদ্দিন তো জানতুম মার্ক্সবাদ মানে সম্পদের পুনর্বণ্টন। ব্যক্তিগত মালিকানা বলে কিছু থাকবে না। বদলে রাষ্ট্র সবাইকে দেখবে, অবৈতনিক এমন শিক্ষা স্কুলে কলেজে দেবে যাতে রকেট সায়েন্স পর্যন্ত জলভাত হয়ে যায়। সেসবের বদলে হাতে নগদ অনুদান দিয়ে নিজের সরকারের খামতি পূরণ করাটা সমাজতন্ত্রের চিহ্ন, সাম্যবাদের নয়।
  • ট্রাম্প ভক্ত | 2603:8001:b102:14fa:c3a5:c1b4:591:***:*** | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৭738338
  • মার্কসবাদ পুরোনো পচা জিনিস। ধনতন্ত্রই আসল।
  • albert banerjee | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১৪738339
  • মার্কসবাদ অনুযায়ী সম্পদের বর্তমান বণ্টন (পুঁজিবাদী ব্যবস্থায়)
    মার্কসবাদ বলছে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় সম্পদের বণ্টন একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অশোভন। এখানে বণ্টন নির্ধারিত হয়:
    ১. উৎপাদনের উপকরণের মালিকানার ভিত্তিতে: যার কাছে যন্ত্রপাতি, জমি, কারখানা, পুঁজি আছে, সে-ই সম্পদের সিংহভাগ পায়। যে শুধুমাত্র তার শ্রমশক্তি বিক্রি করে, সে পায় ন্যূনতম।
    ২. শ্রমের প্রকৃত মূল্য অনুযায়ী নয়: একজন শ্রমিক যতই দক্ষ হোক বা কঠোর পরিশ্রম করুক, সে কখনোই তার সৃষ্ট সম্পদের পুরো অংশ পায় না। তার শ্রমের একটি বড় অংশ (উদ্বৃত্ত মূল্য) মালিক কেড়ে নেয়।
    ৩. বাজারের অদৃশ্য হাতের নামে শোষণ: বলা হয় বাজারের চাহিদা-যোগান মূল্য ঠিক করে। কিন্তু মার্কসবাদ দেখায়, বাজার মূলত পুঁজিপতিদের নিয়ন্ত্রণে। তারা যোগান নিয়ন্ত্রণ করে, প্রচারণা চালিয়ে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে, যাতে বেশি দামে পণ্য বিক্রি এবং বেশি মুনাফা করা যায়।
    ৪. সম্পদের কেন্দ্রীভবন: পুঁজিবাদের স্বভাবই হলো—সম্পদ ক্রমশ কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়া। ছোট কারখানা বড় কারখানার কাছে দেউলিয়া হয়, ছোট দোকান মলের কাছে হার মানে। ফলে সম্পদ দিন দিন আরও কম হাতে জমা হয়।
    ফলে, পুঁজিবাদে সম্পদের পিরামিড তৈরি হয়—সবার উপরে একদল পুঁজিপতি, তার নিচে মধ্যমস্তরের কিছু কর্মচারী ও পেশাজীবী, এবং সর্বনিম্নে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষ, যারা সমাজের বেশিরভাগ সম্পদ উৎপাদন করেও সবচেয়ে কম ভোগ করে।
    তাহলে মার্কসবাদী অর্থনীতিতে সম্পদ বণ্টন কীভাবে হওয়া উচিত?
    মার্কসবাদ পুঁজিবাদী বণ্টন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি বাতিল করে একটি ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থার কথা বলে, যা ধাপে ধাপে বিকশিত হবে:
    প্রথম ধাপ: সমাজতন্ত্র (শ্রমিকদের রাষ্ট্র)
    পুঁজিবাদী রাষ্ট্র উৎখাত করে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। এই পর্যায়ে সম্পদ বণ্টনের মূলনীতি হবে:
    "প্রত্যেকে তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করবে, এবং তার কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে।"
    এর মানে কী?
    • উৎপাদনের উপকরণের সমাজিকরণ: কারখানা, জমি, ব্যাংক, পরিবহন—সবই হবে রাষ্ট্র বা সমবায় সমিতির মালিকানায়। ব্যক্তিগত মুনাফার জন্য উৎপাদন বন্ধ হবে।
    • শোষণের অবসান: যেহেতু উৎপাদনের মাধ্যমের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা থাকবে না, তাই "উদ্বৃত্ত মূল্য" শোষণেরও অবসান হবে। একজন শ্রমিকের তৈরি সম্পদ সমাজের কল্যাণে কাজে লাগবে।
    • কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক: এর মানে এই নয় যে সবাই সমান বেতন পাবে। যার কাজ বেশি কঠিন, বেশি দক্ষতাপূর্ণ, সে বেশি পারিশ্রমিক পাবে। কিন্তু পার্থক্যটা হবে ন্যায্য সীমার মধ্যে। এই ব্যবস্থায় বেকারত্ব, ক্ষুধা দূর করার জন্য পরিকল্পিত অর্থনীতি চালু হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান হবে সকলের মৌলিক অধিকার এবং অনেকাংশে বিনামূল্যে।
    চূড়ান্ত ধাপ: কমিউনিজম (শ্রেণীহীন সমাজ)
    সমাজতন্ত্র স্থিতিশীল হবার পর, রাষ্ট্র ধীরে ধীরে লোপ পাবে (কারণ শ্রেণী সংগ্রাম থাকবে না, রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা থাকবে না)। তখন প্রতিষ্ঠিত হবে সম্পূর্ণ শ্রেণীহীন, রাষ্ট্রহীন কমিউনিস্ট সমাজ। এখানে সম্পদ বণ্টনের মূলনীতি হবে:
    "প্রত্যেকে তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করবে, এবং তার প্রয়োজন অনুযায়ী ভোগ করবে।"
    এই নীতিটাই মার্কসবাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।
    • এর মানে দাঁড়ায়: সমাজ এতটাই প্রগতিশীল, সম্পদশালী ও সচেতন হবে যে মানুষ শুধুমাত্র জীবিকা অর্জনের জন্য নয়, বরং সমাজের উন্নতি ও নিজের আত্মতৃপ্তির জন্য কাজ করবে।
    • প্রয়োজন অনুযায়ী বণ্টন: তখন বেতন, টাকা-পয়সার প্রয়োজনই থাকবে না। সমাজে প্রচুর সম্পদ থাকবে। তাই প্রতিটি মানুষ তার প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য ও সেবা পাবে। একজন চিকিৎসকেরও যেমন ভালো খাবার, বাসস্থান, ভ্রমণের প্রয়োজন, একজন কৃষকেরও ঠিক একই প্রয়োজন। কাজ ভিন্ন হলেও প্রয়োজন পূরণে কোনো বৈষম্য থাকবে না।
    • মুক্ত মানবের বিকাশ: এই ব্যবস্থায় মানুষের সৃষ্টিশীলতা সর্বোচ্চ বিকাশ লাভ করবে। শোষণ, দারিদ্র্য, লোভের অবসান ঘটবে। মানুষ প্রকৃত অর্থে স্বাধীন ও মুক্ত হবে।
    সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ কী?
    ১. শোষণমুক্ত কাজ: আপনি যে পরিশ্রম করেন, তার পুরোটাই আপনার এবং সমাজের জন্য কাজে লাগবে। অন্য কেউ আপনার শ্রমের ফল গড়পড়তাভাবে ভোগ করতে পারবে না।
    ২. জীবনের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত: খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা—এই পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পাওয়া আপনার জন্মগত অধিকারে পরিণত হবে। এগুলো নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।
    ৩. অর্থনৈতিক নিরাপত্তা: বয়স, অসুস্থতা বা দুর্ঘটনায় কাজ হারানোর ভয় থাকবে না। সমাজ আপনাকে সুরক্ষা দেবে।
    ৪. সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ: আপনার কর্মস্থল বা সম্প্রদায়ের সিদ্ধান্তে আপনার মতামতের মূল্য থাকবে। উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া ব্যবস্থা কমে যাবে।
    ৫. সামাজিক মর্যাদা: সব ধরনের কাজকে সমান মর্যাদা দেওয়া হবে। একজন ডাক্তার, একজন শিক্ষক, একজন কৃষক এবং একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী—সকলের কাজই সমাজের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হবে।
    আমি তো এই জানি . 
  • albert banerjee | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৫738343
  •  পশ্চিমবঙ্গে  মানুষের জন্য ভাতা: একটি বৈশ্বিক ও তুলনামূলক পরিপ্রেক্ষিত

    পশ্চিমবঙ্গ, ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য, যেখানে প্রায় ৩০% মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন। শহর ও গ্রামীণ অঞ্চলে প্রান্তিক গরিব মানুষের সংখ্যা লক্ষণীয়। এই প্রেক্ষাপটে সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে ভাতা বা নগদ হস্তান্তর কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ধরনের কর্মসূচি দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। এই প্রবন্ধে পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে ভাতা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করার পাশাপাশি ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকো, বাংলাদেশ এবং ফিলিপাইনের মতো দেশগুলোর অভিজ্ঞতার তুলনামূলক আলোচনা উপস্থাপন করা হবে।

     বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট: সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে ভাতা ব্যবস্থা

     ব্রাজিল: বোলসা ফ্যামিলিয়া
    ব্রাজিলের "বোলসা ফ্যামিলিয়া" প্রোগ্রাম বিশ্বের অন্যতম সফল নগদ হস্তান্তর কর্মসূচি। ২০০৩ সালে চালু হওয়া এই কর্মসূচি কম আয়ের পরিবারগুলিকে নিয়মিত আর্থিক সাহায্য প্রদান করে, যার শর্ত থাকে শিশুদের স্কুলে উপস্থিতি এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত চেকআপ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে:
    - ২ কোটি ৬০ লাখ পরিবার উপকৃত হয়েছে
    - দারিদ্র্যের হার ২৫% থেকে ৮.৫%-এ নেমে এসেছে
    - শিশুদের স্কুলে উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে
    - অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে

    ব্রাজিলের এই মডেলের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল সরাসরি নগদ হস্তান্তর, শর্তযুক্ত সাহায্য, এবং ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম যা দুর্নীতি হ্রাস করেছে।

     দক্ষিণ আফ্রিকা: সামাজিক ভাতা ব্যবস্থা
    দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে ব্যাপক সামাজিক ভাতা ব্যবস্থা বজায় রেখেছে। বয়স্ক ভাতা, শিশু সমর্থন ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের এক-চতুর্থাংশ লোক উপকৃত হয়। এই ব্যবস্থা:
    - দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে
    - অর্থনৈতিক মন্দায় শক অ্যাবজরবার হিসেবে কাজ করেছে
    - গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থ সঞ্চালন বৃদ্ধি করেছে

    দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা হলো যে সামাজিক সুরক্ষা জাল কেবল মানবিক সাহায্য নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠিও হতে পারে।

     মেক্সিকো: প্রোগ্রেসা/ওপোর্তুনিদাদেস
    মেক্সিকোর প্রোগ্রেসা প্রোগ্রাম (পরবর্তীতে ওপোর্তুনিদাদেস এবং এখন প্রসপেরা) মানব পুঁজি উন্নয়নের উপর ফোকাস করে। এই কর্মসূচি নগদ হস্তান্তরের সাথে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা পরিষেবা উন্নত করার উপর জোর দেয়। ফলাফল:
    - শিশুদের স্কুল থেকে ঝরে পড়ার হার কমেছে
    - পুষ্টির মান উন্নত হয়েছে
    - দীর্ঘমেয়াদী আয় বৃদ্ধি পেয়েছে

     বাংলাদেশ: ভিজিডি এবং ভিজিএফ কর্মসূচি
    বাংলাদেশের ভুলন্টারি গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) এবং ভ্যালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) কর্মসূচি প্রান্তিক নারী ও পরিবারদের লক্ষ্য করে। এসব কর্মসূচি:
    - খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে
    - নারীর ক্ষমতায়নে সহায়তা করেছে
    - সামাজিক নিরাপত্তা জাল তৈরি করেছে

     ফিলিপাইন: প্যানতাও পামিলিয়া পাঙ্গ পাঙ্গারাওয়া প্রোগ্রাম (৪পিএস)
    ফিলিপাইনের ৪পিএস প্রোগ্রাম শর্তযুক্ত নগদ হস্তান্তর ব্যবস্থা যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উপর ফোকাস করে। এই কর্মসূচি:
    - ২০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে কভার করে
    - স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার ব্যবহার বাড়িয়েছে
    - প্রজন্মান্তরে দারিদ্র্য চক্র ভাঙতে সাহায্য করেছে

     পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপট

     অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা
    পশ্চিমবঙ্গে দারিদ্র্য এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জাতীয় নমুনা জরিপ অফিস (এনএসএসও) তথ্য অনুযায়ী:
    - গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার ২৫.৯%
    - শহুরে দারিদ্র্যের হার ১৪.৭%
    - বেকারত্বের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি
    - অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের ব্যাপক অংশ সামাজিক সুরক্ষার বাইরে

      
    তবে এই ব্যবস্থায় ভাতার বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান:
    - অপর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ
    - বিতরণে দুর্নীতি ও ফাঁকফোকর
    - প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে না পৌঁছানো
    - রাজনৈতিক বিবেচনার প্রভাব

     পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক ভাতা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা

    ১. অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস: পশ্চিমবঙ্গে আয় বৈষম্য উদ্বেগজনক। ভাতা ব্যবস্থা আয়ের পুনর্বন্টন করে বৈষম্য কমাতে পারে।

    ২. মহামারী পরবর্তী পুনরুদ্ধার: কোভিড-১৯ মহামারী প্রান্তিক মানুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ভাতা ব্যবস্থা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে।

    ৩. কৃষি সংকট: কৃষি খাতের অনিশ্চয়তা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ঋণের বোঝা কৃষকদের জন্য ভাতা ব্যবস্থা প্রয়োজনীয় করে তুলেছে।

    ৪. শিশু পুষ্টি ও শিক্ষা: দারিদ্র্যের কারণে অনেক শিশু অপুষ্টি ও শিক্ষার বাইরে থাকে। শর্তযুক্ত ভাতা ব্যবস্থা এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করতে পারে।

    ৫. নারীর ক্ষমতায়ন: সরাসরি নগদ হস্তান্তর, বিশেষত নারীদের হাতে, পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ায়। যা হয়েছে

     তুলনামূলক বিশ্লেষণ থেকে শিক্ষা

     সাফল্যের মূল উপাদান
    বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা থেকে যে মূল উপাদানগুলো পশ্চিমবঙ্গের জন্য প্রাসঙ্গিক:

    ১. লক্ষ্যযুক্ত পদ্ধতি: সঠিকভাবে দরিদ্রতম মানুষদের চিহ্নিত করা। ব্রাজিলের ক্যাডাস্ট্রো ঊনিকো (একক রেজিস্ট্রি) এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সোশ্যাল গ্রান্ট সিস্টেম এই বিষয়ে সফল মডেল।

    ২. ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা: সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর দুর্নীতি কমায়। ভারতের জন  ধন-আধার-মোবাইল (জেএএম) ট্রিনিটি এই দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    ৩. নারীর মাধ্যমে হস্তান্তর: বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা বলে যে যখন ভাতা নারীদের হাতে দেওয়া হয়, তখন তা পরিবারের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও শিশু শিক্ষায় বেশি ব্যয় হয়।

    ৪. শর্ত যুক্ত করা: স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সাথে শর্ত যুক্ত করলে দীর্ঘমেয়াদী মানব পুঁজি উন্নয়ন সম্ভব।

    ৫. পুনর্বাসন কর্মসূচির সাথে সংযুক্তি: ভাতা ব্যবস্থার সাথে দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ যুক্ত করতে হবে।

     চ্যালেঞ্জ ও সমাধান
    পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশেষ চ্যালেঞ্জ:
     
    ১. অর্থসংস্থান: রাজ্য বাজেটের সীমাবদ্ধতা। সমাধান: কেন্দ্রীয় সাহায্য???????, নতুন কর সংস্কার এবং অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাস।

    ২. প্রশাসনিক সক্ষমতা: দুর্নীতি ও অদক্ষতা। সমাধান: ডিজিটাল ব্যবস্থা, নাগরিক সমাজের তত্ত্বাবধান এবং স্বচ্ছতা।

    ৩. রাজনৈতিক ইচ্ছা: দীর্ঘমেয়াদী নীতির অভাবে কর্মসূচি স্থায়ী হয় না। সমাধান: দ্বিপক্ষীয় সমর্থন এবং আইনি কাঠামো তৈরি।

    ৪. লক্ষ্যভ্রষ্টতা: প্রকৃত দরিদ্রদের বাদ দিয়ে ভাতা বিতরণ। সমাধান: উন্নত ডাটাবেস এবং নিয়মিত যাচাইকরণ।

     সুপারিশ: পশ্চিমবঙ্গের জন্য একটি টেকসই ভাতা মডেল

    পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে একটি কার্যকর ভাতা ব্যবস্থার জন্য নিম্নলিখিত কাঠামো প্রস্তাবিত:

    ১. সর্বাত্মক সামাজিক সুরক্ষা কর্পাস তৈরি: সমস্ত বিদ্যমান ভাতা কর্মসূচির সমন্বয় করে একটি একক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

    ২. বিশেষ গুরুত্ব: আদিবাসী, অনগ্রসর সম্প্রদায়, অভিবাসী শ্রমিক এবং শহুরে দরিদ্রদের উপর বিশেষ ফোকাস।

    ৩. ডিজিটাল অবকাঠামো: আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ এবং সরাসরি ব্যাংক স্থানান্তর ব্যবস্থা।

    ৪. কৃষি-ভিত্তিক মৌসুমী ভাতা: কৃষি মৌসুমের সময় অতিরিক্ত ভাতা প্রদান।

    ৫. স্বাস্থ্য ও শিক্ষা শর্ত: শিশুদের স্কুলে উপস্থিতি এবং টিকাদানের সাথে ভাতা যুক্ত করা।

    ৬. নিরীক্ষণ ও মূল্যায়ন: স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে নিয়মিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা।

     উপসংহার

    পশ্চিমবঙ্গে প্রান্তিক গরিব মানুষের জন্য একটি কার্যকর ভাতা ব্যবস্থা কেবল মানবিক প্রয়োজনই নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৌশলগত বিনিয়োগও বটে। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে নগদ হস্তান্তর কর্মসূচি দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকোর মতো দেশের সাফল্য থেকে শিক্ষা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব প্রেক্ষাপটে একটি টেকসই মডেল তৈরি করা সম্ভব।

    এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন রাজনৈতিক ইচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং সর্বোপরি প্রান্তিক মানুষের প্রতি প্রকৃত অঙ্গীকার। পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শিক্ষিত জনসংখ্যা এবং সক্রিয় নাগরিক সমাজ এই ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। একটি ন্যায়সংগত ও সমতামূলক সমাজ গঠনের পথে সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে ভাতা ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে, যা কেবল বর্তমান প্রজন্মকেই নয়, ভবিষ্যত প্রজন্মকেও দারিদ্র্যের চক্র থেকে মুক্ত করতে সাহায্য করবে।
     
  • albert banerjee | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৮738344
  • যাচ্ছেতাই স্পষ্ট 
    Echoes Marx's Critique of the Gotha Program (1875) এইটা পড়ে দেখতে পারেন। 
  • albert banerjee | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:২২738345
  • @ট্রাম্প ভক্ত
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি নগদ সহায়তা প্রোগ্রাম: একটি পরিপূর্ণ বিবরণ
    প্রধান নগদ সহায়তা প্রোগ্রামসমূহ
    ১. টেম্পোরারি অ্যাসিসটেন্স ফর নীডি ফ্যামিলিস (TANF)
    TANF হলো নিম্ন-আয়ের পরিবার, বিশেষত শিশুসন্তান আছে এমন পরিবারগুলোর জন্য অস্থায়ী মাসিক নগদ সহায়তা কর্মসূচি। এটি ১৯৯৬ সালে ওয়েলফেয়ার রিফর্মের অংশ হিসেবে চালু হয় এবং সম্পূর্ণরূপে রাজ্যগুলির দ্বারা পরিচালিত ও অর্থায়ন করা হয় (যদিও ফেডারেল ব্লক গ্রান্ট থাকে)। এই সহায়তার পরিমাণ রাজ্যভেদে ব্যাপকভাবে ভিন্ন হয়, সাধারণত মাসিক $৪০০ থেকে $১,০০০ বা তার বেশি হতে পারে, যার মধ্যক মান প্রায় $৫০০। এই প্রোগ্রামের কড়া শর্তাবলীর মধ্যে রয়েছে আজীবনে সর্বোচ্চ ৫ বছরের সময়সীমা এবং কাজের বাধ্যবাধকতা (work requirement)। প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ সুযোগভোগীদেরকে কাজ খোঁজা, চাকরি করা বা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হয়।
    ২. সাপ্লিমেন্টাল সিকিউরিটি ইনকাম (SSI)
    SSI একটি ফেডারেল প্রোগ্রাম যা বয়স্ক (৬৫ বছর বা তার বেশি), প্রতিবন্ধী বা অন্ধ ব্যক্তিদের মাসিক নগদ সহায়তা প্রদান করে, যাদের আয় ও সম্পদ খুবই সীমিত। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ফেডারেল সর্বোচ্চ মাসিক সুবিধা একজন ব্যক্তির জন্য প্রায় $৯৪৩ থেকে $৯৬৭। অনেক রাজ্য এই ফেডারেল অর্থের উপর অতিরিক্ত পরিপূরক (state supplement) যোগ করে। এই প্রোগ্রামের বিশেষত্ব হলো এখানে কাজের বাধ্যবাধকতা নেই, বরং এটি ব্যক্তির অক্ষমতা বা বার্ধক্যের কারণে আয়হীনতাকে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
    ৩. আর্নড ইনকাম ট্যাক্স ক্রেডিট (EITC)
    EITC মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দারিদ্র্য হ্রাস করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী নগদ হস্তান্তর প্রোগ্রাম হিসেবে বিবেচিত। এটি একটি "refundable tax credit", অর্থাৎ এটি শুধুমাত্র প্রদেয় ট্যাক্স কমায় না, বরং যদি ক্রেডিটের পরিমাণ কর দায়িত্বের চেয়ে বেশি হয় তবে বাকি টাকা নগদ হিসাবে ফেরত দেয়। নিম্ন থেকে মধ্যম আয়ের কর্মী পরিবারগুলো এটির প্রধান লক্ষ্য। সুবিধার পরিমাণ পরিবারের আয়, বৈবাহিক অবস্থা এবং সন্তান সংখ্যার উপর নির্ভর করে। সর্বোচ্চ সুবিধা কোনও সন্তান নেই এমন একজন ব্যক্তির জন্য প্রায় $৬৪৯ থেকে ৩ বা ততোধিক সন্তান আছে এমন পরিবারের জন্য $৮,০০০-এর বেশি হতে পারে। এটি কাজকে উৎসাহিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তাই কাজের আয় থাকা বাধ্যতামূলক।
    ৪. চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট (CTC)
    CTC শিশুসন্তান রয়েছে এমন পরিবারগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কর সুবিধা। প্রতি শিশুর জন্য সর্বোচ্চ $২,২০০ ক্রেডিট পাওয়া সম্ভব, যার মধ্যে প্রায় $১,৭০০ রিফান্ডেবল (নগদ ফেরত পাওয়া যায়)। পরিবারগুলি তাদের বার্ষিক ট্যাক্স রিটার্নের মাধ্যমে এই সুবিধা পায়, এবং কিছু ক্ষেত্রে মাসিক অগ্রিম প্রদানও করা হয়েছিল (২০২১-এর সম্প্রসারণের সময়)। এটি শিশু দারিদ্র্য হ্রাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
    ৫. বেকারত্ব বীমা (Unemployment Insurance)
    চাকরি হারানোর পর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অস্থায়ী সাপ্তাহিক নগদ সহায়তা প্রদান করে এই প্রোগ্রাম। এটি মূলত রাজ্যগুলি পরিচালনা করে এবং সুবিধার পরিমাণ, সময়সীমা ও যোগ্যতা রাজ্যভেদে ভিন্ন। সাধারণত সুবিধা প্রদান করা হয় ২৬ সপ্তাহের জন্য, এবং সাপ্তাহিক পরিমাণ $২০০ থেকে $৮০০ বা তার বেশি হতে পারে। এটি পূর্ববর্তী মজুরির একটি অংশ প্রতিস্থাপন করে এবং চাকরি হারানো শ্রমিকদের জন্য একটি জরুরি নিরাপত্তা জাল হিসেবে কাজ করে।
    ৬. সোশ্যাল সিকিউরিটি (Social Security)
    এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক বিস্তৃত নগদ স্থানান্তর প্রোগ্রাম। এটি অবসরপ্রাপ্ত (সাধারণত ৬২ বা ৬৭ বছর বয়সে) বা প্রতিবন্ধী কর্মীদের মাসিক নগদ সুবিধা প্রদান করে। সুবিধার পরিমাণ ব্যক্তির কাজের ইতিহাস এবং মজুরির উপর ভিত্তি করে গণনা করা হয়। গড় মাসিক সুবিধা $১,৯০০-এর বেশি। এটি একটি বীমা-ভিত্তিক প্রোগ্রাম, যেখানে কর্মজীবনে প্রদত্ত পেব্রোল ট্যাক্স (FICA) ভবিষ্যতের সুবিধার অধিকার সৃষ্টি করে।
    ৭. জেনারেল অ্যাসিসটেন্স (General Assistance)
    এটি একক, শিশুহীন, অক্ষম বা চাকরিহীন দরিদ্র ব্যক্তিদের জন্য রাজ্য বা স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহকৃত একটি নিরাপত্তা  প্রোগ্রাম। অনেক রাজ্যে এই প্রোগ্রাম নেই, এবং যেখানে আছে সেখানে সুবিধা খুবই সীমিত—সাধারণত মাসিক $১০০ থেকে $৪০০। এটি প্রায়শই সর্বশেষ অবলম্বন হিসেবে কাজ করে।
    ৮. গ্যারান্টিড ইনকাম পাইলটস (Guaranteed Income Pilots)
    এগুলি সম্প্রতি কিছু শহর ও স্থানীয় সরকার কর্তৃক চালু হওয়া পরীক্ষামূলক কর্মসূচি। এগুলোতে নির্বাচিত দরিদ্র বা মধ্যম-আয়ের পরিবারগুলিকে কোনো শর্ত ছাড়াই (unconditional) মাসিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ নগদ (সাধারণত $৫০০–$১,০০০) প্রদান করা হয়। এটি ফেডারেল প্রোগ্রাম নয়, বরং সার্বজনীন মৌলিক আয়ের ধারণাটি পরীক্ষা করার জন্য গবেষণামূলক প্রকল্প।

     
  • ট্রাম্প ভক্ত | 2603:8001:b102:14fa:634:12cd:af7b:***:*** | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২৩738372
  • এসবের কোন দরকার নেই। তাই এসব তুলে দেওয়া হবে। আরে দেশে যা হয় তার অর্ধেক যদি এই বুড়ো, ওই ল্যাংড়া খেয়ে ফেলে তো শক্ত সমর্থ জোয়ানরা খাবে কি আর দেশ বানাবে কি করে? দেখছেন না নাক চ্যাপ্টা নোংরা চীনেরা আমেরিকাকে কিরকম হার্ড টাইম দিচ্ছে? 
     
    তাই আমাদের প্রেসিডেন্ট চেষ্টা করছেন এসব তুলে দেবার। উনি সফল হবেনই।
  • albert banerjee | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৪২738391
  • ১। বুড়ো, ওই ল্যাংড়া লোকেদের শ্রমকে পুঁজি করে যুবকরা আবার বুড়ো, ওই ল্যাংড়া হয় .
    ২।  দেশ বানাবে?  কোনো প্ল্যান আছে USA এগ্রিমেন্ট টা কি? 
    ৩। "নাক চ্যাপ্টা নোংরা চীনেরা এই কথাগুলো" ।.......যা হোক সেটা আপনার চেতনার উপর . 
    ৪।  "দেখছেন না নাক চ্যাপ্টা নোংরা চীনেরা আমেরিকাকে কিরকম হার্ড টাইম দিচ্ছে"
    জয় নাবাবা আমেরিকার জয়। 
    আপনি এমিলি জোলার লেখা গুলো পড়ে দেখতে পারেন। https://www.gutenberg.org/ebooks/author/528
     
    [সম্পদের কেন্দ্রীভবন: পুঁজিবাদের স্বভাবই হলো—সম্পদ ক্রমশ কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়া। ছোট কারখানা বড় কারখানার কাছে দেউলিয়া হয়, ছোট দোকান মলের কাছে হার মানে। ফলে সম্পদ দিন দিন আরও কম হাতে জমা হয়।
    ফলে, পুঁজিবাদে সম্পদের পিরামিড তৈরি হয়—সবার উপরে একদল পুঁজিপতি, তার নিচে মধ্যমস্তরের কিছু কর্মচারী ও পেশাজীবী, এবং সর্বনিম্নে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষ, যারা সমাজের বেশিরভাগ সম্পদ উৎপাদন করেও সবচেয়ে কম ভোগ করে।]
     
    আর এরিক মারিয়া রেমার্ক         https://openlibrary.org/authors/OL122169A/Erich_Maria_Remarque
     
    "প্রাচীন কাল থেকে চলে আসা গো বলয়ের বাঙালি বিদ্বেষ, ২০২৫-২৬ সালের বিশেষ তীব্র সংশোধনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি নতুন ও ভয়ঙ্কর প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক বিষয় নয়, বরং এটি একটি সভ্যতা, একটি ভাষা, এবং কয়েক কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার উপর সুপরিকল্পিত আক্রমণ। বাংলা ও বাঙালির বহুত্ববাদী, সমন্বয়বাদী, এবং প্রগতিশীল চেতনা ভারতীয় গণতন্ত্র ও সমাজের জন্য একটি অমূল্য সম্পদ।"
     
     
    দয়া করে পড়বেন এ এক সবিনয় অনুরোধ 
  • ট্রাম্প ভক্ত | 2603:8001:b102:14fa:347a:829b:758:***:*** | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:০৫738397
  • জোয়ান বয়েসে যদি না জমায়, ফুর্তি করে টাকা ফুঁকে দেয় তো বুড়ো বয়েসে রাস্তায় পড়ে মরবে। কারো কিছু করার নেই। ওইসব অপব্যয়ী লোকের জন্য দেশের ভবিষ্যত গোল্লায় দেবে নাকি? 
     
    সম্পদ কেন্দ্রীভূত হওয়াই উচিত। প্রতিভাধর লোকেরাই সম্পদের আসল অধিকারী। বাকিরা দিন আনবে দিন খাবে, ব্যস। না আনতে পারলে খানায় পড়ে মরবে।
     
    এইসব অপ্রয়োজনীয় বোঝা দেশের ঘাড় থেকে নেমে গেলেই দেশের উন্নতি হবে। সেই জন্যেই তো অন্য সব দেশ আমেরিকার ভয়ে কেঁউ কেঁউ করছে।
  • kk | 172.58.***.*** | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:২৮738398
  • এহে, জোলা সাহেব এমিলি নন, এমিল। টাইপো মনে হয়?
  • albert banerjee | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫০738402
  • অনুবাদে ভুল। এমিল টাই ঠিক @ kk
  • albert banerjee | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৩738403
  • @  ট্রাম্প ভক্ত দেশের ভবিষ্যত নয় ওটা হবে পুঁজিবাদী দের কেন্দ্রীভূত করণ .
  • albert banerjee | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১৪738404
  •  @ ট্রাম্প ভক্ত

    পুঁজিবাদের দুনিয়ায় একটি মজার (আর ভয়ঙ্কর) নিয়ম আছে: "টাকা টাকাকে টেনে আনে, আর গরিবিকে আরও গরিব বানায়।" বাংলায় বললে, "সব মাল একজনের ঠ্যালা"। অর্থাৎ, খেলার শেষে যখন মনোপলি বোর্ড গুটিয়ে ফেলার সময় হয়, তখন দেখবেন সব হোটেল-প্রোপার্টিগুলো শুধু একজনের হাতে, বাকি সবাই দেউলিয়া হয়ে চিৎপটাং শুয়ে আছে। পুঁজিবাদের ইতিহাসটা অনেকটা এই মনোপলি খেলার মতোই, যেখানে প্রথম দিকে সবাই কিছুটা সমান ছিল, কিন্তু শেষে টাকাগুলো গিয়ে জমা হয় কয়েকটা কালো স্যুটের পকেটে।

     স্টেজ ১: যখন পুঁজিবাদ ছিল "ছোট্ট সুন্দর" (খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য!)

    শিল্প বিপ্লবের শুরুতে ভাবা হতো, "ওহে কী মজা! ছোট ছোট কারখানা, প্রত্যেকটা কারিগর নিজের মালিক, মুক্ত বাজার!" কিন্তু সমস্যা হলো, পুঁজিবাদীদের মনটা "ছোট্ট সুন্দর" জিনিস পছন্দ করে না। তাদের মন চায় "বড়, আরও বড়, বিশাল বিশালাকার"। যেমন আপনার প্রতিবেশী মুদি দোকানির দোকানটা প্রথমে ছিল ১০x১০ ফুট। তারপর সে ওপেন করলো "সুপার শপ"। তারপর "হাইপার মার্কেট"। তারপর একদিন দেখবেন সেটা হয়ে গেছে "রহিম মেগা-মল অ্যান্ড স্পেস স্টেশন"। বাকি সব মুদির দোকান? হয় কিনে নিয়েছে, নয়তো দেউলিয়া করে দিয়েছে। ইতিহাসে এর প্রথম দিকের উদাহরণ হলো ১৯শ শতকের রেলপথ কেলেঙ্কারী।

    উদাহরণ ১: রবিবার রোবার্টসের রেলরোড রম্প
    ধরুন, ১৮৬০ সালের আমেরিকা। জন রবি রোবার্টস নামের এক ভদ্রলোক (যার আসল নাম সম্ভবত "রাক্ষুসে রবি") ভাবলেন, "রেলপথ বানালে তো দেশের উন্নতি হবে! আহা কী পবিত্র উদ্দেশ্য!" কিন্তু তার আসল উদ্দেশ্য ছিল: ১) সরকার থেকে জমি দখল, ২) ছোট কোম্পানিগুলোকে ধ্বংস করা, ৩) দাম বাড়িয়ে ভোক্তার রক্ত চুষে নেওয়া। রবি আর তার বন্ধুরা (যাদের নাম ছিল ভ্যান্ডারবিল্ট, গোল্ড, ফিস্ক—সবাই নামের শেষে "লুটেরা" যোগ করলে মিলতো) মিলে রেলপথের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নিলেন। তারা ইচ্ছামতো ভাড়া বাড়াতেন, নিরাপত্তার নামে কাঁচা পাত তুলে দিতেন, আর দুর্ঘটনা হলে বলতেন, "ওহ, ঈশ্বরের ইচ্ছা!" এভাবে সব ছোট রেল কোম্পানি গিলে ফেলে তারা হয়েছিলেন "রেলরোড টাইকুন"। টাকাটা তাই কেন্দ্রীভূত হলো কয়েকজনের হাতে, আর সাধারণ যাত্রীরা ট্রেনে বসার জায়গা পেত না।

     স্টেজ ২: "কার্টেল-মাফিয়া" যুগ: যখন শিল্পপতিরা সভ্যতা ছেড়ে গ্যাংস্টার বনে গেলেন

    ১৯শ শতকের শেষে ও ২০শ শতকের শুরুতে পুঁজিবাদীরা আবিষ্কার করলেন "মোনোপলি" আর "কার্টেল" নামের জাদুকরী খেলা। নিয়ম সহজ: প্রতিযোগীকে কিনে নাও, না হলে তাকে দেউলিয়া করে দাও, আর রাজি করাতে না পারলে... আচ্ছা, তখনকার আইনটা ছিল অনেকটা জঙ্গলের আইনের মতো।

    উদাহরণ ২: রকফেলার আর তাঁর "তেল-ই খেলা"
    জন ডি. রকফেলার—নামটা শুনলে মনে হয় কেউ একজন পাহাড় থেকে ফেল দিচ্ছেন। কিন্তু না, তিনি তেল ফেলছিলেন না, বরং আমেরিকার ৯০% তেল নিজের মুঠোয় নিয়ে ফেলছিলেন তাঁর কোম্পানি স্ট্যান্ডার্ড অয়েলের মাধ্যমে। তাঁর কৌশল ছিল অসাধারণ! তিনি রেল কোম্পানিগুলোকে টাকা দিতেন যাতে তারা তাঁর প্রতিযোগীদের বেশি ভাড়া নেয়। তিনি ছোট তেলশোধনাগারগুলোকে বলে দিতেন, "ভাই, তোমার কোম্পানি আমার কাছে বিক্রি কর, নইলে আমি দাম এত কমিয়ে দেব যে তুমি দেউলিয়া হয়ে যাবে!" অনেকটা যেমন আপনার এলাকার "জলের  দোকানি" বলবে, "আমার কাছ থেকে জল কিনবে, নাহলে আমি বৃষ্টি বন্ধ করে দেব!" শেষমেশ রকফেলার একাই হয়ে গেলেন "তেলের সম্রাট"। সরকার কিছু করতে পারত না কারণ... ওহ, তারাই তো তখন আইন!

     স্টেজ ৩: আধুনিক যুগ: "টেক জায়ান্ট" আর তাদের "মুঠোফোনে বিশ্ব দখল"

    আপনি ভাবছেন, "এসব তো গল্প, এখন আর হয় না!" হাহাহা... এখন হয় আরও সূক্ষ্মভাবে! আজকের পুঁজিবাদীরা স্যুট-টাই পরে না, তারা পরেন হুডি আর জিন্স। তাদের অফিসে টেবিল টেনিস আর ফ্রি স্ন্যাকস। কিন্তু কেন্দ্রীভূতকরণের খেলা আগের চেয়ে দ্রুতগতির।

    উদাহরণ ৩: জেফ বেজোস আর তাঁর "সবকিছুই আমার দোকান"
    জেফ বেজোস শুরু করেছিলেন একটা অনলাইন বইয়ের দোকান দিয়ে। আজ অ্যামাজন কি বিক্রি করে না? বই, ইলেকট্রনিক্স, গ্রোসারি, ক্লাউড সেবা, সম্ভবত আগামীকাল তারা বিক্রি শুরু করবে চাঁদ আর মঙ্গলগ্রহের বাড়ি! কীভাবে? প্রথমে ক্ষতি স্বীকার করে দাম কমিয়ে সব ছোট দোকান দেউলিয়া করা। তারপর যখন একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ, তখন দাম বাড়ানো। এটাই নিয়ম! অ্যামাজন আজ শুধু একটি কোম্পানি নয়, এটি একটি ইকোসিস্টেম—যার ভেতরে আপনি বাঁচেন, শ্বাস নেন আর কেনাকাটা করেন। আর বেজোস মহাশয় প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ টাকা কামাচ্ছেন, তাতে করে যদি তিনি নোট ছুড়ে মারতেন, তাহলে সেটা হবে আমাদের জন্য বৃষ্টির মতো!

    উদাহরণ ৪: মার্ক জুকারবার্গ আর "বন্ধুত্বের ফাঁদ"
    ফেসবুক শুরু হয়েছিল হার্ভার্ডের ছাত্রদের রেটিং দেওয়ার একটা ওয়েবসাইট হিসেবে। আজ এটি ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ওকুলাস—সব গিলে ফেলেছে। ছোট ছোট স্টার্টআপগুলোকে হয় কিনে নেয়, নয়তো কপি করে । এটা অনেকটা এমন যে, আপনি রান্না করে একটি দোকান খুললেন, তারপরে এলাকার সবচেয়ে বড় রেস্টুরেন্ট মালিক এসে বলল, "চমৎকার রেসিপি! এখন এটা আমার, আর তুমি চাকরি করো আমার রান্নাঘরে।"

     কেন্দ্রীভূতকরণের ফলাফল: "ধনীর গদি ফুলে ওঠে, গরিবের পকেট ছিদ্র হয়"

    এই কেন্দ্রীভূতকরণের ফলে কী হয়?
    ১. ধনবৈষম্য: পৃথিবীর ৮ জন মানুষের সম্পদ পৃথিবীর অর্ধেক জনগণের সম্পদের সমান। ধরুন, একটি রেস্টুরেন্টে ১০০ জনের জন্য ১০০টা চপ আছে। তার মধ্যে ৮ জন নিয়ে নিল ৫০টা। বাকি ৯২ জনকে ভাগ করে নিতে হবে বাকি ৫০টা। আর সেই ৮ জনের একজন বলবে, "দেখো, আমি পরিশ্রম করেই এগুলো পেয়েছি!"
    ২. রাজনৈতিক ক্ষমতা: যখন টাকা থাকে, তখন আইন কেনা যায়, সরকার কেনা যায়, এমনকি যুদ্ধও কেনা যায়! ১৯ শতকে শিল্পপতিরা সিনেটর কিনতেন পকেটমার দরে। আজকে লবিস্ট আর ডোনেশন দিয়ে কাজ হয়।
    ৩. সংস্কৃতি একরূপতা: যখন সব মিডিয়া, সব মুভি স্টুডিও, সব সংবাদ মাধ্যম কয়েকটা কর্পোরেশনের হাতে, তখন সবাই একই রকমের গান শোনে, একই রকমের সংবাদ শোনে, আর একই রকমের চিন্তা করে। পুঁজিবাদী একচেটিয়াতা মনের জগতেও ঢুকে পড়ে!

     
    পুঁজিবাদের এই কেন্দ্রীভূতকরণের খেলা এক দিক দিয়ে দেখতে খুবই বোকাবোকা লাগে। যেন একদল মানুষ মিলে স্রেফ টাকার পাহাড় গড়ছেন, শুধু এই সুখে যে "আমার পাহাড় তোমার পাহাড়ের চেয়ে বড়!" কিন্তু এর বিপদটা হলো, যখন সব টাকা গিয়ে জমে কয়েকজনের হাতে, তখন অর্থনীতির চাকা ঘোরে না, সমাজে অসন্তোষ বাড়ে, আর শেষমেষ বিপ্লব বা সংকট আসে।

    ইতিহাস কিন্তু একটু বেখেয়ালি। ১৯২৯ সালের মহামন্দা, ২০০৮ সালের আর্থিক সংকট—এসবই হলো এই অতিরিক্ত কেন্দ্রীভূতকরণের ফল। প্রতি বারই সরকার কিছু নিয়মকানুন চাপায় (এন্টি-ট্রাস্ট আইন, ট্যাক্স), আর পুঁজিবাদীরা নতুন নতুন ফাঁক বের করে আবার সেই খেলা শুরু করে।

    তাই, পরের বার যখন আপনি শুনবেন যে আরেকটা কোম্পানি আরেকটা কোম্পানি কিনে নিল, তখন ভাববেন: "আহা, আরেকটা টোকেন গেল মনোপলির সেই কয়েকটা হাতের দিকে!" আর যদি আপনি নিজেই একজন পুঁজিবাদী হয়ে থাকেন, তাহলে... আরে ভাই, দয়া করে এই লেখাটি পড়বেন না, আপনি ব্যস্ত থাকুন আরও শেয়ার কিনতে!
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন