এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সমোস্কিতি

  • লজিকাল ডিস্ক্রিপান্সি সংক্রান্ত অভিযোগের কিছু উদাহরণ

    বোদাগু 
    সমোস্কিতি | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ৩১৮ বার পঠিত
  • এস আই আর ২০০২ বনাম এস আই আর ২০২৬
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:a923:299d:a8ef:d434:***:*** | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:০৮746575
  • লজিকাল ডিসক্রিপান্সির কিছু উদাহরণ এইখানে তালিকা করব। তালিকা করে লাভ ? কোনো লাভ নেই, সুপ্রীম কোর্টের আজকের রায় নিয়ে কিছু হই হই , ব্যাক স্ল্যাপিং হলেও, লজিকাল ডিসক্রিপান্সি যে নিয়ম গুলির ভিত্তিতে করা হচ্ছে, সেগুলির বদলের খবর এখনো আসে নি। তাও এই টই কেন? কারণ সোশাল মেডিয়ায় অভিযোগ ঘুরছে। কিছু উদা দিয়ে একটা রেকর্ড রাখা , যে ভারতীয় প্রজাতন্ত্র জলে ডোবার মুহুর্ত টিতে , তার বানান সমস্যার অবস্থা কি ছিল :-((
     
     
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:a923:299d:a8ef:d434:***:*** | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:১৬746576
  • সাধারণ ভাবে, সকলেই হয়তো খেয়াল করেছেন , আনম্যাপ্ড বা লজিকাল ডিসক্রিপান্সি তে হিয়ারিং এ ডাক পাওয়া অনেকেই তাঁদের অভিযোগ জানাচ্ছেন।  
     
    - এই ফেসবুক হ্যান্ডল টি, খুব ই যুক্তিপুর্ণ ভাবে সমস্যা গুলির কিছু প্যাটার্ন এর কথা আলোচনা করেছেন।  
     
    https://www.facebook.com/share/v/1AS7ZoA2SX/
     
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:a923:299d:a8ef:d434:***:*** | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:২৬746577
  • পশ্চিম বংগে ২০০২ এর ভোটার লিস্ট বলে এখন যা পাওয়া যাছে কমিশনের ওয়েবসাইটে, সেগুলি বাংলায় লেখা। এবং ২০২৫  / ২০২৬ এ ভোটার লিস্ট ইংরেজি ও বাংলা দুটোতেই পাওয়া যাচ্ছে। তো সম্ভবতঃ পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধরে নেওয়া খুব অযৌক্তিক হবে না, যে কমিশন কোনো ভাবে এই লিস্ট ট্রান্সলিটারেট করেছে , বাংলা থেকে ইংরেজি তে। তো এতে নামের কিছু সমস্যা ঘটেছে। এবং সেটা তথাকথিত লজিকাল ডিসক্রিপান্সির ভিত্তি। এখন প্রযুক্তির দিক থেকে ভাবলে, এটা এনুমারেশন ফর্মে আসা তথ্যের ভিত্তিতে কারেকশন প্রযুক্তির ভিত্তিতে করা হল না কেন, বা যদি যাচাই করতেই হয়, আরো অনেক বেশি সময় দেওয়া হছে না কেন তার কোনো সদুত্তর বাঙালি পায় নি।  অবশ্য শুধু গতি শ্লথ করলেই,, যেটা বলচিহ্লাম, অনুবাদের সমস্যা সামান্য মিটলেও, গ্রহণ যোগ্য নথি এবং প্রোজেনির নতুন আমদানী করা  নিয়মের কিছু যায় আসে না।    
  • বোদাগু (আদি) | 2406:b400:1a:a923:299d:a8ef:d434:***:*** | ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৫746578
  • কিছু নামের বানান এ সম্ভবত ট্রানলিটারেশন এ নানাবিধ বইচিত্র তৈরী হয়েছে সমস্যা বেড়েছে। এবং এর পরে এনুমারেশন ফর্মে অন্য বিশেষ বানান বা টাইপো, বা স্ক্যানে ভুল , ওসি আর এ বদলানো সব ই হতে পারে। এগুলি বাদ দেওয়ার প্রচেষ্টায় কমিশন আন্তরিক হলে, এ আই এর এক কোটি সাইত্রিশ লক্ষ লজিকাল ডিসক্রিপান্সি, যেটা কোনো কোনো সূত্র বলছে ৯৪ লক্ষে নেমেছে, সেটা আরো নামতো।  নীচের বানান ​​​​​​​বইচিত্রের ​​​​​​​তালিকাটি ​​​​​​​দেখার ​​​​​​​সময় ​​​​​​​মনে ​​​​​​​রাখ্বেন স্বরবর্ণ ​​​​​​​, ব্যঞ্জন ​​​​​​​বর্ন, ​​​​​​​ভাওয়েল কনোসোনান্ট  এর পার্মুটেশন বা  ফোনেটিক ভ্যারিশেন ​​​​​​​নিয়ে ​​​​​​​অংক ​​​​​​​করলে আরো ​​​​​​​অনেক ​​​​​​​ভ্যারিয়েশন ​​​​​​​আসবে। এবার একই পরিবারের দুজন লোকের বা বাবার নাম বা নিজের ভোটারের নামে বানানএর ভ্যারিয়েশন এলে সমস্যা হবে , ​​​​​​​সমস্যা ​​​​​​​মানে ​​​​​​​লজিকাল ​​​​​​​ডিসক্রিপান্সি ​​​​​​​তে ​​​​​​​হিয়ারিং ​​​​​​​এর ঝামেলা ​​​​​​​হতে ​​​​​​​পারে। 
     
    ​​​​​​​আর ​​​​​​​আমি ​খালি চোখে তিন ​​​​​​​টি ​পরিচিত ​​​​​​​পাড়ার পরিচিত ​​​​​​​বুথের ​​​​​​​বানান ​​​​​​​দেখছি ​​​​​​​মাত্র , 2002 e বাংলায় এবং ২০২৬ এ ইংরেজিতে। ​​​​​​চোখে দেখলাম মাত্র , ​কোড ​​​​​​​লিখিনি, স্কেল করিনি​, ​​​​​​​এরকম ​​​​​​​৭০০০০ এর ​​​​​​​উপরে ​​​​​​​বুথ ​​​​​​​আছে। এখন ​​​​​​​এই ​​​​​​​বানান ​​​​​​​বিভ্রাট ​​​​​​​দিয়ে ​​​​​​​লোকের নাগরিকত্ত্ব ​​​​​​​যাবার ​​​​​​​উপক্রম ​​​​​​​হয় ​​​​​​​কিনা ​​​​​​​দেখতে ​​​​​​​হবে। 
     
    আমি ​​​​​​হিন্দু ​​​​​​​হওয়াতে ​​​​​​​মুসলমান ​​​​​​​নাম ​​​​​​​সম্পর্কে ​​​​​​​​ধারণা ​​​​​​​বিশেষ ​​​​​​​না ​​​​​​​থাকাতে,  তাই ​​​​​​​আমি ​​​​​​​যেটাকে ​​​​​​​এক ​​​​​​​নামের ​​​​​​​ভ্যারিয়েশন ​​​​​​​বলে ​​​​​​​ধরছি, ​​​​​​​সেটা ​​​​​​​আলাদা ​​​​​​​নাম ​​​​​​​হতে ​​​​​​​পারে। ​​​​​​​
     
    - Ibrahim,Ebrahim
    - dasgupta, dasgupt , das gupt
    - begum, begam
    - sekh, shekh, shek, sk, saiekh
    - hak, hoque, haq, haque
    - khatun, khatoon, 
    - mohammad, md, md. , mahammad
    - hosen, hossain, hussain
    -- salauddin kaderi salaauddinkadere  -- এরকম অসংখ্য আছে , মাঝে স্পেস থাকা বা না থাকা দিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাতিল হওয়া টা খুব ই বিচিত্র হবে
    - patra , patar , patra  - সম্ভবত একজনের নামের ই তিনটে ভ্যারিয়েশন পেলাম, একই লিস্টে, একই পরিবারের তিনজনের ক্ষেত্রে। 
    - মতিন, matain
    - siddiqui, siddique, siddiki
    - সম্পর্কের কলাম ফাঁকা এরকম কিছু পাছি। নির্বাচন কমিশনের ভুল না এনুমারেশন ফর্মের ভুল বলা সম্ভব হবে যদি বি এল ও বা বি এল এ বা ভোটার নিজে জমা দেওয়া ফর্মের কপি রাখতে পারেন। 
    - rab , rob 
     
    ইত্যাদি। 
     
    প্রতিবারের ভোটে, যে কোনো সাইজের ভোটার লিস্টে এরকম ভ্যারিয়েশন পাওয়া অসম্ভব না, তবে এর আগে তালিকা কোন হুমকি সহ আসে নি, এমন কি ২০০২ এও আসেনি। 
     
     
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:46c:446d:4534:1c78:***:*** | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:০২746582
  • গতকালের রায় এখনো পুরোটা পড়তে পারিনি। কিছু ইমার্সড রিপোর্ট পড়লাম।
    - প্রথমতঃ রায় মানুষের জন্য সামান্য হলে ও সদর্থক। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই জন্য তৃণমূলের ধন্যবাদ প্রাপ্য। তবে প।তারা নিজেদের এত ধন্যবাদ দিচ্ছেন যে লোকের মনে রতে পারে.হয়রানি শেষ। তার কোনো ইঙ্গিত নে ই। 
    - লজিকাল ডিসক্রিপান্সির ঈজে বাজে নিয়মগুলি কমিশন এই রায়ের ফলে প্রকাশ করবে। খিন্তু যেটা বাধ্যতামূবক এবং সময় নির্ধারিত কিনা রায় পড়ে আমি বুঝিনি।
    - লজিকাল ডিসক্রিপান্সির নিয়ম বা গ্রহণযোগ্য কাগজের নিয়ম বার বার বদলানোর ভিরুদ্ধে কথা উঠেছে মামলায় , কিন্তু এ ব্যাপারে কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করে কোনো বাক্য দেখিনি 
    - যে দেশে এত স্কুল ড্রপ আউট, সেখানে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ডের গ্রহণযোগ্যতা এসেছে ভালৌ কথা , ঐ অব্দি তো বাল লোকে পৌঁছয় ই না। তাদের জন্ম শংসাপত্র হিসেবে অন্য কিছুর ব্যবস্থা করতে হবে।
    - তৃণমূল বরাবর হিয়ারিং এ এজেন্ট উপস্থিত রাখাফ পক্ষে বলেছে।.সুতরাং এটা তাদের জয় যে সে ব্যাপারে অস্ত্যর্থক রায় হয়েজে, এমনকি উকিল নিয়ে ও হিয়ারিং এ যা ওয়া যাবে। বাদ পড়া বা সন্দেহজনক ভোটার চিহ্নিত করার যে প্রোজেনি, 2002 এর তালিকার ম্যকপিং এর মূল ঘাপলা সে বিষয়ে পরিবর্তনের বানস্থগিতাদেশের কথা রায়ে নে ই। এমনকি ছয় সন্তানের বিষয়টা  বা নামের বানানের ফোনেটিক ট্রানসলিটারেট করার ফলে উদ্ভুত ডিসক্রিপান্সির বাতিল করার কোনো নির্দেশ আসেনি।
     
    অর্ডার পড়া শেষ হলে নতুন কিছু থাকলে বলছি। অন্য রাজ্যে এসব লজিকাল ডিসক্রিপান্সি র বাড়াবাড়ির বালা ই নে ই , এই দ্বিচারিতা বন্ধে কোনো পার্টি কোনো আবেদন করৃছে কিনা জানিনা। 
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:46c:36ec:ef79:9afd:***:*** | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:২৩746585
  • বাদানুবাদের রিপোর্টিং
  • albert banerjee | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৪৮746587
  •  সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা: প্রশ্ন স্বচ্ছতা ও রাজনীতির 

    ১.৪ কোটি ভোটার 'যুক্তিগত অসঙ্গতি'-র তকমায়, আদালতের নির্দেশে কিছু ছাড়, কিন্তু অস্বস্তি থেকেই যাচ্ছে 

    সংক্ষিপ্ত সার: 
    ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় 'যুক্তিগত অসঙ্গতি' চিহ্নিত প্রায় ১.৩৬ কোটি ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ না দিয়ে, তাঁদের দলিল জমা ও শুনানির সুযোগ দিতে নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ (প্রধান বিচারপতিসহ) ১৯ জানুয়ারি এক আদেশে এই প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করতে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের হুকুম দেন। তবে, এই বিশাল সংখ্যক ভোটারকে একবারে 'সন্দেহজনক' তালিকাভুক্তির যৌক্তিকতা ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে গভীর সংশয় থেকে যায়। 

    আদালতের প্রধান নির্দেশাবলি: 
    ১. তালিকা প্রকাশ: যাদের নাম 'যুক্তিগত অসঙ্গতি' বিভাগে (যেমন—পিতার নামে গরমিল, পিতামাতার বয়সে অসামঞ্জস্য, ৬-এর বেশি সন্তান ইত্যাদি) রাখা হয়েছে, তাদের নাম গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক কার্যালয় ও শহরের ওয়ার্ড অফিসে প্রদর্শন করতে হবে। 
    ২. দাবি জানানোর সুযোগ: প্রভাবিত ব্যক্তি নিজে বা বুথ লেভেল এজেন্টসহ একজন অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে দলিল/আপত্তি জমা দিতে পারবেন।
    ৩. সময় বাড়ানো: তালিকা প্রকাশের তারিখ থেকে নির্বাচন কমিশন অতিরিক্ত ১০ দিন সময় দেবে দাবি জমা দেওয়ার জন্য। 
    ৪. কর্মী ও নিরাপত্তা: রাজ্য সরকার নির্বাচন কমিশনকে পর্যাপ্ত কর্মী দেবে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপাররা শৃঙ্খলা ও সুচারু প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবেন। 
    ৫. ব্যক্তিগত শুনানি: প্রভাবিত ব্যক্তি বা প্রতিনিধির ব্যক্তিগত শুনানিরও ব্যবস্থা করতে হবে। 
    ৬. নথি হিসেবে মাধ্যমিক প্রশংসাপত্র: জন্মতারিখ প্রমাণে মাধ্যমিক (ম্যাট্রিক) প্রবেশপত্রও জমা দেওয়া যাবে। 

    গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক প্রশ্নাবলি: 
    ১. প্রশাসনিক দক্ষতা: এত স্বল্প সময়ে (২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরবর্তী শুনানি) এত বিপুল সংখ্যক দাবি পর্যালোচনা ও শুনানি পরিচালনা কি আদৌ সম্ভব? স্থানীয় পর্যায়ে কি যথেষ্ট পরিকাঠামো ও দক্ষ কর্মী রয়েছে? 
    ২. রাজনৈতিক ছায়া: কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, এই 'যুক্তিগত অসঙ্গতি' চিহ্নিতকরণ কি নিরপেক্ষ ছিল? বিরোধী দলগুলি যে ভোটার দমনের আশঙ্কা করছে, আদালতের এই নির্দেশ কি তাকে কাটিয়ে উঠতে পারবে? 
    ৩. তথ্যের সূত্র: পিতামাতার বয়স, সন্তানের সংখ্যার মতো ব্যক্তিগত তথ্য নির্বাচন কমিশনের হাতে এল কীভাবে? এর ডেটা প্রাইভেসি ও সঠিকতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই কি? 
    ৪. নাগরিকের দায়: ভোটার তালিকা সংশোধনের দায় কি শুধু নাগরিকের? প্রশাসনের কি দায়িত্ব নেই ভুল তথ্য শোধরানোর আগে নাগরিককে যথাযথ নোটিস ও সুযোগ দেওয়ার? 
    ৫. দীর্ঘমেয়াদি সমাধান: বারবার ভোটার তালিকা বিতর্কের মধ্যে পড়ার পরেও, একটি স্থায়ী, স্বচ্ছ ও নিয়মিত  প্রক্রিয়া কেন গড়ে উঠছে না? 

    মন্তব্য: 
    সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ নাগরিকদের অধিকার রক্ষার একটি সক্রিয় পদক্ষেপ। তবে, আদালতকেও স্বীকার করতে হয়েছে যে প্রক্রিয়াটি 'জটিল'। শেষ পর্যন্ত, ভোটার তালিকা কোনো প্রযুক্তিগত বা প্রশাসনিক ব্যায়ারোক্রেসি নয়; এটি গণতন্ত্রের ভিত্তি। এর প্রতি আস্থা টিকিয়ে রাখতে হবে সব রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়। পশ্চিমবঙ্গের এই মামলা সমগ্র দেশের জন্য একটি টেস্ট কেস হয়ে দাঁড়িয়েছে—ভোটার তালিকা নিয়ে কোন পথে হাঁটবে ভারতের গণতন্ত্র? 

    পরবর্তী পালা: 
    মামলার পরবর্তী শুনানি ২৩ ফেব্রুয়ারি। তখনই স্পষ্ট হবে আদালতের নির্দেশ কতটা কাজে লাগল এবং ভোটারদের ভাগ্যে কী হয়।
     
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:46c:36ec:ef79:9afd:***:*** | ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৫৬746588
  • অর্ডার পড়লে দেখা যাবেঃ 
    - আনম্যাপড ও লজিকাল ডিসক্রিপান্সি আছো ,যাদের হিয়ারিং হচ্ছে তাদের লিস্ট টাঙানোর কথা বলা আছে। তবৌ may be ব্যবহার করা হয়েছে, must be না।
    - অথরাইজড প্রতিনিধি সঙ্গে নিয়ৈ নিয়ে হিয়ারিং উপস্থিত হওয়া যাবে বলা আছে। 
    - জমাপড়া ডকুমেন্টের রসিদ দিতে হবে বলা রয়েছে। গণশক্তি কমেন্ট করেছে তার.রিপোর্টে যে এতে 14 ই ফেব্রুয়াির পরে বাদ পড়ক নাগরিকেরা মামলা অন্তত করতে পারবেন।
    - মাধ্যমীক অ্যাডমিট কার্ড নে ওয়া যাবে
     
    যা নেই কিন্তু আলোচিত হয়েছেঃ 
    - আগে বলছিলাম, লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তিনটে আজব কারণ, 
    ---বেশি বয়সের বা অল্প বয়েসের বাবা মা হলে 
    সন্দেহজনক
    ----ছয় ভাই বোন হলে নোটিশ পাবে
    ওগুলি সরাসরি সংবিধান বিরোধী, কিনিতে ককপিল.সিবাল দোর বলা সত্ত্বে ও , এই নিয়ম পাবলিশ করার কথা বলা সত্তে ও , নিয়মের.ভিত্তি বা ঈন্য রাজ্যে এসব হয়েছে কিনা সেসভ নে কোনো কথা অর্ডারে নেই।
     
    আমার মন্তব্যঃ 
    - এই অর্ডারে নোটিশের.সংখ্যা কমবে না। অপেক্ষাকৃত ভাবে একটা শুনানি তে মিটবে সেরকম সম্ভাব সংখ্যা রয়তো কিছু বাড়বে।
    - রসিদের বিষয় টা আর মাধ্যমূক অ্যাডমিট কার্ডের বিষয় টা ছাড়া এস.আই আর রাজ্য ভিত্তিক আরবিট্রারিনেস কিছু বদলায় নি।
    - ট্রানসলিটারেশনের জন্য বানান অমিলের কথা উকিলরা ও বলেনি , অর্ডারে ও কিছু নে ই। এতে  ওটিশ.বহু কমতল।
    -- যাদের হিঘারিং হয়ে গেছে তারা এখন মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড আবার দেখাতে পারবে কিনা বলা নেই।
    -  বাদ পড়া লোকের নতুন ভাবে জোড়ার কাজ কিভাবে হবে বলা নে ই।
    - বাল্ক ডিলিশন বা বাল্ক অ্যাডিশন কোনোটার ই এর  আটকানোর কোনো রাস্তার কোনো দিশী নে ই। এটা আপাতত তৃণমূল.জমায়েত করে আটকাচ্ছে , এবীরমহয় বিষয়টা আনলা ইনে হবে বা ফেব্রুয়ারির হিয়ারিং এ এ ভিষয়ে বিজোপি নাকি কান্না গেয়ে অ্যাডভান্টেজ পাবে। 
    - বামে দের জমা দে ওয়ক মৃতের তালিকা র প্রসঙ্গ আলোচিত এই মামলাতে হয় নি। ইসি আ ই কোনো লোক প্শ্ন ও করেনি, ইতিমধ্যে নন বাল্ক এন
    ন্ট্রির কি অবস্থা, প্রসেসিং কি ভাবে এগোচ্ছে।
    - এই অর্ডারে সরকারের ইউনিভারস্আল ফ্রাঞচাইজ এর মূলে আঘাত করার যে চক্রান্ত তা নিয়ে কথা কিছু হয় নি। ক্লাস, জেনডার, কাস্ট, রিলিজিয়ন এর ভিত্তিতে সিস্টেমিক ডিসক্রিমিনেশন নিয়ে কোনো অবসার্ভেশন কোট দোয় নি।.এটা বেসিকালি বিজেপির দেড় কোটি বাদের প্রকল্পের একটা রাজ্য সরকারে কাছো গ্রহণযোগ্য সংখ্যায় নামার মামলা। এতে ডিক্রিমিনেশন এবং আর্বিট্রারিনোস কে চ্যালেঞাজ করার মামলা না।
    - এটা ও পরিষ্কার না, রাজ্য ভিত্তিক মামলা হচ্ছে কেন বা রাজ্যের মধ্যে তুলনীয় ডেটা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারতো কোর্ট কিন্তু সেটা করেনি।
     
     
     
     
  • albert banerjee | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:২৪746592
  •  
    ভারতে বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) এবং টুরিং যন্ত্রের [AI ] যৌক্তিক অসঙ্গতি: একটি পর্যালোচনা

    ভারতীয় গণতন্ত্রে ভোটার তালিকা একটি জীবন্ত নথি, যা অবিচ্ছিন্ন হালনাগাদ ও সংশোধনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। এই প্রেক্ষাপটে, "স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন" (এসআইআর) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রচেষ্টা, যার লক্ষ্য তালিকার যথার্থতা ও সম্পূর্ণতা নিশ্চিত করে ভোটাধিকারের মূল ভিত্তিকে শক্তিশালী করা। তবে, এই প্রক্রিয়াটি কেবল প্রযুক্তিগত বা যান্ত্রিক নয়; এটি গভীরভাবে মানবিক, সামাজিক ও যৌক্তিক বাস্তবতার সাথে জড়িত। এখানেই উত্থাপিত হতে পারে একটি চিন্তা: যদি আমরা এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে একটি স্বয়ংক্রিয়, নির্ভুল যন্ত্র—যেমন একটি টুরিং মেশিনের [AI]—হাতে সোপর্দ করতাম, তাহলে কী হতো? এমন একটি যন্ত্র কি এসআইআর-এর অন্তর্নিহিত "যৌক্তিক অসঙ্গতি" শনাক্ত ও সমাধান করতে পারতো, নাকি সেগুলোই তার পক্ষে দুর্বোধ্য বা অতিক্রমণীয় হয়ে থাকতো?

    প্রথমেই স্বীকার করতে হবে, একটি টুরিং মেশিন, তাত্ত্বিকভাবে, হল একটি আদর্শগত গাণিতিক মডেল যা যুক্তি ও গণনার সীমা চিহ্নিত করে। এটি নির্দিষ্ট অ্যালগরিদম অনুসরণ করে, সুনির্দিষ্ট নিয়মে সীমাবদ্ধ থেকে কাজ করে। কিন্তু এসআইআর-এর প্রক্রিয়াটি কোনো সুনির্দিষ্ট অ্যালগরিদমে আটকানো যায় না। এটি নাগরিকত্ব, বসবাস, পরিচয় এবং সম্প্রদায়গত অন্তর্ভুক্তির মতো জটিল ও প্রায়শই অস্পষ্ট মানবিক বাস্তবতার মাঝে কাজ করে।

    টুরিং মেশিনের প্রধান সীমাবদ্ধতা হল এর নির্ভুলতা সম্পূর্ণরূপে প্রবিষ্ট তথ্য (ইনপুট) এবং প্রাক-সংজ্ঞায়িত নিয়মের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় ও বিস্তৃত দেশে এসআইআর-এর ইনপুট তথ্য কী? সেটি হল নাগরিকদের দেওয়া ফর্ম, স্থানীয় কর্মকর্তাদের জ্ঞান, বিরোধপূর্ণ দাবি, এবং ঐতিহাসিক তথ্য। এই তথ্যে ভুল, অসম্পূর্ণতা, ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি বা সহজ অনিচ্ছাও থাকতে পারে। একটি টুরিং মেশিন হয়তো যুক্তি ব্যবহার করে "অমিল" খুঁজে বের করবে (যেমন, একই পরিচয় নম্বর দুটি ঠিকানায়), কিন্তু এটি কি পারবে বুঝতে যে একটি "ভুল" আসলে একটি ভাষাগত বিভ্রান্তির ফল (যেমন নামের বানানের পার্থক্য), নাকি তা ইচ্ছাকৃত জালিয়াতি? সে পারবে না, কারণ তার কাছে "সংবেদনশীল ব্যাখ্যা"-র ক্ষমতা নেই।

    বৃহত্তর যৌক্তিক অসঙ্গতিগুলির কথা ভাবা যাক। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, সাধারণত একজন ব্যক্তি কেবল একটি স্থানেই ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেন। কিন্তু জনসংখ্যার বিশাল প্রবাহ, কাজ বা পড়াশোনার জন্য স্থানান্তর, এই নীতিকে অনেক সময় বাস্তবে জটিল করে তোলে। একটি টুরিং মেশিন হয়তো যুক্তি খাটিয়ে এক ব্যক্তির একাধিক নিবন্ধন চিহ্নিত করে সেগুলো মুছে দিতে চাইবে। কিন্তু সে কি পারবে বিচার করতে যে, একটি ক্ষেত্রে ব্যক্তিটি প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী ঠিকানা ছেড়ে নতুন ঠিকানায় স্থানান্তরিত হয়েছে, এবং সেক্ষেত্রে পুরোনো এন্ট্রি বাতিল করাই যুক্তিসঙ্গত? এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শুধু ডেটা নয়, প্রসঙ্গ (কনটেক্সট) বুঝতে হয়—কোনো যন্ত্রের পক্ষে যা সম্ভব নয়।

    আরও গভীর অসঙ্গতি রয়েছে নাগরিকত্ব ও পরিচয় প্রমাণের প্রশ্নে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় দাবি ও আপত্তির একটি পর্যায় থাকে। একজন ব্যক্তির নথি হয়তো যান্ত্রিক যাচাইয়ে "অসম্পূর্ণ" বলে চিহ্নিত হল, কিন্তু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বা কর্মকর্তা তার অস্তিত্ব ও অধিকার নিশ্চিত করতে পারেন। টুরিং মেশিনের যুক্তি এই "মানুষের সাক্ষ্য"-কে কীভাবে মূল্যায়ন করবে? সে কেবল পূর্বনির্ধারিত নথির তালিকার সাপেক্ষে সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে পারবে। ফলে, যারা প্রথাগত নথি রাখেন না বা যাদের নথি হারিয়ে গেছে, এমন বিপুল সংখ্যক গরিব, প্রান্তিক মানুষ এই যান্ত্রিক যুক্তির কষাঘাতে বাদ পড়ার ঝুঁকিতে থাকবেন। এখানে যন্ত্রের "যৌক্তিক নির্ভুলতা" গণতান্ত্রিক "অন্তর্ভুক্তির যুক্তি"-র সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।

    অর্থাৎ, এসআইআর-এর যৌক্তিক অসঙ্গতি মূলত "মানুষের জগৎ" ও "যন্ত্রের জগৎ"-এর মধ্যে ফারাক থেকে জন্ম নেয়। যন্ত্র দেখে ডেটা পয়েন্ট, মানুষ দেখে জীবন। যন্ত্র মূল্যায়ন করে নিয়মের অনুসরণ, মানুষ মূল্যায়ন করে নিয়তির পরিপ্রেক্ষিত। টুরিং মেশিন হয়তো গাণিতিকভাবে "সংশোধন" করতে পারবে, কিন্তু গণতান্ত্রিকভাবে "সংস্কার" করতে পারবে না।

    সবশেষে, কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করা যাক, যা এই বিতর্ককে এগিয়ে নিতে পারে:

    ১. ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুদায়িত্বে মানুষের বিচারবুদ্ধি ও যন্ত্রের দক্ষতার মধ্যে সঠিক সমন্বয় কেমন হওয়া উচিত? অগ্রাধিকার কার হাতে থাকবে?

    ২. যখন একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা কোনো ব্যক্তিকে তালিকা থেকে বাদ দেয়ার প্রস্তাব করে, তখন সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের কার্যকর ও মানবিক প্রক্রিয়া কী হবে? যন্ত্রের যুক্তির বিরুদ্ধে মানুষ কীভাবে তার যুক্তি উপস্থাপন করবে?

    ৩. ভারতের মতো বৈচিত্র্যপূর্ণ সমাজে, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানগুলি কীভাবে সামাজিক-অর্থনৈতিক অসমতা ও ডিজিটাল বিভাজনকে না বাড়িয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারে?

    ৪. টুরিং মেশিনের মত আদর্শ যন্ত্র যদি ভোটার তালিকার "ত্রুটি" শনাক্ত করেই যায়, তাহলে কি সেই ত্রুটির দায় সমাজ, প্রশাসন, নাকি কেবলমাত্র সেই ব্যক্তির—এই নৈতিক ও আইনি দায় নির্ধারণ করবে কে?

    ৫. চূড়ান্তভাবে, ভোটার তালিকা কি কেবল একটি নির্ভুল ডেটাবেজ, নাকি এটি একটি জীবন্ত গণতান্ত্রিক চুক্তিনামা, যার রক্ষণাবেক্ষণে দক্ষতার চেয়ে অন্তর্ভুক্তির নীতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

    এসব প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। তবে, এসআইআর-এর মতো প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার যতই বাড়ুক, এই আলোচনা মনে করিয়ে দেয় যে, গণতন্ত্র যন্ত্রের যুক্তির চেয়ে মানুষের যুক্তিতেই বেশি বিশ্বাস রাখে—এবং রাখাও উচিত।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন